সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার
লাইফস্টাইল

ওজন কমানোর ইনজেকশনে বদলাচ্ছে খাবারের অভ্যাস, ব্যবসা হারাচ্ছে রেস্তোরাঁ

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬ ১৭:৫৩
ওজন কমানোর ইনজেকশন ও পাবের পানীয়—দুই ভিন্ন চিত্রের সমন্বয়ে তৈরি প্রতীকী ছবি
ওজন কমানোর ইনজেকশন ও পাবের পানীয়—দুই ভিন্ন চিত্রের সমন্বয়ে তৈরি প্রতীকী ছবি

ওজন কমানোর জনপ্রিয় ইনজেকশন ওষুধের ব্যবহার বাড়ায় ব্রিটেনের মানুষের খাবার ও বাইরে খাওয়ার অভ্যাসে পরিবর্তন আসছে। এর প্রভাব পড়ছে দেশটির পাব, বার, রেস্তোরাঁ ও হোটেল ব্যবসায়। স্কটিশ লাইসেন্সড ট্রেড অ্যাসোসিয়েশনের ৩০০টি প্রতিষ্ঠানের ওপর করা এক জরিপে ১৬ শতাংশ প্রতিষ্ঠান জানিয়েছে, ওজন কমানোর ওষুধের কারণে তাদের প্রতিষ্ঠানে গ্রাহক আসা কমেছে। আরও ২২ শতাংশ ব্যবসা জানিয়েছে, গ্রাহকেরা এখন খাবার ও পানীয় বাছাইয়ে আগের তুলনায় বেশি সতর্ক বা বাছাইপ্রবণ।
 

স্কটল্যান্ডের লাইসেন্সপ্রাপ্ত ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোর সংগঠন এসএলটিএর গ্রীষ্মকালীন ব্যবসা পরিস্থিতি বিষয়ক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জিএলপি-১ ধরনের ওজন কমানোর ওষুধ এখন হসপিটালিটি খাতের জন্য নতুন একটি চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠছে। তবে ব্যবসা কমার পেছনে শুধু ওজন কমানোর ওষুধ নয়, বাড়তি খরচ, কম ভোক্তা আস্থা এবং মানুষের হাতে কম খরচযোগ্য অর্থও ভূমিকা রাখছে।


ওজন কমানোর ইনজেকশনগুলোর মধ্যে জিএলপি-১ ধরনের ওষুধ ক্ষুধা কমাতে এবং দীর্ঘ সময় পেট ভরা অনুভূতি তৈরি করতে কাজ করে। যুক্তরাজ্য সরকারের তথ্য অনুযায়ী, এই শ্রেণির ওষুধের মধ্যে সেমাগ্লুটাইড ও টিরজেপাটাইডের মতো ওষুধ রয়েছে। এগুলো নির্দিষ্ট চিকিৎসাগত শর্তে ওজন ব্যবস্থাপনার জন্য অনুমোদিত এবং চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ব্যবহার করা উচিত নয়।


দ্য ইন্ডিপেনডেন্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাজ্যে প্রায় ১৬ লাখ প্রাপ্তবয়স্ক ওজন কমানোর ইনজেকশন ব্যবহার করছেন। এসব ওষুধ ক্ষুধা ও খাবারের প্রতি আকাঙ্ক্ষা কমিয়ে দেওয়ায় অনেক ব্যবহারকারীর বাইরে খাওয়া, স্ন্যাকস ও অ্যালকোহল গ্রহণের অভ্যাসেও পরিবর্তন আসছে।


এর প্রভাব শুধু রেস্তোরাঁয় সীমাবদ্ধ থাকছে না। সাম্প্রতিক বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, জিএলপি-১ ওষুধের জনপ্রিয়তা বাড়ায় মানুষ কম স্ন্যাকস ও প্রক্রিয়াজাত খাবার কিনছে এবং প্রোটিন ও পুষ্টিকর খাবারের দিকে ঝুঁকছে। ব্রিটেনের কিছু সুপারমার্কেটও ছোট পরিমাণের খাবার এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক পণ্যের দিকে নজর দিচ্ছে।


