আমেরিকা

শেষ আপিলও খারিজ! যুক্তরাষ্ট্র ছাড়তে হতে পারে ফিলিস্তিন ইস্যুতে সোচ্চার কলম্বিয়া শিক্ষার্থী মাহমুদ খালিলকে

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ১২, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন আইনি প্রক্রিয়ায় এক গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতির মধ্যে ফিলিস্তিন ইস্যুতে সোচ্চার মাহমুদ খালিলের সর্বশেষ আপিলও খারিজ করেছে বোর্ড অফ ইমিগ্রেশন অ্যাপিলস এর ফলে নিউইয়র্কের কলম্বিয়া ইউনিভার্সিটির এই শিক্ষার্থী এখন যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিষ্কারের বাস্তব ঝুঁকির মুখে পড়েছেন।

 

খালিলের আইনজীবীদের বরাতে জানা যায়, অভিবাসন আপিল বোর্ড বৃহস্পতিবার তার বিরুদ্ধে একটি চূড়ান্ত বহিষ্কার আদেশ ফাইনাল অর্ডার অফ রিমুভাল জারি করেছে। সাধারণত এই বোর্ডের সিদ্ধান্তগুলো জনসমক্ষে প্রকাশ করা হয় না। এ বিষয়ে জানতে চাইলে ইউএস ডিপার্টমেন্ট অফ জাস্টিস তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য দেয়নি। 

 

ফিলিস্তিন ইস্যুতে সরব এই শিক্ষার্থী রায়টি নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তিনি বলেন, এই সিদ্ধান্ত “পক্ষপাতদুষ্ট ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত”। এক বিবৃতিতে খালিল অভিযোগ করেন, আমি যে একমাত্র কাজ করেছি তা হলো ফিলিস্তিনে চলমান গণহত্যার বিরুদ্ধে কথা বলা। আমাকে শাস্তি দিতে এই প্রশাসন অভিবাসন ব্যবস্থাকে ব্যবহার করছে।

 

তবে তার আইনজীবীরা জানিয়েছেন, এই রায় সত্ত্বেও খালিলকে এখনই আটক বা বহিষ্কার করা সম্ভব নয়। কারণ, তিনি একই সঙ্গে ফেডারেল আদালতে একটি পৃথক মামলা লড়ছেন, যা এখনো বিচারাধীন। সেই মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বহিষ্কার প্রক্রিয়া স্থগিত থাকতে পারে। বিশ্লেষকদের মতে, এই মামলা শুধুমাত্র একটি অভিবাসন সংক্রান্ত বিষয় নয়; বরং এটি যুক্তরাষ্ট্রে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা বনাম অভিবাসন আইন প্রয়োগ—এই জটিল প্রশ্নকে সামনে নিয়ে এসেছে।


বিশেষ করে রাজনৈতিকভাবে সংবেদনশীল ইস্যুতে সোচ্চার বিদেশি শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে অভিবাসন আইনের প্রয়োগ নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন আদালতগুলোতে কঠোরতা বৃদ্ধি, আপিল খারিজের হার বৃদ্ধি এবং রাজনৈতিক সংবেদনশীল মামলাগুলোতে প্রশাসনের অবস্থান নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা চলছে। মাহমুদ খালিলের মামলাটি সেই বৃহত্তর প্রেক্ষাপটের একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

Advertisement

আমেরিকা

View more
ছবি: সংগৃহীত
চাঁদ জয় থেকে মাত্র এক ধাপ দূরে নাসা: সফলভাবে ফিরল আর্টেমিস ২-এর নভোচারীরা

চাঁদে মানুষের উপস্থিতি পুনরায় জোরদার করতে ধারাবাহিকভাবে এগিয়ে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ কর্মসূচি। ‘আর্টেমিস ২’ মিশনের সফলতার পর এবার ২০২৭ সালে ‘আর্টেমিস ৩’ অভিযানের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে, যার মাধ্যমে চাঁদের মাটিতে অবতরণের পরিকল্পনা রয়েছে।   মার্কিন নৌবাহিনীর উদ্ধারকারী জাহাজে অবস্থান করে নাসার প্রশাসক Jared Isaacman ‘আর্টেমিস ২’ মিশনকে সফল ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, এই অর্জন শুধু একটি সংস্থার নয়, বরং সমগ্র মানবজাতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি মাইলফলক।   মিশনের নভোচারীদের দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের প্রশংসা করে তিনি জানান, এই অভিযানের মাধ্যমে চাঁদে যাওয়া ও নিরাপদে ফিরে আসার সক্ষমতা আবারও প্রমাণিত হয়েছে। এটি ভবিষ্যতের আরও বড় লক্ষ্য অর্জনের ভিত্তি তৈরি করেছে।   তিনি আরও বলেন, এখন লক্ষ্য হচ্ছে নিয়মিতভাবে চাঁদে নভোচারী পাঠানো এবং নিরাপদে ফিরিয়ে আনা। এই ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবে ২০২৭ সালে ‘আর্টেমিস ৩’ উৎক্ষেপণের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।   পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৮ সালের মধ্যে চাঁদের পৃষ্ঠে একটি স্থায়ী ঘাঁটি গড়ে তোলার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে মহাকাশ গবেষণা ও দীর্ঘমেয়াদি মানব উপস্থিতির নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হতে পারে। নাসা মনে করছে, এই কর্মসূচি শুধু চাঁদে সীমাবদ্ধ থাকবে না; ভবিষ্যতে আরও দূর মহাকাশ অভিযানের পথও সুগম করবে।

