জাতীয়

মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনায় বিপর্যস্ত আকাশপথ: ৬ রুটে ৩০০ ফ্লাইট বাতিল

আবু জোবায়ের মার্চ ৯, ২০২৬ 0
ফাইল ছবি
ফাইল ছবি

মধ্যপ্রাচ্যে ইরান, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রকে ঘিরে বাড়তে থাকা উত্তেজনার প্রভাব এবার সরাসরি পড়েছে বাংলাদেশের আকাশপথে। নিরাপত্তা পরিস্থিতি বিবেচনায় রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস চারটি আন্তর্জাতিক রুটে অনির্দিষ্টকালের জন্য ফ্লাইট স্থগিত করেছে। একই সঙ্গে আরও দুটি রুটে ১০ মার্চ পর্যন্ত ফ্লাইট বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

 

বিমানের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতির কারণে দোহা, শারজাহ, কুয়েত ও দাম্মাম রুটে আপাতত অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য ফ্লাইট বন্ধ থাকবে। এছাড়া দুবাই ও আবুধাবি রুটেও ১০ মার্চ পর্যন্ত ফ্লাইট চলাচল স্থগিত রাখা হয়েছে।

 

মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি বিবেচনায় ইরান, ইরাক, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কাতার ও জর্ডানের আকাশসীমা ব্যবহারে সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে পরিচালিত ফ্লাইটগুলোর ওপর।

 

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মধ্যপ্রাচ্যগামী একের পর এক ফ্লাইট বাতিল করছে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক এয়ারলাইনস। শুধু রোববারই শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে অন্তত ২৬টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। সব মিলিয়ে এখন পর্যন্ত প্রায় ৩০০টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।

 

বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে রয়েছে কুয়েত এয়ারওয়েজ, জাজিরা এয়ারওয়েজ, কাতার এয়ারওয়েজ, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স, গালফ এয়ার, এমিরেটস, এয়ার অ্যারাবিয়া ও সৌদি অ্যারাবিয়ান এয়ারলাইনস-এর বেশ কয়েকটি ফ্লাইট।

 

ক্রমাগত ফ্লাইট বাতিলের কারণে যাত্রীদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত মধ্যপ্রাচ্যগামী ফ্লাইট পরিচালনায় অনিশ্চয়তা থাকতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

Advertisement

জাতীয়

View more
রাজধানীর কড়াইল থেকে শুরু হচ্ছে ফ্যামিলি কার্ডের পরীক্ষামূলক বিতরণ

আগামীকাল থেকে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের পরীক্ষামূলক কার্যক্রম শুরু হতে যাচ্ছে। মঙ্গলবার (৯ মার্চ) রাজধানীর কড়াইল এলাকায় নারীদের হাতে কার্ড তুলে দিয়ে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।   প্রথম ধাপে দেশের বিভিন্ন এলাকার নির্বাচিত স্থানে এ কার্যক্রম পরিচালিত হবে। ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন এলাকার বনানী অঞ্চলের কড়াইল বস্তি, সাততলা বস্তি ও ভাষানটেক বস্তি এ তালিকায় রয়েছে। এছাড়া ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন এলাকার মিরপুরের অলিমিয়ারটেক ও বাগানবাড়ী বস্তিতেও ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হবে।   ঢাকা বিভাগের রাজবাড়ী জেলার পাংশা উপজেলার হাবাসপুর ইউনিয়নেও এই কার্যক্রম চলবে। একই সঙ্গে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এলাকায় এবং চট্টগ্রাম বিভাগের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার সদর পৌরসভায় ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হবে।   চট্টগ্রাম পার্বত্য অঞ্চলের বান্দরবান জেলার লামা উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নেও এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে। খুলনা বিভাগের খালিশপুর থানার খুলনা সিটি কর্পোরেশন এলাকাও এ তালিকায় রয়েছে।   বরিশাল বিভাগের ভোলা জেলার চরফ্যাশন থানার আসলামপুর ইউনিয়ন, সিলেট বিভাগের সুনামগঞ্জ জেলার দিরাই থানার কুলঞ্জ ইউনিয়ন এবং ময়মনসিংহ বিভাগের কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরব থানার শিমুলকান্দি ইউনিয়নেও ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের পরীক্ষামূলক কার্যক্রম পরিচালিত হবে।   এছাড়া রাজশাহী বিভাগের বগুড়া জেলার বগুড়া সদর থানার শাখারিয়া ইউনিয়ন, নাটোর জেলার লালপুর থানার ঈশ্বরদী ইউনিয়ন, রংপুর বিভাগের ঠাকুরগাঁও জেলার ঠাকুরগাঁও সদর থানার রহমানপুর ইউনিয়ন এবং দিনাজপুর জেলার নবাবগঞ্জ থানার জয়পুর ইউনিয়নেও এ কার্যক্রম চালু করা হবে।

