বিশ্ব

চূড়ান্ত বিজয় না হওয়া পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা ইরানের

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ২৪, ২০২৬ 0
চূড়ান্ত বিজয় না হওয়া পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা ইরানের
চূড়ান্ত বিজয় না হওয়া পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা ইরানের

ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে চূড়ান্ত সাফল্য অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার করেছে ইরানের সামরিক বাহিনী। মঙ্গলবার দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর শীর্ষ পর্যায়ের এক মুখপাত্র এ বার্তা দেন।

 

ইরানের খাতাম-আল আম্বিয়া সেন্ট্রাল হেডকোয়ার্টার্সের কর্মকর্তা আলী আবদুল্লাহি আলিয়াবাদি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া বক্তব্যে বলেন, দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ইরানের বাহিনী দৃঢ় ও আত্মবিশ্বাসী অবস্থানে রয়েছে। তাদের লক্ষ্য অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত এই লড়াই চলবে।

 

যদিও “পূর্ণাঙ্গ বিজয়” বলতে কী বোঝানো হয়েছে, তা স্পষ্ট করা হয়নি। তবে বিশ্লেষকদের মতে, সম্ভাব্য আন্তর্জাতিক আলোচনায় কঠোর অবস্থান বজায় রাখার ইঙ্গিত দিতেই এ ধরনের বক্তব্য দেওয়া হয়েছে।

 

এদিকে সংঘাতের ২৫তম দিনেও দুই পক্ষের মধ্যে হামলা-পাল্টা হামলা অব্যাহত রয়েছে। ইরানের পক্ষ থেকে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র-সম্পর্কিত বিভিন্ন স্থাপনাকে লক্ষ্য করে আক্রমণ চালানো হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। অন্যদিকে ইসরায়েলও ইরানের সামরিক ও সরকারি অবকাঠামোতে হামলার কথা জানিয়েছে।

 

ইরানি গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক হামলায় দেশটির দুটি গ্যাস স্থাপনা ও একটি পাইপলাইন আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর আগে ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিদ্যুৎ অবকাঠামোতে সম্ভাব্য হামলা পাঁচ দিনের জন্য স্থগিত রাখার ঘোষণা দেন।

 

ট্রাম্প দাবি করেছেন, তেহরানের সঙ্গে আলোচনায় ইতিবাচক অগ্রগতি হচ্ছে। তবে ইরানের পক্ষ থেকে এ দাবি প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে এবং বলা হয়েছে, বর্তমানে কোনো ধরনের সংলাপ চলছে না।

 

এদিকে আঞ্চলিক উত্তেজনা কমাতে পাকিস্তান মধ্যস্থতার আগ্রহ প্রকাশ করেছে। Al Jazeera-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জানান, সব পক্ষ সম্মত হলে ইসলামাবাদ আলোচনার আয়োজন করতে প্রস্তুত।

 

এরই মধ্যে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান অসীম মুনির যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে কথা বলেছেন। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান-এর সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। শিগগিরই ইসলামাবাদে সম্ভাব্য বৈঠকের কথাও আলোচনায় রয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

Advertisement

বিশ্ব

View more
আইআরজিসি কমান্ডার মোহাম্মদ বাঘের জোলঘাদর
ইরানের নতুন সেনাপতি মোহাম্মদ বাঘের জোলঘাদর

