বিশ্ব রাজনীতি

শোকের ছায়া

েহরানে শোকের ছায়া: শীর্ষ নিরাপত্তা প্রধান লারিজানি ও বাসিজ প্রধান সোলেমানির জানাজা আজ

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১৮, ২০২৬ 0
শীর্ষ নিরাপত্তা প্রধান লারিজানি ও বাসিজ প্রধান সোলেমান
শীর্ষ নিরাপত্তা প্রধান লারিজানি ও বাসিজ প্রধান সোলেমান

ইসরায়েলি বিমান হামলায় নিহত ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব আলী লারিজানি এবং আধাসামরিক বাহিনী 'বাসিজ'-এর প্রধান গোলামরেজা সোলেমানির জানাজা আজ বুধবার রাজধানী তেহরানে অনুষ্ঠিত হবে। 


মধ্যপ্রাচ্যে চলমান চরম উত্তেজনার মধ্যে এই দুই প্রভাবশালী নেতার মৃত্যু ইরান সরকারের জন্য একটি বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে।


ইরানি সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যমতে, মঙ্গলবার তেহরানে ইসরায়েলি বাহিনীর অতর্কিত বিমান হামলায় তারা নিহত হন। আলী লারিজানি দীর্ঘ সময় ধরে ইরানের পরমাণু আলোচনা ও কৌশলগত নীতি নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছিলেন। অন্যদিকে, জেনারেল গোলামরেজা সোলেমানি ইরানের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও বাসিজ ফোর্সের指挥 হিসেবে অত্যন্ত প্রভাবশালী ছিলেন।


ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) এই হত্যাকাণ্ডের কঠোর প্রতিশোধ নেওয়ার অঙ্গীকার করেছে। জানাজা উপলক্ষে তেহরানের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক সাধারণ মানুষ ও সরকারি কর্মকর্তাদের সমাগমের সম্ভাবনা রয়েছে। 


এই ঘটনা ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান ছায়াযুদ্ধকে একটি নতুন এবং বিপজ্জনক মোড়ে ঠেলে দিয়েছে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।

জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

Advertisement

বিশ্ব রাজনীতি

View more
বৈশ্বিক অস্থিরতার মাঝেও কি মার্কিন অর্থনীতি সুরক্ষিত?
বৈশ্বিক অস্থিরতার মাঝেও কি মার্কিন অর্থনীতি সুরক্ষিত?

ইরান ও ইসরায়েল পরিস্থিতির উত্তাপে যখন বিশ্ববাজার অস্থির, তখন মার্কিন অর্থনীতির ভবিষ্যৎ নিয়ে আশার কথা শোনালেন লন্ডনভিত্তিক মার্চেন্ট ব্যাংক ব্রিক ম্যাকডামের প্রতিষ্ঠাতা অংশীদার গ্রেগ সোয়েনসন।  আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, জ্বালানি তেলের দাম বাড়লেও অভ্যন্তরীণ বিপুল উৎপাদনের কারণে বড় ধরনের কোনো সংকটে পড়ার আশঙ্কা নেই যুক্তরাষ্ট্রের। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের বৃহত্তম জ্বালানি উৎপাদনকারী দেশ। বর্তমানে দেশটিতে দৈনিক ১৩.৬ মিলিয়ন ব্যারেল তেল উৎপাদিত হচ্ছে এবং প্রতিদিন প্রায় ৪ মিলিয়ন ব্যারেল তেল রপ্তানি করা হচ্ছে। সোয়েনসন মনে করেন, জ্বালানি তেলের দাম এখন প্রতি গ্যালন প্রায় ৩.৭০ ডলার, যা ২০২২ সালের ৪ ডলারের তুলনায় বেশ কম।  ফলে বর্তমান পরিস্থিতিকে তিনি খুব একটা উদ্বেগজনক মনে করছেন না। মূলত অভ্যন্তরীণভাবে প্রাকৃতিক গ্যাসের দাম নিয়ন্ত্রিত থাকায় এবং তেলের উচ্চ উৎপাদন থাকায় বৈশ্বিক চাপ মার্কিন অর্থনীতিতে খুব একটা প্রভাব ফেলবে না বলেই তার বিশ্বাস।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১৮, ২০২৬ 0
শীর্ষ নিরাপত্তা প্রধান লারিজানি ও বাসিজ প্রধান সোলেমান

