আন্তর্জাতিক

আদালতের সিদ্ধান্তেই নির্ভর করছে ইমরান খানের চিকিৎসা ব্যবস্থা

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬ 0
আদালতের সিদ্ধান্তেই নির্ভর করছে ইমরান খানের চিকিৎসা ব্যবস্থা
আদালতের সিদ্ধান্তেই নির্ভর করছে ইমরান খানের চিকিৎসা ব্যবস্থা

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের–এর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রানা সানাউল্লাহ জানিয়েছেন, আদালত নির্দেশ দিলে কারাবন্দি সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে হাসপাতালে স্থানান্তরের ব্যবস্থা করা হতে পারে।

 

বুধবার এক টক শোতে তিনি বলেন, রাওয়ালপিন্ডি সেন্ট্রাল জেলে গঠিত পাঁচ সদস্যের মেডিকেল বোর্ড ইতোমধ্যে দু’দফা ইমরান খানের স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন করেছে। চিকিৎসা নিয়ে পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) অসন্তুষ্ট হলে তারা যেন আদালতের শরণাপন্ন হয়—এমন মন্তব্যও করেন তিনি।

 

এর আগে ইসলামাবাদের পাকিস্তান ইন্সটিটিউট অব মেডিক্যাল সাইন্সেস (পিআইএমএস)-এ ফলোআপে গিয়ে ইমরান খান দ্বিতীয়বারের মতো চোখে ইনজেকশন নেন। চলতি বছরের জানুয়ারির শেষ দিকে তার ডান চোখে প্রথম ইনজেকশন দেওয়া হয়েছিল। চিকিৎসকেরা মোট তিনটি ইনজেকশন দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন, যার শেষটি আগামী ২৩ মার্চ দেওয়ার কথা রয়েছে।

 

ইমরান খানের আইনজীবী সালমান সাফদার সুপ্রিম কোর্টে জমা দেওয়া এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন, তিনি ‘সেন্ট্রাল রেটিনাল ভেইন অক্লুশন (সিআরভিও)’ নামের জটিল চোখের রোগে ভুগছেন। ২০২৩ সালের আগস্টে কারাবন্দি হওয়ার পর থেকে তার ডান চোখের প্রায় ৮৫ শতাংশ দৃষ্টিশক্তি হারানোর অভিযোগও প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়।

 

টক শোতে রানা সানাউল্লাহ আরও দাবি করেন, জেলবিধি ভঙ্গের কারণে পিটিআই নেতৃবৃন্দ ও পরিবারের সঙ্গে ইমরান খানের সাক্ষাৎ সীমিত করার পরই তার অসুস্থতা নিয়ে নানা গুঞ্জন ছড়ায়। পরিস্থিতি পরিষ্কার করতে তার বোনের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ দেওয়া হয়েছিল বলেও জানান তিনি।

 

তিনি বলেন, পরিবার বা দলের সন্তুষ্টির বিষয়টি আইনি প্রক্রিয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। তার অভিযোগ, পিটিআই নেতৃত্ব ইমরান খানের শারীরিক অসুস্থতাকে রাজনৈতিকভাবে কাজে লাগানোর চেষ্টা করছে।

 

এছাড়া তিনি প্রশ্ন তোলেন, চিকিৎসকদের সাক্ষাতের অনুমতি দিয়ে পরবর্তীতে কোনো বিতর্কিত মন্তব্য এলে দায়ভার কে নেবে। একই প্রসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, নওয়াজ শরিফ হৃদরোগে আক্রান্ত হলে আদালতের অনুমতি ও আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই বিদেশে চিকিৎসা নিতে গিয়েছিলেন।

জনপ্রিয় সংবাদ
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

Advertisement

আন্তর্জাতিক

View more
উত্তর হাইতির একটি পর্বতচূড়ায় অবস্থিত একটি বিশাল পাথরের দুর্গ | ছবি: সংগৃহীত
হাইতিতে ঐতিহাসিক দুর্গে পদদলিত হয়ে অন্তত ৩০ জনের মৃত্যু

