আন্তর্জাতিক

কাতারের মার্কিন ঘাঁটিতে বন্দি আফগান কিশোরী, পেছনে ট্রাম্পের কঠোর অভিবাসন নীতি

ইসতিয়াক আহমেদ প্রকাশ: জুন ১২, ২০২৬ ১৮:৪৭
ছবিঃ এ বি সি
ছবিঃ এ বি সি

কাতারের দোহায় অবস্থিত একটি অব্যবহৃত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে (ক্যাম্প আস-সাইলিয়াহ) আটকা পড়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে ১৫ বছর বয়সী আফগান কিশোরী জাহরা মুহিব।

 

চারদিকে ধূসর উঁচু দেয়ালে ঘেরা ছোট একটি রুমে একটি কার্পেট, রঙিন কমফোর্টার এবং কয়েকটি ছবি দিয়ে সে নিজের মতো করে একটি ঘর বানানোর চেষ্টা করেছে। এই বন্দিদশাতেই জীবনের দুটি জন্মদিন পার করেছে সে।

 

যুক্তরাষ্ট্রের শরণার্থী পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মাধ্যমে আরও প্রায় ১ হাজার ১০০ জন আফগান শরণার্থীর সাথে এই ঘাঁটিতে আশ্রয় পেয়েছিল জাহরা, যাদের বেশিরভাগই নারী ও শিশু।

 

তবে, দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় এসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শরণার্থী পুনর্বাসন কার্যক্রম স্থগিত করে যে নির্বাহী আদেশ জারি করেছেন, তার ফলেই মাঝপথে থমকে গেছে এই অসহায় মানুষদের ভবিষ্যৎ।

 

মার্কিন সংবাদমাধ্যম এবিসি নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জাহরা জানায়, ট্রাম্পের ওই আদেশের পর থেকে তার ভবিষ্যতের সমস্ত স্বপ্ন আমূল বদলে গেছে এবং পুরো ক্যাম্প জুড়েই এর নেতিবাচক প্রভাব ছড়িয়ে পড়েছে।

 

এখানকার জীবনকে জেলের চেয়েও ভয়াবহ উল্লেখ করে সে আক্ষেপ নিয়ে বলে, "ক্যাম্পের বাইরে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে যাওয়ার প্রয়োজন হলে তারা আমাদের শরীরে জিপিএস ট্র্যাকার পরিয়ে দেয়, যাতে আমরা পালাতে না পারি।

 

আমার মনে হয়, এখানকার চেয়ে হয়তো জেলখানাও অনেক ভালো।" এই অমানবিক পরিস্থিতি থেকে কবে মুক্তি মিলবে, তা নিয়ে চরম অনিশ্চয়তায় দিন কাটাচ্ছে জাহরা ও তার মতো আরও অসংখ্য শরণার্থী পরিবার।

 

সংবাদমাধ্যমের কাছে ক্যাম্পের এই দুরবস্থা নিয়ে কথা বলার পর ক্যাম্পের দায়িত্বপ্রাপ্ত পরিচালক এবং অন্যান্য কর্মকর্তাদের কাছ থেকে তাকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগও তুলেছে এই কিশোরী।

 

জাহরা জানায়, কর্মকর্তারা তাকে ও তার বাবা-মাকে শাসিয়ে বলেছে যে, সংবাদমাধ্যমের সাথে কথা বলে তারা নিজেদের আবার আফগানিস্তানে ফেরত পাঠানোর ঝুঁকি বহুগুণে বাড়িয়ে দিয়েছে।

 

যদিও জাহরার এই সুনির্দিষ্ট অভিযোগের বিষয়ে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন যে, এই কথিত ঘটনার বিষয়ে তাদের কাছে কোনো তথ্য নেই এবং বাসিন্দাদের সুরক্ষায় এ ধরনের অভিযোগ অত্যন্ত দ্রুততার সাথে খতিয়ে দেখা হয়।

 

তবে, যেকোনো সময় জোরপূর্বক আবারও তালেবান শাসিত আফগানিস্তানে ফেরত পাঠানোর আতঙ্ক এই মার্কিন ঘাঁটিতে থাকা অসংখ্য আফগান শরণার্থীর মনে তীব্র রূপ ধারণ করেছে।

জনপ্রিয় সংবাদ
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

দেশের প্রথম ৪০ তলা ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর সম্পন্ন

বাংলাদেশের আবাসন শিল্পে এক নতুন ইতিহাস রচিত হলো। রাজধানীর তেজগাঁও শিল্প এলাকায় নির্মিত দেশের প্রথম ৪০ তলা বিশিষ্ট আকাশচুম্বী বাণিজ্যিক ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেছে শান্তা হোল্ডিংস। ৫০০ ফুট উচ্চতার এই আইকনিক ভবনটি এখন দেশের সর্বোচ্চ সম্পন্ন হওয়া ইমারত। গত শনিবার (১৮ এপ্রিল) ভবনের ৪০তম তলায় আয়োজিত এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এটি হস্তান্তর করা হয়। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের চেয়ারম্যান খন্দকার মনির উদ্দিন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, স্থপতি এহসান খানসহ প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ভূমি মালিক এবং গ্রাহকরা উপস্থিত ছিলেন। স্থাপত্যশৈলী ও আধুনিক প্রযুক্তি:‘শান্তা পিনাকল’ শুধুমাত্র উচ্চতার কারণেই অনন্য নয়, বরং এটি আধুনিক নির্মাণশৈলী ও প্রযুক্তির এক অনন্য সমন্বয়। এটি বাংলাদেশের প্রথম ভবন যা পরিবেশবান্ধব স্থাপত্যের জন্য আন্তর্জাতিক ‘লিড প্ল্যাটিনাম’ (LEED Platinum) স্বীকৃতি পেয়েছে। সিঙ্গাপুরভিত্তিক বিখ্যাত ইঞ্জিনিয়ারিং প্রতিষ্ঠান ‘মেইনহার্ট’ (Meinhardt) এর সহায়তায় ভবনটির স্ট্রাকচারাল ডিজাইন এবং ভূমিকম্প প্রতিরোধক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। বিশেষ বৈশিষ্ট্যসমূহ: উন্নত লিফট ব্যবস্থা: ভবনটিতে রয়েছে ৮টি দ্রুতগামী লিফট, যা প্রতি সেকেন্ডে ৪ মিটার উচ্চতায় উঠতে সক্ষম। এটি দেশের দ্রুততম ভার্টিক্যাল ট্রান্সপোর্ট ব্যবস্থা। পরিবেশ ও সুরক্ষা: ভবনে ব্যবহৃত হয়েছে ৩৬ মিমি পুরুত্বের ডাবল গ্লেজড গ্লাস, যা তাপ ও শব্দ নিরোধক। এছাড়া এটি দেশের প্রথম ‘উইন্ড টানেল টেস্ট’ করা ভবন, যা প্রতিকূল আবহাওয়ায় এর স্থায়িত্ব নিশ্চিত করে। আইবিএমএস প্রযুক্তি: পুরো ভবনটি একটি ইন্টেলিজেন্ট বিল্ডিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (iBMS) দ্বারা পরিচালিত, যা সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ও জ্বালানি সাশ্রয় নিশ্চিত করবে। অগ্নি নিরাপত্তা: আন্তর্জাতিক এনএফপিএ (NFPA) স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করে এখানে অত্যাধুনিক অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর দেশের রিয়েল এস্টেট খাতের সক্ষমতার এক বড় প্রমাণ। এটি শুধুমাত্র তেজগাঁও নয়, বরং পুরো ঢাকার বাণিজ্যিক পরিবেশকে বিশ্বমানের স্তরে নিয়ে যাবে। দেশের ইতিহাসে প্রথমবার অ্যালুমিনিয়াম ফর্মওয়ার্ক ব্যবহারের মাধ্যমে মাত্র সাত দিনে এক একটি তলার ছাদ ঢালাইয়ের রেকর্ড গড়ে এই প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। ঢাকার আকাশসীমায় নতুন এই ল্যান্ডমার্ক দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং আধুনিক নগরায়নের এক শক্তিশালী প্রতীক হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে।

