বিশ্ব রাজনীতি

সবকিছুতে আমেরিকাকে কেনো বাদ দিচ্ছে ইউরোপ ?

Unknown ফেব্রুয়ারি ৬, ২০২৬ 0
আমেরিকার বিকল্প খুজে কতটুকু অগ্রসর হলো ইউরোপ ?
আমেরিকার বিকল্প খুজে কতটুকু অগ্রসর হলো ইউরোপ ?

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক : ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ইউরোপীয় সরকার ও কোম্পানিগুলো প্রযুক্তি, নিরাপত্তা, জ্বালানি এবং আর্থিক ব্যবস্থায় ওয়াশিংটনের ওপর নির্ভরতা কমানোর জন্য নতুন উদ্যোগ শুরু করেছে। এই প্রক্রিয়া সময়সাপেক্ষ হলেও এটি ধীরে ধীরে ট্রান্স-আটলান্টিক (আটলান্টিকের দুই পারে) সম্পর্কের সমীকরণে পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

 

প্রতিবেদনগুলো বলছে, ইউরোপীয় ইউনিয়ন সাম্প্রতিক বছরগুলোতে নিজের কৌশলগত স্বাধীনতা (Strategic Autonomy) জোরদার করার জন্য একটি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা অনুসরণ করছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের নীতিতে সাম্প্রতিক পরিবর্তন এবং ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইউরোপীয় মিত্রদের প্রতি অবস্থানের ফলে এই প্রক্রিয়া আরও দ্রুত হয়েছে। যদিও ইউরোপ এখনো যুক্তরাষ্ট্রকে তার প্রধান বাণিজ্যিক ও নিরাপত্তা অংশীদার হিসেবে দেখে, তবুও ইউরোপীয় কর্মকর্তারা ওয়াশিংটনের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে "ঝুঁকি কমানো" (De-risking) প্রয়োজন বলে উল্লেখ করছেন।

 

এই পার্স টুডে প্রতিবেদনে ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক পুনর্নির্ধারণের পেছনের কারণগুলো তুলে ধরা হলো:

 

ইউরোপের অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক পুনর্গঠনের প্রচেষ্টা

 

পশ্চিমা গণমাধ্যমের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে বলা যায়, গত কয়েক দশক ধরে ইউরোপ নিরাপত্তার ক্ষেত্রে ন্যাটোর ওপর এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ক্ষেত্রে মার্কিন প্রযুক্তির ওপর নির্ভর করে এসেছে। তবে ওয়াশিংটনের সাম্প্রতিক বক্তব্য ও নীতিমালা—যার মধ্যে গ্রিনল্যান্ড কেনার প্রসঙ্গও রয়েছে, ইউরোপীয় নেতাদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে এবং তাদের বিকল্প অর্থনৈতিক অংশীদার খোঁজার দিকে ধাবিত করেছে।

 

এই প্রেক্ষাপটে ইউরোপীয় ইউনিয়ন সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ভারত, ইন্দোনেশিয়া এবং লাতিন আমেরিকার মার্কোসুর (Mercosur) জোটসহ বিভিন্ন দেশের সঙ্গে নতুন বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। পাশাপাশি অস্ট্রেলিয়াসহ আরও কয়েকটি অংশীদারের সঙ্গে বাণিজ্য আলোচনা পুনরায় শুরু করা হয়েছে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইউরোপের অর্থনৈতিক নির্ভরতা এখনো ব্যাপক, এবং তা কমাতে বহু বছর সময় লাগবে।

 

নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা খাতে পরিবর্তন

 

ইউরোপের কৌশলগত স্বাধীনতা অর্জনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হলো প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। কিছু ইউরোপীয় দেশের নেতারা মনে করেন, এখন সময় এসেছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের একটি স্বাধীন সমষ্টিগত প্রতিরক্ষা কাঠামো শক্তিশালী করার। যদিও ২০০৯ সাল থেকেই ইউরোপীয় ইউনিয়নের চুক্তির ৪২.৭ ধারা যৌথ প্রতিরক্ষার বিষয়টি উল্লেখ করেছে, বাস্তবে ন্যাটো এবং মার্কিন সামরিক সহায়তার কারণে এই কাঠামোর গুরুত্ব অনেকটাই কমে ছিল।

