সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার
আমেরিকা

ক্যালিফোর্নিয়ার ৪ শহরে তরুণদের প্রপার্টি কেনার হিড়িক, শীর্ষে সান ডিয়েগো

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ৯, ২০২৬ ২৩:৩৫
ক্যালিফোর্নিয়ার ৪ শহরে তরুণদের প্রপার্টি কেনার হিড়িক, শীর্ষে সান ডিয়েগো
ক্যালিফোর্নিয়ার ৪ শহরে তরুণদের প্রপার্টি কেনার হিড়িক, শীর্ষে সান ডিয়েগো

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া রাজ্যের ব্যয়বহুল শহরগুলোতে তরুণদের বাড়ি কেনার প্রবণতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। পার্সোনাল ফাইন্যান্স ওয়েবসাইট ওয়ালেটহাবের নতুন একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের যেসব শহরে ৩৫ বছরের কম বয়সী ক্রেতার হার সবচেয়ে বেশি, সেই তালিকায় ক্যালিফোর্নিয়ার চারটি শহর শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে।

 

অত্যন্ত ব্যয়বহুল হওয়া সত্ত্বেও সান ডিয়েগোতে মর্টগেজ বা ঋণধারী তরুণদের হার ৮৪ শতাংশ। প্রযুক্তি কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত সান জোসেতে এই হার ৮২ শতাংশ, লস অ্যাঞ্জেলেসে ৭৮ শতাংশ এবং সান ফ্রান্সিসকোতে ৭৩ শতাংশ। তবে পশ্চিম উপকূলের অন্যান্য শহর যেমন সিয়াটলে ৮৭ শতাংশ এবং পোর্টল্যান্ডে ৮৬ শতাংশ তরুণ বাড়ি কিনেছেন।

 

জাতীয় পর্যায়ে তরুণদের বাড়ি কেনার ক্ষেত্রে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে নর্থ ক্যারোলিনার শার্লট শহর, যেখানে ৩৫ বছরের কম বয়সী বাড়ির মালিকের হার সর্বোচ্চ ৯০ শতাংশ। এর ঠিক পরেই ৮৮ শতাংশ নিয়ে বাল্টিমোর এবং ৮৬ শতাংশ নিয়ে ওয়াশিংটন ডিসি অবস্থান করছে।

 

অন্যদিকে, বাড়ি কেনার ক্ষেত্রে অন্যতম কঠিন শহর নিউইয়র্কে তরুণ মর্টগেজধারীর হার মাত্র ৬৬ শতাংশ এবং সবচেয়ে তলানিতে থাকা মিশিগানের ডেট্রয়েটে এই হার মাত্র ৪৫ শতাংশ।

 

ওয়ালেটহাবের এই উৎসাহব্যঞ্জক তথ্যের বিপরীতে পাবলিক পলিসি ইনস্টিটিউট অব ক্যালিফোর্নিয়ার আগস্ট মাসের একটি গবেষণায় কিছুটা ভিন্ন ও উদ্বেগের চিত্র দেখা গেছে। ওই গবেষণায় বলা হয়েছে, ক্যালিফোর্নিয়ার অর্ধেক তরুণই প্রথম বাড়ি কেনার জন্য গড়ে ৪৭ বছর বয়স পর্যন্ত অপেক্ষা করেন, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় গড় বয়স মাত্র ৩৭ বছর।

 

গত ১৫ বছর ধরে ক্যালিফোর্নিয়ায় বাড়ির মালিকের চেয়ে ভাড়াটিয়ার সংখ্যা ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে। বর্তমানে রাজ্যটিতে নিজস্ব বাড়ির মালিকানা হার মাত্র ৫৬ শতাংশ, যা জাতীয় হার ৬৬ শতাংশের চেয়ে অনেক কম। কেবল নিউইয়র্কেই মালিকানার হার এর চেয়ে কম (৫৪%)।

 

