সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার
আমেরিকা

ভিসার মেয়াদ শেষে যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধভাবে কাজ করায় কিউবার শীর্ষ জেনারেলের কন্যা গ্রেপ্তার

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুন ২২, ২০২৬ ১২:৬
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

কিউবার কমিউনিস্ট বিপ্লবের অন্যতম শীর্ষ নায়ক বা ‘হিরো’র কন্যা আলিনা রোসালেস আগুয়েরেতাকে (৩৭) যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা থেকে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির অভিবাসন ও সীমান্ত এনফোর্সমেন্ট (আইসিই) এজেন্টরা। ট্যুরিস্ট ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও অবৈধভাবে দেশটিতে অবস্থান করে একটি ক্লিনিকে প্লাস্টিক সার্জন হিসেবে কাজ করার অভিযোগে তাকে আটক করা হয়। মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, গ্রেপ্তারকৃত আলিনা কিউবার অত্যন্ত সম্মানিত ও প্রভাবশালী জেনারেল উলিসেস রোসালেস দেল তোরোর কন্যা।

 

আইসিই এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, আলিনা রোসালেস আগুয়েরেতা পেশায় একজন প্রশিক্ষিত প্লাস্টিক সার্জন। তিনি ২০২৩ সালের ২১ নভেম্বর বি-২ ট্যুরিস্ট ভিসা নিয়ে ওরাল্যান্ডো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেছিলেন। নিয়ম অনুযায়ী ২০২৪ সালের মে মাসে তার সেই ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে গেলেও তিনি অবৈধভাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে থেকে যান। গত ২৬ মে মিয়ামির একটি প্লাস্টিক সার্জারি ক্লিনিকে সহকারী হিসেবে কাজ করার সময় কেন্দ্রীয় অভিবাসন এজেন্টরা তাকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করে।

 

আলিনার বাবা ৮৪ বছর বয়সী জেনারেল উলিসেস রোসালেস দেল তোরো কিউবার ইতিহাসের একজন অন্যতম প্রভাবশালী কমিউনিস্ট ব্যক্তিত্ব। ১৯৫০-এর দশকের শেষের দিকে তিনি কিউবান বিপ্লবের সময় ফিদেল কাস্ত্রো এবং রাউল কাস্ত্রোর সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সিয়েরা মায়েস্ত্রা পাহাড়ে যুদ্ধ করেছিলেন। পরবর্তীতে তিনি দেশটির বিপ্লবী সশস্ত্র বাহিনীর জেনারেল স্টাফের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং তাকে ‘হিরো অব দ্য রিপাবলিক অব কিউবা’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়। এছাড়া তিনি কিউবার কৃষিমন্ত্রী এবং কমিউনিস্ট পার্টির পলিটব্যুরোর সদস্য হিসেবেও শীর্ষ দায়িত্ব পালন করেছেন।

 

যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় সংস্থা আইসিই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, আলিনা রোসালেস আগুয়েরেতার বিরুদ্ধে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও অবৈধভাবে অবস্থানের অভিযোগ আনা হয়েছে। বর্তমানে তিনি আইসিই হেফাজতে রয়েছেন এবং অভিবাসন আদালতের বিচারকের সামনে শুনানির জন্য অপেক্ষা করছেন। এই বিষয়ে আরও তথ্য হাতে এলে তা পরবর্তীতে জনসাধারণের জন্য প্রকাশ করা হবে বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি।

 

হোয়াইট হাউজে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রত্যাবর্তনের পর দেশটিতে অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান শুরু হয়েছে, যার অংশ হিসেবে কিউবার উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের আত্মীয়-স্বজনদেরও লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে। আলিনা গ্রেপ্তারের মাত্র কয়েক দিন আগেই আদিস লাস্ট্রেস মোরেরা নামের আরেক কিউবান নারীকে গ্রেপ্তার করে লুইজিয়ানার একটি আইসিই ক্যাম্পে স্থানান্তর করা হয়। ওই নারী কিউবার সামরিক বাহিনী পরিচালিত এবং দেশটির অর্থনীতির সিংহভাগ নিয়ন্ত্রণকারী গোপন প্রতিষ্ঠান ‘গায়েসা’র (GAESA) প্রেসিডেন্ট তথা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আনিয়া গুইলারমিনা লাস্ট্রেসের আপন বোন।


© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

প্রাণীর সঙ্গে যৌন কর্মকাণ্ডের অভিযোগে গ্রেপ্তার বুয়েটের সাবেক শিক্ষার্থী ও সাউথ ফ্লোরিডা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যে প্রাণীর সঙ্গে যৌন কর্মকাণ্ডের ছবি বা ভিডিও ধারণ, বিতরণ ও সংরক্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত রায়ান আবদুল বাতেন। তিনি বাংলাদেশের বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক প্রকৌশল বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী এবং যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডার সহকারী অধ্যাপক।   হিলসবরো কাউন্টি শেরিফের কার্যালয়ের সরকারি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত গ্রেপ্তারসংক্রান্ত তথ্য অনুযায়ী, গত ২৮ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রকাশিত রেকর্ডে তাঁর বিরুদ্ধে ‘Film, Distribute, or Possess Image or Video of Sexual Activity with an Animal’ শীর্ষক অভিযোগ উল্লেখ করা হয়েছে। অর্থাৎ, প্রাণীর সঙ্গে যৌন কর্মকাণ্ডের ছবি বা ভিডিও ধারণ, বিতরণ কিংবা নিজের কাছে রাখার অভিযোগে তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।   গ্রেপ্তারসংক্রান্ত সরকারি রেকর্ড প্রকাশের পর বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। বিশেষ করে বুয়েটের সাবেক শিক্ষার্থী এবং যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক হিসেবে তাঁর পরিচয়ের কারণে ঘটনাটি নিয়ে প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যেও আলোচনা তৈরি হয়েছে।   এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রাণীটির পরিচয় সম্পর্কে বিভিন্ন দাবি ছড়িয়ে পড়লেও হিলসবরো কাউন্টি শেরিফের কার্যালয়ের প্রকাশিত গ্রেপ্তারসংক্রান্ত তথ্যে নির্দিষ্ট কোনো প্রাণীর নাম উল্লেখ করা হয়নি। ফলে ছাগলের সঙ্গে যৌন কর্মকাণ্ডের যে দাবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে করা হচ্ছে, তা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।   তথ্যসূত্র: হিলসবরো কাউন্টি শেরিফের কার্যালয় (Hillsborough County Sheriff’s Office), ফ্লোরিডা।

আমেরিকা

View more
যুক্তরাষ্ট্রে ২০২৭ সালের স্বাস্থ্যবিমার বার্ষিক আবেদনপর্ব আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত
২০২৭ সালের স্বাস্থ্যবিমার আবেদন শুরু, চিকিৎসা খরচ নিয়ে নতুন চাপে পরিবারগুলো

