তথ্যপ্রযুক্তি

এআই চাহিদায় চিপের দাম বেড়েছে, বাড়তে পারে আইফোনসহ অ্যাপলের পণ্যের দাম

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুন ১৮, ২০২৬ ৫:৯
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বজুড়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির দ্রুত বিস্তারের প্রভাব এবার সরাসরি ভোক্তা পর্যায়ে পৌঁছাতে যাচ্ছে। প্রযুক্তি জায়ান্ট অ্যাপল জানিয়েছে, মেমোরি চিপের মূল্য অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় তাদের বিভিন্ন পণ্যের দাম বাড়ানো প্রায় অনিবার্য হয়ে উঠেছে।

 

যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী দৈনিক ওয়াল স্ট্রিট জার্নালকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে অ্যাপলের বিদায়ী প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা টিম কুক বলেন, প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন ধরে অতিরিক্ত ব্যয় নিজস্বভাবে বহনের চেষ্টা করেছে। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতি আর টেকসই নয়।

 

কুক বলেন, “আমরা গ্রাহকদের ওপর মূল্যবৃদ্ধির চাপ না দিতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি। কিন্তু সরবরাহ সংকট এবং মেমোরি চিপের লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধির কারণে পরিস্থিতি এখন অসহনীয় পর্যায়ে পৌঁছেছে।”

তবে ঠিক কবে থেকে দাম বাড়ানো হবে বা কোন কোন পণ্যের ক্ষেত্রে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে, সে বিষয়ে তিনি নির্দিষ্ট কোনো তথ্য দেননি। ফলে আগামী সেপ্টেম্বরে বাজারে আসার সম্ভাব্য আইফোন ১৮ সিরিজের দামও বাড়বে কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

 

বিশ্লেষকদের মতে, স্মার্টফোন, ল্যাপটপ এবং অন্যান্য স্মার্ট ডিভাইসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো মেমোরি চিপ। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে এআইভিত্তিক ডেটা সেন্টার, উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন সার্ভার এবং উন্নত কম্পিউটিং অবকাঠামোর ব্যাপক চাহিদার কারণে এসব চিপের বাজারে বড় ধরনের চাপ তৈরি হয়েছে।

 

বাজার সংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের অক্টোবরের পর থেকে র‍্যামের দাম দ্বিগুণেরও বেশি বেড়েছে। একই সময়ে উৎপাদন ব্যয়ও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

এদিকে মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতাও চিপ শিল্পে নতুন সংকট তৈরি করেছে। বিশেষ করে ইরান যুদ্ধের কারণে বৈশ্বিক হিলিয়াম সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে বলে শিল্প বিশ্লেষকরা জানিয়েছেন। সেমিকন্ডাক্টর বা চিপ তৈরির প্রক্রিয়ায় হিলিয়াম একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হওয়ায় এর সংকট উৎপাদন ব্যয় আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

 

বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান ওমডিয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৬ সালে বিশ্বব্যাপী স্মার্টফোনের গড় বিক্রয়মূল্য প্রায় ২০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে, যা হবে ইতিহাসের সর্বোচ্চ পর্যায়।

 

ওমডিয়ার স্মার্টফোন বাজার বিশ্লেষক চিউ লে জুয়ান বিবিসিকে বলেন, অ্যাপলের নতুন প্রজন্মের স্মার্টফোনে উন্নত এআই সুবিধা যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সে কারণে আইফোন ১৭ সিরিজের তুলনায় নতুন মডেলগুলোর দাম সর্বোচ্চ ১৫০ ডলার পর্যন্ত বেশি হতে পারে।

 

তিনি আরও বলেন, উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় অনেক স্মার্টফোন নির্মাতা ইতোমধ্যে পণ্যের দাম বাড়িয়েছে, বিভিন্ন প্রচারমূলক ছাড় কমিয়েছে অথবা খরচ নিয়ন্ত্রণে কিছু ফিচার সীমিত করেছে। তার ভাষায়, “এটি সাময়িক মূল্যবৃদ্ধি নয়, বরং প্রযুক্তি খাতের নতুন বাস্তবতা।”

