ফোবানা

উত্তর আমেরিকার প্রবাসী বাংলাদেশিদের অন্যতম বৃহৎ সংগঠন ফেডারেশন অব বাংলাদেশি অ্যাসোসিয়েশন্স ইন নর্থ আমেরিকা (ফোবানা)
লস অ্যাঞ্জেলেসের ৪০তম ফোবানাই মূল কনভেনশন, ফোবানার নামে অন্য আয়োজনে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান

উত্তর আমেরিকার প্রবাসী বাংলাদেশিদের অন্যতম বৃহৎ সংগঠন ফেডারেশন অব বাংলাদেশি অ্যাসোসিয়েশন্স ইন নর্থ আমেরিকা (ফোবানা) এর ৪০তম কনভেনশন আগামী ৪, ৫ ও ৬ সেপ্টেম্বর ক্যালিফোর্নিয়ার ইউনিভার্সাল সিটির হিলটন লস অ্যাঞ্জেলেস/ইউনিভার্সাল সিটি হোটেলে অনুষ্ঠিত হবে। আয়োজকদের দাবি, ফোবানার সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা অনুসারে এটিই একমাত্র মূল ও বৈধ ৪০তম ফোবানা কনভেনশন। একই সময়ে ‘ফোবানা’ নাম ব্যবহার করে বিভিন্ন স্থানে আয়োজিত পৃথক অনুষ্ঠানের প্রচারণায় বিভ্রান্ত না হয়ে মূল কনভেনশনে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ফোবানার বর্তমান নেতৃত্ব।   ফোবানার নির্বাহী কমিটির চেয়ারপারসন রবিউল করিম বেলাল এবং নির্বাহী সচিব খালেদ আহমেদ রউফ এক যৌথ বক্তব্যে বলেন, ফোবানার সংবিধান অনুযায়ী সদস্য সংগঠনগুলোর ভোটের মাধ্যমে দুই বছর আগেই কনভেনশনের আয়োজক শহর নির্ধারণ করা হয়। সেই সাংবিধানিক ধারাবাহিকতায় এবারের ৪০তম কনভেনশনের আয়োজক ক্যালিফোর্নিয়ার ইউনিভার্সাল সিটি।   তারা জানান, কনভেনশনকে সফল করতে ক্যালিফোর্নিয়াসহ যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে ধারাবাহিকভাবে মতবিনিময় সভা, সমন্বয় বৈঠক ও প্রস্তুতিমূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত হচ্ছে। স্থানীয় বাংলাদেশি কমিউনিটির নেতারাও এসব আয়োজনে সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন।   ফোবানা নেতাদের ভাষ্য, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে কয়েকটি পৃথক গোষ্ঠী ‘ফোবানা’ নাম ব্যবহার করে বিভিন্ন শহরে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে আসছে। তবে এসব আয়োজনের সঙ্গে ফোবানার সাংবিধানিক কাঠামো কিংবা নিবন্ধিত সদস্য সংগঠনগুলোর কোনো সাংগঠনিক সম্পর্ক নেই। তাই বিভিন্ন প্রচারণা বা বিজ্ঞাপন দেখে বিভ্রান্ত না হয়ে প্রবাসীদের তথ্য যাচাই করে মূল কনভেনশনে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান তারা।   রবিউল করিম বেলাল বলেন, “ফোবানা শুধু একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান নয়; এটি উত্তর আমেরিকার বাংলাদেশি সংগঠনগুলোর ঐক্যের প্রতীক। নিবন্ধিত সদস্য সংগঠনগুলোর অংশগ্রহণ, সংবিধান এবং সাংগঠনিক প্রক্রিয়ার ভিত্তিতেই ফোবানা কনভেনশন অনুষ্ঠিত হয়।”   খালেদ আহমেদ রউফ বলেন, “কেউ ব্যক্তিগত উদ্যোগে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করতেই পারেন। কিন্তু সেটিকে ফোবানা কনভেনশন হিসেবে উপস্থাপন করা সঠিক নয়। প্রবাসীদের বিভ্রান্ত না হয়ে মূল প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার আহ্বান জানাই।”   আয়োজকদের উদ্যোগে সম্প্রতি ক্যালিফোর্নিয়ার হলিউডে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় কমিউনিটির নেতারা বলেন, প্রবাসী বাংলাদেশিদের বৃহত্তর স্বার্থে বিভেদ নয়, ঐক্যই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। কনভেনশনকে ঘিরে ক্যালিফোর্নিয়ার বাংলাদেশি কমিউনিটিতে ইতিবাচক পরিবেশ সৃষ্টি এবং সবাইকে একই প্ল্যাটফর্মে সম্পৃক্ত করাই তাদের লক্ষ্য। এ উদ্দেশ্যে শিগগিরই একটি বৃহৎ টাউন হল সভার আয়োজন করা হবে, যেখানে কনভেনশনের প্রস্তুতি, পরিকল্পনা এবং বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়ে বিস্তারিত তুলে ধরা হবে।   আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, এবারের কনভেনশনে আমেরিকার বিভিন্ন অঙ্গরাজ্য ও  কানাডা থেকে শত শত শিল্পী, সাহিত্যিক, ব্যবসায়ী, পেশাজীবী, কমিউনিটি নেতা ও দর্শনার্থী অংশ নেবেন। তিন দিনের এই আয়োজনে থাকবে আন্তর্জাতিক মানের সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, সাহিত্যসভা, সেমিনার, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও সাইবার নিরাপত্তাবিষয়ক আলোচনা, নারীর ক্ষমতায়ন, যুব নেতৃত্ব, বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই ফোরাম, গ্রন্থমেলা, ফ্যাশন শো, চলচ্চিত্র প্রদর্শনী, ব্যবসায়িক নেটওয়ার্কিং এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা।   এছাড়া কনভেনশনের পৃষ্ঠপোষকতার জন্য ‘সিলভার প্যাকেজ’-এর বিশেষ মূল্যছাড়ের সময়সীমা আগামী ২৫ জুলাই পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন কনভেনশনের আহ্বায়ক ডা. জয়নুল আবেদীন ও সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ এম. ইকবাল। তারা জানান, সীমিতসংখ্যক এ প্যাকেজে ভিআইপি পাস, বিশেষ নেটওয়ার্কিং সেশনে অংশগ্রহণের সুযোগ এবং সংরক্ষিত আসনের সুবিধা থাকবে।   চার দশকেরও বেশি সময় ধরে উত্তর আমেরিকায় বসবাসরত বাংলাদেশিদের সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক বন্ধন সুদৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে ফোবানা। আয়োজকদের প্রত্যাশা, লস অ্যাঞ্জেলেসে অনুষ্ঠিতব্য ৪০তম কনভেনশন প্রবাসী বাংলাদেশিদের ঐক্য, সংস্কৃতি এবং নতুন প্রজন্মের সম্পৃক্ততাকে আরও শক্তিশালী করবে।