 

কিন্তু সাম্প্রতিক ঘটনাবলি কিছু ইউরোপীয় দেশকে এই প্রশ্ন তুলতে বাধ্য করেছে—যুক্তরাষ্ট্র ভবিষ্যতে ইউরোপের নিরাপত্তায় কতটা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকবে। এই প্রেক্ষাপটে ইউরোপীয় ইউনিয়ন একটি স্বাধীন সামরিক কমান্ড কাঠামো গড়ে তোলার পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা শুরু করেছে।

 

প্রযুক্তিগত স্বাধীনতার পথে অগ্রযাত্রা

 

মার্কিন বড় প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর ওপর ইউরোপের নির্ভরতাও একটি বড় উদ্বেগের বিষয়। ফ্রান্সসহ কয়েকটি ইউরোপীয় দেশ সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য কিছু মার্কিন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা আরোপ এবং সেগুলোর পরিবর্তে নিজস্ব (বৈদেশিক নয়) প্রযুক্তি ব্যবস্থার ব্যবহার বিবেচনা করছে। একই সঙ্গে ইউরোপীয় পার্লামেন্টেও মার্কিন সফটওয়্যার ও প্রযুক্তি সরঞ্জাম ব্যবহারের পরিমাণ কমানোর বিষয়ে আলোচনা চলছে।

 

ইইউর প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে, সাম্প্রতিক অভিজ্ঞতা দেখিয়েছে—সংবেদনশীল প্রযুক্তি খাতে একটি দেশ বা একটি কোম্পানির ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

 

জ্বালানি ও আর্থিক ব্যবস্থায় বৈচিত্র্য আনা

 

জ্বালানি খাতেও ইউরোপ নিজের নির্ভরতা কমানোর চেষ্টা করছে। যদিও ইউরোপে গ্যাস সরবরাহে যুক্তরাষ্ট্রের বড় ভূমিকা রয়েছে, ইউরোপীয় কর্মকর্তারা সতর্ক করেছেন—রাশিয়ার ওপর নির্ভরতা কমিয়ে যদি শুধু যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভরতা বাড়ানো হয়, তাহলে নতুন ধরনের সমস্যা তৈরি হতে পারে। তাই আফ্রিকা, পশ্চিম এশিয়া ও কানাডাসহ নতুন জ্বালানি সরবরাহকারীদের সঙ্গে আলোচনা জোরদার করা হয়েছে।

 

আর্থিক খাতেও ইউরোপ বিকল্প পথ খুঁজছে। মার্কিন পেমেন্ট সিস্টেমের ওপর নির্ভরতা কমানোর উপায় নিয়ে কাজ চলছে এবং একটি স্বাধীন ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থা হিসেবে "ডিজিটাল ইউরো" চালুর পরিকল্পনাও গুরুত্ব পাচ্ছে।

 

সামগ্রিকভাবে, ইউরোপের সাম্প্রতিক কার্যক্রম দেখায় যে, এই মহাদেশ আমেরিকার সাথে তার সম্পর্কে একটি নতুন ভারসাম্য তৈরি করতে চাইছে; একটি প্রক্রিয়া যা যদিও ওয়াশিংটনের সাথে কৌশলগত সম্পর্ক ছিন্ন করার অর্থ নয়, তবে এটি বিশ্বব্যাপী সমীকরণে আরও স্বাধীনতা এবং বৃহত্তর ভূমিকা পালনের জন্য ইউরোপের প্রচেষ্টার ইঙ্গিত দিতে পারে।

জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

বিয়ের মাধ্যমে আমেরিকার নাগরিকত্ব কি বন্ধ? ইউএস ইমিগ্রেশন ওয়েবসাইটে কী বলা আছে

সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে যে, যুক্তরাষ্ট্রে বিয়ের মাধ্যমে নাগরিকত্ব বা গ্রীন কার্ড পাওয়ার নিয়ম বন্ধ হয়ে গেছে। তবে মার্কিন ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ ইউএস সিটিজেনশিপ এন্ড ইমিগ্রেশন সার্ভিস  এর অফিসিয়াল তথ্য অনুযায়ী এই দাবি সঠিক নয়। সংস্থাটি জানিয়েছে, বিয়ের মাধ্যমে এখনও গ্রীন কার্ড এবং পরে নাগরিকত্ব পাওয়ার সুযোগ রয়েছে, তবে আবেদনকারীদের নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলতে হবে এবং বর্তমানে যাচাই-বাছাই আগের তুলনায় বেশি কঠোর করা হয়েছে। ইউএসসিআইএসের নিয়ম অনুযায়ী, একজন মার্কিন নাগরিক বা গ্রীন কার্ডধারী তার স্বামী বা স্ত্রীর জন্য পারিবারিক ভিত্তিতে অভিবাসনের আবেদন করতে পারেন। এ ক্ষেত্রে প্রথমে বৈধ বিয়ের প্রমাণসহ আবেদন জমা দিতে হয়। আবেদন অনুমোদিত হলে বিদেশি স্বামী বা স্ত্রী গ্রীন কার্ড পেতে পারেন এবং স্থায়ী বাসিন্দা হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে থাকার অনুমতি পাবেন। সাধারণত মার্কিন নাগরিককে বিয়ে করলে প্রক্রিয়া তুলনামূলক দ্রুত হয়, আর গ্রীন কার্ডধারীকে বিয়ে করলে অপেক্ষার সময় কিছুটা বেশি হতে পারে। গ্রীন কার্ড পাওয়ার পর নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করার নিয়মও আগের মতোই রয়েছে। ইমিগ্রেশন নীতিমালা অনুযায়ী, যদি কেউ মার্কিন নাগরিককে বিয়ে করে গ্রীন কার্ড পান এবং কমপক্ষে তিন বছর একসাথে বসবাস করেন, তাহলে তিনি নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করতে পারেন। আর যদি গ্রীন কার্ডধারীকে বিয়ে করেন, তাহলে সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী স্থায়ী বাসিন্দা হিসেবে পাঁচ বছর পূর্ণ হলে নাগরিকত্বের আবেদন করা যায়। ইমিগ্রেশন বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমানে অনেক ক্ষেত্রে বেশি সাক্ষাৎকার নেওয়া হচ্ছে, অতিরিক্ত কাগজপত্র চাওয়া হচ্ছে এবং যৌথ ব্যাংক হিসাব, বাসার ঠিকানা, ট্যাক্স নথি ও পারিবারিক প্রমাণ জমা দিতে হচ্ছে। ভুয়া বিয়ের মাধ্যমে সুবিধা নেওয়া ঠেকাতে এই যাচাই-বাছাই বাড়ানো হয়েছে। এছাড়া আবেদন প্রক্রিয়ায় সময় বেশি লাগার কারণেও অনেকের মধ্যে ভুল ধারণা তৈরি হয়েছে যে বিয়ের মাধ্যমে নাগরিকত্ব বন্ধ হয়ে গেছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, বিয়ের মাধ্যমে আমেরিকার নাগরিকত্ব বা গ্রীন কার্ড বন্ধ হয়নি। তবে বর্তমানে আবেদন প্রক্রিয়া কঠোর হয়েছে এবং প্রতিটি ক্ষেত্রে বৈধ বিবাহ, একসাথে বসবাস এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রমাণ করা বাধ্যতামূলক।

Advertisement

বিশ্ব রাজনীতি

View more
মোজতবা খামেনি
মোজতবা খামেনি হয় মৃত নয়তো খুব খারাপ অবস্থায় আছেন: ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিস্ফোরক দাবি

