আমেরিকা

যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র তাপপ্রবাহ, আকস্মিক বন্যা ও ঝড়ের সতর্কতা

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুলাই ২৬, ২০২৬ ১৬:৪৯
যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র তাপপ্রবাহ, আকস্মিক বন্যা ও ঝড়ের সতর্কতা
যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র তাপপ্রবাহ, আকস্মিক বন্যা ও ঝড়ের সতর্কতা

যুক্তরাষ্ট্রের বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে তীব্র তাপপ্রবাহ, আকস্মিক বন্যা এবং শক্তিশালী ঝড়ের ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ায় সতর্কতা জারি করেছে দেশটির ন্যাশনাল ওয়েদার সার্ভিস (এনডব্লিউএস)।


আবহাওয়াবিদদের আশঙ্কা, আগামী কয়েক দিন মধ্য ও দক্ষিণাঞ্চলসহ একাধিক অঙ্গরাজ্যে বিপজ্জনক তাপমাত্রার পাশাপাশি আকস্মিক বন্যার ঝুঁকি আরও বাড়তে পারে।সাম্প্রতিক ঝড় ও বন্যায় অ্যারিজোনা, টেক্সাস এবং উটাহে অন্তত আটজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে পশ্চিম ভার্জিনিয়াতেও ভারী বৃষ্টির কারণে আকস্মিক বন্যায় প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। উদ্ধারকারী দল ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় তল্লাশি ও সহায়তা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।


আবহাওয়া পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, মধ্য-পশ্চিম, দক্ষিণাঞ্চল এবং গ্রেট লেকস অঞ্চলে তাপমাত্রা অনেক স্থানে ১০৫ ডিগ্রি ফারেনহাইট (প্রায় ৪০ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস) বা তারও বেশি অনুভূত হতে পারে। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কিছু এলাকায় তা ১২০ ডিগ্রি ফারেনহাইট (প্রায় ৪৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস) পর্যন্ত পৌঁছানোর আশঙ্কা রয়েছে। বর্তমানে চার কোটিরও বেশি মানুষ চরম তাপমাত্রার সতর্কতার আওতায় রয়েছে।


আবহাওয়াবিদরা আরও জানিয়েছেন, তীব্র গরমের পাশাপাশি বজ্রঝড় ও অতিভারী বৃষ্টিপাতের কারণে বিভিন্ন এলাকায় আকস্মিক বন্যা দেখা দিতে পারে। বিশেষ করে নিচু এলাকা, নদীসংলগ্ন অঞ্চল এবং নগরাঞ্চলের বাসিন্দাদের অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণ এড়িয়ে চলতে এবং স্থানীয় কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে।

 

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা শিশু, বয়স্ক এবং দীর্ঘমেয়াদি অসুস্থ ব্যক্তিদের অতিরিক্ত সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। পর্যাপ্ত পানি পান, সরাসরি রোদ এড়িয়ে চলা এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত স্থানে থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে, কারণ তাপজনিত অসুস্থতার ঝুঁকি দ্রুত বাড়ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

Advertisement

আমেরিকা

View more
অভিবাসী গ্রেপ্তার করছে আইসিই I ছবি: সংগৃহীত
ট্রাম্প প্রশাসনের ধরপাকড়ে দিনে ১,৪০০-এর বেশি অভিবাসী গ্রেপ্তার করছে আইসিই

