সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার
আমেরিকা

জর্জিয়ায় কত টাকা আয় করলে নিজেকে মধ্যবিত্ত বলা যাবে? প্রকাশ হলো নতুন হিসাব

আটলান্টা প্রতিনিধি প্রকাশ: জুলাই ১৯, ২০২৬ ১২:২৫
জর্জিয়ায় মধ্যবিত্ত হিসেবে বিবেচিত হতে পরিবারগুলোর বার্ষিক আয় সর্বনিম্ন ৫৩,৩২৭ ডলার প্রয়োজন। ছবি: সংগৃহীত
জর্জিয়ায় মধ্যবিত্ত হিসেবে বিবেচিত হতে পরিবারগুলোর বার্ষিক আয় সর্বনিম্ন ৫৩,৩২৭ ডলার প্রয়োজন। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যে একজন পরিবারকে মধ্যবিত্ত হিসেবে বিবেচিত হতে বছরে কমপক্ষে ৫৩ হাজার ৩২৭ ডলার এবং সর্বোচ্চ ১ লাখ ৫৯ হাজার ৯৮২ ডলার আয় করতে হবে। আর রাজ্যটির মধ্যম পারিবারিক আয় ধরা হয়েছে ৭৯ হাজার ৯৯১ ডলার। নতুন এক বিশ্লেষণে এ তথ্য প্রকাশ করেছে আর্থিক সেবা প্রতিষ্ঠান স্মার্টঅ্যাসেট।

 

সাভানাহ মর্নিং নিউজের প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের ৫০টি অঙ্গরাজ্য এবং দেশের ১০০টি বৃহত্তম শহরের আয়ের তথ্য বিশ্লেষণ করে এই হিসাব প্রকাশ করা হয়েছে। গবেষণায় যুক্তরাষ্ট্রের ২০২৪ সালের এক বছরের আমেরিকান কমিউনিটি সার্ভের তথ্য ব্যবহার করা হয়েছে। পাশাপাশি মধ্যবিত্তের সংজ্ঞা নির্ধারণে পিউ রিসার্চ সেন্টারের মানদণ্ড অনুসরণ করা হয়েছে।

 

প্রতিবেদন অনুযায়ী, জর্জিয়ার রাজধানী আটলান্টায় মধ্যবিত্ত হিসেবে বিবেচিত হতে বার্ষিক আয় হতে হবে অন্তত ৫৮ হাজার ৭৭৭ ডলার। এই শহরে মধ্যবিত্ত আয়ের সর্বোচ্চ সীমা ১ লাখ ৭৬ হাজার ৩৩০ ডলার এবং মধ্যম পারিবারিক আয় ৮৮ হাজার ১৬৫ ডলার।

 

বিশ্লেষণে আরও দেখা গেছে, মধ্যবিত্ত হওয়ার জন্য সবচেয়ে বেশি আয়ের প্রয়োজন ম্যাসাচুসেটস অঙ্গরাজ্যে। সেখানে বছরে অন্তত প্রায় ৬৯ হাজার ৮৮৫ ডলার আয় করতে হয়। অন্যদিকে সবচেয়ে কম আয়ের প্রয়োজন মিসিসিপিতে, যেখানে মধ্যবিত্তের সর্বনিম্ন সীমা ৪০ হাজার ডলারের কিছু বেশি।

 

স্মার্টঅ্যাসেট জানিয়েছে, মধ্যবিত্ত আয়ের সীমা নির্ধারণে প্রতিটি অঙ্গরাজ্যের মধ্যম পারিবারিক আয়কে ভিত্তি হিসেবে ধরা হয়েছে। সেই মধ্যম আয়ের দুই-তৃতীয়াংশ থেকে দ্বিগুণ পর্যন্ত আয়কে মধ্যবিত্ত শ্রেণির পরিসর হিসেবে গণ্য করা হয়েছে।


© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

আমেরিকা

View more
নিউইয়র্কে নিহত ব্যাংক কর্মকর্তা এরিনের ৫ মাসের শিশুর জন্য ফান্ডে ৭ লাখ ৬৪ হাজার ডলার
নিউইয়র্কে নিহত ব্যাংক কর্মকর্তা এরিনের ৫ মাসের শিশুর জন্য ফান্ডে ৭ লাখ ৬৪ হাজার ডলার

নিউইয়র্কের টাইমস স্কয়ারে ছুরিকাঘাতে নিহত ব্যাংক অব আমেরিকার ভাইস প্রেসিডেন্ট এরিন পিয়াচেন্তির পাঁচ মাসের মেয়ে ম্যাডিসনের ভবিষ্যৎ ও দেখভালের জন্য চালু করা GoFundMe ফান্ডে এরই মধ্যে ৭ লাখ ৬৪ হাজার ডলারের বেশি অনুদান জমা পড়েছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ৭ হাজার ৯০০ জন এই ফান্ডে অনুদান দিয়েছেন। ফান্ডটির বর্তমান লক্ষ্য ১২ লাখ ডলার।    মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই অনুদানের পরিমাণ এত দ্রুত বেড়েছে। ৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে ফান্ডে ৫ লাখ থেকে ৬ লাখ ৫০ হাজার ডলারের বেশি জমা পড়ার খবর প্রকাশিত হয়েছিল। এরপরও অনুদান আসতে থাকায় বর্তমানে তা ৭ লাখ ৬৪ হাজার ডলার ছাড়িয়েছে।    ফান্ডটি মূলত এরিনের পাঁচ মাসের মেয়ে ম্যাডিসনের যত্ন, ভবিষ্যৎ এবং আর্থিক স্থিতিশীলতার জন্য গড়ে তোলা হয়েছে। GoFundMe-তে বলা হয়েছে, এরিনকে যারা চিনতেন, তার সঙ্গে কাজ করেছেন কিংবা এই মর্মান্তিক ঘটনায় যাদের হৃদয় ছুঁয়ে গেছে, তাদের জন্য এটি তার মেয়ের পাশে দাঁড়ানোর একটি সুযোগ।   এরিন পিয়াচেন্তি ছিলেন ৩২ বছর বয়সী এবং ব্যাংক অব আমেরিকার একজন ভাইস প্রেসিডেন্ট। ৩১ আগস্ট, সোমবার, মাতৃত্বকালীন ছুটি শেষে কাজে ফেরার প্রথম দিনেই ম্যানহাটনের ব্যস্ত টাইমস স্কয়ারে ছুরিকাঘাতে তিনি নিহত হন।    পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনাটি ছিল আকস্মিক ও উদ্দেশ্যহীন হামলা। ৪৯ বছর বয়সী পামেলা সিসনেরোস প্রথমে ৬৮ বছর বয়সী এক ব্যক্তিকে ছুরিকাঘাত করেন। এরপর এরিনকে পেটে ছুরিকাঘাত করা হয়। ঘটনাস্থলের কাছেই থাকা নিউইয়র্ক পুলিশ অফিসাররা হামলাকারীকে থামানোর চেষ্টা করেন। দুই হাতে ছুরি নিয়ে পুলিশের দিকে এগিয়ে আসার পর অফিসাররা তাকে গুলি করেন। পরে হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।    সবচেয়ে হৃদয়বিদারক বিষয় হলো, এরিনের মৃত্যুর মাত্র পাঁচ মাস আগে তার ও স্বামী ফ্র্যাঙ্ক পিয়াচেন্তির প্রথম সন্তান ম্যাডিসনের জন্ম হয়েছিল। GoFundMe-র বর্ণনায় বলা হয়েছে, মা হওয়া ছিল এরিনের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন এবং মেয়েকে নিয়ে নতুন পরিবার গড়ে তোলাই ছিল তার জীবনের সবচেয়ে আনন্দের অধ্যায়গুলোর একটি।    