বাংলাদেশ

মাদারীপুরে গৃহবধুর মৃত্যুর পর বিক্ষুব্ধ জনতার হামলা ও অগ্নিসংযোগ

শাহারিয়া নয়ন মার্চ ৯, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

মাদারীপুর সদর উপজেলায় এক গৃহবধুর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে তাঁর শ্বশুরবাড়িতে ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। পরে পুলিশ ও সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

 

রোববার (৮ মার্চ) রাত ৯টার দিকে সদর উপজেলার পাঁচখোলা ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর মহিষেরচর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

 

স্থানীয়দের ভাষ্য, ওই এলাকার গোলাম বেপারীর ছেলে কাইয়ুম বেপারীর সঙ্গে একই গ্রামের ওহিদুল খাঁর মেয়ে সাথী আক্তারের প্রায় সাত মাস আগে বিয়ে হয়। বিয়ের তিন দিনের মাথায় জীবিকার তাগিদে কাইয়ুম বিদেশে চলে যান। এরপর থেকে সাথী আক্তার শ্বশুরবাড়িতেই বসবাস করছিলেন।

 

নিহতের পরিবারের অভিযোগ, স্বামীর অনুপস্থিতিতে শ্বশুরের পক্ষ থেকে সাথী আক্তারের ওপর মানসিক চাপ ও অনৈতিক প্রস্তাব দেওয়া হতো। এসব প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় রোববার সকালে তাঁকে শ্বাসরোধে হত্যা করে পরে মরদেহ ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে বলে দাবি পরিবারের সদস্যদের।

 

খবর পেয়ে পুলিশ সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ঘটনাস্থল থেকে সাথী আক্তারের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মাদারীপুর জেলা হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। ইতিমধ্যে ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

 

এ ঘটনার জেরে রাতে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী সাথীর শ্বশুরবাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও লুটপাট করে। একপর্যায়ে বসতঘরে আগুন ধরিয়ে দিলে দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ে।

 

খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে তার আগেই বাড়ির দোতলা ভবনসহ বেশির ভাগ অংশ পুড়ে যায়। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের দাবি, এতে প্রায় এক কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

 

মাদারীপুর ফায়ার সার্ভিসের পরিদর্শক শেখ আহাদুজ্জামান বলেন, খবর পাওয়ার পর ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, দাহ্য পদার্থ ব্যবহার করে আগুন লাগানো হয়েছে।

 

মাদারীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ বলেন, গৃহবধুর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে উত্তেজিত লোকজন শ্বশুরবাড়িতে আগুন দেয়। খবর পেয়ে সেনাবাহিনীর সহায়তায় পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

Advertisement

বাংলাদেশ

View more
ভারতে আটক ফয়সালের সঙ্গে সাক্ষাতের আবেদন বাংলাদেশের
ভারতে আটক ফয়সালের সঙ্গে সাক্ষাতের আবেদন বাংলাদেশের

