বিশ্ব

হরমুজ প্রণালী দিয়ে জ্বালানি তেলবাহী ট্যাংকার চলাচল শুরু, স্বস্তিতে বিশ্ববাজার

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ১২, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।
ছবি: সংগৃহীত।

দীর্ঘ উত্তেজনার পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতির সুযোগে পারস্য উপসাগরের গুরুত্বপূর্ণ জলপথ ‘হরমুজ প্রণালী’ দিয়ে পুনরায় জ্বালানি তেলবাহী বিশালাকার ট্যাংকার চলাচল শুরু হয়েছে। শিপিং ডেটা বা জাহাজ চলাচল সংক্রান্ত তথ্য বিশ্লেষণ করে রোববার আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো এই খবর নিশ্চিত করেছে।


ফেব্রুয়ারি মাসের শেষ দিকে ইরান ও ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সংঘাত শুরুর পর থেকে বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহের অন্যতম এই ‘চোক পয়েন্ট’ বা সংকীর্ণ জলপথটি কার্যত অবরুদ্ধ ছিল। এর ফলে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামে ব্যাপক অস্থিরতা তৈরি হয়। তবে বর্তমান দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি চলাকালীন স্থবির হয়ে পড়া কয়েকশ ট্যাংকারের মধ্যে অন্তত তিনটি সুপারট্যাংকার ইতোমধ্যে এই এলাকা অতিক্রম করেছে।


লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জ গ্রুপের (LSEG) তথ্য অনুযায়ী, মালয়েশিয়া ও চীনের পতাকাবাহী তিনটি ‘ভেরি লার্জ ক্রুড ক্যারিয়ার’ (VLCC) শনিবার হরমুজ প্রণালীর ট্রায়াল অ্যাঙ্করেজ এলাকা পার হয়েছে। এগুলোর মধ্যে রয়েছে লাইবেরিয়ার পতাকাবাহী ‘সেরিফস’ এবং চীনের ‘কসপিয়ার্ল লেক’ ও ‘হে রং হাই’। এর প্রতিটি জাহাজ প্রায় ২০ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল বহনে সক্ষম।


বিশ্লেষকরা বলছেন, গত সপ্তাহে ইরাকি তেল নিয়ে ‘ওশান থান্ডার’ নামক আরেকটি ট্যাংকার সফলভাবে এই পথ অতিক্রম করার পর থেকে বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর মধ্যে আস্থা ফিরতে শুরু করেছে। বর্তমানে অন্তত তিনটি খালি জাহাজ তেল লোড করার জন্য পারস্য উপসাগরে প্রবেশের অপেক্ষায় রয়েছে।


এদিকে ইসলামাবাদে পাকিস্তান সরকারের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সরাসরি আলোচনা চললেও এখনো কোনো চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স কোনো রফাসূত্র ছাড়াই ইসলামাবাদ ত্যাগ করেছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। ইরান এই জলপথ দিয়ে যাতায়াতকারী জাহাজের ওপর টোল আদায়ের প্রস্তাব দিলেও আন্তর্জাতিক মেরিটাইম সংস্থা (IMO) এর তীব্র বিরোধিতা করেছে।


বিশ্বের মোট জ্বালানি তেল ও এলএনজি (LNG) সরবরাহের প্রায় ২০ শতাংশ এই হরমুজ প্রণালী দিয়ে পরিবাহিত হয়। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে চলা অবরোধের কারণে বিশ্বজুড়ে মূল্যস্ফীতি ও জ্বালানি সংকট তীব্র আকার ধারণ করেছিল। জাহাজ চলাচল পুনরায় শুরু হওয়ায় বাজারে কিছুটা স্বস্তি ফিরলেও, যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর এই প্রবাহ অব্যাহত থাকবে কি না, তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ রয়ে গেছে।


বিশেষজ্ঞদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের এই অস্থিতিশীল পরিস্থিতি নিরসনে হরমুজ প্রণালী নিয়ে একটি স্থায়ী আন্তর্জাতিক চুক্তিতে পৌঁছানো এখন সময়ের দাবি।