যুক্তরাষ্ট্রে ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের প্রশাসনে ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই) বা অভিবাসন কর্তৃপক্ষের গ্রেপ্তারের হার অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। হোয়াইট হাউসের নতুন নির্দেশনার পর দেশজুড়ে চলমান অভিযানের জেরে জুলাই মাসের প্রথম ১২ দিনেই গড়ে প্রতিদিন ১ হাজার ৪০০ জনের বেশি মানুষকে গ্রেপ্তার করেছে সংস্থাটি।   কংগ্রেসের কাছে জমা দেওয়া আইসিই-এর অভ্যন্তরীণ পরিসংখ্যানের বরাতে মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, ট্রাম্প প্রশাসনের অধীনে একক মাস হিসেবে এটিই সর্বোচ্চ গ্রেপ্তারের রেকর্ড হতে যাচ্ছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বছরে ১০ লাখ নথিপত্রহীন অভিবাসীকে দেশ থেকে বিতাড়নের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছেন। এ কারণেই মূলত গ্রেপ্তার অভিযানের মাত্রা দেশজুড়ে ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।   পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত জুন মাসেই ৩৯ হাজার ৫০০-এর বেশি অভিবাসীকে গ্রেপ্তার করে আইসিই-এর বিভিন্ন আটক কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে, যা গত ডিসেম্বরের রেকর্ডকেও ছাড়িয়ে গেছে। জুলাই মাসের বর্তমান ধারা অব্যাহত থাকলে এই সংখ্যা আরও বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে গ্রেপ্তারের এই তীব্রতার মাঝেই দেশের বিভিন্ন স্থানে অনাকাঙ্ক্ষিত প্রাণহানির ঘটনাও ঘটছে। হিউস্টন ও মেইনে মাত্র ছয় দিনের ব্যবধানে আইসিই এজেন্টদের গুলিতে দুজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এর রেশ কাটতে না কাটতেই সম্প্রতি ফ্লোরিডায় এজেন্টদের কাছ থেকে পালিয়ে যাওয়ার সময় ট্রাকের ধাক্কায় আরও একজনের মৃত্যু হয়।   গত জানুয়ারিতে মিনিয়াপোলিসে অভিযানের সময় দুজনের মৃত্যুর পর ফেব্রুয়ারিতে গ্রেপ্তারের হার কিছুটা কমলেও, এরপর থেকে তা আবার ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে। হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের (ডিএইচএস) তথ্যমতে, চলতি মাসে বেশ কয়েকবার দৈনিক গ্রেপ্তারের সংখ্যা ২ হাজার ছাড়িয়েছে। মূলত দৈনিক গ্রেপ্তারের নতুন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করার পর থেকেই অভিযানে এই গতি এসেছে। সামগ্রিকভাবে, গত বছরের একই সময়ের তুলনায় চলতি বছর আইসিই-এর গ্রেপ্তারের হার ৪০ শতাংশেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুলাই ২৬, ২০২৬ ১৭:২৯
ছবি: এএফপি

শ্রেণিকক্ষে মানুষ নয়, এবার পড়াবে রোবট! ক্ষুব্ধ নিউইয়র্কের শিক্ষকেরা

যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র তাপপ্রবাহ, আকস্মিক বন্যা ও ঝড়ের সতর্কতা

যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র তাপপ্রবাহ, আকস্মিক বন্যা ও ঝড়ের সতর্কতা

১২ বার যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিষ্কার হওয়ার পরও অবৈধভাবে ফিরে এসে আবারও গ্রেপ্তার হয়েছেন এক মেক্সিকান নাগরিক

১২ বার যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিষ্কার হওয়ার পরও অবৈধভাবে ফিরে এসে আবারও গ্রেপ্তার হয়েছেন এক মেক্সিকান নাগরিক

‘গোল্ডেন ভিসা’ পেতে ইউরোপে ঝুঁকছেন মার্কিন নাগরিকরা, সবচেয়ে সাশ্রয়ী গন্তব্য হিসেবে এগিয়ে হাঙ্গেরি
‘গোল্ডেন ভিসা’ পেতে ইউরোপে ঝুঁকছেন মার্কিন নাগরিকরা, সবচেয়ে সাশ্রয়ী গন্তব্য হিসেবে এগিয়ে হাঙ্গেরি

