আমেরিকা

লেবানন নিয়ে দ্বিমত: যুদ্ধবিরতি চুক্তি ঘিরে ট্রাম্পের উল্টো অবস্থান

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ৯, ২০২৬ 0
ফটো: প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প (সংগৃহীত)
ফটো: প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প (সংগৃহীত)

ইরানের সঙ্গে সাময়িক যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর হলেও লেবানন ইস্যুতে নতুন করে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। যুদ্ধবিরতির শর্ত অনুযায়ী সব ফ্রন্টে সংঘাত বন্ধের কথা বলা হলেও বাস্তবে লেবাননে ইসরায়েলের সামরিক অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

 

লেবাননে সাম্প্রতিক হামলায় শতাধিক মানুষের প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে। এমন পরিস্থিতিতে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, এই যুদ্ধবিরতি লেবাননের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।

 

এই অবস্থানের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে হওয়া যুদ্ধবিরতির আওতায় লেবানন অন্তর্ভুক্ত নয়। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, হিজবুল্লাহকে কেন্দ্র করে ইসরায়েলের অভিযান একটি পৃথক সংঘর্ষ।

 

হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র কারোলিন লেভিটও একই অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে জানিয়েছেন, লেবানন এই চুক্তির অংশ নয়।

 

তবে এ বিষয়ে ভিন্ন মত দিয়েছেন মধ্যস্থতাকারী শাহবাজ শরিফ। তিনি দাবি করেন, যুদ্ধবিরতি পুরো অঞ্চলের জন্য কার্যকর, যার মধ্যে লেবাননও অন্তর্ভুক্ত।

 

এ নিয়ে আপত্তি জানিয়েছে ইরান। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেছেন, যুদ্ধবিরতির শর্ত অনুযায়ী সব ধরনের সামরিক কার্যক্রম বন্ধ হওয়া উচিত। যুক্তরাষ্ট্রকে এ বিষয়ে পরিষ্কার অবস্থান নিতে হবে তারা যুদ্ধবিরতি চায়, নাকি ইসরায়েলের মাধ্যমে সংঘাত চালিয়ে যেতে চায়।

 

এই ভিন্নমুখী অবস্থানের কারণে যুদ্ধবিরতি চুক্তি নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে লেবাননকে চুক্তির আওতায় ধরা হয়েছে কি না, তা নিয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যে মতপার্থক্য স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

 

বর্তমান পরিস্থিতি মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা বাড়ানোর আশঙ্কা তৈরি করেছে, যেখানে একটি সাময়িক যুদ্ধবিরতির মধ্যেও আঞ্চলিক সংঘাতের ঝুঁকি রয়ে গেছে।

জনপ্রিয় সংবাদ
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

Advertisement

আমেরিকা

View more
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প
যুদ্ধের লক্ষ্য অপূর্ণই রইল, ইরান থেকে শূন্য হাতে ফিরছেন ট্রাম্প

