সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার
আমেরিকা

তিন সন্তান হত্যার মামলায় আদালতে পড়া হলো মায়ের হৃদয়বিদারক ডায়েরি

বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশ: আগস্ট ৩, ২০২৬ ১৮:১৬
তিন শিশুসহ মা।  ছবি:সংগৃহীত
তিন শিশুসহ মা। ছবি:সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস অঙ্গরাজ্যের বহুল আলোচিত লিন্ডসে ক্ল্যান্সি হত্যা মামলার বিচার চলাকালে তাঁর ব্যক্তিগত ডায়েরির একাধিক অংশ আদালতে পড়ে শোনানো হয়েছে। ডায়েরির লেখাগুলোতে সন্তানদের দেখাশোনা করতে গিয়ে চরম মানসিক চাপ, হতাশা এবং সাহায্যের আকাঙ্ক্ষার কথা উঠে এসেছে।

 

লিন্ডসে ক্ল্যান্সি ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে ম্যাসাচুসেটসের ডাক্সবেরিতে নিজের তিন সন্তান—৫ বছর বয়সী কোরা, ৩ বছর বয়সী ডসন এবং ৮ মাস বয়সী ক্যালান—কে হত্যার অভিযোগে বিচারের মুখোমুখি। তিনি শিশুদের হত্যার বিষয়টি অস্বীকার করেননি, তবে তাঁর আইনজীবীরা দাবি করছেন, ঘটনার সময় তিনি প্রসব-পরবর্তী তীব্র মানসিক বিকার (পোস্টপার্টাম সাইকোসিস)-এ আক্রান্ত ছিলেন এবং তাই তিনি আইনগতভাবে ফৌজদারি দায় বহন করার অবস্থায় ছিলেন না। অন্যদিকে প্রসিকিউশনের দাবি, তিনি পরিকল্পিতভাবেই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছিলেন। 

 

আদালতে উপস্থাপিত ডায়েরির অংশে ক্ল্যান্সি লিখেছিলেন, তিনি তিন সন্তানের দেখাশোনা করতে গিয়ে নিজেকে "সম্পূর্ণভাবে বিপর্যস্ত" অনুভব করতেন এবং "প্রতিদিন মনে হতো আমি ডুবে যাচ্ছি"। আরেকটি লেখায় তিনি উল্লেখ করেন, তিনি নিজেকে বাস্তবতা থেকে বিচ্ছিন্ন মনে করতেন এবং সুস্থ হয়ে ওঠার জন্য সাহায্য চেয়েছিলেন। প্রতিরক্ষা আইনজীবীরা বলেন, এসব লেখা তাঁর দীর্ঘদিনের মানসিক সংকটের প্রমাণ।

 

বিচারে আরও জানা যায়, ঘটনার আগের কয়েক মাসে ক্ল্যান্সি বিভিন্ন মানসিক রোগের ওষুধ গ্রহণ করছিলেন এবং নিজের শারীরিক ও মানসিক অবস্থার পরিবর্তন নিয়মিত ডায়েরিতে লিখে রাখতেন। প্রতিরক্ষা পক্ষের দাবি, একাধিক ওষুধের পরিবর্তন, ঘুমের অভাব এবং প্রসব-পরবর্তী মানসিক অসুস্থতা তাঁর অবস্থাকে আরও জটিল করে তোলে।

 

প্রসিকিউশন আদালতে চিকিৎসক ও তদন্ত কর্মকর্তাদের সাক্ষ্য উপস্থাপন করে দাবি করেছে, ক্ল্যান্সি নিজের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে সচেতন ছিলেন। অন্যদিকে প্রতিরক্ষা পক্ষ বলছে, ঘটনার সময় তিনি বাস্তবতা অনুধাবনের সক্ষমতা হারিয়ে ফেলেছিলেন। এই প্রশ্নই মামলার মূল আইনি বিতর্ক।

 