ইরানের বর্তমান সংকটময় মুহূর্তে জাতীয় নিরাপত্তার হাল ধরলেন অভিজ্ঞ রেভোলিউশনারি গার্ড (আইআরজিসি) কমান্ডার মোহাম্মদ বাঘের জোলঘাদর। গত সপ্তাহে ইসরায়েলি বিমান হামলায় আলী লারিজনির মৃত্যুর পর শূন্য হওয়া সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের প্রধান পদে তাকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।  প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের কার্যালয়ের যোগাযোগ বিষয়ক উপ-প্রধান মেহেদি তাবাতাবায়ি এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। মোহাম্মদ বাঘের জোলঘাদর চার দশক ধরে ইরানের সামরিক, বিচার বিভাগ এবং বেসামরিক প্রশাসনের শীর্ষ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। ইরান-ইরাক যুদ্ধের সময় একটি গুরুত্বপূর্ণ ডিভিশনের নেতৃত্বে ছিলেন তিনি, যেখানে কুর্দি গোষ্ঠীসহ আন্তঃসীমান্ত আধাসামরিক বাহিনীর সাথে সম্পর্ক গড়ে তোলায় বিশেষ পারদর্শিতা দেখান। পরবর্তীতে তিনি আইআরজিসি-র সেকেন্ড-ইন-কমান্ড হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। জোলঘাদরের নিয়োগকে ইরানের হার্ডলাইন বা কট্টরপন্থী অবস্থানের প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে। তিনি কেবল সামরিক কৌশলবিদই নন, বরং দেশটির নীতি-নির্ধারক সংস্থা 'এক্সপেডিয়েন্সি ডিসসার্নমেন্ট কাউন্সিল'-এরও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ছিলেন। বাসিজ এবং আনসার-ই-হিজবুল্লাহর মতো আধাসামরিক বাহিনীর সাথে তার ঘনিষ্ঠতা অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা ও বিরোধী দমনে তেহরানের কঠোর অবস্থানের ইঙ্গিত দিচ্ছে।  আলী লারিজনির হত্যাকাণ্ডের পর জোলঘাদরের মতো একজন 'ব্যাটল-টেস্টেড' কমান্ডারকে বেছে নিয়ে ইরান বিশ্বকে তার কঠোর নিরাপত্তা ও সামরিক কৌশলের বার্তাই দিল।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ২৪, ২০২৬ 0
ইরান ইস্যুতে সামরিক সিদ্ধান্তের দায় হেগসেথের দিকে ঠেললেন ট্রাম্প

ইরান ইস্যুতে সামরিক সিদ্ধান্তের দায় হেগসেথের দিকে ঠেললেন ট্রাম্প

চূড়ান্ত বিজয় না হওয়া পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা ইরানের

চূড়ান্ত বিজয় না হওয়া পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা ইরানের

যুদ্ধ বন্ধে আলোচনার উদ্যোগ নিতে প্রস্তুত পাকিস্তান

যুদ্ধ বন্ধে আলোচনার উদ্যোগ নিতে প্রস্তুত পাকিস্তান

ব্রিটিশ নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজ 'ড্রাগন'
সাইপ্রাস রক্ষায় ব্যর্থ 'ড্রাগন' ডেস্ট্রয়ার: ব্রিটেনের সামরিক শক্তির সীমাবদ্ধতা ফাঁস

সাইপ্রাসকে সুরক্ষা দিতে ব্রিটিশ নৌবাহিনীর শক্তিশালী যুদ্ধজাহাজ 'ড্রাগন' পৌঁছাতে দীর্ঘ বিলম্ব হওয়ায় লন্ডনের সামরিক সক্ষমতা নিয়ে তীব্র প্রশ্ন তুলেছেন যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত রুশ রাষ্ট্রদূত আন্দ্রেই কেলিন।  তার মতে, মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে ব্রিটেনের তথাকথিত 'মিলিটারি আমব্রেলা' বা সামরিক সুরক্ষা বলয় পুরোপুরি অকার্যকর প্রমাণিত হয়েছে। রাশিয়ান সংবাদ সংস্থা তাস-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কেলিন জানান, ইরান ও ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার চলমান উত্তেজনা এবং দ্রুত ছড়িয়ে পড়া সংঘাতের মুখে ব্রিটিশ পরিকল্পনাকারীরা কার্যত অপ্রস্তুত ছিলেন। স্থানীয় রাজনীতিকরাও সরকারের এই সামরিক অদূরদর্শিতার কড়া সমালোচনা করছেন। তিনি আরও উল্লেখ করেন, সাইপ্রাসের মতো দেশগুলো ব্রিটিশ সামরিক ঘাঁটি স্থাপনের সুযোগ দেয় এই আশায় যে, সংকটের সময় লন্ডন তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতি প্রমাণ করেছে, প্রয়োজনের সময় ব্রিটিশদের এই সুরক্ষা ব্যবস্থা কোনো কাজেই আসছে না।  ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের সরকারের এই 'সতর্ক অবস্থান' মূলত তাদের সামরিক সীমাবদ্ধতাকেই বিশ্বমঞ্চে উন্মোচিত করেছে।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ২৪, ২০২৬ 0
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প

