তথ্যপ্রযুক্তি

শিশুদের সামাজিকমাধ্যমে আসক্ত করার অভিযোগে আদালতে মেটা

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: আগস্ট ১৭, ২০২৬ ৯:২৬
শিশু ও কিশোরদের সামাজিকমাধ্যমে আসক্ত করার অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রে মেটার বিরুদ্ধে ট্রিলিয়ন ডলারের গুরুত্বপূর্ণ মামলার বিচার শুরু হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত
শিশু ও কিশোরদের সামাজিকমাধ্যমে আসক্ত করার অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রে মেটার বিরুদ্ধে ট্রিলিয়ন ডলারের গুরুত্বপূর্ণ মামলার বিচার শুরু হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় শিশু ও কিশোরদের সামাজিকমাধ্যমে আসক্ত করার অভিযোগে মেটার বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ একটি মামলার বিচার শুরু হচ্ছে। ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামের মালিক প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে অভিযোগ, তরুণ ব্যবহারকারীদের দীর্ঘসময় প্ল্যাটফর্মে ধরে রাখতে আসক্তি তৈরি করতে পারে এমন বিভিন্ন সুবিধা পরিকল্পিতভাবে ব্যবহার করা হয়েছে। একই সঙ্গে শিশুদের তথ্য অভিভাবকের অনুমতি ছাড়া সংগ্রহের অভিযোগও রয়েছে।

 

মামলাটিতে ক্যালিফোর্নিয়া, কলোরাডো, কেনটাকি ও নিউ জার্সি অঙ্গরাজ্য মেটার বিরুদ্ধে ভোক্তা সুরক্ষা আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ এনেছে। অঙ্গরাজ্যগুলো মেটার বিরুদ্ধে বড় অঙ্কের আর্থিক জরিমানা এবং ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামের কার্যক্রমে পরিবর্তন আনার দাবি তুলেছে। মেটার আদালতের নথি অনুযায়ী, অঙ্গরাজ্যগুলোর হিসাব অনুসারে সম্ভাব্য জরিমানার পরিমাণ ১ দশমিক ৪ ট্রিলিয়ন ডলার পর্যন্ত হতে পারে। তবে মেটা এই অঙ্ককে প্রমাণভিত্তিক নয় বলে দাবি করেছে।

 

অভিযোগে বলা হয়েছে, মেটা শিশু ও কিশোরদের মনোযোগ ধরে রাখতে লাইক বাটন, অবিরাম স্ক্রল এবং সুপারিশভিত্তিক ব্যবস্থার মতো সুবিধা ব্যবহার করেছে। এসব সুবিধা ব্যবহারকারীদের সামাজিকমাধ্যমে আরও বেশি সময় কাটাতে উৎসাহিত করেছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। অঙ্গরাজ্যগুলোর দাবি, ব্যবহারকারীরা যত বেশি সময় প্ল্যাটফর্মে থাকেন, বিজ্ঞাপন দেখানোর সুযোগ তত বাড়ে এবং এর মাধ্যমে মেটা আর্থিকভাবে লাভবান হয়।

 

মামলায় আরও অভিযোগ করা হয়েছে, মেটা ১৩ বছরের কম বয়সী শিশুরা ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম ব্যবহার করছে বলে জানত এবং তাদের ব্যক্তিগত তথ্য অভিভাবকের সম্মতি ছাড়া সংগ্রহ করেছে। এটি শিশুদের অনলাইন গোপনীয়তা সুরক্ষার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল আইনের লঙ্ঘন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। ২৯টি অঙ্গরাজ্য ফেডারেল মামলায় মেটার বিরুদ্ধে শিশুদের তথ্য সংগ্রহের অভিযোগ তুলেছে। তবে বর্তমান বিচারপর্বে চার অঙ্গরাজ্যের ভোক্তা সুরক্ষা আইনের অভিযোগও রয়েছে।

 

