সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার
আমেরিকা

যুক্তরাষ্ট্রে অর্থ পাচারের দায় স্বীকার মাদুরো-ঘনিষ্ঠ অ্যালেক্স সাবের, বাজেয়াপ্ত হবে ১৯৫ মিলিয়ন ডলার

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬ ১৪:৫৯
যুক্তরাষ্ট্রে অর্থ পাচারের দায় স্বীকার মাদুরো-ঘনিষ্ঠ অ্যালেক্স সাবের, বাজেয়াপ্ত হবে ১৯৫ মিলিয়ন ডলার
যুক্তরাষ্ট্রে অর্থ পাচারের দায় স্বীকার মাদুরো-ঘনিষ্ঠ অ্যালেক্স সাবের, বাজেয়াপ্ত হবে ১৯৫ মিলিয়ন ডলার

ভেনেজুয়েলার ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর একসময়ের ঘনিষ্ঠ সহযোগী অ্যালেক্স সাব যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামি ফেডারেল আদালতে অর্থ পাচারের অভিযোগ স্বীকার করে নিয়েছেন। দক্ষিণ আমেরিকার দেশটিতে সরকারের লাভজনক চুক্তি বাগিয়ে নিতে ঘুস লেনদেনের ষড়যন্ত্রের সঙ্গে তিনি যুক্ত ছিলেন।

 

মঙ্গলবার আদালতে একটি চুক্তির অংশ হিসেবে ৫৪ বছর বয়সী এই কলম্বিয়ান বংশোদ্ভূত ব্যবসায়ী চলমান ফেডারেল তদন্তে সহযোগিতা করতে সম্মত হয়েছেন। একই সঙ্গে ওই দুর্নীতি থেকে অর্জিত ১৯৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বাজেয়াপ্ত করার বিষয়েও তিনি সম্মতি দিয়েছেন। গত মে মাসে ভেনেজুয়েলার বর্তমান ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ অ্যালেক্স সাবকে যুক্তরাষ্ট্রে ফেরত পাঠান। এর আগে এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি মার্কিন প্রশাসনের নজরে ছিলেন।

 

অর্থ পাচারের এই অপরাধে সর্বোচ্চ ২০ বছরের কারাদণ্ডের বিধান থাকলেও, অন্যান্য আসামিদের বিরুদ্ধে তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়ে সহযোগিতার শর্তে প্রসিকিউটররা তার সাজা কমানোর সুপারিশ করতে সম্মত হয়েছেন। উল্লেখ্য, ২০১৯ সালে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে সাবের বিরুদ্ধে প্রথম অভিযোগ আনা হয়েছিল এবং পরবর্তীতে ২০২০ সালে কেপ ভার্দেতে বিমান জ্বালানি নেওয়ার সময় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

 

সেসময় ভেনেজুয়েলা সরকার তার সেই যাত্রাকে ইরানের উদ্দেশে একটি ‘উচ্চ পর্যায়ের মানবিক মিশন’ বলে দাবি করেছিল। মঙ্গলবার আদালতে সাব জানান, ২০২০ সালে গ্রেপ্তারের পর থেকে তিনি ‘পোস্ট-ট্রমাটিক স্ট্রেস ডিসঅর্ডার’-এ ভুগছেন এবং নিয়মিত অবসাদ দূর করার ওষুধ সেবন করছেন।

 

২০২৩ সালে ভেনেজুয়েলায় বন্দি বেশ কয়েকজন মার্কিন নাগরিকের মুক্তির বিনিময়ে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন সাবকে ক্ষমা করে দিয়েছিলেন। তবে বাইডেন প্রশাসনের সেই পদক্ষেপ রিপাবলিকান ও ফেডারেল আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছিল এবং তারা দ্রুত তার অন্যান্য অপরাধের তদন্ত শুরু করে।

 

