সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার
বাংলাদেশ

চুয়াডাঙ্গায় জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয় ‘অবমুক্ত’, ছাত্রলীগের পতাকা উড়ানোর দাবি

Unknown প্রকাশ: মার্চ ২৬, ২০২৬ ১৯:৩৫
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ব্যানার ধরে আছেন কয়েকজন এবং একজনের হাতে জাতীয় ও আরেকজনের হাতে সাংগঠনিক পতাকা । ছবি: ভিডিও থেকে সংগৃহীত
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ব্যানার ধরে আছেন কয়েকজন এবং একজনের হাতে জাতীয় ও আরেকজনের হাতে সাংগঠনিক পতাকা । ছবি: ভিডিও থেকে সংগৃহীত

চুয়াডাঙ্গায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়কে ‘অবমুক্ত’ ঘোষণা করে এর সামনে সাংগঠনিক ও জাতীয় পতাকা উড়ানোর দাবি জানিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ। শুক্রবার (২৭ মার্চ) সকাল ১০টার দিকে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় ফেসবুক পেজে এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও প্রকাশ করা হয়।

 

১ মিনিট ২৪ সেকেন্ডের ভিডিওতে দেখা যায়, চুয়াডাঙ্গা পৌর ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ইমদাদুল হকের নেতৃত্বে পাঁচজন জেলা আওয়ামী লীগের ভাঙা কার্যালয়ের সামনে দাঁড়িয়ে আছেন। তাঁদের মধ্যে তিনজন হেলমেট পরা এবং একজনের হাতে জাতীয় পতাকা, আরেকজনের হাতে সাংগঠনিক পতাকা দেখা যায়। ব্যানারে শেখ মুজিবুর রহমান, শেখ হাসিনা ও সজীব ওয়াজেদ জয়ের ছবি এবং ‘শেখ হাসিনা আসবে, বাংলাদেশ হাসবে’ লেখা রয়েছে।

 

ভিডিওতে ইমদাদুল হক বলেন, “চুয়াডাঙ্গা জেলা ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে জেলা আওয়ামী লীগের অফিস অবমুক্ত করা হলো।” এরপর তিনি বিভিন্ন স্লোগান দেন, যেমন ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ এবং ‘শেখ হাসিনা বীরের বেশে, আসবে ফিরে বাংলাদেশে’।

 

চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রুহুল কবীর খান প্রথম আলোকে জানিয়েছেন, ভিডিওতে থাকা পাঁচজনের মধ্যে দুজনের পরিচয় নিশ্চিত করা গেছে। হেলমেট পরা তিনজনের শনাক্তকরণের চেষ্টা চলছে এবং তাঁদের গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চলছে।

 

ভিডিওটি ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় ফেসবুক পেজের পাশাপাশি ইমদাদুল হকের ব্যক্তিগত ফেসবুক পেজেও প্রকাশিত হয়েছে এবং বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন পেজে ছড়িয়ে পড়েছে।

 

প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানের পর শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটে। এর ছয় মাস পর ২০২৫ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয় ভেঙে ফেলেন। চুয়াডাঙ্গা জেলা শাখার আহ্বায়ক তানভীর ফয়সাল বলেন, “জেলা শাখার সদস্যসচিব রনি বিশ্বাসসহ অন্যান্যদের সঙ্গে আলোচনা করে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানানো হবে।”


© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

বাংলাদেশ

View more
ডায়রিয়ার বিরুদ্ধে জীবনরক্ষাকারী খাবার স্যালাইন, উদ্ভাবনে অন্যতম কারিগর বাংলাদেশি ডা. রফিকুল ইসলাম
ডায়রিয়ার বিরুদ্ধে জীবনরক্ষাকারী খাবার স্যালাইন, উদ্ভাবনে অন্যতম কারিগর বাংলাদেশি ডা. রফিকুল ইসলাম