এরিন ও ফ্র্যাঙ্কের বিয়ের দ্বিতীয় বার্ষিকীও চলতি গ্রীষ্মে উদযাপিত হয়েছিল। তারা নিউ জার্সির চেস্টারে নিজেদের বাড়িতে নতুন সন্তানকে নিয়ে ভবিষ্যৎ সাজানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এরিনের মৃত্যুর পর তাদের সেই জীবন এক মুহূর্তেই বদলে গেছে।    এরিন শুধু একজন ব্যাংক কর্মকর্তা ছিলেন না। ইউনিভার্সিটি অব পেনসিলভানিতে পড়াশোনা শেষে তিনি ফোর্ডহ্যাম ইউনিভার্সিটি স্কুল অব ল থেকে ম্যাগনা কাম লডে ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে তিনি ডেভিস পোলক আইন প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন এবং প্রায় ১৮ মাস আগে ব্যাংক অব আমেরিকায় যোগ দেন। সেখানে তিনি বিজনেস সিলেকশন অ্যান্ড কনফ্লিক্টস বিভাগে ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে কাজ করছিলেন।    ফান্ডটি পরিচালনা করছেন এরিনের স্বামী ফ্র্যাঙ্কের ভাইয়ের স্ত্রী বা পরিবারের ঘনিষ্ঠ সদস্য শ্রে গুপ্তা। GoFundMe-র তথ্য অনুযায়ী, ফান্ডটি ফ্র্যাঙ্ক ও এরিনের পরিবারের সঙ্গে পরামর্শ করেই তৈরি করা হয়েছে এবং সংগৃহীত অর্থ সরাসরি ফ্র্যাঙ্কের কাছে যাবে ম্যাডিসনের দেখভাল ও ভবিষ্যতের জন্য ব্যবহারের উদ্দেশ্যে।    পরিবারের পক্ষ থেকে এরিনের মৃত্যুতে শোক জানিয়ে সবার কাছে গোপনীয়তা রক্ষার অনুরোধ করা হয়েছে। একই সঙ্গে ফুল বা অন্য কোনো উপহার পাঠানোর পরিবর্তে ম্যাডিসনের ভবিষ্যতের জন্য নির্ধারিত এই ফান্ডে সহায়তা করার আহ্বান জানানো হয়েছে।    এদিকে এরিনকে হত্যার ঘটনায় তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। নিউইয়র্ক অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয় পুলিশের গুলিতে হামলাকারী পামেলা সিসনেরোসের মৃত্যুর ঘটনাটিও পর্যালোচনা করছে, যা পুলিশ-জড়িত কোনো মৃত্যুর ক্ষেত্রে প্রচলিত প্রক্রিয়ার অংশ।    এরিনের মৃত্যুর পর তার পাঁচ মাসের শিশুকে ঘিরে যে ব্যাপক জনসমর্থন তৈরি হয়েছে, সেটিই এখন ফান্ডটির দ্রুত বাড়তে থাকা অনুদানে প্রতিফলিত হচ্ছে। ১২ লাখ ডলারের লক্ষ্যের বিপরীতে ইতোমধ্যে ৭ লাখ ৬৪ হাজার ডলারের বেশি জমা পড়ায় ফান্ডটি লক্ষ্যের প্রায় ৬৪ শতাংশে পৌঁছে গেছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ৪, ২০২৬ ১১:২৭
গ্রিন কার্ড স্পনসরদের ক্রেডিট তথ্য যাচাইয়ের নতুন সুযোগ পেল ইউএসসিআইএস

