বিশ্ব

ইরানে হামলা জোরদারের ঘোষণা ইসরায়েলের

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২৭, ২০২৬ 0
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ

ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান আরও জোরদার করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ। তিনি অভিযোগ করেছেন, ইরান ইসরায়েলের বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাচ্ছে।

 

ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েলের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রতিরক্ষামন্ত্রী সামরিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে জানিয়েছেন, ইরানে হামলার পরিধি বাড়ানো হবে এবং আরও বিস্তৃতভাবে অভিযান পরিচালিত হবে। এমন লক্ষ্যবস্তুকে আঘাত করা হবে, যেগুলো ইসরায়েলের বিরুদ্ধে হামলা পরিচালনায় সহায়ক হিসেবে বিবেচিত।

 

ইসরায়েল কাৎজ বলেন, “ইরানকে চড়া মূল্য দিতে হবে। যুদ্ধের সব লক্ষ্য অর্জন না হওয়া পর্যন্ত আমরা পূর্ণ শক্তিতে অভিযান চালিয়ে যাব।”

 

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এই বক্তব্য পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।

 

সূত্র: আল–জাজিরা

জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

বিয়ের মাধ্যমে আমেরিকার নাগরিকত্ব কি বন্ধ? ইউএস ইমিগ্রেশন ওয়েবসাইটে কী বলা আছে

সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে যে, যুক্তরাষ্ট্রে বিয়ের মাধ্যমে নাগরিকত্ব বা গ্রীন কার্ড পাওয়ার নিয়ম বন্ধ হয়ে গেছে। তবে মার্কিন ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ ইউএস সিটিজেনশিপ এন্ড ইমিগ্রেশন সার্ভিস  এর অফিসিয়াল তথ্য অনুযায়ী এই দাবি সঠিক নয়। সংস্থাটি জানিয়েছে, বিয়ের মাধ্যমে এখনও গ্রীন কার্ড এবং পরে নাগরিকত্ব পাওয়ার সুযোগ রয়েছে, তবে আবেদনকারীদের নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলতে হবে এবং বর্তমানে যাচাই-বাছাই আগের তুলনায় বেশি কঠোর করা হয়েছে। ইউএসসিআইএসের নিয়ম অনুযায়ী, একজন মার্কিন নাগরিক বা গ্রীন কার্ডধারী তার স্বামী বা স্ত্রীর জন্য পারিবারিক ভিত্তিতে অভিবাসনের আবেদন করতে পারেন। এ ক্ষেত্রে প্রথমে বৈধ বিয়ের প্রমাণসহ আবেদন জমা দিতে হয়। আবেদন অনুমোদিত হলে বিদেশি স্বামী বা স্ত্রী গ্রীন কার্ড পেতে পারেন এবং স্থায়ী বাসিন্দা হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে থাকার অনুমতি পাবেন। সাধারণত মার্কিন নাগরিককে বিয়ে করলে প্রক্রিয়া তুলনামূলক দ্রুত হয়, আর গ্রীন কার্ডধারীকে বিয়ে করলে অপেক্ষার সময় কিছুটা বেশি হতে পারে। গ্রীন কার্ড পাওয়ার পর নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করার নিয়মও আগের মতোই রয়েছে। ইমিগ্রেশন নীতিমালা অনুযায়ী, যদি কেউ মার্কিন নাগরিককে বিয়ে করে গ্রীন কার্ড পান এবং কমপক্ষে তিন বছর একসাথে বসবাস করেন, তাহলে তিনি নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করতে পারেন। আর যদি গ্রীন কার্ডধারীকে বিয়ে করেন, তাহলে সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী স্থায়ী বাসিন্দা হিসেবে পাঁচ বছর পূর্ণ হলে নাগরিকত্বের আবেদন করা যায়। ইমিগ্রেশন বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমানে অনেক ক্ষেত্রে বেশি সাক্ষাৎকার নেওয়া হচ্ছে, অতিরিক্ত কাগজপত্র চাওয়া হচ্ছে এবং যৌথ ব্যাংক হিসাব, বাসার ঠিকানা, ট্যাক্স নথি ও পারিবারিক প্রমাণ জমা দিতে হচ্ছে। ভুয়া বিয়ের মাধ্যমে সুবিধা নেওয়া ঠেকাতে এই যাচাই-বাছাই বাড়ানো হয়েছে। এছাড়া আবেদন প্রক্রিয়ায় সময় বেশি লাগার কারণেও অনেকের মধ্যে ভুল ধারণা তৈরি হয়েছে যে বিয়ের মাধ্যমে নাগরিকত্ব বন্ধ হয়ে গেছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, বিয়ের মাধ্যমে আমেরিকার নাগরিকত্ব বা গ্রীন কার্ড বন্ধ হয়নি। তবে বর্তমানে আবেদন প্রক্রিয়া কঠোর হয়েছে এবং প্রতিটি ক্ষেত্রে বৈধ বিবাহ, একসাথে বসবাস এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রমাণ করা বাধ্যতামূলক।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

Advertisement

বিশ্ব

View more
ছবি: সংগৃহীত
ইরানের সামরিক সক্ষমতা বাড়াতে পুতিনের ভূমিকা কতটা?