এসএলটিএর জরিপে আরও দেখা গেছে, ৫৮ শতাংশ প্রতিষ্ঠান জানিয়েছে তাদের ব্যবসা বর্তমানে সংকুচিত হচ্ছে। একই সময়ে ৯৭ শতাংশ ব্যবসা পরিচালন ব্যয় বেড়েছে বলে জানিয়েছে এবং ৫৭ শতাংশ বলেছে, তাদের খরচ মূল্যস্ফীতির হারের চেয়েও উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি বেড়েছে। অর্থাৎ, ওজন কমানোর ওষুধের প্রভাবের পাশাপাশি ব্রিটেনের হসপিটালিটি খাত একাধিক অর্থনৈতিক চাপের মুখে রয়েছে।


তবে এই পরিবর্তনকে শুধু ব্যবসার জন্য নেতিবাচক হিসেবে দেখছেন না বিশেষজ্ঞরা। মানুষের খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তনের ফলে স্বাস্থ্যকর, ছোট পরিমাণের এবং বেশি পুষ্টিকর খাবারের চাহিদা বাড়তে পারে। একই সঙ্গে রেস্তোরাঁ ও খাবারের প্রতিষ্ঠানগুলোও নতুন ভোক্তা চাহিদার সঙ্গে নিজেদের মেনু ও ব্যবসার কৌশল পরিবর্তন করছে।


বিশেষজ্ঞরা অবশ্য মনে করিয়ে দিচ্ছেন, ওজন কমানোর এসব ওষুধ চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ব্যবহার করা নিরাপদ নয়। যুক্তরাজ্য সরকারের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, জিএলপি-১ ওষুধ কেবল অনুমোদিত চিকিৎসাগত ব্যবহারে এবং স্বাস্থ্যকর্মীর পরামর্শ অনুযায়ী নেওয়া উচিত। অনিয়ন্ত্রিত বিক্রেতা বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে এসব ওষুধ কেনার বিরুদ্ধেও সতর্ক করেছে সরকার।


ফলে ওজন কমানোর ওষুধের জনপ্রিয়তা এখন শুধু স্বাস্থ্য ও চিকিৎসার বিষয়েই সীমাবদ্ধ নেই। মানুষের খাবার কেনা, রেস্তোরাঁয় যাওয়া এবং কী ধরনের খাবার খাচ্ছেন—সেসব অভ্যাসেও এর অর্থনৈতিক প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। ব্রিটেনের হসপিটালিটি খাতের সাম্প্রতিক জরিপ সেই পরিবর্তনের একটি চিত্র তুলে ধরছে।


© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

লাইফস্টাইল

View more
ওজন কমানোর ইনজেকশন ও পাবের পানীয়—দুই ভিন্ন চিত্রের সমন্বয়ে তৈরি প্রতীকী ছবি
ওজন কমানোর ইনজেকশনে বদলাচ্ছে খাবারের অভ্যাস, ব্যবসা হারাচ্ছে রেস্তোরাঁ

