আমেরিকা

৩০% আমেরিকানরা দোকান থেকে পণ্য চুরি করে! বার্ষিক জরিপে বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য

বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশ: জুলাই ২৩, ২০২৬ ৬:২০
সুপার শপ।ছবি:সংগৃহীত
সুপার শপ। ছবি:সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রে পরিচালিত এক নতুন জরিপে দেখা গেছে, দেশটির উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মানুষ জীবনের কোনো না কোনো সময়ে দোকান থেকে পণ্য চুরি (শপলিফটিং) সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। জরিপের ফলাফল দেশটির খুচরা ব্যবসা খাতে চুরি ও নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি করেছে।

 

ফক্স ১৩ নিউজের প্রতিবেদনে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, জরিপে অংশ নেওয়া অনেক আমেরিকান জানিয়েছেন, তারা অন্তত একবার দোকান থেকে কোনো পণ্য মূল্য পরিশোধ না করে নিয়ে গেছেন। তবে জরিপে অংশগ্রহণকারীদের পরিচয় বা নির্দিষ্ট ঘটনা প্রকাশ করা হয়নি।

 

দোকান চুরি শুধু বড় ধরনের অপরাধের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; অনেক সময় ছোটখাটো পণ্য চুরি থেকেও খুচরা ব্যবসায় বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতি তৈরি হয়। যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন খুচরা প্রতিষ্ঠান দীর্ঘদিন ধরে শপলিফটিংকে অন্যতম বড় সমস্যা হিসেবে উল্লেখ করে আসছে।

 

জরিপে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে কেউ কেউ জানিয়েছেন, কৌতূহল, আর্থিক চাপ, সুযোগ পাওয়া কিংবা মুহূর্তের ভুল সিদ্ধান্তের কারণে তারা এমন কাজ করেছেন। তবে অনেকেই এটিকে ভুল সিদ্ধান্ত হিসেবে উল্লেখ করে ভবিষ্যতে এমন কাজ না করার কথা জানিয়েছেন।

 

যুক্তরাষ্ট্রের খুচরা ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর তথ্য অনুযায়ী, দোকান চুরি প্রতিবছর ব্যবসায়ীদের জন্য বড় আর্থিক ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। চুরি ঠেকাতে অনেক প্রতিষ্ঠান বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, নজরদারি ক্যামেরা এবং প্রযুক্তিনির্ভর পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা ব্যবহার করছে।

 

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহরে খুচরা দোকানে চুরির ঘটনা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়েছে। কিছু ব্যবসায়ী দাবি করেছেন, চুরি বেড়ে যাওয়ার কারণে তাদের নিরাপত্তা ব্যয় বাড়াতে হয়েছে এবং কিছু ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট এলাকায় কার্যক্রম পরিবর্তনের সিদ্ধান্তও নিতে হয়েছে।

 

দোকান চুরির পেছনে একাধিক সামাজিক ও অর্থনৈতিক কারণ কাজ করতে পারে। এর মধ্যে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি, মানসিক চাপ, অপরাধ প্রবণতা এবং আইন প্রয়োগের বিষয়গুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

 

জরিপের ফলাফল দেখিয়েছে, দোকান চুরি একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; বরং এটি যুক্তরাষ্ট্রের খুচরা বাজারে দীর্ঘদিনের একটি চ্যালেঞ্জ। ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো যেমন নিরাপত্তা জোরদার করছে, তেমনি সমাজবিজ্ঞানী ও নীতিনির্ধারকরাও এর পেছনের কারণগুলো নিয়ে আলোচনা করছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

Advertisement

আমেরিকা

View more
গ্যাভেল। ছবি:সংগৃহীত
ডিএনএ-তে উন্মোচিত হলো ১৯৯২ সালের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের রহস্য

