বিশ্ব

ইলন মাস্কের বিপুল সম্পদ নিয়ে উদ্বেগ, বৈষম্যের বিরুদ্ধে সরব বার্নি স্যান্ডার্স

বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশ: জুন ১২, ২০২৬ ২২:৫৫
ইলন মাস্কের বিপুল সম্পদ নিয়ে উদ্বেগ, বৈষম্যের বিরুদ্ধে সরব বার্নি স্যান্ডার্স
ইলন মাস্কের বিপুল সম্পদ নিয়ে উদ্বেগ, বৈষম্যের বিরুদ্ধে সরব বার্নি স্যান্ডার্স

ওয়াশিংটন: বিশ্বের অন্যতম ধনী ব্যক্তি ইলন মাস্কের ক্রমবর্ধমান সম্পদ ও প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন মার্কিন সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্স। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বক্তব্যে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে আয় ও সম্পদের বৈষম্য, রাজনৈতিক প্রভাব এবং অর্থনৈতিক ক্ষমতার কেন্দ্রীভবন নিয়ে কঠোর সমালোচনা করেন।

 

স্যান্ডার্স বলেন, অতি অল্পসংখ্যক মানুষের হাতে বিপুল পরিমাণ সম্পদ জমা হওয়া উদযাপনের বিষয় নয়; বরং এটি যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক ও সামাজিক বাস্তবতার একটি গুরুত্বপূর্ণ সতর্কসংকেত। তার মতে, দেশে ধনী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে সম্পদের ব্যবধান এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যা দীর্ঘমেয়াদে গণতন্ত্র ও সামাজিক স্থিতিশীলতার জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

 

নিজের বক্তব্যে স্যান্ডার্স দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রে বিপুলসংখ্যক মানুষ এখনও মাসিক আয়ের ওপর নির্ভর করে জীবনযাপন করছেন। একই সময়ে অল্প কয়েকজন ধনকুবেরের সম্পদ দ্রুত বাড়তে থাকায় অর্থনৈতিক ভারসাম্য নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হচ্ছে। তিনি বলেন, বিষয়টি কেবল সম্পদের নয়, ক্ষমতারও। অর্থনৈতিক শক্তির পাশাপাশি রাজনৈতিক প্রভাবও যখন সীমিত কয়েকজনের হাতে কেন্দ্রীভূত হয়, তখন সাধারণ মানুষের প্রতিনিধিত্ব দুর্বল হয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়।

 

মার্কিন রাজনীতিতে প্রগতিশীল ধারার অন্যতম মুখ হিসেবে পরিচিত স্যান্ডার্স দীর্ঘদিন ধরেই অর্থনৈতিক বৈষম্য কমানো, শ্রমজীবী মানুষের অধিকার রক্ষা এবং সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি সম্প্রসারণের পক্ষে কথা বলে আসছেন। তিনি বরাবরই ধনীদের ওপর উচ্চ হারে কর আরোপ এবং মধ্যবিত্ত ও নিম্ন আয়ের পরিবারগুলোর জন্য আরও কার্যকর সরকারি সহায়তার দাবি জানিয়ে আসছেন।

 

অন্যদিকে, ইলন মাস্ক বর্তমানে বৈদ্যুতিক গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টেসলা, মহাকাশ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্স এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসহ বিভিন্ন প্রযুক্তিনির্ভর উদ্যোগের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তার সম্পদের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, যা তাকে বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী ব্যবসায়িক ব্যক্তিত্বদের একজন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। সমর্থকদের মতে, তার এই সাফল্য প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন, বিনিয়োগ এবং উদ্যোক্তা নেতৃত্বের ফল। তবে সমালোচকদের একাংশ মনে করেন, অল্প কয়েকজনের হাতে বিপুল সম্পদের কেন্দ্রীভবন বৈষম্যের প্রশ্নকে আরও তীব্র করে তুলছে।

 

স্যান্ডার্সের সাম্প্রতিক মন্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে। কেউ তার বক্তব্যকে অর্থনৈতিক বাস্তবতার প্রতিফলন হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ মনে করছেন যে সফল উদ্যোক্তাদের অবদান এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির বিষয়টিও সমান গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা উচিত।

 

বিশ্লেষকদের মতে, সম্পদ, ক্ষমতা এবং গণতন্ত্রের সম্পর্ক নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে দীর্ঘদিন ধরে যে বিতর্ক চলছে, স্যান্ডার্সের এই মন্তব্য সেই আলোচনাকে নতুন করে সামনে নিয়ে এসেছে। বিশেষ করে আসন্ন রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারণী বিতর্কে বিষয়টি আরও গুরুত্ব পেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