মামলার নথি অনুযায়ী, সন্তানদের মৃত্যুর পর ক্ল্যান্সি আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। তিনি কবজিতে আঘাত করার পর দ্বিতীয় তলার জানালা থেকে লাফ দেন, এতে তাঁর মেরুদণ্ডে গুরুতর আঘাত লাগে এবং তিনি কোমর থেকে নিচের অংশে স্থায়ীভাবে পক্ষাঘাতগ্রস্ত হন।

 

বর্তমানে ম্যাসাচুসেটসের প্লাইমাউথ সুপিরিয়র কোর্টে বিচার চলছে। আদালতের রায়ের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে, এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড ছিল, নাকি গুরুতর প্রসব-পরবর্তী মানসিক অসুস্থতার কারণে সংঘটিত একটি অপরাধ, যার ক্ষেত্রে আইনগত দায় ভিন্নভাবে বিবেচিত হতে পারে।


© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

আমেরিকা

View more
যুক্তরাষ্ট্রের সেরা খাবারের শহরের তালিকায় নিউইয়র্ককে পেছনে ফেলে প্রথম স্থান দখল করেছে লুইজিয়ানার নিউ অরলিন্স। ছবি: সংগৃহীত
নিউইয়র্ককে পেছনে ফেলে যুক্তরাষ্ট্রের সেরা খাবারের শহর হলো নিউ অরলিন্স

যুক্তরাষ্ট্রের সেরা খাবারের শহরের তালিকায় নিউইয়র্ককে পেছনে ফেলে প্রথম স্থান দখল করেছে লুইজিয়ানার নিউ অরলিন্স। ইয়েলপ ও লিফটের যৌথভাবে তৈরি ২০২৬ সালের এই তালিকায় নিউ অরলিন্সকে দেশের শীর্ষ খাবারের শহর হিসেবে রাখা হয়েছে। অন্যদিকে নিউইয়র্ক রয়েছে দশম অবস্থানে।   নতুন এই তালিকায় যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহরের খাবারের জনপ্রিয়তা ও মানুষের আগ্রহ বিবেচনা করা হয়েছে। এ জন্য রেস্তোরাঁ খোঁজার তথ্য, ব্যবহারকারীদের সংরক্ষণ করা তালিকা, রেটিং, ছবি আপলোড এবং খাবারের জন্য যাতায়াতের তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়েছে। এসব তথ্যের ভিত্তিতেই শহরগুলোর অবস্থান নির্ধারণ করা হয়।   তালিকায় নিউ অরলিন্সের শীর্ষে থাকার পেছনে শহরটির সমৃদ্ধ খাবারের বৈচিত্র্যকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে সামুদ্রিক খাবারের জন্য শহরটি ব্যাপকভাবে পরিচিত। স্থানীয় খাবারের মধ্যে পো’বয়, গাম্বো এবং ক্রেওল ঘরানার আধুনিক খাবারও জনপ্রিয়। ফ্রেঞ্চ কোয়ার্টার ও আশপাশের এলাকাগুলোতে এসব খাবারের নানা আয়োজন রয়েছে।   তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে সাউথ ক্যারোলাইনার চার্লস্টন। তৃতীয় অবস্থানে ক্যালিফোর্নিয়ার সান ডিয়েগো। চতুর্থ স্থানে মেইনের পোর্টল্যান্ড এবং পঞ্চম স্থানে রয়েছে ফ্লোরিডার মায়ামি। এরপর ষষ্ঠ স্থানে ওয়াশিংটন ডিসি, সপ্তমে সান ফ্রান্সিসকো এবং অষ্টমে ন্যাশভিল রয়েছে। নবম অবস্থানে রয়েছে লস অ্যাঞ্জেলেস।   সবচেয়ে আলোচিত বিষয়গুলোর একটি হলো নিউইয়র্কের অবস্থান। বিশ্বের অন্যতম পরিচিত খাবারের শহর হিসেবে পরিচিত নিউইয়র্ক এবার তালিকায় দশম হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শহরটির খাবারের বৈচিত্র্য এখনো অন্যতম বড় আকর্ষণ। বিশেষ করে কুইন্সসহ বিভিন্ন এলাকায় নানা দেশের খাবার পাওয়া যায়।   মেইনের পোর্টল্যান্ড চতুর্থ অবস্থানে থেকে তালিকায় বিশেষ জায়গা করে নিয়েছে। শহরটির হাঁটার উপযোগী পরিবেশ, উপকূলীয় সৌন্দর্য এবং মানসম্মত লবস্টার রোলের মতো স্থানীয় খাবারকে এর অন্যতম আকর্ষণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। চার্লস্টনের খাবারের তালিকায় সৃজনশীল বেকারি পণ্য ও বিভিন্ন ধরনের পাস্তাও প্রশংসা পেয়েছে।   ইয়েলপ ও লিফটের এই তালিকায় শুধু বড় ও পরিচিত শহর নয়, তুলনামূলকভাবে কম আলোচিত কয়েকটি শহরও জায়গা পেয়েছে। ২০টি শহরের পূর্ণ তালিকায় নিউ অরলিন্সের পর চার্লস্টন, সান ডিয়েগো, পোর্টল্যান্ড, মায়ামি, ওয়াশিংটন ডিসি, সান ফ্রান্সিসকো, ন্যাশভিল, লস অ্যাঞ্জেলেস ও নিউইয়র্ক রয়েছে।   প্রতিবেদনটি আরও দেখিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রে রেস্তোরাঁকেন্দ্রিক যাতায়াতের ধরনেও কিছু পরিবর্তন এসেছে। ইয়েলপ ও লিফটের বিশ্লেষণে দেখা যায়, তালিকাভুক্ত শহরগুলোতে সকালের নাশতা ও মধ্যসকালের খাবার খোঁজার প্রবণতা উল্লেখযোগ্য। রেস্তোরাঁয় যাওয়ার জন্য লিফটের প্রায় ২০ শতাংশ যাত্রা দুপুরের আগেই হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।   সব মিলিয়ে ২০২৬ সালের এই তালিকায় নিউ অরলিন্স শীর্ষস্থান দখল করেছে, আর নিউইয়র্ক জায়গা পেয়েছে দশম স্থানে। ইয়েলপ ও লিফটের তথ্যভিত্তিক এই তালিকায় নিউ অরলিন্সের সামুদ্রিক খাবার, স্থানীয় ক্রেওল খাবার এবং শহরের বিভিন্ন খাবারের বৈচিত্র্যকে শীর্ষে থাকার অন্যতম কারণ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।   সূত্র: ইটিংওয়েল