 

শুধু অ্যাপল নয়, বিশ্বের অন্যান্য বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানও একই ধরনের চাপের কথা জানিয়েছে। বিশ্বের সবচেয়ে বড় চুক্তিভিত্তিক চিপ নির্মাতা তাইওয়ান সেমিকন্ডাক্টর ম্যানুফ্যাকচারিং কোম্পানি (টিএসএমসি) সম্প্রতি ইঙ্গিত দিয়েছে যে উৎপাদন ব্যয় বাড়তে থাকলে তারাও মূল্য সমন্বয়ের পথে যেতে পারে।

 

টিএসএমসি অ্যাপল, এনভিডিয়া এবং এএমডির মতো প্রতিষ্ঠানের জন্য অত্যাধুনিক চিপ তৈরি করে থাকে। অন্যদিকে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান স্যামসাংও আগে জানিয়েছিল, মেমোরি চিপের সরবরাহ সংকটের কারণে ভবিষ্যতে ইলেকট্রনিক পণ্যের দাম আরও বাড়তে পারে।

 

সাম্প্রতিক মাসগুলোতে সনি তাদের প্লেস্টেশন ৫ কনসোলের দাম যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রে বাড়িয়েছে। একইভাবে বাজার পরিস্থিতির পরিবর্তনের কথা উল্লেখ করে নিনটেন্ডোও তাদের সুইচ ২ গেমিং কনসোলের মূল্য বৃদ্ধির ঘোষণা দিয়েছে।

এদিকে গত বছরের সেপ্টেম্বরে বাজারে আসা আইফোন ১৭ সিরিজের বিক্রি এখনো শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে। বিশেষ করে চীনে চাহিদা বৃদ্ধির কারণে ২০২৬ সালের প্রথম তিন মাসে অ্যাপলের ডিভাইস বিক্রি আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৭ শতাংশ বেড়েছে।

 

চলতি বছরের শুরুতে অ্যাপল তাদের জনপ্রিয় ম্যাক মিনি কম্পিউটারের সবচেয়ে কমদামি সংস্করণ বাজার থেকে সরিয়ে নেয়। এর ফলে ডিভাইসটির প্রারম্ভিক মূল্য প্রায় ২০০ ডলার পর্যন্ত বেড়ে যায়।

বিশ্লেষকদের ধারণা, চিপ সংকট ও এআই প্রতিযোগিতা অব্যাহত থাকলে আগামী কয়েক বছরে স্মার্টফোন, কম্পিউটার এবং অন্যান্য প্রযুক্তিপণ্যের দাম আরও বাড়তে পারে। ফলে নতুন প্রযুক্তির সুবিধা পেতে ভোক্তাদের আগের চেয়ে বেশি খরচ করতে হতে পারে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

তথ্যপ্রযুক্তি

View more
গুগল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (এআই) ছবি তৈরির ফিচার
গুগল আর্থে এআই ছবি তৈরির ফিচার চালুর ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই বন্ধ