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে ইরান ও রাশিয়ার সামরিক সহযোগিতা নিয়ে নতুন আলোচনা সামনে এসেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মন্তব্য করেছেন, মস্কো তেহরানকে কিছুটা সহায়তা দিচ্ছে।   তবে বিশ্লেষকদের মতে, এই সহায়তা সরাসরি যুদ্ধ অংশগ্রহণ নয়; বরং গোয়েন্দা তথ্য ও প্রযুক্তিগত সহায়তার মধ্যেই সীমাবদ্ধ। বিষয়টি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।   বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রাশিয়া উন্নত স্যাটেলাইট তথ্যের মাধ্যমে ইরানকে মার্কিন নৌ ও বিমান চলাচল পর্যবেক্ষণে সহায়তা করছে। এ কাজে রাশিয়ার “লিয়ানা” নামে পরিচিত একটি গোয়েন্দা স্যাটেলাইট ব্যবস্থার ব্যবহার হচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।   একই সঙ্গে রাশিয়ার সহায়তায় উৎক্ষেপিত ইরানের “খৈয়াম” স্যাটেলাইটও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এই স্যাটেলাইট উচ্চমানের ছবি সরবরাহ করতে পারে, যা দুই দেশের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদানকে আরও কার্যকর করে তুলছে।   অন্যদিকে, পেন্টাগন মার্কিন যুদ্ধজাহাজে হামলার খবর অস্বীকার করেছে। তবে বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, রাশিয়ার দেওয়া এই গোয়েন্দা সহায়তা সংঘাতের গতিপথে প্রভাব ফেলতে পারে।   রাশিয়া ও ইরানের মধ্যে সামরিক সহযোগিতা একমুখী নয়। ২০২২ সাল থেকে ইরান রাশিয়াকে ড্রোন ও গোলাবারুদ সরবরাহ করে আসছে। এখন সেই প্রযুক্তির উন্নত সংস্করণ আবার ইরানের কাছেই ফিরে আসছে।   উদাহরণ হিসেবে, সাম্প্রতিক এক হামলায় ব্যবহৃত ইরানি ড্রোনে রাশিয়ার তৈরি এমন একটি নেভিগেশন প্রযুক্তি পাওয়া গেছে, যা ইলেকট্রনিক বাধা বা জ্যামিং এড়াতে সক্ষম। ইউক্রেন যুদ্ধে ব্যবহৃত কৌশলের মতোই এই প্রযুক্তি আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে বিভ্রান্ত করতে সাহায্য করছে।   তবে কৌশলগত ঘনিষ্ঠতা থাকলেও রাশিয়া ও ইরানের মধ্যে কোনো আনুষ্ঠানিক পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি নেই। বিশ্লেষকদের ধারণা, এই কারণে মস্কো সরাসরি যুদ্ধে জড়ানোর সম্ভাবনা কম।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ২৭, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।

ইরানে নিহত ১,৯০০ ছাড়াল, যুদ্ধে জড়ানোর হুঁশিয়ারি হুথিদের

ছবি: সংগৃহীত।

আকাশচুম্বী তেলের দাম: বিক্ষোভে উত্তাল ফিলিপাইন, জরুরি অবস্থা জারি

ছবি: সংগৃহীত

কুয়েতের দুই বন্দরে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

ছবি: সংগৃহীত।
সাইরেনের শব্দে বিল ফাঁকি: ইরানি হামলার সুযোগে ইসরায়েলে অভিনব প্রতারণা!