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬ ০:১৩
ফ্লোরিডায় একটি নীল কাঁকড়াকে পকেট ছুরি হাতে অদ্ভুতভাবে ঘুরে বেড়াতে দেখা যায়। ছবি: সংগৃহীত

ফ্লোরিডায় ছুরি হাতে কুকুর ও তার মালিকের ওপর কাঁকড়ার হামলা

যুক্তরাষ্ট্রে ইহুদি উপাসনালয় ও কেন্দ্রগুলোর সুরক্ষায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রে ইহুদি প্রতিষ্ঠানগুলোর নিরাপত্তায় বছরে ব্যয় ১০০ কোটি ডলারের বেশি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় মদ্যপ চালকের গাড়ির ধাক্কায় প্রাণ হারান তিন সন্তানের জননী ভেনেসা হোয়েল্যান্ড। ছবি: সংগৃহীত

ক্যালিফোর্নিয়ায় মদ্যপ চালকের গাড়ির ধাক্কায় নিহত তিন সন্তানের মা

ফ্লোরিডায় পোষা কুকুরের সঙ্গে বিকৃত আচরণের অভিযোগে এক নারীকে গ্রেপ্তার করেছে শার্লট কাউন্টি শেরিফ অফিস। ছবি: সংগৃহীত
ফ্লোরিডায় পোষা কুকুরের সঙ্গে যৌন আচরণের অভিযোগে নারী গ্রেপ্তার