দেশের প্রথম ৪০ তলা ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর সম্পন্ন

বাংলাদেশের আবাসন শিল্পে এক নতুন ইতিহাস রচিত হলো। রাজধানীর তেজগাঁও শিল্প এলাকায় নির্মিত দেশের প্রথম ৪০ তলা বিশিষ্ট আকাশচুম্বী বাণিজ্যিক ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেছে শান্তা হোল্ডিংস। ৫০০ ফুট উচ্চতার এই আইকনিক ভবনটি এখন দেশের সর্বোচ্চ সম্পন্ন হওয়া ইমারত। গত শনিবার (১৮ এপ্রিল) ভবনের ৪০তম তলায় আয়োজিত এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এটি হস্তান্তর করা হয়। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের চেয়ারম্যান খন্দকার মনির উদ্দিন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, স্থপতি এহসান খানসহ প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ভূমি মালিক এবং গ্রাহকরা উপস্থিত ছিলেন। স্থাপত্যশৈলী ও আধুনিক প্রযুক্তি:‘শান্তা পিনাকল’ শুধুমাত্র উচ্চতার কারণেই অনন্য নয়, বরং এটি আধুনিক নির্মাণশৈলী ও প্রযুক্তির এক অনন্য সমন্বয়। এটি বাংলাদেশের প্রথম ভবন যা পরিবেশবান্ধব স্থাপত্যের জন্য আন্তর্জাতিক ‘লিড প্ল্যাটিনাম’ (LEED Platinum) স্বীকৃতি পেয়েছে। সিঙ্গাপুরভিত্তিক বিখ্যাত ইঞ্জিনিয়ারিং প্রতিষ্ঠান ‘মেইনহার্ট’ (Meinhardt) এর সহায়তায় ভবনটির স্ট্রাকচারাল ডিজাইন এবং ভূমিকম্প প্রতিরোধক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। বিশেষ বৈশিষ্ট্যসমূহ: উন্নত লিফট ব্যবস্থা: ভবনটিতে রয়েছে ৮টি দ্রুতগামী লিফট, যা প্রতি সেকেন্ডে ৪ মিটার উচ্চতায় উঠতে সক্ষম। এটি দেশের দ্রুততম ভার্টিক্যাল ট্রান্সপোর্ট ব্যবস্থা। পরিবেশ ও সুরক্ষা: ভবনে ব্যবহৃত হয়েছে ৩৬ মিমি পুরুত্বের ডাবল গ্লেজড গ্লাস, যা তাপ ও শব্দ নিরোধক। এছাড়া এটি দেশের প্রথম ‘উইন্ড টানেল টেস্ট’ করা ভবন, যা প্রতিকূল আবহাওয়ায় এর স্থায়িত্ব নিশ্চিত করে। আইবিএমএস প্রযুক্তি: পুরো ভবনটি একটি ইন্টেলিজেন্ট বিল্ডিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (iBMS) দ্বারা পরিচালিত, যা সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ও জ্বালানি সাশ্রয় নিশ্চিত করবে। অগ্নি নিরাপত্তা: আন্তর্জাতিক এনএফপিএ (NFPA) স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করে এখানে অত্যাধুনিক অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর দেশের রিয়েল এস্টেট খাতের সক্ষমতার এক বড় প্রমাণ। এটি শুধুমাত্র তেজগাঁও নয়, বরং পুরো ঢাকার বাণিজ্যিক পরিবেশকে বিশ্বমানের স্তরে নিয়ে যাবে। দেশের ইতিহাসে প্রথমবার অ্যালুমিনিয়াম ফর্মওয়ার্ক ব্যবহারের মাধ্যমে মাত্র সাত দিনে এক একটি তলার ছাদ ঢালাইয়ের রেকর্ড গড়ে এই প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। ঢাকার আকাশসীমায় নতুন এই ল্যান্ডমার্ক দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং আধুনিক নগরায়নের এক শক্তিশালী প্রতীক হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে।