হাইতির উত্তরাঞ্চলের ঐতিহাসিক 'সিটাডেল লাফেরিয়ের' দুর্গে বার্ষিক উৎসব চলাকালীন এক ভয়াবহ পদদলনের ঘটনায় অন্তত ৩০ জন নিহত হয়েছেন। ইউনেস্কো স্বীকৃত এই বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানে শনিবার হাজার হাজার পর্যটক ও শিক্ষার্থীর উপস্থিতিতে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। দেশটির সিভিল প্রোটেকশন বিভাগের প্রধান জঁ অঁরি পেতি জানান, দুর্গের প্রবেশপথে প্রচণ্ড ভিড় এবং সেই সাথে বৃষ্টি পরিস্থিতির অবনতি ঘটায় এই বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের বরাতে জানা গেছে, ভিড় সামলাতে পুলিশের টিয়ার শেল নিক্ষেপের গুঞ্জন থেকেও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়তে পারে। নিহতদের মধ্যে বড় একটি অংশই তরুণ ও শিক্ষার্থী। হাইতির প্রধানমন্ত্রী আলিক্স দিদিয়ে ফিলস-আইমে এই ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলোর প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।  সাম্প্রতিক সময়ে সহিংসতা ও প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে জর্জরিত হাইতির জন্য এই ঘটনা এক নতুন শোকের ছায়া নিয়ে এসেছে। উদ্ধারকাজ এখনও চলছে এবং নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ১২, ২০২৬ 0
সিএসি/পিএসি জেএফ-১৭ থান্ডার যুদ্ধবিমান | ছবি: সংগৃহীত

প্রতিরক্ষা চুক্তির অধীনে সৌদি আরবে পাকিস্তানের যুদ্ধবিমান মোতায়েন; মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে ‘আয়রন এসকর্ট’

ইরানের সংসদের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবফ | ছবি: সংগৃহীত

যুদ্ধবিরতি ও সম্পদ মুক্তি ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের সাথে কোনো আলোচনা নয়: ইরানের কঠোর বার্তা

ছবি: সংগৃহীত

ফ্লোরিডায় বাংলাদেশি নারী ইয়াসমিনের হত্যাকারীকে ‘পশু’ বললেন ট্রাম্প

তাইওয়ানের প্রধান বিরোধী দল কুওমিনতাং-এর শীর্ষ নেতা ও সাবেক প্রেসিডেন্ট মা ইং-জেউ-এর সঙ্গে এক বিরল ও ঐতিহাসিক বৈঠকে মিলিত হয়েছেন চীনের প্রেসিডেন্ট সি জিনপিং | ছবি: সংগৃহীত
দুই নেতার ঐতিহাসিক বৈঠক: তাইওয়ানকে আরও কাছে টানছে চীন

তাইওয়ান প্রণালীতে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মাঝে দ্বীপরাষ্ট্রটিকে চীনের আরও ঘনিষ্ঠ করার লক্ষ্যে তাইওয়ানের প্রধান বিরোধী দল কুওমিনতাং-এর (KMT) শীর্ষ নেতা ও সাবেক প্রেসিডেন্ট মা ইং-জেউ-এর সঙ্গে এক বিরল ও ঐতিহাসিক বৈঠকে মিলিত হয়েছেন চীনের প্রেসিডেন্ট সি জিনপিং। বুধবার বেইজিংয়ের গ্রেট হল অব দ্য পিপল-এ এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত এক দশকেরও বেশি সময়ের মধ্যে এই প্রথম কোনো বর্তমান বা সাবেক তাইওয়ানি নেতার সঙ্গে বেইজিংয়ে বৈঠক করলেন সি জিনপিং। এই বৈঠককে তাইওয়ানের সাধারণ মানুষের কাছে একটি বিশেষ বার্তা হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা। বেইজিং মূলত এটি বোঝাতে চাইছে যে, তাইওয়ানের বর্তমান ক্ষমতাসীন ডেমোক্রেটিক প্রগ্রেসিভ পার্টির (DPP) বিপরীতে যারা বেইজিংয়ের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রাখতে চায়, তাদের জন্য আলোচনার পথ সবসময় খোলা। বৈঠকে সি জিনপিং বলেন, "বহিরাগত কোনো শক্তি আমাদের পুনর্মিলনের এই ঐতিহাসিক ধারাকে রুখতে পারবে না। আমরা সবাই একই জাতি এবং একই পরিবারের সদস্য।" তিনি আরও জোর দিয়ে বলেন যে, তাইওয়ান ও চীনের মধ্যকার মতপার্থক্য মেটানোর জন্য আলোচনার কোনো বিকল্প নেই। অন্যদিকে, সাবেক প্রেসিডেন্ট মা ইং-জেউ শান্তির ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, "যদি দুই পক্ষের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হয়, তবে তা হবে পুরো চীনা জাতির জন্য একটি অপূরণীয় ক্ষতি।" তিনি ১৯৯২ সালের 'এক চীন' নীতির (1992 Consensus) প্রতি শ্রদ্ধা রেখে দুই দেশের মধ্যকার বৈরিতা কমিয়ে আনার আহ্বান জানান। বিশ্লেষকদের মতে, তাইওয়ানের নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে লাই চিং-তে শপথ নেওয়ার মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগে সি এবং মা-এর এই বৈঠক অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। চীন লাই চিং-তে-কে একজন 'বিপজ্জনক বিচ্ছিন্নতাবাদী' হিসেবে গণ্য করে। এমতাবস্থায় বিরোধী নেতার সঙ্গে সি জিনপিংয়ের এই হৃদ্যতা তাইওয়ানের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে চাপ সৃষ্টির একটি কৌশল হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, ১৯৪৯ সালে গৃহযুদ্ধের পর থেকেই চীন ও তাইওয়ান আলাদাভাবে শাসিত হয়ে আসছে। তবে চীন সবসময়ই তাইওয়ানকে তাদের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে দাবি করে এবং প্রয়োজনে সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে এটি দখল করার হুমকি দিয়ে রেখেছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তাইওয়ান প্রণালীতে চীনের সামরিক তৎপরতা বৃদ্ধি পাওয়ায় আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ১০, ২০২৬ 0
বেলজিয়ামের প্রধানমন্ত্রী বার্ট ডি ওয়েভার | ছবি: সংগৃহীত

