জর্জিয়ায় মিল্কশেক পছন্দ না হওয়ায় ফাস্টফুড কর্মীর ওপর হা মলার অভিযোগ
যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের একটি ডেইরি কুইন রেস্তোরাঁয় মিল্কশেক নিয়ে বিতর্কের জেরে এক গ্রাহকের বিরুদ্ধে ফৌজদারি অভিযোগ গঠন করতে যাচ্ছে পুলিশ। মেট্রো আটলান্টা এলাকার পাউডার স্প্রিংসের অস্টেল-পাউডার স্প্রিংস রোডে অবস্থিত ওই ফাস্টফুড রেস্তোরাঁয় গত মঙ্গলবার দুপুরে এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে।
পরবর্তীতে রেস্তোরাঁ কর্তৃপক্ষের প্রকাশিত সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, দুপুর ১টা ১১ মিনিটের দিকে ড্রাইভ-থ্রু লেনে এক ব্যক্তি ক্ষুব্ধ হয়ে এক কর্মীর দিকে পানীয় ও কাপ ছুড়ে মারছেন এবং এরপর দ্রুত গাড়ি চালিয়ে চলে যাচ্ছেন। ডেইরি কুইন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ওই গ্রাহক তাকে দেওয়া পানীয়টি ‘মিল্কশেক নয়’ দাবি করে চরম ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন এবং একপর্যায়ে ম্যানেজারের ওপর এই হামলা চালান।
ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট করার মাত্র একদিন পরই পাউডার স্প্রিংস পুলিশ জানিয়েছে, তারা অভিযুক্ত ব্যক্তিকে শনাক্ত করতে সক্ষম হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি অভিযোগ দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। এ প্রসঙ্গে পুলিশ বিভাগের পক্ষ থেকে এক সতর্কবার্তায় বলা হয়, সেবা নিয়ে হতাশা প্রকাশ করা, ম্যানেজারের সঙ্গে কথা বলা বা অর্ডারের ত্রুটি সংশোধনের অনুরোধ করা পুরোপুরি স্বাভাবিক।
কিন্তু শুধুমাত্র নিজের দায়িত্ব পালনরত কোনো কর্মীর ওপর হামলা করা কখনোই সমর্থনযোগ্য হতে পারে না। তবে কর্তৃপক্ষ এখনো অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম-পরিচয় বা তার বিরুদ্ধে ঠিক কী কী ধারায় অভিযোগ আনা হচ্ছে, তা প্রকাশ করেনি।
এদিকে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া ও সার্বিক সহযোগিতার জন্য স্থানীয় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং সাধারণ মানুষের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে ডেইরি কুইন কর্তৃপক্ষ। এক বিবৃতিতে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে বলা হয়, তাদের কর্মীদের প্রতি সাধারণ মানুষের এই সমর্থন ও ভালোবাসা তাদের কাছে অত্যন্ত মূল্যবান।
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়। তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।” ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে। প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন। ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন। প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল। মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি। রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে। ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে। অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর। যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।
২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো। প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে। এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে। অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে। স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে। সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।
যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে। এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি। উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।” বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে। এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়। উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত। এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।
যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে। আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন। ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে | এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।
আমেরিকা
View moreক্যালিফোর্নিয়ার ডেমোক্র্যাট সিনেটর অ্যালেক্স প্যাডিলা সম্প্রতি মার্কিন সিনেটে একটি যুগান্তকারী বিল পুনরায় উত্থাপন করেছেন, যা লাখ লাখ অভিবাসীর জন্য যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাসের বা গ্রিন কার্ড পাওয়ার সুযোগ তৈরি করবে। ‘রিনিউয়িং ইমিগ্রেশন প্রভিশনস অব দ্য ইমিগ্রেশন অ্যাক্ট অব ১৯২৯’ শীর্ষক এই বিলটি ১৯২৯ সালের একটি পুরোনো অভিবাসন আইনকে যুগোপযোগী করার লক্ষ্যে প্রস্তাব করা হয়েছে। বর্তমান ট্রাম্প প্রশাসনের কঠোর অভিবাসন নীতি এবং গণ-ডিপোর্টেশন বা বিতাড়ন কর্মসূচির বিপরীতে দীর্ঘমেয়াদী অভিবাসীদের আইনি সুরক্ষা দিতেই মূলত ডেমোক্র্যাটরা এই উদ্যোগ নিয়েছেন। প্রস্তাবিত এই বিলে বর্তমান অভিবাসন আইনের 'রেজিস্ট্রি' বা নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় ব্যাপক পরিবর্তনের কথা বলা হয়েছে। ১৯৮৬ সালের পর থেকে এই আইনে কোনো বড় সংস্কার হয়নি এবং বর্তমানে কেবল ১৯৭২ সালের ১ জানুয়ারির আগে যারা যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেছেন, তারাই এই সুবিধার আওতাভুক্ত। কিন্তু নতুন বিলে এই নির্দিষ্ট কাট-অফ তারিখ বাতিল করে একটি চলমান বা রোলিং সময়সীমা নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে। এর ফলে, কোনো অভিবাসী গুরুতর অপরাধমূলক রেকর্ড ছাড়া টানা সাত বছর যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করলে তিনি আইনত স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদন করার যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন। সিনেটর প্যাডিলার কার্যালয় ও সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, এই বিলটি আইনে পরিণত হলে প্রায় ৮ মিলিয়ন বা ৮০ লাখ মানুষ সরাসরি উপকৃত হবেন। সুবিধাভোগীদের মধ্যে ড্রিমার, টেম্পোরারি প্রোটেক্টেড স্ট্যাটাস (টিপিএস) হোল্ডার, দীর্ঘমেয়াদী ভিসাধারীদের সন্তান এবং দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষায় থাকা এইচ-১বি (H-1B) ভিসাধারী উচ্চ দক্ষতাসম্পন্ন কর্মীরাও রয়েছেন। প্যাডিলা জোর দিয়ে বলেছেন, যারা বছরের পর বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি ও সমাজে অবদান রাখছেন এবং নিয়মিত কর পরিশোধ করছেন, তাদের জন্য একটি সুষ্ঠু আইনি পথ তৈরি করা এখন সময়ের দাবি। তবে, বিলটি মার্কিন কংগ্রেসে চূড়ান্তভাবে পাস হওয়া বেশ কঠিন একটি রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ। বর্তমান কংগ্রেসে রিপাবলিকানদের আধিপত্য থাকায় এবং অভিবাসন ইস্যুতে মার্কিন রাজনীতিতে তীব্র দলীয় বিভক্তি থাকায় এই পদক্ষেপের ভবিষ্যৎ অনেকটাই অনিশ্চিত। রক্ষণশীল ও কট্টরপন্থীরা এরই মধ্যে বিলটির তীব্র সমালোচনা শুরু করেছেন; অনেকেই এটিকে অবৈধ অভিবাসীদের জন্য একটি সাধারণ ক্ষমা বা 'অ্যামনেস্টি' হিসেবে আখ্যা দিয়ে এর বিরোধিতা করছেন। তা সত্ত্বেও, ডিক ডারবিন ও বার্নি স্যান্ডার্সের মতো প্রবীণ নেতারা এবং দেশব্যাপী অসংখ্য শ্রমিক ও মানবাধিকার সংগঠন এই বিলের প্রতি তাদের জোরালো সমর্থন জানিয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনায় পানিতে ডুবে ‘মৃত’ ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা পর মর্গে শ্বাস নিতে শুরু করল ১৮ মাসের শিশু
অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে আরও ২৩ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাষ্ট্র
জর্জিয়ায় মিল্কশেক পছন্দ না হওয়ায় ফাস্টফুড কর্মীর ওপর হা মলার অভিযোগ