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ১২, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

শেষ আপিলও খারিজ! যুক্তরাষ্ট্র ছাড়তে হতে পারে ফিলিস্তিন ইস্যুতে সোচ্চার কলম্বিয়া শিক্ষার্থী মাহমুদ খালিলকে

ছবি: সংগৃহীত

দুই দশকে ৭ লাখ কম জন্ম: যুক্তরাষ্ট্রে জনসংখ্যা সংকটের নীরব সতর্কবার্তা

ছবি: সংগৃহীত

ভিসা পেতে সাজানো ডাকাতি: যুক্তরাষ্ট্রে ১০ ভারতীয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ

সিনেটর জন কর্নিন ও টেক্সাসের অ্যাটর্নি জেনারেল ক্যান প্যাক্সটন
টেক্সাস প্রাইমারি নির্বাচন: ভোটার টানতে রিপাবলিকান শিবিরে ইসলাম-বিদ্বেষী প্রচারণার হিড়িক

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের আসন্ন রিপাবলিকান প্রাইমারি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে উত্তাপ ছড়াচ্ছে। তবে এবারের প্রচারণায় উন্নয়নের চেয়েও বেশি প্রাধান্য পাচ্ছে মুসলিম বিদ্বেষী বক্তব্য ও ইসলামফোবিয়া। রিপাবলিকান প্রার্থীদের একটি বড় অংশ উগ্র রক্ষণশীল ভোটারদের তুষ্ট করতে এবং দলীয় সমর্থন নিশ্চিত করতে মুসলিম সম্প্রদায়কে লক্ষ্যবস্তু বানাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সিএনএন-এর বিশেষ প্রতিবেদনে উঠে এসেছে যে, টেক্সাসের শীর্ষ পর্যায়ের রিপাবলিকান প্রার্থীরা বিভিন্ন টেলিভিশন বিজ্ঞাপন এবং জনসভায় ইসলামকে সরাসরি ‘পাশ্চাত্য সভ্যতার জন্য হুমকি’ হিসেবে চিত্রায়িত করছেন। অনেক প্রার্থী তাদের নির্বাচনী প্রচারণায় দাবি করছেন যে, যুক্তরাষ্ট্রে ‘শরিয়া আইন’ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা চলছে এবং তারা এর কট্টর বিরোধী। বিশেষ করে ক্যান প্যাক্সটন এবং জন কর্নিনের মতো হেভিওয়েট প্রার্থীদের প্রচারণায় এই সুর অত্যন্ত জোরালো। রিপাবলিকান অ্যাটর্নি জেনারেল পদপ্রার্থী অ্যারন রেইৎজ তার এক বিতর্কিত বিজ্ঞাপনে সরাসরি মুসলিম অভিবাসনকে ‘আগ্রাসন’ বলে অভিহিত করেছেন। এছাড়া ডালাসের উত্তরে একটি মসজিদকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা আবাসিক প্রকল্প নিয়ে রিপাবলিকান শিবিরে তুমুল বিরোধ দেখা দিয়েছে, যা তারা রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, টেক্সাসের রিপাবলিকান ভোটারদের একটি বড় অংশ ধর্মীয়ভাবে রক্ষণশীল। তাদের ভোট নিশ্চিত করতেই প্রার্থীরা ‘ভয়ের রাজনীতি’ বেছে নিয়েছেন। রিপাবলিকান কনসালট্যান্ট ভিনি মিনচিলো বলেন, "টেক্সাস রিপাবলিকান প্রাইমারিতে মুসলিম ভীতি বা ইসলামফোবিয়া একটি অত্যন্ত কার্যকর রাজনৈতিক অস্ত্র। ভোটারদের মধ্যে এক ধরণের কাল্পনিক ভয় ঢুকিয়ে দিয়ে তাদের ভোট আদায় করা অনেক সহজ।" এদিকে, এই ধরণের প্রচারণাকে ‘অমানবিক’ এবং ‘বিপজ্জনক’ বলে আখ্যা দিয়েছে টেক্সাসের মুসলিম নাগরিক অধিকার সংগঠনগুলো। ‘কাউন্সিল অন আমেরিকান-ইসলামিক রিলেশন্স’ (CAIR)-এর অস্টিন শাখার অপারেশন ম্যানেজার শায়মা জায়ান বলেন, "আমাদেরকে বলির পাঁঠা বানানো হচ্ছে। নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিল করতে তারা একটি পুরো সম্প্রদায়কে দানব হিসেবে উপস্থাপন করছে। এটি কেবল বিভাজনই বাড়াবে না, বরং মুসলিম নাগরিকদের নিরাপত্তা ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপরও প্রভাব ফেলছে।" উল্লেখ্য যে, টেক্সাসে প্রায় ৩ লাখের বেশি মুসলিম বসবাস করেন, যা যুক্তরাষ্ট্রের চতুর্থ বৃহত্তম মুসলিম জনসংখ্যা। হওয়া সত্ত্বেও, আসন্ন মে মাসের রান-অফ এবং নভেম্বরের চূড়ান্ত নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে বর্ণবাদ ও ইসলামফোবিয়াকে মূলধারার রাজনীতিতে নিয়ে আসার এই প্রবণতা মার্কিন গণতন্ত্রের জন্য অশনিসংকেত হিসেবে দেখছেন মানবাধিকার কর্মীরা। সিএনএন-এর তথ্য অনুযায়ী, রিপাবলিকান প্রাইমারি নির্বাচনে প্রার্থীদের মধ্যে কে কার চেয়ে বেশি ইসলাম বিরোধী হতে পারেন, তা নিয়ে যেন এক অঘোষিত প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। এই মেরুকরণের রাজনীতি টেক্সাসের আগামী দিনের সামাজিক স্থিতিশীলতাকে চ্যালেঞ্জের মুখে ঠেলে দিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ১২, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।

