আন্তর্জাতিক

ইসরায়েলের কেন্দ্রস্থলে ইরানের ক্লাস্টার মিসাইল হামলা: ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

তাবাস্সুম মার্চ ১৭, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।
ছবি: সংগৃহীত।

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের উত্তাপ আরও বাড়িয়ে ইসরায়েলের জনবহুল মধ্যাঞ্চলে ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ, ২০২৬) ভোরে চালানো এই হামলায় প্রাথমিকভাবে কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া না গেলেও দেশটির গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলোতে ব্যাপক বস্তুগত ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে।


প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, ইরান এবার সাধারণ ওয়ারহেডের পরিবর্তে 'ক্লাস্টার মিউনিশন' বা গুচ্ছবোমা সমৃদ্ধ ব্যালিস্টিক মিসাইল ব্যবহার করেছে, যা নির্দিষ্ট এলাকার বিশাল অংশ জুড়ে ধ্বংসযজ্ঞ চালাতে সক্ষম।


ইসরায়েলি উদ্ধারকারী সংস্থা এবং স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, মধ্যাঞ্চলীয় শহর রিশন লেজিয়নে একটি ক্ষেপণাস্ত্র সরাসরি আঘাত হানলে সেখানে বিশালাকার গর্তের সৃষ্টি হয়। ফুটেজে দেখা গেছে, বিষ্ফোরণের তীব্রতায় রাস্তার পাশের গাড়ি উল্টে গেছে এবং আশেপাশের অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। 


ইসরায়েলের জাতীয় অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবা 'মাগেন ডেভিড আদম' (MDA) জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত কোনো গুরুতর আহতের সংবাদ পাওয়া যায়নি, তবে সাইরেন বাজার পর নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার সময় বেশ কয়েকজন আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলেন।


রেসকিউ সার্ভিস আরও নিশ্চিত করেছে যে, রিশন লেজিয়ন ছাড়াও ইসরায়েলের কেন্দ্রস্থলের অন্তত ছয়টি ভিন্ন স্থানে ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ বা ক্লাস্টার বোমার ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অংশ পতিত হয়েছে। তেল আবিব মেট্রোপলিটন এলাকা এবং এর আশেপাশের আবাসিক এলাকাগুলোতে এই হামলা চালানো হয় বলে দাবি করা হচ্ছে।


সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, ইরান তাদের ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা এবং মারণক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য এই ধরনের প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াচ্ছে। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (IDF) বর্তমানে ঘটনাস্থলগুলো থেকে আলামত সংগ্রহ করছে এবং তারা নিশ্চিত করার চেষ্টা করছে যে এটি সত্যিই ক্লাস্টার মিসাইল ছিল কি না। এই হামলার পর পুরো ইসরায়েল জুড়ে উচ্চ সতর্কাবস্থা জারি করা হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

Advertisement

আন্তর্জাতিক

View more
ছবি: সংগৃহীত
ইরানে হামলার জন্য ব্রিটিশ ঘাঁটি ব্যবহার করছে যুক্তরাষ্ট্র: গোপন তথ্য ফাঁসে তোলপাড় যুক্তরাজ্যে

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে ব্রিটিশ সামরিক ঘাঁটি ব্যবহার নিয়ে অত্যন্ত সংবেদনশীল তথ্য ফাঁসের ঘটনায় আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু করেছে যুক্তরাজ্য সরকার।  জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের (NSC) অতি গোপনীয় আলোচনার তথ্য কীভাবে জনসমক্ষে এলো, তা খতিয়ে দেখতে মাঠে নেমেছে দেশটির 'গভর্নমেন্ট সিকিউরিটি গ্রুপ'। যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর এই চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আসে। অভিযোগ উঠেছে যে, মার্চের শুরুতে ইরানের বিরুদ্ধে প্রাথমিক সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার সময় যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ব্রিটিশ ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি না দেওয়ার পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন ব্রিটিশ জ্বালানি মন্ত্রী এড মিলিব্যান্ড। মূলত সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের এই অভ্যন্তরীণ মতবিরোধের খবরটিই ফাঁস হয়ে গেছে। এই ঘটনা ব্রিটিশ গোয়েন্দা ও নিরাপত্তা বলয়ে বড় ধরনের ছিদ্র হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে এই স্পর্শকাতর বিষয়ে ক্যাবিনেট অফিসের মুখপাত্র জানিয়েছেন, বর্তমানে ছড়িয়ে পড়া চিঠির বাইরে তাদের নতুন করে বলার কিছু নেই। মার্কিন-যুক্তরাজ্য সামরিক সম্পর্ক এবং জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে এই তদন্তকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।

