আন্তর্জাতিক

ইরান যুদ্ধের খরচ প্রতিদিন প্রায় ১ বিলিয়ন ডলার—ট্রাম্পের সমালোচনায় ইলহান ওমর

শাহারিয়া নয়ন মার্চ ৬, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেস সদস্য ইলহান ওমর ইরানে চলমান যুদ্ধ নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি দাবি করেন, ইরানে যুদ্ধ পরিচালনায় মার্কিন করদাতাদের প্রতিদিন প্রায় ১ বিলিয়ন ডলার ব্যয় হচ্ছে।

 

ফেসবুকে দেওয়া ওই পোস্টে তিনি বলেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আরেকটি “অবৈধ যুদ্ধ” পরিচালনায় অর্থ ব্যয় করছেন, অথচ কংগ্রেসে থাকা রিপাবলিকান পার্টির সদস্যরা স্বাস্থ্যসেবা ও খাদ্য সহায়তার মতো গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক কর্মসূচিতে ব্যয় কমানোর সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন।

 

ইলহান ওমর তার পোস্টে আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের উচিত যুদ্ধের পেছনে বিপুল অর্থ ব্যয় না করে দেশের সাধারণ মানুষের উন্নয়ন ও কল্যাণে বিনিয়োগ করা। তিনি দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধের পরিবর্তে জনগণের কল্যাণমূলক কর্মসূচিতে গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান।

 

মধ্যপ্রাচ্যে বিশেষ করে ইরানকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক কার্যক্রম নিয়ে দেশটির রাজনীতিতে ইতোমধ্যে ব্যাপক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। অনেক আইনপ্রণেতা মনে করছেন, বড় ধরনের সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার আগে কংগ্রেসের অনুমোদন প্রয়োজন।

জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

Advertisement

আন্তর্জাতিক

View more
ছবি: সংগৃহীত
ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে আবারও মিসাইল ছুড়েছে ইরান

দখলদার ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে নতুন করে আবারও মিসাইল ছুড়েছে ইরান। বাংলাদেশ সময় শুক্রবার রাত পৌনে ৩টার দিকে এ তথ্য জানায় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েল।   তারা বলেছে, দুই ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর ইরান নতুন করে আবারও মিসাইল নিক্ষেপ করেছে। মিসাইলের প্রভাবে ইসরায়েলের মধ্যাঞ্চলে সতর্কতামূলক সাইরেন বাজছে বলে উল্লেখ করেছে সংবাদমা্ধ্যমটি। সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল

শাহারিয়া নয়ন মার্চ ৬, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

হোমল্যান্ড সিকিউরিটির দায়িত্বে থাকা ক্রিস্টি নোয়েমের কাজে অসন্তোষ ট্রাম্প

ছবি: সংগৃহীত

যুদ্ধের মাঝেই নতুন সমীকরণ—ইরানের বিরুদ্ধে কুর্দি শক্তিকে ব্যবহার করতে পারে যুক্তরাষ্ট্র

ছবি: সংগৃহীত

ইরানে কুর্দি হামলায় সমর্থনের ইঙ্গিত ট্রাম্পের

ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রের স্থল হামলা প্রতিহতে প্রস্তুত ইরান: আরাগচি

যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য স্থল হামলা মোকাবিলায় ইরান প্রস্তুত রয়েছে বলে জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। চলমান উত্তেজনার মধ্যে তিনি সতর্ক করে বলেন, যেকোনো ধরনের স্থল অভিযান প্রতিহত করতে ইরানের সামরিক বাহিনী সক্ষম।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম NBC News–কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আরাগচি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের স্থল সেনা অভিযান নিয়ে ইরান উদ্বিগ্ন নয়। তিনি বলেন, “আমরা তাদের (মার্কিন স্থল বাহিনী) জন্য প্রস্তুত। আমাদের আত্মবিশ্বাস আছে যে আমরা তাদের প্রতিহত করতে পারব। যদি United States স্থল হামলা চালায়, তা তাদের জন্য বিপর্যয় ডেকে আনবে।”   পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমান সংঘাতে ইরান যুদ্ধবিরতি চাইছে না। তিনি উল্লেখ করেন, Israel–এর সঙ্গে আগের সংঘর্ষে যুদ্ধবিরতির অনুরোধ এসেছিল প্রতিপক্ষের পক্ষ থেকেই।   আরাগচির মতে, চলমান যুদ্ধে কোনো পক্ষেরই একক বিজয় নেই। তবে ইরানের মূল লক্ষ্য হচ্ছে প্রতিপক্ষের যেকোনো আগ্রাসন প্রতিহত করা। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সাম্প্রতিক সময়ে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে। Iran কর্তৃপক্ষ বারবার তাদের প্রতিরক্ষা সক্ষমতার কথা তুলে ধরছে।