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বর্তমান পরিস্থিতি এবং দেশটির নেতৃত্ব নিয়ে এক চাঞ্চল্যকর ও বিস্ফোরক দাবি করেছেন। ট্রাম্পের মতে ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি হয়তো ইতিমধ্যে মারা গেছেন অথবা তিনি অত্যন্ত সংকটজনক শারীরিক অবস্থায় রয়েছেন। ওয়াশিংটনে এক সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প এই দাবি করেন যা মুহূর্তের মধ্যে বিশ্বজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি করেছে। যদিও ইরানের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত এই বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া বা নিশ্চিতকরণ পাওয়া যায়নি তবে ট্রাম্পের এই মন্তব্য মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে নতুন উত্তেজনার পারদ চড়িয়েছে।   গোয়েন্দা তথ্যের বরাত দিয়ে ট্রাম্প জানান যে গত কয়েকদিন ধরে মোজতবা খামেনিকে জনসম্মুখে দেখা যাচ্ছে না এবং তেহরানের উচ্চপর্যায়ে এক ধরণের অস্থিরতা বিরাজ করছে। তিনি আরও ইঙ্গিত দেন যে ইরানের অভ্যন্তরীণ ক্ষমতার লড়াই এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। ট্রাম্পের এই মন্তব্য এমন এক সময়ে এলো যখন ইরান ও ইসরায়েল সংঘাতের কারণে পুরো অঞ্চল একটি বড় ধরণের যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে আছে। মার্কিন প্রশাসনের ধারণা ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বে শূন্যতা তৈরি হলে দেশটির সামরিক ও রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে বড় ধরণের পরিবর্তন আসতে পারে।   আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন যে ট্রাম্পের এই দাবি যদি সত্যি হয় তবে তা ইরানের ইসলামি প্রজাতন্ত্রের জন্য এক বিশাল ধাক্কা হবে। মোজতবা খামেনি তার পিতা আলী খামেনির উত্তরসূরি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই পশ্চিমা বিশ্বের কড়া নজরদারিতে ছিলেন। তার মৃত্যু বা গুরুতর অসুস্থতার খবর ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলতে পারে। বর্তমানে হোয়াইট হাউস ইরানের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে তীক্ষ্ণ নজর রাখছে এবং ট্রাম্পের এই বক্তব্য তেহরানের ওপর মানসিক চাপ সৃষ্টির একটি কৌশল হতে পারে বলেও ধারণা করা হচ্ছে।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ২৮, ২০২৬ 0
অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী

ট্রাম্পের সমালোচনার কড়া জবাব অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রীর

NATO

নাটো পাশে নেই, ইরান যুদ্ধে একা যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্পের হতাশা প্রকাশ

Rassia

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝেই ইরানকে সামরিক ও রসদ সহায়তা দিচ্ছে রাশিয়া

ছবি: সংগৃহীত
ইরানকে চরম হুঁশিয়ারি হোয়াইট হাউসের: আলোচনার সুযোগ হারালে ইতিহাসের ভয়াবহতম সামরিক আঘাতের হুমকি

ইরানের সাথে চলমান তীব্র উত্তেজনার মাঝে তেহরানের প্রতি নজিরবিহীন ও কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছে মার্কিন প্রশাসন। হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কূটনীতির মাধ্যমে সমস্যার সমাধান পছন্দ করলেও ইরান যদি আলোচনার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে, তবে তাদের ওপর এমন ভয়াবহ সামরিক আছড়ে পড়বে যা তারা আগে কখনো দেখেনি। লেভিট সরাসরি উল্লেখ করেন যে, ইরানকে বর্তমান পরিস্থিতির বাস্তবতা মেনে নিতে হবে এবং বুঝতে হবে যে তারা সামরিকভাবে কোণঠাসা হয়ে পড়েছে। এই সত্য অস্বীকার করে আলোচনার সুযোগ হারালে দেশটিকে চরম মূল্য দিতে হবে বলে তিনি সতর্ক করেন।   ওয়াশিংটনের দাবি অনুযায়ী, গত কয়েক সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ধারাবাহিক বিমান হামলায় ইরানের সামরিক সক্ষমতা অনেকটাই ভেঙে পড়েছে। এই পরিস্থিতির মধ্যেই পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় তেহরানের কাছে একটি ১৫ দফার শান্তি প্রস্তাব পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এই প্রস্তাবের প্রধান শর্তগুলোর মধ্যে রয়েছে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি সম্পূর্ণ বন্ধ করা, ব্যালিস্টিক মিসাইল প্রোগ্রামে সীমাবদ্ধতা আনা এবং আঞ্চলিক প্রক্সি গোষ্ঠীগুলোকে সহায়তা বন্ধ করা। যদিও ইরান প্রকাশ্যে এই প্রস্তাবের কিছু অংশ নিয়ে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে, তবে নেপথ্যে কূটনৈতিক তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে।   প্রেস সেক্রেটারি লেভিট আরও যোগ করেন যে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এই বার্তা কোনো ফাঁকা বুলি নয় এবং ইরানকে পুনরায় কোনো ভুল হিসাব না করার জন্য তিনি সতর্ক করেছেন। জানা গেছে, গত কয়েক দিনে মার্কিন সামরিক বাহিনী ইরানের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি অবকাঠামো এবং বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোতে বড় ধরনের হামলার প্রস্তুতি নিয়েছিল। তবে আলোচনার একটি শেষ সুযোগ দিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সাময়িকভাবে সেই নির্দেশ স্থগিত রেখেছেন। বুধবারের এই কড়া বার্তার মাধ্যমে স্পষ্ট করা হয়েছে যে, তেহরানের পক্ষ থেকে ইতিবাচক সাড়া না এলে যেকোনো মুহূর্তে সেই স্থগিতাদেশ তুলে নিয়ে চূড়ান্ত সামরিক অভিযান শুরু করা হতে পারে।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ২৬, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি আলোচনার খবর নাকচ করলেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