মার্কিন কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে অ্যালেক্স সাবকে মাদুরোর দুর্নীতির অন্যতম ‘প্রধান সহযোগী’ বা অর্থ পাচারকারী হিসেবে আখ্যা দিয়ে আসছেন। চলতি বছরের জানুয়ারিতে মার্কিন সামরিক বাহিনীর এক অভিযানে গ্রেপ্তার হওয়ার পর মাদুরো বর্তমানে মাদক পাচারের অভিযোগে ম্যানহাটনে বিচারের অপেক্ষায় রয়েছেন। ধারণা করা হচ্ছে, সাবেক প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে সাবকে ব্যবহার করা হতে পারে।

 

এদিকে, সাব ও মাদুরোর এই বিচার প্রক্রিয়া এমন এক সময়ে চলছে, যখন ট্রাম্প প্রশাসন ভেনেজুয়েলার বিশাল তেলের মজুত কাজে লাগানোর লক্ষ্যে দেশটির সঙ্গে সম্পর্ক ঢেলে সাজাচ্ছে। সাব মূলত ভেনেজুয়েলা সরকারের বিভিন্ন চুক্তির মাধ্যমে বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছিলেন এবং মার্কিন নিষেধাজ্ঞার মধ্যে পশ্চিমা আর্থিক প্রতিষ্ঠান এড়িয়ে তেল বিক্রি ও বৈদেশিক বাণিজ্যে মাদুরোকে সহায়তা করে আরও প্রভাবশালী হয়ে উঠেছিলেন।

 

নতুন অভিযোগে বলা হয়েছে, ভেনেজুয়েলায় চরম মুদ্রাস্ফীতির সময় দরিদ্রদের জন্য চাল, ভুট্টা ও তেলের মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহের ‘ক্ল্যাপ’ (CLAP) কর্মসূচির আড়ালে ভুয়া কোম্পানি খুলে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার আত্মসাৎ করেছেন তিনি এবং তার সহযোগীরা।


© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

আমেরিকা

View more
নিউ ইয়র্কের ব্রুকলিনের বাথ বিচ এলাকায় দৌড়ানোর সময় ২৮ বছর বয়সী এক তরুণীর গলায় ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটেছে। গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা
নিউ ইয়র্কে সন্ধ্যায় জগিংয়ে বেরিয়ে হামলার শিকার নারী, হাসপাতালে জীবনমৃত্যুর সন্ধিক্ষণে

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের ব্রুকলিনে সন্ধ্যায় দৌড়াতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন ২৮ বছর বয়সী এক তরুণী। এ সময় তাঁর গলায় ছুরিকাঘাত করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকেরা সংকটাপন্ন বলে জানান। শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকাল পর্যন্ত তাঁর শারীরিক অবস্থার উন্নতির খবর পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি নিউইয়র্ক পুলিশ।   শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) রাত ৮টার পর ব্রুকলিনের বাথ বিচ এলাকায় বে পার্কওয়ে ও ক্রপসি অ্যাভিনিউয়ের সংযোগস্থলের কাছে একটি সাইকেল চলাচলের পথে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ সূত্রের বরাতে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, ওই তরুণী সেখানে দৌড়াচ্ছিলেন। একপর্যায়ে অজ্ঞাতপরিচয় কেউ তাঁর গলায় ছুরিকাঘাত করে। পরে তাঁকে নিউইয়র্কের এনওয়াইইউ ল্যাঙ্গোন হাসপাতাল-ব্রুকলিনে নেওয়া হয়। সেখানে তাঁকে সংকটাপন্ন অবস্থায় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।   স্থানীয় সংবাদমাধ্যম এবিসি৭-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, দৌড় শেষ করে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করার কথা ছিল ওই তরুণীর। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে বাড়ি না ফেরায় তাঁর বাবা তাঁকে খুঁজতে বের হন। একপর্যায়ে পথের পাশে আহত অবস্থায় তাঁকে খুঁজে পান তিনি। ওই তরুণী নিউইয়র্ক সিটি ম্যারাথনের প্রস্তুতিও নিচ্ছিলেন বলে পুলিশ সূত্র জানিয়েছে।   হামলার কারণ কিংবা এর পেছনে কোনো ব্যক্তিগত বিরোধ ছিল কি না, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। পুলিশ হামলাকারীর কোনো নির্ভরযোগ্য বর্ণনাও প্রকাশ করতে পারেনি। ফলে এখন পর্যন্ত কাউকে শনাক্ত বা গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। নিউইয়র্ক পুলিশের ৬২তম প্রিসিঙ্কটের গোয়েন্দারা ঘটনাটির তদন্ত করছেন। হামলাকারীর সন্ধানে শুক্রবার রাত ও শনিবার এলাকায় বিশেষ অনুসন্ধান চালানো হয়। এতে ডুবুরি দল, আকাশপথে নজরদারি, প্রশিক্ষিত কুকুর এবং ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে।   ঘটনার পর ওই এলাকার নিয়মিত দৌড়বিদদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এবিসি৭কে কয়েকজন দৌড়বিদ জানিয়েছেন, সাধারণত পরিচিত ওই পথে এমন ঘটনা তাঁদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করেছে। স্থানীয় সিনেটর স্টিভেন চেনও এলাকাটিতে নিরাপত্তা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছেন। বিশেষ করে রাতের বেলায় পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা এবং আশপাশের দৃশ্যমানতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি।   সূত্র: পিক্স১১ নিউজ, এবিসি৭ নিউইয়র্ক ও ফক্স ৫ নিউইয়র্ক।