গবেষণায় আরও দেখা গেছে, শ্বেতাঙ্গ ও এশিয়ানরা কৃষ্ণাঙ্গ ও ল্যাটিনোদের তুলনায় অনেক কম বয়সে বাড়ি কেনেন। বিশেষ করে আমেরিকান বংশোদ্ভূত এশিয়ানরা সবচেয়ে কম বয়সে (গড়ে ৩৯ বছর) বাড়ির মালিক হচ্ছেন। রিয়েল্টর ডটকমের তথ্যমতে, ক্যালিফোর্নিয়ায় বর্তমানে সবচেয়ে সাশ্রয়ী মূল্যে বাড়ি কেনার সেরা জায়গা হলো পোর্টারভিল, যেখানে একটি বাড়ির মধ্যম মূল্য ৩ লাখ ২৫ হাজার ডলার।


© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

আমেরিকা

View more
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী কংগ্রেস নির্বাচনের আগে মিশিগান অঙ্গরাজ্যের মুসলিম সিনেট প্রার্থী আবদুল এল-সায়েদের সমর্থনে সমাবেশে অংশ নেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। ছবি: সংগৃহীত
মুসলিম সিনেট প্রার্থী আবদুল এল-সায়েদের সমর্থনে প্রচারণায় নামলেন বারাক ওবামা

