বিশ্ব

যুক্তরাষ্ট্রের আধুনিক যুদ্ধবিমান এফ-৩৫ ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ১৯, ২০২৬ 0
মার্কিন এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান। ফাইল ফটো
মার্কিন এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান। ফাইল ফটো

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্রের একটি আধুনিক এফ-৩৫ লাইটনিং ২ যুদ্ধবিমান জরুরি অবতরণ করেছে। ধারণা করা হচ্ছে, ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে বিমানটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মার্কিন সামরিক সূত্র ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

 

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের মুখপাত্র ক্যাপ্টেন টিম হকিনস জানান, বিমানটি ইরানের আকাশসীমার ওপর একটি যুদ্ধ মিশনে ছিল। আঘাতের পর বিমানটি নিরাপদে অবতরণ করেছে এবং পাইলট সুস্থ আছেন। তবে ঘটনার প্রকৃত কারণ জানার জন্য তদন্ত চলছে।

 

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এটি মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতে ইরানের পক্ষ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিমানের ওপর প্রথম আঘাত হিসেবে গণ্য হতে পারে। উল্লেখ্য, এফ-৩৫ যুদ্ধবিমানের মূল্য ১০০ মিলিয়ন ডলারেরও বেশি।

 

ঘটনাটি এমন সময় ঘটেছে, যখন মার্কিন প্রশাসন ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানে তাদের সাফল্যের দাবি করছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী পেট হেগসেথ বৃহস্পতিবার জানান, “ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা প্রায় সম্পূর্ণ ধ্বংস করা হয়েছে।”

 

বিশ্লেষকরা সতর্ক করছেন, এই ধরনের ঘটনা মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতিকে আরও জটিল ও উত্তেজনাপূর্ণ করে তুলতে পারে, কারণ উন্নত প্রযুক্তির যুদ্ধবিমানের লক্ষ্যবস্তু হওয়া উভয়পক্ষের মধ্যে সরাসরি সংঘর্ষের মাত্রা বাড়ায়।

জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

Advertisement

বিশ্ব

View more
ছবি: সংগৃহীত
কংগ্রেসকে পাশ কাটিয়ে আরব মিত্রদের কাছে কোটি কোটি ডলারের অস্ত্র বিক্রি ট্রাম্প প্রশাসনের

মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সংঘাত যখন চরমে, ঠিক তখনই এক নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত নিল ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। মার্কিন কংগ্রেসের দীর্ঘসূত্রতা এড়াতে নিজেদের বিশেষ ক্ষমতা প্রয়োগ করে সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই), কুয়েত ও জর্ডানের কাছে কয়েক বিলিয়ন ডলারের অত্যাধুনিক সমরাস্ত্র বিক্রির প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করেছে হোয়াইট হাউজ। বৃহস্পতিবার মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টের পক্ষ থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মধ্যপ্রাচ্যে বর্তমানে এক ‘জরুরি অবস্থা’ বিরাজ করছে। আর এই বিশেষ পরিস্থিতির দোহাই দিয়ে অস্ত্র বিক্রির ক্ষেত্রে কংগ্রেসের বাধ্যতামূলক পর্যালোচনার নিয়মটি বাতিল করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। অস্ত্র চুক্তির বিস্তারিত: সংযুক্ত আরব আমিরাত: আমিরাতের জন্য প্রায় ৮.৪০ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র সহায়তা অনুমোদন করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে উন্নত মাঝারি পাল্লার আকাশ থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য মিসাইল (AMRAAM), এফ-১৬ যুদ্ধবিমানের গোলাবারুদ এবং শত্রু ড্রোন মোকাবিলায় সক্ষম অত্যাধুনিক ‘ইন্টিগ্রেটেড ডিফিট সিস্টেম’। এছাড়াও থাকছে দূরপাল্লার রাডার ব্যবস্থা যা থাড (THAAD) মিসাইল ডিফেন্সের সাথে যুক্ত করা হবে। কুয়েত: আকাশপথে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা জোরদার করতে কুয়েতের কাছে ৮ বিলিয়ন ডলারের অত্যাধুনিক সেন্সর রাডার বিক্রির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জর্ডান: জর্ডানের জন্য ৭০.৫ মিলিয়ন ডলারের ‘এয়ারক্রাফট ও মিউনিশন সাপোর্ট’ নিশ্চিত করা হয়েছে, যার আওতায় যুদ্ধবিমানের খুচরা যন্ত্রাংশ ও রক্ষণাবেক্ষণ সেবা প্রদান করা হবে। পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে ইরানের ক্রমাগত ড্রোন ও মিসাইল হামলার মুখে নিজেদের আকাশসীমা সুরক্ষিত রাখতে মিত্র দেশগুলো দীর্ঘদিন ধরে এই অস্ত্রের দাবি জানিয়ে আসছিল। উল্লেখ্য, চলতি মাসের শুরুতেই ইসরায়েলের কাছেও কংগ্রেসকে এড়িয়ে ১২ হাজার বোমা বিক্রির অনুরূপ একটি জরুরি সিদ্ধান্ত নিয়েছিল ট্রাম্প প্রশাসন। বিশেষজ্ঞদের মতে, বাইডেন প্রশাসনের সময় থমকে যাওয়া এই বিশাল অস্ত্র চুক্তিগুলো দ্রুত কার্যকর করার মাধ্যমে ট্রাম্প প্রশাসন মধ্যপ্রাচ্যে তার মিত্রদের পূর্ণ সামরিক নিরাপত্তা দেওয়ার স্পষ্ট বার্তা দিল। তবে এই সরঞ্জামগুলো কবে নাগাদ পৌঁছাবে সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা জানানো হয়নি।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ১৯, ২০২৬ 0
ইরানের দক্ষিণ পার্স গ্যাসক্ষেত্র। ছবি: সংগৃহীত

সাউথ পার্সে হামলা: মিথ্যাচার করে যেভাবে ধরা খেলেন ট্রাম্প

ছবি: সংগৃহীত

ইরানি রাষ্ট্রনেতা হত্যাসহ বেসামরিক হামলা অগ্রহণযোগ্য: চীন

ছবি: সংগৃহীত

হরমুজ প্রণালীতে নিরাপত্তা নিশ্চিতে একাজোট যুক্তরাজ্য ও মিত্র দেশগুলো

মার্কিন এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান। ফাইল ফটো
যুক্তরাষ্ট্রের আধুনিক যুদ্ধবিমান এফ-৩৫ ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্রের একটি আধুনিক এফ-৩৫ লাইটনিং ২ যুদ্ধবিমান জরুরি অবতরণ করেছে। ধারণা করা হচ্ছে, ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে বিমানটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মার্কিন সামরিক সূত্র ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।   মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের মুখপাত্র ক্যাপ্টেন টিম হকিনস জানান, বিমানটি ইরানের আকাশসীমার ওপর একটি যুদ্ধ মিশনে ছিল। আঘাতের পর বিমানটি নিরাপদে অবতরণ করেছে এবং পাইলট সুস্থ আছেন। তবে ঘটনার প্রকৃত কারণ জানার জন্য তদন্ত চলছে।   বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এটি মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতে ইরানের পক্ষ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিমানের ওপর প্রথম আঘাত হিসেবে গণ্য হতে পারে। উল্লেখ্য, এফ-৩৫ যুদ্ধবিমানের মূল্য ১০০ মিলিয়ন ডলারেরও বেশি।   ঘটনাটি এমন সময় ঘটেছে, যখন মার্কিন প্রশাসন ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানে তাদের সাফল্যের দাবি করছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী পেট হেগসেথ বৃহস্পতিবার জানান, “ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা প্রায় সম্পূর্ণ ধ্বংস করা হয়েছে।”   বিশ্লেষকরা সতর্ক করছেন, এই ধরনের ঘটনা মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতিকে আরও জটিল ও উত্তেজনাপূর্ণ করে তুলতে পারে, কারণ উন্নত প্রযুক্তির যুদ্ধবিমানের লক্ষ্যবস্তু হওয়া উভয়পক্ষের মধ্যে সরাসরি সংঘর্ষের মাত্রা বাড়ায়।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ১৯, ২০২৬ 0
ইসরায়েলের হাইফায় ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর একটি ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনা থেকে ধোঁয়া ও আগুনের কুণ্ডলী উঠতে দেখা যাচ্ছে। ১৫ জুন ২০২৫। ছবি: রয়টার্স