প্রকাশ: অক্টোবর ৩১, ২০২৬ ২১:৪০
বাবার পারকিনসনের ওষুধের খরচ জোগাতে গিয়ে নিজের খাবার বন্ধ করে দিয়েছিলেন নিউইয়র্কের এক তরুণী, পরে পেটে ব্যথা নিয়ে হাসপাতালে গেলে ধরা পড়ে অনাহারজনিত শারীরিক জটিলতা। গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা

বাবার চিকিৎসার খরচ জোগাতে না খেয়ে থাকতেন নিউ ইয়র্কের তরুণী, শেষ পরিণতি হাসপাতালে

যুক্তরাষ্ট্রের এফবিআই পরিচালক কাশ প্যাটেল। তাঁকে হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগে মিশিগানে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা

এফবিআই পরিচালক ক্যাশ প্যাটেলকে হত্যার হুমকি, মিশিগান থেকে এক ব্যক্তি গ্রেপ্তার

ভায়োলেটা মাইলিয়ান

ছুটিতে থেকেও রোগী দেখানোর বিল! কোটি ডলার জালিয়াতিতে চিকিৎসকের ১৫ বছরের কারাদণ্ড

খুলনার শেখ আল আমিন
খুলনার শেখ আল আমিন এখন মার্কিন সেনাবাহিনীর কোম্পানি কমান্ডার

যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীতে গুরুত্বপূর্ণ নেতৃত্বের দায়িত্ব পেয়েছেন বাংলাদেশের খুলনায় জন্ম নেওয়া বাংলাদেশি-আমেরিকান ক্যাপ্টেন শেখ আল আমিন। সম্প্রতি ক্যাপ্টেন পদে পদোন্নতির পর নিউইয়র্কের ৪০৮তম হিউম্যান রিসোর্সেস কোম্পানির কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন তিনি। গত ২৪ অক্টোবর নিউইয়র্কের কুইন্সের বেসাইডে অবস্থিত সামরিক ইউনিটটির দায়িত্ব তাঁর হাতে তুলে দেওয়া হয়। মার্কিন সেনাবাহিনীতে নেতৃত্বের পাশাপাশি তিনি নিউইয়র্ক পুলিশ ডিপার্টমেন্টের (এনওয়াইপিডি) স্পেশাল অপারেশনস ডিভিশনেও কর্মরত রয়েছেন।   গত ৩০ সেপ্টেম্বর ফার্স্ট লেফটেন্যান্ট থেকে ক্যাপ্টেন পদে পদোন্নতি পান শেখ আল আমিন। এর কয়েক সপ্তাহ পর তাঁকে ৪০৮তম হিউম্যান রিসোর্সেস কোম্পানির কমান্ডারের দায়িত্ব দেওয়া হয়। নতুন দায়িত্বের আওতায় তাঁকে ইউনিটের প্রশাসনিক কার্যক্রম, সদস্যদের নেতৃত্ব, প্রশিক্ষণ ও সামরিক শৃঙ্খলা রক্ষার বিষয়গুলো তদারক করতে হবে। ইউনিফর্ম কোড অব মিলিটারি জাস্টিসের আওতায় নির্দিষ্ট সামরিক শৃঙ্খলাসংক্রান্ত কর্তৃত্বও রয়েছে কোম্পানি কমান্ডারের।   বাংলাদেশের খুলনায় জন্ম ও বেড়ে ওঠা শেখ আল আমিন ২০০৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান। নতুন দেশে উচ্চশিক্ষা ও পেশাগত জীবন শুরু করার পর ২০১৮ সালের নভেম্বরে মার্কিন সেনাবাহিনীতে যোগ দেন। শুরুতে হিউম্যান রিসোর্সেস স্পেশালিস্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। ২০২২ সালে সার্জেন্ট পদে উন্নীত হওয়ার পর সামরিক কর্মকর্তা হওয়ার লক্ষ্যে অফিসার ক্যান্ডিডেট স্কুলে প্রশিক্ষণ নেন। ২০২৩ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি প্রশিক্ষণ শেষ করে সেকেন্ড লেফটেন্যান্ট হিসেবে কমিশন লাভ করেন।   সামরিক জীবনে ২০২৪ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের অধীনে দায়িত্ব পালন করেন শেখ আল আমিন। জর্ডানে অবস্থানকালে তিনি সামরিক ডাকসেবা, সদস্যদের ভোটদানে সহায়তা এবং সামরিক সরঞ্জাম ও সদস্যদের স্থানান্তরসংক্রান্ত কার্যক্রমে নেতৃত্ব দেন। তাঁর দায়িত্বের মধ্যে ছিল ছয়টি সামরিক ঘাঁটির ডাক কার্যক্রম তদারকি। এ সময় প্রায় ১১ লাখ ৫০ হাজার পাউন্ড ডাকসামগ্রী ব্যবস্থাপনার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি।   