আমেরিকা

ট্রাম্পের কঠোর নীতি যেভাবে ইউরোপকে দূরে ঠেলে দিচ্ছে

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক মার্চ ১৩, ২০২৬ 0
স্পেনের মালাগায় যুদ্ধের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ
স্পেনের মালাগায় যুদ্ধের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ

প্রবাদ আছে, "কেউ যখন আপনাকে বারবার তার আসল রূপ দেখায়, তখন সেটিই বিশ্বাস করা উচিত।" গত ১৪ মাস ধরে ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তার প্রশাসন ঠিক সেটিই করে দেখাচ্ছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং তাদের আদর্শকে লক্ষ্যবস্তু করা, ক্রমাগত সমালোচনা আর শুল্ক বা হুমকির মাধ্যমে পুরনো মিত্রদের ওপর চাপ সৃষ্টি করা এখন হোয়াইট হাউসের নিয়মিত কৌশলে পরিণত হয়েছে।


এতদিন ইউরোপীয় নেতারা ট্রাম্পের রোষ এড়াতে তোষামোদি বা আলোচনার মাধ্যমে তাকে শান্ত রাখার চেষ্টা করে আসছিলেন। কিন্তু ইরানের যুদ্ধ কি তবে সেই সমীকরণে পরিবর্তনের ডাক দিচ্ছে?


পরিবর্তনটি শুরু হয়েছে ধীরে ধীরে। প্রথমে স্পেন মার্কিন-ইসরায়েলি হামলার বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে এবং তাদের ভূখণ্ডে থাকা ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দিতে সরাসরি অস্বীকার করে। ব্রিটেনও শুরুতে একই ধরনের সীমাবদ্ধতা আরোপ করে। এর প্রতিক্রিয়ায় ট্রাম্পের পক্ষ থেকে এসেছে বাণিজ্য যুদ্ধের হুমকি আর কড়া সমালোচনা।


কিন্তু গত কয়েক দিনে চিত্রপট আরও বদলে গেছে। ফ্রান্স, পোল্যান্ড এবং নেদারল্যান্ডস একে একে এই যুদ্ধের বিরুদ্ধে তাদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে। এমনকি ট্রাম্পের সবচেয়ে বিশ্বস্ত মিত্র হিসেবে পরিচিত ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনিও এবার সুর পাল্টেছেন। তিনি মধ্যপ্রাচ্যের এই সামরিক অভিযানকে আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী হিসেবে বর্ণনা করেছেন।


ইউক্রেন যখন অস্তিত্ব রক্ষার লড়াইয়ে লড়ছে, তখন রাশিয়ার ওপর থেকে তেলের নিষেধাজ্ঞা সাময়িকভাবে শিথিল করার মার্কিন সিদ্ধান্তে ইউরোপীয় দেশগুলো হতবাক। গত চার বছর ধরে যারা পুতিনের আগ্রাসন ঠেকাতে আপ্রাণ চেষ্টা করছে, তাদের কাছে এটি এক প্রকার বিশ্বাসঘাতকতা। ইউরোপ অনুভব করছে যে, তারা এক অনির্ভরযোগ্য এবং তিক্ত সম্পর্কের মধ্যে আটকা পড়েছে।


বিশ্লেষকরা বলছেন, ইউরোপ হয়তো এখনই যুক্তরাষ্ট্রের সাথে পুরোপুরি বিচ্ছেদ চাইছে না, কিন্তু সংকটের মুহূর্তে তারা এখন ওয়াশিংটনের পরিবর্তে নিজেদের ঐক্যের ওপরই বেশি ভরসা রাখতে শুরু করেছে। ট্রাম্পের 'টাফ লাভ' বা কঠোর নীতি কি তবে শেষ পর্যন্ত ইউরোপকে ঐক্যবদ্ধ করে যুক্তরাষ্ট্রের বিপরীতে দাঁড় করিয়ে দিল? সেই উত্তর হয়তো সময়ের কাছেই তোলা আছে।