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় ৩৪ বছর ধরে অমীমাংসিত থাকা এক ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডে নাটকীয় অগ্রগতি হয়েছে। আধুনিক ডিএনএ প্রযুক্তির সহায়তায় ১৯৯২ সালের ‘কোল্ড কেস’-এর সঙ্গে ৬৫ বছর বয়সী রিকি ডসনকে যুক্ত করার পর তার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে হত্যা, ধর্ষণ ও সংশ্লিষ্ট গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছে।   সান ফ্রান্সিসকো জেলা অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, নিহত নারী ন্যান্সি হার্নান্দেজ (৪৫) ১৯৯২ সালের ২ মে শহরের চায়নাটাউনের হ্যাং আহ অ্যালির একটি ইউটিলিটি করিডোরে মৃত অবস্থায় উদ্ধার হন। তিনি গৃহহীন ছিলেন এবং ওই এলাকাতেই আশ্রয় নিয়ে বসবাস করতেন। ময়নাতদন্তে দেখা যায়, তাকে নির্মমভাবে মারধর, যৌন নির্যাতন এবং শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছিল।    দীর্ঘ সময় মামলাটি অমীমাংসিত থাকলেও ২০২৩ সালে সান ফ্রান্সিসকো পুলিশ বিভাগের কোল্ড কেস ইউনিট পুনরায় তদন্ত শুরু করে। পরে সংরক্ষিত আলামত থেকে পাওয়া ডিএনএ নমুনা জাতীয় ডিএনএ ডাটাবেস (CODIS)-এর সঙ্গে মিলিয়ে রিকি ডসনকে সন্দেহভাজন হিসেবে শনাক্ত করা হয়। ২০২৫ সালে তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়।   তদন্তে আরও উঠে এসেছে, ডসন ইতোমধ্যে কলোরাডোতে ১৯৯৬ সালের এক নারীকে যৌন নির্যাতনের পর হত্যার মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ভোগ করছেন। এছাড়া ফ্লোরিডা ও ওয়াশিংটনের আরও কয়েকটি নারী হত্যাকাণ্ডের সঙ্গেও তার ডিএনএ মিলেছে। তবে সব ঘটনায় এখনো তার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করা হয়নি।   গত ২০ জুলাই সান ফ্রান্সিসকো আদালতে হাজির হয়ে রিকি ডসন নিজের বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করেন এবং নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন। মামলার পরবর্তী শুনানি আগামী ৩০ জুলাই অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।    সান ফ্রান্সিসকো পুলিশের প্রধান বিল স্কট বলেন, “কোনো মামলা যত পুরোনোই হোক, আমরা ন্যায়বিচার নিশ্চিত না করা পর্যন্ত থামব না।” তিনি জানান, তদন্ত এখনও চলমান এবং এ ঘটনায় কারও কাছে তথ্য থাকলে পুলিশকে জানানোর আহ্বান জানানো হয়েছে। 

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশ: জুলাই ২৩, ২০২৬ ৭:৮
সুপার শপ।ছবি:সংগৃহীত

৩০% আমেরিকানরা দোকান থেকে পণ্য চুরি করে! বার্ষিক জরিপে বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য

প্রতীকী ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বজুড়ে উচ্চশিক্ষার স্কলারশিপ খুঁজে পাওয়ার ৫ নির্ভরযোগ্য ওয়েবসাইট, যেভাবে করবেন আবেদন

লিঙ্গ, সমতা, কোভিড–১৯, ইত্যাদি কীওয়ার্ড দেখে গবেষণা অনুদান বাতিল

লিঙ্গ, সমতা, কোভিড–১৯, ইত্যাদি কীওয়ার্ড দেখে গবেষণা অনুদান বাতিল, আদালতে স্বীকার করল হোয়াইট হাউস

ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স
ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের সফরসূচি ফাঁসের সন্দেহে সিক্রেট সার্ভিসের এক সদস্য প্রশাসনিক ছুটিতে

যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের নিরাপত্তা দলের এক সদস্যকে গোপন তথ্য ফাঁসের সন্দেহে প্রশাসনিক ছুটিতে পাঠিয়েছে মার্কিন সিক্রেট সার্ভিস। ভ্যান্সের ভ্রমণসংক্রান্ত সংবেদনশীল তথ্য সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ হওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে সংস্থার অভ্যন্তরীণ তদন্ত শুরু হয়েছে।   সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সিক্রেট সার্ভিসের অভ্যন্তরীণ তদন্ত বিভাগ অভিযোগটি খতিয়ে দেখছে। তদন্তসংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে এমন একটি সংবাদ প্রতিবেদনের তথ্যদাতা হিসেবে সন্দেহ করা হচ্ছে, যেখানে ভাইস প্রেসিডেন্টের ব্যক্তিগত সফর এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার কিছু অপারেশনাল তথ্য প্রকাশিত হয়েছিল।    প্রতিবেদনে প্রকাশিত তথ্যে ভ্যান্সের নির্ধারিত ভ্রমণসূচি এবং তার ছেলে সঙ্গে করে মেরিন কর্পসের একটি হেলিকপ্টারে গলফ প্রশিক্ষণে যাওয়ার পরিকল্পনার উল্লেখ ছিল। পরে সেই সফর বাতিল করা হলেও নিরাপত্তাবিষয়ক এ ধরনের তথ্য প্রকাশ পাওয়ায় হোয়াইট হাউস, এফবিআই এবং সিক্রেট সার্ভিসের শীর্ষ কর্মকর্তাদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়। তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। প্রশাসনিক বা ফৌজদারি কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না, সে বিষয়েও এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মীকে দায়িত্ব থেকে বিরত রাখা হয়েছে।   সাম্প্রতিক সময়ে ট্রাম্প প্রশাসন অনুমোদনহীনভাবে গণমাধ্যমে সরকারি তথ্য ফাঁসের ঘটনা কঠোরভাবে মোকাবিলার ঘোষণা দিয়েছে। এরই মধ্যে সংবেদনশীল নিরাপত্তা-সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশের কয়েকটি পৃথক ঘটনাও তদন্তের আওতায় এসেছে।   মার্কিন সিক্রেট সার্ভিসের দায়িত্ব হলো প্রেসিডেন্ট, ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং অন্যান্য সুরক্ষাপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। নিরাপত্তা পরিকল্পনা, সফরসূচি বা অপারেশনাল তথ্য আগেভাগে প্রকাশ পেলে তা সুরক্ষাব্যবস্থার জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। ফলে এ ধরনের তথ্য ফাঁসের অভিযোগকে সংস্থাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুলাই ২৩, ২০২৬ ২:৩৩
চাচার লালসার ও নির্যাতনের শিকার হয়ে সন্তান প্রসব করল ১২ বছরের ভাতিজী

চাচার লালসার ও নির্যাতনের শিকার হয়ে সন্তান প্রসব করল ১২ বছরের ভাতিজী

গ্র্যান্ড ক্যানিয়নে সঙ্গীর কাছ থেকে আলাদা হতেই নিখোঁজ ৮৩ বছরের পর্যটক

গ্র্যান্ড ক্যানিয়নে সঙ্গীর কাছ থেকে আলাদা হতেই নিখোঁজ ৮৩ বছরের পর্যটক! চলছে ব্যাপক তল্লাশি

ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় বিপর্যস্ত ওয়েস্ট ভার্জিনিয়া

ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় বিপর্যস্ত ওয়েস্ট ভার্জিনিয়া, উদ্ধার অভিযানে ন্যাশনাল গার্ড

লুইজিয়ানায় আঘাত হেনে এবার টেক্সাসের পথে ঘুর্ণিঝড় বার্থা
লুইজিয়ানায় আঘাত হেনে এবার টেক্সাসের পথে ঘুর্ণিঝড় বার্থা

