আন্তর্জাতিক

যুদ্ধের যৌক্তিকতা ব্যাখ্যায় ট্রাম্পকে সতর্ক করলেন বোল্টন

তাবাস্সুম মার্চ ৩, ২০২৬ 0
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

ইরানে ইসরাইলের সঙ্গে যৌথ হামলার পর নানা দুঃসংবাদের মধ্যে রয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেনা সদস্যদের মৃত্যু, যুদ্ধবিমান হারানো এবং ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডার কমে আসার খবরের মধ্যেই তার সামনে নতুন রাজনৈতিক ঝুঁকির কথা জানিয়েছেন সাবেক নিরাপত্তা উপদেষ্টা জন বোল্টন।

 

বোল্টন ট্রাম্পকে দেশের স্বার্থে এই যুদ্ধের যৌক্তিকতা স্পষ্টভাবে তুলে ধরার আহ্বান জানিয়েছেন। ট্রাম্পের সাবেক নিরাপত্তা উপদেষ্টা ও জাতিসংঘে নিযুক্ত সাবেক রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করা বোল্টন বলেন, কেন এই যুদ্ধ মার্কিন জনগণের স্বার্থে, তা প্রেসিডেন্টকে জোরালোভাবে ব্যাখ্যা করতে হবে।

 

তিনি বলেন, বিষয়টি স্পষ্ট এবং কার্যকরভাবে উপস্থাপন করা সম্ভব হলেও এখন পর্যন্ত তা করা হয়নি। যোগাযোগের এই ঘাটতি দূর করা না গেলে ট্রাম্প গুরুতর রাজনৈতিক সমস্যায় পড়তে পারেন বলেও সতর্ক করেন তিনি।

 

বোল্টনের মতে, ইরানের শাসনব্যবস্থায় পরিবর্তন আনা ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের অভিন্ন লক্ষ্য। এ ক্ষেত্রে ওয়াশিংটন যুদ্ধ সক্ষমতা ও গোয়েন্দা তথ্য দিয়ে নেতৃত্ব দিচ্ছে এবং ইসরাইল কৌশলগত পরিকল্পনা সরবরাহ করছে।

 

তিনি আরও বলেন, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নির্মূল এবং সন্ত্রাসবাদে সমর্থন বন্ধ করতে হলে বর্তমান শাসনব্যবস্থাকে সরাতে হবে। শুধু আঘাত বা সাময়িকভাবে সক্ষমতা কমিয়ে দিলে দেশটি পুনরায় আগের অবস্থায় ফিরে আসবে এবং একই সংকট আবার দেখা দেবে।

 

সূত্র: আলজাজিরা।

জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

Advertisement

আন্তর্জাতিক

View more
গত সোমবার (২ মার্চ) কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসে হামলা চালায় ইরান। ছবি: সংগৃহীত
ইরানের হামলার পরে কুয়েতে মার্কিন দূতাবাস স্থায়ীভাবে বন্ধ ঘোষণা

কুয়েতে মার্কিন দূতাবাস আনুষ্ঠানিকভাবে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছে। সব নিয়মিত ও জরুরি কনসুলার অ্যাপয়েন্টমেন্ট বাতিল করা হয়েছে। এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে ইরানের হামলা ও আঞ্চলিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে।   গত সোমবার (২ মার্চ) কুয়েতে মার্কিন দূতাবাসে হামলা চালায় ইরান, যা কুয়েতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কঠোর ভাষায় নিন্দা জানিয়েছে। একই সঙ্গে মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে থাকা নাগরিকদের সতর্ক করেছে। তালিকায় রয়েছে বাহরাইন, মিশর, ইরান, ইরাক, ইসরায়েল, পশ্চিম তীর ও গাজা, জর্ডান, কুয়েত, লেবানন, ওমান ও কাতার।   এদিকে সৌদি আরবে কানাডার দূতাবাসও বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। সোমবার ভোরে রিয়াদে মার্কিন দূতাবাসে ড্রোন হামলার পর নিরাপত্তাজনিত কারণে কানাডা এ সিদ্ধান্ত নেয়। হামলায় সামান্য আগুন ধরে যায় এবং আংশিক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।   সৌদি আরব হামলার ঘটনায় কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়ে হুঁশিয়ারি দিয়েছে যে, তারা যেকোনো আগ্রাসনের জবাব দেওয়ার জন্য সব ধরনের পদক্ষেপ নেবে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও হামলার জবাবে দ্রুত ‘পাল্টা পদক্ষেপ’ নেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।

তাবাস্সুম মার্চ ৩, ২০২৬ 0
হরমুজ প্রণালী। ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশি জাহাজ হরমুজে ইরানি ড্রোন হামলা থেকে রক্ষা

ছবি: সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ: আরব পর্যটনে ৬ হাজার কোটি ডলারের ক্ষতির আশঙ্কা