জনপ্রিয় সংবাদ
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

দেশের প্রথম ৪০ তলা ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর সম্পন্ন

বাংলাদেশের আবাসন শিল্পে এক নতুন ইতিহাস রচিত হলো। রাজধানীর তেজগাঁও শিল্প এলাকায় নির্মিত দেশের প্রথম ৪০ তলা বিশিষ্ট আকাশচুম্বী বাণিজ্যিক ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেছে শান্তা হোল্ডিংস। ৫০০ ফুট উচ্চতার এই আইকনিক ভবনটি এখন দেশের সর্বোচ্চ সম্পন্ন হওয়া ইমারত। গত শনিবার (১৮ এপ্রিল) ভবনের ৪০তম তলায় আয়োজিত এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এটি হস্তান্তর করা হয়। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের চেয়ারম্যান খন্দকার মনির উদ্দিন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, স্থপতি এহসান খানসহ প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ভূমি মালিক এবং গ্রাহকরা উপস্থিত ছিলেন। স্থাপত্যশৈলী ও আধুনিক প্রযুক্তি:‘শান্তা পিনাকল’ শুধুমাত্র উচ্চতার কারণেই অনন্য নয়, বরং এটি আধুনিক নির্মাণশৈলী ও প্রযুক্তির এক অনন্য সমন্বয়। এটি বাংলাদেশের প্রথম ভবন যা পরিবেশবান্ধব স্থাপত্যের জন্য আন্তর্জাতিক ‘লিড প্ল্যাটিনাম’ (LEED Platinum) স্বীকৃতি পেয়েছে। সিঙ্গাপুরভিত্তিক বিখ্যাত ইঞ্জিনিয়ারিং প্রতিষ্ঠান ‘মেইনহার্ট’ (Meinhardt) এর সহায়তায় ভবনটির স্ট্রাকচারাল ডিজাইন এবং ভূমিকম্প প্রতিরোধক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। বিশেষ বৈশিষ্ট্যসমূহ: উন্নত লিফট ব্যবস্থা: ভবনটিতে রয়েছে ৮টি দ্রুতগামী লিফট, যা প্রতি সেকেন্ডে ৪ মিটার উচ্চতায় উঠতে সক্ষম। এটি দেশের দ্রুততম ভার্টিক্যাল ট্রান্সপোর্ট ব্যবস্থা। পরিবেশ ও সুরক্ষা: ভবনে ব্যবহৃত হয়েছে ৩৬ মিমি পুরুত্বের ডাবল গ্লেজড গ্লাস, যা তাপ ও শব্দ নিরোধক। এছাড়া এটি দেশের প্রথম ‘উইন্ড টানেল টেস্ট’ করা ভবন, যা প্রতিকূল আবহাওয়ায় এর স্থায়িত্ব নিশ্চিত করে। আইবিএমএস প্রযুক্তি: পুরো ভবনটি একটি ইন্টেলিজেন্ট বিল্ডিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (iBMS) দ্বারা পরিচালিত, যা সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ও জ্বালানি সাশ্রয় নিশ্চিত করবে। অগ্নি নিরাপত্তা: আন্তর্জাতিক এনএফপিএ (NFPA) স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করে এখানে অত্যাধুনিক অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর দেশের রিয়েল এস্টেট খাতের সক্ষমতার এক বড় প্রমাণ। এটি শুধুমাত্র তেজগাঁও নয়, বরং পুরো ঢাকার বাণিজ্যিক পরিবেশকে বিশ্বমানের স্তরে নিয়ে যাবে। দেশের ইতিহাসে প্রথমবার অ্যালুমিনিয়াম ফর্মওয়ার্ক ব্যবহারের মাধ্যমে মাত্র সাত দিনে এক একটি তলার ছাদ ঢালাইয়ের রেকর্ড গড়ে এই প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। ঢাকার আকাশসীমায় নতুন এই ল্যান্ডমার্ক দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং আধুনিক নগরায়নের এক শক্তিশালী প্রতীক হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে।