েহরানে শোকের ছায়া: শীর্ষ নিরাপত্তা প্রধান লারিজানি ও বাসিজ প্রধান সোলেমানির জানাজা আজ

Rasid

আফগানিস্তানের হাসপাতালে ভয়াবহ হামলা ও পাকিস্তানের ভূমিকা নিয়ে গর্জে উঠলেন রশিদ খানরা

গোলামরেজা সুলাইমানিক

ইরানের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা প্রধান গোলামরেজা সুলাইমানিকে হত্যার দাবি ইসরায়েলের

ইরান যুদ্ধের সিদ্ধান্তে ট্রাম্প শিবিরে অনুশোচনা, দীর্ঘমেয়াদি সংঘাতের আশঙ্কা বাড়ছে

ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরুর সিদ্ধান্ত নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ মহলের ভেতরেই এখন অনুশোচনার সুর শোনা যাচ্ছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসের এক প্রতিবেদনের বরাতে আনাদোলু এজেন্সি এ তথ্য জানিয়েছে।   প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুদ্ধ শুরুর আগে প্রশাসনের কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তা এ সিদ্ধান্তে অনিচ্ছুক ছিলেন এবং আরও সময় নেওয়ার পক্ষে মত দিয়েছিলেন। তবে শেষ পর্যন্ত সব দ্বিধা কাটিয়ে ট্রাম্প দ্রুত সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার সিদ্ধান্তে অটল থাকেন।   সূত্রের বরাতে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, সাম্প্রতিক কিছু সামরিক সাফল্য বিশেষ করে ইরানে পূর্ববর্তী হামলা ও ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করার অভিযানের অভিজ্ঞতা ট্রাম্পকে অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসী করে তোলে। তিনি ধারণা করেছিলেন, স্থলসেনা ছাড়াই ইরান সরকারকে দ্রুত দুর্বল করা সম্ভব হবে।   তবে বর্তমানে প্রশাসনের ভেতরে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে যে, ইরানের প্রতিরোধ ক্ষমতাকে যথাযথভাবে মূল্যায়ন করা হয়নি। এতে করে সংঘাত প্রত্যাশার তুলনায় জটিল হয়ে উঠেছে।   অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ট্রাম্প এখন হরমুজ প্রণালী ঘিরে এক ধরনের ‘এসক্যালেশন ট্র্যাপ’-এ পড়ে গেছেন। অর্থাৎ এমন এক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, যেখানে শক্তির প্রমাণ দিতে গিয়ে ক্রমাগত সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার প্রবণতা বাড়ছে, যদিও বাস্তব সাফল্য তুলনামূলক কমে আসছে।   একজন ঊর্ধ্বতন মার্কিন কর্মকর্তা জানান, হরমুজ প্রণালীতে ইরানের তৎপরতা ট্রাম্পকে আরও কঠোর অবস্থানে যেতে প্ররোচিত করছে, যদিও অনেকেই পরিস্থিতি পুনর্বিবেচনার প্রয়োজনীয়তার কথা বলছেন।   প্রাথমিকভাবে যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসন ৪ থেকে ৬ সপ্তাহের মধ্যে অভিযান শেষ করার পরিকল্পনা করেছিল। কিন্তু বর্তমান বাস্তবতায় ওয়াশিংটন ও তার মিত্ররা দীর্ঘমেয়াদি সংঘাতের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে।   প্রতিবেদন অনুযায়ী, সংঘাতের তীব্রতা কমলেও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পৃক্ততা আগামী সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে।   উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলা শুরু হয়। বিভিন্ন সূত্রের তথ্যমতে, এ পর্যন্ত ওই অভিযানে ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনেসিসহ প্রায় ১,৩০০ জন নিহত হয়েছেন। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত ১৪ জন সামরিক সদস্য নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১৭, ২০২৬ 0