ওজন কমানোর জনপ্রিয় ইনজেকশন ওষুধের ব্যবহার বাড়ায় ব্রিটেনের মানুষের খাবার ও বাইরে খাওয়ার অভ্যাসে পরিবর্তন আসছে। এর প্রভাব পড়ছে দেশটির পাব, বার, রেস্তোরাঁ ও হোটেল ব্যবসায়। স্কটিশ লাইসেন্সড ট্রেড অ্যাসোসিয়েশনের ৩০০টি প্রতিষ্ঠানের ওপর করা এক জরিপে ১৬ শতাংশ প্রতিষ্ঠান জানিয়েছে, ওজন কমানোর ওষুধের কারণে তাদের প্রতিষ্ঠানে গ্রাহক আসা কমেছে। আরও ২২ শতাংশ ব্যবসা জানিয়েছে, গ্রাহকেরা এখন খাবার ও পানীয় বাছাইয়ে আগের তুলনায় বেশি সতর্ক বা বাছাইপ্রবণ।   স্কটল্যান্ডের লাইসেন্সপ্রাপ্ত ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোর সংগঠন এসএলটিএর গ্রীষ্মকালীন ব্যবসা পরিস্থিতি বিষয়ক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জিএলপি-১ ধরনের ওজন কমানোর ওষুধ এখন হসপিটালিটি খাতের জন্য নতুন একটি চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠছে। তবে ব্যবসা কমার পেছনে শুধু ওজন কমানোর ওষুধ নয়, বাড়তি খরচ, কম ভোক্তা আস্থা এবং মানুষের হাতে কম খরচযোগ্য অর্থও ভূমিকা রাখছে। ওজন কমানোর ইনজেকশনগুলোর মধ্যে জিএলপি-১ ধরনের ওষুধ ক্ষুধা কমাতে এবং দীর্ঘ সময় পেট ভরা অনুভূতি তৈরি করতে কাজ করে। যুক্তরাজ্য সরকারের তথ্য অনুযায়ী, এই শ্রেণির ওষুধের মধ্যে সেমাগ্লুটাইড ও টিরজেপাটাইডের মতো ওষুধ রয়েছে। এগুলো নির্দিষ্ট চিকিৎসাগত শর্তে ওজন ব্যবস্থাপনার জন্য অনুমোদিত এবং চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ব্যবহার করা উচিত নয়। দ্য ইন্ডিপেনডেন্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাজ্যে প্রায় ১৬ লাখ প্রাপ্তবয়স্ক ওজন কমানোর ইনজেকশন ব্যবহার করছেন। এসব ওষুধ ক্ষুধা ও খাবারের প্রতি আকাঙ্ক্ষা কমিয়ে দেওয়ায় অনেক ব্যবহারকারীর বাইরে খাওয়া, স্ন্যাকস ও অ্যালকোহল গ্রহণের অভ্যাসেও পরিবর্তন আসছে। এর প্রভাব শুধু রেস্তোরাঁয় সীমাবদ্ধ থাকছে না। সাম্প্রতিক বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, জিএলপি-১ ওষুধের জনপ্রিয়তা বাড়ায় মানুষ কম স্ন্যাকস ও প্রক্রিয়াজাত খাবার কিনছে এবং প্রোটিন ও পুষ্টিকর খাবারের দিকে ঝুঁকছে। ব্রিটেনের কিছু সুপারমার্কেটও ছোট পরিমাণের খাবার এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক পণ্যের দিকে নজর দিচ্ছে। এসএলটিএর জরিপে আরও দেখা গেছে, ৫৮ শতাংশ প্রতিষ্ঠান জানিয়েছে তাদের ব্যবসা বর্তমানে সংকুচিত হচ্ছে। একই সময়ে ৯৭ শতাংশ ব্যবসা পরিচালন ব্যয় বেড়েছে বলে জানিয়েছে এবং ৫৭ শতাংশ বলেছে, তাদের খরচ মূল্যস্ফীতির হারের চেয়েও উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি বেড়েছে। অর্থাৎ, ওজন কমানোর ওষুধের প্রভাবের পাশাপাশি ব্রিটেনের হসপিটালিটি খাত একাধিক অর্থনৈতিক চাপের মুখে রয়েছে। তবে এই পরিবর্তনকে শুধু ব্যবসার জন্য নেতিবাচক হিসেবে দেখছেন না বিশেষজ্ঞরা। মানুষের খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তনের ফলে স্বাস্থ্যকর, ছোট পরিমাণের এবং বেশি পুষ্টিকর খাবারের চাহিদা বাড়তে পারে। একই সঙ্গে রেস্তোরাঁ ও খাবারের প্রতিষ্ঠানগুলোও নতুন ভোক্তা চাহিদার সঙ্গে নিজেদের মেনু ও ব্যবসার কৌশল পরিবর্তন করছে। বিশেষজ্ঞরা অবশ্য মনে করিয়ে দিচ্ছেন, ওজন কমানোর এসব ওষুধ চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ব্যবহার করা নিরাপদ নয়। যুক্তরাজ্য সরকারের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, জিএলপি-১ ওষুধ কেবল অনুমোদিত চিকিৎসাগত ব্যবহারে এবং স্বাস্থ্যকর্মীর পরামর্শ অনুযায়ী নেওয়া উচিত। অনিয়ন্ত্রিত বিক্রেতা বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে এসব ওষুধ কেনার বিরুদ্ধেও সতর্ক করেছে সরকার। ফলে ওজন কমানোর ওষুধের জনপ্রিয়তা এখন শুধু স্বাস্থ্য ও চিকিৎসার বিষয়েই সীমাবদ্ধ নেই। মানুষের খাবার কেনা, রেস্তোরাঁয় যাওয়া এবং কী ধরনের খাবার খাচ্ছেন—সেসব অভ্যাসেও এর অর্থনৈতিক প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। ব্রিটেনের হসপিটালিটি খাতের সাম্প্রতিক জরিপ সেই পরিবর্তনের একটি চিত্র তুলে ধরছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬ ১৭:৫৩
বামহাতি ব্যবহারকারীদের জন্য অস্বস্তিকর হতে পারে অ্যাপলের নতুন ফোল্ডেবল আইফোন ডুওর নকশা