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

Advertisement

আমেরিকা

View more
জামিল লিমন ও নাহিদা বৃষ্টি | ছবি: সংগৃহীত
নিহত দুই শিক্ষার্থীকে মরণোত্তর ডক্টরেট ডিগ্রি দিচ্ছে সাউথ ফ্লোরিডা ইউনিভার্সিটি

যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডা (ইউএসএফ) হত্যাকাণ্ডের শিকার দুই বাংলাদেশি পিএইচডি শিক্ষার্থী জামিল লিমন ও নাহিদা ব্রিস্টিকে মরণোত্তর ডক্টরেট ডিগ্রি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের বসন্তকালীন সমাবর্তন অনুষ্ঠানে এই সম্মাননা প্রদান করা হবে।    বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার থেকে রোববার পর্যন্ত অনুষ্ঠিতব্য সমাবর্তন অনুষ্ঠানে প্রায় ৮ হাজার শিক্ষার্থীকে ডিগ্রি প্রদান করা হবে। এর মধ্যেই থাকবেন নাহিদা ও জামিল, যারা উভয়েই ২৭ বছর বয়সী ডক্টরাল শিক্ষার্থী ছিলেন।   প্রতিটি সমাবর্তন অনুষ্ঠানের শুরুতে তাদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হবে। এছাড়া শুক্রবার সকালে অনুষ্ঠিত ডক্টরাল ডিগ্রি প্রদান অনুষ্ঠানে তাদের সম্মানে বিশেষভাবে দুটি খালি চেয়ার রাখা হবে, যেখানে একাডেমিক পোশাকও সাজানো থাকবে।   ইউএসএফ জানায়, চলতি বছর মোট ৩৫৩ জন শিক্ষার্থী ডক্টরেট ডিগ্রি পাচ্ছেন। এর মধ্যে নাহিদা ব্রিস্টি ও জামিল লিমনের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে সম্মানসূচকভাবে।   গত ১৬ এপ্রিল শেষবারের মতো তাদের জীবিত দেখা যায়। পরবর্তী দুই দিনের মধ্যে তারা নিখোঁজ হিসেবে রিপোর্ট করা হয়। প্রায় এক সপ্তাহ পর হাওয়ার্ড ফ্র্যাঙ্কল্যান্ড সেতুর কাছে ভারী ব্যাগের ভেতর থেকে জামিল লিমনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।   এর দুই দিন পর একই এলাকার ম্যানগ্রোভ জঙ্গলের মধ্যে থেকে এক কায়াকার মানবদেহের অবশিষ্টাংশ খুঁজে পান। পরে হিলসবোরো কাউন্টির শেরিফ চ্যাড ক্রোনিস্টার নিশ্চিত করেন, সেটি নাহিদা ব্রিস্টির মরদেহ।   এই হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত ২৬ বছর বয়সী হিশাম আবুগারবিয়াহর বিরুদ্ধে পূর্বপরিকল্পিত হত্যার দুটি অভিযোগ আনা হয়েছে। তাকে হিলসবোরো কাউন্টি কারাগারে জামিন ছাড়াই আটক রাখা হয়েছে।

ডেস্ক রিপোর্ট মে ৫, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

জর্জিয়ায় বাংলাদেশ এসোসিয়েশনের আয়োজনে বাংলা মেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ১৪ জুন