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইসরায়েলের হাইফার তেল শোধনাগারে অগ্নিকাণ্ড

বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) লোগো। ফাইল ছবি

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ বিশ্ব খাদ্য নিরাপত্তার জন্য হুমকি: ডব্লিউটিও

মিসরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসির (বাঁয়ে) সঙ্গে বৈঠকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল-নাহিয়ান। সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবিতে, ১৯ মার্চ ২০২৬। ছবি: রয়টার্স

মিসর-আমিরাতের প্রেসিডেন্টদের বৈঠক: কূটনীতি জরুরি, যুদ্ধ অবিলম্বে বন্ধের আহ্বান

প্রতীকী ছবি
ইরানের দাবি: যুদ্ধ শুরুর পর ১৭৮ ‘মার্কিন-ইসরায়েলি গুপ্তচর’ গ্রেপ্তার

ইরান দাবি করেছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান সংঘাত শুরুর পর দেশ দুটির হয়ে কাজ করা ১৭৮ জন সন্দেহভাজন গুপ্তচরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। দেশটির আধা-সরকারি সংবাদমাধ্যম মেহের নিউজ এজেন্সির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।   ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) জানায়, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির বিভিন্ন কেন্দ্র এবং সামরিক তল্লাশিচৌকির ছবি ও অবস্থান সংগ্রহ করে তা বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থার কাছে পাঠাচ্ছিলেন। এসব তথ্য হামলার লক্ষ্য নির্ধারণে ব্যবহৃত হতে পারে বলেও দাবি করা হয়েছে।   আইআরজিসি আরও জানায়, আটক ব্যক্তিদের মধ্যে কয়েকজন বিদেশি নাগরিক রয়েছেন। তাঁদের কাছ থেকে অস্ত্র, অবস্থান শনাক্তকারী যন্ত্র, বিশেষ যোগাযোগ সরঞ্জাম এবং বিদেশি মুদ্রা উদ্ধার করা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়।   গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানের বিভিন্ন স্থাপনায় হামলা চালানোর পর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ইরানের দাবি অনুযায়ী, হামলার প্রথম দিনেই সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিসহ বেশ কয়েকজন শীর্ষ বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তা নিহত হন।   পরবর্তী হামলাগুলোতেও দেশটির শীর্ষ নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট কয়েকজন ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। এসব হামলায় অভ্যন্তরীণভাবে তথ্য ফাঁসের বিষয়টি জড়িত থাকতে পারে বলে ধারণা করছে তেহরান, যা গোয়েন্দা ব্যবস্থার দুর্বলতার প্রশ্নও সামনে এনেছে।   তবে এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েলের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ১৯, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

পাকিস্তানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্বেগ, প্রশ্ন তুলছেন বিশেষজ্ঞরা

পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট শেহবাজ শরিফ ও সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান। ছবি: রয়টার্স

ইরান–সৌদি উত্তেজনা: যুদ্ধে জড়ালে কি পাকিস্তানের ‘পারমাণবিক ছাতা’ পাবে রিয়াদ?

মধ্যপ্রাচ্যে কয়েক হাজার মার্কিন সেনা পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন

0 Comments