ব্যবহারকারীদের অপব্যবহার ও ভুয়া ছবি তৈরির আশঙ্কায় গুগল তাদের নতুন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (এআই) ছবি তৈরির ফিচার চালুর মাত্র এক দিনের মধ্যেই স্থগিত করেছে। গুগল আর্থে যুক্ত হওয়া এই পরীক্ষামূলক সুবিধাটি বাস্তব স্থানের ওপর কৃত্রিমভাবে তৈরি অত্যন্ত বাস্তবসম্মত ছবি বসানোর সুযোগ দিচ্ছিল, যা দ্রুতই ভুল তথ্য ছড়ানোর ঝুঁকি তৈরি করে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্ডিপেনডেন্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গুগল আর্থে যুক্ত হওয়া নতুন এআই ফিচারটি ব্যবহার করে টেক্সট নির্দেশনার মাধ্যমে নির্দিষ্ট স্থানের স্যাটেলাইট ও থ্রিডি দৃশ্যের ওপর নতুন ছবি তৈরি করা যাচ্ছিল। তবে চালুর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ব্যবহারকারীরা যুদ্ধ, বিস্ফোরণ, শরণার্থী শিবির, বন্যা এবং বিভিন্ন দুর্যোগের কাল্পনিক দৃশ্য তৈরি করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়াতে শুরু করেন।     এরপর নিরাপত্তা বিশ্লেষক, ওপেন-সোর্স ইন্টেলিজেন্স (ওএসআইএনটি) গবেষক এবং তথ্য যাচাইকারী বিশেষজ্ঞরা উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তাদের মতে, গুগল আর্থের মতো দীর্ঘদিনের নির্ভরযোগ্য প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের প্রযুক্তি যুক্ত হলে বাস্তব ও কৃত্রিম ছবির পার্থক্য করা কঠিন হয়ে পড়তে পারে এবং ভুয়া তথ্য শনাক্ত করাও আরও জটিল হবে।  সমালোচনার মুখে গুগল জানায়, তারা জানে মানুষ বাস্তব পৃথিবীর নির্ভরযোগ্য চিত্র দেখার জন্য গুগল আর্থের ওপর আস্থা রাখে। যদিও অনেক ভূ-তথ্য বিশেষজ্ঞ ইতিবাচক কাজে এই ফিচার ব্যবহার করছিলেন, তবুও কিছু ব্যবহারকারী এমন ছবি তৈরি ও শেয়ার করেছেন যা প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা লঙ্ঘন করতে পারে। তাই অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা যুক্ত না হওয়া পর্যন্ত ফিচারটি সাময়িকভাবে প্রত্যাহার করা হয়েছে।  গুগল আরও জানিয়েছে, এআই দিয়ে তৈরি ছবিগুলো মূল গুগল আর্থের মানচিত্র বা স্যাটেলাইট চিত্রের অংশ ছিল না এবং প্রতিটি ছবিতে এআই-উৎপাদিত হওয়ার ডিজিটাল ওয়াটারমার্ক যুক্ত ছিল। তবুও এসব ছবি স্ক্রিনশট আকারে সহজেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তে পারায় বিভ্রান্তির আশঙ্কা তৈরি হয়।      প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের মতে, জেনারেটিভ এআই দ্রুত উন্নত হওয়ায় বাস্তবসম্মত ভুয়া ছবি তৈরি আগের তুলনায় অনেক সহজ হয়েছে। ফলে সাংবাদিকতা, দুর্যোগ পর্যবেক্ষণ, যুদ্ধ পরিস্থিতি বিশ্লেষণ এবং তথ্য যাচাইয়ের মতো ক্ষেত্রে নির্ভরযোগ্য ভিজ্যুয়াল তথ্য সংরক্ষণ এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। গুগলের এই সিদ্ধান্ত দেখায়, উদ্ভাবনী প্রযুক্তি চালুর পাশাপাশি ভুল তথ্য প্রতিরোধে কার্যকর সুরক্ষা ব্যবস্থাও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: আগস্ট ১, ২০২৬ ২৩:৯
অ্যাপল পে ও অ্যাপল ক্যাশে বিভ্রাট, লেনদেনে ভোগান্তিতে হাজারো ব্যবহারকারী

অ্যাপল পে ও অ্যাপল ক্যাশে বিভ্রাট, লেনদেনে ভোগান্তিতে হাজারো ব্যবহারকারী

ইলন মাস্কের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে চালু হলো আর্থিক সেবা ‘এক্স মানি’। ছবি: সংগৃহীত

ব্যাংক চালু করলেন ইলন মাস্ক সাথে ‘এক্স মানি’, ডেবিট কার্ডসহ আর্থিক সেবা

কানাডার সাবেক প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো এবং জনপ্রিয় মার্কিন পপ তারকা কেটি পেরি

রোমান্টিক সময় কাটাচ্ছেন ট্রুডো-কেটি, আলোচনায় সানস্ক্রিন মাখানোর ছবি

অ্যাপলের সর্বশেষ আপডেটে থাকছে বড় চমক
এখনই আইফোন আপডেট করুন, অ্যাপলের সর্বশেষ আপডেটে থাকছে বড় চমক