বামহাতিদের জন্য নয় আইফোন ডুও, নকশা নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন ও বিতর্ক

ঘুমের ট্র্যাকার সবসময় ঘুমের আসল মান সঠিকভাবে তুলে ধরতে পারে না

‘ভালো ঘুম’ দেখালেও আসলে তা নাও হতে পারে, ট্র্যাকার নিয়ে গবেষণায় সতর্কতা

সিজারিয়ান প্রসবের সাত স্তরের প্রতীকী গাউনে উগান্ডার প্রতিনিধি ট্রিভিয়া এল মুহোজা

সিজারিয়ান প্রসবের সাত স্তর, মিস ওয়ার্ল্ডের গাউনে ফুটে উঠল মায়েদের জীবনের গল্প

যুক্তরাষ্ট্রে অনেক বাংলাদেশির বাসায় ডিশওয়াশার আছে, তবু ব্যবহার করেন না; অজান্তেই নষ্ট করছেন সময়, পানি ও শ্রম
যুক্তরাষ্ট্রে অনেক বাংলাদেশির বাসায় ডিশওয়াশার আছে, তবু ব্যবহার করেন না; অজান্তেই নষ্ট করছেন সময়, পানি ও শ্রম

যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত অনেক বাংলাদেশি পরিবার নতুন বাসায় উঠলেও রান্নাঘরে থাকা ডিশওয়াশার নিয়মিত ব্যবহার করেন না। দিনের পর দিন হাতে থালা-বাসন ধোয়ার অভ্যাসের কারণে অনেকের কাছেই ডিশওয়াশার এখনো প্রয়োজনীয় গৃহস্থালি সরঞ্জামের চেয়ে অতিরিক্ত একটি যন্ত্র হিসেবেই থেকে গেছে। অথচ সঠিকভাবে ব্যবহার করলে ডিশওয়াশার দৈনন্দিন জীবনে সময়, শ্রম ও পানি ব্যবহারের পরিমাণ কমাতে পারে।   বিশেষ করে কর্মজীবী পরিবারে রান্না, খাওয়া এবং এরপর একের পর এক প্লেট, বাটি, গ্লাস ও রান্নার বাসন পরিষ্কার করতে গিয়ে প্রতিদিন উল্লেখযোগ্য সময় চলে যায়।   ডিশওয়াশারের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো, বাসনগুলো একসঙ্গে মেশিনে রেখে দেওয়া যায় এবং মেশিন নিজেই নির্দিষ্ট ধাপে সেগুলো পরিষ্কার ও শুকানোর কাজ সম্পন্ন করে।   ইউনিভার্সিটি অব মিশিগানের সেন্টার ফর সাসটেইনেবল সিস্টেমসের গবেষণায় হাতে বাসন ধোয়া এবং মেশিনে ডিশওয়াশিংয়ের তুলনা করা হয়েছে। গবেষণায় দেখা গেছে, প্রচলিত হাতে বাসন ধোয়ার পদ্ধতিতে একজন ব্যবহারকারীর সরাসরি সময় অনেক বেশি লাগে।   বিপরীতে মেশিন ডিশওয়াশারে ব্যবহারকারীর সরাসরি কাজের সময় উল্লেখযোগ্যভাবে কম। গবেষণাটি আরও দেখিয়েছে, প্রচলিত হাতে বাসন ধোয়ার তুলনায় সঠিকভাবে ব্যবহার করা ডিশওয়াশার পানি ও পরিবেশগত প্রভাব কমাতেও সুবিধা দিতে পারে।   তবে ডিশওয়াশার ব্যবহারের ক্ষেত্রে একটি বিষয় পরিষ্কারভাবে বোঝা জরুরি। ডিশওয়াশার থাকলেই প্রতিটি সাইকেলে বাসন জীবাণুমুক্ত হয়ে যাবে, এমন নয়। মডেলভেদে তাপমাত্রা ও স্যানিটাইজিং সুবিধা আলাদা হতে পারে।   সিডিসির তথ্য অনুযায়ী, স্যানিটাইজিং সাইকেল থাকা ডিশওয়াশার ব্যবহার করা যেতে পারে এবং কিছু ক্ষেত্রে উচ্চ তাপমাত্রার পানি ও হিটেড ড্রাইং জীবাণু কমাতে সহায়তা করে। তাই নিজের ডিশওয়াশারের ম্যানুয়াল দেখে উপযুক্ত সাইকেল ব্যবহার করা গুরুত্বপূর্ণ।   হাতে বাসন ধোয়া মানেই যে বাসন অপরিষ্কার থাকে, সেটিও ঠিক নয়। সঠিকভাবে সাবান ও পানি দিয়ে পরিষ্কার করলে সাধারণত বেশিরভাগ জীবাণু ও ময়লা দূর করা সম্ভব।   তবে হাতে ধোয়ার ক্ষেত্রে পানির তাপমাত্রা, ধোয়ার পদ্ধতি, সময় এবং বাসন পুরোপুরি শুকানোর বিষয়গুলো গুরুত্বপূর্ণ। ডিশওয়াশারের স্যানিটাইজিং ও হিটেড ড্রাইং সুবিধা থাকলে নির্দিষ্ট ধরনের বাসনের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত জীবাণু কমাতে তা কাজে আসতে পারে।   বাংলাদেশি পরিবারগুলোর জন্য ডিশওয়াশার ব্যবহারের অভ্যাস তৈরি করার সবচেয়ে সহজ পদ্ধতি হলো এটিকে প্রতিদিনের রুটিনের অংশ করে নেওয়া।   