তাবাস্সুম মার্চ ৯, ২০২৬ 0

কাল শুরু হচ্ছে ফ্যামিলি কার্ডের পাইলট কার্যক্রম, মাসে মিলবে ২৫০০ টাকা সহায়তা

৭ মার্চের ভাষণ বাজানোয় গ্রেফতার ইমির জামিন না মঞ্জুর। ছবি: সংগৃহীত

শাহবাগে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ বাজানোর ঘটনায় গ্রেফতার ইমিসহ তিনজনের জামিন নাকচ

ফাইল ছবি

মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনায় বিপর্যস্ত আকাশপথ: ৬ রুটে ৩০০ ফ্লাইট বাতিল

চট্টগ্রামের জঙ্গল সলিমপুরে চলছে যৌথ বাহিনীর অভিযান । ছবি: জুয়েল শীল
চট্টগ্রামের জঙ্গল সলিমপুরে চলছে যৌথ বাহিনীর অভিযান

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় সন্ত্রাসীদের ধরতে গিয়ে যৌথ বাহিনীর সদস্যদের নানা প্রতিবন্ধকতার মুখে পড়তে হয়েছে। কোথাও রাস্তার ওপর বড় ট্রাক রেখে দেওয়া হয়েছে, কোথাও আবার ভেঙে ফেলা হয়েছে কালভার্ট। এমনকি একটি স্থানে নালার স্ল্যাবও তুলে ফেলা হয়েছে।   আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তাদের ধারণা, অভিযানের খবর আগেই পেয়ে যায় সন্ত্রাসীদের একটি অংশ। ফলে অভিযানের আগের রাতেই এসব প্রতিবন্ধকতা তৈরি করা হয়, যাতে বাহিনীর অগ্রযাত্রা বাধাগ্রস্ত হয়।   জানা গেছে, জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় সন্ত্রাসীদের দুটি পক্ষ সক্রিয়। একটি পক্ষের নেতৃত্বে রয়েছেন মোহাম্মদ ইয়াসিন এবং অপর পক্ষের নেতৃত্বে রোকন উদ্দিন। ইয়াসিন গত জানুয়ারিতে ওই এলাকায় অভিযানে যাওয়া এক র‍্যাব কর্মকর্তাকে হত্যার মামলার প্রধান আসামি। জঙ্গল সলিমপুরের আলীনগর এলাকায় তার একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ রয়েছে।   আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা জানান, আলীনগরে যৌথ বাহিনীর প্রবেশ ঠেকাতেই এসব বাধা সৃষ্টি করা হয়। আলীনগরে প্রবেশের মূল সড়কে ট্রাক রেখে ব্যারিকেড দেওয়া হয় এবং কাছাকাছি একটি কালভার্ট ভেঙে ফেলা হয়।   পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি নাজমুল হাসান সাংবাদিকদের বলেন, ছিন্নমূল ও আলীনগর জঙ্গল সলিমপুরের অংশ। ছিন্নমূল এলাকা পেরিয়ে আলীনগরে ঢোকার মুখে একটি ট্রাক দিয়ে ব্যারিকেড দেওয়া হয়েছিল। পরে যৌথ বাহিনীর সদস্যরা সেটি সরিয়ে সামনে অগ্রসর হন। কিছু দূর যাওয়ার পর দেখা যায় একটি কালভার্ট ভেঙে ফেলা হয়েছে। পরে ওই অংশ ইট–বালি দিয়ে ভরাট করে বাহিনীর গাড়ি আলীনগরে প্রবেশ করে।   