যুদ্ধ আর সংঘাতের মাঝেও এক শ্রেণির মানুষের অসাধুতা থমকে নেই। ইসরায়েলে এখন এক নতুন ধরনের প্রতারণার চিত্র সামনে এসেছে, যা খোদ স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলোকেও অবাক করেছে। ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যকার চলমান উত্তেজনার সুযোগ নিয়ে রেস্তোরাঁ ও দোকানের বিল ফাঁকি দেওয়ার হিড়িক পড়েছে দেশটিতে। ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম চ্যানেল-১৩-এর এক বিশেষ প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য। প্রতিবেদন অনুযায়ী, যখনই ইরান থেকে ড্রোন বা মিসাইল হামলার আশঙ্কায় সাইরেন বেজে ওঠে, তখনই একদল মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের দোহাই দিয়ে বিল পরিশোধ না করেই চম্পট দিচ্ছে। স্বাভাবিক নিয়ম অনুযায়ী, সাইরেন বাজার সাথে সাথে সাধারণ মানুষ দ্রুত শেল্টার বা আশ্রয় কেন্দ্রে চলে যান। এই সময় রেস্তোরাঁ ও দোকানের কর্মীরাও নিজেদের প্রাণ বাঁচাতে নিরাপদ স্থানে ছোটেন। আর এই বিশৃঙ্খলার সুযোগটিই নিচ্ছে সুবিধাবাদীরা। তারা আগে থেকে খাওয়া-দাওয়া বা কেনাকাটা শেষ করে সাইরেন বাজার অপেক্ষায় থাকে। সাইরেন বাজলেই জনমনে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে, আর সেই ডামাডোলের মাঝে বিল না দিয়েই ভিড়ের সঙ্গে মিশে গা-ঢাকা দিচ্ছে তারা। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলার পর থেকে ইরান নিয়মিত পাল্টাপাল্টি হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। ফলে ইসরায়েলের বিভিন্ন শহরে প্রায়শই সাইরেন বেজে উঠছে। চ্যানেল-১৩ বলছে, দিনের পর দিন এই প্রবণতা বাড়তে থাকায় চরম আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন ছোট ও মাঝারি ব্যবসায়ীরা। যুদ্ধের ডামাডোলে নৈতিকতার এমন অবক্ষয় এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২৭, ২০২৬ 0
১০ লাখ যোদ্ধা প্রস্তুত রাখছে ইরান

সম্ভাব্য যুদ্ধের প্রস্তুতি: ১০ লাখ যোদ্ধা প্রস্তুত রাখছে ইরান

ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ

ইরানে হামলা জোরদারের ঘোষণা ইসরায়েলের

ইরানের স্কুলে হামলার প্রতিবাদে দক্ষিণ কোরিয়ায় বিক্ষোভ

ইরানে স্কুলে ভয়াবহ হামলা: জাতিসংঘ মানবাধিকার প্রধানের তীব্র নিন্দা ও বিচারের দাবি

ফরাসি সশস্ত্র বাহিনী বিষয়ক মন্ত্রী ক্যাথরিন ভাউট্রিন
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ ‘আমাদের নয়’, সংঘাত এড়াতে অনড় ফ্রান্স

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ ও উত্তেজনাকর পরিস্থিতি নিয়ে নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করেছে ফ্রান্স। ফরাসি সশস্ত্র বাহিনী বিষয়ক মন্ত্রী ক্যাথরিন ভাউট্রিন সরাসরি জানিয়েছেন, এই যুদ্ধ ফ্রান্সের নয়। ইরান ও ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার চলমান সংঘাতপূর্ণ পরিস্থিতিতে ফ্রান্সের ভূমিকা হবে কঠোরভাবে আত্মরক্ষামূলক। একটি ফরাসি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যাথরিন ভাউট্রিন জানান, মধ্যপ্রাচ্যে ফ্রান্সের বর্তমান কৌশল পুরোপুরি কূটনৈতিক আলোচনার ওপর নির্ভরশীল। এই অঞ্চলের সংঘাত যেন আর না বাড়ে, সেটিই প্যারিসের প্রধান লক্ষ্য। তিনি বলেন, “আমি আবারও বলছি, আমাদের একমাত্র লক্ষ্য হলো কূটনৈতিক পথকে সুগম করা।” হরমুজ প্রণালীতে সৃষ্ট অবরোধের পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, একমাত্র কূটনৈতিক পন্থাই শান্তির গ্যারান্টি দিতে পারে। বিশ্বের অনেক দেশই এই সংকটে উদ্বিগ্ন এবং দ্রুত এর সমাধান হওয়া এখন সময়ের দাবি। মূলত আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতেই ফ্রান্স সামরিক পদক্ষেপের চেয়ে আলোচনার টেবিলে বসাটাকেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২৭, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র হামলার প্রেক্ষিতে পাকিস্তানের কড়া বার্তা

ছবি: সংগৃহীত

ইরানের ঘোষণা: হরমুজ প্রণালীতে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও মিত্রদের জাহাজ চলাচল বন্ধ

সৌদি আরবে মার্কিন সামরিকঘাঁটিতে বিস্ফোরণ, ইরানের ড্রোন হা/মলার দাবি

0 Comments