সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার
আমেরিকা

অনুমোদন ও বিধিনিষেধে বাড়তি ১.৩২ লাখ ডলার, আরও কঠিন হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রে বাড়ি কেনা

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুন ১০, ২০২৬ ২০:৩০
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রে নতুন বাড়ি নির্মাণের খরচ ক্রমেই বেড়ে চলেছে। তবে শুধু নির্মাণসামগ্রী, শ্রমিকের মজুরি বা জমির দামই নয়, বাড়তি ব্যয়ের বড় একটি অংশ এখন আসছে বিভিন্ন সরকারি অনুমোদন, নির্মাণবিধি, পরিদর্শন প্রক্রিয়া এবং প্রশাসনিক নিয়মকানুন থেকে। যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন অব হোম বিল্ডার্স (এনএএইচবি)-এর সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, এসব নিয়ন্ত্রক ব্যয় এখন একটি নতুন একক-পরিবারের বাড়ির মোট বিক্রয়মূল্যের ২৬ দশমিক ৪ শতাংশ পর্যন্ত পৌঁছেছে।

 

সংস্থাটির হিসাব অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রে একটি নতুন বাড়ির গড় বিক্রয়মূল্য ছিল ৪ লাখ ৯৯ হাজার ৫০০ ডলার। এর মধ্যে প্রায় ১ লাখ ৩১ হাজার ৭৩৪ ডলার সরাসরি বিভিন্ন অনুমোদন, ফি, বিধিনিষেধ, পরিদর্শন ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার কারণে যুক্ত হয়েছে।

 

গবেষণাটি এমন এক সময়ে প্রকাশিত হয়েছে, যখন যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরে আবাসন সংকটের মুখোমুখি। দেশজুড়ে কয়েক মিলিয়ন আবাসন ইউনিটের ঘাটতি রয়েছে এবং বাড়ির উচ্চমূল্যের কারণে সাধারণ মানুষের জন্য আবাসন ক্রমেই নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে।

 

এনএএইচবির চেয়ারম্যান বিল ওয়েন্স বলেন, অতিরিক্ত এবং ব্যয়বহুল নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা দেশের আবাসন সক্ষমতা সংকটকে আরও গভীর করছে। তার মতে, এসব নিয়মকানুনের কারণে নির্মাতাদের পক্ষে তুলনামূলক সাশ্রয়ী মূল্যের বাড়ি নির্মাণ করা কঠিন হয়ে পড়ছে, যা শেষ পর্যন্ত ক্রেতাদের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করছে।

 

তিনি নীতিনির্ধারকদের প্রতি অপ্রয়োজনীয় ও ব্যয়বহুল বিধিনিষেধ পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানান। তার ভাষায়, অনেক নিয়ম এমনভাবে খরচ বাড়াচ্ছে যে সাধারণ ক্রেতারা আবাসন বাজার থেকে কার্যত ছিটকে পড়ছেন এবং নতুন প্রকল্পের গতি কমে যাচ্ছে।

 

গবেষণা অনুযায়ী, গত পাঁচ বছরে আবাসন নির্মাণে নিয়ন্ত্রক ব্যয় প্রায় ৪০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০১১ সালে যেখানে এসব ব্যয় একটি নতুন বাড়ির ক্ষেত্রে গড়ে ৬৫ হাজার ২২৪ ডলার ছিল, ২০২১ সালে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৯৩ হাজার ৮৭০ ডলারে। বর্তমানে সেই ব্যয় ১ লাখ ৩১ হাজার ডলারেরও বেশি।

 

নির্মাণ খাতে নিয়ন্ত্রণের ধরনও সময়ের সঙ্গে পরিবর্তিত হয়েছে। আগে জমি-সংক্রান্ত বিধিনিষেধ বড় ব্যয়ের কারণ ছিল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে নির্মাণবিধি, নকশা সংক্রান্ত শর্ত এবং অতিরিক্ত পরিদর্শন প্রক্রিয়ার খরচ আরও দ্রুত বেড়েছে।

 

এনএএইচবির জরিপে অংশ নেওয়া প্রায় ৮৮ শতাংশ আবাসন উন্নয়নকারী জানিয়েছেন, তাদের স্থানীয় কর্তৃপক্ষের অতিরিক্ত নকশা-সংক্রান্ত শর্ত মানতে হয়, যা প্রচলিত জোনিং বিধির বাইরের বিষয়। অনেক ক্ষেত্রে উন্নয়ন প্রকল্পের একটি অংশ জনসাধারণের ব্যবহার বা সরকারি প্রয়োজনে সংরক্ষিত রাখার বাধ্যবাধকতাও থাকে।