কেন ইরানের সঙ্গে আলোচনার ‘ধাপ্পা’ দিয়েছেন ট্রাম্প?

ছবি: সংগৃহীত।

বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত দেশের তালিকায় দ্বিতীয় বাংলাদেশ, শীর্ষে কোন দেশ?

ছবি: সংগৃহীত।

গাজায় আগ্রাসন, ২ বছরে ইসরায়েলের ক্ষতি ৫ হাজার ৭০০ কোটি ডলার

ছবি: সংগৃহীত।
শান্তির দূত পাকিস্তান! ৯ এপ্রিলের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের দামামা থামিয়ে শান্তি ফেরাতে এক অভাবনীয় কূটনৈতিক মিশনে নেমেছে পাকিস্তান। আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে দীর্ঘদিনের সংঘাত নিরসনে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে ইসলামাবাদ। চলতি সপ্তাহেই এই বিষয়ে পাকিস্তানে একটি উচ্চপর্যায়ের বিশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বলে নিশ্চিত করেছেন ইসরায়েলি এক কর্মকর্তা। সূত্রের খবর, পাকিস্তানের সেনাপ্রধান জেনারেল আসিম মুনির সরাসরি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন। গত রবিবার তাদের মধ্যে হওয়া এই সংলাপে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দেওয়া হয় এবং ট্রাম্প এতে ইতিবাচক সাড়া দেন। সব ঠিক থাকলে, আগামী ৯ এপ্রিলের মধ্যেই এই রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, শুধু পাকিস্তানই নয়—তুরস্ক ও মিশরও এই শান্তি প্রক্রিয়ায় নেপথ্যে থেকে কাজ করে চলেছে। ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস (Axios) দাবি করেছে, ইসলামাবাদের এই আসন্ন বৈঠকে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স আমেরিকার প্রতিনিধিত্ব করতে পারেন। অন্যদিকে, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করছেন। শাহবাজ আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন যে, পশ্চিম এশিয়ায় খুব শীঘ্রই শান্তির সুবাতাস বইবে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইতিমধ্যেই ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, ইরান একটি সম্মানজনক সমঝোতায় আসার জন্য মরিয়া। ট্রাম্পের মতে, যুদ্ধ শেষ হলে বিশ্ববাজারে তেলের দামও কমতে শুরু করবে। এই আলোচনায় ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার এবং হোয়াইট হাউসের প্রতিনিধি স্টিভ উইটকফ সক্রিয়ভাবে যুক্ত রয়েছেন। তবে তেহরান এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো নিশ্চিত বার্তা দেয়নি, বরং তারা দাবি করেছে গত ২৪ দিনে সরাসরি কোনো আলোচনায় তারা বসেনি। তবুও ইসলামাবাদের এই বৈঠককে বিশ্ব রাজনীতির মোড় ঘোরানো পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ২৪, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।

১০ ঘণ্টার মধ্যে ইসরায়েলে ৭ দফা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ইরানের

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ

ইরানে আগ্রাসনের দায় প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর ওপর চাপিয়ে দিলেন ট্রাম্প

মঙ্গলবার ইসরায়েলের রাজধানী তেল আবিবে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় বিধ্বস্ত একটি ভবন

ইরানের বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় তেল আবিবে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি, আহত অন্তত ৬

0 Comments