যুক্তরাষ্ট্রে ২০২৭ সালের স্বাস্থ্যবিমার জন্য আবেদন শুরু হয়েছে। তবে নতুন বছরে স্বাস্থ্যবিমার খরচ বৃদ্ধি, সরকারি আর্থিক সহায়তার পরিবর্তন এবং কিছু বিমা পরিকল্পনার প্রাপ্যতা কমে যাওয়ায় সাধারণ পরিবারগুলোর সামনে নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে।   গত ১ নভেম্বর থেকে অ্যাফোর্ডেবল কেয়ার অ্যাক্টের (এসিএ) আওতায় aস্বাস্থ্যবিমার বার্ষিক আবেদনপর্ব শুরু হয়েছে। এই কর্মসূচি সাধারণভাবে ওবামাকেয়ার নামে পরিচিত। যারা চাকরির মাধ্যমে স্বাস্থ্যবিমা পান না, স্বনির্ভরভাবে কাজ করেন, ছোট ব্যবসা পরিচালনা করেন কিংবা নিজেদের পরিবারের জন্য আলাদাভাবে বিমা কিনতে চান, তাদের জন্য এই সময়টি গুরুত্বপূর্ণ।   অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের ১ নভেম্বরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৭ সালে মার্কেটপ্লেসের স্বাস্থ্যবিমার দাম গড়ে প্রায় ১৩ শতাংশ বাড়তে পারে বলে কেএফএফের বিশ্লেষণে উঠে এসেছে। তবে এই বৃদ্ধি সব অঙ্গরাজ্য, বিমা প্রতিষ্ঠান কিংবা গ্রাহকের ক্ষেত্রে একই রকম হবে না।   স্বাস্থ্যবিমার খরচ বাড়ার পেছনে চিকিৎসাসেবার ব্যয় বৃদ্ধি, হাসপাতালের খরচ এবং অন্যান্য বাজার পরিস্থিতিকে কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। বিশেষ করে যারা সরকারি ভর্তুকি পান না, তাদের ওপর বাড়তি খরচের চাপ বেশি পড়তে পারে।   এর পাশাপাশি স্বাস্থ্যবিমার সরকারি আর্থিক সহায়তার নিয়মেও পরিবর্তন এসেছে। মহামারির সময় চালু হওয়া অতিরিক্ত প্রিমিয়াম ট্যাক্স ক্রেডিটের মেয়াদ ২০২৫ সালের শেষে শেষ হয়েছে। ফলে আগে যারা তুলনামূলক কম খরচে স্বাস্থ্যবিমা পেয়েছেন, তাদের অনেকের মাসিক কিস্তি বেড়ে যেতে পারে।   তবে এর অর্থ এই নয় যে সবাই সরকারি সহায়তা থেকে বঞ্চিত হবেন। প্রচলিত নিয়মে যোগ্য অনেক পরিবার এখনো আয় ও পরিবারের সদস্যসংখ্যার ভিত্তিতে আর্থিক সহায়তা পেতে পারেন। তাই আবেদন করার সময় নিজের যোগ্যতা যাচাই করা জরুরি।   আবেদনের শেষ সময় কবে? ফেডারেল মার্কেটপ্লেস ব্যবহারকারী অধিকাংশ অঙ্গরাজ্যে ২০২৭ সালের স্বাস্থ্যবিমার আবেদন চলবে ২০২৭ সালের ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত।   যারা ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে বিমার সুবিধা চালু করতে চান, তাদের সাধারণত ১৫ ডিসেম্বর ২০২৬-এর মধ্যে আবেদন ও পরিকল্পনা নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে।   আর যারা ১৬ ডিসেম্বর থেকে ১৫ জানুয়ারি ২০২৭-এর মধ্যে আবেদন করবেন, তাদের বিমা সাধারণত ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৭ থেকে কার্যকর হবে। প্রথম প্রিমিয়াম পরিশোধের শর্তও পূরণ করতে হবে।   তবে কিছু অঙ্গরাজ্যে নিজস্ব স্বাস্থ্যবিমা মার্কেটপ্লেস রয়েছে। সেসব অঙ্গরাজ্যে আবেদনের সময়সীমা ও নিয়ম আলাদা হতে পারে।   কারা আবেদন করতে পারবেন? যারা নিয়োগকর্তার কাছ থেকে সাশ্রয়ী স্বাস্থ্যবিমা পান না, স্বনির্ভরভাবে কাজ করেন, বেকার রয়েছেন কিংবা নিজেদের পরিবারের জন্য বিমা কিনতে চান, তারা মার্কেটপ্লেসে পরিকল্পনা দেখতে পারেন।   যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের পাশাপাশি নির্দিষ্ট যোগ্যতাসম্পন্ন কিছু আইনগত অভিবাসীও স্বাস্থ্যবিমার জন্য আবেদন করতে পারেন। তবে ২০২৭ সালের নতুন নিয়মে কিছু অভিবাসী শ্রেণির সরকারি ভর্তুকি পাওয়ার যোগ্যতা সীমিত হয়েছে। তাই শুধু যুক্তরাষ্ট্রে বৈধভাবে বসবাস করলেই সবাই ভর্তুকি পাবেন—এমন ধারণা ঠিক নয়।   বিমা কেনার আগে যে বিষয়গুলো দেখবেন শুধু মাসিক কিস্তি কম দেখে স্বাস্থ্যবিমা নির্বাচন করা উচিত নয়। চিকিৎসকের পরামর্শ, হাসপাতালে ভর্তি, জরুরি চিকিৎসা, প্রেসক্রিপশনের ওষুধ এবং নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার খরচ কতটা বিমার আওতায় থাকবে, তা যাচাই করা প্রয়োজন।   এ ছাড়া নিজের পছন্দের চিকিৎসক ও হাসপাতাল বিমার নেটওয়ার্কে রয়েছে কি না, সেটিও দেখে নিতে হবে। কারণ কম কিস্তির কোনো পরিকল্পনায় চিকিৎসার সময় নিজের পকেট থেকে বেশি অর্থ দিতে হতে পারে।   যারা ইতিমধ্যে স্বাস্থ্যবিমার আওতায় রয়েছেন, তাদেরও নতুন বছরের পরিকল্পনা যাচাই করা উচিত। আগের বিমা স্বয়ংক্রিয়ভাবে নবায়ন হলেও মাসিক কিস্তি, চিকিৎসকের তালিকা কিংবা সুবিধার পরিবর্তন হতে পারে।   কোথায় আবেদন করবেন? স্বাস্থ্যবিমার পরিকল্পনা দেখা, সম্ভাব্য খরচ তুলনা করা এবং সরকারি আর্থিক সহায়তার যোগ্যতা যাচাই করতে ফেডারেল সরকারের ওয়েবসাইট ব্যবহার করা যাবে।   সরকারি ওয়েবসাইট: https://www.healthcare.gov/   যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বাংলাদেশি পরিবার, শিক্ষার্থী, স্বনির্ভর কর্মী ও ছোট ব্যবসায়ীদের জন্য বিষয়টি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। সময়মতো আবেদন করে নিজের পরিবারের প্রয়োজন ও সামর্থ্য অনুযায়ী স্বাস্থ্যবিমা নির্বাচন করলে নতুন বছরে চিকিৎসার আর্থিক ঝুঁকি কমানো সম্ভব।   তাই শেষ সময়ের জন্য অপেক্ষা না করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত রেখে আবেদন করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