ছবি: সংগৃহীত

জর্জিয়ার বাসিন্দাদের অ্যাকাউন্টে এই সপ্তাহেই ঢুকবে ট্যাক্স রিফান্ডের টাকা

ছবি: সংগৃহীত

আটলান্টিক সিটিতে বিএএসজের ক্রিকেট টুর্নামেন্টের জার্সি উন্মোচন

নিউইয়র্কে ফোবানা সম্মেলন উপলক্ষ্যে আয়োজিত সুধী সমাবেশে অংশগ্রহণকারীরা বক্তব্য দিচ্ছেন | ছবি: সংগৃহীত
বঙ্গবন্ধুকে উৎসর্গ করে নিউইয়র্কে ফোবানার ৪০তম সম্মেলন শুরু ৪ সেপ্টেম্বর

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে আগামী ৪ সেপ্টেম্বর শুরু হচ্ছে তিন দিনব্যাপী ফোবানার ৪০তম সম্মেলন। প্রথমবারের মতো এই আয়োজন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে উৎসর্গ করে অনুষ্ঠিত হবে। সম্মেলন চলবে ৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।   সম্মেলনকে সামনে রেখে শুক্রবার (১ মে) নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসে এআর ব্যাংকুয়েট হলে এক সুধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এনআরবি অ্যাসোসিয়েশন ইউএসএ’র আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ সভায় পূর্ণাঙ্গ হোস্ট কমিটি গঠনের বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।   অনুষ্ঠানে প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক, সাহিত্যিক, মানবাধিকার ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ অংশ নেন। পাশাপাশি কবি, লেখক, সাংবাদিক, শিক্ষাবিদ, শিল্পী ও কলাকুশলীরাও উপস্থিত ছিলেন।   ফোবানা সেন্ট্রাল কমিটির চেয়ারম্যান জাকারিয়া চৌধুরী, এক্সিকিউটিভ সেক্রেটারি দেওয়ান মনিরুজ্জামান, হোস্ট কমিটির আহ্বায়ক নুরুল আমিন বাবু এবং সদস্য সচিব মনজুর কাদের সম্মেলন সফল করতে প্রবাসীদের সহযোগিতা কামনা করেন। এ সময় ফোবানার প্রধান পৃষ্ঠপোষক শফিকুল আলমসহ অন্যরাও উপস্থিত ছিলেন।   আয়োজকরা জানান, এবারের সম্মেলনে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ, বাংলা সংস্কৃতি, ঐতিহ্য এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের অবদান তুলে ধরতে নানা আয়োজন থাকবে। এর মধ্যে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, আলোচনা সভা এবং মিলনমেলার আয়োজন রাখা হয়েছে।

ডেস্ক রিপোর্ট মে ৪, ২০২৬ 0
ব্রুকলিনের বুশউইক এলাকায় বিক্ষোভকারীদের সমাবেশ ও পুলিশের উপস্থিতির দৃশ্য | ছবি: সংগৃহীত

ব্রুকলিনে আইস অভিযানে বিক্ষোভ, গ্রেপ্তার ৮

নিউইয়র্কে বাংলাদেশ ডে প্যারেড উপলক্ষ্যে আয়োজিত প্রস্তুতি সভায় অংশগ্রহণকারীদের উপস্থিতির দৃশ্য | ছবি: সংগৃহীত

নিউইয়র্কে ১৭ মে বাংলাদেশ ডে প্যারেড, শতাধিক সংগঠনের অংশগ্রহণের ঘোষণা

কোভিড সময়ে দেরিতে ট্যাক্স রিটার্ন—কোটি আমেরিকান পেতে পারেন রিফান্ড বা জরিমানা ছাড়

কোভিড সময়ে দেরিতে ট্যাক্স রিটার্ন—কোটি আমেরিকান পেতে পারেন রিফান্ড বা জরিমানা ছাড়

ছবি: সংগৃহীত।
যুক্তরাষ্ট্রে এইচ-১বি ভিসা ৩ বছরের জন্য বন্ধের প্রস্তাব: বিপাকে পড়তে পারেন কয়েক লাখ বিদেশি কর্মী