জনপ্রিয় সংবাদ
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

Advertisement

বিশ্ব

View more
ছবি: সংগৃহীত।
যে কারণে সমাধান ছাড়াই শেষ হলো যুক্তরাষ্ট্র-ইরান বৈঠক

কয়েক দশকের বৈরিতা কাটিয়ে অবশেষে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় মুখোমুখি বসেছিল যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের উচ্চপদস্থ প্রতিনিধিরা। তবে দীর্ঘ প্রতীক্ষিত এই সরাসরি আলোচনা কোনো চুক্তি বা সমঝোতা ছাড়াই শেষ হয়েছে। আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। প্রতিবেদনে জানানো হয়, পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে এই গোপন অথচ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের আয়োজন করে পাকিস্তানি কর্মকর্তারা। কয়েক দশকের মধ্যে এটিই ছিল দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দেশের মধ্যে প্রথম কোনো উচ্চপর্যায়ের সরাসরি (face-to-face) আলোচনা। মূলত চলমান যুদ্ধ ও আঞ্চলিক অস্থিরতা নিরসনে একটি ঐকমত্যে পৌঁছানোই ছিল এই আলোচনার মূল লক্ষ্য। আল-জাজিরার প্রতিনিধি ওসামা বিন জাভেদ জানান, পাকিস্তান উভয় পক্ষকে আলোচনার টেবিলে বসাতে সক্ষম হলেও, যুদ্ধের সমাপ্তি টানার শর্তাবলি নিয়ে দেশ দুটি কোনো সমঝোতায় পৌঁছাতে পারেনি। দীর্ঘ আলোচনার পরও কোনো পক্ষই তাদের অবস্থানে ছাড় দিতে রাজি হয়নি, যার ফলে কোনো চুক্তি ছাড়াই সমাপ্তি ঘটে এই সম্মেলনের। বিশ্লেষকরা বলছেন, পাকিস্তান মধ্যস্থতাকারী হিসেবে দুই পক্ষকে একত্রিত করতে পারলেও তাদের ওপর কোনো সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়ার ক্ষমতা বা সক্ষমতা ছিল না। মূলত যুদ্ধের শর্তাবলী এবং আঞ্চলিক স্বার্থ নিয়ে দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান গভীর অনাস্থাই এই আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার প্রধান কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে চলে আসা কূটনৈতিক অচলাবস্থা ভাঙতে এই উদ্যোগকে একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হলেও, মাঠপর্যায়ে এর কোনো তাৎক্ষণিক প্রভাব পড়বে না বলেই ধারণা করা হচ্ছে। ওয়াশিংটন বা তেহরান—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এই বৈঠকের বিস্তারিত ফলাফল নিয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি পাওয়া যায়নি। তবে এই আলোচনা ব্যর্থ হওয়া মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্ব রাজনীতির প্রেক্ষাপটে নতুন করে উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে। শান্তি ফেরানোর এই বিরল সুযোগ হাতছাড়া হওয়ায় যুদ্ধ পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ১২, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।

হরমুজ প্রণালী দিয়ে জ্বালানি তেলবাহী ট্যাংকার চলাচল শুরু, স্বস্তিতে বিশ্ববাজার

ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার এবং তেহরান প্রতিনিধিদলের প্রধান মোহাম্মদ বাগের গালিবাফ

যুক্তরাষ্ট্রের ব্যর্থতায় ভেস্তে গেল আলোচনা: ইরানি স্পিকারের হুঁশিয়ারি

ফাইল ছবি

ইরানের আন্দোলনে ‘মোসাদ এজেন্ট’ ঢুকে সাধারণ মানুষ হত্যার অভিযোগ

ইসলামাবাদ সফর শেষে দেশে ফিরল ইরানি প্রতিনিধিদল
ইসলামাবাদ সফর শেষে দেশে ফিরল ইরানি প্রতিনিধিদল

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা ফলপ্রসূ না হওয়ায় পাকিস্তান ত্যাগ করেছে ইরানের প্রতিনিধিদল। এই দলে ছিলেন দেশটির পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা মেহের।   এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সও ইসলামাবাদ ত্যাগ করেন। তিনি জানান, দীর্ঘ সময় ধরে আলোচনা চললেও শেষ পর্যন্ত কোনো সমঝোতায় পৌঁছানো সম্ভব হয়নি এবং ইরান মার্কিন প্রস্তাবগুলো গ্রহণ করেনি।   সব মিলিয়ে, ব্যর্থ আলোচনার পর দুই পক্ষই পাকিস্তান ছেড়ে চলে গেছে।   ‘ইসলামাবাদ টকস’ নামে এই বৈঠকটি শনিবার বিকেল থেকে শুরু হয়ে রবিবার পর্যন্ত চলে। আলোচনা শেষে সংবাদ সম্মেলনে ভ্যান্স বলেন, প্রায় ২১ ঘণ্টা ধরে গুরুত্বপূর্ণ নানা বিষয়ে কথা হলেও কোনো চুক্তি হয়নি।   তিনি আরও উল্লেখ করেন, যুক্তরাষ্ট্র তাদের অবস্থান ও সীমারেখা পরিষ্কারভাবে তুলে ধরেছিল—কোন বিষয়ে ছাড় দেওয়া সম্ভব এবং কোথায় নয়। তবে ইরান সেই শর্তগুলো মেনে নেয়নি বলে জানান তিনি।