 

এছাড়া সময়ক্ষেপণও বড় ব্যয়ের উৎস হয়ে উঠেছে। জরিপে অংশ নেওয়া ৯৪ শতাংশ উন্নয়নকারী জানিয়েছেন, বিভিন্ন অনুমোদন ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার কারণে প্রকল্প বাস্তবায়নে বিলম্ব ঘটে। ফলে উন্নয়ন ঋণের সুদ বেড়ে যায়, যা শেষ পর্যন্ত বাড়ির ক্রেতাদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হয়।

 

বিশেষজ্ঞদের মতে, নির্মাণবিধির পরিবর্তন বর্তমানে সবচেয়ে বড় ব্যয়-সৃষ্টিকারী উপাদানগুলোর একটি। বাড়ির বাইরের আবরণ, বেড়া, প্রবেশপথ কিংবা ভবনের অবস্থান নির্ধারণের মতো নানামুখী নকশাগত শর্তও নির্মাতাদের অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করতে বাধ্য করছে।

 

আবাসন খাতের উদ্যোক্তাদের আরেকটি বড় অভিযোগ হলো বিভিন্ন অঞ্চলে নিয়মকানুনের ব্যাপক বৈচিত্র্য। ডালাসভিত্তিক রিয়েল এস্টেট প্রতিষ্ঠান আরআরইএএফ হোল্ডিংসের প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা জেফ হোলজম্যান বলেন, তারা যেসব অঙ্গরাজ্যে কাজ করেন সেখানে মোট প্রকল্প ব্যয়ের ২৫ থেকে ৩৩ শতাংশ পর্যন্ত বিভিন্ন নিয়ন্ত্রক খাতে ব্যয় হয়।

 

তার মতে, সমস্যা শুধু খরচ নয়; বরং একেক শহর ও অঞ্চলে একেক ধরনের নিয়ম থাকায় পরিকল্পনা ও বিনিয়োগ আরও জটিল হয়ে পড়ে। কোথাও যানবাহন চলাচল-সংক্রান্ত সমীক্ষা বাধ্যতামূলক, কোথাও আবার জোনিং অনুমোদন পেতে দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ার মুখোমুখি হতে হয়।

 

হোলজম্যান বলেন, ব্যবসায়ীরা তখনই নতুন বিনিয়োগে আগ্রহী হন, যখন সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া স্পষ্ট ও পূর্বানুমানযোগ্য থাকে। কিন্তু দীর্ঘসূত্রতা ও অনিশ্চয়তা প্রকল্পের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।

 

ক্যালিফোর্নিয়াভিত্তিক আবাসন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান থমাস জেমস হোমসের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা স্টিভ শ্লাগেটারও একই ধরনের অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, পশ্চিম উপকূলের বিভিন্ন শহরে নিয়ম ও ব্যাখ্যার ধরন আলাদা। বিশেষ করে ক্যালিফোর্নিয়ায় পরিবেশগত মূল্যায়ন ও উপকূলীয় উন্নয়ন-সংক্রান্ত অনুমোদন প্রকল্পের সময় ও ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়ে দেয়।

 

বাড়তি ব্যয় ও দীর্ঘ অনুমোদন প্রক্রিয়ার কারণে যুক্তরাষ্ট্রের আবাসন বাজারে নতুন সরবরাহ বৃদ্ধির গতি কমে যাচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। একই সঙ্গে নির্মাণ ব্যয় বাড়ায় অনেক প্রতিষ্ঠান প্রকল্প সীমিত করছে অথবা বড় প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে একীভূত হওয়ার পথে হাঁটছে।

 

আবাসন বিশ্লেষকরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রে আবাসন সংকট নিরসনের জন্য শুধু নতুন বাড়ি নির্মাণ বাড়ালেই হবে না; বরং নির্মাণ প্রক্রিয়াকে আরও দ্রুত, স্বচ্ছ ও ব্যয়সাশ্রয়ী করার বিষয়েও গুরুত্ব দিতে হবে। অন্যথায় সাধারণ ক্রেতাদের জন্য নিজস্ব বাড়ির স্বপ্ন আরও দূরে সরে যেতে পারে।
 


© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

আমেরিকা

View more
বৃহস্পতিবার ওয়াশিংটন ডিসির একটি ফেডারেল আদালতে মামলাটি করা হয়
ভোটকেন্দ্রে সশস্ত্র আইসিই এজেন্ট মোতায়েন ঠেকাতে ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে মামলা

নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচন সামনে রেখে ভোটকেন্দ্রে সশস্ত্র ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই) এজেন্টসহ ফেডারেল কর্মকর্তাদের মোতায়েন ঠেকাতে ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে নাগরিক অধিকার ও ভোটাধিকার সংগঠনগুলোর একটি জোট এবং ডেমোক্র্যাট-নিয়ন্ত্রিত ডেনভার শহর। বৃহস্পতিবার ওয়াশিংটন ডিসির একটি ফেডারেল আদালতে মামলাটি করা হয়। এতে ভোটকেন্দ্র বা ভোট সংগ্রহের স্থানগুলোর আশপাশে সশস্ত্র ফেডারেল কর্মকর্তাদের মোতায়েন নিষিদ্ধ করার পাশাপাশি এ ধরনের যেকোনো পরিকল্পনাকে বেআইনি ঘোষণা করার আবেদন জানানো হয়েছে। মামলায় বলা হয়েছে, ভোটকেন্দ্রে সশস্ত্র কর্মকর্তাদের উপস্থিতির আশঙ্কা নির্বাচনের স্বাধীন পরিবেশকে হুমকির মুখে ফেলতে পারে। এতে ভোটারদের মধ্যে ভয় তৈরি হতে পারে যে ভোট দিতে গেলে তাদের সশস্ত্র ফেডারেল আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মুখোমুখি হতে হবে। মামলায় যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ (ডিএইচএস) ও আইসিই-কে বিবাদী করা হয়েছে। পাশাপাশি ডিএইচএস সচিব মার্কওয়েন মুলিন এবং আইসিইর ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ডেভিড ভেনচুরেল্লাকেও বিবাদী করা হয়েছে। ডেমোক্রেসি ফরোয়ার্ডের মাধ্যমে লীগ অব ইউনাইটেড লাতিন আমেরিকান সিটিজেনস (এলইউএলএসি), কমন কজ, ইউনিডসইউএস এবং ডেনভার শহর এই মামলা করেছে। বাদীপক্ষ ১৮৬৫ সালের একটি ফেডারেল আইনের বিধানের ওপরও জোর দিয়েছে। ওই আইনে সাধারণ বা বিশেষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে—এমন কোনো স্থানে ‘সশস্ত্র লোক’ বা সেনা মোতায়েন করা অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের সশস্ত্র শত্রুর বিরুদ্ধে প্রতিরোধের প্রয়োজন হলে এর ব্যতিক্রম রয়েছে। এর আগে ‘মেক আমেরিকা গ্রেট এগেইন’ বা এমএজিএ শিবিরের কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি ভোটকেন্দ্র ঘিরে আইসিই মোতায়েনের আহ্বান জানালেও ট্রাম্প প্রশাসন এমন কোনো নির্দিষ্ট পরিকল্পনার কথা অস্বীকার করেছে। তবে ভোটকেন্দ্রে কোনো পরিস্থিতিতেই আইসিই থাকবে না—এমন নিশ্চয়তাও দেওয়া হয়নি। চলতি মাসের শুরুতে নিউইয়র্কে এক সংবাদ সম্মেলনে ডিএইচএস সচিব মার্কওয়েন মুলিন বলেন, ভোটকেন্দ্রে টহল দেওয়ার জন্য আইসিই মোতায়েন করা হবে না। তবে কোনো ভোটকেন্দ্রে নিরাপত্তা হুমকি তৈরি হলে কিংবা আগে থেকেই নজরদারিতে থাকা কাউকে গ্রেপ্তারের পরোয়ানা কার্যকর করতে হলে সেখানে আইসিই এজেন্ট যেতে পারে বলে জানান তিনি। মুলিন বলেন, কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে পরোয়ানা কার্যকর করতে হলে প্রয়োজন অনুযায়ী আইসিই কর্মকর্তারা সেখানে উপস্থিত থাকবেন। আইসিইর ডিপোর্টেশন শাখার প্রধান কাজ যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধভাবে প্রবেশ করা বা অভিবাসন আইন লঙ্ঘনকারীদের খুঁজে বের করা, গ্রেপ্তার, আটক ও বহিষ্কার করা। অন্যদিকে এর হোমল্যান্ড সিকিউরিটি ইনভেস্টিগেশনস বা এইচএসআই শাখা সাধারণত আন্তর্জাতিক যোগসূত্র থাকা অপরাধ দমনে কাজ করে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে এই শাখাকেও অভিবাসন enforcement এবং কথিত ভোটার জালিয়াতির তদন্তে কাজে লাগানো হচ্ছে। এদিকে মার্কিন সামরিক বাহিনীও ভোটকেন্দ্রে সেনা বা ন্যাশনাল গার্ড পাঠানোর কোনো পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছে। জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন জানিয়েছেন, নির্বাচনের সময় ভোটকেন্দ্রে সেনা বা ন্যাশনাল গার্ড মোতায়েনের কোনো পরিকল্পনা সামরিক বাহিনীর নেই।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৬ ৬:১৫
ছবি: সংগৃহীত