প্রকাশ: নভেম্বর ৬, ২০২৬ ৪:১৯
চিকিৎসা খরচ নিয়ে নতুন চাপে পরিবারগুলো

২০২৭ সালের স্বাস্থ্যবিমার আবেদন শুরু, চিকিৎসা খরচ নিয়ে নতুন চাপে পরিবারগুলো

নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যে শীতকালে ঘর গরম রাখার সরকারি সহায়তার আবেদন শুরু হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত

শীতের জ্বালানি খরচে নিউইয়র্কের পরিবারগুলো পেতে পারে ১ হাজার ৮৬ ডলার সহায়তা

লস অ্যাঞ্জেলেসের প্রথম দক্ষিণ এশীয় মেয়র নিত্যা রমন

দিল্লির বস্তি থেকে লস অ্যাঞ্জেলেসের প্রথম দক্ষিণ এশীয় মেয়র নিত্যা রমন

প্রথম মুসলিম সিনেটর হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার পরেই আলোচনায় আবদুল এল সাঈদ। ছবি: সংগৃহীত
মিশিগানের শিশুদের ‘আরবি সংখ্যা’ শেখাবেন আবদুল এল সাঈদ, পোস্ট ভাইরাল

যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথম মুসলিম হিসেবে সিনেটে নির্বাচিত হওয়ার পরপরই নতুন এক আলোচনার কেন্দ্রে এসেছেন মিশিগানের ডেমোক্র্যাট নেতা আবদুল এল সাঈদ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি পোস্টে দাবি করা হয়েছে, মিশিগানের সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীকে বাধ্যতামূলকভাবে ‘আরবি সংখ্যা’ শেখানোর উদ্যোগ নিতে যাচ্ছেন তিনি। পোস্টটি দ্রুত ভাইরাল হওয়ার পর অনেকেই বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ ও সমালোচনা শুরু করেন। তবে অনুসন্ধানে দেখা গেছে, এমন কোনো শিক্ষানীতি, আইন প্রস্তাব বা আনুষ্ঠানিক ঘোষণা নেই। মূলত ব্যঙ্গাত্মক একটি পোস্টকে বাস্তব রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত মনে করায় বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়েছে।   বুধবার (৪ নভেম্বর) রাজনৈতিক ভাষ্যকার ব্রায়ান ক্রাসেনস্টাইন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্টটি প্রকাশ করেন। সেখানে তিনি লেখেন, আবদুল এল সাঈদ মিশিগানের সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীকে ‘আরবি সংখ্যা’ শেখানো বাধ্যতামূলক করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। নিজেকে একজন ইহুদি আমেরিকান হিসেবে পরিচয় দিয়ে তিনি আরও লেখেন, এই উদ্যোগকে তিনি শতভাগ সমর্থন করেন। পোস্টটির ভাষা ও উপস্থাপনা দেখে অনেকেই এটিকে সত্যিকারের রাজনৈতিক ঘোষণা মনে করেন। কেউ কেউ শিশুদের আরবি ভাষা শেখানো বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন। অন্যদিকে অনেক ব্যবহারকারী পোস্টটির ব্যঙ্গাত্মক অর্থ বুঝতে পেরে বিষয়টি নিয়ে রসিকতা করেন।   