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যে পোষা কুকুরকে ঘিরে অস্বাভাবিক আচরণের অভিযোগে ৩৮ বছর বয়সী এক নারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মালিয়া এলিজাবেথ নুমারডরের বিরুদ্ধে প্রাণীর সঙ্গে যৌন সংস্পর্শের অভিযোগ আনা হয়েছে। শার্লট কাউন্টি শেরিফের দপ্তর জানিয়েছে, বাড়ির নিরাপত্তা ক্যামেরায় ধারণ করা ভিডিওকে কেন্দ্র করে তদন্তের পর তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তবে নুমারডর অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এবং বিষয়টি এখনো আদালতে বিচারাধীন।   ঘটনাটি ফ্লোরিডার পোর্ট শার্লটে। শার্লট কাউন্টি শেরিফের দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ১১ সেপ্টেম্বর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নুমারডরের স্বামী এরিক নুমারডর অভিযোগ করেন যে, তিনি তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে ভিডিও ও ছবিসহ প্রমাণ পেয়েছেন। এর পরই বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরে আসে। তদন্তকারীরা এরিকের সঙ্গে যোগাযোগ করে তার বক্তব্য ও ডিজিটাল প্রমাণ সংগ্রহ করেন।   এরিক তদন্তকারীদের জানান, বাড়ির একটি কয়েন রাখার পাত্র থেকে টাকা হারিয়ে যাওয়ার বিষয়টি খুঁজে বের করতে তিনি বাড়িতে দুটি নিরাপত্তা ক্যামেরা স্থাপন করেছিলেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, বাড়ির সদস্যরা ক্যামেরাগুলোর উপস্থিতি সম্পর্কে জানতেন। পরে শোবার ঘরের ক্যামেরায় ধারণ করা পুরোনো ভিডিও দেখার সময় তিনি নুমারডর ও পরিবারের পোষা কুকুরকে নিয়ে সন্দেহজনক দৃশ্য দেখতে পান বলে তদন্তকারীদের জানান। তিনি পুলিশের কাছে ভিডিওর কিছু ছবি দেন এবং ভিডিও সংরক্ষিত ল্যাপটপ ব্যবহারের সুযোগও দেন।   শার্লট কাউন্টি শেরিফের দপ্তর জানিয়েছে, তদন্তকারীরা ভিডিওটি পর্যালোচনা করেন। তাদের বিবরণ অনুযায়ী, ফুটেজে নুমারডরকে আংশিক পোশাকহীন অবস্থায় কুকুরটির সঙ্গে এমনভাবে দেখা যায়, যা তদন্তকারীদের কাছে যৌন আচরণের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে মনে হয়েছে। তবে পুলিশের এই ব্যাখ্যা অভিযোগের অংশ এবং আদালতে এর সত্যতা নির্ধারণ করা হয়নি।   ১৫ সেপ্টেম্বর নুমারডরকে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেন তদন্তকারীরা। তিনি ভিডিওতে থাকা ব্যক্তি নিজেই এবং সেখানে থাকা কুকুরটি পরিবারের পোষা প্রাণী বলে স্বীকার করেন। তবে তিনি কোনো যৌন আচরণের কথা অস্বীকার করে জানান, তিনি কেবল কুকুরটিকে আদর করছিলেন। তদন্তকারীদের মতে, ভিডিওতে দেখা কর্মকাণ্ডের বিষয়ে তার ব্যাখ্যা অসঙ্গত ছিল। পরে তিনি একজন আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলার অনুরোধ করলে জিজ্ঞাসাবাদ শেষ করা হয়।   এর পর নুমারডরকে গ্রেপ্তার করে শার্লট কাউন্টি কারাগারে নেওয়া হয়। শেরিফের দপ্তরের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, তার বিরুদ্ধে ‘প্রাণীর সঙ্গে যৌন কার্যকলাপ’ সংক্রান্ত দ্বিতীয় শ্রেণির গুরুতর অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে। গ্রেপ্তারের সময় তার জামিনের পরিমাণ নির্ধারণ করা হয় ৩৫ হাজার ডলার।   শার্লট কাউন্টির শেরিফ বিল প্রামেল ঘটনাটিতে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, কোনো প্রাণীকে এ ধরনের আচরণের শিকার করা উচিত নয় এবং এমন ঘটনা সম্পর্কে তথ্য পেলে তার দপ্তর ব্যবস্থা নেবে। গ্রেপ্তারের পর নুমারডরের কারাগারের ছবিতে হাসিমুখে থাকার বিষয়টিও তিনি মন্তব্য করেন।   তবে আইনগতভাবে নুমারডরকে এখনো দোষী সাব্যস্ত করা হয়নি। তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিচার প্রক্রিয়ায় প্রমাণ ও উভয় পক্ষের বক্তব্য বিবেচনা করা হবে। শার্লট কাউন্টি শেরিফের দপ্তরের প্রকাশিত তথ্য এবং যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, মামলাটি বর্তমানে অভিযোগ ও তদন্তের পর্যায়ে রয়েছে।   সূত্র: শার্লট কাউন্টি শেরিফের দপ্তর, গালফ কোস্ট নিউজ ও পিপল।

