আমেরিকা

ট্রাম্পের বাণিজ্য নীতির ধাক্কা: অনিশ্চয়তায় ছোট ব্যবসা, বাড়ছে কর্মী ছাঁটাই

শাহারিয়া নয়ন মার্চ ৬, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ট ট্রাম্পের বাণিজ্য নীতিকে ঘিরে তৈরি হওয়া অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার কারণে যুক্তরাষ্ট্রে অনেক ছোট ব্যবসা প্রতিষ্ঠান কর্মী ছাঁটাই করছে এবং ভবিষ্যৎ সম্প্রসারণ পরিকল্পনা স্থগিত করছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

 

ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোর মালিকরা বলছেন, আমদানি শুল্ক বৃদ্ধি, সরবরাহ ব্যবস্থার অনিশ্চয়তা এবং কাঁচামালের দাম বাড়ার কারণে তাদের উৎপাদন খরচ বেড়ে গেছে। ফলে অনেক প্রতিষ্ঠান নতুন কর্মী নিয়োগ বন্ধ করে দিয়েছে এবং বিদ্যমান কর্মীদের মধ্যেও ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্ত নিচ্ছে।

 

বিশেষ করে উৎপাদন, নির্মাণ ও খুচরা খাতের অনেক ছোট ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এই নীতিগত পরিবর্তনের প্রভাব সবচেয়ে বেশি অনুভব করছে। অনেক প্রতিষ্ঠান উৎপাদন কমিয়ে দিয়েছে বা বিনিয়োগ পরিকল্পনা স্থগিত রেখেছে।

 

অর্থনীতিবিদদের মতে, বাণিজ্য নীতি নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি অনিশ্চয়তা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের আস্থা কমিয়ে দিতে পারে এবং এর প্রভাব শ্রমবাজারেও পড়তে পারে। ফলে আগামী মাসগুলোতে নিয়োগ ও বিনিয়োগের গতি আরও ধীর হয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

Advertisement

আমেরিকা

View more
ছবি: সংগৃহীত
ইরান যুদ্ধের প্রভাবে বাড়ছে যুক্তরাষ্ট্রে হাউজিং লোনের সুদের হার

ইরানকে ঘিরে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাব পড়তে শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্রের আবাসন ঋণের বাজারেও। আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বেড়ে যাওয়া এবং আর্থিক অনিশ্চয়তা বাড়ার কারণে যুক্তরাষ্ট্রে হাউজিং লোন বা মর্টগেজের সুদের হার আবার বাড়তে শুরু করেছে।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম এবিসি নিউজ জানিয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে ৩০ বছরের দীর্ঘমেয়াদি স্থির সুদের মর্টগেজ হার তিন বছরের বেশি সময়ের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এলেও চলতি সপ্তাহে তা আবার বেড়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের কারণে তেলের বাজারে অস্থিরতা তৈরি হওয়ায় এই পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে।   বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বিশ্ববাজারে তেলের দাম বাড়লে মুদ্রাস্ফীতির আশঙ্কাও বেড়ে যায়। এতে বিনিয়োগকারীরা বেশি সুদে সরকারি বন্ড কিনতে শুরু করেন, যার ফলে বন্ডের ফলন বাড়ে। আর এই বন্ডের ফলনের সঙ্গে যুক্ত থাকে মর্টগেজ ঋণের সুদের হার।   অর্থনীতিবিদরা বলছেন, যদি মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হয় এবং তেলের দাম আরও বাড়ে, তাহলে যুক্তরাষ্ট্রে আবাসন ঋণের সুদের হার আরও বাড়তে পারে। এতে বাড়ি কেনা সাধারণ মানুষের জন্য আরও ব্যয়বহুল হয়ে উঠতে পারে।   তবে পরিস্থিতি স্থিতিশীল হলে এবং বাজারে অনিশ্চয়তা কমলে ভবিষ্যতে সুদের হার আবার কমার সম্ভাবনাও রয়েছে বলে মনে করছেন অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা।

শাহারিয়া নয়ন মার্চ ৬, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

ট্রাম্পের বাণিজ্য নীতির ধাক্কা: অনিশ্চয়তায় ছোট ব্যবসা, বাড়ছে কর্মী ছাঁটাই

ছবি: সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্য থেকে ফিরেছেন অন্তত ২০ হাজার মার্কিন নাগরিক, জানাল স্টেট ডিপার্টমেন্ট

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

ইরান যদি নিজে সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচনে এগোয়, আবার যুদ্ধ বাধবে: ট্রাম্প

