দেশজুড়ে সহিংস বিক্ষোভের পর ইরান সরকার রাজধানী তেহরানের একাধিক বেসরকারি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দিয়েছে। এমন সময় এই পদক্ষেপ নেওয়া হলো, যখন দেশটির অর্থনীতি আগে থেকেই চাপে রয়েছে এবং সাধারণ মানুষ ও উদ্যোক্তারা আর্থিক অনিশ্চয়তায় ভুগছেন। সরকারের এই সিদ্ধান্তের পেছনে সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো প্রকাশ্যে জানায়নি পুলিশ বা বিচার বিভাগ। তবে যেসব প্রতিষ্ঠান বন্ধ করা হয়েছে, তার বেশির ভাগই তেহরানের মধ্য ও উত্তরাঞ্চলে অবস্থিত—যেখানে সম্প্রতি তরুণদের অংশগ্রহণে বড় ধরনের বিক্ষোভ হয়েছিল। গত বছরের ২৮ ডিসেম্বর রাজধানীর ঐতিহাসিক গ্র্যান্ড বাজার এলাকা থেকে ব্যবসায়ীদের আন্দোলন শুরু হয়। অর্থনৈতিক অসন্তোষকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া সেই বিক্ষোভ পরে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে। সে সময় অনেক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান সাময়িকভাবে কার্যক্রম বন্ধ রাখে বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আন্দোলনের প্রতি সমর্থন জানায়। বিশেষ করে ইনস্টাগ্রামের স্টোরির মাধ্যমে অনেকে নিজেদের অবস্থান প্রকাশ করেছিলেন। সম্প্রতি জনসমাগমস্থল তদারকির দায়িত্বে থাকা এক পুলিশ ইউনিট তেহরানের বিভিন্ন রেস্তোরাঁ, ক্যাফে, কফিশপ, আর্ট গ্যালারি ও আইসক্রিম পার্লারসহ ছোট ও মাঝারি আকারের বহু প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয়। বন্ধ হয়ে যাওয়া কয়েকটি প্রতিষ্ঠান তাদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানায়, অতীতে দেওয়া কিছু পোস্টকে ‘দেশের বিধি লঙ্ঘন’ এবং ‘পুলিশি নির্দেশনা অমান্য’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। এদিকে ইসলামি বিপ্লবী গার্ডের ঘনিষ্ঠ সংবাদমাধ্যম ফার্স নিউজ একটি লিখিত স্বীকারোক্তির ছবি প্রকাশ করেছে। সেখানে বেসরকারি উদ্যোক্তা মোহাম্মদ আলী সাইয়েদিনিয়ার স্বাক্ষর রয়েছে। ৮১ বছর বয়সী এই ব্যবসায়ী ও তাঁর পরিবার একটি জনপ্রিয় ক্যাফে ও খাবারের ব্র্যান্ড পরিচালনা করতেন, যার দেশজুড়ে একাধিক শাখা রয়েছে। ইরানের বিচার বিভাগ জানিয়েছে, বিক্ষোভ-পরবর্তী সময়ে সাইয়েদিনিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁর সব ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ এবং দাঙ্গার সময় হওয়া ক্ষতির দায়ে তাঁর সম্পদ বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। প্রকাশিত স্বীকারোক্তিতে দাবি করা হয়েছে, সাম্প্রতিক অর্থনৈতিক সংকট ও কারখানায় অর্থায়নের চাপে তাঁর ছেলে তেহরান বাজারের আন্দোলনের সঙ্গে মিল রেখে দোকান বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। সেখানে আরও বলা হয়, তারা নিজেদের ভুল বুঝতে পেরেছেন এবং জনগণের কাছে ক্ষমা চাইছেন, যেন দেশের শত্রুরা পরিস্থিতির সুযোগ নিতে না পারে। সরকারি হিসাবে প্রায় এক মাস ধরে চলা বিক্ষোভে ৩ হাজার ১১৭ জন নিহত হয়েছেন। তবে মানবাধিকার সংগঠনগুলোর দাবি, প্রকৃত নিহতের সংখ্যা সরকারি হিসাবের চেয়ে বেশি হতে পারে।
দেশজুড়ে সহিংস বিক্ষোভের পর ইরান সরকার রাজধানী তেহরানের একাধিক বেসরকারি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দিয়েছে। এমন সময় এই পদক্ষেপ নেওয়া হলো, যখন দেশটির অর্থনীতি আগে থেকেই চাপে রয়েছে এবং সাধারণ মানুষ ও উদ্যোক্তারা আর্থিক অনিশ্চয়তায় ভুগছেন। সরকারের এই সিদ্ধান্তের পেছনে সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো প্রকাশ্যে জানায়নি পুলিশ বা বিচার বিভাগ। তবে যেসব প্রতিষ্ঠান বন্ধ করা হয়েছে, তার বেশির ভাগই তেহরানের মধ্য ও উত্তরাঞ্চলে অবস্থিত—যেখানে সম্প্রতি তরুণদের অংশগ্রহণে বড় ধরনের বিক্ষোভ হয়েছিল। গত বছরের ২৮ ডিসেম্বর রাজধানীর ঐতিহাসিক গ্র্যান্ড বাজার এলাকা থেকে ব্যবসায়ীদের আন্দোলন