আন্তর্জাতিক

যুক্তরাষ্ট্রের একমাত্র হুমকি ইরান, দাবি নেতানিয়াহুর

নিলুফা ইয়াসমিন মার্চ ৩, ২০২৬ 0
ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। ছবি সংগৃহীত
ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। ছবি সংগৃহীত

ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু অভিযোগ করেছেন, ইরান প্রকাশ্যেই যুক্তরাষ্ট্রকে ধ্বংস করার লক্ষ্য ঘোষণা করে এবং সেই উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে সোমবার (২ মার্চ) মার্কিন সংবাদমাধ্যম Fox News-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এ মন্তব্য করেন।

 

নেতানিয়াহুর ভাষ্য, ইরানই একমাত্র রাষ্ট্র যারা খোলাখুলিভাবে যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী ধ্বংসাত্মক অবস্থানের কথা জানায় এবং তা অর্জনে সক্রিয়ভাবে প্রস্তুতি নেয়। তার দাবি, তেহরান নতুন গোপন স্থাপনা ও ভূগর্ভস্থ বাঙ্কার নির্মাণ করছে, যাতে তাদের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও পারমাণবিক কর্মসূচি সম্ভাব্য হামলা থেকে সুরক্ষিত থাকে।

 

তিনি বলেন, সময়মতো পদক্ষেপ না নিলে ভবিষ্যতে তা আর সম্ভব হতো না। তার মতে, ইরান যুক্তরাষ্ট্রের ওপর চাপ সৃষ্টি ও হুমকি জোরদার করতে চায়, তাই দ্রুত ও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন ছিল।

 

ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট শুরু থেকেই ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে না দেওয়ার অবস্থান নিয়েছিলেন। আলোচনা ও সতর্কবার্তার পরও ইরান অবস্থান পরিবর্তন না করায় শেষ পর্যন্ত পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

 

নেতানিয়াহু বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের জোট বর্তমানে দৃঢ় অবস্থানে রয়েছে এবং দুই দেশ সমন্বিতভাবে কাজ করছে, যাতে ইরান ভবিষ্যতে পারমাণবিক সক্ষমতা অর্জন করতে না পারে।

 

তথ্যসূত্র: ইরান ইন্টারন্যাশনাল

জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

Advertisement

আন্তর্জাতিক

View more
ছবি: সংগৃহীত।
করাচিতে বিক্ষোভকারীদের গুলি করে হত্যা করে মার্কিন সেনারা, চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস

করাচিতে মার্কিন কনস্যুলেটে নজিরবিহীন হামলার ঘটনায় নতুন এক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। প্রথমবারের মতো নিশ্চিত হওয়া গেছে যে, বিক্ষোভকারীদের লক্ষ্য করে মার্কিন মেরিন সেনারা সরাসরি গুলি চালিয়েছিল।  বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া দুই মার্কিন কর্মকর্তার সাক্ষাৎকার থেকে এই বিস্ফোরক সত্যটি উঠে এসেছে। ঘটনার দিন উত্তেজিত বিক্ষোভকারীরা কনস্যুলেট কমপ্লেক্সের বাইরের প্রাচীর ভেঙে ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা করলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। সেই সময় মেরিন সেনারা আত্মরক্ষার্থে বা আক্রমণ ঠেকাতে গুলিবর্ষণ করে। তবে মেরিনদের এই গুলিতে কেউ হতাহত হয়েছে কি না, তা নিয়ে এখনো ধোঁয়াশা কাটেনি। প্রাদেশিক সরকারের মুখপাত্র সুখদেব আসারদাস হেমনানি নিশ্চিত করেছেন যে, নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে অন্তত ১০ জন নিহত হয়েছেন। তবে সেই প্রাণঘাতী গুলি ঠিক কোন বাহিনীর বন্দুক থেকে এসেছিল—তা মেরিন, বেসরকারি নিরাপত্তারক্ষী নাকি স্থানীয় পুলিশের—সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। আন্তর্জাতিক কূটনীতি ও নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে এই ঘটনা এখন বড় ধরনের বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