ইসতিয়াক আহমেদ জুলাই ১৬, ২০২৬ ১৪:০
ফোবানা ২০২৬-এর সদস্য নিবন্ধনের শেষ সময় ৩০ জুন।
ফোবানা ২০২৬: সংগঠন নিবন্ধনের শেষ সময় ৩০ জুন, সদস্য সংগঠনগুলোর প্রতি জরুরি আহ্বান

উত্তর আমেরিকায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের বৃহত্তম সম্মেলন ফোবানা ২০২৬ এ অংশগ্রহণে আগ্রহী সদস্য সংগঠনগুলোর নিবন্ধনের শেষ সময় আগামী ৩০ জুন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিবন্ধন সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট সকল সংগঠনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ফোবানার এক্সিকিউটিভ সেক্রেটারি খালেদ রউফ।   খালেদ রউফ বলেন, ৪০তম ফোবানা কনভেনশনকে সফল ও অংশগ্রহণমূলক করতে উত্তর আমেরিকার বিভিন্ন অঙ্গরাজ্য এবং কানাডার সদস্য সংগঠনগুলোর সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এজন্য যেসব সংগঠন এখনো নিবন্ধন সম্পন্ন করেনি, তাদের দ্রুত নিবন্ধন করার অনুরোধ জানানো হচ্ছে।   তিনি জানান, সংগঠন নিবন্ধনের পাশাপাশি সাংস্কৃতিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণে আগ্রহীদের কালচারাল মেম্বারশিপ নবায়ন, হাউস রেজিস্ট্রেশন এবং নির্ধারিত সাংস্কৃতিক স্লট নিশ্চিত করার প্রক্রিয়াও চলছে।   ফোবানার এক্সিকিউটিভ সেক্রেটারি বলেন, সময়মতো নিবন্ধন সম্পন্ন করলে সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলো কনভেনশনের বিভিন্ন কার্যক্রমে অংশগ্রহণ, প্রতিনিধিত্ব এবং সাংস্কৃতিক পরিবেশনার সুযোগ গ্রহণ করতে পারবে।   তিনি আরও জানান, ক্যালিফোর্নিয়ার লস অ্যাঞ্জেলেসে অনুষ্ঠিতব্য ফোবানার ৪০তম কনভেনশনকে ঘিরে প্রস্তুতি ভালোভাবে এগিয়ে চলছে। ইতোমধ্যে নিবন্ধন, হোটেল বুকিং, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং বিভিন্ন কমিউনিটি কার্যক্রমের প্রস্তুতি অব্যাহত রয়েছে।   আগামী ৪ থেকে ৬ সেপ্টেম্বর ইউনিভার্সাল সিটির হিলটন লস অ্যাঞ্জেলেস/ইউনিভার্সাল সিটি হোটেলে অনুষ্ঠিত হবে তিন দিনব্যাপী এই কনভেনশন। এতে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডাসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে হাজারো প্রবাসী বাংলাদেশির অংশগ্রহণের প্রত্যাশা করছেন আয়োজকরা।   খালেদ রউফ বলেন, “ফোবানা শুধু একটি কনভেনশন নয়, এটি উত্তর আমেরিকায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের ঐক্য, সংস্কৃতি এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মধ্যে সংযোগ তৈরির একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম। তাই সকল সদস্য সংগঠনকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিবন্ধন সম্পন্ন করার আহ্বান জানাচ্ছি।”