একসময় ডায়রিয়া ও কলেরায় শরীর থেকে অতিরিক্ত পানি ও লবণ বেরিয়ে যাওয়ার ফলে অসংখ্য মানুষ, বিশেষ করে শিশুরা অকালে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ত। সেসময় রোগীদের হাসপাতালে নিয়ে শিরায় স্যালাইন দেওয়াই ছিল পানিশূন্যতা রোধের প্রধান চিকিৎসা ব্যবস্থা।   কিন্তু লবণ, চিনি ও বিশুদ্ধ পানির সঠিক মাত্রার মিশ্রণে তৈরি মুখে খাওয়ার স্যালাইন বা ওরাল রিহাইড্রেশন সলিউশন (ওআরএস) চিকিৎসাবিজ্ঞানের এই কঠিন পরিস্থিতিকে পুরোপুরি বদলে দেয় এবং এক অভাবনীয় বৈপ্লবিক পরিবর্তন নিয়ে আসে।   খাবার স্যালাইনের এই সহজ চিকিৎসাপদ্ধতির উন্নয়ন এবং বাংলাদেশে এর সফল প্রয়োগের পেছনে ডা. রফিকুল ইসলামসহ একাধিক দেশীয় গবেষকের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। পরবর্তীতে বাংলাদেশের এই যুগান্তকারী গবেষণা এবং মাঠপর্যায়ের বাস্তব অভিজ্ঞতা বিশ্বজুড়ে ওআরএস ব্যবহারে বড় ধরনের ভূমিকা পালন করে।   এই পদ্ধতিটি এতটাই কার্যকর ও সহজলভ্য যে, গুরুতর পানিশূন্যতার অনেক ক্ষেত্রে রোগীকে হাসপাতালে না নিয়েও খুব দ্রুত মুখে তরল এবং লবণ-চিনির মিশ্রণ খাইয়ে প্রাথমিক বিপদ থেকে রক্ষা করা সম্ভব হয়।   এই সহজ অথচ কার্যকরী সমাধানটির চূড়ান্ত স্বীকৃতি মিলেছিল আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও। ১৯৭৮ সালে বিশ্বের অন্যতম প্রভাবশালী ও মর্যাদাপূর্ণ চিকিৎসাবিজ্ঞান সাময়িকী ‘দ্য ল্যানসেট’ ওরাল রিহাইড্রেশন থেরাপিকে "বিংশ শতাব্দীর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উদ্ভাবন" হিসেবে আখ্যায়িত করেছিল।   আজ আমাদের ঘরে ঘরে যে খাবার স্যালাইনকে আমরা খুব সাধারণ একটি পানীয় বলে মনে করি, সেটিই একসময় বিশ্ব চিকিৎসাবিজ্ঞানে বিপ্লব ঘটিয়েছিল। স্বল্প খরচে কোটি কোটি মানুষের জীবন বাঁচানোর এই জাদুকরী সমাধানের পেছনে বাংলাদেশের গবেষণার অসামান্য অবদান তাই আমাদের জন্য সত্যিই এক বিরাট গর্বের বিষয়।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২৬ ১৩:৪২
কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীতে নোয়াখালীর শামীমা

কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীতে নোয়াখালীর শামীমা

মুর্শিদাবাদে ‘বাংলাদেশি’ সন্দেহে একই পরিবারের বাবা ও তিন ছেলে নিখোঁজ

ভারতের ভোটার তালিকায় নাম, তবু ‘বাংলাদেশি’ বলে বাবা-তিন ছেলেকে তুলে নিল পুলিশ

বিচারক হওয়ার স্বপ্ন পূরণ করে নতুন অধ্যায়ে চৈতি বিশ্বাস

পরামর্শ নিতে গিয়ে জজের সাথে প্রেম, বিয়ে, এবার বিচারক হওয়ার পথে চৈতি

নাটোরের লালপুরে ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার হওয়া পুলিশ কনস্টেবল আল-আমিন। ছবি: সংগৃহীত
নাটোরে ১০৬ পিস ইয়াবা ও নগদ টাকাসহ পুলিশ সদস্য গ্রেপ্তার