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

নাহিদা বৃষ্টির লাশ পাওয়া নিয়ে শঙ্কা কেন? দুই কারণ জানাল পুলিশ

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় দক্ষিণ ফ্লোরিডা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইউএসএফ) নিখোঁজ দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর মর্মান্তিক পরিণতির খবর পাওয়া গেছে। নিখোঁজ জামিল লিমনের (২৭) মরদেহ উদ্ধার করা হলেও, পুলিশ ধারণা করছে নাহিদা বৃষ্টিকেও (২৭) নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। অভিযুক্ত ঘাতক ও লিমনের রুমমেট হিশাম আবুগারবিয়ার ফ্ল্যাটে ‘প্রচুর রক্ত’ পাওয়ার পর পুলিশ জানিয়েছে, বৃষ্টির মরদেহ উদ্ধার করা সম্ভবত আর কখনোই সম্ভব হবে না।   নিহত বৃষ্টির বড় ভাই জাহিদ হাসান প্রান্ত মার্কিন সংবাদমাধ্যম ‘১০ টাম্পা বে নিউজ’-কে জানান, শুক্রবার গভীর রাতে যুক্তরাষ্ট্রের তদন্তকারীরা বাংলাদেশে তাদের পরিবারের সাথে যোগাযোগ করেছেন। পুলিশ জানিয়েছে, লিমন ও হিশামের শেয়ার করা ফ্ল্যাটে যে পরিমাণ রক্ত পাওয়া গেছে, তা থেকে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে বৃষ্টি আর বেঁচে নেই। পুলিশের আশঙ্কা, হত্যার পর মরদেহটি সম্ভবত ছিন্নবিচ্ছিন্ন বা টুকরো টুকরো করে ফেলা হয়েছে, যার ফলে এটি খুঁজে পাওয়া অত্যন্ত কঠিন। গত শুক্রবার সকাল সোয়া ৬টার দিকে হাওয়ার্ড ফ্র্যাঙ্কল্যান্ড ব্রিজের পাশ থেকে লিমনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এর কয়েক ঘণ্টা পরেই সকাল ৯টার দিকে ইউএসএফ ক্যাম্পাসের কাছে লেক ফরেস্ট এলাকায় অভিযুক্ত হিশাম আবুগারবিয়ার বাড়িতে অভিযান চালায় হিলসবোরো কাউন্টি শেরিফ কার্যালয়। পুলিশ হিশামের বাড়িতে পৌঁছালে তিনি নিজেকে ঘরের ভেতর তালাবদ্ধ করে রাখেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশের বিশেষায়িত ইউনিট ‘সোয়াট’ (SWAT) তলব করা হয়। প্রায় ২০ মিনিটের রুদ্ধশ্বাস পরিস্থিতির পর হিশাম আত্মসমর্পণ করেন। তার বিরুদ্ধে পারিবারিক সহিংসতা, তথ্যপ্রমাণ নষ্ট করা এবং অবৈধভাবে মরদেহ সরানোর মতো ছয়টি গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছে।   বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, হিশাম ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক। তিনি লিমনের রুমমেট হিসেবে একই ফ্ল্যাটে থাকতেন। অন্যদিকে, কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পিএইচডি গবেষণারত নাহিদা বৃষ্টি গত ১৬ এপ্রিল থেকে নিখোঁজ ছিলেন। লিমনের সাথে তার আগে প্রেমের সম্পর্ক থাকলেও বর্তমানে ছিল না বলে জানিয়েছেন বৃষ্টির পরিবার।   তদন্তকারীরা লিমনের মৃত্যু নিশ্চিত করলেও বৃষ্টির নিখোঁজ রহস্য ও তাকে হত্যার নৃশংসতা এখন পুরো ফ্লোরিডা ও বাংলাদেশি কমিউনিটিতে শোকের ছায়া ফেলেছে।

Advertisement

বিশ্ব

View more
প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন
ইউক্রেনের হামলায় অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত, স্বীকার করলেন পুতিন