অ্যাপলের আইফোন ব্যবহারকারীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি নতুন সফটওয়্যার আপডেট প্রকাশ করেছে, যেখানে ডিভাইসের নিরাপত্তা জোরদার করতে একাধিক ত্রুটি সংশোধন করা হয়েছে। ব্যবহারকারীদের দ্রুত আপডেট ইনস্টল করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।   প্রতিবেদন অনুযায়ী, অ্যাপলের নতুন আপডেটে এমন কিছু নিরাপত্তা দুর্বলতা ঠিক করা হয়েছে, যেগুলো ব্যবহার করে ক্ষতিকর সফটওয়্যার বা হ্যাকাররা আইফোনের গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের ওপর আক্রমণ চালানোর সুযোগ পেতে পারে।   অ্যাপল নিয়মিতভাবে আইওএস আপডেটের মাধ্যমে নিরাপত্তা ত্রুটি সমাধান করে থাকে। তবে অনেক ব্যবহারকারী নতুন আপডেট আসার পরও তা ইনস্টল করতে দেরি করেন, যা তাদের ডিভাইসকে সম্ভাব্য ঝুঁকির মধ্যে ফেলতে পারে।   প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু নতুন ফিচারের জন্য নয়, নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেও সফটওয়্যার আপডেট করা গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে আইফোনে ব্যক্তিগত তথ্য, ব্যাংকিং তথ্য, ছবি ও গুরুত্বপূর্ণ নথি সংরক্ষিত থাকায় নিরাপত্তা ঝুঁকি এড়াতে আপডেট উপেক্ষা করা উচিত নয়।   ব্যবহারকারীরা আইফোনের সেটিংস অপশনে গিয়ে সফটওয়্যার আপডেট  বিভাগ থেকে নতুন আপডেট উপলব্ধ আছে কি না তা পরীক্ষা করতে পারবেন। অ্যাপল ব্যবহারকারীদের সর্বশেষ সংস্করণ ব্যবহার করার পরামর্শ দিয়েছে, যাতে ডিভাইস নিরাপদ থাকে।    নিয়মিত সফটওয়্যার আপডেট, শক্তিশালী পাসকোড ব্যবহার এবং অপরিচিত লিংক এড়িয়ে চলা স্মার্টফোন নিরাপদ রাখার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপায়।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুলাই ২৯, ২০২৬ ০:২৩
অ্যাপলের পরবর্তী প্রজন্মের ফ্লেগশিপ স্মার্টফোন আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্স নিয়ে প্রযুক্তি বিশ্বে জোর আলোচনা চলছে। ছবি: সংগৃহীত

আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্সে নতুন ফিচারের ছড়াছড়ি

২০১৫ সালে গুগলের সাময়িক ত্রুটির কারণে মাত্র ১২ ডলারে মূল ডোমেইন গুগল ডটকম কিনে সবাইকে অবাক করেছিলেন সন্ময় বেদ। ছবি: সংগৃহীত

মাত্র ১২ ডলারে গুগল ডটকম কিনে সবাইকে অবাক করেছিলেন এক তরুণ

ফেসবুকে ভুয়া অ্যাকাউন্ট ও প্রতারণা রোধে ফ্রি ভেরিফিকেশন ব্যাজ দেওয়ার বড় পদক্ষেপ নিল মেটা। ছবি: সংগৃহীত

মেটা নিয়ে এল ফ্রি ভেরিফিকেশন ব্যাজ, বাড়ছে ফেসবুকের নিরাপত্তা

এমআইটির ফ্রি জেনারেটিভ AI কোর্স, ৯ লেকচারে শিখুন ChatGPT থেকে রোবোটিক্স
এমআইটির ফ্রি জেনারেটিভ AI কোর্স, ৯ লেকচারে শিখুন ChatGPT থেকে রোবোটিক্স

