আন্তর্জাতিক

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা: মধ্যপ্রাচ্যের পথে বিশ্বের বৃহত্তম রণতরী ‘ইউএসএস জেরাল্ড ফোর্ড’

নিলুফা ইয়াসমিন ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৬ 0
গ্রিসের ন্যাটো ঘাঁটিতে বিশ্বের বৃহত্তম রণতরী ‘ইউএসএস জেরাল্ড ফোর্ড’
গ্রিসের ন্যাটো ঘাঁটিতে বিশ্বের বৃহত্তম রণতরী ‘ইউএসএস জেরাল্ড ফোর্ড’

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মাঝে মধ্যপ্রাচ্যের রণক্ষেত্রে শক্তি প্রদর্শনের অংশ হিসেবে গ্রিসের সুদা বে-তে পৌঁছেছে বিশ্বের বৃহত্তম বিমানবাহী রণতরী ‘ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড’ (CVN 78)। পারমাণবিক শক্তিচালিত এই বিশালাকার যুদ্ধজাহাজটি বর্তমানে গ্রিসের কৌশলগত ন্যাটো ঘাঁটিতে অবস্থান করছে, যেখান থেকে কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে মধ্যপ্রাচ্যের যেকোনো প্রান্তে আঘাত হানা সম্ভব।


বিশ্লেষকরা মনে করছেন, জেনেভায় দুই দেশের মধ্যে নির্ধারিত পরমাণু আলোচনার ঠিক আগমুহূর্তে এই রণতরীর উপস্থিতি তেহরানের প্রতি ওয়াশিংটনের এক কঠোর হুঁশিয়ারি। ১৩ বিলিয়ন ডলার ব্যয়ে নির্মিত ১ লাখ টন ওজনের এই জাহাজটি কয়েকদিন সেখানে যাত্রাবিরতি ও রসদ সংগ্রহের পর এ অঞ্চলে আগে থেকেই মোতায়েন থাকা ‘ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন’ স্ট্রাইক গ্রুপের সঙ্গে যুক্ত হবে। ২০০৩ সালের ইরাক আক্রমণের পর মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের এত বড় সামরিক উপস্থিতি আর দেখা যায়নি।


মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইতোমধ্যে ইরানকে সরাসরি আল্টিমেটাম দিয়েছেন। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, তেহরান যদি তাদের পরমাণু কর্মসূচি সীমিত না করে এবং আঞ্চলিক প্রক্সি গোষ্ঠীগুলোকে সহায়তা বন্ধ না করে, তবে তাদের ‘ভয়াবহ পরিস্থিতির’ সম্মুখীন হতে হবে। হোয়াইট হাউস সূত্র জানায়, কূটনীতি ব্যর্থ হলে সীমিত বিমান হামলা থেকে শুরু করে বড় ধরনের সামরিক অভিযানের পরিকল্পনাও টেবিল রাখা হয়েছে।


এদিকে ইরানের ভেতরেও অস্থিরতা বিরাজ করছে। তেহরানের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে টানা তৃতীয় দিনের মতো সরকারবিরোধী বিক্ষোভ চলছে। শিক্ষার্থীরা ‘স্বৈরাচারের মৃত্যু চাই’ স্লোগান দিয়ে বর্তমান সরকারের পতনের ডাক দিচ্ছে। গত জানুয়ারিতে দেশব্যাপী বিক্ষোভে দমন-পীড়নের পর এই নতুন দফার অস্থিরতা ইরান সরকারকে বেশ চাপে ফেলেছে।


ইউএসএস জেরাল্ড ফোর্ড-এ ৭৫টিরও বেশি অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান এবং উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা রয়েছে। ওয়াশিংটন এই রণতরী মোতায়েনের মাধ্যমে বিশ্বকে এই বার্তাই দিতে চায় যে, তারা যেকোনো পরিস্থিতিতে সামরিক ব্যবস্থা নিতে পুরোপুরি প্রস্তুত। গ্রিসের এই কৌশলগত বন্দরে যাত্রাবিরতি ন্যাটো মিত্রদের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের সুদৃঢ় সম্পর্কের প্রতিফলন হলেও, সম্ভাব্য যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় স্থানীয় পর্যায়ে কিছু উদ্বেগও দেখা দিয়েছে।