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী কংগ্রেস নির্বাচনের আগে মিশিগান অঙ্গরাজ্যের মুসলিম সিনেট প্রার্থী আবদুল এল-সায়েদের সমর্থনে নির্বাচনি সমাবেশ করেছেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। শনিবার (২৪ অক্টোবর) ডেট্রয়েট শহরে আয়োজিত সমাবেশে এল-সায়েদের পক্ষে অবস্থান তুলে ধরার পাশাপাশি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তাঁর প্রশাসনের বিভিন্ন নীতির কঠোর সমালোচনা করেন তিনি। ওবামা অভিযোগ করেন, এল-সায়েদের নাম ও মুসলিম ধর্মীয় পরিচয়কে কেন্দ্র করে তাঁকে রাজনৈতিকভাবে আক্রমণ করা হচ্ছে। আগামী ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকান প্রার্থী মাইক রজার্সের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ডেমোক্র্যাট প্রার্থী এল-সায়েদ।    ডেট্রয়েটের ক্যাস টেকনিক্যাল হাইস্কুলে অনুষ্ঠিত সমাবেশে হাজারো সমর্থকের সামনে বক্তব্য দেন ওবামা। সেখানে এল-সায়েদের পাশাপাশি মিশিগানের গভর্নর পদে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জোসেলিন বেনসনও উপস্থিত ছিলেন। সমাবেশটি অনুষ্ঠিত হয় মিশিগানে আগাম ভোটগ্রহণ শুরুর প্রথম দিনে। নির্বাচনের মাত্র ১০ দিন আগে সাবেক প্রেসিডেন্টের এই উপস্থিতি ডেমোক্র্যাটদের প্রচারণায় গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।   সমাবেশে ওবামা বিশেষভাবে এল-সায়েদের ধর্মীয় পরিচয় নিয়ে রাজনৈতিক আক্রমণের সমালোচনা করেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, কোনো প্রার্থীর নাম কিংবা ধর্মকে ব্যবহার করে ভোটারদের মধ্যে সন্দেহ তৈরি করা উচিত নয়। নিজের রাজনৈতিক জীবনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, অতীতেও একই ধরনের আক্রমণের মুখে পড়েছিলেন তিনি। প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সময় ওবামার জন্মস্থান ও নাগরিকত্ব নিয়ে ভিত্তিহীন দাবি ছড়ানো হয়েছিল। সেই অভিজ্ঞতার সঙ্গে এল-সায়েদকে ঘিরে চলমান বিতর্কের তুলনা করেন সাবেক প্রেসিডেন্ট।   মিশরীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক আবদুল এল-সায়েদ একজন চিকিৎসক ও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ। তিনি মিশিগানের ওয়েইন কাউন্টির স্বাস্থ্য বিভাগের দায়িত্ব পালন করেছেন। চলতি বছরের আগস্টে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির প্রাইমারি নির্বাচনে কংগ্রেস সদস্য হেইলি স্টিভেন্সকে অল্প ব্যবধানে পরাজিত করে সিনেটের মনোনয়ন পান তিনি। এল-সায়েদ নির্বাচিত হলে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথম মুসলিম ও প্রথম মিশরীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন সিনেটর হবেন। তবে নির্বাচনের ফলাফল এখনো নির্ধারিত হয়নি।   এল-সায়েদের নির্বাচনি প্রচারণায় স্বাস্থ্যসেবা, জীবনযাত্রার ব্যয় এবং অর্থনৈতিক বৈষম্যের বিষয়গুলো গুরুত্ব পাচ্ছে। তিনি সবার জন্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন এবং মেডিকেয়ার ফর অল কর্মসূচির সমর্থক। অন্যদিকে ওবামার প্রেসিডেন্ট থাকাকালে পাস হওয়া অ্যাফোর্ডেবল কেয়ার অ্যাক্ট নিয়ে অতীতে সমালোচনা করেছিলেন এল-সায়েদ। এই নীতিগত মতপার্থক্য স্বীকার করেও শনিবার তাঁর প্রতি সমর্থন জানান ওবামা। সাবেক প্রেসিডেন্টের বক্তব্য অনুযায়ী, সব বিষয়ে একমত না হলেও সাধারণ মানুষের জন্য স্বাস্থ্যসেবা ও অর্থনৈতিক সুযোগ বাড়ানোর মতো মৌলিক লক্ষ্য তাঁদের মধ্যে অভিন্ন।   মিশিগানের সিনেট আসনটি এবার বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। ডেমোক্র্যাট প্রার্থী এল-সায়েদের প্রতিদ্বন্দ্বী রিপাবলিকান পার্টির সাবেক কংগ্রেস সদস্য মাইক রজার্স। তাঁকে সমর্থন দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। মিশিগানে গত ২৫ বছর ধরে রিপাবলিকানরা মার্কিন সিনেটের কোনো আসনে জয় পায়নি। তবে এবার আসনটি নিয়ে দুই দলের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা চলছে। অক্টোবরের মাঝামাঝি প্রকাশিত একটি জনমত জরিপে দুই প্রার্থীর সমর্থনের ব্যবধান জরিপের ত্রুটিসীমার মধ্যে ছিল। ফলে ভোটের ফল সম্পর্কে নিশ্চিত সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর সুযোগ নেই।   এদিকে এল-সায়েদের বিরুদ্ধে তাঁর ধর্মীয় পরিচয় ও রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে একাধিকবার আক্রমণাত্মক বক্তব্য দিয়েছেন ট্রাম্প। তাঁকে মুসলিম ব্রাদারহুডের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগও করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তবে এল-সায়েদ এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাঁর সঙ্গে সংগঠনটির সংশ্লিষ্টতার নির্ভরযোগ্য প্রমাণ প্রকাশিত হয়নি। শনিবারের সমাবেশে ওবামা এসব আক্রমণের সমালোচনা করে বলেন, এল-সায়েদ মিশিগানের মানুষের স্বার্থ নিয়েই কাজ করতে চান।   