ইরান যুদ্ধের দ্বিতীয় মাসে এসে যুক্তরাষ্ট্রের ঘোষিত যুদ্ধবিরতি চুক্তি ঘিরে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। বিশ্লেষকদের মতে, যেসব লক্ষ্য সামনে রেখে এই সংঘাত শুরু হয়েছিল, তার উল্লেখযোগ্য কোনো অগ্রগতি দেখা যায়নি। ফলে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার আগেই তা অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শুরুতে ইরানের শাসনব্যবস্থায় পরিবর্তন আনা, পারমাণবিক কর্মসূচি ও ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা ধ্বংসের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছিলেন। তবে যুদ্ধের কয়েক সপ্তাহ পরেও এসব লক্ষ্য পূরণের সুস্পষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায়নি। বরং মার্কিন পক্ষের সাম্প্রতিক মূল্যায়নে দেখা গেছে, ইরানের উল্লেখযোগ্য সামরিক সক্ষমতা এখনো অক্ষত রয়েছে।   সংঘাতের শুরুতে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার পরও দেশটির ক্ষমতার কাঠামোতে বড় ধরনের পরিবর্তন আসেনি। বরং নতুন নেতৃত্ব আরও কঠোর অবস্থান নিতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এতে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমান যুদ্ধবিরতি দীর্ঘমেয়াদি সমাধান নয়; এটি কেবল একটি সাময়িক বিরতি। কারণ সংঘাতে জড়িত কোনো পক্ষই তাদের মূল লক্ষ্য অর্জন করতে পারেনি। এমন পরিস্থিতিতে যুদ্ধবিরতি ভবিষ্যতে আরও বড় সংঘাতের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।   এই প্রেক্ষাপটে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে হরমুজ প্রণালি। বিশ্ব বাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথের নিয়ন্ত্রণ এখন কার্যত ইরানের হাতে রয়েছে বলে বিভিন্ন পক্ষ থেকে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। যদি এই নিয়ন্ত্রণ বজায় থাকে, তবে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে।   ইরান যুদ্ধবিরতির শর্ত হিসেবে একাধিক দাবি সামনে এনেছে। এর মধ্যে রয়েছে সব ধরনের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, বিদেশে থাকা সম্পদ মুক্ত করা, মধ্যপ্রাচ্য থেকে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি কমানো এবং যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ। এসব দাবি যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বড় ধরনের কূটনৈতিক চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিচ্ছে।   এদিকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে। রাশিয়া ও চীনের সমর্থন ইরানের অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করেছে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা। ফলে যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক অবস্থান আগের তুলনায় দুর্বল হয়েছে বলেও মত দেওয়া হচ্ছে।   সব মিলিয়ে বর্তমান পরিস্থিতিতে যুদ্ধবিরতি স্থায়ী শান্তির ইঙ্গিত দিচ্ছে না। বরং এটি নতুন করে শক্তি সঞ্চয়ের একটি সুযোগ হয়ে উঠতে পারে। সামনে ইসলামাবাদে সম্ভাব্য আলোচনার দিকেই এখন তাকিয়ে আছে বিশ্ব। সেই আলোচনাই নির্ধারণ করতে পারে, এই সংঘাত থামবে, নাকি আবারও নতুন মাত্রায় ফিরে আসবে।

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ৯, ২০২৬ 0
ফটো: প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প (সংগৃহীত)

লেবানন নিয়ে দ্বিমত: যুদ্ধবিরতি চুক্তি ঘিরে ট্রাম্পের উল্টো অবস্থান

ছবি: সংগৃহীত।

আটলান্টিক সিটিতে জমজমাট বৈশাখী মেলার প্রস্তুতি

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প । ছবি: রয়টার্স

ট্রাম্প কি সত্যিই যুদ্ধ চেয়েছিলেন, নাকি যুদ্ধবিরতি? পর্দার আড়ালের কূটনীতি গল্প!

ছবি: সংগৃহীত
নিউইয়র্ক স্টেট অ্যাসেম্বলি নির্বাচনে বাড়ছে বাংলাদেশি প্রার্থীদের অংশগ্রহণ

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক রাজনীতিতে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূতদের উপস্থিতি দিন দিন বাড়ছে। আসন্ন স্টেট অ্যাসেম্বলি নির্বাচনে একাধিক আসনে বাংলাদেশি প্রার্থীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।   কুইন্স থেকে ব্রঙ্কস পর্যন্ত বিভিন্ন ডিস্ট্রিক্টে অন্তত ছয়জন বাংলাদেশি প্রার্থী নির্বাচনী মাঠে নেমেছেন। তাঁরা সরাসরি ভোটারদের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন, নির্বাচনী প্রচার চালাচ্ছেন এবং কমিউনিটির বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরছেন।   উল্লেখযোগ্য প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন শামসুল হক (ডিস্ট্রিক্ট ৩০), মাহতাব খান (ডিস্ট্রিক্ট ২৪), মেরি জোবাইদা (ডিস্ট্রিক্ট ৩৬), পিয়া রহমান (ডিস্ট্রিক্ট ৩৭), জাকির চৌধুরী (ডিস্ট্রিক্ট ৮৭) এবং জে মোল্লা সানি (ডিস্ট্রিক্ট ৩২)।   প্রাইমারি নির্বাচনে অংশ নিতে প্রার্থীদের পিটিশন জমা দেওয়ার সময়সীমা ছিল ৩০ মার্চ থেকে ৬ এপ্রিল পর্যন্ত। ডিস্ট্রিক্ট ২৪-এর মাহতাব খান ছাড়া অন্য প্রার্থীরা নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই পিটিশন জমা দিয়েছেন।   ডিস্ট্রিক্ট ৩৬-এর প্রার্থী মেরি জোবাইদা প্রায় দুই হাজার ভোটারের স্বাক্ষর সংগ্রহ করেছেন, যা তাঁর নির্বাচনী প্রচারণায় কমিউনিটির সক্রিয় অংশগ্রহণের ইঙ্গিত দেয়। পিটিশন জমার পর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তা যাচাই-বাছাই করে এবং সব কিছু ঠিক থাকলে প্রার্থীদের নাম প্রাইমারি ব্যালটে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।   এই নির্বাচনে অংশগ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশি কমিউনিটি নতুন এক ধাপে প্রবেশ করছে। আগে যেখানে প্রবাসীরা ভোটার বা সমর্থক হিসেবে ভূমিকা রাখতেন, এখন তারা সরাসরি প্রার্থী হয়ে নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে পৌঁছানোর চেষ্টা করছেন।   আগামী ২৩ জুন ডেমোক্র্যাটিক প্রাইমারি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এর আগে পিটিশন যাচাই প্রক্রিয়া শেষে চূড়ান্ত প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করা হবে।   নিউইয়র্ক রাজনীতিতে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূতদের এই ক্রমবর্ধমান অংশগ্রহণ প্রবাসী কমিউনিটির রাজনৈতিক অবস্থানকে আরও সুদৃঢ় করছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ৯, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