তাবাস্সুম জুন ২৩, ২০২৬ ১৪:০
ফোবানার ৪০তম কনভেনশন স্মরণীয় করতে বিশেষ আয়োজন।
ফোবানা ২০২৬ এর প্রস্তুতি জোরদার, বিজনেস নেটওয়ার্কিং লাঞ্চে থাকছেন মন্ত্রী ও লস অ্যাঞ্জেলেসের মেয়র

উত্তর আমেরিকায় বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের বৃহত্তম সম্মেলন ফোবানা ২০২৬ কে ঘিরে প্রস্তুতি জোরদার হয়েছে। সেপ্টেম্বর মাসের ৪ থেকে ৬ তারিখ ক্যালিফোর্নিয়ার ইউনিভার্সাল সিটিতে অনুষ্ঠিতব্য ৪০তম ফোবানা কনভেনশনের বিভিন্ন কার্যক্রমের পরিকল্পনা নিয়ে কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন ফোবানার এক্সিকিউটিভ সেক্রেটারি খালেদ রউফ।   খালেদ রউফ বলেন, চার দশকের ঐতিহ্য বহনকারী ফোবানার ৪০তম কনভেনশনকে স্মরণীয় ও ফলপ্রসূ করতে বিভিন্ন বিশেষ আয়োজন রাখা হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে আগামী ৫ সেপ্টেম্বর (শনিবার) দুপুর ১টায় ইউনিভার্সাল হিলটন হোটেলের বলরুমে একটি বিশেষ বিজনেস নেটওয়ার্কিং লাঞ্চ অনুষ্ঠিত হবে।   তিনি জানান, অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বাংলাদেশ সরকারের শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে অংশ নেবেন লস অ্যাঞ্জেলেসের মেয়র ক্যারেন ব্যাস।   ফোবানার এক্সিকিউটিভ সেক্রেটারি খালেদ রউফ আরও বলেন, উত্তর আমেরিকার বিভিন্ন অঙ্গরাজ্য, কানাডা এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আগত প্রবাসী বাংলাদেশি ব্যবসায়ী, উদ্যোক্তা ও পেশাজীবীদের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়ন এবং নতুন সুযোগ সৃষ্টি করাই এই নেটওয়ার্কিং আয়োজনের অন্যতম লক্ষ্য।   তিনি জানান, সম্মেলনের সার্বিক প্রস্তুতি সন্তোষজনকভাবে এগিয়ে চলছে। ইতোমধ্যে নিবন্ধন কার্যক্রম, হোটেল বুকিং এবং বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ও কমিউনিটি কার্যক্রমের পরিকল্পনা বাস্তবায়নের কাজ অব্যাহত রয়েছে।   “উত্তরণের পথে আগামীর প্রত্যয়ে প্রবাস বাংলাদেশ” প্রতিপাদ্যে অনুষ্ঠিতব্য ফোবানা ২০২৬ এ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, সেমিনার, সাহিত্য আড্ডা, ইয়ুথ ফোরাম, স্কলারশিপ কার্যক্রম এবং কমিউনিটি সংযোগমূলক নানা আয়োজন থাকবে।   খালেদ রউফ আশা প্রকাশ করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডাসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে হাজারো প্রবাসী বাংলাদেশি এবারের কনভেনশনে অংশ নেবেন। ৪০তম ফোবানা কনভেনশন উত্তর আমেরিকায় বাংলাদেশি কমিউনিটির ঐক্য, সংস্কৃতি, নেতৃত্ব বিকাশ এবং বৈশ্বিক পরিচয়ের এক গুরুত্বপূর্ণ মিলনমেলায় পরিণত হবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

