"জন্ম থেকেই কিউবার নাম শুনে আসছি, এবার কোনো না কোনোভাবে আমরা কিউবা নিয়ে নেব।"— মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই একটি বাক্যেই নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে আন্তর্জাতিক রাজনীতির ময়দান। গত মঙ্গলবার হোয়াইট হাউসের ওভাল অফিস থেকে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কিউবা দখলের এক প্রকার প্রকাশ্য ঘোষণা দিলেন তিনি। সংকটে কিউবা: অন্ধকারে ডুবছে দ্বীপরাষ্ট্র বর্তমানে কিউবা ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ জ্বালানি সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। বিদ্যুৎহীনতায় কিউবার বিস্তীর্ণ অঞ্চল এখন অন্ধকারে নিমজ্জিত। দেশটির প্রেসিডেন্ট মিগুয়েল দিয়াজ-ক্যানেল জানিয়েছেন, গত তিন মাসে কোনো জ্বালানি তেল কিউবায় প্রবেশ করতে পারেনি। ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর পতনের পর সেখান থেকে তেল আমদানিতে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা জারি হওয়ায় কিউবার পাওয়ার গ্রিডগুলো অচল হয়ে পড়েছে। সুর নরম থেকে চরম: ট্রাম্পের ৮ দিনের পরিবর্তন মাত্র আট দিন আগে গত ৯ই মার্চ ট্রাম্প কিউবার সংকট নিরসনে 'বন্ধুত্বপূর্ণ অধিগ্রহণে'র (Friendly Acquisition) প্রস্তাব দিয়েছিলেন। কিন্তু ১৭ই মার্চ তার সুর সম্পূর্ণ বদলে যায়। তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, "আমরা কিউবাকে স্বাধীন করতে পারি, অধিগ্রহণ করতে পারি বা যা খুশি করতে পারি। সত্যি বলতে, ওরা এখন অত্যন্ত দুর্বল একটি রাষ্ট্র।" ইতিহাসের প্রেক্ষাপট: ২০০ বছরের আধিপত্যের লড়াই বিশেষজ্ঞদের মতে, কিউবার প্রতি ট্রাম্পের এই মনোভাব কেবল ব্যক্তিগত নয়, বরং এটি আমেরিকার দীর্ঘদিনের ভূ-রাজনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষারই প্রতিফলন। ১৯০২ সালে কিউবা নামমাত্র স্বাধীনতা পেলেও মার্কিন 'প্ল্যাট সংশোধনী'র মাধ্যমে দেশটির অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ বজায় রাখে ওয়াশিংটন। পরবর্তীতে ফিদেল কাস্ত্রোর বিপ্লব এবং চে গেভারার গেরিলা যুদ্ধের মাধ্যমে কিউবা আমেরিকার প্রভাবমুক্ত হওয়ার চেষ্টা করলেও তা চিরস্থায়ী শত্রুতার জন্ম দেয়। ১৯৬১ সালের ব্যর্থ 'বে অফ পিগস' অভিযান থেকে শুরু করে বর্তমানের অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা—আমেরিকা সবসময়ই কিউবাকে একটি 'কমিউনিস্ট হুমকি' হিসেবে দেখে এসেছে। আদর্শগত যুদ্ধ ও মারকো রুবিও ফ্যাক্টর ট্রাম্পের বর্তমান প্রশাসনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী মারকো রুবিও, যিনি নিজে একজন কিউবান শরণার্থীর সন্তান, কিউবায় সরকার পরিবর্তনের কট্টর সমর্থক। ট্রাম্প এমনকি রুবিওকে কিউবার ভবিষ্যৎ প্রেসিডেন্ট হিসেবে দেখার ইচ্ছাও প্রকাশ করেছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, কিউবা এখন ট্রাম্পের কাছে একটি 'আদর্শগত যুদ্ধ' বা 'আইডিওলজিক্যাল ব্যাটল' হয়ে দাঁড়িয়েছে। ভেনেজুয়েলার পর কিউবা কি তবে আমেরিকার পরবর্তী লক্ষ্য? ট্রাম্পের এই 'অধিগ্রহণ' বার্তার পর লাতিন আমেরিকার রাজনীতি কোন দিকে মোড় নেয়, এখন সেটাই দেখার বিষয়। সূত্র: বিবিসি।
মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে বড় ধরনের সংঘাতের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম Axios–এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, Donald Trump প্রশাসন ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য বৃহৎ সামরিক সংঘাতের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছে। আলোচনায় অচলাবস্থা অব্যাহত থাকলে কয়েক সপ্তাহব্যাপী পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধ শুরু হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। প্রতিবেদনে সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে বলা হয়, সম্ভাব্য এই সামরিক অভিযানটি কেবল সীমিত হামলা হবে না; বরং এটি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বড় আকারের অভিযান হতে