যুক্তরাষ্ট্রের লুইজিয়ানা অঙ্গরাজ্যের দক্ষিণাঞ্চলে আঘাত হানার পর টেক্সাস উপকূলের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঝড় বার্থা। ঝড়টির প্রভাবে উপকূলীয় এলাকায় প্রবল বাতাস, উত্তাল সাগর, ভারী বৃষ্টি এবং আকস্মিক বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল হারিকেন সেন্টার জানিয়েছে, বুধবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার দিকে লুইজিয়ানার সেন্ট বার্নার্ড প্যারিশের বিলোক্সি ওয়াইল্ডলাইফ ম্যানেজমেন্ট এলাকার কাছে বার্থা স্থলভাগে আঘাত হানে। এরপরও ঝড়টির কেন্দ্র দক্ষিণ লুইজিয়ানা উপকূলের কাছ দিয়ে পশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে থাকে।    বুধবার রাত ১০টার হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, বার্থার সর্বোচ্চ একটানা বাতাসের গতি ছিল ঘণ্টায় ৪৫ মাইল। ঝড়টি ঘণ্টায় প্রায় ১২ মাইল বেগে পশ্চিম দিকে এগোচ্ছিল। তখন এর কেন্দ্রীয় বায়ুচাপ ছিল ১ হাজার ২ মিলিবার।    বার্থার প্রভাবে নিউ অরলিন্সসহ লুইজিয়ানার বিভিন্ন এলাকায় দমকা বাতাস, ভারী বৃষ্টি ও উত্তাল ঢেউ দেখা দিয়েছে। ঝড়টি বৃহস্পতিবার টেক্সাস উপকূলের আরও কাছে পৌঁছাতে পারে। তবে স্থলভাগের সংস্পর্শে আসার কারণে ধীরে ধীরে দুর্বল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।   লুইজিয়ানার ক্যামেরনের পশ্চিমাঞ্চল থেকে টেক্সাসের সার্জেন্ট পর্যন্ত গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঝড়ের সতর্কতা জারি করা হয়েছে। সতর্কতার আওতায় গ্যালভেস্টন, গ্যালভেস্টন আইল্যান্ড এবং সার্ফসাইড বিচও রয়েছে। এসব এলাকায় ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ঝড়ো আবহাওয়া দেখা দিতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া কর্তৃপক্ষ।    টেক্সাস উপকূলে পৌঁছানোর সময় বার্থার প্রভাবে দমকা বাতাস, বিপজ্জনক ঢেউ, জলোচ্ছ্বাস এবং কয়েক দফা ভারী বৃষ্টি হতে পারে। বিশেষ করে নিচু ও দুর্বল নিষ্কাশনব্যবস্থার এলাকায় পানি জমে আকস্মিক বন্যা দেখা দেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।   পূর্বাভাসে টেক্সাসের বিভিন্ন এলাকায় ২ থেকে ৪ ইঞ্চি পর্যন্ত বৃষ্টিপাতের কথা বলা হয়েছে। কোনো কোনো স্থানে বৃষ্টির পরিমাণ আরও বেশি হতে পারে। উপকূলীয় এলাকার বাসিন্দাদের সাগরে না নামতে এবং স্থানীয় জরুরি সতর্কতা অনুসরণ করতে বলা হয়েছে।    বার্থা ২০২৬ সালের আটলান্টিক ঘূর্ণিঝড় মৌসুমের দ্বিতীয় নাম পাওয়া ঝড়। এর আগে জুনে মৌসুমের প্রথম ঝড় আর্থার টেক্সাস উপকূলে ভারী বৃষ্টি ও দমকা বাতাস নিয়ে এসেছিল।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুলাই ২৩, ২০২৬ ১:১৬
বাড়িতে মিলল ৮০ প্রাণীর ভয়াবহ চিত্র

ডাক বিলির পথে বিড়াল কুড়িয়ে আনতেন, বাড়িতে মিলল ৮০ প্রাণীর ভয়াবহ চিত্র

মার্কিন প্রেসিন্ডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: সংগৃহীত

ইরান যুদ্ধের অর্থায়নে ৯৫ বিলিয়ন ডলারের বাজেটের প্রস্তাব যুক্তরাষ্ট্রের

নিউ মেক্সিকোর বিদ্যুতের খুঁটির চূড়ায় আটকে পড়া ভালুকের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রে বিদ্যুতের খুঁটির মাথায় ভালুক, উদ্ধারের আগেই বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু

0 Comments