তাবাস্সুম জুন ২৩, ২০২৬ ১৪:০
ছবি: মন্ত্রী মহোদয়ের হাতে আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণপত্র তুলে দিচ্ছেন আয়োজক কমিটি
৪০তম ফোবানা কনভেনশনে যোগ দিচ্ছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী

যুক্তরাষ্ট্রের লস অ‍্যান্জেলেসে অনুষ্ঠিতব্য ফেডারেশন অব বাংলাদেশি অ্যাসোসিয়েশনস ইন নর্থ আমেরিকা (ফোবানা) ৪০তম কনভেনশন ২০২৬-এ  যোগদানের সম্মতি দিয়েছেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।   ২০ মে বাংলাদেশ সচিবালয়ে নিজ মন্ত্রণালয়ে ফোবানা লস অ‍্যান্জেলেস কনভেনশন ২০২৬ হোস্ট কমিটির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ সম্মতি দেন।   সাক্ষাৎকালে লস অ‍্যান্জেলেস ফোবানা হোস্ট কমিটির প্রেসিডেন্ট মোয়াজ্জেম এইচ চৌধুরী, কালচারাল সেক্রেটারি শহীদ আহমেদ মিঠু এবং সাবেক ফোবানা চেয়ারম্যান ও বর্তমান মেম্বারশিপ কমিটির চেয়ারম্যান রেহান রেজা মন্ত্রীর হাতে আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণপত্র তুলে দেন। আমন্ত্রণপত্র গ্রহণ করে বিএনপি’র সিলেট-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী কনভেনশনে যোগদানের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন বলে জানিয়েছেন হোস্ট কমিটির কর্মকর্তারা।   আগামী ৪, ৫ ও ৬ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত হলিউডে তিনদিনব্যাপী অনুষ্ঠিত হবে ফোবানার ৪০তম কনভেনশন। উত্তর আমেরিকায় বসবাসরত বাঙালিদের বৃহত্তম সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন ফোবানার এ সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা অংশ নেবেন।   লস অ‍্যান্জেলেসের ইউনিভার্সাল হিলটন হোটেলে আয়োজিত এবারের কনভেনশন ঘিরে ইতোমধ্যেই ব্যাপক প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। সম্মেলনে দেশি-বিদেশি তারকা শিল্পীদের পরিবেশনার পাশাপাশি থাকছে বিভিন্ন বিষয়ভিত্তিক সেমিনার, নেটওয়ার্কিং, স্বাস্থ্যসেবা, নারী উদ্যোক্তা কর্মশালা, বইমেলা, কাব্যজলসা, সাহিত্য ও কবিতা আসর, ইয়ুথ ও যুব ফোরাম, মুক্তিযুদ্ধ, বাংলাদেশ ও সংস্কৃতিবিষয়ক আলোচনা, ট্যালেন্ট ও ফ্যাশন শো এবং শিক্ষার্থীদের জন্য ফোবানা স্কলারশিপ প্রদানসহ নানা আয়োজন।   এবারের ফোবানা কনভেনশনের আয়োজক সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ক্যালিফোর্নিয়া। আয়োজক কমিটির দায়িত্ব পালন করছেন কনভেনর ড. জয়নুল আবেদীন, ডেপুটি কনভেনর হাবিব আহমেদ টিয়া, মেম্বার সেক্রেটারি ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ ইকবাল, প্রেসিডেন্ট মোয়াজ্জেম এইচ চৌধুরী, কোষাধ্যক্ষ ড. মুশফিকুল হক, কালচারাল সেক্রেটারি শহীদ আহমেদ মিঠু, মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিকেশনস চেয়ারম্যান সাংবাদিক লস্কর আল মামুন, স্টল ও বুথ চেয়ারম্যান শওকত আনজিমসহ বিভিন্ন কমিটির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।   এছাড়া ফোবানা নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান রবিউল করিম বেলাল, এক্সিকিউটিভ সেক্রেটারি খালেদ রউফ, জয়েন্ট এক্সিকিউটিভ সেক্রেটারি এন্থনি পিউস গোমেজ, কোষাধ্যক্ষ মহিউদ্দিন দুলাল, নির্বাহী সদস্য কাজী নাহিদ এবং সাবেক কোষাধ্যক্ষ প্রিয়লাল কর্মকারসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা সম্মেলন সফলে কাজ করছেন ।