অঙ্গরাজ্যগুলোর অভিযোগের মধ্যে আরও রয়েছে, মেটা তরুণদের নিরাপত্তার বিষয়ে জনসমক্ষে যে অবস্থান জানিয়েছে, তার সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির অভ্যন্তরীণ কর্মকাণ্ডের পার্থক্য ছিল। মামলায় মেটার কর্মী ও কর্মকর্তাদের শতাধিক বক্তব্যকে সম্ভাব্য বিভ্রান্তিকর বক্তব্য হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। অঙ্গরাজ্যগুলোর পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে, তরুণ ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তার চেয়ে ব্যবহারকারীদের ব্যস্ত রাখা ও ব্যবসায়িক স্বার্থকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

 

তবে মেটা এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, অঙ্গরাজ্যগুলোর দাবির পক্ষে যথেষ্ট প্রমাণ নেই এবং তাদের চাওয়া আর্থিক জরিমানাও বাস্তবতার তুলনায় অনেক বেশি। মেটা আরও বলেছে, তারা কিশোরদের সুরক্ষায় বিভিন্ন ব্যবস্থা তৈরি করেছে এবং শিশু ও তরুণদের নিরাপত্তার বিষয়ে নিজেদের অবস্থান আদালতে তুলে ধরবে।

 

মেটার বিরুদ্ধে এই মামলাটি যুক্তরাষ্ট্রে সামাজিকমাধ্যমের শিশুদের ওপর প্রভাব নিয়ে চলমান হাজারো মামলার মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিচার হিসেবে দেখা হচ্ছে। এর আগে একই ধরনের অভিযোগে মেটার বিরুদ্ধে পৃথক মামলাতেও রায় এসেছে। চলতি বছরের মার্চে লস অ্যাঞ্জেলেসের একটি মামলায় মেটা ও গুগলকে এক তরুণীর মানসিক ক্ষতির জন্য দায়ী করা হয় এবং ৬ মিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়। নিউ মেক্সিকোতেও মেটার বিরুদ্ধে শিশু সুরক্ষা নিয়ে আদালতের সিদ্ধান্ত এসেছে।

 

ক্যালিফোর্নিয়ার অকল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্রের জেলা আদালতে চলা বর্তমান মামলাটি প্রায় ছয় থেকে আট সপ্তাহ চলতে পারে। মামলায় বিচারকের পাশাপাশি একটি পরামর্শমূলক জুরি রয়েছে। জুরির মতামত থাকলেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেবেন জেলা আদালতের বিচারক ইয়ভন গনজালেজ রজার্স। ফলে এই বিচার শুধু মেটার বিরুদ্ধে অভিযোগের নিষ্পত্তিই নয়, সামাজিকমাধ্যম প্রতিষ্ঠানগুলোর শিশু ও কিশোরদের প্রতি দায়িত্ব এবং তাদের পণ্য নকশার বিষয়ে ভবিষ্যৎ আইনি অবস্থানের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

তথ্যপ্রযুক্তি

View more
শিশু ও কিশোরদের সামাজিকমাধ্যমে আসক্ত করার অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রে মেটার বিরুদ্ধে ট্রিলিয়ন ডলারের গুরুত্বপূর্ণ মামলার বিচার শুরু হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত
শিশুদের সামাজিকমাধ্যমে আসক্ত করার অভিযোগে আদালতে মেটা