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

ইরান অভিযানের মাঝেই ক্ষেপণাস্ত্র সংকটে যুক্তরাষ্ট্র, হামলা বাড়ার আশঙ্কা

ছবি: সংগৃহীত
ইসরায়েলি রাডার ও নিয়ন্ত্রণ কক্ষ লক্ষ্য করে হামলার দাবি হিজবুল্লাহর

লেবাননভিত্তিক সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ দাবি করেছে, তারা উত্তর ইসরায়েলের একটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটির রাডার স্থাপনা ও নিয়ন্ত্রণ কক্ষ লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালিয়েছে।   মঙ্গলবার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে গোষ্ঠীটি জানায়, ভোরের দিকে সমন্বিতভাবে একাধিক ড্রোন ব্যবহার করে এই হামলা পরিচালনা করা হয়। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, হামলার মূল লক্ষ্য ছিল বিমানঘাঁটির রাডার ব্যবস্থা ও কমান্ড-অ্যান্ড-কন্ট্রোল কক্ষ, যা আকাশ প্রতিরক্ষা ও সামরিক যোগাযোগের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।   হামলার লক্ষ্যবস্তু হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে Ramat David Airbase-কে। উত্তর ইসরায়েলে অবস্থিত এই বিমানঘাঁটিটি ইসরায়েলি বিমানবাহিনীর একটি কৌশলগত ঘাঁটি হিসেবে বিবেচিত হয় এবং অতীতে একাধিক সামরিক অভিযানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।   তবে এ হামলার বিষয়ে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত কোনো বিবৃতি পাওয়া যায়নি। হতাহত বা অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সম্পর্কেও নিশ্চিত তথ্য জানা যায়নি।   বিশ্লেষকদের মতে, চলমান আঞ্চলিক উত্তেজনার মধ্যে এ ধরনের ড্রোন-ভিত্তিক হামলার দাবি সংঘাতের বিস্তার ঘটাতে পারে। বিশেষ করে সীমান্তবর্তী এলাকায় পাল্টাপাল্টি হামলার আশঙ্কা বাড়ছে বলে তারা মনে করছেন। পরিস্থিতি কোন দিকে গড়াবে তা এখন নির্ভর করছে পরবর্তী সামরিক ও কূটনৈতিক পদক্ষেপের ওপর।

তাবাস্সুম মার্চ ৩, ২০২৬ 0
ইরানের বুশেহর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র। ছবি: রয়টার্স

ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার আশঙ্কা, সতর্ক করল রোসাটম

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

যুদ্ধের যৌক্তিকতা ব্যাখ্যায় ট্রাম্পকে সতর্ক করলেন বোল্টন

হরমুজ প্রণালী বন্ধে গ্যাস-তেলের দামে উল্লম্ফন

হরমুজ প্রণালি দিয়ে এক ফোঁটা তেলও যেতে দেওয়া হবে না: ইরান

হরমুজ প্রণালি দিয়ে এক ফোঁটা তেলও যেতে দেওয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। দেশটির ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) জানিয়েছে, এই রুট দিয়ে জাহাজ চলাচলের চেষ্টা করলে তাতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হবে। পাশাপাশি তেলের দাম ২০০ ডলারে পৌঁছাতে পারে বলেও সতর্ক করা হয়েছে।   ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ ‘অবৈধ’ অভিযানের ফলেই গত শনিবার হরমুজ প্রণালি আংশিকভাবে বন্ধ করা হয় বলে দাবি করেছে ইরান। এর পর থেকেই বিশ্ব বাণিজ্যের গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথ কার্যত অচল হয়ে পড়ে। সর্বশেষ পুরোপুরি বন্ধের ঘোষণাও দেওয়া হয়েছে।   অন্যদিকে, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতে জড়িত সব পক্ষকে হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছে চীন। নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাও নিং বলেন, সব পক্ষকে অবিলম্বে সামরিক অভিযান বন্ধ করতে, উত্তেজনা বৃদ্ধি এড়াতে এবং বৈশ্বিক অর্থনীতিতে আরও বড় প্রভাব পড়া প্রতিরোধ করতে হবে।   তিনি বলেন, জ্বালানি নিরাপত্তা বৈশ্বিক অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং চীন তার জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে। বিশ্বের সমুদ্রপথে পরিবাহিত তেলের প্রায় এক-চতুর্থাংশ এই প্রণালির মধ্য দিয়ে যায়। চীন ইরানি তেলের প্রধান ক্রেতা, যার বড় অংশই এই রুট ব্যবহার করে পরিবাহিত হয়।

তাবাস্সুম মার্চ ৩, ২০২৬ 0
ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। ছবি: সংগৃহীত

খামেনি নিহতের পর ইরানে নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচন শিগগিরই

সংগৃহীত ছবি

পাকিস্তানে আকাশসীমা আংশিক বন্ধ, বাতিল ১৫০+ ফ্লাইট

ছবি: সংগৃহীত

ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকে ৪ প্রো-প্যালেস্টাইন কর্মীর মুক্তির দাবি তুললেন নিউইয়র্ক মেয়র মামদানি!

0 Comments