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যাকাণ্ডের প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ ও তার সহযোগী আলমগীর হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে ভারতীয় পুলিশ। আটক ফয়সাল ও তার সহযোগীর সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য কনস্যুলার অ্যাক্সেস চেয়ে আবেদন জানিয়েছে কলকাতার বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন।   কলকাতার একটি কূটনৈতিক সূত্র জানায়, শনিবার দিবাগত রাতে বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁ এলাকায় অভিযান চালিয়ে ফয়সাল করিম মাসুদ ও তার সহযোগী আলমগীর হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের পর কলকাতায় বাংলাদেশ মিশন আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতীয় কর্তৃপক্ষের কাছে আটক দুজনের সঙ্গে কনস্যুলার সাক্ষাতের অনুমতি চেয়েছে।   সূত্রটি জানায়, আগামী সপ্তাহের মধ্যে এই সাক্ষাতের অনুমতি পাওয়া যেতে পারে।   রোববার পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, গোপন ও বিশ্বাসযোগ্য তথ্য ছিল বাংলাদেশে চাঁদাবাজি, হত্যাকাণ্ডসহ গুরুতর অপরাধ করার পর দুই বাংলাদেশি নাগরিক দেশ থেকে পালিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেছেন। সুযোগ পেলে তারা আবার বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বনগাঁ সীমান্ত এলাকায় আশ্রয় নেওয়ার চেষ্টা করছিলেন।   তথ্যের ভিত্তিতে শনিবার দিবাগত মধ্যরাতে অভিযান চালিয়ে বনগাঁ এলাকা থেকে দুই বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করা হয়। তারা হলেন পটুয়াখালীর রাহুল ওরফে ফয়সাল করিম মাসুদ এবং ঢাকার আলমগীর হোসেন।   সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে রাহুল ওরফে ফয়সাল করিম মাসুদ সহযোগী আলমগীর হোসেনকে সঙ্গে নিয়ে বাংলাদেশে রাজনৈতিক কর্মী শরীফ ওসমান হাদিকে হত্যা করে পালিয়ে যান। পরে তারা মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেন। ভারতের বিভিন্ন স্থানে ঘোরাফেরা করার পর শেষ পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁ এলাকায় আসেন। তাদের উদ্দেশ্য ছিল সুযোগ পেলে আবার বাংলাদেশে ফিরে যাওয়া।   স্পেশাল টাস্ক ফোর্স জানায়, এ ঘটনায় একটি মামলা করা হয়েছে। রোববার তাদের সংশ্লিষ্ট আদালতে হাজির করার পর পুলিশি হেফাজতে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে। গত বছরের ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর পুরানা পল্টনের কালভার্ট রোড এলাকায় রিকশায় থাকা অবস্থায় দুর্বৃত্তরা শরিফ ওসমান হাদিকে গুলি করে। মাথায় গুলি করার পর হামলাকারীরা মোটরসাইকেলে করে পালিয়ে যায়। পরে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর তার মৃত্যু হয়।   শরিফ ওসমান হাদি ঢাকা-৮ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন।

নিলুফা ইয়াসমিন মার্চ ৯, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

মাদারীপুরে গৃহবধুর মৃত্যুর পর বিক্ষুব্ধ জনতার হামলা ও অগ্নিসংযোগ

ছবি: সংগৃহীত

আদাবরে পুলিশের বিশেষ অভিযানে কৃষক লীগ নেতা জাহাঙ্গীর আলম গ্রেপ্তার

বিএনপির ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের হুইপ রকিবুল ইসলাম বকুল।

সব বিশ্ববিদ্যালয়ে আসছে ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্ব: রকিবুল ইসলাম

মোহাম্মদপুর থানা (ফাইল ছবি)
মোহাম্মদপুরে দুদক মহাপরিচালক ছিনতাইয়ের শিকার

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে ছিনতাইকারীর কবলে পড়েছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) অনুসন্ধান ও তদন্ত শাখা-২-এর মহাপরিচালক মো. মোতাহার হোসেন। শনিবার (৭ মার্চ) রাত ১১টার দিকে মোহাম্মদপুর রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজের পাশের ফুটপাতে এই ঘটনা ঘটে। এ সময় ছিনতাইকারীরা তাকে মারধর করে আহত করে।   ভুক্তভোগী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রাত ১১টার দিকে মো. মোতাহার হোসেন শহীদ ফারহান ফাইয়াজ চত্বর (নানক চত্বর) এলাকায় ফুটপাতে হাঁটছিলেন। এ সময় কয়েকজন ছিনতাইকারী দেশীয় ধারালো অস্ত্র নিয়ে তাকে ঘিরে ফেলে। পরে তাকে মারধর করে তার কাছে থাকা একটি আইফোন ৬ প্লাস, একটি আইফোন ১২ প্রো ম্যাক্স মডেলের মোবাইল ফোন, নগদ ১৫ হাজার টাকা এবং হাতে থাকা দামি ঘড়ি নিয়ে পালিয়ে যায়।   এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মহাপরিচালকের পক্ষ থেকে একজন সরকারি কর্মকর্তা বাদী হয়ে মোহাম্মদপুর থানায় মামলা দায়ের করেছেন।   তেজগাঁও বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) ইবনে মিজান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, মোহাম্মদপুরে দুদকের মহাপরিচালক ছিনতাইয়ের শিকার হয়েছেন এবং জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে।

তাবাস্সুম মার্চ ৮, ২০২৬ 0

চট্টগ্রামে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা, ভিডিও ভাইরাল

জ্বালানি তেল

আজ থেকে শুরু হচ্ছে জ্বালানি তেলের রেশনিং: কোন গাড়ি কত লিটার পাবে?