এমআইটির ৯ লেকচারে জেনারেটিভ এআই শেখার সুযোগ, উন্মুক্ত হলো পূর্ণাঙ্গ ভিডিও কোর্স   কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্রুত পরিবর্তনশীল জগৎ সম্পর্কে শিক্ষার্থী ও প্রযুক্তিপ্রেমীদের ধারণা দিতে ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির একটি পূর্ণাঙ্গ ভিডিও কোর্স অনলাইনে উন্মুক্ত রয়েছে। ‘ফাউন্ডেশন মডেলস অ্যান্ড জেনারেটিভ এআই’ শিরোনামের কোর্সটিতে মোট নয়টি লেকচারের মাধ্যমে জেনারেটিভ এআইয়ের প্রাথমিক ধারণা থেকে শুরু করে ChatGPT, লার্জ ল্যাঙ্গুয়েজ মডেল, ছবি তৈরি, জীববিজ্ঞান, রোবোটিক্স, নৈতিকতা ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা পর্যন্ত বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরা হয়েছে।   এমআইটি ওপেনকোর্সওয়্যারের তথ্য অনুযায়ী, ৬.এস০৮৭ নম্বরের কোর্সটি ২০২৪ সালের জানুয়ারির ইন্ডিপেনডেন্ট অ্যাকটিভিটিজ পিরিয়ডে পড়ানো হয়। কোর্সটির প্রশিক্ষক ছিলেন এমআইটির গবেষক রিকার্ড গ্যাব্রিয়েলসন। এটি মূলত একটি নন-টেকনিক্যাল লেকচার সিরিজ। ফলে কম্পিউটার বিজ্ঞান বা প্রোগ্রামিংয়ে গভীর অভিজ্ঞতা না থাকলেও আগ্রহীরা সহজে কোর্সটি অনুসরণ করতে পারবেন। ([MIT OpenCourseWare][1])   কোর্সের আলোচনায় ChatGPT, Copilot, DALL-E, Stable Diffusion, AlphaFold এবং স্বয়ংক্রিয় গাড়ির মতো বহুল আলোচিত প্রযুক্তির পেছনে থাকা ফাউন্ডেশন মডেল ও জেনারেটিভ এআইয়ের কার্যপ্রণালি ব্যাখ্যা করা হয়েছে। পাশাপাশি সুপারভাইজড লার্নিং, রিইনফোর্সমেন্ট লার্নিং, সেলফ-সুপারভাইজড লার্নিং, নিউরাল নেটওয়ার্ক, অটো-এনকোডার, কনট্রাস্টিভ লার্নিং এবং ডিফিউশন মডেলের মতো বিষয়ও সহজ ভাষায় তুলে ধরা হয়েছে। ([Future of AI][2])   প্রথম লেকচার: জেনারেটিভ এআই ও ফাউন্ডেশন মডেলের পরিচিতি   প্রথম লেকচারে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সংক্ষিপ্ত ইতিহাসের পাশাপাশি জেনারেটিভ এআই ও ফাউন্ডেশন মডেলের মৌলিক ধারণা উপস্থাপন করা হয়েছে। প্রচলিত এআই ব্যবস্থা এবং আধুনিক জেনারেটিভ মডেলের মধ্যে পার্থক্য কী, একটি মডেল কীভাবে বিপুল পরিমাণ তথ্য থেকে সাধারণ প্যাটার্ন শেখে এবং পরে বিভিন্ন কাজে ব্যবহারযোগ্য হয়ে ওঠে—এসব প্রশ্নের প্রাথমিক উত্তর পাওয়া যাবে এই পর্বে।   লিংক: [https://youtu.be/y1fGlAECNFM](https://youtu.be/y1fGlAECNFM)   দ্বিতীয় লেকচার: প্রযুক্তিটি যেভাবে কাজ করে   দ্বিতীয় লেকচারে ফাউন্ডেশন মডেল ও জেনারেটিভ এআইয়ের ভেতরের প্রযুক্তিগত কার্যপ্রণালি ব্যাখ্যা করা হয়েছে। ডেটা, মেশিন লার্নিং, মডেল প্রশিক্ষণ এবং সেলফ-সুপারভাইজড লার্নিংয়ের মাধ্যমে একটি এআই ব্যবস্থা কীভাবে নতুন দক্ষতা অর্জন করে, তা তুলনামূলক সহজভাবে তুলে ধরা হয়েছে। প্রযুক্তিটির ভিত্তি সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা তৈরিতে এই লেকচারটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।   