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

নাহিদা বৃষ্টির লাশ পাওয়া নিয়ে শঙ্কা কেন? দুই কারণ জানাল পুলিশ

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় দক্ষিণ ফ্লোরিডা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইউএসএফ) নিখোঁজ দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর মর্মান্তিক পরিণতির খবর পাওয়া গেছে। নিখোঁজ জামিল লিমনের (২৭) মরদেহ উদ্ধার করা হলেও, পুলিশ ধারণা করছে নাহিদা বৃষ্টিকেও (২৭) নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। অভিযুক্ত ঘাতক ও লিমনের রুমমেট হিশাম আবুগারবিয়ার ফ্ল্যাটে ‘প্রচুর রক্ত’ পাওয়ার পর পুলিশ জানিয়েছে, বৃষ্টির মরদেহ উদ্ধার করা সম্ভবত আর কখনোই সম্ভব হবে না।   নিহত বৃষ্টির বড় ভাই জাহিদ হাসান প্রান্ত মার্কিন সংবাদমাধ্যম ‘১০ টাম্পা বে নিউজ’-কে জানান, শুক্রবার গভীর রাতে যুক্তরাষ্ট্রের তদন্তকারীরা বাংলাদেশে তাদের পরিবারের সাথে যোগাযোগ করেছেন। পুলিশ জানিয়েছে, লিমন ও হিশামের শেয়ার করা ফ্ল্যাটে যে পরিমাণ রক্ত পাওয়া গেছে, তা থেকে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে বৃষ্টি আর বেঁচে নেই। পুলিশের আশঙ্কা, হত্যার পর মরদেহটি সম্ভবত ছিন্নবিচ্ছিন্ন বা টুকরো টুকরো করে ফেলা হয়েছে, যার ফলে এটি খুঁজে পাওয়া অত্যন্ত কঠিন। গত শুক্রবার সকাল সোয়া ৬টার দিকে হাওয়ার্ড ফ্র্যাঙ্কল্যান্ড ব্রিজের পাশ থেকে লিমনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এর কয়েক ঘণ্টা পরেই সকাল ৯টার দিকে ইউএসএফ ক্যাম্পাসের কাছে লেক ফরেস্ট এলাকায় অভিযুক্ত হিশাম আবুগারবিয়ার বাড়িতে অভিযান চালায় হিলসবোরো কাউন্টি শেরিফ কার্যালয়। পুলিশ হিশামের বাড়িতে পৌঁছালে তিনি নিজেকে ঘরের ভেতর তালাবদ্ধ করে রাখেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশের বিশেষায়িত ইউনিট ‘সোয়াট’ (SWAT) তলব করা হয়। প্রায় ২০ মিনিটের রুদ্ধশ্বাস পরিস্থিতির পর হিশাম আত্মসমর্পণ করেন। তার বিরুদ্ধে পারিবারিক সহিংসতা, তথ্যপ্রমাণ নষ্ট করা এবং অবৈধভাবে মরদেহ সরানোর মতো ছয়টি গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছে।   বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, হিশাম ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক। তিনি লিমনের রুমমেট হিসেবে একই ফ্ল্যাটে থাকতেন। অন্যদিকে, কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পিএইচডি গবেষণারত নাহিদা বৃষ্টি গত ১৬ এপ্রিল থেকে নিখোঁজ ছিলেন। লিমনের সাথে তার আগে প্রেমের সম্পর্ক থাকলেও বর্তমানে ছিল না বলে জানিয়েছেন বৃষ্টির পরিবার।   তদন্তকারীরা লিমনের মৃত্যু নিশ্চিত করলেও বৃষ্টির নিখোঁজ রহস্য ও তাকে হত্যার নৃশংসতা এখন পুরো ফ্লোরিডা ও বাংলাদেশি কমিউনিটিতে শোকের ছায়া ফেলেছে।

Advertisement

আন্তর্জাতিক

View more
গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা
ভারতে মার্কিন কনস্যুলেটের পাশে সড়কের নামকরণ হচ্ছে ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প অ্যাভিনিউ’

ভারতের তেলেঙ্গানা রাজ্যের রাজধানী হায়দরাবাদে মার্কিন কনস্যুলেট সংলগ্ন একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়কের নামকরণ করা হচ্ছে ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প অ্যাভিনিউ’। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ভারতের ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক সম্পর্কের প্রতীক হিসেবে এই বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী, আগামী ২৩ জুন আনুষ্ঠানিকভাবে এই সড়কটির উদ্বোধন করা হবে।   মূলত আগামী ৪ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের অংশ হিসেবেই এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গোর এবং তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী এ. রেভন্ত রেড্ডি উপস্থিত থাকবেন বলে জানা গেছে।   তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী এ. রেভন্ত রেড্ডি ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে সর্বপ্রথম এই সড়কটির নাম মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নামে করার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। তবে সে সময় যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কবিষয়ক বিরোধ এবং পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতসহ নানাবিধ বৈশ্বিক অস্থিতিশীলতার কারণে পরিকল্পনাটি সাময়িকভাবে স্থগিত রাখা হয়।   বর্তমানে পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় রাজ্য সরকার পুনরায় এই উদ্যোগটি বাস্তবায়নের পথে হেঁটেছে। তেলেঙ্গানা সরকারের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, হায়দরাবাদ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার শক্তিশালী বাণিজ্যিক সম্পর্ক এই রাজ্যের বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে অভাবনীয় ভূমিকা রেখেছে। শহরটির আন্তর্জাতিক বিনিয়োগবান্ধব ভাবমূর্তি আরও জোরদার করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।   এর পাশাপাশি, প্রযুক্তি খাতে উদ্ভাবনের কেন্দ্র হিসেবে তেলেঙ্গানাকে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরতে ভবিষ্যতে গুগল এবং মাইক্রোসফটের মতো বিশ্বখ্যাত প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর নামেও কয়েকটি সড়কের নামকরণের বিবেচনা করছে সরকার।   তবে এমন একটি নামকরণের সিদ্ধান্ত ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে তীব্র বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। তেলেঙ্গানা বিজেপির সভাপতি রামচন্দর রাও কংগ্রেস শাসিত রাজ্য সরকারের এই পদক্ষেপের কড়া সমালোচনা করেছেন। তিনি মুখ্যমন্ত্রী রেভন্ত রেড্ডি এবং শীর্ষ কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীকে নিশানা করে বলেন, একদিকে রাহুল গান্ধী অভিযোগ করছেন যে ভারত ট্রাম্পের কাছে ‘আত্মসমর্পণ’ করেছে, অন্যদিকে রেভন্ত রেড্ডি ঘটা করে ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প অ্যাভিনিউ’ উদ্বোধন করছেন।   ট্রাম্পের কাছে আসলে কে আত্মসমর্পণ করেছে, তা কংগ্রেসকে স্পষ্ট করার আহ্বান জানিয়েছেন এই শীর্ষ বিজেপি নেতা। তবে সকল রাজনৈতিক বিতর্ক এড়িয়ে রাজ্য সরকার এই উদ্যোগকে নিছকই অর্থনৈতিক ও ব্যবসায়িক কূটনীতির অংশ হিসেবে দাবি করছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুন ১৬, ২০২৬ ১৯:৪২
ছবিঃ রয়টার্স

মস্কোসহ রাশিয়ার জ্বালানি স্থাপনায় ইউক্রেনের ভয়াবহ ড্রোন হামলা, একাধিক স্থানে আগুন

গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা

ইরানের কাছে মাথা নত হলো ট্রাম্প, টিকে থাকল ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের শাসনব্যবস্থা

ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের ঐতিহাসিক চুক্তির খসড়া ইসরায়েলকে দেখতে দিল না ওয়াশিংটন

ছবিঃ কোলাজ আমেরিকা বাংলা
লেবাননে হামলা বন্ধ না হলে কঠোর পরিণতি, ইসরায়েলকে ইরানের হুঁশিয়ারি

তেহরান এবং ওয়াশিংটনের মধ্যে সাম্প্রতিক একটি চুক্তির মাধ্যমে লেবাননসহ পুরো অঞ্চলে যুদ্ধ অবসানের ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এই চুক্তির তোয়াক্কা না করে দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েল তাদের সামরিক হামলা অব্যাহত রেখেছে। সম্প্রতি এমন একটি হামলায় চারজনের প্রাণহানির পর এবার তেল আবিবকে অত্যন্ত কড়া জবাব দেওয়ার কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরানের সামরিক বাহিনী।   ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর কেন্দ্রীয় কমান্ড 'খাতাম আল-আনবিয়া' ইসরায়েলের এই অব্যাহত আগ্রাসনের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। এক বিবৃতিতে তারা দ্ব্যর্থহীন ভাষায় জানিয়েছে, "জায়োনিস্ট শাসকগোষ্ঠীর শিশু হত্যাকারী সেনাবাহিনী যদি দক্ষিণ লেবাননে তাদের এই আগ্রাসী ও বর্বরোচিত কর্মকাণ্ড অবিলম্বে বন্ধ না করে, তবে তাদের জন্য ইরানের শক্তিশালী সশস্ত্র বাহিনীর পক্ষ থেকে অত্যন্ত কঠোর ও চরম পরিণতি অপেক্ষা করছে।"   বিবৃতিতে আরও গুরুতর একটি অভিযোগ তুলে বলা হয়েছে যে, যুদ্ধ অবসানের ওই চুক্তি ঘোষণার পর থেকে এ পর্যন্ত ইসরায়েল লেবাননে অন্তত "৮৪ বার" যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আহ্বান এবং যুক্তরাষ্ট্রের সাথে হওয়া সমঝোতা চুক্তিকে পাশ কাটিয়ে ইসরায়েলের এই ধারাবাহিক হামলা মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতিকে আবারও চরম উত্তেজনার দিকে ঠেলে দিচ্ছে বলে মনে করছে তেহরান।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুন ১৬, ২০২৬ ১৬:৩৫
ছবি: সংগৃহীত

প্রতিরক্ষা বাজেটে কাটছাঁট হলেও সামরিক সক্ষমতা বাড়াতে অনড় তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট

ছবি: সংগৃহীত

হিজবুল্লাহ মোকাবিলায় ইসরায়েলের বিকল্প হিসেবে সিরিয়ার প্রেসিডেন্টকে চান ট্রাম্প

ছবিঃ কোলাজ আমেরিকা বাংলা

পারমাণবিক অস্ত্র বানালে ইরানে নরক নেমে আসবে, চরম হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

ছবিঃ কোলাজ আমেরিকা বাংলা
হরমোজ প্রণালিতে মাইন অপসারণে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সম্মতি চায় জার্মানি

জার্মানির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইয়োহান ভাদেফুল জানিয়েছেন, হরমোজ প্রণালিতে সম্ভাব্য মাইন অপসারণ কার্যক্রমে অংশ নিতে তার দেশ ইচ্ছুক। তবে সেখানে যেকোনো ধরনের নৌযান বা সামরিক সরঞ্জাম মোতায়েনের ক্ষেত্রে অবশ্যই যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরান উভয় পক্ষের পূর্বসম্মতি থাকতে হবে।   জার্মান সম্প্রচারমাধ্যম 'এন-টিভি'কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভাদেফুল এ কথা জানান। তিনি উল্লেখ করেন, জার্মানির মাইনসুইপার (মাইন অপসারণকারী) জাহাজ 'ফুলদা' এবং সরবরাহকারী জাহাজ 'মোসেল'কে ইতোমধ্যে পূর্ব ভূমধ্যসাগরে মোতায়েন করে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। নির্দিষ্ট কিছু শর্ত পূরণ হলে এই দুটি নৌযান হরমোজ প্রণালির দিকে অগ্রসর হতে পুরোপুরি প্রস্তুত রয়েছে।   নিরাপত্তার বিষয়ে সর্বোচ্চ সতর্কতার কথা তুলে ধরে জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, "আমাদের নিশ্চিত হতে হবে যে, উভয় পক্ষই এ ধরনের একটি অভিযান চাইছে। যদি কোনো একটি পক্ষ, বিশেষ করে ইরান এতে রাজি না থাকে এবং শেষ পর্যন্ত আমাদের ওপর গুলি চালায়, তবে আমরা এমন পরিস্থিতিতে ওই এলাকায় প্রবেশ করতে পারি না।   নিশ্চিতভাবেই সেটি কোনো আদর্শ পরিস্থিতি হবে না।" মূলত মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মাঝে নিজেদের বাহিনীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত সামরিক সংঘাত এড়াতেই বার্লিন এই কৌশলগত ও সতর্ক অবস্থান নিয়েছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুন ১৬, ২০২৬ ১৩:২৭
ছবি: সংগৃহীত

কানাডায় মে মাসে বাড়ি বিক্রি বেড়েছে সাড়ে ৫ শতাংশ, দাম কিছুটা কম

ছবিঃ এ এফ পি

লেবাননে ইসরায়েলের হামলায় বেসামরিক প্রাণহানির কড়া সমালোচনা করলেন ট্রাম্প

বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ | ছবি: সংগৃহীত

‘নামাজ পড়তে হলে বাংলাদেশ বা পাকিস্তানে যান’, দিলীপ ঘোষের মন্তব্যে তীব্র বিতর্ক

0 Comments