তিনি আরও বলেন, এটি একটি বড় অভিযান এবং এতে বিভিন্ন বাহিনীর সদস্যরা অংশ নিয়েছেন। জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় সন্ত্রাসীদের নিজস্ব সোর্স থাকায় তারা কোনোভাবে অভিযানের খবর পেয়ে থাকতে পারে।   অস্ত্র উদ্ধার ও গ্রেপ্তারের বিষয়ে তিনি জানান, অভিযান এখনো চলমান। অভিযান শেষ না হওয়া পর্যন্ত কত অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে বা কতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। ভবিষ্যতে অভিযান পরিচালনার সুবিধার্থে সেখানে যৌথ বাহিনীর সমন্বয়ে একটি অস্থায়ী ক্যাম্প স্থাপনের পরিকল্পনাও রয়েছে।   রোববার সকাল ছয়টা থেকে শুরু হওয়া এ অভিযানে প্রায় চার হাজার সদস্য অংশ নিয়েছেন। অভিযান শুরুর আগে থেকেই জঙ্গল সলিমপুর এলাকার চারপাশ ঘিরে ফেলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। প্রবেশ ও বের হওয়ার পথে বসানো হয় তল্লাশি চৌকি, যাতে কেউ পালিয়ে যেতে না পারে। নিরাপত্তার কারণে অভিযানের সময় সাংবাদিকদের ভেতরে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি।   গত জানুয়ারিতে জঙ্গল সলিমপুরে অভিযানের সময় সন্ত্রাসী হামলায় নিহত হন র‍্যাব-৭-এর উপসহকারী পরিচালক (নায়েব সুবেদার) মোতালেব হোসেন ভূঁইয়া। এ ঘটনায় সীতাকুণ্ড থানায় করা মামলায় মোহাম্মদ ইয়াসিনসহ ২৯ জনকে আসামি করা হয় এবং অজ্ঞাত আরও প্রায় ২০০ জনকে অভিযুক্ত করা হয়।   মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, আসামি ধরতে গেলে সন্ত্রাসীরা ইয়াসিনের নির্দেশে রামদা, কিরিচ ও লাঠিসোঁটা নিয়ে র‍্যাব সদস্যদের ওপর হামলা চালায়। তারা র‍্যাবের আটক এক আসামিকে ছিনিয়ে নেয় এবং চার সদস্যকে অপহরণ করে। পরে সেনাবাহিনী ও পুলিশের সহায়তায় তাদের উদ্ধার করা হয়।   জঙ্গল সলিমপুর চট্টগ্রাম নগরের বায়েজিদ বোস্তামী এলাকা থেকে প্রায় দুই কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত। প্রায় ৩ হাজার ১০০ একর পাহাড়ি এলাকায় গড়ে ওঠা এই অঞ্চল দীর্ঘদিন ধরেই সন্ত্রাসীদের নিরাপদ আশ্রয়স্থল হিসেবে পরিচিত।   দীর্ঘ চার দশক ধরে সরকারি পাহাড় কেটে এখানে গড়ে উঠেছে কয়েক হাজার অবৈধ বসতি। এখনও সেখানে পাহাড় কেটে প্লট-বাণিজ্য চলছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এসব কর্মকাণ্ড টিকিয়ে রাখতে এলাকাজুড়ে সশস্ত্র সন্ত্রাসী বাহিনী সক্রিয় রয়েছে।