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ১২, ২০২৬ 0
সমুদ্রে মার্কিন বাহিনীর মাইন অপসারণের খবর ভুয়া বলছে ইরান।

হরমুজ ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন প্রস্তাব, সরাসরি নাকচ ইরানের

ফাইল ছবি

আলোচনা ব্যর্থ, ট্রাম্পের সামনে তিন কঠিন পথ

ইরানকে চাপে ফেলেছে ইসরাইল

ইরানকে চাপে ফেলেছে ইসরাইল: নেতানিয়াহু

জেডি ভ্যান্স পাকিস্তান থেকে ব্যর্থ হয়ে ফিরছেন। সংগৃহীত ছবি
ইসলামাবাদ আলোচনা ব্যর্থ, খালি হাতেই ফিরছে যুক্তরাষ্ট্র: ইরান

ইসলামাবাদে টানা ২১ ঘণ্টা ধরে কয়েক দফা বৈঠক হলেও শেষ পর্যন্ত কোনো সমাধান আসেনি। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র—দুই পক্ষই নিজেদের অবস্থানে অনড় থাকায় আলোচনা ভেস্তে যায়।   তেহরান স্পষ্ট করে জানিয়েছে, জাতীয় স্বার্থের প্রশ্নে তারা কোনো ধরনের ছাড় দেবে না; প্রয়োজন হলে সামরিক ও কূটনৈতিক—দুই পথেই এগোবে। অন্যদিকে, নিজেদের দাবি পূরণ না হওয়ায় অসন্তুষ্ট ওয়াশিংটন।   ইরানের দাবি, এত দীর্ঘ আলোচনার পরও যুক্তরাষ্ট্র কার্যত শূন্য হাতে ফিরছে। দেশটির গণমাধ্যম বলছে, ওয়াশিংটন তাদের ‘অযৌক্তিক দাবি’ থেকে সরে না এলে ভবিষ্যতে কোনো অগ্রগতি সম্ভব নয়।   ঘানায় অবস্থিত ইরান দূতাবাসের এক্স পোস্টেও একই সুর শোনা গেছে। সেখানে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র তাদের ভাইস প্রেসিডেন্টকে দূর পথ পাড়ি দিয়ে ইসলামাবাদে নিয়ে এসে দীর্ঘ আলোচনা করেছে। কিন্তু যুদ্ধে যা অর্জন করা যায়নি, তা আলোচনার টেবিলে পাওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে—যা ইরান সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে। ফলে আলোচনা শেষ হয়েছে কোনো সমঝোতা ছাড়াই, আর মার্কিন প্রতিনিধি দল ফিরছে খালি হাতে।   এদিকে, ইরানি সূত্রের বরাতে দেশটির সংবাদমাধ্যম জানায়, আলোচনা ভেঙে যাওয়ার জন্য যুক্তরাষ্ট্রই অজুহাত খুঁজছিল। হরমুজ প্রণালি ও পারমাণবিক কর্মসূচিসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে মতপার্থক্যই মূল বাধা হয়ে দাঁড়ায়।   ইরানের অভিযোগ, যুদ্ধক্ষেত্রে কাঙ্ক্ষিত ফল না পাওয়ায় যুক্তরাষ্ট্র আলোচনার পথে আসে এবং সেখানে নিজেদের শর্ত চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে। তবে এসব শর্তকে ‘অতিরঞ্জিত’ ও ‘অগ্রহণযোগ্য’ আখ্যা দিয়ে তা প্রত্যাখ্যান করেছে তেহরান। এমনকি ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় বসার পরিকল্পনাও আপাতত নেই বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কয়েকজন ইরানি প্রতিনিধি।

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ১২, ২০২৬ 0
ফাইল ছবি

হরমুজ নিয়ে ১০ দিনে নাটকীয় ইউ-টার্ন ট্রাম্পের

ছবি: সংগৃহীত

হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন যুদ্ধজাহাজের দাবি, সরাসরি অস্বীকার ইরানের

ছবি: সংগৃহীত

ইসলামাবাদে গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনা, পাকিস্তানে আরও ইরানি উড়োজাহাজ

0 Comments