নিউইয়র্কে ‘লিটল বাংলাদেশ’: পার্কচেস্টারে গড়ে উঠছে প্রবাসী বাঙালির কমিউনিটি

ছবি: সংগৃহীত।

যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষা ও কর্মসংস্থান ভিসায় বড় পরিবর্তন: বিপাকে পড়তে পারেন বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা

ন্যাটোর সেক্রেটারি জেনারেল মার্ক রুটের সঙ্গে বৈঠকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প

ন্যাটোর ভূমিকায় ক্ষুব্ধ ট্রাম্প: সম্পর্কে ফাটলের আশঙ্কা

ডেলিভারি দিতে এসে শিশু অপহরণ ও হত্যা
ডেলিভারি দিতে এসে শিশু অপহরণ ও হত্যা—আদালতে ফেডেক্স ড্রাইভারের স্বীকারোক্তি

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যে ৭ বছর বয়সী শিশু এথেনা স্ট্র্যান্ডকে অপহরণ ও হত্যার ঘটনায় চাঞ্চল্যকর মোড় নিয়েছে বিচারপ্রক্রিয়া। অভিযুক্ত পার্সেল সরবরাহকারী চালক ট্যানার হার্নের আদালতে হঠাৎ করেই নিজের অপরাধ স্বীকার করেছেন।   মঙ্গলবার ফোর্ট ওয়ার্থের আদালতে শুনানির সময় তিনি শিশু অপহরণ ও হত্যার অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। এর ফলে নির্ধারিত বিচার কার্যক্রম শুরুর আগেই মামলাটি সরাসরি শাস্তি নির্ধারণের পর্যায়ে চলে যায়।   অভিযোগপত্র অনুযায়ী, ২০২২ সালের নভেম্বর মাসে একটি পার্সেল পৌঁছে দিতে গিয়ে শিশুটিকে তার বাড়ি থেকে অপহরণ করা হয়। পরে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করে একটি নদীতে ফেলে দেওয়া হয়।   আদালতে উপস্থাপিত তথ্যে জানা যায়, অপহরণের পর শিশুটি কিছু সময় সরবরাহ ভ্যানের ভেতরে ছিল—যা মামলার গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। তবে সংবেদনশীলতার কারণে এ সংক্রান্ত ছবি প্রকাশ করা হয়নি।   অভিযুক্ত ট্যানার হার্নের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ফেডেক্স এর হয়ে কাজ করতেন বলে জানা গেছে।   এখন জুরিবোর্ড সিদ্ধান্ত নেবে—এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের জন্য তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হবে, নাকি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হবে। এই মর্মান্তিক ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। শিশুদের নিরাপত্তা এবং পার্সেল সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর আস্থা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ৯, ২০২৬ 0
ফটো: প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প (সংগৃহীত)

ট্রাম্পের বাজেটে প্রতিরক্ষায় ৪৩% বৃদ্ধি ও আন্তর্জাতিক কর্মসূচিতে ৩০% কাট—নতুন বাজেট ঘিরে তোলপাড়

ট্রাম্পের পেছনে দুই ছেলে এরিক ট্রাম্প এবং ডোনাল্ড ট্রাম্প জুনিয়র। ছবি: সংগৃহীত

বিটকয়েনে বড় বিনিয়োগে ট্রাম্প পরিবারের ক্ষতি প্রায় এক বিলিয়ন ডলার

ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্র–ইরান যুদ্ধবিরতিতে লেবানন অন্তর্ভুক্ত নয়: হোয়াইট হাউস

0 Comments