মধ্যপ্রাচ্যে দায়িত্ব পালনকালে মার্কিন সামরিক সদস্যদের ভোটদানে সহায়তার একটি কর্মসূচিও পরিচালনা করেন শেখ আল আমিন। ওই উদ্যোগের মাধ্যমে ২৭৮ জন সামরিক সদস্যের অনুপস্থিত ভোট বা অ্যাবসেন্টি ব্যালট দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। এসব দায়িত্ব পালনের স্বীকৃতি হিসেবে তিনি আর্মি কমেন্ডেশন মেডেল, আর্মি অ্যাচিভমেন্ট মেডেল এবং মিলিটারি আউটস্ট্যান্ডিং ভলান্টিয়ার সার্ভিস মেডেলসহ একাধিক সামরিক সম্মাননা অর্জন করেছেন।   মার্কিন সেনাবাহিনীর পাশাপাশি নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগেও দায়িত্ব পালন করছেন শেখ আল আমিন। বর্তমানে তিনি এনওয়াইপিডির স্পেশাল অপারেশনস ডিভিশনে কর্মরত। ২০২৪ সালে পুলিশি দায়িত্বে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তাঁকে এক্সিলেন্ট পুলিশ ডিউটি অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হয়। সামরিক বাহিনী ও পুলিশ বিভাগে একসঙ্গে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দুটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।   শিক্ষাজীবনেও উল্লেখযোগ্য সাফল্য রয়েছে শেখ আল আমিনের। নিউইয়র্কের লেহম্যান কলেজ থেকে অর্গানাইজেশনাল লিডারশিপ বা সাংগঠনিক নেতৃত্ব বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন তিনি। এ বিষয়ে তাঁর জিপিএ ছিল ৪ দশমিক শূন্য। এর আগে ইয়র্ক কলেজে পড়াশোনার সময় শিক্ষার্থী নেতৃত্বের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। কলেজটির স্টুডেন্ট গভর্নমেন্ট প্রেসিডেন্ট এবং সিটি ইউনিভার্সিটি অব নিউইয়র্কের ইউনিভার্সিটি স্টুডেন্ট সিনেটের ভাইস চেয়ারপারসন হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।   পেশাগত দায়িত্বের পাশাপাশি নিউইয়র্কের বাংলাদেশি কমিউনিটির বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় রয়েছেন শেখ আল আমিন। নিউইয়র্ক সিটি মেয়রের সিভিক এনগেজমেন্ট কার্যালয়ের সরকারি জীবনী অনুযায়ী, তিনি ইয়র্ক কলেজ অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং গ্রেটার খুলনা সোসাইটি অব ইউএসএ ইনকরপোরেটেডের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ভোটার নিবন্ধন, নাগরিক সম্পৃক্ততা এবং তরুণদের নেতৃত্ব বিকাশসংক্রান্ত বিভিন্ন কর্মসূচিতেও তাঁর অংশগ্রহণ রয়েছে।   বর্তমানে স্ত্রী ন্যান্সি আক্তার লিজা ও দুই সন্তানকে নিয়ে নিউইয়র্কের কুইন্সে বসবাস করছেন শেখ আল আমিন। তাঁর ক্যাপ্টেন পদে পদোন্নতি এবং নতুন সামরিক নেতৃত্বের দায়িত্ব পাওয়ায় অভিনন্দন জানিয়েছে বাংলাদেশি-আমেরিকান পুলিশ অ্যাসোসিয়েশন (বাপা)। সংগঠনটির নেতারা তাঁর পেশাগত অর্জনকে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত কর্মকর্তাদের অগ্রগতির একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।   খুলনা থেকে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে উচ্চশিক্ষা, সামরিক প্রশিক্ষণ ও দীর্ঘ পেশাগত অভিজ্ঞতার মাধ্যমে নেতৃত্বের দায়িত্বে পৌঁছেছেন শেখ আল আমিন। সেপ্টেম্বরের ক্যাপ্টেন পদে পদোন্নতির পর অক্টোবরে কোম্পানি কমান্ডারের দায়িত্ব গ্রহণ তাঁর সামরিক কর্মজীবনে নতুন অধ্যায় হিসেবে যুক্ত হয়েছে। একই সঙ্গে এনওয়াইপিডি ও বাংলাদেশি কমিউনিটির সঙ্গে তাঁর সম্পৃক্ততাও অব্যাহত রয়েছে।