খাবার শেষ হওয়ার পর প্লেট বা বাসনে থাকা খাবারের অবশিষ্টাংশ সরিয়ে বাসনগুলো ডিশওয়াশারে সাজিয়ে রাখা যায়। প্রতিটি প্লেট আলাদা করে কলের পানিতে দীর্ঘ সময় ধরে ধুয়ে নেওয়ার প্রয়োজন সাধারণত নেই। অতিরিক্ত প্রি-রিন্সিং করলে বরং পানি ও সময়ের ব্যবহার বাড়তে পারে।   দিনের শেষে ডিশওয়াশার পূর্ণ হলে রাতের খাবারের পর সেটি চালিয়ে দেওয়া যেতে পারে। অনেক পরিবারের জন্য রাতের সময়টি সুবিধাজনক, কারণ তখন দিনের সব বাসন একসঙ্গে মেশিনে দিয়ে সাইকেল চালানো যায়। সকালে উঠে পরিষ্কার ও শুকনো বাসন বের করে আবার ব্যবহার করা সম্ভব।   যারা রাতে ডিশওয়াশার চালাতে চান না, তারা দিনের এমন একটি সময়ে এটি চালাতে পারেন যখন কয়েক ঘণ্টা পরিষ্কার বাসনের প্রয়োজন হবে না। অর্থাৎ প্রতিবার খাওয়ার পর হাতে বাসন ধোয়ার পরিবর্তে পরিবারের প্রয়োজন অনুযায়ী দিনে একবার বা প্রয়োজনমতো পূর্ণ লোডে ডিশওয়াশার চালানোর অভ্যাস করা যায়।   আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ডিশওয়াশারে সাধারণ হাত ধোয়ার ডিশ সোপ ব্যবহার করা যাবে না। এর জন্য আলাদা ডিশওয়াশার ডিটারজেন্ট, পড, ট্যাবলেট বা পাউডার পাওয়া যায়। এগুলো সাধারণত বড় সুপারমার্কেটসহ বিভিন্ন দোকানে সহজেই পাওয়া যায়। ডিশওয়াশারের প্রস্তুতকারকের নির্দেশনা অনুযায়ী সঠিক ধরনের ডিটারজেন্ট ব্যবহার করাই সবচেয়ে নিরাপদ পদ্ধতি।   পানি ব্যবহারের ক্ষেত্রেও ডিশওয়াশার অনেক পরিবারের জন্য সুবিধাজনক হতে পারে। ইউনিভার্সিটি অব মিশিগানের গবেষণায় দেখা গেছে, প্রচলিত হাতে বাসন ধোয়ার পদ্ধতিতে পানি ব্যবহারের পরিমাণ মেশিন ডিশওয়াশারের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি হতে পারে। বিশেষ করে বাসন ধোয়ার সময় কলের পানি দীর্ঘক্ষণ চালু রাখলে পানির অপচয় আরও বাড়ে।   তবে ডিশওয়াশার ব্যবহার করলেও কিছু নিয়ম মানতে হবে। মেশিন অতিরিক্ত বোঝাই করা যাবে না, বাসন এমনভাবে সাজাতে হবে যাতে পানি ও ডিটারজেন্ট প্রতিটি জায়গায় পৌঁছাতে পারে এবং ডিশওয়াশার নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। কোন ধরনের প্লেট, প্যান বা রান্নার বাসন ডিশওয়াশারে দেওয়া যাবে, সেটিও প্রস্তুতকারকের নির্দেশনা অনুযায়ী নিশ্চিত করা উচিত।   যুক্তরাষ্ট্রের ব্যস্ত জীবনযাত্রায় সময় বাঁচানো এখন পরিবারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। একজন মানুষকে প্রতিদিন রান্না, খাবার পরিবেশন এবং খাবারের পর পরিষ্কার করার কাজ করতে হয়। সেখানে প্রতিবার হাতে দাঁড়িয়ে বাসন পরিষ্কার করার পরিবর্তে ডিশওয়াশার ব্যবহার করলে সেই সময়ের একটি অংশ অন্য প্রয়োজনীয় কাজে দেওয়া সম্ভব।   বাংলাদেশি কমিউনিটিতে তাই ডিশওয়াশারকে শুধু বিলাসিতা হিসেবে দেখার পরিবর্তে একটি ব্যবহারিক গৃহস্থালি সরঞ্জাম হিসেবে দেখার সুযোগ রয়েছে। বিশেষ করে যেসব বাসায় ডিশওয়াশার আগে থেকেই রয়েছে কিন্তু নিয়মিত ব্যবহার করা হয় না, তাদের জন্য যন্ত্রটির সঠিক ব্যবহার শেখা হতে পারে দৈনন্দিন কাজ সহজ করার একটি কার্যকর উপায়।   সবশেষে, ডিশওয়াশার ব্যবহার মানেই হাতে বাসন ধোয়া সম্পূর্ণ বাদ দিতে হবে এমন নয়। কিছু বিশেষ ধরনের বাসন হাতে ধোয়া প্রয়োজন হতে পারে এবং সব বাসন ডিশওয়াশার-সেইফ নয়। তবে যেসব বাসন নিরাপদে ডিশওয়াশারে পরিষ্কার করা যায়, সেগুলোর ক্ষেত্রে নিয়মিত মেশিন ব্যবহার করলে একটি পরিবারের প্রতিদিনের সময় ও শ্রমের চাপ অনেকটাই কমানো সম্ভব।   