ফ্লোরিডা প্রতিনিধি প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬ ২২:৩৬
যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয়ে দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসকের সহায়তায় মৃত্যুর আইনি বৈধতা দেওয়া হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রে স্বেচ্ছামৃত্যু বৈধ করল ইলিনয়, ১২ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর নতুন আইন

দীর্ঘ চিকিৎসার পর হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরছে ডালাস ফায়ারকর্মীর চার মাস বয়সী ছেলে কেনজি কামারার। ছবি: সংগৃহীত

ডালাসে চার মাসের শিশুর জীবনরক্ষা, ৭৫ জনের বেশি চিকিৎসাকর্মীর চেষ্টায় বাড়ি ফিরল কেনজি

নিউজার্সির জার্সি সিটিতে অবস্থিত কড়াই কিচেন রেস্তোরাঁর ভেতরের একাংশ। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের সেরা ৫০ রেস্তোরাঁর তালিকায় স্থান পেয়েছে বাংলাদেশি মা ও মেয়ের কড়াই কিচেন

নতুন চাকরিতে যোগ দেওয়ার আড়াই ঘণ্টার মধ্যে ছাঁটাইয়ের দাবি করেছেন ম্যানহাটনের এক কর্মী। ছবি: সংগৃহীত
অপরিষ্কার থাকার অভিযোগে চাকরিতে যোগ দেওয়ার আড়াই ঘণ্টার মধ্যেই চাকরি গেল নিউইয়র্কের প্রযুক্তিকর্মীর