নাটোরের লালপুরে ১০৬ পিস ইয়াবাসহ এক পুলিশ কনস্টেবলসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার দিবাগত রাত পৌনে ২টার দিকে উপজেলার মোহরকয়া গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। পরে বুধবার তাদের আদালতে পাঠানো হলে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।   গ্রেপ্তার পুলিশ সদস্যের নাম আল আমিন, বয়স ২৩ বছর। তিনি রাজশাহী রেঞ্জের রিজার্ভ ফোর্সে কর্মরত এবং লালপুর উপজেলার পানসিপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। অন্য দুজন হলেন মোহরকয়া গ্রামের ওহিদুল মোল্লা, ৩২, এবং রাজশাহীর বাঘা উপজেলার আলাইপুর গ্রামের মুক্তার আলী, ৩৪।   লালপুর থানা পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মোহরকয়া গ্রামের ওহিদুল মোল্লার টিনশেড বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। সেখানে একটি কক্ষ থেকে তিনজনকে আটক করা হয়। পরে তাদের দেহ তল্লাশি ও ঘটনাস্থলে অনুসন্ধান চালিয়ে ১০৬ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।   অভিযানে মাদক বিক্রি ও পরিবহনে ব্যবহৃত দুটি মোটরসাইকেল এবং নগদ ৩২ হাজার টাকাও উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। তবে উদ্ধার করা এসব সামগ্রীর সঙ্গে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের সম্পৃক্ততার বিষয়টি মামলার তদন্ত ও পরবর্তী বিচারিক প্রক্রিয়ায় নির্ধারিত হবে।   লালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে। গ্রেপ্তার তিনজনকে আদালতে সোপর্দ করা হলে আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।   মাদক উদ্ধারের ঘটনায় পুলিশ এখন এর সঙ্গে আরও কেউ জড়িত কি না এবং উদ্ধার করা ইয়াবা কোথা থেকে সংগ্রহ করা হয়েছিল, তা তদন্ত করে দেখছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা অভিযোগের বিষয়ে আদালতে নিজেদের বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ পাবেন।    সূত্র: বাংলা টিভি

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২৬ ১০:৩৬
বাঁশখালীতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তার চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম

জুবাইদা রহমানও ফ্যামিলি কার্ড পাবেন, জানালেন প্রতিমন্ত্রী

পাসপোর্ট

পাসপোর্ট হারালেই এবার কড়াকড়ি, দ্বিতীয়বার থেকে গুনতে হবে অতিরিক্ত ১০ হাজার টাকা

অনার্সে ২.৯৩, গবেষণার অভিজ্ঞতাও ছিল না চীনে শুরু করে এখন বিশ্বের ৭ম বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি

অনার্সে ২.৯৩, গবেষণার অভিজ্ঞতাও ছিল না চীনে শুরু করে এখন বিশ্বের ৭ম বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি

বাবা-দাদার নামে থাকা জমির তথ্য মিলবে মোবাইলেই
বাবা-দাদার নামে থাকা জমির তথ্য মিলবে মোবাইলেই, যেভাবে খুঁজবেন জানুন