টেক্সাস সিনেট জরিপে রিপাবলিকানদের পেছনে ফেলে এগিয়ে ডেমোক্র্যাটরা

৫০০ ডলারের রিবেট চেক দেওয়ার ঘোষণা ট্রাম্পের, অক্টোবর থেকে পেতে পারেন যোগ্য আমেরিকানরা

১০ লাখ আমেরিকানকে ৫০০ ডলার করে দিচ্ছেন ট্রাম্প! যারা পাবেন এই টাকা

ট্রাম্পের সঙ্গে সমর্থকদের শপথ, সামনে মধ্যবর্তী নির্বাচন ঘিরে উত্তেজনা

সমর্থকদের সঙ্গে নিয়ে প্রতারণা করে হলেও মধ্যবর্তী নির্বাচনে জেতার শপথ নিলেন ট্রাম্প

ছবি: সংগৃহীত
ওসামা বিন লাদেনের ‘লেটার টু আমেরিকা’

২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলার ২৫ বছর পরও আল-কায়েদার প্রতিষ্ঠাতা ওসামা বিন লাদেনের ২০০২ সালে লেখা ‘লেটার টু আমেরিকা’ চিঠিটি ওই হামলার পেছনে সংগঠনটির তৎকালীন অবস্থান ও যুক্তি বোঝার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক নথি হিসেবে আলোচিত হচ্ছে। চিঠিতে বিন লাদেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতি এবং মধ্যপ্রাচ্যে দেশটির সামরিক ও রাজনৈতিক ভূমিকার কঠোর সমালোচনা করেন। ইসরায়েলের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের সমর্থন, আফগানিস্তানে মার্কিন সামরিক অভিযান এবং ইরাকের ওপর আরোপিত অবরোধসহ বিভিন্ন নীতির প্রসঙ্গ তুলে তিনি এসব কর্মকাণ্ডের কারণে ফিলিস্তিনি, আফগান ও অন্যান্য মুসলিম জনগোষ্ঠী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে দাবি করেন। ফিলিস্তিন প্রসঙ্গে বিন লাদেন ইসরায়েল প্রতিষ্ঠা ও টিকিয়ে রাখার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করার চেষ্টা করেন। তাঁর দাবি ছিল, ইসরায়েলের কর্মকাণ্ডে যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন রয়েছে এবং এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদেরও এর মূল্য দিতে হবে। একইভাবে আফগানিস্তান ও ফিলিস্তিনে মুসলিমদের ওপর কথিত নিপীড়নের প্রতিশোধ নেওয়ার কথা উল্লেখ করেন তিনি। চিঠিতে মার্কিন জনগণের করের অর্থ দেশটির সামরিক কর্মকাণ্ডে ব্যবহৃত হয় এমন যুক্তি তুলে বিন লাদেন যুক্তরাষ্ট্রের সাধারণ নাগরিকদেরও সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের দায়ের অংশীদার হিসেবে দেখানোর চেষ্টা করেন। এই যুক্তির ভিত্তিতে তিনি মার্কিন বেসামরিক নাগরিকদের বিরুদ্ধে সহিংসতাকে ন্যায্য প্রমাণের চেষ্টা করেন। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যবস্থা নিয়েও সমালোচনা করেন এবং ইসলাম গ্রহণের আহ্বান জানান। সৌদি আরবের ধনাঢ্য ব্যবসায়ী পরিবারের সন্তান বিন লাদেন ১৯৮৮ সালে আল-কায়েদা প্রতিষ্ঠা করেন। এর আগে তিনি আফগানিস্তানে সোভিয়েত বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন। তাঁর নেতৃত্বে আল-কায়েদা পরবর্তী সময়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে প্রাণঘাতী হামলা ও বোমা হামলা চালায়। এরই ধারাবাহিকতায় ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে ভয়াবহ হামলা চালানো হয়। চারটি যাত্রীবাহী বিমান ছিনতাই করে হামলাকারীরা নিউইয়র্কের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার ও ওয়াশিংটন ডিসির পেন্টাগনে হামলা চালায়; আরেকটি বিমান পেনসিলভানিয়ায় বিধ্বস্ত হয়। হামলায় প্রায় ৩ হাজার মানুষ নিহত এবং হাজারো মানুষ আহত হন। ২০১১ সালে পাকিস্তানের অ্যাবোটাবাদে একটি কম্পাউন্ডে মার্কিন নেভি সিলের অভিযানে বিন লাদেন নিহত হন।  