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে মার্কিন নাগরিকদের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে এবং বিদেশি সস্তা শ্রমের ওপর নির্ভরতা কমাতে এইচ-১বি (H-1B) ভিসা কর্মসূচিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের প্রস্তাব আনা হয়েছে। সম্প্রতি মার্কিন কংগ্রেসে রিপাবলিকান আইনপ্রণেতাদের একটি গ্রুপ এই ভিসা কার্যক্রম তিন বছরের জন্য সম্পূর্ণ স্থগিত রাখার লক্ষ্যে একটি বিল উত্থাপন করেছে। 'এন্ড এইচ-১বি ভিসা অ্যাবিউজ অ্যাক্ট ২০২৬' (End H-1B Visa Abuse Act of 2026) শীর্ষক এই বিলটি উত্থাপন করেন অ্যারিজোনার রিপাবলিকান প্রতিনিধি এলি ক্রেন। তার সাথে আরও সাতজন রিপাবলিকান আইনপ্রণেতা এই বিলে সমর্থন জানিয়েছেন। বিলের মূল প্রস্তাবনাসমূহ: ১. ভিসা স্থগিত: আগামী তিন বছরের জন্য নতুন কোনো এইচ-১বি ভিসা ইস্যু করা হবে না। ২. কোটা হ্রাস: বার্ষিক ভিসার সংখ্যা ৬৫ হাজার থেকে কমিয়ে মাত্র ২৫ হাজারে নামিয়ে আনা। ৩. ন্যূনতম বেতন বৃদ্ধি: এইচ-১বি ভিসা পেতে হলে কর্মীর ন্যূনতম বার্ষিক বেতন হতে হবে ২ লাখ মার্কিন ডলার। ৪. নির্ভরশীলদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা: ভিসা ধারীরা তাদের পরিবারের সদস্যদের (H-4 ভিসা) যুক্তরাষ্ট্রে নিতে পারবেন না। ৫. লটারি প্রথার বিলুপ্তি: বর্তমান লটারি পদ্ধতির পরিবর্তে সর্বোচ্চ বেতনভোগী কর্মীদের অগ্রাধিকার দিয়ে ভিসা প্রদানের প্রস্তাব করা হয়েছে। ৬. স্থায়ী বসবাসের সুযোগ বন্ধ: এইচ-১বি ভিসা থাকা অবস্থায় গ্রিন কার্ড বা স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনের সুযোগ বন্ধ করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। বিলের উদ্যোক্তা এলি ক্রেন বলেন, "যুক্তরাষ্ট্র সরকারের উচিত বড় কর্পোরেশনগুলোর মুনাফার দিকে না তাকিয়ে সাধারণ নাগরিকদের কর্মসংস্থানের দিকে নজর দেওয়া। এই বিলটি মার্কিন নাগরিকদের অধিকার রক্ষা করবে।" বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিলটি পাশ হলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন ভারত ও বাংলাদেশের আইটি পেশাদাররা। বর্তমানে বিপুল সংখ্যক দক্ষ কর্মী এইচ-১বি ভিসার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের সিলিকন ভ্যালিসহ বিভিন্ন বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছেন। তবে বিলটি বর্তমানে প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে এবং এটি আইনে পরিণত হতে কংগ্রেস ও সিনেটের দীর্ঘ প্রক্রিয়া পার করতে হবে। প্রযুক্তি খাতের বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই কঠোর নিয়ম কার্যকর হলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো মেধাবী কর্মী সংকটে পড়তে পারে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক এপ্রিল ২৫, ২০২৬ 0
নাহিদা বৃষ্টি

নাহিদা বৃষ্টির লাশ পাওয়া নিয়ে শঙ্কা কেন? দুই কারণ জানাল পুলিশ

জামিল লিমন

পহেলা বৈশাখে মায়ের সঙ্গে শেষ কথা হয়েছিল জামিলের

ছবি: সংগৃহীত।

জামিল হত্যা: ঘাতক হিশামের অপরাধজগত নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ

0 Comments