শাহারিয়া নয়ন মার্চ ১৭, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যে নিরাপত্তা নিশ্চিতে একজোট সৌদি আরব, কাতার ও আমিরাত

ছবি: সংগৃহীত।

রাশিয়ায় চিকিৎসা নিচ্ছেন মোজতবা খামেনি? যা জানালেন ইরানের রাষ্ট্রদূত

ইরানের শীর্ষ নিরাপত্তা উপদেষ্টা আলি লারিজানি।

ইসরায়েলি দাবি উড়িয়ে লারিজানির সুস্থ থাকার ঘোষণা, আজই প্রকাশ্যে আসবেন

ছবি: সংগৃহীত।
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ: চীন ও যুক্তরাষ্ট্রর মধ্যে নতুন স্নায়ুযুদ্ধের আশঙ্কা বাড়ছে

ইরানকে কেন্দ্র করে মধ্যপ্রাচ্যে ঘনীভূত হওয়া যুদ্ধের মেঘ এখন আছড়ে পড়ছে বেইজিং ও ওয়াশিংটনের কূটনৈতিক টেবিলে। ডোনাল্ড ট্রাম্প ও শি জিনপিংয়ের পূর্বনির্ধারিত বৈঠক পিছিয়ে যাওয়ার ঘটনা দুই পরাশক্তির সম্পর্কে নতুন করে উত্তেজনার পারদ চড়িয়েছে। বিশেষ করে ওয়াশিংটন যখন এই বৈঠককে যুদ্ধের কৌশল হিসেবে ব্যবহার করতে চাইছে, তখন বেইজিংয়ের কণ্ঠে শোনা যাচ্ছে চরম বিরক্তি ও সতর্কবার্তা। ঘটনার সূত্রপাত হরমুজ প্রণালিতে তেলবাহী জাহাজ পাহারা দেওয়ার জন্য ট্রাম্পের দেওয়া এক আহ্বানকে কেন্দ্র করে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট চীনসহ অন্যান্য দেশকেও এই অভিযানে শরিক হওয়ার অনুরোধ জানান। কিন্তু বেইজিং এই প্রস্তাবে সায় না দেওয়ায় খোদ ট্রাম্পই বৈঠক পিছিয়ে দেওয়ার ঘোষণা দেন। যদিও সোমবার সুর নরম করে তিনি বলেছেন, 'আমি যেতে চাই, কিন্তু দেশের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে আটকা পড়েছি। শি-র সঙ্গে আমার সম্পর্ক চমৎকার।' তবে ট্রাম্পের এই 'চমৎকার সম্পর্কের' দাবিকে পাত্তা দিচ্ছেন না চীনা কর্মকর্তারা। বাণিজ্যিক জাহাজ পাহারার নামে মার্কিন রণতরীর সঙ্গী হওয়াকে চীন সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে। চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লিন জিয়ান সাফ জানিয়েছেন, বেইজিং সব পক্ষকে অবিলম্বে সামরিক তৎপরতা বন্ধের আহ্বান জানাচ্ছে। এদিকে চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম ও সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রাম্পের এই আহ্বান রীতিমতো উপহাসের বিষয়ে পরিণত হয়েছে। চীনা কমিউনিস্ট পার্টির মুখপত্র 'গ্লোবাল টাইমস' প্রশ্ন তুলেছে, এটি কি দায়িত্ব ভাগ করে নেওয়া, নাকি আমেরিকার অসমাপ্ত যুদ্ধের ঝুঁকি অন্যের ঘাড়ে চাপানোর ফন্দি? এমনকি কোনো কোনো প্রভাবশালী চীনা ব্লগার রসিকতা করে বলছেন, ট্রাম্পের উচিত তার জাহাজ পাহারার জন্য ইরানি নৌবাহিনীকেই দাওয়াত দেওয়া। বিশ্লেষকদের মতে, চীনের জন্য নিজের জাহাজ ও কর্মীদের ঝুঁকিতে ফেলা বা ঘনিষ্ঠ মিত্র ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক চটানোর কোনো যৌক্তিক কারণ নেই। ইরান ইতোমধ্যে স্পষ্ট করেছে যে তাদের লক্ষ্য কেবল যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা; চীনের জ্বালানি তেলের জাহাজ চলাচলে তারা কোনো বাধা দেবে না। সাংহাই ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ডিং লং মনে করেন, ট্রাম্প সফর করুন বা না করুন, চীন কোনোভাবেই এই যুদ্ধে জড়াতে রণতরী পাঠাবে না। কারণ এটি হবে মার্কিন নেতৃত্বের কাছে সরাসরি নতিস্বীকার। তবে এই টানাপোড়েন চীনের জন্য উভয়সংকট তৈরি করেছে। বৈঠক পিছিয়ে যাওয়ায় বেইজিংয়ের ধীরগতির অর্থনীতি চাঙ্গা করার পরিকল্পনা বা তাইওয়ান ইস্যুতে মার্কিন চাপ কমানোর আলোচনা থমকে যেতে পারে। অন্যদিকে, হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায় চীনের অন্তত ৯টি পণ্যবাহী জাহাজ পারস্য উপসাগরে আটকা পড়ে আছে বলে জানা গেছে। ওয়াশিংটনের স্টিমসন সেন্টারের বিশেষজ্ঞ ইউন সান মনে করেন, বেইজিং হয়তো পর্দার আড়াল থেকে মধ্যস্থতার চেষ্টা করবে। কারণ প্রণালিটি খুলে দিলে চীনের বাণিজ্য যেমন সচল হবে, তেমনি ওয়াশিংটনের সঙ্গে দরকষাকষিতেও সুবিধা পাওয়া যাবে। তবে ট্রাম্পের জন্যও এই বৈঠক অত্যন্ত জরুরি, কারণ যুদ্ধের ময়দানে সফল চুক্তির কৃতিত্ব নিতে তিনিও এখন মরিয়া।