গ্রিন কার্ড স্পনসরশিপে ইউএসসিআইএসের নতুন পদক্ষেপ, বাড়ছে যাচাই

অভিবাসন অভিযানের সময় গুলি চালানোর ঘটনায় আইসিই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ফেডারেল অভিযোগ

ভেনেজুয়েলীয়কে গুলি, তদন্তকারীদের মিথ্যা তথ্য দেওয়ার অভিযোগে আইসিই কর্মকর্তা আটক

পেন্সিল ব্যবহার করে জেলের সেলের দরজা খুলে পালিয়ে যান ৩০ বছর বয়সী এক বন্দী

পেন্সিল দিয়েই কারাগারের সেল খুলে পালালেন বন্দী, ৩০ মিনিটেই ফের আটক

নিউইয়র্কে গ্যাং সহিংসতায় বাংলাদেশি তরুণদের নাম, কমিউনিটিতে আতঙ্ক

নিউইয়র্কের বাংলাদেশি কমিউনিটিতে কিশোরদের একটি অংশের গ্যাং সহিংসতায় জড়িয়ে পড়ার অভিযোগ নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। সাম্প্রতিক কয়েকটি মামলায় বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত কিশোর ও তরুণদের বিরুদ্ধে মারামারি, ছিনতাই, ডাকাতি, অস্ত্র বহন ও প্রতিদ্বন্দ্বী গ্রুপের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িত থাকার অভিযোগ সামনে এসেছে। তবে এসব বিচ্ছিন্ন মামলার ভিত্তিতে পুরো বাংলাদেশি তরুণ সমাজকে গ্যাংয়ের সঙ্গে যুক্ত করা ঠিক হবে না। ঠিকানা নিউজের এক প্রতিবেদনে নিউইয়র্ক পুলিশের সাম্প্রতিক তথ্য ও কুইন্স ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির মামলার নথির বরাতে কিশোরদের সহিংসতায় জড়িয়ে পড়ার বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, শহরে সামগ্রিকভাবে গুলির ঘটনা কমলেও সহিংস অপরাধে অপ্রাপ্তবয়স্কদের সম্পৃক্ততা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। ২০২৫ সালে নিউইয়র্কে গুলিবিদ্ধ ব্যক্তিদের ১৪ শতাংশের বয়স ছিল ১৮ বছরের নিচে। একই বছরে গুলি চালানোর ঘটনায় সন্দেহভাজন বা অভিযুক্তদের ১৮ শতাংশই ছিল অপ্রাপ্তবয়স্ক। ২০১৮ সালে এই তথ্য সংগ্রহ শুরু হওয়ার পর এটি ছিল সর্বোচ্চ হার বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। কুইন্সে সাম্প্রতিক একটি মামলায় কথিত ব্লিটজ গ্যাং-৪-এর ২২ সদস্যের বিরুদ্ধে ৯৭টি অভিযোগ আনা হয়েছে। প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, ২০২৩ সাল থেকে ওই গ্যাং ও প্রতিদ্বন্দ্বী গ্রুপগুলোর সংঘর্ষে অন্তত ১১টি গুলির ঘটনা এবং একটি ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে ২০২৬ সালের ৩০ মার্চ ক্যামব্রিয়া হাইটসের একটি ম্যাকডোনাল্ডসের পার্কিং লটে সংঘর্ষের সময় ১৫ বছর বয়সী এক কিশোরকে গুলি চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল বলে প্রসিকিউটরদের অভিযোগ। ওই কিশোর প্রতিপক্ষের দিকে একাধিক গুলি ছোড়ে বলে অভিযোগ রয়েছে। মামলাটির অভিযোগগুলো এখনো আদালতে প্রমাণিত হয়নি। কিশোরদের সহিংসতার আরও কয়েকটি ঘটনাও সামনে এসেছে। ২০২৫ সালের মে মাসে ফ্লাশিংয়ের কিসেনা পার্কে দুই কিশোরকে মারধরের ঘটনায় সাতজন ১৭ বছর বয়সী কিশোরের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ আনা হয়। একই বছরের আরেক ঘটনায় অ্যাস্টোরিয়ার একটি সাবওয়ে স্টেশনে ১৫ বছর বয়সী এক স্কুলছাত্রীকে একটি দল মারধর ও টেজার দিয়ে আঘাত করার অভিযোগ ওঠে। চলতি বছরের এপ্রিলেও কুইন্সের রয় উইলকিনস পার্কে কিশোরদের একটি বড় জমায়েতে ১৫ বছর বয়সী জাদেন পিয়েরেকে দলবদ্ধভাবে হামলা এবং পরে গুলি করে হত্যার অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় ১৮ বছর বয়সী এক তরুণের বিরুদ্ধে হত্যা ও গ্যাং অ্যাসাল্টের অভিযোগ এবং ১৬ বছর বয়সী আরেক কিশোরের বিরুদ্ধে হামলায় অংশ নেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে। এসব অভিযোগও আদালতে প্রমাণসাপেক্ষ। নিউইয়র্কের কিশোর গ্যাং সংস্কৃতিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ভূমিকা নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা কর্মকর্তাদের মতে, ইনস্টাগ্রাম পোস্ট, ভিডিও, গান এবং অনলাইনে প্রতিপক্ষকে অপমান বা হুমকি দেওয়ার ঘটনা কখনো কখনো বাস্তব জীবনের সংঘর্ষকে উসকে দিতে পারে। বর্তমান সময়ের কিশোর গ্যাং সবসময় বড় কোনো সংগঠিত অপরাধী চক্রের অংশ হিসেবে গড়ে ওঠে না। একই স্কুল, মহল্লা, হাউজিং কমপ্লেক্স বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পরিচিতদের নিয়ে তৈরি ছোট গ্রুপও ধীরে ধীরে সংঘাতে জড়িয়ে পড়তে পারে। ব্যক্তিগত বিরোধ থেকে শুরু হওয়া ঘটনা পরে পুরো গ্রুপের প্রতিশোধের লড়াইয়ে রূপ নেওয়ার আশঙ্কা থাকে। নিউইয়র্কে বসবাসকারী বাংলাদেশি পরিবারের জন্য বিষয়টি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ হলেও, কোনো একটি লক্ষণ দেখেই কিশোরকে গ্যাং সদস্য হিসেবে চিহ্নিত করা উচিত নয়। স্কুলে অনুপস্থিতি, হঠাৎ নতুন ও গোপন বন্ধুমহল, রাতে বাড়ির বাইরে থাকা, অজানা উৎস থেকে টাকা বা দামি জিনিস পাওয়া, মারামারির ভিডিও ধারণ কিংবা অস্ত্র ও গ্যাং-সম্পর্কিত ছবি প্রকাশের মতো একাধিক পরিবর্তন একসঙ্গে দেখা দিলে অভিভাবকদের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা প্রয়োজন। নিউইয়র্কের আইন অনুযায়ী ১৮ বছরের নিচে হলেই গুরুতর অপরাধের দায় থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে মুক্তি পাওয়া যায় না। রাজ্যের রেইজ দ্য এজ আইনের অধীনে সাধারণভাবে প্রাপ্তবয়স্ক হিসেবে ফৌজদারি বিচারের বয়স ১৮ করা হলেও নির্দিষ্ট গুরুতর ও সহিংস অপরাধে ১৬ ও ১৭ বছর বয়সীদের বিরুদ্ধেও ক্রিমিনাল কোর্টে মামলা চলতে পারে। বাংলাদেশি কমিউনিটির অধিকাংশ কিশোর স্বাভাবিক শিক্ষা ও পারিবারিক জীবনের সঙ্গে যুক্ত। তাই কয়েকটি মামলার কারণে পুরো কমিউনিটিকে দায়ী করা যেমন অনুচিত, তেমনি কিশোরদের মধ্যে সহিংসতার ঝুঁকির ঘটনাগুলো উপেক্ষা করাও বিপজ্জনক। পরিবার, স্কুল ও কমিউনিটির সমন্বিত নজরদারি এবং সময়মতো সহায়তা কিশোরদের অপরাধের পথে যাওয়া ঠেকাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। সূত্র: ঠিকানা নিউজ