নুরুল্লাহ সাইদ মে ২০, ২০২৬ ১৪:০
ছবি: সংগৃহীত
লস অ্যাঞ্জেলসে ৪০তম ফোবানা কনভেনশনে থাকছেন দেশ-বিদেশের জনপ্রিয় শিল্পীরা

উত্তর আমেরিকায় বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের অন্যতম বৃহৎ সংগঠন ফোবানা (ফেডারেশন অব বাংলাদেশি অ্যাসোসিয়েশনস ইন নর্থ আমেরিকা) আগামী বছর তাদের ৪০তম কনভেনশনের আয়োজন করতে যাচ্ছে ক্যালিফোর্নিয়ায়। আয়োজকদের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ৪, ৫ ও ৬ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সাল সিটির ইউনিভার্সাল হিলটন হোটেলে অনুষ্ঠিত হবে তিনদিনব্যাপী এ সম্মেলন।   “উন্নয়নের পথে আগামী প্রত্যয়ে প্রবাস বাংলাদেশ” — এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আয়োজিত এবারের কনভেনশনে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সাংস্কৃতিক, সামাজিক ও পেশাগত সংযোগ আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। আয়োজকরা বলছেন, উত্তর আমেরিকার বিভিন্ন অঙ্গরাজ্য থেকে বাংলাদেশি কমিউনিটির প্রতিনিধিরা এতে অংশ নেবেন।   আয়োজকরা আরও জানিয়েছেন, এবারের অনুষ্ঠানে থাকছে ব্যবসায়িক নেটওয়ার্কিং, সেমিনার, সাহিত্য ও কবিতা আসর, যুব ফোরাম, মুক্তিযুদ্ধ ও বাংলাদেশবিষয়ক আলোচনা, ট্যালেন্ট শো, ফোবানা স্কলারশিপ কার্যক্রম এবং দেশীয় খাবার ও কারুশিল্প প্রদর্শনী। পাশাপাশি সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় অংশ নেওয়ার জন্য দেশ বিদেশের জনপ্রিয় একাধিক শিল্পীকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।   আমন্ত্রিত শিল্পীদের তালিকায় রয়েছেন লুইপা, ঋতুপর্ণা, মিলা, সাগর বাউল, নকিব খান, রবি চৌধুরী, রোমেল খান, মুজা ও আলিফ। আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সময়ের সঙ্গে আরও শিল্পীর নাম ঘোষণা করা হবে।   এবারের ফোবানা কনভেনশনের আয়োজক সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ক্যালিফোর্নিয়া (বিএসি)। আয়োজক কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন রবিউল করিম বেলাল, এক্সিকিউটিভ সেক্রেটারি খালেদ রউফ, কনভেনর ড. জয়নুল আবেদীন এবং মেম্বার সেক্রেটারি ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ ইকবাল।   প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক উন্নয়ন, নতুন প্রজন্মের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি এবং বাংলা সংস্কৃতিকে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে তুলে ধরতে ফোবানা দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে আসছে। প্রতি বছরের এ কনভেনশনকে ঘিরে উত্তর আমেরিকার বাংলাদেশি কমিউনিটিতে ব্যাপক আগ্রহ দেখা যায়।   অনুষ্ঠান সম্পর্কিত বিস্তারিত তথ্য ও নিবন্ধনের জন্য আয়োজকদের ওয়েবসাইটে যোগাযোগ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