ছবি: সংগৃহীত।
যুক্তরাষ্ট্রের ‘কেয়ামতের’ মিসাইল পরীক্ষা

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ক্যালিফোর্নিয়ার ভ্যানডেনবার্গ স্পেস ফোর্স বেস থেকে ‘মিনিটম্যান থ্রি’ নামক আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র (ICBM) সফলভাবে পরীক্ষা চালিয়েছে। এই ক্ষেপণাস্ত্রটি প্রশান্ত মহাসাগর পাড়ি দিয়ে প্রায় ৬,৭০০ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের একটি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানে।   মার্কিন বিমান বাহিনীর গ্লোবাল স্ট্রাইক কমান্ড জানিয়েছে, এটি কোনো নির্দিষ্ট বৈশ্বিক ঘটনার প্রতিক্রিয়া নয়, বরং ক্ষেপণাস্ত্রটির নির্ভুলতা ও কার্যকারিতা যাচাই করতে রুটিন পরীক্ষা। লেফটেন্যান্ট কর্নেল ক্যারি রে বলেন, “পরীক্ষাটি আমাদের পারমাণবিক সক্ষমতার নির্ভরযোগ্যতা এবং ICBM বহরের প্রস্তুতি নিশ্চিত করে।”   ১৯৭০-এর দশক থেকে যুক্তরাষ্ট্রের পারমাণবিক ত্রয়ীর একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে কাজ করছে মিনিটম্যান থ্রি। এটি ১৩,০০০ কিলোমিটারেরও বেশি দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম, প্রায় ২৪,০০০ কিমি/ঘণ্টার গতিতে ছুটতে পারে এবং হিরোশিমায় ব্যবহৃত পারমাণবিক বোমার চেয়েও ২০ গুণ শক্তিশালী ওয়ারহেড বহন করতে পারে।   বিশ্লেষকরা মনে করছেন, মধ্যপ্রাচ্য ও ইউক্রেনে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এই উৎক্ষেপণ বিশ্বশক্তিগুলোর প্রতি একটি কড়া বার্তা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের মন্টানা, নর্থ ডাকোটা ও ওয়াইওমিং-এর ভূগর্ভস্থ সাইলোতে প্রায় ৪০০টি মিনিটম্যান থ্রি ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন আছে।   ভবিষ্যতে মিনিটম্যান থ্রি’র পরিবর্তে আধুনিক ‘এলজিএম-৩৫এ সেন্টিনেল’ ক্ষেপণাস্ত্র আনার পরিকল্পনা থাকলেও ২০৩০-এর দশক পর্যন্ত এটি যুক্তরাষ্ট্রের স্থলভিত্তিক পারমাণবিক শক্তির প্রধান উৎস হিসেবে থাকবে।

তাবাস্সুম মার্চ ৫, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

সিনেটে ইরানপক্ষের স্লোগান, প্রার্থীর হাত ভেঙে গেল

শিয়া লাবিউফ

শিয়া লাবিউফ গ্রেপ্তার, দ্বিতীয়বার ঝুলল আদালতের মামলায়

ছবি: সংগৃহীত।

ট্রাম্পের যুদ্ধ ক্ষমতা কি খর্ব হচ্ছে? সেনেটে ব্যর্থতার পর হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভসের নতুন লড়াই

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
ইরান দুই সপ্তাহের মধ্যে পারমাণবিক বোমা বানিয়ে ফেলত: ট্রাম্পের বিস্ফোরক দাবি

ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে বিশ্ব রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। হোয়াইট হাউসে আয়োজিত এক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের সময়োচিত পদক্ষেপই ইরানকে পারমাণবিক শক্তিধর হওয়া থেকে বিরত রেখেছে। ট্রাম্প বলেন, “আমরা যদি দুই সপ্তাহের মধ্যে আঘাত না করতাম, তবে তারা পারমাণবিক অস্ত্র পেয়ে যেত। পাগলাটে মানুষের হাতে এমন বিধ্বংসী অস্ত্র থাকা মানেই ভয়াবহ বিপর্যয়।” এদিকে ইরান বরাবরই তাদের পারমাণবিক কর্মসূচিকে ‘শান্তিপূর্ণ’ বলে দাবি করে আসছে। তবে আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি সংস্থা (IAEA)-র মহাপরিচালক এই দাবিতে পুরোপুরি আশ্বস্ত হতে পারছেন না।  তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানান, ইরান পারমাণবিক বোমা বানাচ্ছে এমন অকাট্য প্রমাণ না থাকলেও, তাদের কাছে থাকা সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের বিশাল মজুদ এবং পরিদর্শকদের কাজে বাধা দেওয়ার বিষয়টি গভীর উদ্বেগের।

নিলুফা ইয়াসমিন মার্চ ৫, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

ট্রাম্পের যুদ্ধক্ষমতা সীমিত করার উদ্যোগ ব্যর্থ

ছবি: সংগৃহীত

১০ দিনের বেশি যুদ্ধ চললে ক্ষেপণাস্ত্র সংকটে পড়বে যুক্তরাষ্ট্র, পেন্টাগনের সতর্কবার্তা

ছবি: সংগৃহীত

ট্রাম্পের ছেলে ব্যারনকে সেনাবাহিনীতে পাঠানোর দাবি—ব্যঙ্গাত্মক ওয়েবসাইট চালু

0 Comments