সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার
আন্তর্জাতিক

আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে দুটি স্বীকৃতি পেল পলাশ-ইভানা অভিনীত ‘মিস্টার বাদল’

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: আগস্ট ১২, ২০২৬ ১৫:৩৫
আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে দুটি স্বীকৃতি পেল পলাশ-ইভানা অভিনীত ‘মিস্টার বাদল’
আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে দুটি স্বীকৃতি পেল পলাশ-ইভানা অভিনীত ‘মিস্টার বাদল’

ঈদুল ফিতর উপলক্ষে মুক্তি পাওয়া ‘মিস্টার বাদল’ এবার আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে দুটি সম্মানজনক স্বীকৃতি অর্জন করেছে। সুইডেনে অনুষ্ঠিত ‘সিটি ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল স্টকহোম ২০২৬’-এ চলচ্চিত্রটির নির্মাতা আশরাফুজ্জামান সেরা পরিচালকের (বেস্ট ডিরেক্টর) পুরস্কার জিতে নিয়েছেন। একই সঙ্গে কানাডার ‘১১তম কানাডা ইন্ডিপেনডেন্ট ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল’-এ কনটেন্টটি ‘অফিসিয়াল সিলেকশন’ হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে।

 

আশরাফুজ্জামানের চিত্রনাট্য ও পরিচালনায় নির্মিত এই কনটেন্টটি সুলতান এন্টারটেইনমেন্টের ইউটিউব চ্যানেলে মুক্তি পায়। এতে বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন জনপ্রিয় অভিনেতা জিয়াউল হক পলাশ, পারসা ইভানা, সৈয়দ জামান শাওন, নিকিতা সাহা, আবু হেনা রনি ও খায়রুল আলম টিপুসহ আরও অনেকে।

 

চলচ্চিত্রটির গল্প এগিয়েছে জিয়াউল হক পলাশের একটি স্টেজ পারফরম্যান্সকে কেন্দ্র করে। পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বড় ভাইয়ের চরিত্রে সৈয়দ জামান শাওনের উপস্থিতিতে গল্পে যুক্ত হয় অতীতের স্মৃতি, আনন্দ-বেদনা ও নস্টালজিয়া। প্রথম ক্লাইম্যাক্সের পর ‘রিতা’ চরিত্রে পর্দায় হাজির হন পারসা ইভানা।

 

তাঁর অভিনীত চরিত্রটির একটি সংলাপ ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক ও টিকটকে বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে। গল্পের পরতে পরতে থাকা একাধিক ক্লাইম্যাক্স ও চরিত্রের বাঁকবদল কাহিনিতে এক ভিন্ন মাত্রা যোগ করেছে। বিশেষ করে কমেডি, রোম্যান্স ও আবেগঘন দৃশ্যে ‘বাদল’ চরিত্রে পলাশের অনবদ্য অভিনয় দর্শকদের দারুণভাবে মুগ্ধ করেছে।

 

অভিনয়ের পাশাপাশি কারিগরি নির্মাণেও ‘মিস্টার বাদল’ মুন্সিয়ানা দেখিয়েছে। সিনেমাটোগ্রাফি, এডিটিং ও কালার গ্রেডিংয়ের দারুণ সমন্বয়ে গল্পের আবহ সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে। সজিব দাশের করা ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক (বিজিএম) গল্পের বিভিন্ন মুহূর্তকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলেছে। সার্বিকভাবে, আন্তর্জাতিক উৎসবের এই জোড়া স্বীকৃতি নির্মাতা আশরাফুজ্জামান ও পুরো টিমের জন্য এক বড় অর্জন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।


© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

আন্তর্জাতিক

View more
দুবাইয়ে ক্যানসার আক্রান্ত ২ বছরের শিশুর চিকিৎসায় এক সপ্তাহে ৪ লাখ ৫ হাজার দিরহাম সংগ্রহ
দুবাইয়ে ক্যানসার আক্রান্ত ২ বছরের শিশুর চিকিৎসায় এক সপ্তাহে ৪ লাখ ৫ হাজার দিরহাম সংগ্রহ