নুরুল্লাহ সাইদ প্রকাশ: আগস্ট ৩০, ২০২৬ ১৫:৪৬
গাড়ি দুর্ঘটনার সময় শক্ত চুলের ক্লিপ মাথায় গুরুতর আঘাতের কারণ হতে পারে। ছবি: সংগৃহীত

চুলে ক্লিপ পরে গাড়িতে যাতায়াত, দুর্ঘটনার সময় এটি মাথার খুলি পর্যন্ত ঢুকে যেতে পারে

যুক্তরাষ্ট্রে অ্যাপার্টমেন্ট ভাড়া নেওয়ার আগে বাড়িওয়ালার সঙ্গে কথাবার্তায় সতর্ক থাকা জরুরি। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রে নতুন বাসা ভাড়া নিচ্ছেন? যে ৫ টি ভুলে হাতছাড়া হতে পারে পছন্দের বাসা

কঠোর সঞ্চয় ও নিয়মিত বিনিয়োগের মাধ্যমে প্রায় এক লাখ ডলারের সম্পদ গড়া লন্ডনের তরুণী মিয়া ম্যাকগ্রাথ। ছবি: সংগৃহীত

সস্তা নাশতা খেয়ে ২৪ বছরেই সঞ্চয় ৯৭ হাজার ডলার! ৪০-এ অবসর যা পারছেন তাই করছেন

জেমস ম্যাকগ্রর করানো কেলি ম্যাকগ্রর ঘুমন্ত অবস্থার ট্যাটু। ছবি: সংগৃহীত
স্ত্রীর চুল কাটার বদলা নিতে ঘুমন্ত অবস্থার ছবি ট্যাটু করালেন স্বামী