ইসতিয়াক আহমেদ মে ১৯, ২০২৬ ১৪:০
ছবি: সংগৃহীত
হলিউডের শহরে প্রবাসী বাংলাদেশিদের মহামিলন, লস অ্যাঞ্জেলেসে ৪০তম ফোবানা ঘিরে ব্যাপক প্রস্তুতি

উত্তর আমেরিকায় বসবাসরত বাংলাদেশিদের অন্যতম বৃহৎ সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন ফোবানা (FOBANA)-এর ৪০তম কনভেনশন আগামী সেপ্টেম্বর মাসে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার লস অ্যাঞ্জেলেসে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। প্রবাসী বাংলাদেশিদের এই বৃহৎ মিলনমেলাকে ঘিরে ইতোমধ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি শুরু করেছে আয়োজকরা।   আগামী ৪, ৫ ও ৬ সেপ্টেম্বর তিন দিনব্যাপী এই আয়োজন অনুষ্ঠিত হবে Hilton Los Angeles / Universal City হোটেলে। আয়োজক সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ক্যালিফোর্নিয়া (BAC) জানিয়েছে, এবারের কনভেনশনকে স্মরণীয় করে তুলতে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, কমিউনিটি আলোচনা, ব্যবসায়িক নেটওয়ার্কিং, নতুন প্রজন্মের অংশগ্রহণ এবং বিভিন্ন বিনোদনমূলক আয়োজন রাখা হবে।   “উত্তরণের পথে আগামীর প্রত্যয়ে প্রবাস বাংলাদেশ” থিমকে সামনে রেখে এবারের ফোবানার আয়োজন করা হচ্ছে। আয়োজকদের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রবাসে বাংলাদেশি সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা এবং উত্তর আমেরিকার বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে বসবাসরত বাংলাদেশিদের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক আরও দৃঢ় করাই এবারের কনভেনশনের অন্যতম লক্ষ্য।   ফোবানার চেয়ারম্যান রবিউল করিম বেলাল, এক্সিকিউটিভ সেক্রেটারি খালেদ রউফ, কনভেনর ড. জয়নুল আবেদীন এবং মেম্বার সেক্রেটারি ইঞ্জিনিয়ার মো ইকবাল সহ আয়োজক কমিটির নেতারা জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার বিভিন্ন অঙ্গরাজ্য থেকে হাজারো প্রবাসী বাংলাদেশির অংশগ্রহণের প্রত্যাশা করা হচ্ছে।   বিশেষ করে হলিউড ও ইউনিভার্সাল সিটির কাছাকাছি ভেন্যু হওয়ায় এবারের আয়োজন নিয়ে প্রবাসীদের আগ্রহ আরও বেড়েছে। লস অ্যাঞ্জেলেসের পর্যটন আকর্ষণ, বিনোদন কেন্দ্র এবং বাংলাদেশি কমিউনিটির সক্রিয় অংশগ্রহণ কনভেনশনকে ভিন্নমাত্রা দিতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।   উল্লেখ্য, গত বছর ফোবানা কনভেনশন জর্জিয়ার আটলান্টায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল এবং সেটি ব্যাপক সফলতা পায়। দেশ-বিদেশের শিল্পী, কমিউনিটি নেতা ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রবাসীদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানটি ছিল প্রাণবন্ত ও দর্শকপূর্ণ। সেই সফল আয়োজনের ধারাবাহিকতায় এবার লস অ্যাঞ্জেলেস কনভেনশনকে আরও বড় পরিসরে আয়োজনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।   প্রবাসী বাংলাদেশিদের অনেকেই মনে করছেন, ফোবানা শুধু একটি সাংস্কৃতিক আয়োজন নয়, বরং এটি উত্তর আমেরিকায় বাংলাদেশি পরিচয়, ঐক্য ও কমিউনিটির শক্তির প্রতীক হয়ে উঠেছে।

তাবাস্সুম মে ৭, ২০২৬ ১৪:০
জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

Top week

২০২৬ সালের তালিকায় এগিয়ে যে ৫ স্টেট

যুক্তরাষ্ট্রের কোন স্টেট এ বাংলাদেশিদের জীবন সবচেয়ে স্বস্তির? ২০২৬ সালের তালিকায় এগিয়ে যে ৫ স্টেট

নীলুফা নিশাত আগস্ট ১, ২০২৬ ১৪:০