লারিজানি হত্যাকাণ্ড ‘অগ্রহণযোগ্য’: ইসরায়েলর ওপর ক্ষুব্ধ চীন

জ্বালানি স্থাপনায় হামলা

সৌদি, কুয়েত, কাতার ও আমিরাতের গুরুত্বপূর্ণ তেল ও গ্যাস স্থাপনায় একযোগে হামলা ইরানের

ফাইল ছবি
'আমার সন্তান কি বেঁচে আছে?', তেহরানে ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়া মায়ের আকুতি

তেহরানে একটি আবাসিক ভবন ধসে পড়ার পর উদ্ধারকর্মীরা যখন ধ্বংসস্তূপের মধ্য থেকে এক মাকে টেনে বের করছিলেন, তখন ব্যথায় কাতর সেই মায়ের কণ্ঠে ছিল কেবল একটিই প্রশ্ন— "আমার সন্তান কি বেঁচে আছে?"  ইরানি রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির প্রকাশিত একটি হৃদয়বিদারক ভিডিওতে ফুটে উঠেছে সেই রুদ্ধশ্বাস মুহূর্ত। ভিডিওতে দেখা যায়, ধুলোবালি আর ভাঙা ইটের স্তূপের নিচে আটকে পড়া এক নারীর হাত শক্ত করে ধরে আছেন একজন উদ্ধারকর্মী। তিনি মমতার সাথে অভয় দিয়ে বলছেন, "আমরা আপনাকে বের করে আনছি। একটু উঠে দাঁড়ানোর চেষ্টা করুন।" কিন্তু নিজের প্রাণের চেয়েও ওই মায়ের ব্যাকুলতা ছিল তার সন্তানের জন্য। বারবার তিনি জানতে চাইছিলেন তার কলিজার টুকরোটির খবর। উদ্ধারকর্মীরা তাকে আশ্বস্ত করে জানান, তার সন্তানকে আগেই নিরাপদে উদ্ধার করা হয়েছে। ভবনের কোণার একটি ঘর থেকে পরিবারের সবাইকে নিচে নামিয়ে আনা হয়েছে। শেষ পর্যন্ত ধ্বংসস্তূপের অন্ধকার কাটিয়ে আলোর মুখ দেখেন সেই মা।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১৯, ২০২৬ 0
ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আলবুসাইদ

ইরানে হামলা ট্রাম্প প্রশাসনের 'সবচেয়ে বড় ভুল': ওমান

বৈশ্বিক অস্থিরতার মাঝেও কি মার্কিন অর্থনীতি সুরক্ষিত?

বৈশ্বিক অস্থিরতার মাঝেও কি মার্কিন অর্থনীতি সুরক্ষিত?

শীর্ষ নিরাপত্তা প্রধান লারিজানি ও বাসিজ প্রধান সোলেমান

েহরানে শোকের ছায়া: শীর্ষ নিরাপত্তা প্রধান লারিজানি ও বাসিজ প্রধান সোলেমানির জানাজা আজ

0 Comments