পারে। এর পরিধি গত বছরের স্বল্পমেয়াদি সংঘাতের তুলনায় অনেক বড় হবে এবং ইরানের বর্তমান শাসনব্যবস্থার জন্য এটি অস্তিত্বের লড়াই হয়ে উঠতে পারে। বিশ্লেষকদের মতে, এমন সংঘাত পুরো মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতিতে বড় ধরনের প্রভাব ফেলবে এবং ট্রাম্পের বর্তমান মেয়াদের বাকি সময়জুড়েও এর প্রতিক্রিয়া থাকবে। যদিও যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক ব্যস্ততার কারণে সম্ভাব্য এই সামরিক পরিস্থিতি নিয়ে তেমন জনআলোচনা দেখা যাচ্ছে না। কূটনৈতিক অচলাবস্থা অব্যাহত গত কয়েক মাস ধরে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে আলোচনা চললেও এখনো বড় কোনো অগ্রগতি হয়নি। সম্প্রতি জেনেভায় ট্রাম্পের উপদেষ্টা Jared Kushner ও Steve Witkoff ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী Abbas Araghchi–এর সঙ্গে বৈঠক করেন। উভয় পক্ষ আলোচনায় কিছু অগ্রগতির কথা বললেও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মতপার্থক্য রয়ে গেছে। এদিকে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট JD Vance জানিয়েছেন, আলোচনায় কিছু ইতিবাচক দিক থাকলেও প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নির্ধারিত ‘রেড লাইন’ বা চূড়ান্ত শর্ত এখনো মেনে নেয়নি ইরান। ফলে কূটনৈতিক সমাধানের পথ ক্রমেই সংকুচিত হচ্ছে। সামরিক প্রস্তুতি জোরদার বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। সেখানে দুটি বিমানবাহী রণতরী, একাধিক যুদ্ধজাহাজ, শত শত যুদ্ধবিমান এবং উন্নত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন করা হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় আরও যুদ্ধবিমান ওই অঞ্চলের দিকে পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণকারী বিশ্লেষকদের মতে, এত বড় সামরিক প্রস্তুতি কেবল কূটনৈতিক চাপ সৃষ্টির কৌশল নয়; বরং প্রয়োজন হলে সরাসরি হামলার ইঙ্গিতও হতে পারে। যুদ্ধের সম্ভাবনা কতটা ইসরায়েলি সূত্রগুলো জানিয়েছে, ইরানের পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে দ্রুত সামরিক পদক্ষেপের প্রস্তুতি চলছে। তবে কিছু মার্কিন কর্মকর্তা মনে করছেন, চূড়ান্ত হামলার আগে আরও কিছু সময় লাগতে পারে। মার্কিন সিনেটর Lindsey Graham বলেছেন, সম্ভাব্য হামলা শুরু হতে কয়েক সপ্তাহ সময় লাগতে পারে। অন্যদিকে ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ এক উপদেষ্টা দাবি করেছেন, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে সরাসরি সামরিক পদক্ষেপের সম্ভাবনা অত্যন্ত বেশি। বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যদি কূটনৈতিক সমঝোতা না হয়, তবে সংঘাত প্রায় অনিবার্য হয়ে উঠতে পারে। পরিস্থিতি দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে এবং আলোচনা ব্যর্থ হলে এর পরিণতি হতে পারে অত্যন্ত ভয়াবহ।
শান্তি ও স্থিতিশীলতার পথে এক বিশাল পদক্ষেপ নিল ভেনেজুয়েলা। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অস্থিরতা কাটিয়ে দেশে গণতন্ত্র ও সহাবস্থান ফিরিয়ে আনতে পার্লামেন্টে পাস হলো বহুল আলোচিত 'অ্যামনেস্টি বিল'। অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট ডেলসি রডরিগেজের নেতৃত্বে এই বিলটি ভেনেজুয়েলার রাজনীতিতে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করতে যাচ্ছে। গত বৃহস্পতিবার ভেনেজুয়েলার পার্লামেন্টে বিলটির ওপর প্রথম ভোট অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে সব রাজনৈতিক দলের নজিরবিহীন সমর্থনে এটি পাস হয়। বিলটি পাসের পর প্রেসিডেন্ট ডেলসি রডরিগেজ উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বলেন, "দেশের শান্তি স্থাপনে এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। অ্যাসেম্বলিতে সব দলের ঐক্যমত্য প্রমাণ করে যে আমরা সবাই একটি শান্তিপূর্ণ ভেনেজুয়েলা চাই।" এই বিলটি কার্যকর হলে নিকোলাস মাদুরোর শাসনামলে কারাবন্দি হওয়া অসংখ্য বিরোধী দলীয় নেতা, সাংবাদিক এবং মানবাধিকার কর্মী মুক্তি পেতে পারেন। এর আগে গত মাসে বিলটি পেশ করার সময় ডেলসি রডরিগেজ জানিয়েছিলেন, এই পদক্ষেপ দেশে রাজনৈতিক সহিংসতার অবসান ঘটিয়ে একটি সুন্দর ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করবে। উল্লেখ্য, সাবেক প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর ডেলসি রডরিগেজ অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই অ্যামনেস্টি বিল পাসের মাধ্যমে ভেনেজুয়েলা তার অন্ধকার সময় কাটিয়ে নতুন এক ভোরের দিকে যাত্রা শুরু করল।