জেনেভায় আসন্ন আলোচনা এবং সাগরে মার্কিন যুদ্ধজাহাজের এই উপস্থিতি—সব মিলিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি এখন বারুদের স্তূপের ওপর দাঁড়িয়ে আছে বলেই মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা।

জনপ্রিয় সংবাদ
“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো প্রকাশ: বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব বণ্টনের খসড়া তালিকা

ঢাকা: দেশের সম্ভাব্য নতুন সরকার গঠনকে সামনে রেখে প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো সংবলিত একটি আনুষ্ঠানিক কমিউনিক্যে প্রকাশিত হয়েছে। এতে রাষ্ট্র পরিচালনার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের দায়িত্ব বণ্টনের একটি খসড়া তালিকা তুলে ধরা হয়েছে।   কমিউনিক্যে বলা হয়েছে, এটি সরকারি নথি ও আনুষ্ঠানিক রেফারেন্সের উদ্দেশ্যে প্রস্তুত করা একটি প্রস্তাবিত কাঠামো, যেখানে প্রতিষ্ঠিত সরকারি প্রোটোকল অনুযায়ী সম্ভাব্য নিয়োগ ও দায়িত্ব বণ্টনের বিষয়গুলো উল্লেখ রয়েছে।   প্রস্তাবিত দায়িত্ব বণ্টন অনুযায়ী—     •    রাষ্ট্রপতি: ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন     •    জাতীয় সংসদের স্পিকার: অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন / নিতাই রায় চৌধুরী     •    প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী: তারেক রহমান      •    স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী: মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর     •    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: সালাহউদ্দিন আহমেদ প্রতিমন্ত্রী: শহীদ উদ্দিন চৌধুরী (অ্যানি)     •    পররাষ্ট্রমন্ত্রী: আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, প্রতিমন্ত্রী: ড. হুমায়ুন কবির     •    অর্থমন্ত্রী: ড. এ. বি. মির্জা আজিজুল ইসলাম / ড. রেজা কিবরিয়া (তালিকায় উল্লেখিত অনুযায়ী)     •    শিক্ষামন্ত্রী: আনাম এহসানুল হক মিলন, প্রতিমন্ত্রী: সাঈদ আল নোমান     •    আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী: মো. আসাদুজ্জামান     •    তথ্যমন্ত্রী: আন্দালিব রহমান পার্থ, প্রতিমন্ত্রী: ড. মাহদি আমিন     •    পরিকল্পনামন্ত্রী: ড. আব্দুল মঈন খান     •    বাণিজ্যমন্ত্রী: আব্দুল মুক্তাদির     •    শিল্পমন্ত্রী: আব্দুল আউয়াল মিন্টু     •    নৌপরিবহন মন্ত্রী: মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ     •    শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী: নজরুল ইসলাম খান     •    পানি সম্পদ মন্ত্রী: আসাদুল হাবিব দুলু     •    মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী: ফজলুর রহমান     •    সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী: আমানউল্লাহ আমান     •    সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী: জোনায়েদ সাকি     •    স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রী: ড. এ. জেড. এম. জাহিদ হোসেন     •    যুব ও ক্রীড়ামন্ত্রী: আলী আজগর লবি     •    ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী: শামীম কায়সার লিংকন     •    বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী: আলতাফ হোসেন চৌধুরী     •    বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী: ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু     •    কৃষিমন্ত্রী: শামসুজ্জামান দুদু     •    গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী: মির্জা আব্বাস     •    ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী: নুরুল হক নুর     •    রেলপথমন্ত্রী: গয়েশ্বর চন্দ্র রায়     •    জনপ্রশাসন মন্ত্রী: ড. ইসমাইল জাবিউল্লাহ     •    সমাজকল্যাণ মন্ত্রী: রুহুল কবির রিজভী     •    পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী: দীপেন দেওয়ান   কমিউনিক্যে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, এটি একটি প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো—চূড়ান্ত ঘোষণা, নিয়োগ এবং শপথ গ্রহণ সংবিধান ও রাষ্ট্রীয় প্রক্রিয়া অনুযায়ী সম্পন্ন হবে।