রাশিয়ার ভেতরে গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো লক্ষ্য করে ইউক্রেনের সাম্প্রতিক হামলায় দেশটির অর্থনীতি ও সামাজিক পরিস্থিতিতে প্রভাব পড়েছে বলে স্বীকার করেছেন প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তবে এসব আঘাত সত্ত্বেও পরিস্থিতি দ্রুত সামাল দেওয়া হবে বলেও আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।   শুক্রবার (১২ জুন) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। রাশিয়ার নিজনেকামস্কের একটি বড় তেল শোধনাগারে হামলার দাবির পর পুতিন এ মন্তব্য করেন।   ক্রেমলিনের ভাষ্য অনুযায়ী, ইউক্রেনের এই হামলাগুলো সমাজে বিভাজন তৈরি করতে পারবে না এবং অর্থনীতিও দ্রুত ঘুরে দাঁড়াবে। পুতিন বলেন, “তারা আমাদের অর্থনীতির ক্ষতি করছে, তবে আমরা এটি কাটিয়ে উঠব। এসব হামলার লক্ষ্য সমাজে বিভ্রান্তি তৈরি করা।”   প্রতিবেদন অনুযায়ী, সাম্প্রতিক সময়ে ইউক্রেন রাশিয়ার অভ্যন্তরে তেল শোধনাগার, জ্বালানি ডিপো ও পাইপলাইনগুলোতে হামলা জোরদার করেছে। দীর্ঘদিনের যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে এবং পূর্বাঞ্চলের ফ্রন্টলাইনে রাশিয়ার অগ্রগতি কিছুটা ধীর হয়ে পড়ায় এসব হামলা মস্কোর ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করছে।   অন্যদিকে ইউক্রেনের দাবি, রাশিয়া প্রতিদিন ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে তাদের শহরগুলো ধ্বংস করছে। এর জবাব হিসেবেই তারা রাশিয়ার ভেতরে পাল্টা হামলা চালাচ্ছে।   এছাড়া অধিকৃত ক্রিমিয়াতেও সরবরাহ ব্যবস্থাকে লক্ষ্যবস্তু করছে ইউক্রেন। জ্বালানি বহনকারী ট্রাক ও অবকাঠামোতে হামলার কারণে সেখানে জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে, যা ২০১৪ সালে রাশিয়া উপদ্বীপটি দখলের পর সবচেয়ে গুরুতর বলে মনে করা হচ্ছে।   ওয়াশিংটনভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘ইনস্টিটিউট ফর দ্য স্টাডি অব ওয়ার’ জানিয়েছে, ইউক্রেনের দূরপাল্লা ও মধ্যপাল্লার হামলার মধ্যে সমন্বয় রয়েছে। দূরপাল্লার আঘাতে রাশিয়ার উৎপাদন সক্ষমতা কমছে, আর মধ্যপাল্লার হামলায় সরবরাহ ব্যবস্থা ব্যাহত হচ্ছে।   চলতি সপ্তাহের শুরুতে ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভও ক্রিমিয়ায় জ্বালানি সংকটের কথা স্বীকার করে জানিয়েছেন, পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।   এদিকে ইউক্রেনের সেনাপ্রধান ওলেক্সান্ডার সিরস্কি দাবি করেছেন, মে মাসে রাশিয়ার দখল করা এলাকার চেয়ে বেশি ভূখণ্ড পুনরুদ্ধার করেছে ইউক্রেন। এতে সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ফ্রন্টলাইনে রাশিয়ার অগ্রগতির ধারায় পরিবর্তন এসেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

নীলুফা নিশাত প্রকাশ: জুন ১৩, ২০২৬ ০:২৪
ইলন মাস্কের বিপুল সম্পদ নিয়ে উদ্বেগ, বৈষম্যের বিরুদ্ধে সরব বার্নি স্যান্ডার্স

ইলন মাস্কের বিপুল সম্পদ নিয়ে উদ্বেগ, বৈষম্যের বিরুদ্ধে সরব বার্নি স্যান্ডার্স

ছবি:পোপ লিও

অভিবাসন ইস্যুতে মানবিক অবস্থান, টেনেরিফে পোপ লিওর বক্তব্য

ছবি:প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান

যুদ্ধ-পরবর্তী চ্যালেঞ্জে ইরানের প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান, রাজনৈতিক চাপ ও বিতর্কে ঘেরা প্রশাসন