শুধু এল-সায়েদের সমর্থনেই নয়, ট্রাম্প প্রশাসনের অর্থনৈতিক ও পররাষ্ট্রনীতির সমালোচনাও করেন ওবামা। তাঁর অভিযোগ, সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় কমানোর পরিবর্তে প্রশাসন অন্য বিষয়গুলোকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। হোয়াইট হাউসের সংস্কারকাজ, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে শুল্ক আরোপ এবং ইরানসংক্রান্ত মার্কিন নীতিরও সমালোচনা করেন তিনি। ট্রাম্প ও তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত আর্থিক সুবিধা নেওয়ার অভিযোগও তোলেন সাবেক প্রেসিডেন্ট। তবে এসব বক্তব্য ওবামার রাজনৈতিক অভিযোগ, আদালতে প্রমাণিত অপরাধের সিদ্ধান্ত নয়।   রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওবামা মধ্যবর্তী নির্বাচনকে ট্রাম্প প্রশাসনের ওপর রাজনৈতিক জবাবদিহি প্রতিষ্ঠার সুযোগ হিসেবে তুলে ধরেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, প্রেসিডেন্টের মেয়াদ শেষ হতে আরও দুই বছর বাকি থাকলেও কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণে পরিবর্তন আনার সুযোগ রয়েছে ভোটারদের হাতে। ডেমোক্র্যাটদের সমর্থনে মিশিগানের পাশাপাশি ওহাইওতেও প্রচারণা চালিয়েছেন তিনি। সেখানে সিনেট প্রার্থী শেরড ব্রাউন এবং গভর্নর প্রার্থী অ্যামি অ্যাকটনের পক্ষে সমাবেশ করেন।   ওহাইওর সমাবেশে রিপাবলিকান গভর্নর প্রার্থী বিবেক রামাস্বামীর একটি নির্বাচনি বিজ্ঞাপনেরও সমালোচনা করেন ওবামা। বিজ্ঞাপনটিতে তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী অ্যামি অ্যাকটনের পারিবারিক জীবনের সংবেদনশীল বিষয় তুলে ধরা হয়েছে। ওবামা অভিযোগ করেন, রাজনৈতিক সুবিধার জন্য ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতাকে ব্যবহার করা হচ্ছে। তবে ট্রাম্প ও ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বিজ্ঞাপনটির পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। ওহাইওর কয়েকজন রিপাবলিকান নেতাও বিজ্ঞাপনটি প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছেন।   এদিকে ট্রাম্পও ওবামার সমালোচনার জবাব দিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে সাবেক প্রেসিডেন্টের নেতৃত্বের সমালোচনা করেন তিনি। একই সঙ্গে এল-সায়েদের বিরুদ্ধে ধর্মীয় ও রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে নতুন করে অভিযোগ তোলেন। শনিবার জর্জিয়ার একটি নির্বাচনি সমাবেশেও ওবামার মিশিগান সফরের প্রসঙ্গ আনেন ট্রাম্প। ফলে নির্বাচনের শেষ পর্যায়ে দুই দলের শীর্ষ নেতাদের মধ্যে বক্তব্যের পাল্টাপাল্টি আরও বেড়েছে।   মিশিগানের ডেট্রয়েট শহর ডেমোক্র্যাটদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভোটারসমর্থনের এলাকা। শহরটিতে কৃষ্ণাঙ্গ জনগোষ্ঠীর বড় অংশের বসবাস রয়েছে। আগস্টের প্রাইমারি নির্বাচনে ডেট্রয়েটসহ ওয়েইন কাউন্টিতে এল-সায়েদের প্রতিদ্বন্দ্বী হেইলি স্টিভেন্স বেশি ভোট পেয়েছিলেন। এ কারণে সাধারণ নির্বাচনের আগে ওই এলাকার ভোটারদের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানোর চেষ্টা করছেন এল-সায়েদ। এর আগে সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসও তাঁর পক্ষে প্রচারণা চালিয়েছেন।   যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে প্রতিনিধি পরিষদের সব আসন এবং সিনেটের নির্দিষ্টসংখ্যক আসনে ভোট হবে। মিশিগানের সিনেট আসনটি দুই দলের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ, কারণ কংগ্রেসের উচ্চকক্ষের নিয়ন্ত্রণ নির্ধারণে প্রতিটি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ আসনের ফল ভূমিকা রাখতে পারে। পাশাপাশি অঙ্গরাজ্যটির গভর্নর নির্বাচনও অনুষ্ঠিত হচ্ছে।    মিশিগানের মুসলিম সিনেট প্রার্থী আবদুল এল-সায়েদের পক্ষে বারাক ওবামার সরাসরি প্রচারণা যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে নতুন গুরুত্ব পেয়েছে। ধর্মীয় পরিচয় নিয়ে রাজনৈতিক আক্রমণের বিরোধিতা করার পাশাপাশি স্বাস্থ্যসেবা, অর্থনীতি ও প্রশাসনের জবাবদিহির বিষয়গুলো তুলে ধরেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট। অন্যদিকে ট্রাম্প রিপাবলিকান প্রার্থীর পক্ষে নিজের অবস্থান বজায় রেখেছেন। আগামী ৩ নভেম্বরের ভোটেই নির্ধারিত হবে মিশিগানের এই গুরুত্বপূর্ণ সিনেট আসনের পরবর্তী প্রতিনিধি।

প্রকাশ: অক্টোবর ২৫, ২০২৬ ১২:২৫
ইরানের সঙ্গে নতুন চুক্তি নাকি সামরিক অভিযান—কোন পথ বেছে নেবেন, তা নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভাবছেন বলে ফক্স নিউজকে জানিয়েছেন। ছবি: সংগৃহীত

ইরানের সঙ্গে চুক্তি নাকি সামরিক হামলা, দুই বিকল্প বিবেচনায় ট্রাম্প

ফ্লোরিডায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে বন্দুকধারীর হা মলা, গুলিবিদ্ধ ১১ জনের অর্ধেকই অপ্রাপ্তবয়স্ক

ফ্লোরিডায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে বন্দুকধারীর হা মলা, গুলিবিদ্ধ ১১ জনের অর্ধেকই অপ্রাপ্তবয়স্ক

নিউইয়র্কে ইহুদিবিদ্বেষী হামলা ও নিরাপত্তার উদ্বেগে ফ্লোরিডায় নতুন বসতি গড়ছেন অর্থডক্স ইহুদি সম্প্রদায়ের পরিবারগুলো। ছবি: সংগৃহীত

নিউইয়র্কে ইহুদিদের উপর হামলা ও নিরাপত্তার উদ্বেগে ফ্লোরিডায় পাড়ি জমাচ্ছে শতাধিক ইহুদি পরিবার

নিউইয়র্কে প্রথমবার বাড়ি কিনলে মিলবে ১ লাখ ডলার পর্যন্ত সহায়তা
নিউইয়র্কে প্রথমবার বাড়ি কিনলে মিলবে ১ লাখ ডলার পর্যন্ত সহায়তা, জেনে নিন শর্ত

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটিতে প্রথমবারের মতো বাড়ি কিনতে আগ্রহীদের জন্য দারুণ এক সুযোগ তৈরি হয়েছে। ‘হোমফার্স্ট ডাউন পেমেন্ট অ্যাসিস্ট্যান্স প্রোগ্রাম’-এর আওতায় যোগ্য ক্রেতারা বাড়ি কেনার প্রাথমিক ডাউন পেমেন্ট অথবা ক্লোজিং খরচ মেটাতে সর্বোচ্চ ১ লাখ ডলার পর্যন্ত আর্থিক সহায়তা পেতে পারেন।   নিউইয়র্ক সিটির পাঁচটি বরো—কুইন্স, ব্রুকলিন, ব্রঙ্কস, ম্যানহাটন ও স্ট্যাটেন আইল্যান্ডের বাসিন্দারা নির্দিষ্ট কিছু শর্ত পূরণ সাপেক্ষে এই সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন। মূলত বাড়ির ক্রমবর্ধমান মূল্য এবং প্রাথমিক খরচের কারণে যেসব পরিবার নিজস্ব বাড়ির স্বপ্ন পূরণ করতে পারছে না, তাদের পাশে দাঁড়াতেই নিউইয়র্ক সিটির ডিপার্টমেন্ট অব হাউজিং প্রিজারভেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (এইচপিডি) এই উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে।   সম্প্রতি সেঞ্চুরি ২১-এর আয়োজনে অনুষ্ঠিত একটি সেমিনারে সম্ভাব্য ক্রেতাদের এই কর্মসূচির সুবিধা ও যোগ্যতা সম্পর্কে বিস্তারিত জানানো হয়।   এই কর্মসূচির আওতায় এক থেকে চার পরিবারের বসবাসের উপযোগী বাড়ি, কনডোমিনিয়াম এবং কো-অপারেটিভ অ্যাপার্টমেন্ট কেনার ক্ষেত্রে সহায়তা পাওয়া যাবে। তবে শর্ত হলো, কেনা বাড়িটি আবেদনকারীর প্রধান বাসস্থান হতে হবে এবং তাকে অবশ্যই প্রথমবার বাড়ি ক্রেতা হতে হবে (অর্থাৎ গত তিন বছরের মধ্যে কোনো বাড়ির মালিক ছিলেন না)।   সহায়তা পাওয়ার জন্য পরিবারের আয়সীমা সংশ্লিষ্ট এলাকার মধ্যম আয়ের সর্বোচ্চ ১২০ শতাংশের মধ্যে থাকতে হবে এবং আবেদনকারীদের এইচপিডি অনুমোদিত প্রতিষ্ঠান থেকে বাড়ি কেনাবিষয়ক প্রশিক্ষণ নিতে হবে। এছাড়া ক্রেতার নিজস্ব তহবিল থেকে অন্তত ৩ শতাংশ ডাউন পেমেন্ট দেওয়ার সক্ষমতা থাকা বাধ্যতামূলক।   এই আর্থিক সহায়তা মূলত সাধারণ অনুদানের বদলে শর্তসাপেক্ষে মওকুফযোগ্য ঋণ হিসেবে দেওয়া হয়, যা নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত ওই বাড়িতে বসবাসসহ আনুষঙ্গিক সব শর্ত পূরণ করলে পুরোপুরি মওকুফ হয়ে যেতে পারে।