ছবি: সংগৃহীত

প্রশাসনের অভিযান দেখে পালানোর চেষ্টা, নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ধানখেতে উল্টে গেল ট্রাক্টর

শাহবাগ থানার ভেতরে মারধরের ঘটনা ঘটে। ছবি: সংগৃহীত
৭ মার্চের ভাষণ বাজানো নিয়ে রাতে শাহবাগ থানার সামনে উত্তেজনা

রাজধানীর শাহবাগ থানার সামনে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ বাজানোকে কেন্দ্র করে শনিবার রাতে শিক্ষার্থীদের দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এ সময় পাল্টাপাল্টি স্লোগান ও ধাক্কাধাক্কির ঘটনাও ঘটে।   এর আগে দুপুরে রাজধানীর চানখাঁরপুল মোড়ে সাউন্ড বক্সে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ বাজানোর অভিযোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদুল্লাহ হল শাখা ছাত্রলীগের (বর্তমানে নিষিদ্ধ) কর্মসংস্থান সম্পাদক আসিফ আহমেদসহ দুজনকে আটক করে পুলিশ। পরে তাঁদের শাহবাগ থানায় নিয়ে যাওয়া হয় এবং ঘটনাস্থল থেকে ব্যবহৃত সাউন্ড বক্সটিও জব্দ করা হয়।   আটকের প্রতিবাদে শনিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে শাহবাগ থানার সামনে আবার ভাষণ বাজানোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী শেখ তাসনিম আফরোজ ইমির নেতৃত্বে জাতীয় জাদুঘরের ফটকের সামনে একটি রিকশায় স্থাপিত সাউন্ড বক্সে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ বাজানো শুরু হয়। সেখানে কয়েকজন শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।   কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা জানান, আটক শিক্ষার্থীকে মুক্তি না দেওয়া পর্যন্ত তারা ভাষণ বাজানোর কর্মসূচি চালিয়ে যাবেন। এদিকে কর্মসূচির প্রতিবাদে ডাকসু ও জাতীয় ছাত্রশক্তির নেতাকর্মীরা শাহবাগ থানার সামনে পাল্টা অবস্থান নেন। এতে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয় এবং পাল্টাপাল্টি স্লোগান দিতে দেখা যায়।   একপর্যায়ে ডাকসুর কয়েকজন নেতা ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। পরে ভাষণ বাজানো রিকশাসহ ইমিকে শাহবাগ থানার ভেতরে নিয়ে যাওয়া হয়। এ সময় উত্তেজনার মধ্যে ইমির সঙ্গে থাকা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হল শাখা ছাত্রলীগের সহসম্পাদক আবদুল্লাহ আল মামুনকে মারধরের অভিযোগ ওঠে।   ডাকসু নেতা এ বি জুবায়ের বলেন, সাতই মার্চের ভাষণকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে মুক্তিযুদ্ধের নাম নিয়ে আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের চেষ্টা করা হচ্ছে। যাকে আটক করা হয়েছে, সে আওয়ামী লীগের চিহ্নিত কর্মী এবং জুলাইয়ের আন্দোলনে হামলার সঙ্গে জড়িত ছিল।   ঘটনার বিষয়ে শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামানের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। রাত একটার দিকে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত আবদুল্লাহ আল মামুন থানায় আটক ছিলেন। আগে থেকে আটক রয়েছেন আসিফ আহমেদ। কর্মসূচিতে অংশ নিতে আসা অন্যরা পরে সেখান থেকে চলে যান এবং ডাকসুর নেতারাও ক্যাম্পাসে ফিরে যান।

শাহারিয়া নয়ন মার্চ ৮, ২০২৬ 0
পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইশাক দার এবং ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি।

আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় একমত পাকিস্তান ও ইরান: দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রীর জরুরি আলাপ

ছবি: সংগৃহীত

মজুদ ১ লাখ টনের বেশি, আরও ২.৮০ লাখ টন ডিজেল আসছে

ছবি: সংগৃহীত

৭ মার্চের ভাষণ বাজানোকে ঘিরে শাহবাগে উত্তেজনা, দুজনকে আটক

0 Comments