লিংক: [https://youtu.be/D-pLXkS21fM](https://youtu.be/D-pLXkS21fM)   তৃতীয় লেকচার: ChatGPT ও লার্জ ল্যাঙ্গুয়েজ মডেল   এই পর্বে ChatGPT এবং লার্জ ল্যাঙ্গুয়েজ মডেল বা এলএলএমের কার্যপ্রণালি আলোচনা করা হয়েছে। একটি ভাষা মডেল কীভাবে মানুষের লেখা বিশ্লেষণ করে, শব্দের পরবর্তী সম্ভাব্য বিন্যাস অনুমান করে এবং প্রশ্নের উত্তর, সারসংক্ষেপ, অনুবাদ কিংবা নতুন লেখা তৈরি করে—তা ব্যাখ্যা করা হয়েছে। ডিজিটাল যোগাযোগ, শিক্ষা, গবেষণা ও কর্মক্ষেত্রে এসব মডেলের প্রভাবও আলোচনায় এসেছে।   লিংক: [https://youtu.be/RVFj88i63rU](https://youtu.be/RVFj88i63rU)   চতুর্থ লেকচার: এআই দিয়ে ছবি তৈরি   চতুর্থ লেকচারের বিষয় ইমেজ জেনারেশন। DALL-E, Stable Diffusion ও Midjourney-এর মতো ব্যবস্থা লিখিত নির্দেশনা থেকে কীভাবে নতুন ছবি তৈরি করে, তার পেছনের ধারণা এখানে তুলে ধরা হয়েছে। ডিফিউশন মডেল, প্রশিক্ষণ ডেটা, টেক্সট ও ছবির মধ্যে সম্পর্ক এবং প্রম্পটের ভূমিকা বুঝতে আগ্রহীদের জন্য এই পর্বটি কার্যকর হতে পারে।   লিংক: [https://youtu.be/oTfXBw_Wnrw](https://youtu.be/oTfXBw_Wnrw)   পঞ্চম লেকচার: জেনারেটিভ এআইয়ের ইকোসিস্টেম   জেনারেটিভ এআই কেবল একটি অ্যাপ বা সফটওয়্যার নয়; এর সঙ্গে ডেটা, কম্পিউটিং অবকাঠামো, চিপ নির্মাতা, ক্লাউড পরিষেবা, গবেষণা প্রতিষ্ঠান, মডেল নির্মাতা, সফটওয়্যার ডেভেলপার ও ব্যবহারকারীদের একটি বড় নেটওয়ার্ক যুক্ত। পঞ্চম লেকচারে এই বিস্তৃত ইকোসিস্টেমের প্রযুক্তিগত, সামাজিক ও বাণিজ্যিক দিক ব্যাখ্যা করা হয়েছে।   লিংক: [https://youtu.be/IWPo4pV6Jpo](https://youtu.be/IWPo4pV6Jpo)   ষষ্ঠ লেকচার: জীববিজ্ঞানে জেনারেটিভ এআই   এই লেকচারে জীববিজ্ঞান ও চিকিৎসাবিজ্ঞান গবেষণায় জেনারেটিভ এআইয়ের ব্যবহার তুলে ধরা হয়েছে। প্রোটিনের গঠন ও কার্যকারিতা বিশ্লেষণ, জিনগত তথ্য বোঝা, সম্ভাব্য ওষুধের অণু শনাক্ত করা এবং ড্রাগ ডিসকভারির প্রক্রিয়া দ্রুত করার ক্ষেত্রে এআইয়ের সম্ভাবনা এখানে আলোচিত হয়েছে। অতিথি বক্তা হিসেবে লেকচারটি দিয়েছেন এমআইটির অধ্যাপক মানোলিস কেলিস। ([YouTube][3])   লিংক: [https://youtu.be/pHzdw6YWB9I](https://youtu.be/pHzdw6YWB9I)   সপ্তম লেকচার: রোবোটিক্স ও স্বায়ত্তশাসিত ব্যবস্থা   সেলফ-ড্রাইভিং গাড়ি, স্বয়ংক্রিয় রোবট এবং বিভিন্ন স্বায়ত্তশাসিত ব্যবস্থা চারপাশের পরিবেশ পর্যবেক্ষণ করে কীভাবে সিদ্ধান্ত নেয়, তা সপ্তম লেকচারের মূল বিষয়। বাস্তব জগতের পরিবর্তনশীল পরিস্থিতিতে একটি এআই ব্যবস্থা কীভাবে সম্ভাব্য ফলাফল বিবেচনা করে কাজ নির্বাচন করতে পারে, সেটিও এখানে ব্যাখ্যা করা হয়েছে।   