প্রকাশ: অক্টোবর ২৫, ২০২৬ ১০:১
যুক্তরাষ্ট্রের র‍্যান্ডলফ কাউন্টিতে অ্যাম্বুলেন্স সেবা বাঁচাতে কেনাকাটায় অতিরিক্ত ১০ সেন্ট ফি আরোপ

যুক্তরাষ্ট্রের র‍্যান্ডলফ কাউন্টিতে অ্যাম্বুলেন্স সেবা বাঁচাতে কেনাকাটায় অতিরিক্ত ১০ সেন্ট ফি আরোপ

যুক্তরাষ্ট্রে বছরে ৩ লাখ ডলারের বেশি আয় করেও আর্থিক চাপে রয়েছেন ৩৬ শতাংশ উচ্চ আয়ের মানুষ। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রে বছরে ৩ লাখ ডলার আয়েও মাস শেষে টাকা থাকছে না অনেকের

গ্যালাপের জরিপে ২০২৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রে ১৮ থেকে ২৯ বছর বয়সীদের মাত্র ৪৪ শতাংশ জীবন নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রে তরুণ প্রজন্মের সুখ কমছে, জীবনে সবচেয়ে অসন্তুষ্ট জেন জি

নিউইয়র্কের ম্যানহাটনে মাত্র ১,৮২০ ডলারে অ্যাপার্টমেন্ট কেনার সুযোগ, চলছে লটারি
নিউইয়র্কের ম্যানহাটনে মাত্র ১,৮২০ ডলারে অ্যাপার্টমেন্ট কেনার সুযোগ, চলছে লটারি

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরের কেন্দ্রস্থল ম্যানহাটনে অবিশ্বাস্য কম দামে অ্যাপার্টমেন্ট কেনার দারুণ সুযোগ তৈরি হয়েছে। আপার ম্যানহাটনের ইনউড এলাকায় অবস্থিত 'ইনউড গার্ডেনস' নামক ২৩ তলাবিশিষ্ট একটি সমবায় আবাসন প্রকল্পে এক থেকে তিন শয়নকক্ষের অ্যাপার্টমেন্টের জন্য লটারির মাধ্যমে আবেদন গ্রহণ করা হচ্ছে।   নিউইয়র্কভিত্তিক সংবাদমাধ্যম প্যাচের তথ্য অনুযায়ী, ৪৫ কুপার স্ট্রিটে অবস্থিত এই প্রকল্পটি মূলত নিউইয়র্কের সাশ্রয়ী আবাসন কর্মসূচি 'মিচেল-লামা'-এর আওতাভুক্ত। এসব অ্যাপার্টমেন্টের প্রাথমিক ক্রয়মূল্য শুরু হয়েছে মাত্র ১ হাজার ৮২০ ডলার থেকে। তবে এটি কোনো মাসিক ভাড়া নয়, বরং অ্যাপার্টমেন্ট কেনার প্রাথমিক মূল্য। এর পাশাপাশি বাসিন্দাদের প্রতি মাসে একটি নির্দিষ্ট অঙ্কের রক্ষণাবেক্ষণ খরচ বহন করতে হবে, যার মধ্যে হিটিং সিস্টেম, গরম পানি, গ্যাস ও বিদ্যুতের মতো জরুরি পরিষেবাগুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।   অ্যাপার্টমেন্টের আকার, পরিবারের সদস্যসংখ্যা এবং বার্ষিক আয়ের ওপর ভিত্তি করে ক্রয়মূল্য ও রক্ষণাবেক্ষণ খরচ নির্ধারণ করা হয়েছে। এক শয়নকক্ষের অ্যাপার্টমেন্টের ক্রয়মূল্য ১ হাজার ৮২০ ডলার এবং মাসিক রক্ষণাবেক্ষণ খরচ ৭১৭.১৫ থেকে ৯০৯.৭১ ডলার, যার জন্য এক বা দুই সদস্যের পরিবারের বার্ষিক আয় ২৮ হাজার ৮৮১.৬০ থেকে ১ লাখ ২১ হাজার ৬০০ ডলারের মধ্যে হতে হবে।   একইভাবে, দুই শয়নকক্ষের অ্যাপার্টমেন্টের দাম ২ হাজার ৬৩০ থেকে ২ হাজার ৯১০ ডলার এবং তিন শয়নকক্ষের দাম ৩ হাজার ৬৩০ থেকে ৩ হাজার ৯০০ ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে। এগুলোর মাসিক রক্ষণাবেক্ষণ খরচ যথাক্রমে ৯২২.০৪ থেকে ১ হাজার ১২৪.৫২ ডলার এবং ১ হাজার ১৯১.৭৫ থেকে ১ হাজার ৪০৫.২০ ডলার। দুই শয়নকক্ষের জন্য দুই থেকে চার সদস্যের পরিবারের আয়সীমা ৩৪ হাজার ৪৭১.৩০ থেকে ১ লাখ ৪২ হাজার ৮৩০ ডলার এবং তিন শয়নকক্ষের ক্ষেত্রে চার থেকে ছয় সদস্যের পরিবারের আয়সীমা ৪৭ হাজার ৯০২.৮০ থেকে ১ লাখ ৮৮ হাজার ডলার হতে হবে।   প্রকল্পটিতে বাসিন্দাদের জন্য ব্যক্তিগত খোলা বারান্দা, গাড়ি পার্কিং, কমিউনিটি কক্ষ, কম্পিউটার ব্যবহারের সুবিধা ও লন্ড্রিসহ আধুনিক সব সুযোগ-সুবিধা রয়েছে। আগ্রহীরা নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের হোমস অ্যান্ড কমিউনিটি রিনিউয়াল (HCR) বিভাগের সরকারি ওয়েবসাইটে 'HCR000211' প্রকল্প নম্বর ব্যবহার করে বিস্তারিত তথ্য ও আবেদনের নিয়ম জানতে পারবেন।   এছাড়া কাগজে মুদ্রিত আবেদনপত্রের জন্য সরাসরি ব্যবস্থাপনা কার্যালয়ের (২১২) ৯৪১-৫২৪০ নম্বরে যোগাযোগ করার সুযোগ রয়েছে। তবে কর্তৃপক্ষের কড়া নির্দেশনা রয়েছে যে, একই পরিবারের পক্ষ থেকে একাধিক আবেদন করা যাবে না। মিচেল-লামা কর্মসূচির মূল লক্ষ্য মধ্যম আয়ের পরিবারগুলোকে সাশ্রয়ী আবাসন দেওয়া হলেও, লটারিতে আবেদন করলেই অ্যাপার্টমেন্ট পাওয়া নিশ্চিত নয়। লটারির মাধ্যমে মূলত একটি অপেক্ষমাণ তালিকা তৈরি করা হয় এবং পরবর্তীতে অ্যাপার্টমেন্ট খালি হওয়া সাপেক্ষে যোগ্যতা অনুযায়ী আবেদনকারীদের বরাদ্দ দেওয়া হয়।

প্রকাশ: অক্টোবর ২৫, ২০২৬ ৮:৫৭
যুক্তরাষ্ট্রে চাকরি হারিয়েও মাসে ১ হাজার ডলার সাশ্রয়, তরুণীর অভিনব কৌশল

যুক্তরাষ্ট্রে চাকরি হারিয়েও মাসে ১ হাজার ডলার সাশ্রয়, তরুণীর অভিনব কৌশল

নিউইয়র্কে ক্যাথলিক যাজকদের যৌ ন নিপীড়নের শিকার ১,৩০০ জন, ক্ষতিপূরণ ৮০ কোটি ডলারের বেশি

নিউইয়র্কে ক্যাথলিক যাজকদের যৌ ন নিপীড়নের শিকার ১,৩০০ জন, ক্ষতিপূরণ ৮০ কোটি ডলারের বেশি

নিউইয়র্কে শুটিং চলাকালে ছুরি হাতে হা মলার চেষ্টা, গ্রেপ্তার ২৩ বছরের যুবক

নিউইয়র্কে শুটিং চলাকালে ছুরি হাতে হা মলার চেষ্টা, গ্রেপ্তার ২৩ বছরের যুবক

0 Comments