জন্মের আগে থেকেই জীবনযুদ্ধে লড়ছে দুই বছর বয়সী শিশু আয়ান। একাধিক শারীরিক জটিলতার পাশাপাশি লিউকেমিয়া বা ব্লাড ক্যানসারে আক্রান্ত শিশুটির অস্থিমজ্জা প্রতিস্থাপনের (বোন ম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট) জন্য জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজন ছিল বিপুল অর্থের। এমন কঠিন সময়ে আশার আলো হয়ে আসে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম।   'হোপ আমেল' (Hope Amel) নামক একটি ইনস্টাগ্রাম পেজের মাধ্যমে অপরিচিত মানুষের ভালোবাসায় মাত্র এক সপ্তাহেরও কম সময়ে আয়ানের চিকিৎসার জন্য সংগ্রহ করা হয়েছে ৪ লাখ ৫ হাজার দিরহাম।   আয়ানের বাবা বশির আহমাদ পাকিস্তানি এবং মা রাহমাওয়াতি বিন কার্তাহ ইন্দোনেশীয় নাগরিক। বশির দুবাইয়ের একটি গাড়ি ভাড়ার প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন, যার মাসিক আয় ৫ হাজার দিরহামের চেয়েও কম। সন্তানের চিকিৎসার ব্যয় মেটাতে তিনি নিজের জমানো সব অর্থ খরচ করার পাশাপাশি পাকিস্তানে থাকা বসতবাড়িটিও বিক্রি করে দেন।   এরপরও যখন চিকিৎসার জন্য আরও অর্থের প্রয়োজন হয়, তখন বশিরের পরিচিত এক স্বেচ্ছাসেবকের মাধ্যমে বিষয়টি জানতে পারেন 'হোপ আমেল'-এর প্রতিষ্ঠাতা অ্যাবি কাদোম। গত ১০ সেপ্টেম্বর তিনি আয়ানের গল্পটি ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করে সরাসরি হাসপাতালে অর্থ পাঠানোর আহ্বান জানান।   মাত্র তিন দিনের মধ্যেই লক্ষ্যমাত্রার ৩ লাখ ৯০ হাজার দিরহাম উঠে আসে। এক সপ্তাহের মধ্যে মোট ১০০টিরও বেশি ব্যক্তিগত স্থানান্তরের মাধ্যমে অনুদান পৌঁছায় ৪ লাখ ৫ হাজার দিরহামে। এর মধ্যে এক বেনামি দাতা একাই ২ লাখ ২ হাজার ৫৩০ দিরহাম দান করেন।   এই অপ্রত্যাশিত সহায়তায় আবেগাপ্লুত অ্যাবি বলেন, দুবাইয়ের মতো শহরে যেখানে অনেকেই পরিবার থেকে দূরে থাকেন, সেখানে অপরিচিত মানুষরাই যেন একটি পরিবারের মতো পাশে দাঁড়িয়েছে। ওই বেনামি দাতাকে তিনি ছদ্মবেশী এক দেবদূত হিসেবে আখ্যায়িত করেন।   বর্তমানে আয়ান দুবাইয়ের আল জলিলা চিলড্রেনস হাসপাতালে নিবিড় কেমোথেরাপি নিচ্ছে। এরপর তাকে আবুধাবির বুর্জিল মেডিকেল সিটিতে স্থানান্তর করে অস্থিমজ্জা প্রতিস্থাপন করা হবে। অনুদানের অর্থে ট্রান্সপ্লান্ট ও পরবর্তী ১০০ দিনের চিকিৎসার খরচ মিটে গেলেও, আয়ানের নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস ও ওষুধের জন্য বশিরের লড়াই এখনও পুরোপুরি শেষ হয়নি।   তবে দেশ-বিদেশের অপরিচিত মানুষদের এই অভূতপূর্ব সহায়তায় আয়ানের পরিবার এখন নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখছে এবং সকলের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৬ ১৭:২১
গ্রিসে পর্যটন এলাকায় গ্যাস  বি স্ফোরণে ভবন ধস, ৪ মার্কিন পর্যটকসহ প্রাণ গেল ৬ জনের

গ্রিসে পর্যটন এলাকায় গ্যাস বি স্ফোরণে ভবন ধস, ৪ মার্কিন পর্যটকসহ প্রাণ গেল ৬ জনের