তাবাস্সুম মার্চ ১৭, ২০২৬ 0
যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল কাউন্টার-টেররিজম সেন্টারের পরিচালক জো কেন্ট।

ইরান যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্পের সাথে মতবিরোধ: যুক্তরাষ্ট্রের কাউন্টার-টেররিজম প্রধানের পদত্যাগ

ছবি: সংগৃহীত।

ইসরায়েলের কেন্দ্রস্থলে ইরানের ক্লাস্টার মিসাইল হামলা: ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্জ ও পোলিশ প্রধানমন্ত্রী ডোনাল্ড টাস্ক।

ইরানে সেনা পাঠাবে না জার্মানি ও পোল্যান্ড

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
ট্রাম্পের প্রস্তাবে সাড়া দিল না ইউরোপের আরেক দেশ

ইরান ও ইসরাইল-যুক্তরাষ্ট্রের চলমান সংঘাতে পোল্যান্ড কোনো ধরনের সামরিক অংশগ্রহণ করবে না বলে জানিয়েছে দেশটির সরকার। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হরমুজ প্রণালি নিরাপদ রাখতে মিত্রদের নিয়ে জোট গঠনের আহ্বান জানানোর পরই এ অবস্থান স্পষ্ট করে ওয়ারশ।   দেশটির প্রধানমন্ত্রী ডোনাল্ড তুস্ক জানিয়েছেন, ইরান যুদ্ধে অংশ নিতে পোল্যান্ড কোনো সৈন্য পাঠাবে না। তিনি বলেন, ইরানে কোনো অভিযানে অংশ নেওয়ার পরিকল্পনা তাদের নেই এবং এ বিষয়ে মিত্রদের মধ্যেও কোনো বিভ্রান্তি নেই।   সরকারি এক বৈঠকের আগে তুস্ক আরও বলেন, এই সিদ্ধান্তের আওতায় পোল্যান্ডের স্থল, বিমান ও নৌবাহিনী অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। একই সঙ্গে ইউক্রেন সীমান্ত সংঘাতের প্রেক্ষাপটে এসব বাহিনীকে আরও শক্তিশালী করার কাজ চলছে।   এদিকে ইরান উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও স্বার্থসংশ্লিষ্ট স্থাপনাগুলোতে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে এবং হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিয়েছে। এর ফলে বিশ্ববাজারে তেলের দাম বেড়ে গেছে এবং পরিস্থিতি সামাল দিতে যুক্তরাষ্ট্র মিত্রদের সহায়তা চাইছে।

তাবাস্সুম মার্চ ১৭, ২০২৬ 0
ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি।

যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব ফিরিয়ে দিলেন মোজতবা খামেনি

আফগানিস্তানের তোরখাম সীমান্তের কাছে পাকিস্তান ও আফগানিস্তান বাহিনীর মধ্যে গুলি বিনিময়ের পর তালেবান সেনারা একটি গাড়িতে রকেট লঞ্চার লোড করছে

পাকিস্তান-আফগানিস্তানের কি পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধে গড়াচ্ছে?

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল

আরএসএস ও ‘র’-এর ওপর নিষেধাজ্ঞার সুপারিশ, মার্কিন প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান ভারতের

0 Comments