বিদেশে স্থায়ী বা দীর্ঘমেয়াদি বসবাসের সুযোগ পেতে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের আগ্রহ দ্রুত বাড়ছে। বিশেষ করে বিনিয়োগের মাধ্যমে আবাসনের অনুমতি দেওয়া ‘স্বর্ণ ভিসা’ কর্মসূচির প্রতি তাদের আগ্রহ এখন আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি। ভ্রমণবিষয়ক আন্তর্জাতিক সাময়িকী ট্রাভেল অ্যান্ড লেজার সম্প্রতি প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে। ট্রাভেল অ্যান্ড লেজার-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মধ্য ইউরোপের দেশ হাঙ্গেরি বর্তমানে ইউরোপের অন্যতম কম ব্যয়বহুল স্বর্ণ ভিসা কর্মসূচি পরিচালনা করছে। তুলনামূলক কম বিনিয়োগে দেশটিতে দীর্ঘমেয়াদি বসবাসের অনুমতি পাওয়া যায় বলে মার্কিন নাগরিকদের কাছে এটি দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক বিনিয়োগভিত্তিক অভিবাসন পরামর্শক প্রতিষ্ঠান হেনলি অ্যান্ড পার্টনার্স-এর ২০২৫ সালের বিনিয়োগভিত্তিক অভিবাসন কর্মসূচি প্রতিবেদন বলছে, ২০২৪ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে বিদেশে বসবাসের অনুমতি বা দ্বিতীয় নাগরিকত্ব বিষয়ে মার্কিন নাগরিকদের অনুসন্ধান ১৮৩ শতাংশ বেড়েছে। একই সঙ্গে গত পাঁচ বছরে এ ধরনের অনুসন্ধান প্রায় ১,০০০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। হেনলি অ্যান্ড পার্টনার্স জানিয়েছে, রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা, উন্নত শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা, আন্তর্জাতিক ভ্রমণের সুবিধা, সম্পদ সুরক্ষা এবং ভবিষ্যতের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করেই অনেক মার্কিন নাগরিক বিদেশে বিকল্প আবাসনের পথ খুঁজছেন। ট্রাভেল অ্যান্ড লেজার আরও উল্লেখ করেছে, ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য দেশ হওয়ায় হাঙ্গেরিতে বৈধভাবে বসবাসের অনুমতি পাওয়া ব্যক্তিরা শেনজেন অঞ্চলের বিভিন্ন দেশে সহজে যাতায়াতের সুবিধা পান। এ কারণেও দেশটির স্বর্ণ ভিসা কর্মসূচি আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের কাছে আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে। প্রতিটি দেশের বিনিয়োগভিত্তিক আবাসন কর্মসূচির শর্ত, বিনিয়োগের পরিমাণ, করব্যবস্থা এবং নাগরিকত্ব পাওয়ার নিয়ম ভিন্ন। তাই আবেদন করার আগে সংশ্লিষ্ট দেশের সরকারি নীতিমালা ও আইনি শর্ত ভালোভাবে যাচাই করা উচিত।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুলাই ২৬, ২০২৬ ১৬:২৫
টয়লেটে বসলেই শুরু হবে স্বাস্থ্য পরীক্ষা, বাজারে আসছে ‘স্মার্ট টয়লেট সিট’

টয়লেটে বসলেই শুরু হবে স্বাস্থ্য পরীক্ষা, বাজারে আসছে ‘স্মার্ট টয়লেট সিট’

পরজীবী সংক্রমণে আক্রান্ত ১১ হাজার মার্কিনি, সমালোচনায় ট্রাম্প প্রশাসনের খাদ্য নিরাপত্তা নীতি

পরজীবী সংক্রমণে আক্রান্ত ১১ হাজার মার্কিনি, সমালোচনায় ট্রাম্প প্রশাসনের খাদ্য নিরাপত্তা নীতি

ব্রঙ্কসের মাউন্ট ইডেন এলাকার এলিয়ট প্লেসে অবস্থিত একটি দোকানের সামনে ঘটে এই নির্মম গোলাগুলির ঘটনা। ছবি: সংগৃহীত

বন্দুকযুদ্ধে প্রাণ গেল পুলিশের ছেলের, ১২ বছরের জ্যাকবের মৃত্যুতে স্তব্ধ নিউইয়র্ক