প্রকৃতপক্ষে ‘আরবি সংখ্যা’ বলতে ইংরেজিতে প্রচলিত ০ থেকে ৯ পর্যন্ত সংখ্যার চিহ্নগুলোকে বোঝানো হয়, যেগুলো যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের অধিকাংশ দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় ব্যবহৃত হচ্ছে। ইংরেজিতে এগুলো লেখা হয় 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8 ও 9। গণিত, বিজ্ঞান, ব্যাংকিং, ব্যবসা ও দৈনন্দিন হিসাবের ক্ষেত্রে এসব সংখ্যা অপরিহার্য। সংখ্যাপদ্ধতিটির উৎপত্তি প্রাচীন ভারতে হলেও আরব গণিতবিদদের মাধ্যমে এটি ইউরোপে ছড়িয়ে পড়ে। ঐতিহাসিক কারণেই পশ্চিমা বিশ্বে এই পদ্ধতি ‘আরবি নিউমেরালস’ নামে পরিচিত। ফলে যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষার্থীদের নতুন করে কোনো বিদেশি সংখ্যাপদ্ধতি শেখানোর বিষয় এখানে নেই। তারা আগে থেকেই এই সংখ্যা ব্যবহার করে গণিত শিখছে।   এদিকে আবদুল এল সাঈদের পক্ষ থেকে মিশিগানের স্কুলগুলোতে আরবি ভাষা বা ধর্মীয় শিক্ষা বাধ্যতামূলক করার কোনো ঘোষণা পাওয়া যায়নি। এ ধরনের কোনো বিল বা কারিকুলাম পরিবর্তনের প্রস্তাবেরও তথ্য নেই। তা ছাড়া একজন ফেডারেল সিনেটর একক সিদ্ধান্তে কোনো অঙ্গরাজ্যের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঠ্যক্রম পরিবর্তন করতে পারেন না। মিশিগানের শিক্ষাব্যবস্থা পরিচালনার ক্ষেত্রে অঙ্গরাজ্যের শিক্ষা কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় স্কুল ডিস্ট্রিক্টগুলোর নিজস্ব দায়িত্ব রয়েছে। ফলে ভাইরাল পোস্টটির সঙ্গে বাস্তব কোনো সরকারি সিদ্ধান্তের সম্পর্ক নেই।   এর আগে মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) অনুষ্ঠিত যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকান প্রার্থী মাইক রজার্সকে পরাজিত করে ইতিহাস গড়েন আবদুল এল সাঈদ। বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস জানিয়েছে, তিনিই প্রথম মুসলিম হিসেবে মার্কিন সিনেটে নির্বাচিত হয়েছেন। মিসরীয় অভিবাসী পরিবারের সন্তান ৪২ বছর বয়সী এল সাঈদ এর আগে ডেট্রয়েটের জনস্বাস্থ্য বিভাগের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। নির্বাচনী প্রচারণায় তাঁর মুসলিম পরিচয়কে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের সমালোচনা ও আক্রমণের মুখে পড়তে হয় তাঁকে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও তাঁর বিরুদ্ধে প্রচারণায় অংশ নেন।   নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর সমর্থকদের উদ্দেশে দেওয়া বক্তব্যে এল সাঈদ প্রতিদ্বন্দ্বী মাইক রজার্সকে উদ্দেশ করে বলেন, ‘আপনি ঘৃণাকে বেছে নিয়েছেন, আর মিশিগান বেছে নিয়েছে আশাকে।’ তাঁর ঐতিহাসিক বিজয়ের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রাজনৈতিক আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। এর মধ্যেই ‘আরবি সংখ্যা’ নিয়ে ব্যঙ্গাত্মক পোস্টটি নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। পোস্টটি দেখিয়েছে, পরিচিত একটি গাণিতিক শব্দের প্রকৃত অর্থ না জানার কারণে কীভাবে রাজনৈতিক ব্যঙ্গকে অনেকে বাস্তব সিদ্ধান্ত বলে ধরে নিতে পারেন।

প্রকাশ: নভেম্বর ৬, ২০২৬ ১:৪২
ওয়াল স্ট্রিটে ভয়াবহ দরপতনে একদিনেই প্রায় ৩ ট্রিলিয়ন ডলারের বাজারমূল্য হারিয়েছে। ছবি: সংগৃহীত

ওয়াল স্ট্রিটে বড় ধস! একদিনেই উধাও ৩ ট্রিলিয়ন ডলারের বাজারমূল্য

ক্যালিফোর্নিয়ায় বিমানবন্দরে প্রেমিকের সঙ্গে যাওয়ার সময় ইউসি বার্কলের ছাত্রী গ্রেপ্তার। ছবি: সংগৃহীত

প্রেমিকের সঙ্গে ছুটিতে যাওয়ার পথে বিমানবন্দরে আইসিইর হাতে গ্রেপ্তার বিশ্ববিদ্যালয়ছাত্রী

বিলাসবহুল বাড়িটি আবার বিক্রির জন্য তোলা হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত

প্রেমের স্মৃতিবিজড়িত কিম কার্দাশিয়ানের প্রথম বাড়ি আবারো বিক্রির বাজারে, দাম ৮৫ লাখ ডলার

কেনাকাটার মৌসুম সামনে রেখে ৩ লাখ কর্মী নিয়োগের ঘোষণা দিয়েছে অ্যামাজন। ছবি: সংগৃহীত
ছুটির মৌসুমে ৩ লাখের বেশি কর্মী নিচ্ছে অ্যামাজন, ঘণ্টায় বেতন ২০ ডলার

বড়দিন ও নতুন বছরের কেনাকাটার মৌসুম সামনে রেখে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তিন লাখের বেশি কর্মী নিয়োগের ঘোষণা দিয়েছে অনলাইন কেনাকাটার প্রতিষ্ঠান অ্যামাজন। এসব চাকরিতে মৌসুমি, পার্টটাইম ও ফুলটাইম পদের সুযোগ রয়েছে। মৌসুমি কর্মীদের ঘণ্টাপ্রতি গড় বেতন নির্ধারণ করা হয়েছে ২০ ডলার। গত বছরের তুলনায় এবার প্রায় ২০ শতাংশ বেশি কর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা করেছে প্রতিষ্ঠানটি।   ২০ অক্টোবর প্রকাশিত এক ঘোষণায় অ্যামাজন জানায়, ছুটির মৌসুমে অনলাইন অর্ডারের চাপ সামলাতে দেশজুড়ে তাদের বিভিন্ন ওয়্যারহাউস, পণ্য বাছাই কেন্দ্র ও ডেলিভারি স্টেশনে অতিরিক্ত কর্মী প্রয়োজন। অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রতি সপ্তাহে নতুন চাকরির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে। ফলে আগ্রহীরা নিজেদের এলাকার চাকরির সুযোগ নিয়মিত খুঁজে আবেদন করতে পারবেন।   প্রতিষ্ঠানটির তথ্য অনুযায়ী, মৌসুমি কর্মীদের ঘণ্টাপ্রতি গড় আয় ২০ ডলার। কেউ এই গড় হারে সপ্তাহে ৪০ ঘণ্টা কাজ করলে ট্যাক্স কাটার আগে প্রায় ৮০০ ডলার আয় করতে পারবেন। তবে প্রকৃত বেতন ও কাজের সময় নির্ভর করবে কর্মস্থল, পদের ধরন এবং নির্ধারিত শিফটের ওপর। অন্যদিকে অ্যামাজনের নিয়মিত ফুলটাইম অপারেশনস কর্মীদের প্রারম্ভিক বেতন ঘণ্টায় কমপক্ষে ২০ ডলার। তাঁদের গড় ঘণ্টাপ্রতি বেতন প্রায় ২৪ ডলার। অন্যান্য সুযোগ-সুবিধার আর্থিক মূল্য যুক্ত করলে গড় মোট পারিশ্রমিক ঘণ্টায় ৩২ ডলারের বেশি বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।   নতুন নিয়োগের পাশাপাশি কর্মীদের জন্য হেলথ ইন্স্যুরেন্স সুবিধাও সম্প্রসারণ করছে অ্যামাজন। আগামী ১ জানুয়ারি ২০২৭ থেকে সপ্তাহে অন্তত ৩০ ঘণ্টা কাজ করা যোগ্য মৌসুমি কর্মীরা হেলথ কেয়ার কভারেজ পাবেন। নির্দিষ্ট ইন্স্যুরেন্স প্ল্যানের খরচ সপ্তাহে মাত্র ৫ ডলার থেকে শুরু হবে। এসব প্ল্যানে চিকিৎসাসেবার জন্য ৫ ডলারের কো-পে সুবিধাও রয়েছে। নির্ধারিত তারিখের আগে নিয়োগ পাওয়া যোগ্য কর্মীরা ১ জানুয়ারি থেকে এবং এরপর নিয়োগ পাওয়া কর্মীরা চাকরির প্রথম দিন থেকেই এই সুবিধা পাবেন।   অ্যামাজন জানিয়েছে, মৌসুমি চাকরির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানে দীর্ঘমেয়াদি ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগও রয়েছে। কাজের দক্ষতা ও প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজন অনুযায়ী কিছু মৌসুমি কর্মী পরবর্তী সময়ে ফুলটাইম পদে যোগ দেওয়ার সুযোগ পেতে পারেন। যোগ্য কর্মীদের জন্য স্কিল ডেভেলপমেন্ট, শিক্ষাসহায়তা এবং অন্যান্য কর্মী সুবিধাও রয়েছে। তবে সব ধরনের চাকরিতে একই সুবিধা প্রযোজ্য নয়।   যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বাংলাদেশি অভিবাসী ও চাকরিপ্রত্যাশীদের জন্যও এই নিয়োগ গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হতে পারে। বিশেষ করে যাঁরা নতুন চাকরি, পার্টটাইম কাজ কিংবা অতিরিক্ত আয়ের সুযোগ খুঁজছেন, তাঁরা নিজেদের যোগ্যতা অনুযায়ী আবেদন করতে পারবেন। তবে আবেদনকারীদের যুক্তরাষ্ট্রে বৈধভাবে কাজ করার অনুমতি থাকতে হবে। চাকরির ধরন, কর্মঘণ্টা, শিফট এবং প্রয়োজনীয় যোগ্যতা পদের ভিত্তিতে আলাদা হতে পারে।   অ্যামাজনের ঘোষণার পর রয়টার্স জানিয়েছে, গত তিন বছর ছুটির মৌসুমে প্রতিষ্ঠানটির কর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা ছিল প্রায় আড়াই লাখ। এবার সেই সংখ্যা বাড়িয়ে তিন লাখের বেশি করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে বছরের শেষ দিকে কেনাকাটার চাহিদা বৃদ্ধির প্রত্যাশার মধ্যেই এই বড় নিয়োগের ঘোষণা এসেছে।   আগ্রহী চাকরিপ্রার্থীরা অ্যামাজনের অফিসিয়াল হায়ারিং পোর্টালে গিয়ে নিজেদের শহর বা জিপ কোড অনুযায়ী চাকরি খুঁজতে পারবেন। এ ছাড়া মোবাইল থেকে NEWJOB লিখে 31432 নম্বরে টেক্সট পাঠিয়ে স্থানীয় চাকরির নতুন বিজ্ঞপ্তির অ্যালার্ট পাওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। অ্যামাজন জানিয়েছে, এসব পদ দ্রুত পূরণ হয়ে যেতে পারে। তাই আবেদনকারীদের নিয়মিত নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি পর্যবেক্ষণের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

প্রকাশ: নভেম্বর ৫, ২০২৬ ২৩:৪৯
যুক্তরাষ্ট্রের ক্লার্কসন ইউনিভার্সিটিতে উচ্চশিক্ষার সুযোগ পেলেন চুয়েটের সাবেক দুই শিক্ষার্থী। ছবি: সংগৃহীত

একসঙ্গে উচ্চশিক্ষার স্বপ্নপূরণ, ক্লার্কসন ইউনিভার্সিটিতে ফুল ফান্ডেড স্কলারশিপ পেলেন চুয়েটের দম্পতি

ওয়াশিংটনে ভোটে অনুমোদন পেয়েছে মেয়েদের স্কুল ক্রীড়ায় ট্রান্সজেন্ডার শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ সীমিত করার উদ্যোগ। গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা

ট্রান্সজেন্ডার শিক্ষার্থীদের মেয়েদের দলে খেলায় নিষেধাজ্ঞা, ওয়াশিংটনে ভোটারদের অনুমোদন

জেফ্রিসকে স্পিকার হিসেবে সমর্থন না করার আহ্বান জানিয়ে অনলাইন পিটিশন চালু করেছেন নিকোল হুইটেড। গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা

হাকিম জেফ্রিসকে স্পিকার না করার দাবিতে পিটিশনে ৫ লাখ স্বাক্ষর, চাপে ডেমোক্র্যাট নেতৃত্ব

0 Comments