শুরু হয়। অর্থনৈতিক অসন্তোষকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া সেই বিক্ষোভ পরে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে। সে সময় অনেক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান সাময়িকভাবে কার্যক্রম বন্ধ রাখে বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আন্দোলনের প্রতি সমর্থন জানায়। বিশেষ করে ইনস্টাগ্রামের স্টোরির মাধ্যমে অনেকে নিজেদের অবস্থান প্রকাশ করেছিলেন। সম্প্রতি জনসমাগমস্থল তদারকির দায়িত্বে থাকা এক পুলিশ ইউনিট তেহরানের বিভিন্ন রেস্তোরাঁ, ক্যাফে, কফিশপ, আর্ট গ্যালারি ও আইসক্রিম পার্লারসহ ছোট ও মাঝারি আকারের বহু প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয়। বন্ধ হয়ে যাওয়া কয়েকটি প্রতিষ্ঠান তাদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানায়, অতীতে দেওয়া কিছু পোস্টকে ‘দেশের বিধি লঙ্ঘন’ এবং ‘পুলিশি নির্দেশনা অমান্য’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। এদিকে ইসলামি বিপ্লবী গার্ডের ঘনিষ্ঠ সংবাদমাধ্যম ফার্স নিউজ একটি লিখিত স্বীকারোক্তির ছবি প্রকাশ করেছে। সেখানে বেসরকারি উদ্যোক্তা মোহাম্মদ আলী সাইয়েদিনিয়ার স্বাক্ষর রয়েছে। ৮১ বছর বয়সী এই ব্যবসায়ী ও তাঁর পরিবার একটি জনপ্রিয় ক্যাফে ও খাবারের ব্র্যান্ড পরিচালনা করতেন, যার দেশজুড়ে একাধিক শাখা রয়েছে। ইরানের বিচার বিভাগ জানিয়েছে, বিক্ষোভ-পরবর্তী সময়ে সাইয়েদিনিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁর সব ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ এবং দাঙ্গার সময় হওয়া ক্ষতির দায়ে তাঁর সম্পদ বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। প্রকাশিত স্বীকারোক্তিতে দাবি করা হয়েছে, সাম্প্রতিক অর্থনৈতিক সংকট ও কারখানায় অর্থায়নের চাপে তাঁর ছেলে তেহরান বাজারের আন্দোলনের সঙ্গে মিল রেখে দোকান বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। সেখানে আরও বলা হয়, তারা নিজেদের ভুল বুঝতে পেরেছেন এবং জনগণের কাছে ক্ষমা চাইছেন, যেন দেশের শত্রুরা পরিস্থিতির সুযোগ নিতে না পারে। সরকারি হিসাবে প্রায় এক মাস ধরে চলা বিক্ষোভে ৩ হাজার ১১৭ জন নিহত হয়েছেন। তবে মানবাধিকার সংগঠনগুলোর দাবি, প্রকৃত নিহতের সংখ্যা সরকারি হিসাবের চেয়ে বেশি হতে পারে।
এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল। এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে। একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই। “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান। এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে। সূত্র: Royanews
দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে। এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা। নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা। এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।
যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)। ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে। কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না। তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে। সূত্র: ABC News
যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে। নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা। ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল। তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে। এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস
মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা এবং জাতিসংঘের সাবেক অস্ত্র পরিদর্শক, ইরান-মার্কিন আলোচনার বিশ্লেষণ করতে গিয়ে জোর দিয়ে বলেছেন যে ইরানের চেয়ে ট্রাম্পেরই এই আলোচনার বেশি প্রয়োজন। পার্সটুডে- মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা এবং জাতিসংঘের সাবেক অস্ত্র পরিদর্শক, ইরান-মার্কিন আলোচনার বিশ্লেষণ করতে গিয়ে জোর দিয়ে বলেছেন যে ইরানের চেয়ে ট্রাম্পেরই এই আলোচনার বেশি প্রয়োজন। মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা স্কট রিটার সতর্ক করে বলেছেন যে পশ্চিমারা সর্বদা তার গুপ্তচর সংস্থাগুলির মাধ্যমে ইরানের সাংস্কৃতিক ও সামাজিক ভিত্তি ধ্বংস করতে চাইছে এবং অপর্যাপ্তভাবে নিয়ন্ত্রিত তথ্য-যোগাযোগ রুট ব্যবহার করে কিছু ইরানিকে তাদের এজেন্ট নিয়োগ করেছে। ক্ষেপণাস্ত্র ইরানের জন্য একটি পছন্দসই আক্রমণাত্মক হাতিয়ার নয় পার্সটুডে অনুসারে, ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরিসর সীমিত করার বিষয়ে মার্কিন কর্মকর্তাদের বক্তব্যের কথা উল্লেখ করে রিটার ব্যাখ্যা করেছেন যে এই শর্তটি বাস্তবে "নিরস্ত্রীকরণ" এবং ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের কাছ থেকে "কৌশলগত আত্মহত্যার" অনুরোধের সমতুল্য। তিনি স্পষ্ট করে বলেন যে ক্ষেপণাস্ত্র শুধুমাত্র ইরানের জন্য একটি কাঙ্ক্ষিত আক্রমণাত্মক হাতিয়ার নয়, বরং প্রতিরোধ ও বেঁচে থাকার মেরুদণ্ড এবং এই স্তম্ভটি অপসারণকারী যেকোনো চেষ্টো ইরানকে অরক্ষিত করে তুলবে। তিনি যুক্তি দেন যে ইরান যদি তার ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা এতটাই কমিয়ে দেয় যে তারা আর ইসরায়েলে আঘাত করতে পারবে না, তাহলে ইসরায়েল প্রতিশোধের ভয় ছাড়াই ইরানে আক্রমণ করবে। ইরানের সাথে যুদ্ধ নীতিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত অক্ষমতা আমেরিকান বিশ্লেষক স্পষ্ট করে বলেন যে ইরানের সাথে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ এড়ানোর মূল কারণ কৌশলগত অক্ষমতা। তিনি বলেন, যেকোনও সামরিক আক্রমণ ইরানকে এমন প্রতিক্রিয়ার দিকে ঠেলে দেবে যা একই সাথে মার্কিন বাহিনী এবং স্বার্থের জন্য গুরুতর ক্ষতি বয়ে আনতে পারে। রিটার জোর দিয়ে বলেন যে এই ধরনের পরিবেশে ইরানের সাথে যুদ্ধ কেবল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কৌশলগত সুবিধাতো আনবেই না বরং ট্রাম্পের জন্য একটি অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিপর্যয়ও হতে পারে। ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ কেবল ইসরায়েলের স্বার্থ রক্ষার জন্য। আলোচনা একটি ফাঁদ সাবেক মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা পরামর্শ দেন যে ইরানের উচিত দুর্বলতা থেকে নয়, বরং ওয়াশিংটনে রাজনৈতিক অজুহাতের পথ বন্ধ করার জন্য আলোচনায় প্রবেশ করা। তবে, রিটার সতর্ক করে দেন যে ইরানি কর্মকর্তাদের সর্বদা ধরে নেওয়া উচিত যে আলোচনা "একটি ফাঁদ"। কূটনীতির মাধ্যম বজায় রেখে, ইরানের উচিত তার সামরিক ও গোয়েন্দা যন্ত্রপাতিকে পূর্ণ সতর্ক রাখা । স্কট রিটার সাম্প্রতিক নৌ সংঘর্ষকে আমেরিকার শ্রেষ্ঠত্ব বা আগ্রাসনের লক্ষণ হিসেবে নয়, বরং ইরানের প্রবেশাধিকার-বিরোধী এবং আঞ্চলিক-বিরোধী ক্ষমতার প্রতি ওয়াশিংটনের কৌশলগত ভয়ের প্রতিফলন। রিটার জোর দিয়ে বলেন যে ইরানের নতুন প্রজন্মের নির্ভুল, কৌশলগত এবং হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের সামনে মার্কিন বিমানবাহী রণতরীগুলি "অপ্রচলিত" সিস্টেমে পরিণত হয়েছে। প্রধান হুমকি: ভেতর থেকে পতনের জন্য মানসিক যুদ্ধ অবশেষে, স্কট রিটার "মানসিক যুদ্ধ" নামক একটি ধারণার কথা উল্লেখ করেছেন; এমন একটি যুদ্ধ যেখানে, তিনি যুক্তি দেন, সরাসরি সামরিক সংঘাতের চেয়ে অনেক বেশি বিপজ্জনক, কারণ এর লক্ষ্য হল একটি গুলি না চালিয়েও একটি সমাজকে ভেতর থেকে ধ্বংস করা
We use cookies to improve your experience, deliver personalized content and ads, and analyze our traffic. By continuing to browse our site, you agree to our use of cookies. Cookie Policy