ফিলিস্তিনিদের ওপর সহিংসতা ‘অগ্রহণযোগ্য’, বসতি স্থাপন বন্ধের দাবি বেলজিয়ামের

ছবি: সংগৃহীত

৪০ দিনের যুদ্ধে ইরানের ১৮ লক্ষ কোটি টাকার ক্ষতি; ধ্বংস হয়েছে ১ লাখের বেশি ঘরবাড়ি

ছবি: সংগৃহীত

১ হাজার ইউক্রেনীয় সেনার লাশ ফেরত দিল রাশিয়া

ছবি: সংগৃহীত
ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি বৈঠক শনিবার; উভয় দেশের শীর্ষ প্রতিনিধিদের তালিকা প্রকাশ

আগামী শনিবার (১১ এপ্রিল) পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার যুদ্ধ বন্ধের ঐতিহাসিক শান্তি আলোচনা। দীর্ঘ সংঘাতের পর দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিকে স্থায়ী রূপ দিতে এই বৈঠকে অংশ নেবেন দুই দেশের শীর্ষ পর্যায়ের নীতি-নির্ধারকরা। বৈঠকের আয়োজক দেশ হিসেবে পাকিস্তান ইতোমধ্যে অংশগ্রহণকারী প্রতিনিধিদের প্রাথমিক তালিকা প্রকাশ করেছে।   যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদল: ওয়াশিংটনের পক্ষে আলোচনার নেতৃত্বে থাকছেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স। তাঁর সঙ্গে প্রতিনিধিদলে রয়েছেন হোয়াইট হাউসের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ, ট্রাম্পের জামাতা ও সাবেক সিনিয়র প্রেসিডেন্সিয়াল অ্যাডভাইজার জ্যারেড কুশনার এবং সেন্টকম কমান্ডার অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার।   ইরানের প্রতিনিধিদল: তেহরানের পক্ষে গুরুত্বপূর্ণ নীতিনির্ধারকদের এই দলে থাকছেন পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ, পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি এবং উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী মজিদ তাখত রাভানচি।   পাকিস্তানের সমন্বয়কারী দল: আলোচনার প্রধান সমন্বয়ক হিসেবে পাকিস্তানের পক্ষ থেকে থাকছে অত্যন্ত শক্তিশালী একটি দল। এতে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মুহাম্মদ শাহবাজ শরিফ, সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল সৈয়দ আসিম মুনির, উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল আসিম মালিক এবং আইএসআই প্রধান।   এই হাই-ভোল্টেজ বৈঠকের মূল লক্ষ্য হলো চলমান যুদ্ধবিরতিকে দীর্ঘস্থায়ী চুক্তিতে রূপান্তর করা এবং হরমুজ প্রণালি নিয়ে সৃষ্ট বৈশ্বিক অচলাবস্থার নিরসন ঘটানো। বিশ্বনেতারা মনে করছেন, ইসলামাবাদের এই উদ্যোগই মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফেরানোর শেষ ভরসা হয়ে উঠতে পারে।

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ৯, ২০২৬ 0
স্পেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হোসে ম্যানুয়েল আলবারেস | ছবি: সংগৃহীত

ইসরায়েলি আগ্রাসনের তীব্র নিন্দা: ইরানে পুনরায় দূতাবাস খোলার ঘোষণা স্পেনের

ছবি: সংগৃহীত

ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিতে গিয়ে ৪ অভিবাসীর মৃত্যু; ডিঙি থেকে সাগরে পড়ে মর্মান্তিক পরিণতি

ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান | ছবি: সংগৃহীত

আমাদের আঙুল এখনো ট্রিগারে: লেবানন ইস্যুতে ইসরায়েলকে ইরানের কড়া বার্তা

0 Comments