লিংক: [https://youtu.be/ucfAlovLN-U](https://youtu.be/ucfAlovLN-U)   অষ্টম লেকচার: নৈতিকতা ও দায়িত্বশীল এআই   জেনারেটিভ এআইয়ের সক্ষমতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভুল তথ্য, পক্ষপাত, গোপনীয়তা, কপিরাইট, ডিপফেক, নিরাপত্তা এবং প্রযুক্তির অপব্যবহার নিয়ে উদ্বেগও বাড়ছে। অষ্টম লেকচারে এসব নৈতিক চ্যালেঞ্জের পাশাপাশি দায়িত্বশীলভাবে এআই তৈরি ও ব্যবহারের গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।   লিংক: [https://youtu.be/VBHmEwr7kf0](https://youtu.be/VBHmEwr7kf0)   নবম লেকচার: বিশেষজ্ঞদের প্যানেল আলোচনা   শেষ লেকচারে বিশেষজ্ঞদের অংশগ্রহণে জেনারেটিভ এআইয়ের বর্তমান অবস্থা, ভবিষ্যৎ প্রবণতা, সম্ভাব্য পরিবর্তন এবং বিভিন্ন খাতের ওপর এর প্রভাব নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। কর্মসংস্থান, শিক্ষা, গবেষণা, ব্যবসা ও সামাজিক জীবনে এআই কী ধরনের সুযোগ ও চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে, সে বিষয়ে বিভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি পাওয়া যাবে এই পর্বে।   লিংক: [https://youtu.be/ewnBsnr7QRA](https://youtu.be/ewnBsnr7QRA)   কোর্সটি ধারাবাহিকভাবে অনুসরণ করলে একজন নতুন শিক্ষার্থী প্রথমে জেনারেটিভ এআইয়ের ভিত্তি বুঝতে পারবেন এবং পরে এর বিশেষায়িত প্রয়োগ, সীমাবদ্ধতা ও নৈতিক দিক সম্পর্কে ধারণা নিতে পারবেন। প্রযুক্তিগত দক্ষতার পাশাপাশি এআইয়ের সামাজিক প্রভাব বোঝার সুযোগ থাকায় কোর্সটি শিক্ষার্থী, শিক্ষক, গবেষক, উদ্যোক্তা, কনটেন্ট নির্মাতা ও বিভিন্ন খাতের পেশাজীবীদের জন্য একটি কার্যকর প্রাথমিক শেখার গাইড হতে পারে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুলাই ২৬, ২০২৬ ১:৪৫
আইফোন ১৭ প্রো কিনতে বিভিন্ন দেশে প্রয়োজনীয় কর্মদিবসের হিসাবে বড় বৈষম্য উঠে এসেছে নতুন সূচকে। ছবি: সংগৃহীত

আইফোন ১৭ প্রো কিনতে সুইজারল্যান্ডে ৩ দিন! কোথাও ৫৪০ দিনের আয়ের প্রয়োজন

অ্যাপলের সবচেয়ে দামি আইফোন হতে যাচ্ছে ১৮ প্রো ম্যাক্স

অ্যাপলের সবচেয়ে দামি আইফোন হতে যাচ্ছে ১৮ প্রো ম্যাক্স

এআই মানুষ। ছবি:সংগৃহীত

কোন নির্দেশ ছাড়াই এক এআই হ্যাক করল আরেক এআই কে

0 Comments