প্রকাশ: অক্টোবর ৩১, ২০২৬ ১৯:২৯
ফ্লোরিডাভিত্তিক ‘ভিলা ভি রেসিডেন্সেস’-এর বিলাসবহুল ক্রুজ জাহাজ ‘এমভি ওডিসি’

আজীবন সমুদ্রভ্রমণের প্রতিশ্রুতি দিয়ে বন্ধ ক্রুজ, বিপুল অর্থ হারিয়েও অভিজ্ঞতা নিয়ে সন্তুষ্ট দুই বোন

গ্রিন কার্ডের আবেদন

পিটিশনকারী মারা গেলেও তিন ক্ষেত্রে চলতে পারে গ্রিন কার্ডের আবেদন

নারী সহকর্মীদের অপহরণ ও যৌ ন হেনস্তার অভিযোগে ক্যালিফোর্নিয়ায় সাবেক পুলিশ সার্জেন্ট গ্রেপ্তার

নারী সহকর্মীদের অপহরণ ও যৌ ন হেনস্তার অভিযোগে ক্যালিফোর্নিয়ায় সাবেক পুলিশ সার্জেন্ট গ্রেপ্তার

গ্রিন কার্ড ছাড়াই বাড়ি কেনার অর্থায়ন, কী কী যোগ্যতা লাগবে
যুক্তরাষ্ট্রে অ্যাসাইলাম আবেদনকারীদের বাড়ি কেনার অর্থায়ন কীভাবে কাজ করে?

যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক আশ্রয়ের (Asylum) আবেদন করেছেন, কিন্তু এখনো গ্রিন কার্ড পাননি। এমন অবস্থায় কি বাড়ি কেনা সম্ভব? এ নিয়ে অনেক বাংলাদেশি অভিবাসীর মধ্যে রয়েছে নানা প্রশ্ন ও সংশয়। তবে অ্যাসাইলাম আবেদন চলমান থাকলেও নির্দিষ্ট যোগ্যতা, বৈধ কাগজপত্র এবং আর্থিক সক্ষমতা থাকলে কিছু অর্থায়ন কর্মসূচির মাধ্যমে বাড়ি কেনার সুযোগ থাকতে পারে। চাকরিজীবী থেকে শুরু করে ব্যবসায়ীদের জন্যও রয়েছে আয়ের ধরন অনুযায়ী বিভিন্ন বিকল্প।   ইজারা হোম ফাইন্যান্সিংয়ের ঋণ কর্মকর্তা খন্দকার জামিল জানিয়েছেন, অ্যাসাইলাম আবেদনকারী এমন একাধিক গ্রাহকের বাড়ি কেনার অর্থায়ন করেছেন তিনি। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, বাড়ি কেনার ক্ষেত্রে আবেদনকারীর আয়, আর্থিক সক্ষমতা এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র গুরুত্বপূর্ণ। শুধু গ্রিন কার্ড নেই বলেই যে কেউ বাড়ি কেনার অর্থায়নের জন্য অযোগ্য হবেন, বিষয়টি এমন নয়। তবে প্রত্যেক আবেদনকারীর পরিস্থিতি আলাদাভাবে যাচাই করা হয়। খন্দকার জামিল জানান, যাঁরা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন, তাঁদের জন্য বেতনের ভিত্তিতে অর্থায়নের সুযোগ থাকতে পারে। এ ক্ষেত্রে পেচেক, পে-স্টাব, ডব্লিউ-২ (W-2) এবং চাকরির অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের মাধ্যমে আয় যাচাই করা হয়। নিয়মিত চাকরি ও পর্যাপ্ত আয় থাকলে অন্যান্য শর্ত পূরণ সাপেক্ষে তাঁরা বাড়ি কেনার জন্য আবেদন করতে পারেন। অন্যদিকে, যাঁরা নিজস্ব ব্যবসা পরিচালনা করেন, তাঁদের জন্যও রয়েছে বিকল্প ব্যবস্থা। অনেক ব্যবসায়ীর ক্ষেত্রে দেখা যায়, প্রতিষ্ঠানের মোট বিক্রি বা ব্যাংক হিসাবে লেনদেনের পরিমাণ ভালো হলেও ব্যবসায়িক খরচ বাদ দেওয়ার পর ট্যাক্স রিটার্নে নিট মুনাফা তুলনামূলক কম থাকে। এ ধরনের পরিস্থিতিতে ব্যাংক স্টেটমেন্টভিত্তিক অর্থায়ন কর্মসূচি বিবেচনা করা যেতে পারে। এসব কর্মসূচিতে নির্দিষ্ট সময়ের ব্যাংক স্টেটমেন্ট পর্যালোচনা করে ব্যবসার লেনদেন, আয়ের ধারাবাহিকতা এবং ঋণ পরিশোধের সক্ষমতা মূল্যায়ন করা হয়। তবে ব্যাংক হিসাবে জমা হওয়া মোট অর্থকেই ব্যক্তিগত আয় হিসেবে বিবেচনা করা হয় না। ব্যবসার প্রকৃতি, পরিচালন ব্যয়, অর্থের উৎস এবং অন্যান্য আর্থিক তথ্য যাচাই করে ঋণদাতা গ্রহণযোগ্য আয় নির্ধারণ করেন। এ কারণে ব্যবসায়ীদের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ব্যাংক