বাবা, দাদা বা পরিবারের অন্য সদস্যের নামে কোথায় কতটুকু জমি রয়েছে, তার প্রাথমিক তথ্য এখন স্মার্টফোন থেকেই খুঁজে দেখা যায়। ভূমি সেবা ডিজিটাল হওয়ায় ঘরে বসে অনলাইনে খতিয়ান ও দাগসংক্রান্ত তথ্য অনুসন্ধানের সুযোগ রয়েছে। তবে শুধু কারও নাম লিখে দেশের সব এলাকায় তাঁর নামে থাকা জমির পূর্ণাঙ্গ তালিকা পাওয়া যাবে, এমনটি ধরে নেওয়া ঠিক নয়। জমির রেকর্ড নির্দিষ্ট এলাকা, খতিয়ান ও দাগের সঙ্গে যুক্ত থাকে। আরটিভির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।   জমির তথ্য খুঁজতে প্রথমে স্মার্টফোনের ক্রোম ব্রাউজারে গিয়ে ই-পর্চা সার্চ করতে হবে। এরপর সরকারি ই-পর্চা সেবায় প্রবেশ করে খতিয়ান অনুসন্ধানের অপশন নির্বাচন করতে হবে। সেখানে বিভাগ, জেলা, উপজেলা ও মৌজার মতো প্রয়োজনীয় তথ্য নির্বাচন করার পর খতিয়ানের ধরন নির্ধারণ করতে হবে।   রেকর্ড অনুযায়ী বিএস, সিএস, আরএস বা এসএ খতিয়ানের তথ্য পাওয়া যেতে পারে। এরপর খতিয়ান নম্বর, দাগ নম্বর অথবা মালিকের নাম ব্যবহার করে সংশ্লিষ্ট জমির তথ্য অনুসন্ধান করা যায়। প্রয়োজনীয় তথ্য দেওয়ার পর ক্যাপচা পূরণ করে অনুসন্ধান সম্পন্ন করতে হয়।   অনুসন্ধানের পর পাওয়া রেকর্ডে জমির মালিকের নাম, দাগ ও খতিয়ানসংক্রান্ত তথ্য এবং জমির পরিমাণ সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা পাওয়া যেতে পারে। ফলে জমির অবস্থান বা রেকর্ড সম্পর্কে প্রাথমিকভাবে জানতে অনেক ক্ষেত্রে সরাসরি ভূমি অফিসে যাওয়ার প্রয়োজন হয় না।   খতিয়ানের কপি প্রয়োজন হলে অনলাইনেই আবেদন করার সুযোগ রয়েছে। এ ক্ষেত্রে জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর, জন্মতারিখ, ই-মেইল, ঠিকানা ও মোবাইল নম্বরসহ প্রয়োজনীয় তথ্য দিতে হতে পারে। নির্ধারিত সরকারি ফি থাকলে অনুমোদিত পেমেন্ট ব্যবস্থার মাধ্যমে তা পরিশোধ করা যায়। ভূমি মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, খতিয়ানের অনলাইন কপি পাওয়ার জন্য নির্ধারিত ফি ১০০ টাকা।   তবে অনলাইনে পাওয়া তথ্যকে চূড়ান্ত মালিকানার প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা উচিত নয়। জমি কেনাবেচা, উত্তরাধিকার বা মালিকানা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে খতিয়ান, দলিল, নামজারি এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট নথি যাচাই করা জরুরি। বিশেষ করে পুরোনো জমির ক্ষেত্রে বিভিন্ন সময়ের খতিয়ানে তথ্য পরিবর্তিত থাকতে পারে।   ভূমি মন্ত্রণালয়ের ডিজিটাল সেবার আওতায় খতিয়ান ও অন্যান্য ভূমি-সংক্রান্ত সেবা অনলাইনে দেওয়ার ব্যবস্থা ধীরে ধীরে সম্প্রসারিত হয়েছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, অনলাইনে পাওয়া কিউআর কোডযুক্ত খতিয়ানও যাচাইয়ের ব্যবস্থা রয়েছে। তাই বাবা-দাদা বা পরিবারের কারও জমির তথ্য খোঁজার ক্ষেত্রে অনলাইন অনুসন্ধানকে প্রাথমিক যাচাইয়ের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করা যায়, তবে মালিকানা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সব বৈধ নথি মিলিয়ে দেখা প্রয়োজন।   সূত্র: আরটিভি

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২৬ ১:৫৮
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস।

বিমানের বহরে বড় চমক, ১১ বোয়িং কেনার পথে বাংলাদেশ; দরজায় ১০ এয়ারবাসের প্রস্তাবও

মেট্রোরেল

চলন্ত মেট্রোরেলে অপারেটর কেবিনের দরজার তালা খুলে বিপত্তি, ২৬ মিনিট বন্ধ ট্রেন চলাচল

দেশেই বিনামূল্যে চিকিৎসা পেলেন নারী

বিদেশে লিভার ট্রান্সপ্লান্টে খরচ ৫০ লাখ টাকা, দেশেই বিনামূল্যে চিকিৎসা পেলেন নারী

0 Comments