নাইজেরিয়ার নাগরিকদের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিষেধাজ্ঞা আরোপ

ছবি: সংগৃহীত।

নিউ ইয়র্কে ফের সহিংসতা: ছুরিকাঘাতে আহত তিন, পুলিশের গুলিতে নিহত হামলাকারী

ছবি: সংগৃহীত

নিউইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানির প্রথম ১০০ দিনের হিসাব

আটলান্টায় উত্তর আমেরিকা বিএনপির ২ দিনব্যাপী সাংগঠনিক কর্মশালা ও সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে

যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টা শহরে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি))-এর উত্তর আমেরিকা শাখার ২ দিনব্যাপী সাংগঠনিক কর্মশালা ও সম্মেলন।   আয়োজকরা জানিয়েছেন, আগামী ২৫ ও ২৬ এপ্রিল ২০২৬ এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার বিভিন্ন অঙ্গরাজ্য থেকে বিএনপির নেতাকর্মীরা অংশগ্রহণ করবেন।   এই কর্মশালায় সংগঠনের কাঠামো শক্তিশালী করা, প্রবাসে দলীয় কার্যক্রম আরও গতিশীল করা এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে। এতে উত্তর আমেরিকার বিভিন্ন বিএনপি কমিটির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থাকবেন।   অনুষ্ঠানটি বাস্তবায়নে সার্বিক সহযোগিতা করছে বিএনপি জর্জিয়া, যুক্তরাষ্ট্র। এছাড়া আয়োজনে সক্রিয় ভূমিকা রাখছে বিএনপি মেরিল্যান্ড স্টেট কমিটি।   দলীয় নেতারা আশা প্রকাশ করেছেন, এই আয়োজনের মাধ্যমে উত্তর আমেরিকায় বিএনপির কার্যক্রমে নতুন গতি আসবে এবং নেতাকর্মীদের মধ্যে সমন্বয় আরও জোরদার হবে।

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ১১, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।

২৯ হাজার কোটি টাকার বিমান ধ্বংস! ইরানে বিশাল ক্ষতির মুখে যুদ্ধ বন্ধে বাধ্য হন ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্রে ডিসেম্বর থেকে ১৮-২৫ বছরের নাগরিকদের স্বয়ংক্রিয় মিলিটারি নিবন্ধন শুরু

যুক্তরাষ্ট্রে ডিসেম্বর থেকে ১৮-২৫ বছরের নাগরিকদের স্বয়ংক্রিয় মিলিটারি নিবন্ধন শুরু

ছবি: সংগৃহীত

নিউইয়র্কে দখলদারদের কবলে ৫৪৮ সরকারি আবাসন, গ্রেপ্তার ৮১

0 Comments