ইসরায়েলে অতীতে সংঘটিত হামলার ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত মার্কিন নাগরিকদের পক্ষে দেওয়া ৬৫ কোটি ৬০ লাখ ডলারের ক্ষতিপূরণের রায় সাময়িকভাবে স্থগিত করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্টের কাছে আবেদন জানিয়েছে ফিলিস্তিন কর্তৃপক্ষ। দীর্ঘ দুই দশকের বেশি সময় ধরে চলা আইনি লড়াইয়ের পর একটি নিম্ন আদালত সম্প্রতি এই রায় পুনর্বহাল করায় ফিলিস্তিনের পক্ষ থেকে এই জরুরি আপিল করা হলো। ফিলিস্তিন মুক্তি সংস্থা (পিএলও) এবং ফিলিস্তিন কর্তৃপক্ষ আদালতের নথিপটে জানিয়েছে যে, এই বিশাল অঙ্কের ক্ষতিপূরণ বর্তমানে পরিশোধ করতে হলে তা পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিন সরকারের প্রদান করা গুরুত্বপূর্ণ সরকারি সেবাগুলোকে অস্থিতিশীল করে তুলবে। একই সঙ্গে এটি সাধারণ নাগরিকদের ক্ষতিগ্রস্ত করবে এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তাকে মারাত্মক ঝুঁকিতে ফেলবে। এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল চলমান থাকা অবস্থায় অর্থ পরিশোধ স্থগিত রাখার অনুরোধ জানিয়েছেন তারা। উল্লেখ্য, ২০০০-এর দশকের শুরুর দিকে জেরুজালেমে সংঘটিত বিভিন্ন হামলায় ৩৩ জন নিহত এবং শত শত মানুষ আহত হওয়ার ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত আমেরিকান পরিবারগুলো এই মামলা করেছিল। আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসী হামলার শিকার ব্যক্তিদের মার্কিন আদালতে বিচার পাওয়ার সুযোগ করে দিতে প্রণীত ‘অ্যান্টি-টেররিজম অ্যাক্ট’ বা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের আওতায় মামলাটি দায়ের করা হয়। এর আগে নিউ ইয়র্কের একটি ফেডেরাল আদালত আপিলের ভিত্তিতে মূল রায়টি বাতিল করেছিল। তবে পরবর্তীতে মার্কিন কংগ্রেস আইন সংশোধন করার পর সুপ্রিম কোর্ট গত বছর মামলাটি পুনরুজ্জীবিত করেন। এরই ধারাবাহিকতায় গত মার্চ মাসে দ্বিতীয় ইউএস সার্কিট কোর্ট অব আপিলস ওই রায় পুনর্বহাল করতে সম্মত হয়। বাদীপক্ষের আইনজীবীরা তখন এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বলেছিলেন যে এর ফলে ন্যায়বিচার নিশ্চিত হবে। সূত্র: অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি)
লেক তাহোতে সাঁতার কাটতে গিয়ে প্রাণ হারালেন অ্যামাজনের তরুণ প্রকৌশলী
নিউইয়র্কে হোমলেস থেকে স্বাভাবিক জীবনে ফেরা ১৩০ জনকে বিশেষ সংবর্ধনা
ক্যালিফোর্নিয়ার ডেটাসেন্টার নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের উদ্বেগ, এআইয়ের যুগে বাড়ছে বিদ্যুৎ খরচ নিয়ে শঙ্কা
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের লস অ্যাঞ্জেলেস শহরের অ্যাডামস-নরম্যান্ডি এলাকায় বেসবল ব্যাট দিয়ে পথচারী ও যানবাহনে হামলার অভিযোগে এক ব্যক্তিকে গুলি করে হত্যা করেছে নগর পুলিশের সদস্যরা। পুলিশ জানায়, স্থানীয় সময় বুধবার সন্ধ্যায় জরুরি নম্বরে একাধিক ফোনকল আসে। অভিযোগে বলা হয়, এক ব্যক্তি বেসবল ব্যাট হাতে পথচারীদের ভয়ভীতি দেখাচ্ছেন এবং চলাচলকারী ও দাঁড়িয়ে থাকা কয়েকটি গাড়িতে আঘাত করছেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে ওই ব্যক্তিকে ব্যাট হাতে দেখতে পায়। পুলিশের দাবি, তাকে বারবার অস্ত্র ফেলে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেওয়া হলেও তিনি তা মানেননি। বরং ব্যাট হাতে পুলিশ সদস্যদের দিকে এগিয়ে এলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রাণঘাতী গুলি ছোড়া হয়। গুলিবিদ্ধ ব্যক্তিকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হলেও চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহতের পরিচয় এখনো প্রকাশ করা হয়নি। ঘটনায় অন্য কোনো ব্যক্তি আহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি। ঘটনার পর পুরো এলাকা ঘিরে রেখে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য নেওয়া হচ্ছে। তদন্তকারীরা আশপাশের নজরদারি ক্যামেরার দৃশ্যও পর্যালোচনা করছেন। পুলিশ জানিয়েছে, কতজন সদস্য গুলি চালিয়েছেন এবং প্রাণঘাতী শক্তি ব্যবহার করা আদৌ প্রয়োজন ছিল কি না, তা নিয়ে স্বাধীন তদন্ত করা হবে। তদন্ত শেষ হওয়ার পর বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে।
যুক্তরাষ্ট্রে নতুন নজরদারি কার্যক্রমে বিমানবন্দরে যাত্রী গ্রেপ্তার শুরু, বিতর্কে মার্কিন হোমল্যান্ড সিকিউরিটি
ধীর গতিতে চলছে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি: দ্বিতীয় প্রান্তিকে প্রবৃদ্ধি কমে দাঁড়িয়েছে ১.৫ শতাংশে