আরাফাত ইবনে আব্দুল্লাহ মার্চ ৯, ২০২৬ 0
প্রতীকী ব্ল্যাকআউট

২৫ মার্চ কালরাতে দেশজুড়ে এক মিনিটের ‘প্রতীকী ব্ল্যাকআউট’: গণহত্যা দিবসে বিশেষ কর্মসূচি

সীতাকুণ্ডে জঙ্গল সলিমপুরে শুরু হলো যৌথ অভিযান

সীতাকুণ্ডে জঙ্গল সলিমপুরে শুরু হলো যৌথ অভিযান

পত্রিকা

পত্রিকা: মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবের মধ্যেও তেল–গ্যাস নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে ভিড়ছে জাহাজ

হাদি হত্যার প্রধান আসামি ফয়সালসহ দুজনকে ভারত থেকে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু। ছবি: সংগৃহীত
হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল ভারতে আটক, দেশে ফেরাতে উদ্যোগ

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ ও তার সহযোগী আলমগীর হোসেনকে ভারত থেকে দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। গোয়েন্দা সূত্র রোববার এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।   সূত্র জানায়, বাংলাদেশের গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ শনিবার দিবাগত রাতে সীমান্তবর্তী বনগাঁ এলাকা থেকে ওই দুইজনকে আটক করে। পরে তাদের বিরুদ্ধে স্থানীয়ভাবে একটি মামলা করা হয় এবং সেই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে হাজির করা হলে আদালত তাদের পুলিশ হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।   ভারতের সংবাদ সংস্থা এএনআই এবং পশ্চিমবঙ্গভিত্তিক গণমাধ্যম এই সময়ও ফয়সাল ও আলমগীরকে আটকের খবর নিশ্চিত করেছে।   গোয়েন্দা সূত্র বলছে, সম্প্রতি বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা সংস্থার নবনিযুক্ত মহাপরিচালক ভারত সফর করেন। ওই সফরে তিনি ভারতীয় কর্তৃপক্ষকে শহীদ ওসমান বিন হাদি হত্যা মামলার পলাতক আসামিসহ বিভিন্ন অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনি প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর অনুরোধ জানান। এর পরিপ্রেক্ষিতে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ওই দুইজনকে আটক করতে সক্ষম হয়।   সূত্র আরও জানায়, হত্যাকাণ্ডের পর ফয়সাল ও আলমগীর মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে ভারতে প্রবেশ করে বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপনে ছিলেন। পরে সুযোগ বুঝে আবার বাংলাদেশে ফিরে আসার উদ্দেশ্যে বনগাঁ সীমান্ত এলাকায় অবস্থান নেন। বাংলাদেশ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে।   গত বছরের ১২ ডিসেম্বর ঢাকার পল্টনের বক্স কালভার্ট রোড এলাকায় জুমার নামাজ শেষে গণসংযোগ করে ফেরার সময় মোটরসাইকেল আরোহী দুজনের গুলিতে গুরুতর আহত হন ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদি। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। ১৮ ডিসেম্বর সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।   এ ঘটনায় করা মামলায় ইতিমধ্যে গ্রেপ্তার হওয়া কয়েকজন আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। বর্তমানে ভারতে আটক ফয়সাল ও আলমগীরকে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দেশে ফিরিয়ে আনার প্রস্তুতি নিচ্ছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

শাহারিয়া নয়ন মার্চ ৯, ২০২৬ 0
এনসিপি নেতার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের, বিএনপি সভাপতিকে শোকজ

এনসিপি নেতার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের, বিএনপি সভাপতিকে শোকজ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ফাইল ছবি

১৪ মার্চ ইমাম-মুয়াজ্জিনদের ভাতা কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

ওসমান হাদী ও ফয়সাল করিম। ছবি: সংগৃহীত

ওসমান হাদী হত্যা মামলার দুই প্রধান আসামি ভারতে গ্রেফতার

0 Comments