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৬ ৫:৩২
৯/১১-এর ২৫ বছর পরও আমেরিকায় মুসলিমদের ঘিরে সন্দেহ ও ইসলামোফোবিয়ার অস্বস্তিকর ইতিহাস

‘কেউ যেন আমাদের ওপর নজর রাখছে’ - ৯/১১-এর পর যুক্তরাষ্ট্রে ইসলামোফোবিয়ার অজানা ইতিহাস

ইতিহাসে প্রথমবারের মতো যুক্তরাষ্ট্রে ডিজেলের জাতীয় গড় দাম প্রতি গ্যালনে ৬ ডলার ছাড়িয়েছে। ছবি: সংগৃহীত

ইতিহাসে প্রথমবার যুক্তরাষ্ট্রে ডিজেলের গড় দাম গ্যালনে ৬ ডলার ছাড়াল

যুক্তরাষ্ট্রের একটি কার ডিলারশিপ লটে বিক্রির জন্য সারি সারি সাজিয়ে রাখা ক্রাইসলার প্যাসিফিকা মডেলের গাড়ি। ছবি: সংগৃহীত

আমেরিকায় ২০২৬ সালে কোন গাড়ির দাম কত, নতুন ও পুরাতন গাড়ির বাজারদর জেনে নিন

মধ্যপ্রাচ্যে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতের আবহে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: সংগৃহীত
ইরানে যুদ্ধ শুরু করায় অনুতপ্ত নই! আবার সুযোগ পেলেও একই সিদ্ধান্ত নিতাম, ট্রাম্পের দাবি