ছবি: সংগৃহীত
হঠাৎ অচল ফেসবুক, ভোগান্তিতে বিশ্বজুড়ে ব্যবহারকারীরা

মেটার মালিকানাধীন জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে হঠাৎ করে বিভ্রাট দেখা দিয়েছে। শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের ব্যবহারকারীরা প্ল্যাটফর্মটি ব্যবহার করতে গিয়ে সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন।   বেশ কয়েকজন ব্যবহারকারী জানিয়েছেন, তারা ফেসবুকে লগ-ইন করতে পারছেন না। কেউ কেউ অ্যাপ ও ওয়েবসাইট লোড হতে বিলম্ব, নিউজফিড আপডেট না হওয়া এবং বিভিন্ন ফিচার স্বাভাবিকভাবে ব্যবহার করতে না পারার অভিযোগ করেছেন।   অনলাইন সেবা পর্যবেক্ষণকারী ওয়েবসাইট ডাউন ডিটেক্টরসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মেও ফেসবুকের বিভ্রাট সংক্রান্ত বিপুল সংখ্যক অভিযোগ জমা পড়েছে। ব্যবহারকারীদের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সমস্যাটি একাধিক অঞ্চলে একযোগে দেখা দিয়েছে। এদিকে, বিভ্রাটের কারণ সম্পর্কে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দেয়নি মেটা। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো বিবৃতি পাওয়া যায়নি।   প্রযুক্তিগত এই সমস্যার কারণে অনেক ব্যবহারকারী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। বিশেষ করে যারা যোগাযোগ, ব্যবসায়িক কার্যক্রম এবং তথ্য আদান-প্রদানের জন্য ফেসবুকের ওপর নির্ভরশীল, তারা সাময়িক ভোগান্তির মুখে পড়েছেন।   তবে ঠিক কী কারণে এই বিভ্রাট দেখা দিয়েছে এবং কখন নাগাদ সেবাটি পুরোপুরি স্বাভাবিক হবে, সে বিষয়ে এখনো কোনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুন ১২, ২০২৬ ১১:২৪
ইতিহাসের প্রথম ট্রিলিয়নারের পথে ইলন মাস্ক

ইতিহাসের প্রথম ট্রিলিয়নারের পথে ইলন মাস্ক

২০২৬ সালে ইউরোপে অবৈধ অভিবাসন ৪০ শতাংশ কমেছে

২০২৬ সালে ইউরোপে অবৈধ অভিবাসন ৪০ শতাংশ কমেছে

নিহত ৩ ভারতীয়কে নিয়ে ইরানের শোক

হরমুজ প্রণালীতে হামলা: নিহত ৩ ভারতীয়কে নিয়ে ইরানের শোক

ছবি: সংগৃহীত
খামেনির রাষ্ট্রীয় জানাজার সময়সূচি পিছিয়ে নতুন তারিখ ঘোষণা করল ইরান

ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির রাষ্ট্রীয় জানাজার সময়সূচি পরিবর্তন করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, পূর্বঘোষিত সময়ের পরিবর্তে জুনের শেষ সপ্তাহ থেকে জুলাইয়ের প্রথম দিকের মধ্যে রাষ্ট্রীয় শেষকৃত্য অনুষ্ঠিত হতে পারে।   তেহরানের মেয়র আলিরেজা জাকানি ১১ জুন (বৃহস্পতিবার) জানান, খামেনির জানাজা ও রাষ্ট্রীয় শোকানুষ্ঠান জুনের শেষ সপ্তাহ অথবা জুলাইয়ের প্রথম দিকে আয়োজনের সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি বলেন, ধর্মীয় ও শোকানুষ্ঠান-সংক্রান্ত বিষয় বিবেচনায় নিয়ে সময়সূচিতে পরিবর্তন আনা হয়েছে।   এর আগে ইরান সরকার ইসলামি বর্ষপঞ্জির প্রথম মাস মহররমের শুরুতেই তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক পালন ও শেষকৃত্য আয়োজনের পরিকল্পনা জানিয়েছিল। তবে নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, মহররমের প্রথম ১০ দিন শেষ হওয়ার পর আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হবে।   রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম ফার্সে প্রকাশিত বিবৃতিতে আলিরেজা জাকানি বলেন, শোক ও ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতার বিষয়টি বিবেচনায় রেখেই সময়সূচি পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, খামেনির রাষ্ট্রীয় জানাজা ২৬ জুন থেকে ৫ জুলাইয়ের মধ্যে যেকোনো এক সময়ে অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।   এর আগে তেহরান কর্তৃপক্ষ জানিয়েছিল, জানাজা অনুষ্ঠানে প্রায় দুই কোটি মানুষের অংশগ্রহণ হতে পারে বলে তারা আশা করছে। উল্লেখ্য, ১৯৮৯ সালে আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির মৃত্যুর পর আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ইরানের সর্বোচ্চ নেতার দায়িত্ব গ্রহণ করেন। প্রায় সাড়ে তিন দশক দায়িত্ব পালনের পর চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি তিনি নিহত হন।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুন ১২, ২০২৬ ৭:৫
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি। ছবি: সংগৃহীত

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা প্রায় চূড়ান্ত, হরমুজ প্রণালি ও নিষেধাজ্ঞা নিয়ে বড় সিদ্ধান্তের ইঙ্গিত

ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নিয়ার হিসেবে নাম লেখালেন ইলন মাস্ক

ছবি: সংগৃহীত

ইতালিতে নেওয়া ইউক্রেনীয় শিশুদের ফেরাতে কিয়েভের কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার

0 Comments