প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে কেন্দ্র করে চরম উত্তেজনার মধ্যেই বড় সিদ্ধান্ত নিল হোয়াইট হাউস। দীর্ঘ টানাপোড়েনের অবসান ঘটিয়ে ভেনেজুয়েলা সরকারকে তেল বিক্রির বকেয়া ৫০ কোটি ডলার ফিরিয়ে দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মূলত ভেনেজুয়েলার ধসে পড়া অর্থনীতি সচল রাখতে এবং জনসেবামূলক খাতের বেতন-ভাতা নিশ্চিত করতেই এই অর্থ ছাড় করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন কর্মকর্তারা। কাতারে গচ্ছিত এই অর্থ এখন থেকে ভেনেজুয়েলার শিক্ষক, পুলিশ এবং জরুরি সেবা কর্মীদের কল্যাণে ব্যয় করা হবে। গত মাসে ওয়াশিংটন ও কারাকাসের মধ্যে হওয়া গোপন চুক্তির অংশ হিসেবেই এই ঐতিহাসিক পদক্ষেপ নেওয়া হলো।
ভেনেজুয়েলার খ্যাতিমান মানবাধিকারকর্মী জাভিয়ের তারাজোনা দেশের কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন। আন্তর্জাতিক চাপ এবং রাজনৈতিক বন্দীদের মুক্তির সাম্প্রতিক ঘোষণার পর তারাজোনা ৪ বছর ৭ মাস, অর্থাৎ ১,৬৭৫ দিন কারাবন্দী থাকার পর অবশেষে স্বাভাবিক জীবনে ফিরেছেন। তারাজোনার ভাই জোসে রাফায়েল তারাজোনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছেন, “১,৬৭৫ দিনের দীর্ঘ অপেক্ষার পর অবশেষে সেই দিনটি এসেছে। আমার ভাই জাভিয়ের তারাজোনা মুক্ত হয়েছেন। একজন মানুষের মুক্তি অন্য সবার মনে আশার সঞ্চার করে।” জাভিয়ের তারাজোনা ভেনেজুয়েলার একটি প্রধান মানবাধিকার সংস্থার প্রধান। ২০২১ সালের জুলাই মাসে গ্রেপ্তার হওয়ার পর থেকে তিনি কারাকাসের একটি কারাগারে বন্দী ছিলেন। তার সংগঠনও রোববার আনুষ্ঠানিকভাবে তার মুক্তির ঘোষণা দিয়েছে। সংগঠনের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “মানবাধিকার রক্ষায় সরব থাকা, দমন–পীড়নের সমালোচনা এবং স্বাধীনভাবে কথা বলার জন্য তাকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।” ফোরো পেনাল নামের ভেনেজুয়েলার আরেকটি অধিকার সংস্থা জানায়, ৮ জানুয়ারির পর থেকে তারা ৩ শতাধিক রাজনৈতিক বন্দীর মুক্তির ঘটনা যাচাই করেছে। গত শুক্রবার ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট দেলসি রদ্রিগেজ ঘোষণা করেন, সরকার একটি সাধারণ ক্ষমা আইন চালু করবে, যা শত শত রাজনৈতিক বন্দীর মুক্তিতে সহায়ক হবে। উল্লেখযোগ্য, কারাকাসে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরোকে ক্ষমতাচ্যুত করার এবং রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক সংস্কার করার আহ্বানের কয়েক সপ্তাহ পর এই ঘোষণা আসে।
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে গ্রেপ্তারের আগে তাঁর প্রশাসনের ব্যক্তিরাই যুক্তরাষ্ট্রকে সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। আলোচনার সঙ্গে যুক্ত চারটি সূত্রের মাধ্যমে দ্য গার্ডিয়ান এমন তথ্য জানতে পেরেছে। প্রতিশ্রুতি দেওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে ছিলেন ভাইস প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ। সম্প্রতি তিনি অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট হয়েছেন। অপর ব্যক্তি ডেলসির ভাই জর্জে রদ্রিগেজ। তিনি ভেনেজুয়েলার জাতীয় পরিষদের প্রধান। গোপনে মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে ডেলসি ও জর্জে যুক্তরাষ্ট্র এবং কাতারের কর্মকর্তাদের জানিয়েছিলেন মাদুরোর বিদায়কে তারা স্বাগত জানাবেন। গার্ডিয়ান জানতে পেরেছে, মাদুরোকে গ্রেপ্তারের কয়েক মাস আগে ডেলসি ও যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের মধ্যে যোগাযোগ শুরু হয়েছিল। গত নভেম্বরে ডোনাল্ড ট্রাম্প ও মাদুরোর মধ্যে ফোনালাপ হয়। তখন ট্রাম্প মাদুরোকে ভেনেজুয়েলা ছাড়ার আহ্বান জানান। কিন্তু মাদুরো সেটি প্রত্যাখ্যান করেন। গুরুত্বপূর্ণ ওই ফোনালাপের পরও ডেলসির সঙ্গে মার্কিন কর্মকর্তাদের যোগাযোগ ছিল। গত ডিসেম্বরে ডেলসির সঙ্গে আলোচনা করেছিলেন একজন মার্কিন কর্মকর্তা। তিনি গার্ডিয়ানকে বলেছেন, ডেলসি তখন নিজের প্রস্তুত থাকার ব্যাপারে ওয়াশিংটনকে সংকেত দিয়েছিলেন। ওই বার্তার বিষয়ে জানেন এমন আরেক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ‘ডেলসি বলেছিলেন, পরবর্তীতে যাই ঘটুক না কেন তিনি এ কাজ করতে প্রস্তুত’। শুরুতে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও কারাকাসের শাসকগোষ্ঠীর ভেতরের লোকজনের সঙ্গে কাজ করার ব্যাপারে সন্দিহান ছিলেন। কিন্তু পরে তিনি ডেলসির সহযোগিতার প্রতিশ্রুতির প্রতি ভরসা রাখেন। গার্ডিয়ান লিখেছে, ডেলসি ও জর্জে রদ্রিগেসের দেওয়া সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি নিয়ে আগে কেউ প্রতিবেদন করেনি। তবে মায়ামি হেরাল্ড নামের একটি গণমাধ্যম লিখেছিল, গত অক্টোবরে কাতারের মধ্যস্থতায় একটি আলোচনা ব্যর্থ হয়। ওই আলোচনার সময় ডেলসি প্রস্তাব দিয়েছিলেন, মাদুরো ক্ষমতাচ্যুত হলে তিনি অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট হতে চান। সম্প্রতি বার্তা সংস্থা রয়টার্স লিখে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় যুক্ত ছিলেন মাদুরো প্রশাসনের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিয়োসদাদো কাবেয়ো। চারটি সূত্র গার্ডিয়ানকে জানিয়েছে, ডেলসি ও তাঁর ভাই কেবল মাদুরো পরবর্তী সময়ে যুক্তরাষ্ট্রকে সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। কিন্তু ক্ষমতাচ্যুত করার সময় সক্রিয়ভাবে সহযোগিতার ব্যাপারে তারা সম্মত ছিলেন না। সূত্রগুলো জোর দিয়ে বলেছে, মাদুরোকে গ্রেপ্তারের ঘটনাটি রদ্রিগেজ পরিবারের কোনো পরিকল্পিত অভ্যুত্থান ছিল না। চলতি মাসের শুরুতে কারাকাসে মার্কিন বাহিনীর অভিযানের কয়েক ঘণ্টা পর নিউইয়র্ক পোস্টকে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন, ‘ডেলসি রদ্রিগেস এতে সম্মত ছিলেন। তাঁর সঙ্গে আমরা বহুবার কথা বলেছি।’ সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি ও আলোচনার বিষয়ে জানতে ইমেইলের মাধ্যমে ভেনেজুয়েলা ও মার্কিন সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল দ্য গার্ডিয়ান। কিন্তু কোনো পক্ষই জবাব দেয়নি।
মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে। গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব। বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।
এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল। এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে। একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই। “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান। এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে। সূত্র: Royanews
দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে। এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা। নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা। এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।
যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)। ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে। কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না। তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে। সূত্র: ABC News
যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে। নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা। ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল। তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে। এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস