বিশ্ব

জেন জি হত্যা মামলা: ব্যক্তিগত বন্ডে জামিন পেলেন নেপালের সাবেক প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ৯, ২০২৬ 0
নেপালের সাবেক প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা অলি। ছবি: সংগৃহীত
নেপালের সাবেক প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা অলি। ছবি: সংগৃহীত

নেপালের রাজনীতিতে নাটকীয় মোড় নিয়ে দীর্ঘ টানাপোড়েনের পর জামিন পেলেন দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা অলি। বৃহস্পতিবার নেপালের সুপ্রিম কোর্ট তাকে ব্যক্তিগত বন্ডে জামিন প্রদানের নির্দেশ দেয়। 


বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা এই প্রবীণ নেতাকে তার পরিবারের জিম্মায় মুক্তি দেওয়া হয়েছে। একই মামলায় জামিন পেয়েছেন দেশটির সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রমেশ লেখকও।


উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে নেপালে জেন জি (Gen Z) প্রজন্মের নেতৃত্বে পরিচালিত এক বিশাল দুর্নীতিবিরোধী আন্দোলনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দমন-পীড়নে প্রায় ৭৭ জন প্রতিবাদী প্রাণ হারান। ওই ঘটনায় 'কর্তব্যে অবহেলা ও দায়িত্বজ্ঞানহীনতার' অভিযোগে গত ২৮ মার্চ কেপি শর্মা অলি ও রমেশ লেখককে গ্রেফতার করা হয়।


প্রাথমিকভাবে অলির জামিন আবেদন খারিজ হলেও গত ৭ এপ্রিল সুপ্রিম কোর্ট এক ঐতিহাসিক রায়ে জানায়, তদন্তের স্বার্থে তাকে আর হেফাজতে রাখার প্রয়োজন নেই। ৯ এপ্রিলের মধ্যে তাকে মুক্তির নির্দেশ দেওয়া হয়। তবে আদালত স্পষ্ট করে জানিয়েছে, জামিন পেলেও তদন্ত প্রক্রিয়া চলমান থাকবে এবং পুলিশি প্রয়োজনে যেকোনো সময় তাকে হাজিরা দিতে হবে। 


ওলি সরকারের পতনের পর দেশটিতে নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন র‍্যাপার থেকে রাজনীতিবিদ হওয়া বলেন্দ্র শাহ (বালেন শাহ)।

জনপ্রিয় সংবাদ
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

Advertisement

বিশ্ব

View more
ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ। ফাইল ছবি: এএফপি
ট্রাম্পের চাপে কি নতি স্বীকার করলেন নেতানিয়াহু? যা বলছেন ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী

লেবানন ইস্যুতে ইসরায়েলের শীর্ষ নেতৃত্বের মধ্যে পরস্পরবিরোধী অবস্থান সামনে এসেছে। একদিকে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু লেবাননের সঙ্গে সরাসরি আলোচনার ইঙ্গিত দিয়েছেন, অন্যদিকে দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, যুদ্ধ বন্ধ হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই।   ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম চ্যানেল ১৪-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কাৎজ বলেন, লেবাননের সঙ্গে চলমান সংঘাত বন্ধ হবে না এবং সামরিক অভিযান অব্যাহত থাকবে। তাঁর এই মন্তব্য এমন সময়ে এলো, যখন একই বিষয়ে ভিন্ন বার্তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু।   এর আগে নেতানিয়াহু জানিয়েছেন, তিনি ‘যত দ্রুত সম্ভব’ লেবাননের সঙ্গে সরাসরি আলোচনা শুরু করার নির্দেশ দিয়েছেন। তবে এই আলোচনার সম্ভাবনা তৈরি হলেও সামরিক অবস্থান নিয়ে সরকারের ভেতরেই বিভক্তির ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।   এদিকে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের এক প্রতিবেদনে একজন মার্কিন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প–এর চাপের মুখেই নেতানিয়াহু লেবাননের সঙ্গে আলোচনায় বসার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।   বিশ্লেষকদের মতে, এই দ্বৈত অবস্থান মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে। একদিকে কূটনৈতিক আলোচনার প্রস্তুতি, অন্যদিকে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা—এতে করে অঞ্চলটিতে উত্তেজনা প্রশমনের বদলে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হচ্ছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ১০, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলি অভিযানে ইরানের শীর্ষ ৫২ কর্মকর্তা নিহত, ক্ষমতার কেন্দ্রে বড় ধাক্কা

পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ। ফাইল ছবি: রয়টার্স

ইসরায়েল ‘মানবতার জন্য অভিশাপ’: আলোচনার আগে কড়া মন্তব্য পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ। ছবি: সংগৃহীত

যুদ্ধবিরতিতে ‘হিরো’ পাকিস্তান, স্বাগত জানিয়েও বিপাকে মোদি!

ছবি: সংগৃহীত
ভারতে বাড়ছে মুসলিম নিগ্রহ: আন্তর্জাতিক প্যানেলের পক্ষ থেকে নিষেধাজ্ঞার দাবি

ভারতের উত্তরপ্রদেশ এবং আসাম রাজ্যে মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের ওপর পদ্ধতিগত মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে একটি উচ্চপর্যায়ের আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞ প্যানেল।  'প্যানেল অফ ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইন্টারন্যাশনাল এক্সপার্টস' (PIIE) তাদের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ২০২২ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে এই দুই রাজ্যে মুসলিমদের বিরুদ্ধে 'মানবতাবিরোধী অপরাধ' সংঘটিত হয়ে থাকতে পারে। বিশেষ করে আসামে মুসলিমদের ওপর নির্যাতনের মাত্রা ‘বর্ণবৈষম্য’ বা অ্যাপার্থাইড-এর পর্যায়ে পৌঁছেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। কিংস কলেজ লন্ডনের ডিকসন পুন স্কুল অফ ল-এর ট্রান্সন্যাশনাল লিগ্যাল ক্লিনিক থেকে প্রকাশিত এই প্রতিবেদনে জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক আদালতের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন তিনজন বিশেষজ্ঞ কাজ করেছেন।  প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আসামে বাঙালি মুসলিমদের লক্ষ্য করে নির্বিচারে হত্যা, উচ্ছেদ অভিযান, নাগরিকত্ব হরণ এবং নির্বাসনের মতো ঘটনা ঘটছে। আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মার উস্কানিমূলক বক্তব্যকে ‘জাতিগত নিধনের’ পটভূমি তৈরির প্রচেষ্টা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। অন্যদিকে, উত্তরপ্রদেশে পুলিশি এনকাউন্টার, বাড়িঘর বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া এবং নির্বিচারে গ্রেপ্তারের ঘটনাগুলোকে পদ্ধতিগত নিপীড়ন হিসেবে আখ্যা দিয়েছে প্যানেল। প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, ভারতের অভ্যন্তরীণ বিচার ব্যবস্থা ও প্রতিকারমূলক ব্যবস্থাগুলো মুসলিমদের নিরাপত্তা দিতে অনেকাংশেই ব্যর্থ হচ্ছে।  এমতাবস্থায়, প্যানেল জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিলকে ভারতের সংখ্যালঘু পরিস্থিতির ওপর নজরদারি করতে এবং দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপের আহ্বান জানিয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ১০, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

রেকর্ড গড়ে পৃথিবীর পথে আর্টেমিস-২: মহাকাশে নতুন ইতিহাস লিখলেন চার নভোচারী

নেপালের সাবেক প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা অলি। ছবি: সংগৃহীত

জেন জি হত্যা মামলা: ব্যক্তিগত বন্ডে জামিন পেলেন নেপালের সাবেক প্রধানমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত

ইরানের পারমাণবিক কেন্দ্রে কর্মী ফেরত পাঠাতে নারাজ রাশিয়া

ছবি: সংগৃহীত
“আমেরিকা কাউকে ফেলে আসে না”—ইরানে দুঃসাহসিক অভিযানে উদ্ধার মার্কিন কর্নেল

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের ভেতরে পরিচালিত এক দুঃসাহসিক সামরিক উদ্ধার অভিযানের বর্ণনা দিয়েছেন, যা ইতোমধ্যেই ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। হোয়াইট হাউসে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, “আমেরিকা কখনো তার কোনো সন্তানকে পেছনে ফেলে আসে না।”   গত শুক্রবার রাতে ইসফাহান-এর দক্ষিণে একটি এফ-১৫ই যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হয়। বিমানটির পাইলটকে দ্রুত উদ্ধার করা গেলেও অস্ত্র বিশেষজ্ঞ এক কর্নেল—যার কল সাইন ছিল “ডিউড ব্র্যাভো ৪৪”—শত্রুপূর্ণ এলাকায় গুরুতর আহত অবস্থায় বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন।   ট্রাম্প জানান, ওই কর্নেল একা হাতে টিকে থাকার লড়াই চালিয়ে যান। হাতে ছিল কেবল একটি হ্যান্ডগান, আর বিপরীতে ছিল ইরানের বিপ্লবী রক্ষীবাহিনী-এর সদস্যরা। তল্লাশিতে কুকুরও ব্যবহার করা হয়, কিন্তু তিনি কৌশলে স্থান পরিবর্তন করে পাহাড়ের দিকে উঠে যান এবং একটি পাথরের খাঁজে আশ্রয় নেন। রক্তক্ষরণ চললেও তিনি নিজেই প্রাথমিক চিকিৎসা নেন।   প্রায় ৩৬ ঘণ্টা পর তিনি রেডিওতে একটি সংক্ষিপ্ত বার্তা পাঠান—“God is good”। প্রথমে এই বার্তাকে সন্দেহজনক মনে হলেও পরে নিশ্চিত হওয়া যায় এটি ওই কর্নেলেরই পাঠানো সংকেত। এরপরই শুরু হয় পূর্ণমাত্রার উদ্ধার অভিযান।   মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানায়, এই অভিযানে মোট ১৫৫টি সামরিক বিমান অংশ নেয়, যার মধ্যে যুদ্ধবিমান, বোমারু বিমান, জ্বালানি সরবরাহকারী এবং উদ্ধারকারী বিমান ছিল। জন র‍্যাটক্লিফ বলেন, সিআইএ বিভ্রান্তিমূলক কৌশল ব্যবহার করে ইরানি বাহিনীকে বিভ্রান্ত রাখে এবং উন্নত প্রযুক্তির সহায়তায় কর্নেলের অবস্থান শনাক্ত করে।   অভিযানের শেষ পর্যায়ে একটি কৃষিজমিতে হেলিকপ্টার নামিয়ে উদ্ধার কার্যক্রম চালানো হয়। তবে ভেজা বালিতে বিমান আটকে পড়ায় পরিস্থিতি জটিল হয়ে ওঠে। তবুও বিকল্প পরিকল্পনা ব্যবহার করে সফলভাবে কর্নেলকে উদ্ধার করা হয়। বিস্ময়করভাবে, পুরো অভিযানে কোনো মার্কিন সেনা প্রাণ হারাননি, যদিও একটি হেলিকপ্টার গুলিবিদ্ধ হয়েছিল।   ড্যান কেইন, জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান, বলেন—এই অভিযানের সাফল্যের মূল ছিল ওই কর্নেলের বেঁচে থাকার অদম্য ইচ্ছাশক্তি। অন্যদিকে, প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ পুরো ঘটনাকে ইস্টার উইকেন্ডের সঙ্গে মিলিয়ে এক আবেগঘন বিবরণ দেন।   এই অভিযানকে মার্কিন সামরিক ইতিহাসের অন্যতম জটিল ও সাহসী উদ্ধার অভিযান হিসেবে দেখা হচ্ছে। ট্রাম্পের ভাষায়, এটি শুধু একটি সামরিক সাফল্য নয়—বরং একটি বার্তা, “আমরা কাউকে ফেলে আসি না।”

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ৯, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

হরমুজ প্রণালীতে ইরানের নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত; টোল দিতে হবে বিটকয়েনে!

ইসরায়েলে মার্কিন সামরিক সহায়তা বন্ধে বিল পাশ করাচ্ছেন  বার্নি স্যান্ডার্স

ইসরায়েলে মার্কিন সামরিক সহায়তা বন্ধে বিল পাশ করাচ্ছেন বার্নি স্যান্ডার্স

দীর্ঘ ৪০ দিন শেষে খুলে দেওয়া হলো পবিত্র আল-আকসা মসজিদের সব কটি প্রবেশদ্বার

দীর্ঘ ৪০ দিন শেষে খুলে দেওয়া হলো পবিত্র আল-আকসা মসজিদের সব কটি প্রবেশদ্বার

0 Comments