ফক্স নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ইরানের ওপর সামরিক অভিযান স্থগিত রাখার বিষয়টি স্পষ্ট করেছেন মার্কিন প্রতিনিধি মাইক ওয়াল্টজ। ছবি: সংগৃহীত
আলোচনার সুযোগ দিতে ইরানে সামরিক অভিযান স্থগিত রাখলেন ট্রাম্প: যুক্তরাষ্ট্র

কূটনৈতিক উদ্যোগকে এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ তৈরি করতে এবং দ্বিপক্ষীয় আলোচনার দরজা খোলা রাখতেই প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তেহরানের ওপর চলা সামরিক আক্রমণ সাময়িকভাবে থামিয়ে দিয়েছেন। সম্প্রতি সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজকে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে বিষয়টি স্পষ্ট করেছেন জাতিসংঘের মার্কিন প্রতিনিধি মাইক ওয়াল্টজ। তিনি জানান, পারস্পরিক সংলাপের প্রক্রিয়াকে সফল করে তুলতে মার্কিন প্রশাসন পরিস্থিতি কিছুটা নমনীয় রাখছে এবং প্রয়োজনীয় সময় দিচ্ছে।   ওয়াশিংটন ও তেহরানের চলমান কূটনৈতিক যোগাযোগের নির্দিষ্ট রূপরেখা বা খুঁটিনাটি বিষয় নিয়ে তিনি সরাসরি মুখ না খুললেও, এই সিদ্ধান্তের ফলে গত সপ্তাহের শেষভাগ থেকেই সংঘাতের মাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে এসেছে। প্রায় টানা দুই সপ্তাহ বা তেরো দিন ধরে চলা তীব্র বিমান হামলার কার্যক্রম আপাতত বন্ধ রেখেছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন। এছাড়া এই বিরতির সুবাদে মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য অঞ্চলে ইরানের আশপাশের দেশগুলোতেও সপ্তাহজুড়ে নতুন কোনো হামলার ঘটনা রেকর্ড করা হয়নি।   চলমান এই সামরিক বিরতি দুই দেশের মধ্যকার চরম বৈরিতা ও উত্তেজনা প্রশমনে কোনো দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব ফেলবে কি না, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে নানা আলোচনা চলছে। তবে দুই দেশের রাষ্ট্রীয় পর্যায় থেকে পরবর্তী কার্যক্রম বা পরবর্তী রূপরেখা সম্পর্কে এখনও বিস্তারিত কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি। ফলে সংঘাতপূর্ণ মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে কূটনৈতিক এই মধ্যস্থতা শেষ পর্যন্ত কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকেই এখন সবার নজর রয়েছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুলাই ২৬, ২০২৬ ১০:৫৯
অনলাইনে দর্শক বাড়ানো এবং সোশ্যাল মিডিয়াকে পেশা হিসেবে গড়ে তোলার কৌশল শেখানো হবে এই একাডেমিক প্রোগ্রামে। স্টক - অ্যাডোবি

কন্টেন্ট ক্রিয়েটর বানানোর ডিগ্রি চালু করল যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনা স্টেট ইউনিভার্সিটি

গ্রীষ্মকালে তীব্র গরম ও আর্দ্রতার কারণে যুক্তরাষ্ট্রের দশটি অঙ্গরাজ্যে মশার উপদ্রব চরম আকার ধারণ করেছে। ছবি: কোলাজ - আমেরিকা বাংলা

তীব্র গরমে মশার উপদ্রবে যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ ১০ অঙ্গরাজ্য

সংখ্যার কুসংস্কারের কারণে নিউইয়র্ক সিটির ৯১ শতাংশ উচ্চতম ভবনে ১৩ নম্বর তলাটি এড়িয়ে যাওয়া হয়। গেটি ইমেজেস

নিউইয়র্কের ৯১ শতাংশ ভবনে কেন ব্যবহার করা হয় না ১৩ নম্বর তলা?

0 Comments