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় শিশু ও কিশোরদের সামাজিকমাধ্যমে আসক্ত করার অভিযোগে মেটার বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ একটি মামলার বিচার শুরু হচ্ছে। ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামের মালিক প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে অভিযোগ, তরুণ ব্যবহারকারীদের দীর্ঘসময় প্ল্যাটফর্মে ধরে রাখতে আসক্তি তৈরি করতে পারে এমন বিভিন্ন সুবিধা পরিকল্পিতভাবে ব্যবহার করা হয়েছে। একই সঙ্গে শিশুদের তথ্য অভিভাবকের অনুমতি ছাড়া সংগ্রহের অভিযোগও রয়েছে।   মামলাটিতে ক্যালিফোর্নিয়া, কলোরাডো, কেনটাকি ও নিউ জার্সি অঙ্গরাজ্য মেটার বিরুদ্ধে ভোক্তা সুরক্ষা আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ এনেছে। অঙ্গরাজ্যগুলো মেটার বিরুদ্ধে বড় অঙ্কের আর্থিক জরিমানা এবং ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামের কার্যক্রমে পরিবর্তন আনার দাবি তুলেছে। মেটার আদালতের নথি অনুযায়ী, অঙ্গরাজ্যগুলোর হিসাব অনুসারে সম্ভাব্য জরিমানার পরিমাণ ১ দশমিক ৪ ট্রিলিয়ন ডলার পর্যন্ত হতে পারে। তবে মেটা এই অঙ্ককে প্রমাণভিত্তিক নয় বলে দাবি করেছে।   অভিযোগে বলা হয়েছে, মেটা শিশু ও কিশোরদের মনোযোগ ধরে রাখতে লাইক বাটন, অবিরাম স্ক্রল এবং সুপারিশভিত্তিক ব্যবস্থার মতো সুবিধা ব্যবহার করেছে। এসব সুবিধা ব্যবহারকারীদের সামাজিকমাধ্যমে আরও বেশি সময় কাটাতে উৎসাহিত করেছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। অঙ্গরাজ্যগুলোর দাবি, ব্যবহারকারীরা যত বেশি সময় প্ল্যাটফর্মে থাকেন, বিজ্ঞাপন দেখানোর সুযোগ তত বাড়ে এবং এর মাধ্যমে মেটা আর্থিকভাবে লাভবান হয়।   মামলায় আরও অভিযোগ করা হয়েছে, মেটা ১৩ বছরের কম বয়সী শিশুরা ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম ব্যবহার করছে বলে জানত এবং তাদের ব্যক্তিগত তথ্য অভিভাবকের সম্মতি ছাড়া সংগ্রহ করেছে। এটি শিশুদের অনলাইন গোপনীয়তা সুরক্ষার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল আইনের লঙ্ঘন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। ২৯টি অঙ্গরাজ্য ফেডারেল মামলায় মেটার বিরুদ্ধে শিশুদের তথ্য সংগ্রহের অভিযোগ তুলেছে। তবে বর্তমান বিচারপর্বে চার অঙ্গরাজ্যের ভোক্তা সুরক্ষা আইনের অভিযোগও রয়েছে।   অঙ্গরাজ্যগুলোর অভিযোগের মধ্যে আরও রয়েছে, মেটা তরুণদের নিরাপত্তার বিষয়ে জনসমক্ষে যে অবস্থান জানিয়েছে, তার সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির অভ্যন্তরীণ কর্মকাণ্ডের পার্থক্য ছিল। মামলায় মেটার কর্মী ও কর্মকর্তাদের শতাধিক বক্তব্যকে সম্ভাব্য বিভ্রান্তিকর বক্তব্য হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। অঙ্গরাজ্যগুলোর পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে, তরুণ ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তার চেয়ে ব্যবহারকারীদের ব্যস্ত রাখা ও ব্যবসায়িক স্বার্থকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।   তবে মেটা এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, অঙ্গরাজ্যগুলোর দাবির পক্ষে যথেষ্ট প্রমাণ নেই এবং তাদের চাওয়া আর্থিক জরিমানাও বাস্তবতার তুলনায় অনেক বেশি। মেটা আরও বলেছে, তারা কিশোরদের সুরক্ষায় বিভিন্ন ব্যবস্থা তৈরি করেছে এবং শিশু ও তরুণদের নিরাপত্তার বিষয়ে নিজেদের অবস্থান আদালতে তুলে ধরবে।   মেটার বিরুদ্ধে এই মামলাটি যুক্তরাষ্ট্রে সামাজিকমাধ্যমের শিশুদের ওপর প্রভাব নিয়ে চলমান হাজারো মামলার মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিচার হিসেবে দেখা হচ্ছে। এর আগে একই ধরনের অভিযোগে মেটার বিরুদ্ধে পৃথক মামলাতেও রায় এসেছে। চলতি বছরের মার্চে লস অ্যাঞ্জেলেসের একটি মামলায় মেটা ও গুগলকে এক তরুণীর মানসিক ক্ষতির জন্য দায়ী করা হয় এবং ৬ মিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়। নিউ মেক্সিকোতেও মেটার বিরুদ্ধে শিশু সুরক্ষা নিয়ে আদালতের সিদ্ধান্ত এসেছে।   ক্যালিফোর্নিয়ার অকল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্রের জেলা আদালতে চলা বর্তমান মামলাটি প্রায় ছয় থেকে আট সপ্তাহ চলতে পারে। মামলায় বিচারকের পাশাপাশি একটি পরামর্শমূলক জুরি রয়েছে। জুরির মতামত থাকলেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেবেন জেলা আদালতের বিচারক ইয়ভন গনজালেজ রজার্স। ফলে এই বিচার শুধু মেটার বিরুদ্ধে অভিযোগের নিষ্পত্তিই নয়, সামাজিকমাধ্যম প্রতিষ্ঠানগুলোর শিশু ও কিশোরদের প্রতি দায়িত্ব এবং তাদের পণ্য নকশার বিষয়ে ভবিষ্যৎ আইনি অবস্থানের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: আগস্ট ১৭, ২০২৬ ৯:২৬
সেন্ট অ্যান্ডরুজ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। ছবি:সংগৃহীত