Advertisement

আন্তর্জাতিক

View more
গ্রিসের ন্যাটো ঘাঁটিতে বিশ্বের বৃহত্তম রণতরী ‘ইউএসএস জেরাল্ড ফোর্ড’
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা: মধ্যপ্রাচ্যের পথে বিশ্বের বৃহত্তম রণতরী ‘ইউএসএস জেরাল্ড ফোর্ড’

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মাঝে মধ্যপ্রাচ্যের রণক্ষেত্রে শক্তি প্রদর্শনের অংশ হিসেবে গ্রিসের সুদা বে-তে পৌঁছেছে বিশ্বের বৃহত্তম বিমানবাহী রণতরী ‘ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড’ (CVN 78)। পারমাণবিক শক্তিচালিত এই বিশালাকার যুদ্ধজাহাজটি বর্তমানে গ্রিসের কৌশলগত ন্যাটো ঘাঁটিতে অবস্থান করছে, যেখান থেকে কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে মধ্যপ্রাচ্যের যেকোনো প্রান্তে আঘাত হানা সম্ভব। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, জেনেভায় দুই দেশের মধ্যে নির্ধারিত পরমাণু আলোচনার ঠিক আগমুহূর্তে এই রণতরীর উপস্থিতি তেহরানের প্রতি ওয়াশিংটনের এক কঠোর হুঁশিয়ারি। ১৩ বিলিয়ন ডলার ব্যয়ে নির্মিত ১ লাখ টন ওজনের এই জাহাজটি কয়েকদিন সেখানে যাত্রাবিরতি ও রসদ সংগ্রহের পর এ অঞ্চলে আগে থেকেই মোতায়েন থাকা ‘ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন’ স্ট্রাইক গ্রুপের সঙ্গে যুক্ত হবে। ২০০৩ সালের ইরাক আক্রমণের পর মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের এত বড় সামরিক উপস্থিতি আর দেখা যায়নি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইতোমধ্যে ইরানকে সরাসরি আল্টিমেটাম দিয়েছেন। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, তেহরান যদি তাদের পরমাণু কর্মসূচি সীমিত না করে এবং আঞ্চলিক প্রক্সি গোষ্ঠীগুলোকে সহায়তা বন্ধ না করে, তবে তাদের ‘ভয়াবহ পরিস্থিতির’ সম্মুখীন হতে হবে। হোয়াইট হাউস সূত্র জানায়, কূটনীতি ব্যর্থ হলে সীমিত বিমান হামলা থেকে শুরু করে বড় ধরনের সামরিক অভিযানের পরিকল্পনাও টেবিল রাখা হয়েছে। এদিকে ইরানের ভেতরেও অস্থিরতা বিরাজ করছে। তেহরানের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে টানা তৃতীয় দিনের মতো সরকারবিরোধী বিক্ষোভ চলছে। শিক্ষার্থীরা ‘স্বৈরাচারের মৃত্যু চাই’ স্লোগান দিয়ে বর্তমান সরকারের পতনের ডাক দিচ্ছে। গত জানুয়ারিতে দেশব্যাপী বিক্ষোভে দমন-পীড়নের পর এই নতুন দফার অস্থিরতা ইরান সরকারকে বেশ চাপে ফেলেছে। ইউএসএস জেরাল্ড ফোর্ড-এ ৭৫টিরও বেশি অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান এবং উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা রয়েছে। ওয়াশিংটন এই রণতরী মোতায়েনের মাধ্যমে বিশ্বকে এই বার্তাই দিতে চায় যে, তারা যেকোনো পরিস্থিতিতে সামরিক ব্যবস্থা নিতে পুরোপুরি প্রস্তুত। গ্রিসের এই কৌশলগত বন্দরে যাত্রাবিরতি ন্যাটো মিত্রদের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের সুদৃঢ় সম্পর্কের প্রতিফলন হলেও, সম্ভাব্য যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় স্থানীয় পর্যায়ে কিছু উদ্বেগও দেখা দিয়েছে। জেনেভায় আসন্ন আলোচনা এবং সাগরে মার্কিন যুদ্ধজাহাজের এই উপস্থিতি—সব মিলিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি এখন বারুদের স্তূপের ওপর দাঁড়িয়ে আছে বলেই মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা।