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ৪, ২০২৬ ৮:৪৯
টেট বর্তমানে তার ভাই ট্রিস্টান টেটের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার মিয়ামির ফেডারেল ডিটেনশন সেন্টারে আটক রয়েছেন

নাবালিকাকে যৌন শোষণের অভিযোগে ইনফ্লুয়েন্সার অ্যান্ড্রু টেটের বিরুদ্ধে রোমানিয়ায় নতুন মামলা

নথিবিহীন শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার সুযোগ বন্ধের সিদ্ধান্তে প্রতিবাদ

ফ্লোরিডার সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে নথিবিহীন শিক্ষার্থীদের ভর্তি নিষিদ্ধ

ড্রোন হামলার পর কোকা-কোলার কারখানা এলাকায় ধোঁয়া উড়তে দেখা যায়

কিয়েভে কোকা-কোলার কারখানায় রুশ ড্রোন হামলা, জেলেনস্কির দাবি ‘আমেরিকার জন্য স্পষ্ট বার্তা’

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় রোগীর সঙ্গে গোপন যৌন সম্পর্কে জড়ানোর অভিযোগে থেরাপিস্ট মিশেল লুচাউ-রেবোরা গ্রেফতার হয়েছেন। ছবি: সংগৃহীত
থেরাপি সেশনে রোগীর সঙ্গে যৌন সম্পর্কের অভিযোগ, নারী থেরাপিস্ট গ্রেফতার

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় চিকিৎসাধীন এক রোগীর সঙ্গে গোপন যৌন সম্পর্কে জড়ানোর অভিযোগে ৩২ বছর বয়সী নারী থেরাপিস্ট মিশেল লুচাউ-রেবোরাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, তিনি রোগীর সঙ্গে থেরাপি সেশনের সময়ও যৌন সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন। পাশাপাশি চিকিৎসাকেন্দ্র থেকে ওই রোগীকে বাইরে যাওয়ার সুযোগ করে দিতে বিভিন্ন অজুহাত তৈরিতে সহায়তা করেছিলেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।   মিশেল লুচাউ-রেবোরা ফ্লোরিডার হোমস্টেডের নিউ হোপ কর্পস নামের মাদক ও অ্যালকোহল চিকিৎসাকেন্দ্রে মানসিক স্বাস্থ্যবিষয়ক থেরাপিস্ট হিসেবে শিক্ষানবিশ ছিলেন। সেখানে চিকিৎসাধীন ৪২ বছর বয়সী এক পুরুষ রোগীর সঙ্গে তার প্রায় তিন মাসের যৌন সম্পর্ক ছিল বলে তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। ওই রোগীই পরে বিষয়টি তদন্তকারীদের জানান।   আটকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালে ওই তিন মাসের সময়ে তাদের মধ্যে যৌন সম্পর্ক চলেছিল। কখনো কখনো থেরাপি সেশনের মধ্যেও তারা যৌন সম্পর্কে জড়াতেন বলে রোগী তদন্তকারীদের জানিয়েছেন। তবে এসব তথ্য বর্তমানে তদন্তে উঠে আসা অভিযোগের ভিত্তিতে প্রকাশ করা হয়েছে, যা আদালতে প্রমাণিত হয়নি।   কর্তৃপক্ষের আরও অভিযোগ, চিকিৎসাকেন্দ্রের কঠোর নিয়মের মধ্যে থাকা ওই রোগীকে বাইরে বের হওয়ার সুযোগ করে দিতে লুচাউ-রেবোরা বিভিন্ন অজুহাত তৈরিতে সহায়তা করতেন। এর ফলে রোগী অনুমতি নিয়ে চিকিৎসাকেন্দ্র থেকে বের হয়ে তার সঙ্গে দেখা করতে পারতেন বলে তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।   অভিযোগ অনুযায়ী, রোগীর সঙ্গে দেখা করার কয়েকটি স্থান ছিল লুচাউ-রেবোরার নিজের বাড়ি, তার মায়ের বাড়ি এবং একটি স্থানীয় হাসপাতাল। অর্থাৎ চিকিৎসাকেন্দ্রের বাইরে বিভিন্ন জায়গায় তাদের দেখা হতো বলে তদন্তে দাবি করা হয়েছে। এসব তথ্যও পুলিশের তদন্ত প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম প্রকাশ করেছে।   