ছত্তিশগড়ের কাঙ্গের ভ্যালি জাতীয় উদ্যানের পরিচালকের অফিসে ছেলের চেয়ারে বসেছেন মা সখুবাই পাডিভার। ছবি: সংগৃহীত

বর্জ্য কুড়িয়ে সন্তানকে পড়িয়েছেন মা, ছেলে গৌতম এখন বন কর্মকর্তা

গ্রিসের রাজধানী এথেন্সের ঐতিহাসিক প্লাকা এলাকায় বিস্ফোরণে একটি আবাসিক ভবন ধসে অন্তত চারজনের মৃত্যু হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত

বাসায় ফেরার দিনই বিস্ফোরণ! এথেন্সে ভবন ধসে মার্কিন দম্পতির মৃত্যু

গ্রেটার নয়ডায় যাত্রীবাহী বাসে আ গুনে মা ও ছেলের ম র্মা ন্তিক মৃ ত্যু
মাকে বাঁচাতে জ্ব ল ন্ত বাসে রয়ে গেলেন ছেলে, আ গু নে দুজনেরই মৃ ত্যু

নয়জনের মধ্যে রয়েছেন সুনীতা গুপ্ত ও তাঁর ছেলে শশাঙ্ক গুপ্ত। পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য অনুযায়ী, আ গু ন ছড়িয়ে পড়ার সময় অসুস্থ মাকে নিয়ে বের হওয়ার চেষ্টা করেছিলেন শশাঙ্ক। মাকে রেখে একা বাস থেকে নেমে যাননি তিনি।   বুধবার গভীর রাতে দিল্লি থেকে উত্তর প্রদেশের মহোবার পথে থাকা বাসটিতে আ গু ন লাগে। শশাঙ্ক গুরুগ্রামে ইন্ডিগোর প্রকৌশলী হিসেবে কাজ করতেন। হাঁটুর চি কি ৎসার জন্য সুনীতা ছেলের কাছে ছিলেন। মাকে নিয়ে বাড়ি ফেরার সময় তাঁরা এই দু র্ঘ ট নার শি কা র হন। বাসে ধোঁয়া ও আ গু ন ছড়িয়ে পড়লে যাত্রীরা দ্রুত বের হওয়ার চেষ্টা করেন। পরিবারের সদস্যদের বক্তব্য অনুযায়ী, হাঁটুর সমস্যার কারণে সুনীতা দ্রুত চলতে পারছিলেন না। তাঁকে নিয়ে বের হওয়ার চেষ্টা করতে গিয়ে শশাঙ্কও বাসের ভেতর আ ট কে পড়েন। দুজনের শেষ মুহূর্তের কথোপকথন নিয়ে বিভিন্ন প্রতিবেদনে ভিন্ন বিবরণ পাওয়া গেছে। শুক্রবার পরিবারের সদস্যরা সুনীতা ও শশাঙ্কের ম র দে হ শনাক্ত করেন। দু র্ঘ ট নাটি কীভাবে ঘটল, বাসে আ গু ন কীভাবে শুরু হয়েছিল এবং নিরাপত্তাব্যবস্থায় কোনো ত্রুটি ছিল কি না—এসব বিষয় খতিয়ে দেখতে ত দ ন্ত চলছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৬ ৮:২
মক্কা-মদিনায় হামলা ‘রেড লাইন’ অতিক্রমের শামিল, জাতিসংঘে শাহবাজের হুঁশিয়ারি

মক্কা-মদিনায় হামলা ‘রেড লাইন’ অতিক্রমের শামিল, জাতিসংঘে শাহবাজের হুঁশিয়ারি

যুক্তরাজ্য থেকে ৪০ হাজার চুরি হওয়া ফোন পাচার: ২ আফগান ও ১ ভারতীয় নাগরিকের কারাদণ্ড

যুক্তরাজ্য থেকে ৪০ হাজার চুরি হওয়া ফোন পাচার: ২ আফগান ও ১ ভারতীয় নাগরিকের কারাদণ্ড

গাজায় ইসরায়েলি হা মলা থেকে প্রাণে বেঁচে ফেরা মার্কিন চিকিৎসকের আবারও ফেরার ঘোষণা

গাজায় ইসরায়েলি হা মলা থেকে প্রাণে বেঁচে ফেরা মার্কিন চিকিৎসকের আবারও ফেরার ঘোষণা

কুয়েতের জাহরায় বিয়ের অনুষ্ঠানে নারীদের তাঁবুতে ভয়াবহ আ গু ন
স্বামীর দ্বিতীয় বিয়ের প্রতিশোধ নিতে তাঁবুতে আগুন দিলেন প্রথম স্ত্রী, প্রা ণ গেল ৫৭ জনের!

২০০৯ সালের ১৫ আগস্ট কুয়েতের জাহরা এলাকায় একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে নারীদের তাঁবুতে আগুন লেগে ৫৭ জন নারী ও শিশু নি হ ত হন। বর দ্বিতীয় বিয়ে করায় ক্ষুব্ধ হয়ে তাঁর প্রথম স্ত্রী নাসরা ইউসুফ মোহাম্মদ আল এনেজি তাঁবুতে আগুন দিয়েছিলেন বলে পরবর্তী সময়ে আদালত তাঁকে দো ষী সাব্যস্ত করে। কয়েক মিনিটের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়া এবং তাঁবু থেকে বের হওয়ার পথ একটি হওয়ায় প্রা ণ হা নি এত বেশি হয়েছিল।   দ্বিতীয় বিয়ের অনুষ্ঠানটি চলছিল নারী ও পুরুষ অতিথিদের জন্য আলাদা আয়োজনে। আগুন লাগে নারীদের অংশে, যেখানে শিশুদেরও অনেকে ছিলেন। তদন্ত ও আদালতে উপস্থাপিত তথ্য অনুযায়ী, নাসরা তাঁবুর কাছে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেন। প্রায় ২০০ জনের বসার উপযোগী তাঁবুটিতে বের হওয়ার জন্য ছিল একটি পথ। আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে অতিথিরা সেই পথ দিয়ে বের হওয়ার চেষ্টা করেন।   ঘটনার পরদিন নাসরাকে গ্রে প্তার করা হয়। ২০১০ সালের মার্চে কুয়েতের একটি আদালত তাঁকে পূর্বপরিকল্পিত হ ত্যা এবং হ ত্যার উদ্দেশ্যে অগ্নিসংযোগের দায়ে মৃ ত্যু দণ্ড দেয়। পরে আপিল আদালতও সেই সাজা বহাল রাখে। বিচারপ্রক্রিয়ার বিভিন্ন পর্যায়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে নি হ তের সংখ্যায় কিছু পার্থক্য থাকলেও ২০১০ সালের রায়ের সংবাদে ৫৭ জনের মৃ ত্যুর কথা উল্লেখ করা হয়।   দণ্ডাদেশের প্রায় সাত বছর পর, ২০১৭ সালের ২৫ জানুয়ারি কুয়েতে আরও ছয়জনের সঙ্গে নাসরার মৃ ত্যু দণ্ড কার্যকর করা হয়। যে বিয়েকে কেন্দ্র করে এই ঘটনা ঘটেছিল, সেদিনের আগুনে প্রা ণ হারিয়েছিলেন এমন বহু নারী ও শিশু, যাঁদের সঙ্গে ওই দাম্পত্য বিরোধের কোনো সম্পর্ক ছিল না।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২৬ ৮:৩০
ভয়াবহ বন্যার ক্ষতি কাটিয়ে পুনর্গঠনে আন্তর্জাতিক অনুদান চেয়েছে নেপাল

ঋণ নয়, অনুদান চায় বন্যাবিধ্বস্ত নেপাল; জাতিসংঘের তহবিলে ২ কোটি ডলারের আবেদন

অ্যাডলফ হিটলারের পাশে তার ভাতিজি অ্যাঞ্জেলা ‘গেলি’ রাউবাল, প্রায় ১৯৩০ সালের ছবি

ভাতিজিকে নিজ হাতে খু ন করেছিলেন হিটলার, ছিল প্রেমের গুঞ্জন - নতুন তথ্যে বদলাচ্ছে ইতিহাস

উত্তর গাজায় নিজেদের ড্রোন বিধ্বস্ত ও বিস্ফোরিত হয়ে দুই ইসরাইলি রিজার্ভ সেনার মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত

গাজায় নিজেদের ড্রোনের বিস্ফোরণেই নিহত দুই ইসরাইলি রিজার্ভ সেনা

0 Comments