ইরান যুদ্ধ নিয়ে বার্তায় চরম বিশৃঙ্খলা, তীব্র সমালোচনার মুখে ট্রাম্প প্রশাসন

চীনের অত্যাধুনিক হেলিকপ্টার ড্রোন

সমুদ্রের তলদেশেও নিখুঁত আঘাত হানতে সক্ষম চীনের অত্যাধুনিক হেলিকপ্টার ড্রোন

যুদ্ধবিমান-রণতরী

মার্কিন রণতরিকে সহায়তা করলে হামলার হুমকি

ইসরায়েলের হামলায় খামেনির বিমান ধ্বংস? নতুন করে উত্তেজনা মধ্যপ্রাচ্য

তেহরানে মেহরাবাদ বিমানবন্দরে হামলা চালিয়ে ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেনির ব্যবহৃত একটি বিমান ধ্বংস করা হয়েছে বলে দাবি করেছে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)। সোমবার (১৬ মার্চ) রাতে চালানো এই হামলার বিষয়ে আইডিএফ আনুষ্ঠানিকভাবে তথ্য প্রকাশ করেছে।   ইসরায়েলি বাহিনীর দাবি অনুযায়ী, ধ্বংস হওয়া বিমানটি খামেনিসহ ইরানের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তারা অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ভ্রমণের কাজে ব্যবহার করতেন।   আইডিএফ জানায়, ওই বিমানটি ইরানের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত সম্পদ হিসেবে বিবেচিত হতো। তাদের অভিযোগ, এই বিমান ব্যবহার করেই ইরান বিভিন্ন দেশ থেকে সামরিক সরঞ্জাম সংগ্রহ এবং আঞ্চলিক মিত্রদের সঙ্গে যোগাযোগ ও সমন্বয়ের কাজ পরিচালনা করত।   ইসরায়েলের দাবি, বিমানটি ধ্বংস হওয়ার ফলে ইরানের প্রক্সি গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে সমন্বয় সক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। একই সঙ্গে দেশটির সামরিক শক্তি বাড়ানোর প্রচেষ্টা এবং বর্তমান শাসনব্যবস্থার বিভিন্ন কর্মকাণ্ডেও প্রভাব পড়তে পারে বলে তারা মনে করছে।   গত কয়েক সপ্তাহ ধরে ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এই হামলাকে তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, খামেনির ব্যবহৃত বিমানকে লক্ষ্যবস্তু করার মধ্য দিয়ে ইসরায়েল সরাসরি ইরানের নেতৃত্বের প্রতীকী সক্ষমতাকেই চ্যালেঞ্জ জানিয়েছে।   তবে এ ঘটনার বিষয়ে এখনো ইরানের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এ হামলার পর তেহরান কী ধরনের পাল্টা পদক্ষেপ নেয়, সেদিকেই এখন নজর রাখছে বিশ্ব।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১৬, ২০২৬ 0
যুক্তরাষ্ট্রকে আহ্বান চীনের

যুক্তরাষ্ট্রকে ‘অবিলম্বে ভুল বাণিজ্যনীতি সংশোধনের’ আহ্বান চীনের

ছবি: সংগৃহীত

হরমুজ প্রণালিতে যুদ্ধজাহাজ পাঠাতে ট্রাম্পের আহ্বান, সাড়া দেয়নি কোনো দেশ

উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র প্রদর্শন

পূর্ব সাগরে ১০টির বেশি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে উত্তর কোরিয়া

0 Comments