তদন্তকারীদের কাছে ওই রোগী আরও অভিযোগ করেন, লুচাউ-রেবোরা তাকে তাদের সম্পর্কের বিষয়টি গোপন রাখতে বলেছিলেন। বিষয়টি প্রকাশ হলে থেরাপিস্ট হিসেবে তার চাকরিতে প্রভাব পড়তে পারে বলেও তিনি রোগীকে সতর্ক করেছিলেন বলে তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।   পরে লুচাউ-রেবোরা ওই সম্পর্ক শেষ করে দেন বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। এরপর ৪২ বছর বয়সী ওই রোগী চিকিৎসাকেন্দ্রের কর্তৃপক্ষের কাছে সম্পর্কের বিষয়টি প্রকাশ করেন। অভিযোগ জানার পর প্রতিষ্ঠানটি লুচাউ-রেবোরার শিক্ষানবিশ পদ বাতিল করে এবং বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানায়।   নিউ হোপ কর্পসের নির্বাহী পরিচালক স্টিফেন আলভারেজ জানিয়েছেন, অভিযোগের বিষয়টি জানার পর প্রতিষ্ঠানটি দ্রুত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও সংস্থাগুলোকে অবহিত করে। একই সঙ্গে লুচাউ-রেবোরার শিক্ষানবিশ পদ বাতিল করা হয় এবং তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করা হয়েছে বলে তিনি জানান।   মিশেল লুচাউ-রেবোরা ১ সেপ্টেম্বর পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেন। পরদিন আদালতে হাজির করা হলে বিচারক তার জামিনের অর্থ ৫ হাজার মার্কিন ডলার নির্ধারণ করেন। তার বিরুদ্ধে একজন রোগীর সঙ্গে অনুমতি ছাড়া যৌন সম্পর্কে জড়ানোর অভিযোগে দ্বিতীয় মাত্রার গুরুতর অপরাধের মামলা করা হয়েছে।   লুচাউ-রেবোরা অভিযোগ স্বীকার করেছেন কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে স্পষ্ট নয়। একইভাবে তার পক্ষে কোনো আইনজীবী আনুষ্ঠানিকভাবে বক্তব্য দিয়েছেন কি না, সেটিও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ফলে মামলাটিতে বর্তমানে পুলিশের অভিযোগ ও তদন্ত প্রতিবেদনে উঠে আসা তথ্যই সামনে রয়েছে।   ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর চিকিৎসক বা থেরাপিস্ট এবং রোগীর মধ্যকার পেশাগত সম্পর্কের সীমারেখা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষ করে চিকিৎসাধীন একজন রোগীর সঙ্গে থেরাপিস্টের যৌন সম্পর্কে জড়ানোর অভিযোগ এবং তাকে চিকিৎসাকেন্দ্রের বাইরে যাওয়ার সুযোগ করে দেওয়ার অভিযোগ মামলাটিকে আরও গুরুতর করে তুলেছে। তবে এসব অভিযোগের চূড়ান্ত সত্যতা আদালতের বিচারপ্রক্রিয়ায় নির্ধারিত হবে।   সূত্র: পিপল, এনবিসি মায়ামি

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ৪, ২০২৬ ৫:১৯
গোলাবারুদের ঘাটতির খবর নাকচ করে সমালোচকদের কড়া জবাব ট্রাম্পের

গোলাবারুদের ঘাটতি নেই দাবি করে সমালোচকদের ‘বিশ্বাসঘাতক আবর্জনা’ বললেন ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্রে জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত এবং সঠিক নম্বরে যোগাযোগ করলে প্রয়োজনীয় সহায়তা পাওয়া সহজ হয়। ছবি: সংগৃহীত

আমেরিকায় নতুন? ৯১১ ছাড়াও জরুরি সময়ে কাজে লাগবে যেসব নম্বর, জেনে নিন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের অস্টিনে সীমিত পরিসরে চালকবিহীন ‘সাইবারক্যাব’ রাইড চালু করেছে বৈদ্যুতিক গাড়ি নির্মাতা টেসলা। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে চালকবিহীন ‘সাইবারক্যাব’ চালু করল টেসলা

0 Comments