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের ম্যানহাটনে নতুন চাকরিতে যোগ দেওয়ার মাত্র আড়াই ঘণ্টার মধ্যে চাকরি হারানোর দাবি করেছেন ক্রিস স্মলস নামে ৩৫ বছর বয়সী এক ব্যক্তি। তাঁর ভাষ্য, একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানে অস্থায়ী কর্মী হিসেবে যোগ দেওয়ার পর তাঁকে বলা হয়, ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা নিয়ে সমস্যার কারণে তাঁর চাকরি আর থাকছে না।   স্মলসের দাবি, প্রায় নয় মাস বেকার থাকার পর একটি অস্থায়ী কর্মী সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে তিনি ওই চাকরি পান। তাঁর দায়িত্ব ছিল প্রতিষ্ঠানের কর্মী ব্যবস্থাপনা-সংক্রান্ত কাজে সহায়তা করা। নতুন কর্মস্থলে প্রথম দিনটি শুরু হয়েছিল স্বাভাবিকভাবেই। কয়েক ঘণ্টা পরিচিতিমূলক কাজ ও প্রাথমিক প্রশিক্ষণের পর তাঁকে আগেভাগে মধ্যাহ্নভোজে যেতে বলা হয়।   তবে ভবন থেকে বের হওয়ার আগেই অস্থায়ী কর্মী সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে তাঁকে ফোন করে জানানো হয়, ‘পরিচ্ছন্নতার সমস্যা’র কারণে তাঁকে আর কাজে রাখা হচ্ছে না।   স্মলস সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম রেডিটে ‘Havocko’ নামে একটি অ্যাকাউন্ট থেকে নিজের অভিজ্ঞতা প্রকাশ করেন। পোস্টটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সাত হাজার পাঁচশর বেশি আপভোট পায় বলে নিউইয়র্ক পোস্ট জানিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যবহারকারীদের মধ্যে সহানুভূতি, সন্দেহ এবং নানা ধরনের আলোচনা শুরু হয়।   স্মলসের দাবি, চাকরির প্রথম দিন সকালে তিনি নতুন একটি পোলো শার্ট পরে কর্মস্থলে যান। আগের রাতেই তিনি গোসল করেছিলেন বলেও জানান। অস্থায়ী কর্মী সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের যে প্রতিনিধি তাঁকে চাকরি থেকে বাদ দেওয়ার খবর দেন, তিনিও নাকি ঠিক কী কারণে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে তা বিস্তারিত ব্যাখ্যা করেননি। শুধু তাঁকে ওই দিন কী পোশাক পরেছিলেন, তা জানতে চাওয়া হয়েছিল।   নিজের পরিচ্ছন্নতা নিয়ে ওঠা প্রশ্নের জবাবে স্মলস বলেন, তিনি নিয়মিত নিজের যত্ন নেন এবং কর্মস্থলে যাওয়ার আগে ভালোভাবেই পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন হয়েছিলেন। তবে তাঁর প্যান্টে কিছুটা ধুলা বা পশুর লোম থাকতে পারে বলে তিনি স্বীকার করেন।   চাকরি হারানোর পর নিজের পরিচিতদের কাছ থেকেও বিষয়টি যাচাই করার চেষ্টা করেন স্মলস। তিনি তাঁর এক রুমমেট ও এক বন্ধুকে জিজ্ঞেস করেন, তাঁর শরীর থেকে কোনো দুর্গন্ধ পাওয়া যায় কি না। দুজনই তা অস্বীকার করেন বলে জানান তিনি। স্মলস আরও বলেন, তাঁর একটি বিড়াল ও একটি কুকুর রয়েছে। তবে তাঁর দাবি, বাসা পরিষ্কার থাকে এবং তিনি এমন একজন রুমমেটের সঙ্গে থাকেন যিনি পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে বেশ সতর্ক।   চাকরি থেকে বাদ দেওয়ার কারণ সম্পর্কে স্পষ্ট ব্যাখ্যা না পাওয়াই তাঁর কাছে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে। রেডিটে নিজের পোস্টে তিনি অনুমান করেন, কর্মস্থলে হয়তো নাক চুলকানোর মতো কোনো অঙ্গভঙ্গিকে ভুলভাবে দেখা হয়েছিল। তবে বিষয়টি নিশ্চিত করে বলার মতো কোনো তথ্য তাঁর কাছে নেই।   