২০১৯ সালে স্ত্রী কেলি ম্যাকগ্রর দেওয়া একটি চুল কাটায় অসন্তুষ্ট হয়ে প্রতিশোধ নেওয়ার অভিনব পথ বেছে নেন জেমস ম্যাকগ্র। স্ত্রীর ঘুমন্ত অবস্থায় বিমানে তোলা একটি অপ্রস্তুত ছবি, যেখানে তাকে নাক ডাকতে দেখা যায়, সেটিই শেষ পর্যন্ত জায়গা করে নেয় জেমসের উরুতে ট্যাটু হিসেবে।   দীর্ঘ ২৪ বছরের দাম্পত্য জীবনে নানা ধরনের মজার প্র্যাঙ্ক বা ঠাট্টা করে একে অপরকে চমকে দেওয়ার অভ্যাস রয়েছে জেমস ও কেলির। তবে ২০১৯ সালের ঘটনাটি তাদের সেই মজার প্রতিদ্বন্দ্বিতাকে যেন অন্য মাত্রায় নিয়ে যায়।   স্ত্রীর দেওয়া চুল কাটাটি পছন্দ হয়নি জেমসের। তাই প্রতিশোধ হিসেবে তিনি বিমানে ঘুমিয়ে থাকা কেলির একটি ছবি বেছে নেন। ছবিতে কেলিকে নাক ডাকতে দেখা যাচ্ছিল। শুধু তাই নয়, ট্যাটুতে তার চেহারার একটি বৈশিষ্ট্য আরও বাড়িয়ে দেখানো হয়, যাতে ছবিটি আরও হাস্যকর দেখায়।   ঘটনাটি জানার পর প্রথমে বেশ ক্ষুব্ধ হয়ে যান কেলি। তার মনে হয়েছিল, মজা করতে গিয়ে জেমস এবার সীমা ছাড়িয়ে গেছেন। বিশেষ করে নিজের এমন একটি ছবি স্থায়ীভাবে স্বামীর শরীরে ট্যাটু হিসেবে দেখে তিনি মোটেও খুশি হননি।   তবে সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে সেই ক্ষোভ অনেকটাই হাসিতে পরিণত হয়। শেষ পর্যন্ত কেলিও ট্যাটুটির অদ্ভুত ও হাস্যকর দিকটি মেনে নিয়ে বিষয়টি নিয়ে মজা করতে শুরু করেন।   তবে এখানেই গল্প শেষ নয়। দীর্ঘদিনের এই প্র্যাঙ্ক যুদ্ধের পাল্টা জবাব দেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন কেলি। তিনি জানিয়েছেন, জেমসের এই কাণ্ডের প্রতিশোধ তিনি নেবেন।   আর কেলির সেই প্রতিশোধ নিয়ে এখন বেশ চিন্তিত জেমস নিজেই। এত বছরের দাম্পত্য জীবনে একে অপরকে নিয়ে অসংখ্য মজার কাণ্ড ঘটালেও, এবার কেলি কী করবেন, সেটিই যেন জেমসের কাছে সবচেয়ে বড় রহস্য।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: আগস্ট ১১, ২০২৬ ১১:২
সন্তানদের প্রযুক্তি আসক্তি ও অবাধ ইন্টারনেট ব্যবহার থেকে দূরে রাখতে সপ্তাহে মাত্র এক ঘণ্টা আইপ্যাড ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছেন কলম্বিয়ান সংগীতশিল্পী শাকিরা। ছবি: সংগৃহীত

সন্তানদের ফোন-ইউটিউব থেকে দূরে রেখেছেন শাকিরা, সপ্তাহে মাত্র এক ঘণ্টা আইপ্যাড

চুলের সুস্থতা ও দীর্ঘমেয়াদি তারুণ্য ধরে রাখতে নতুন ট্রেন্ড ‘হেয়ার লংজেভিটি’। ছবি: সংগৃহীত

চুলের তারুণ্য ধরে রাখতে নতুন ট্রেন্ড ‘হেয়ার লংজেভিটি’

নিউইয়র্কের প্রতি ৫টি সাবওয়ে ট্রেনের ১টি লেট, সমাধান পেতে লাগতে পারে আরও ২৫ বছর

নিউইয়র্কের প্রতি ৫টি সাবওয়ে ট্রেনের ১টি লেট, সমাধান পেতে লাগতে পারে আরও ২৫ বছর

0 Comments