নিলুফা ইয়াসমিন ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৬ 0
রেকর্ড তুষারপাতে বিপর্যস্ত আমেরিকা: অন্ধকারে লাখ লাখ মানুষ

রেকর্ড তুষারপাতে বিপর্যস্ত আমেরিকা: অন্ধকারে লাখ লাখ মানুষ

বেক ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেট

ইসরায়েলের নিশানায় এবার তুরস্ক? মধ্যপ্রাচ্যে নতুন যুদ্ধের দামামা!

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনেয়ি । ছবি-ফরেনপলিসি.কম

খামেনেয়ির ‘মাস্টারপ্ল্যান’: শীর্ষ নেতৃত্বের মৃত্যু হলেও থমকে যাবে না ইরান

জেনারেলের সতর্কতা উপেক্ষা করে ইরান ইস্যুতে কড়া অবস্থান ট্রাম্পের
জেনারেলের সতর্কতা উপেক্ষা করে ইরান ইস্যুতে কড়া অবস্থান ট্রাম্পের

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে ঘিরে সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপ নিয়ে প্রকাশিত একটি গণমাধ্যম প্রতিবেদনকে “পুরোপুরি ভুল” বলে দাবি করেছেন। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এ তথ্য জানায়।   মার্কিন কয়েকটি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়, জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন সম্প্রতি প্রেসিডেন্টকে ইরানের বিরুদ্ধে হামলা চালালে সম্ভাব্য ঝুঁকি কী হতে পারে, সে বিষয়ে সতর্ক করেছেন।   তার মূল্যায়নে, এমন পদক্ষেপ যুক্তরাষ্ট্রকে দীর্ঘমেয়াদি সংঘাতে জড়িয়ে ফেলতে পারে এবং মার্কিন সেনাদের হতাহতের আশঙ্কা বাড়াতে পারে। পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের সম্ভাব্য পাল্টা আঘাত মোকাবিলায় সামরিক প্রস্তুতি ও আঞ্চলিক মিত্রদের সমর্থন নিয়েও প্রশ্ন থাকতে পারে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।   তবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বক্তব্যে এসব খবরকে “ভুয়া” আখ্যা দেন। তিনি বলেন, জেনারেল কেইন যুদ্ধের বিরোধিতা করেছেন—এমন দাবি সঠিক নয়। তার ভাষ্য, প্রয়োজন হলে যুক্তরাষ্ট্র জয়লাভ করবে এবং সম্ভাব্য যুদ্ধ নিয়ে প্রকাশিত খবরগুলো বিকৃতভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।   অন্যদিকে জেনারেল কেইনের দপ্তর থেকে জানানো হয়, সামরিক প্রধান হিসেবে তার দায়িত্ব হলো বেসামরিক নেতৃত্বকে সম্ভাব্য সামরিক বিকল্প, ঝুঁকি এবং পরিণতি সম্পর্কে অবহিত করা। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার এখতিয়ার রাজনৈতিক নেতৃত্বের হাতেই রয়েছে।   বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উপস্থিতি জোরদার করেছে। ওয়াশিংটন দীর্ঘদিন ধরে তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচি, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উন্নয়ন এবং আঞ্চলিক মিত্র গোষ্ঠীগুলোর প্রতি সমর্থন বন্ধের দাবি জানিয়ে আসছে।   অন্যদিকে ইরান জানিয়েছে, তারা আলোচনা চাইলেও যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর শর্ত মেনে নেওয়া তাদের পক্ষে সম্ভব নয়।   বিশ্লেষকদের মতে, দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা বাড়তে থাকলে গোটা মধ্যপ্রাচ্যেই অস্থিতিশীলতা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