শাহারিয়া নয়ন মার্চ ৬, ২০২৬ 0
আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। ফাইল ছবি

‘বৃহত্তর বিজয়ের স্বার্থে জীবন উৎসর্গের প্রতীক হয়ে উঠতে চেয়েছিলেন খামেনি’: বিশ্লেষণ

ছবি: সংগৃহীত

ইরান যুদ্ধের খরচ প্রতিদিন প্রায় ১ বিলিয়ন ডলার—ট্রাম্পের সমালোচনায় ইলহান ওমর

ছবি: সংগৃহীত

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ সীমিত করতে প্রস্তাবের বিপক্ষে ৫২ রিপাবলিকান সিনেটর

ছবিঃ সংগৃহীত
ইরানের ড্রোন মোকাবিলায় সীমাবদ্ধতার কথা স্বীকার মার্কিন শীর্ষ সেনা কর্মকর্তার

ইরানের বিপুল সংখ্যক একমুখী ‘কামিকাজে’ ড্রোন মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে বলে সতর্ক করেছেন মার্কিন সামরিক বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তা। মার্কিন কংগ্রেসে আইনপ্রণেতাদের দেওয়া এক গোপন ব্রিফিংয়ে জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন স্বীকার করেছেন, ইরান থেকে ছোড়া প্রতিটি ড্রোন ভূপাতিত করা যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে সব সময় সম্ভব নাও হতে পারে।   মার্কিন কর্মকর্তারা জানান, এই বাস্তবতা বিবেচনায় পেন্টাগন এখন কেবল আকাশে ড্রোন ধ্বংসের ওপর নির্ভর না করে ইরানের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্রগুলো সরাসরি লক্ষ্য করে হামলার কৌশলকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, ইরানের তৈরি স্বল্পমূল্যের ‘শাহেদ’ ড্রোনগুলো ধীরগতিতে এবং নিচু দিয়ে উড়তে পারে, যা প্রচলিত রাডার ও আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ফাঁকি দেওয়ার সুযোগ তৈরি করে। এর ফলে তুলনামূলক কম খরচের অস্ত্র ব্যবহার করেও প্রতিপক্ষকে ব্যয়বহুল প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যবহার করতে বাধ্য করা যায়।   মার্কিন কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, তেহরানের এই কৌশলের লক্ষ্য হলো যুক্তরাষ্ট্রকে তাদের অত্যন্ত ব্যয়বহুল ‘প্যাট্রিয়ট’ ও ‘থাড’ ইন্টারসেপ্টর ব্যবহারে বাধ্য করা। যদিও মার্কিন প্রশাসন দাবি করছে, ড্রোন প্রতিহত করার জন্য বিকল্প পদ্ধতিও ব্যবহার করা হচ্ছে।   তবে ডেমোক্র্যাট শিবিরের কিছু নেতার মধ্যে উন্নত গোলাবারুদের মজুত দ্রুত কমে যাওয়ার বিষয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করতে গিয়ে যে হারে আধুনিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যবহার হচ্ছে, তা দীর্ঘমেয়াদে জাতীয় নিরাপত্তার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।   অন্যদিকে যুদ্ধের অর্থনৈতিক চাপও উল্লেখযোগ্য বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগ। তাদের বিশ্লেষণে দেখা গেছে, সংঘাতের শুরুতে প্রতিদিন প্রায় ২০০ কোটি ডলার ব্যয় হলেও বর্তমানে তা কমে প্রায় ১০০ কোটি ডলারে নেমে এসেছে।   এদিকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে মাঝারি মানের গোলাবারুদের মজুত কার্যত ‘অসীম’। তবে তিনি স্বীকার করেছেন যে, সর্বাধুনিক উচ্চক্ষমতার অস্ত্রের মজুত প্রত্যাশিত মাত্রায় নেই।   হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলাইন লেভিট বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি আগের প্রশাসনের কিছু নীতিগত সিদ্ধান্তের ফল। একই সঙ্গে তিনি জানান, ট্রাম্প প্রশাসন দীর্ঘস্থায়ী সংঘাত মোকাবিলার জন্য প্রস্তুত রয়েছে।

শাহারিয়া নয়ন মার্চ ৬, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

মৃত্যু কি খামেনির নিজেরই লেখা শেষ চিত্রনাট্য? বাঙ্কার প্রত্যাখ্যান ও এক ‘রহস্যময়’ বিদায়

ছবি: সংগৃহীত

খামেনির ছেলে ‘অযোগ্য’, ইরানের পরবর্তী সর্বোচ্চ নেতা নিজে নির্বাচন করতে চান ট্রাম্প

ফাইল ফটো

প্ল্যান এ ব্যর্থ, প্ল্যান বি হবে আরও বড় বিপর্যয় : ট্রাম্পকে হুঁশিয়ারি ইরানের

0 Comments