সম্পূর্ণ রিসার্চ নিজে লিখেও, নিখুঁত হওয়ায় এআই ব্যবহারের অভিযোগ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে

খাইবারের ধ্বংসাবশেষে চীনা প্রযুক্তির ইঙ্গিত, নতুন চ্যালেঞ্জে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষা

খাইবারের ধ্বংসাবশেষে চীনা প্রযুক্তির ইঙ্গিত, নতুন চ্যালেঞ্জে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষা

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বাস্তবের ‘জুরাসিক পার্ক’ ও ডাইনোসর ফিরিয়ে আনার ধারণা নিয়ে মন্তব্য করে আলোচনায় ইলন মাস্ক। ছবি: সংগৃহীত

বাস্তবের ‘জুরাসিক পার্ক’ গড়তে চান ইলন মাস্ক, ফিরিয়ে আনতে চান ডাইনোসর!

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সহায়তায় তৈরি নতুন ব্যাকটেরিওফাজ নিয়ে বিশ্বজুড়ে আলোচনা। ছবি: সংগৃহীত
এআই দিয়ে তৈরি করা হলো নতুন ভাইরাস, বিজ্ঞানীদের যুগান্তকারী সাফল্যের সঙ্গে বাড়ছে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে প্রথমবারের মতো সম্পূর্ণ নতুন এবং পরীক্ষাগারে কার্যকরভাবে বংশবিস্তার করতে সক্ষম ভাইরাস তৈরি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের একদল গবেষক। বিজ্ঞানীদের মতে, জিনোম নকশায় এআই ব্যবহারের ক্ষেত্রে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি। তবে একই সঙ্গে এই প্রযুক্তির সম্ভাব্য অপব্যবহার এবং জৈবনিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগও তৈরি হয়েছে।   গবেষণাটি প্রকাশিত হয়েছে বিশ্বের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় বিজ্ঞান সাময়িকী সায়েন্স-এ। গবেষণায় তৈরি ১৬টি নতুন ভাইরাসই ব্যাকটেরিওফাজ, অর্থাৎ এমন ভাইরাস যা কেবল ব্যাকটেরিয়াকে সংক্রমিত করে। গবেষকদের ভাষ্য অনুযায়ী, এগুলো মানুষের জন্য কোনো হুমকি সৃষ্টি করে না এবং মানুষের শরীরকে সংক্রমিত করার ক্ষমতা নেই।   স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক ব্রায়ান হাই বিবিসিকে বলেন, জেনারেটিভ এআই ব্যবহার করে এমন একটি পূর্ণাঙ্গ জিনোম তৈরি করা এই প্রথম, যা জীবন্ত কোষে প্রবেশ করে সফলভাবে বংশবিস্তার করতে সক্ষম হয়েছে। তিনি বলেন, "আমাদের জন্য এটি সম্পূর্ণ নতুন একটি গবেষণার ক্ষেত্র ছিল।"   গবেষণায় ইভো-১ ও ইভো-২ নামে দুটি এআই মডেল ব্যবহার করা হয়। ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, উদ্ভিদ এবং মানুষের বিপুল পরিমাণ জিনগত তথ্য বিশ্লেষণের মাধ্যমে এই মডেলগুলোকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। পরে নির্দিষ্ট ব্যাকটেরিয়াকে সংক্রমিত করতে সক্ষম ব্যাকটেরিওফাজের জিনোম তৈরি করার জন্য এগুলোকে আরও উন্নত করা হয়।   গবেষকরা এআইয়ের তৈরি ৩০২টি সম্ভাব্য জিনোম নকশা পরীক্ষাগারে বাস্তবায়ন করেন। এর মধ্যে ১৬টি সফলভাবে ইশেরিশিয়া কোলাই (ই. কোলাই) ব্যাকটেরিয়াকে সংক্রমিত ও ধ্বংস করতে সক্ষম হয়। গবেষক দলের সদস্য স্যামুয়েল কিং জানান, পেট্রি ডিশে ব্যাকটেরিয়ার স্তরের মধ্যে পরিষ্কার দাগ দেখা যাওয়ার পরই তারা বুঝতে পারেন যে নতুন ভাইরাসগুলো কার্যকর হয়েছে। ফলাফল নিশ্চিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে গবেষণাগারে উপস্থিত গবেষকেরা আনন্দে করতালি দেন।   বিজ্ঞানীদের মতে, ভবিষ্যতে অ্যান্টিবায়োটিক-প্রতিরোধী ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে নতুন ধরনের চিকিৎসা উদ্ভাবনে এই প্রযুক্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। বিশেষ করে ফাজ থেরাপি বা ব্যাকটেরিওফাজভিত্তিক চিকিৎসা পদ্ধতির উন্নয়নে এআই-নির্ভর জিনোম নকশা নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিতে পারে।   তবে এই অগ্রগতির পাশাপাশি জৈবনিরাপত্তা ও জৈব সুরক্ষা নিয়ে উদ্বেগও প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা। জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর হেলথ সিকিউরিটির গবেষক থমাস ইংলসবাই এবং মরিটজ হ্যাঙ্কে বলেন, এই গবেষণা দেখিয়ে দিয়েছে যে এআই দিয়ে কার্যকর ভাইরাসের জিনোম তৈরি করা সম্ভব। এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, প্রযুক্তিটি যেন কোনোভাবেই অপব্যবহারের সুযোগ তৈরি না করে।   তাদের মতে, ভবিষ্যতে রোগ সৃষ্টি করতে পারে এমন নতুন ভাইরাস তৈরির গবেষণা থেকে বিরত থাকা উচিত এবং এ ধরনের গবেষণায় আরও কঠোর নিরাপত্তা নীতি অনুসরণ করা প্রয়োজন। গবেষক দল জানিয়েছে, তারা ইচ্ছাকৃতভাবেই এমন কোনো ভাইরাসকে প্রশিক্ষণ ডেটায় অন্তর্ভুক্ত করেননি, যা মানুষ বা অন্যান্য জটিল প্রাণীকে সংক্রমিত করতে পারে। এছাড়া পুরো গবেষণাই উচ্চ নিরাপত্তাসম্পন্ন পরীক্ষাগারে পরিচালিত হয়েছে।   ব্রায়ান হাইয়ের মতে, বর্তমানে বিদ্যমান গবেষণাগারের নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং নৈতিক তদারকি এই প্রযুক্তির দায়িত্বশীল ব্যবহার নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। অন্যদিকে স্পেনের পম্পেউ ফাবরা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনথেটিক বায়োলজি গবেষণাগারের অধ্যাপক মার্ক গুয়েল এই গবেষণাকে "জীববিজ্ঞানের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড়" বলে উল্লেখ করেছেন। তার মতে, প্রথমবারের মতো কম্পিউটারের সাহায্যে নতুন জীববৈজ্ঞানিক নকশা তৈরি করে তা বাস্তবে কার্যকর প্রমাণ করা সম্ভব হয়েছে।   ম্যানচেস্টার ইনস্টিটিউট অব বায়োটেকনোলজির অধ্যাপক প্যাট্রিক কাই বলেন, এই গবেষণা শুধু ব্যাকটেরিওফাজ তৈরির মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। এটি প্রমাণ করেছে, এআইভিত্তিক জিনোম ভাষা মডেলগুলো ধীরে ধীরে জীবের বিবর্তনের মৌলিক নীতিও বুঝতে শুরু করেছে। ভবিষ্যতে এটি এআই-সহায়তায় নতুন জিনোম নকশা ও চিকিৎসা প্রযুক্তির বিকাশে বড় ভূমিকা রাখতে পারে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: আগস্ট ৬, ২০২৬ ২২:১০
চাঁদের পৃষ্ঠে আছড়ে পড়েছে স্পেসএক্সের ফ্যালকন ৯ রকেটের ওপরের অংশ। ছবি: এআই

চাঁদের বুকে আছড়ে পড়ল ইলন মাস্কের ফ্যালকন ৯ রকেট

অ্যাপলের কর্পোরেট অফিস। ছবি:সংগৃহীত

আইফোন ২০২৬ লঞ্চের প্রস্তুতি জোরদার, নির্বাচিত কর্মীদের লটারির সুযোগ দিচ্ছে অ্যাপল

মার্কিন নিষেধাজ্ঞার শঙ্কায় চীনের তৈরি চিপ উৎপাদন সরঞ্জাম পরীক্ষা করছে স্যামসাং ও এসকে হাইনিক্স। ছবি: সংগৃহীত

মার্কিন চাপের মুখে চীনা চিপ সরঞ্জামের বিকল্প খুঁজছে স্যামসাং-হাইনিক্স

চাঁদের পৃষ্ঠে অনিচ্ছাকৃতভাবে আছড়ে পড়েছে স্পেসএক্সের ফ্যালকন-৯ রকেটের একটি অংশ। ছবি: সংগৃহীত
চাঁদে আছড়ে পড়ল স্পেসএক্স রকেটের অংশ, তৈরি হতে পারে নতুন গর্ত

মহাকাশে ভাসতে থাকা স্পেসএক্সের ফ্যালকন-৯ রকেটের একটি অংশ অনিচ্ছাকৃতভাবে চাঁদের পৃষ্ঠে আছড়ে পড়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। প্রায় চার টন ওজনের ওই অংশটি ঘণ্টায় প্রায় ৫ হাজার ৪০০ মাইল গতিতে চাঁদের মাটিতে আঘাত করে। এ ঘটনায় পৃথিবীর জন্য কোনো ধরনের ঝুঁকি নেই বলে জানিয়েছে নাসা।   রকেটের ওই অংশটি গত বছর থেকে মহাকাশে নিয়ন্ত্রণহীন অবস্থায় ভাসছিল। এটি স্পেসএক্সের ফ্যালকন-৯ রকেটের দ্বিতীয় ধাপের অংশ, যা ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠান ফায়ারফ্লাই অ্যারোস্পেসের একটি চন্দ্রযানকে চাঁদের দিকে পাঠানোর অভিযানে ব্যবহৃত হয়েছিল।   ধারণা করা হয়েছিল, বুধবার নির্ধারিত সময়ে রকেটের অংশটি চাঁদের পৃষ্ঠে আঘাত করবে। এর ফলে চাঁদের মাটিতে ধুলা ও পাথরের কণা ছিটকে কয়েক মাইলজুড়ে ছড়িয়ে পড়তে পারে। তবে সূর্যের আলোতে তৈরি হওয়া এই ধুলার মেঘ পৃথিবী থেকে খালি চোখে দেখা কঠিন হবে বলে জানানো হয়েছে।   নাসার তথ্য অনুযায়ী, এই সংঘর্ষের কারণে চাঁদের পৃষ্ঠে প্রায় ৬০ ফুট চওড়া এবং ১২ ফুট গভীর গর্ত তৈরি হতে পারে। মহাকাশ সংস্থাটি ওই স্থানের আগে ও পরের ছবি সংগ্রহের সুযোগ খুঁজছে। এসব তথ্য কৃত্রিম আঘাত এবং মহাকাশ অনুসন্ধানের প্রভাব বুঝতে বিজ্ঞানীদের সহায়তা করবে।   সাধারণত রকেটের এমন অংশগুলো পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে ফিরে এসে পুড়ে যায় অথবা সমুদ্রে পড়ে যায়। তবে চাঁদে পাঠানো অভিযানের জন্য প্রয়োজনীয় অতিরিক্ত শক্তির কারণে ফ্যালকন-৯ রকেটের দ্বিতীয় ধাপটি মহাকাশে থেকে যায় এবং পরে নিয়ন্ত্রণহীন অবস্থায় ভাসতে থাকে।   জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা চলতি বছর শনাক্ত করেন, রকেটের ওই অংশটি এমন এক গতিপথে রয়েছে যা শেষ পর্যন্ত চাঁদের সঙ্গে সংঘর্ষের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। স্পেসএক্স জানিয়েছে, সূর্যের কার্যকলাপ ও মহাকর্ষীয় শক্তির প্রভাবে বস্তুটি চাঁদের দিকে যাওয়ার পথে চলে যায়।   মহাকাশে পড়ে থাকা রকেটের অংশ বা মহাকাশ বর্জ্যের এমন আঘাত চাঁদে খুবই বিরল ঘটনা। এর আগে ২০২২ সালে চীনের একটি রকেট অংশ চাঁদের পৃষ্ঠে আঘাত করেছিল। ২০০৯ সালে নাসা ইচ্ছাকৃতভাবে একটি রকেট অংশ চাঁদে আঘাত করেছিল গবেষণার উদ্দেশ্যে।   সাম্প্রতিক বছরগুলোতে চাঁদে অবতরণের উদ্দেশ্যে পাঠানো কয়েকটি মহাকাশযানও সফলভাবে অবতরণ করতে পারেনি। এর মধ্যে রাশিয়ার লুনা-২৫ এবং ভারতের চন্দ্রযান-২ অভিযানের অবতরণযান রয়েছে।   নাসা ও স্পেসএক্স ভবিষ্যতে এ ধরনের অনিচ্ছাকৃত চন্দ্র সংঘর্ষ ঠেকানোর উপায় নিয়ে আলোচনা করছে। এই ঘটনা মহাকাশে থাকা পরিত্যক্ত যন্ত্রাংশ ব্যবস্থাপনার গুরুত্বও সামনে এনেছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: আগস্ট ৫, ২০২৬ ৩:৪৯
কলেজ পালিয়ে ২৫ বছর বয়সেই বাজিমাত, ব্রিটিশ তরুণ গড়েছেন বিলিয়ন ডলারের এআই সাম্রাজ্য | ছবি: সংগৃহীত

১৭ বছর বয়সে কলেজ ছেড়ে ৯ বছর পর ৩৩০ কোটি ডলারের এআই প্রতিষ্ঠানের মালিক

এআই মডেল প্রশিক্ষণের জন্য লাখ লাখ পুরোনো বই কিনে স্ক্যান করার পর ধ্বংস করার অভিযোগ। ছবি: সংগৃহীত

এআই প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে পুরোনো বই কিনে স্ক্যান করেই পুড়িয়ে ফেলার অভিযোগ

পুরোনো সিম কার্ডেই মিলল ১৯১ গ্রাম সোনা

পুরোনো সিম কার্ডেই মিলল ১৯১ গ্রাম সোনা! ভাইরাল ভিডিওর পর বাড়ছে পুরোনো সিম কেনাবেচা

0 Comments