নিলুফা ইয়াসমিন ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৬ 0
ভারতে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স বিধ্বস্ত হয়ে সাতজন নিহত

ভারতে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স বিধ্বস্ত হয়ে সাতজন নিহত

ছবি: সংগৃহীত

শিলিগুড়িতে বাংলাদেশিদের হোটেলে থাকার নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার

ছবি: রয়টার্স

সিরিয়া থেকে সেনা সরাতে শুরু করল যুক্তরাষ্ট্র

আলী খামেনি।
মার্কিন হামলায় ভয়ঙ্কর জবাবের হুঁশিয়ারি ইরানের

যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনও মাত্রার হামলার জবাবে ‘ভয়ঙ্কর’ প্রতিক্রিয়া জানাবে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান—এমন কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরান। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে সীমিত হামলার সম্ভাবনার কথা বিবেচনা করছেন বলে জানানোর পর সোমবার এই অবস্থান স্পষ্ট করে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।   ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘায়ি এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে বলেন, সীমিত হামলাসহ যেকোনও আঘাতই স্পষ্টভাবে আগ্রাসন হিসেবে গণ্য হবে। আত্মরক্ষার স্বাভাবিক অধিকারের অংশ হিসেবেই ইরান ভয়ঙ্করভাবে এর জবাব দেবে।   এদিকে, ওমানের মধ্যস্থতায় সুইজারল্যান্ডে দুই দেশের মধ্যে দ্বিতীয় দফার পরোক্ষ আলোচনা শেষ হয়েছে। ইরান ও ওমান বৃহস্পতিবার পরবর্তী দফার আলোচনা হবে বলে নিশ্চিত করলেও যুক্তরাষ্ট্র এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি। এর আগে পারমাণবিক আলোচনায় ইরানকে চুক্তিতে আনতে মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক শক্তি জোরদার করে যুক্তরাষ্ট্র। আলোচনায় সমঝোতা না হলে সীমিত হামলার কথাও জানান ট্রাম্প।   ইরান জোর দিয়ে বলেছে, আলোচনায় কেবল তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়েই কথা হবে। পশ্চিমা দেশগুলো মনে করে, এই কর্মসূচির লক্ষ্য পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি, যদিও তেহরান বরাবরই তা অস্বীকার করে আসছে। ইরানের পক্ষে আলোচনায় নেতৃত্ব দিচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি, আর যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিত্ব করছেন ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও জামাতা জ্যারেড কুশনার।   অন্যদিকে, উত্তেজনা কমাতে কূটনৈতিক সমাধানের আহ্বান জানিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। ইইউর পররাষ্ট্রনীতিবিষয়ক প্রধান কাজা কালাস বলেন, অঞ্চলে নতুন করে আরেকটি যুদ্ধের প্রয়োজন নেই। এই সময়কে কূটনৈতিক সমাধানের সুযোগ হিসেবে কাজে লাগানো উচিত।   ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার কারণে ইরানে নতুন করে সংঘাত শুরুর আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এ অবস্থায় সুইডেন, সার্বিয়া, পোল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়ার পর ভারতও নিজ নাগরিকদের ইরান ত্যাগের আহ্বান জানিয়েছে।   সূত্র: এএফপি।

তাবাস্সুম ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৬ 0
পুলিশ থেকে অপরাধ জগতের সম্রাট: মেক্সিকোর ত্রাস ‘এল মেনচো’র রক্তাক্ত অধ্যায়ের অবসান

পুলিশ থেকে অপরাধ জগতের সম্রাট: মেক্সিকোর ত্রাস ‘এল মেনচো’র রক্তাক্ত অধ্যায়ের অবসান

ইরানে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে দেশের পরিস্থিতি উত্তপ্ত

ইরানে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে দেশের পরিস্থিতি উত্তপ্ত

পাকিস্তানি বিমান অভিযানে আফগানিস্তানে প্রাণহানি বেড়ে ৮০

পাকিস্তানি বিমান অভিযানে আফগানিস্তানে প্রাণহানি বেড়ে ৮০

0 Comments