লেনদেনের স্বচ্ছতা গুরুত্বপূর্ণ। যুক্তরাষ্ট্রের প্রচলিত মর্টগেজ ব্যবস্থাতেও অ-মার্কিন নাগরিকদের জন্য ঋণ পাওয়ার নীতিমালা রয়েছে। ফ্যানি মে (Fannie Mae)-এর নির্দেশনা অনুযায়ী, বৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত স্থায়ী ও অস্থায়ী বাসিন্দারা নির্ধারিত শর্ত পূরণ করলে মর্টগেজের জন্য বিবেচিত হতে পারেন। এ ক্ষেত্রে সোশ্যাল সিকিউরিটি নম্বর বা আইটিআইএন এবং বৈধ অভিবাসন অবস্থানের প্রমাণসহ প্রয়োজনীয় নথিপত্র যাচাই করা হয়। তবে সব ঋণদাতার নীতিমালা এক নয় এবং আবেদনকারীর অভিবাসনসংক্রান্ত অবস্থার ওপর যোগ্যতা নির্ভর করতে পারে। খন্দকার জামিলের পরামর্শ, যাঁরা অ্যাসাইলাম আবেদন করেছেন এবং যুক্তরাষ্ট্রে বাড়ি কেনার পরিকল্পনা করছেন, তাঁরা নিজেদের আর্থিক ও অভিবাসনসংক্রান্ত পরিস্থিতি নিয়ে অভিজ্ঞ ঋণ কর্মকর্তার সঙ্গে আলোচনা করতে পারেন। এতে চাকরির আয়, ব্যবসার ব্যাংক স্টেটমেন্ট কিংবা অন্যান্য আর্থিক নথির ভিত্তিতে কোন ধরনের অর্থায়ন কর্মসূচির জন্য তাঁরা বিবেচিত হতে পারেন, সে সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যাবে। যুক্তরাষ্ট্রে বাড়ি কেনার স্বপ্ন অনেক অভিবাসীরই রয়েছে। অ্যাসাইলাম আবেদন চলমান থাকায় সেই স্বপ্ন থেকে আগেভাগে সরে দাঁড়ানোর প্রয়োজন নেই। তবে কোনো অর্থায়নের আবেদন করার আগে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের শর্ত, অভিবাসনসংক্রান্ত যোগ্যতা এবং সম্পূর্ণ আর্থিক বিষয়গুলো যাচাই করে নেওয়া জরুরি। যাঁরা অ্যাসাইলাম আবেদনকারী হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে বাড়ি কেনার অর্থায়ন সম্পর্কে জানতে আগ্রহী, তাঁরা ইজারা হোম ফাইন্যান্সিংয়ের ঋণ কর্মকর্তা খন্দকার জামিলের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করতে পারেন। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে ফোন করুন: +1 (678) 524-9841।

প্রকাশ: অক্টোবর ৩১, ২০২৬ ১৬:৩১
ক্যালিফোর্নিয়ার উপকূলে ভয়াবহ জোয়ার, পানির নিচে বে এরিয়ার বিস্তীর্ণ এলাকা

ক্যালিফোর্নিয়ার উপকূলে ভয়াবহ জোয়ার, পানির নিচে বে এরিয়ার বিস্তীর্ণ এলাকা

ব্রঙ্কসে ই-বাইকের ব্যাটারির আগুনে একই পরিবারের চারজনের মৃ ত্যু

নিউইয়র্কের ব্রঙ্কসে ই-বাইকের ব্যাটারির আগুনে একই পরিবারের চারজন নি হ ত

যুক্তরাষ্ট্রে নতুন প্রবাসীদের জন্য ক্রেডিট কার্ড পাওয়ার বিভিন্ন সুযোগ

যুক্তরাষ্ট্রে নতুন এসেছেন? ক্রেডিট কার্ড পেতে বছরের পর বছর অপেক্ষার প্রয়োজন নেই

0 Comments