ইয়েমেনের কৌশলগত বন্দরনগরী মোকা দখল করেছে ইরান-সমর্থিত হুতি বাহিনী। বৃহস্পতিবারের এই অগ্রযাত্রায় লোহিত সাগরের গুরুত্বপূর্ণ বাব আল-মান্দাব প্রণালির দিকে হুতিদের নিয়ন্ত্রণ আরও বেড়েছে। এতে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত নতুন মাত্রা পাওয়ার পাশাপাশি বৈশ্বিক তেল সরবরাহ ও আন্তর্জাতিক নৌবাণিজ্য নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে।   ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্ডিপেনডেন্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাব আল-মান্দাব প্রণালি থেকে প্রায় ৮০ কিলোমিটার দূরে মোকা বন্দর। লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগরের সংযোগস্থলে থাকা এই প্রণালি দিয়ে সাধারণত বিশ্বের প্রায় ১২ শতাংশ পণ্য পরিবহন হয়। ফলে এলাকাটিতে হুতিদের নিয়ন্ত্রণ বাড়লে আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচলে বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে।   মোকা দখলের পর হুতি বাহিনী লোহিত সাগরের উপকূল ধরে আরও দক্ষিণে অগ্রসর হয়েছে এবং কৌশলগত হানিশ দ্বীপপুঞ্জের দিকেও এগিয়েছে বলে ইয়েমেনের সরকারি সামরিক সূত্রগুলো জানিয়েছে। অন্যদিকে সৌদি-সমর্থিত ইয়েমেনি বাহিনী বাব আল-মান্দাবের কাছাকাছি ধুবাব এলাকার দিকে সরে যাচ্ছে।   এই পরিস্থিতিতে সৌদি আরবের জন্য উদ্বেগ আরও বেড়েছে। ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতের কারণে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ার পর সৌদি আরব তেল পরিবহনে লোহিত সাগরের পথকে বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করছে। সেই পথও যদি হুতিদের নিয়ন্ত্রণ বা হামলার ঝুঁকিতে পড়ে, তাহলে মধ্যপ্রাচ্য থেকে বৈশ্বিক বাজারে তেল সরবরাহ আরও ব্যাহত হতে পারে।   সংকটের প্রভাব ইতোমধ্যে তেলের বাজারে দেখা গেছে। ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ১০৮ ডলারের কাছাকাছি উঠেছে, যা মে মাসের পর সর্বোচ্চ। সরবরাহপথ নিয়ে নতুন উদ্বেগের কারণে চলতি সপ্তাহে তেলের দাম দ্রুত বেড়েছে।   এদিকে হুতিদের অগ্রযাত্রা ঠেকাতে যুক্তরাষ্ট্রের সরাসরি সামরিক হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছেন সৌদি ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান। অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার তিনি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে দুইবার ফোন করে হুতিদের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার অনুরোধ করেন। তবে ট্রাম্প সরাসরি হামলার নির্দেশ দেননি বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।   এর পরিবর্তে সৌদি আরবকে গোয়েন্দা ও টার্গেটিং সহায়তা বাড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। সিএনএনের প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে দ্য ইন্ডিপেনডেন্ট জানিয়েছে, সৌদি বাহিনীকে রিয়েল-টাইম গোয়েন্দা তথ্য ও ভৌগোলিক টার্গেটিং সহায়তা দিতে সৌদি আরবে শতাধিক মার্কিন সামরিক উপদেষ্টা রয়েছেন। তবে তারা সরাসরি হামলা, সৌদি যুদ্ধবিমানের জ্বালানি সরবরাহ বা অন্যান্য সামরিক অভিযানে অংশ নিচ্ছেন না বলে জানানো হয়েছে।   একই সময়ে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ শেষ হওয়া নিয়ে নতুন করে মন্তব্য করেছেন ট্রাম্প। ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, যুদ্ধ শুরু করার জন্য তার কোনো অনুশোচনা নেই। বরং আবার একই পরিস্থিতি তৈরি হলে তিনি একই সিদ্ধান্ত নিতেন বলে জানান।   ট্রাম্প আরও বলেছেন, নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পরপরই ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষ হবে। তবে ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে দ্য ইন্ডিপেনডেন্ট জানিয়েছে, হোয়াইট হাউসের কয়েকজন শীর্ষ উপদেষ্টা ব্যক্তিগতভাবে সতর্ক করেছেন যে যুদ্ধ ট্রাম্পের বর্তমান প্রেসিডেন্ট মেয়াদের শেষ পর্যন্তও চলতে পারে।   ইয়েমেনের পরিস্থিতিও ক্রমেই উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে। ২০২২ সালে ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের সঙ্গে হুতিদের সংঘাত অনেকটাই কমে এসেছিল। কিন্তু সাম্প্রতিক লড়াইয়ে সেই যুদ্ধবিরতি ভেঙে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। মোকা দখলের পর স্থানীয় বাসিন্দাদের অনেকে শহর ছেড়ে দক্ষিণের দিকে পালিয়ে যাচ্ছেন বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন।   জাতিসংঘের কর্মকর্তারাও ইয়েমেনে নতুন করে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি নিয়ে সতর্ক করেছেন। হুতিদের লোহিত সাগর উপকূলে অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকলে একদিকে ইয়েমেনে পূর্ণাঙ্গ গৃহযুদ্ধ ফিরে আসার আশঙ্কা রয়েছে, অন্যদিকে বাব আল-মান্দাব প্রণালি ঘিরে সংকট বিশ্ব বাণিজ্য ও জ্বালানি সরবরাহে আরও বড় চাপ তৈরি করতে পারে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৬ ২:১৯
টেক্সাসের উচ্চবিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান শিক্ষাক্রমে ইসলাম ও মুসলিম ইতিহাস উপস্থাপনের ধরন নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত

টেক্সাসের নতুন শিক্ষাক্রমে দাসপ্রথা ও জিহাদসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিতর্ক, মুসলমানদের আপত্তি

ক্যালিফোর্নিয়ায় শিশু-কিশোরদের সোশ্যাল মিডিয়ার আসক্তিকর ফিচার থেকে সুরক্ষায় নতুন আইনে স্বাক্ষর করেছেন গভর্নর গ্যাভিন নিউসম। ছবি: সংগৃহীত

১৬ বছরের কম বয়সীদের সোশ্যাল মিডিয়ায় আসক্তি ঠেকাতে ক্যালিফোর্নিয়ায় নতুন আইন

যুক্তরাষ্ট্রে ৩০ বছরের ফিক্সড মর্টগেজের গড় সুদের হার আবারও ৭ শতাংশের ওপরে উঠেছে। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রে মর্টগেজ রেট ৭% ছাড়াল, এক বছরের বেশি সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ

0 Comments