নিলুফা ইয়াসমিন মার্চ ৩, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

বাহরাইনের মার্কিন বিমানঘাঁটিতে ইরানের ব্যাপক হামলার দাবি

হরমুজ প্রণালী অচল হলে থমকে যেতে পারে বিশ্ব অর্থনীতি । ছবি: সংগৃহীত

হরমুজ প্রণালী অচল হলে থমকে যেতে পারে বিশ্ব অর্থনীতি

মধ্যপ্রাচ্যে নিরাপত্তা ঝুঁকি যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের দ্রুত প্রস্থানের আহ্বান

"মধ্যপ্রাচ্যে নিরাপত্তা ঝুঁকি: যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের দ্রুত প্রস্থানের আহ্বান"

ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। ছবি সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রের একমাত্র হুমকি ইরান, দাবি নেতানিয়াহুর

ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু অভিযোগ করেছেন, ইরান প্রকাশ্যেই যুক্তরাষ্ট্রকে ধ্বংস করার লক্ষ্য ঘোষণা করে এবং সেই উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে সোমবার (২ মার্চ) মার্কিন সংবাদমাধ্যম Fox News-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এ মন্তব্য করেন।   নেতানিয়াহুর ভাষ্য, ইরানই একমাত্র রাষ্ট্র যারা খোলাখুলিভাবে যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী ধ্বংসাত্মক অবস্থানের কথা জানায় এবং তা অর্জনে সক্রিয়ভাবে প্রস্তুতি নেয়। তার দাবি, তেহরান নতুন গোপন স্থাপনা ও ভূগর্ভস্থ বাঙ্কার নির্মাণ করছে, যাতে তাদের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও পারমাণবিক কর্মসূচি সম্ভাব্য হামলা থেকে সুরক্ষিত থাকে।   তিনি বলেন, সময়মতো পদক্ষেপ না নিলে ভবিষ্যতে তা আর সম্ভব হতো না। তার মতে, ইরান যুক্তরাষ্ট্রের ওপর চাপ সৃষ্টি ও হুমকি জোরদার করতে চায়, তাই দ্রুত ও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন ছিল।   ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট শুরু থেকেই ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে না দেওয়ার অবস্থান নিয়েছিলেন। আলোচনা ও সতর্কবার্তার পরও ইরান অবস্থান পরিবর্তন না করায় শেষ পর্যন্ত পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।   নেতানিয়াহু বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের জোট বর্তমানে দৃঢ় অবস্থানে রয়েছে এবং দুই দেশ সমন্বিতভাবে কাজ করছে, যাতে ইরান ভবিষ্যতে পারমাণবিক সক্ষমতা অর্জন করতে না পারে।   তথ্যসূত্র: ইরান ইন্টারন্যাশনাল

নিলুফা ইয়াসমিন মার্চ ৩, ২০২৬ 0
সৌদি আরবের আরামকোর তেল শোধনাগারে হামলা চালানো হয়

ইরান নয়, আরামকোতে হামলার পেছনে ইসরাইল

ইরান থেকে ছোড়া ১৭০+ ক্ষেপণাস্ত্র ও ৩৮০ ড্রোন প্রতিহত করেছে কুয়েত

ইরান থেকে ছোড়া ১৭০+ ক্ষেপণাস্ত্র ও ৩৮০ ড্রোন প্রতিহত করেছে কুয়েত

ইরানে ২৪ ঘণ্টায় যৌথ মার্কিন-ইসরাইলি হামলা, প্রাণহানি ৯৬

ইরানে ২৪ ঘণ্টায় যৌথ মার্কিন-ইসরাইলি হামলা, প্রাণহানি ৯৬

ইরানে অভিযানের প্রথম ২৪ ঘণ্টায় ৭৭৯ মিলিয়ন ডলার ব্যয় যুক্তরাষ্ট্রের
ইরানে অভিযানের প্রথম ২৪ ঘণ্টায় ৭৭৯ মিলিয়ন ডলার ব্যয় যুক্তরাষ্ট্রের

ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানের প্রথম ২৪ ঘণ্টায় যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় হয়েছে আনুমানিক ৭৭৯ মিলিয়ন ডলার, যা ২০২৬ সালের মোট মার্কিন প্রতিরক্ষা বাজেটের প্রায় ০.১ শতাংশ—এমন তথ্য প্রকাশ করেছে তুরস্কভিত্তিক বার্তা সংস্থা Anadolu Agency।   যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড United States Central Command (সেন্টকম) জানিয়েছে, অভিযানে ব্যাপক সামরিক শক্তি মোতায়েন করা হয়। এতে অংশ নেয় বি-২ স্টেলথ বোমারু, এফ-২২, এফ-৩৫, এফ-১৬ ও এফ-১৮ যুদ্ধবিমান, এ-১০ আক্রমণ বিমান, ইএ-১৮জি ইলেকট্রনিক যুদ্ধবিমান, এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন, পারমাণবিক শক্তিচালিত বিমানবাহী রণতরী, ক্ষেপণাস্ত্রবাহী ডেস্ট্রয়ার এবং প্যাট্রিয়ট ও থ্যাড ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা।   সেন্টকমের তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের মিসৌরি অঙ্গরাজ্যের হোয়াইটম্যান বিমানঘাঁটি থেকে টানা উড্ডয়ন করে চারটি বি-২ স্টেলথ বোমারু বিমান ২,০০০ পাউন্ড (প্রায় ৯০৭ কেজি) ওজনের জয়েন্ট ডিরেক্ট অ্যাটাক মিউনিশন (জেডি-এএম) ব্যবহার করে লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালায়। বি-২ বিমানের উচ্চ রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় ও দীর্ঘ উড্ডয়ন সময় বিবেচনায় কেবল এই অংশেই প্রায় ৩০.২ মিলিয়ন ডলার ব্যয় হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।   এছাড়া বিভিন্ন যুদ্ধবিমানের সমন্বিত উড্ডয়ন ও হামলায় ব্যয় হয়েছে আনুমানিক ২৭১.৩৪ মিলিয়ন ডলার। বিশেষায়িত বিমান যেমন ইএ-১৮জি গ্রাউলার, এ-১০সি থান্ডারবোল্ট ও এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। পাশাপাশি সামুদ্রিক টহল বিমান, গোয়েন্দা নজরদারি বিমান, আকাশে জ্বালানি সরবরাহকারী ট্যাংকার এবং স্থলভিত্তিক হিমার্স রকেট ব্যবস্থা যুক্ত হওয়ায় সম্মিলিত আকাশ ও স্থল অভিযানের ব্যয় দাঁড়ায় প্রায় ৪২৩.৫৭ মিলিয়ন ডলার।   অভিযানে অংশ নেয় দুটি মার্কিন বিমানবাহী রণতরী— USS Abraham Lincoln এবং USS Gerald R. Ford। এই রণতরী ও তাদের সঙ্গে থাকা যুদ্ধজাহাজগুলোর দৈনিক পরিচালন ব্যয় আনুমানিক ১৫ মিলিয়ন ডলার বলে ধারণা করা হচ্ছে।   বিশ্লেষকদের মতে, সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে এ ধরনের ব্যয় যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বাজেটের ওপর উল্লেখযোগ্য চাপ সৃষ্টি করতে পারে।

নিলুফা ইয়াসমিন মার্চ ৩, ২০২৬ 0
রানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। ফাইল ছবি: সংগৃহীত

হামলার মুখেও মাথা নত করবে না ইরান: প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান

ছবি: সংগৃহীত

হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচলের চেষ্টা করলেই ‘জ্বালিয়ে দেওয়ার’ হুমকি ইরানের

ছবি: সংগৃহীত

ইরানি হামলায় কাতারের গ্যাস উৎপাদন বন্ধ, সংকটে পড়তে পারে বাংলাদেশ

0 Comments