ঘটনার পর স্মলস অস্থায়ী কর্মী সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠাটির সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তাঁর দাবি, শুরুতে প্রতিষ্ঠানটি ভবিষ্যতে তাঁর সঙ্গে আবার কাজ করার আগ্রহ দেখালেও পরে আর তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করেনি। এমনকি নতুন চাকরিতে যে অল্প সময় কাজ করেছিলেন, সেটির পারিশ্রমিকও তিনি তখন পর্যন্ত পাননি বলে জানান।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘটনাটি নিয়ে অবশ্য সবাই স্মলসের বক্তব্যের সঙ্গে একমত হননি। কেউ কেউ মনে করেন, ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতার বিষয়টি চাকরি থেকে বাদ দেওয়ার প্রকৃত কারণ হতে পারে। আবার অন্যরা প্রশ্ন তুলেছেন, চাকরি থেকে বাদ দেওয়ার জন্য এটিকে হয়তো একটি অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে।   কয়েকজন রেডিট ব্যবহারকারী ‘হায়ার-টু-ফায়ার’ বা দ্রুত নিয়োগ দিয়ে অল্প সময়ের মধ্যে কর্মী ছাঁটাই করার সম্ভাবনার কথাও উল্লেখ করেন। তবে স্মলস নিজেই এই ব্যাখ্যাকে খুব একটা সম্ভাব্য মনে করছেন না। কয়েক সপ্তাহ ধরে ঘটনাটি নিয়ে ভাবার পর তাঁর নিজের ধারণা, কর্মস্থলে কোনো আচরণ বা অঙ্গভঙ্গি ভুলভাবে ব্যাখ্যা করা হয়ে থাকতে পারে।   ঘটনার পর আবার চাকরির সন্ধানে ফিরেছেন স্মলস। নিউইয়র্কের কর্মসংস্থান আইনের কাঠামো নিয়েও তিনি প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁর মতে, অস্থায়ী কর্মীদের চাকরি শেষ করার ক্ষেত্রে আরও স্পষ্ট সুরক্ষা থাকা প্রয়োজন।   যুক্তরাষ্ট্রের বেশির ভাগ অঙ্গরাজ্যের মতো নিউইয়র্কেও সাধারণভাবে ‘অ্যাট-উইল’ কর্মসংস্থান ব্যবস্থা কার্যকর। এর অর্থ, আইন বা চুক্তিতে বিশেষ কোনো ব্যতিক্রম না থাকলে নিয়োগকর্তা বা কর্মী নির্দিষ্ট মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই কর্মসম্পর্ক শেষ করতে পারেন, যদিও বৈষম্য বা প্রতিশোধমূলক বরখাস্তের মতো বেআইনি কারণের ক্ষেত্রে আলাদা আইনি সুরক্ষা রয়েছে। তবে স্মলসের নির্দিষ্ট চাকরি হারানোর ঘটনায় নিয়োগকর্তা কোনো বেআইনি আচরণ করেছে কি না, সে বিষয়ে কোনো প্রমাণ প্রকাশ্যে আসেনি।   এদিকে, ঘটনাটি নিয়ে যে আলোচনা তৈরি হয়েছে, তার বড় অংশই স্মলসের নিজের বক্তব্য ও রেডিটে প্রকাশিত প্রতিক্রিয়ার ওপর ভিত্তি করে। তাঁর সাবেক কর্মস্থল বা অস্থায়ী কর্মী সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান প্রকাশ্যে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিয়েছে বলে প্রতিবেদনটিতে উল্লেখ নেই। ফলে চাকরি হারানোর প্রকৃত কারণ কী ছিল, তা নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি।   সূত্র: নিউইয়র্ক পোস্ট ও স্মলসের রেডিট পোস্ট।

নিউ ইয়র্ক প্রতিনিধি প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬ ২১:৭
মিশিগানের ব্লেয়ার টাউনশিপে প্রশিক্ষণের সময় এফ-১৬ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হওয়ার পর ঘটনাস্থল থেকে ধোঁয়া উঠতে দেখা যায়। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগানে এফ-১৬ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত, হাসপাতালে পাইলট

গ্রিন কার্ডের আর্থিক স্পনসরদের ক্রেডিট তথ্য যাচাইয়ের সুযোগ পেয়েছে ইউএসসিআইএস। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রে গ্রিন কার্ড স্পনসরদের জন্য নতুন নিয়ম: এখন থেকে যাচাই হবে ক্রেডিট স্কোর

মিনেসোটায় চুরির দায়ে গ্রেপ্তার মার্কিন নারী, জেনিফার লোপেজের সঙ্গে চেহারার মিল নিয়ে মগশট ভাইরাল

মিনেসোটায় চুরির দায়ে গ্রেপ্তার মার্কিন নারী, জেনিফার লোপেজের সঙ্গে চেহারার মিল নিয়ে মগশট ভাইরাল

0 Comments