আমেরিকা

শিকাগোতে মৃতদেহ সংরক্ষণ কেন্দ্রে চরম অবহেলা, উদ্ধার ৫০টির বেশি পচনশীল মরদেহ

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: আগস্ট ৮, ২০২৬ ১৫:৩৮
শিকাগোতে মৃতদেহ সংরক্ষণ কেন্দ্রে চরম অবহেলা, উদ্ধার ৫০টির বেশি পচনশীল মরদেহ
শিকাগোতে মৃতদেহ সংরক্ষণ কেন্দ্রে চরম অবহেলা, উদ্ধার ৫০টির বেশি পচনশীল মরদেহ

যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগোয় একটি ফিউনারেল হোম বা অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া কেন্দ্র থেকে ৫০টিরও বেশি পচনশীল মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মৃতদেহগুলো সঠিকভাবে সংরক্ষণ না করায় এগুলোর বেশিরভাগই বিভিন্ন মাত্রায় পচনশীল অবস্থায় পাওয়া গেছে বলে নিশ্চিত করেছেন তদন্তকারীরা। এই মর্মান্তিক ও অমানবিক ঘটনায় স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

 

বৃহস্পতিবার কাউন্টি কর্মকর্তাদের কাছ থেকে অভিযোগ পাওয়ার পর কর্তৃপক্ষ তাৎক্ষণিকভাবে এই বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করে। কুক কাউন্টি সরকারের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, শিকাগো শহরের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত ওই ফিউনারেল হোমটিতে মৃতদেহগুলোর সঠিক রক্ষণাবেক্ষণ হচ্ছে না—এমন খবর পাওয়ার পরপরই সেখানে তদন্তকারী ও ফরেনসিক প্যাথলজিস্টদের পাঠায় কুক কাউন্টি মেডিকেল এক্সামিনার অফিস। ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্তকারী দল দেখতে পান, চরম অবহেলায় ফেলে রাখা অন্তত ৫০টি মৃতদেহের পচন ধরেছে এবং এগুলো অত্যন্ত শোচনীয় অবস্থায় রয়েছে।

 

বর্তমানে মেডিকেল এক্সামিনার অফিস মৃতদেহগুলোর অবস্থা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। সেই সঙ্গে মৃত ব্যক্তিদের পরিচয় শনাক্ত করতে ডেথ সার্টিফিকেটসহ অন্যান্য প্রাসঙ্গিক নথিপত্র খোঁজার কাজ চলছে। কুক কাউন্টির বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, মৃতদেহগুলোর দ্রুত পরিচয় শনাক্ত করে তাদের পরিবারের সদস্যদের কাছে খবর পৌঁছানোর জন্য কর্মকর্তারা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। তবে মৃতদেহগুলোর যথাযথ ব্যবস্থা ও হস্তান্তর নিশ্চিত করতে এই প্রক্রিয়ায় আরও কয়েক দিন সময় লাগতে পারে।

 

এই ঘটনার পেছনে কাদের গাফিলতি রয়েছে, তা উদ্ঘাটনে আইনপ্রয়োগকারী সংস্থাগুলো এবং মেডিকেল এক্সামিনার অফিস যৌথভাবে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে। তদন্তের অগ্রগতি সাপেক্ষে পরবর্তীতে আরও বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হবে বলে কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

আমেরিকা

View more
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি নারীদের ড্রাইভিং: তিন নারীর ভিন্ন অভিজ্ঞতা ও বাস্তবতা
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি নারীদের জন্য ড্রাইভিং কেন এত গুরুত্বপূর্ণ? সাক্ষাৎকারে তিন নারীর তিন অভিজ্ঞতা

যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী বাংলাদেশি পরিবারগুলোর জন্য গাড়ি চালানো অনেক সময় শুধু যাতায়াতের বিষয় নয়, বরং পরিবারের দৈনন্দিন জীবন পরিচালনা, সন্তানদের দেখাশোনা এবং নিজের প্রয়োজন মেটানোর গুরুত্বপূর্ণ একটি দক্ষতা। বিশেষ করে যেসব পরিবার শহরের কেন্দ্রের বাইরে বসবাস করে এবং ব্যক্তিগত গাড়ির ওপর বেশি নির্ভরশীল, সেখানে পরিবারের একাধিক সদস্য গাড়ি চালাতে পারলে দায়িত্ব ভাগ করে নেওয়া সহজ হয়।   তবে বাংলাদেশি নারীদের মধ্যে কত শতাংশ গাড়ি চালান বা ড্রাইভিং জানেন না, এ বিষয়ে নির্ভরযোগ্য জাতীয় পরিসংখ্যান পাওয়া যায়নি। তাই বিষয়টিকে পুরো বাংলাদেশি কমিউনিটির ওপর সাধারণীকরণ না করে, যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বাংলাদেশি নারীদের বাস্তব অভিজ্ঞতা এবং দেশটির পরিবহনব্যবস্থার প্রেক্ষাপটে দেখাই বেশি যুক্তিসংগত।   যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল হাইওয়ে অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের সর্বশেষ ২০২৪ সালের তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে প্রায় ১২ কোটি নারী বৈধ ড্রাইভার লাইসেন্সধারী। অর্থাৎ গাড়ি চালানো যুক্তরাষ্ট্রের নারীদের দৈনন্দিন জীবন ও চলাচলের একটি ব্যাপকভাবে প্রচলিত দক্ষতা। তবে কোথায় বসবাস করছেন এবং স্থানীয় পরিবহনব্যবস্থা কেমন, তার ওপর ড্রাইভিংয়ের প্রয়োজনীয়তা অনেকটাই নির্ভর করে।   আটলান্টার বাংলাদেশি নারী লাবনী সাঈদের কাছে ড্রাইভিংয়ের বিষয়টি মূলত পরিবারের প্রয়োজন।   লাবনী সাঈদের স্বামী কর্মজীবনে ব্যস্ত। তাদের দুই সন্তান। সন্তানদের স্কুলে নিয়ে যাওয়া, চিকিৎসকের কাছে নেওয়া, প্রয়োজনীয় কেনাকাটা এবং বিভিন্ন ক্লাব ও কার্যক্রমে তাদের পৌঁছে দেওয়ার মতো দায়িত্বের একটি বড় অংশ তিনি নিজেই সামলান।   বিশেষ করে তার মেয়ের স্কুলের কিছু কার্যক্রম খুব সকালে থাকায় তিনি নিজেই গাড়ি করে তাকে স্কুলে পৌঁছে দেন। তার মতে, এত সকালে সবসময় স্কুলবাসের ওপর নির্ভর করা সহজ নয়।   লাবনী সাঈদের অভিজ্ঞতায়, তিনি নিজে গাড়ি চালাতে না পারলে পরিবারের দৈনন্দিন জীবন অনেক বেশি কঠিন হয়ে যেত। তিনি গাড়ি চালানোর মাধ্যমে সন্তানদের প্রয়োজনীয় সময়ে প্রয়োজনীয় জায়গায় পৌঁছে দিতে পারেন এবং একই সঙ্গে কর্মজীবী স্বামীকেও সহযোগিতা করতে পারেন।   অর্থাৎ, তার কাছে ড্রাইভিং শুধু নিজের চলাফেরার স্বাধীনতা নয়, বরং পুরো পরিবারকে সচল রাখার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।   ওকলাহোমায় বসবাসকারী আয়শা জান্নাতের অভিজ্ঞতা আবার কিছুটা ভিন্ন। যুক্তরাষ্ট্রে আসার পর ড্রাইভিং তার কাছে শুধু প্রয়োজনের বিষয় ছিল না, বরং নতুন দেশে নিজের স্বাধীনতা অনুভব করার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে ওঠে।   বিয়ের পর যুক্তরাষ্ট্রে আসা আয়শা জান্নাত জানান, দেশটির প্রশস্ত রাস্তা ও সড়কব্যবস্থা তাকে শুরু থেকেই আকৃষ্ট করেছিল। যুক্তরাষ্ট্রে আসার পর প্রথম দিকের আগ্রহগুলোর একটি ছিল গাড়ি চালানো শেখা এবং ড্রাইভার লাইসেন্স পাওয়া।   লাইসেন্স পাওয়ার জন্য তিনি বেশ আগ্রহী ও উত্তেজিত ছিলেন। শেষ পর্যন্ত যেদিন হাতে ড্রাইভার লাইসেন্স পান, সেই দিনটিকে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে আসার পর তার সবচেয়ে আনন্দের দিনগুলোর একটি হিসেবে মনে করেন।   তার কাছে গাড়ি চালানো মানে নিজের মতো করে চলাফেরা করা, নতুন জায়গা দেখা এবং নতুন দেশের জীবনকে আরও কাছ থেকে উপভোগ করা।   তবে নিউইয়র্কে বসবাসকারী বাংলাদেশি নারী রুমিন ফারহানার অভিজ্ঞতা আবার অন্যরকম।   নিউইয়র্ক শহরে উন্নত গণপরিবহনব্যবস্থা থাকায় অনেক বাসিন্দার জন্য প্রতিদিন গাড়ি চালানো অপরিহার্য নয়। নিউইয়র্ক স্টেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থার ২০২৩ সালের তথ্য অনুযায়ী, নিউইয়র্ক সিটির মাত্র ৪৩ দশমিক ৮ শতাংশ পরিবারের কাছে অন্তত একটি ব্যক্তিগত গাড়ি ছিল। একই সময়ে শহরের ৪৮ শতাংশ পরিবার কর্মস্থলে যাতায়াতের জন্য গণপরিবহন ব্যবহার করত। জাতীয় পর্যায়ে কর্মস্থলে গণপরিবহন ব্যবহারের হার ছিল ৪ শতাংশেরও কম।   এই বাস্তবতার সঙ্গে রুমিন ফারহানার অভিজ্ঞতারও মিল রয়েছে। তিনি জানান, নিউইয়র্কের মতো ঘনবসতিপূর্ণ শহরে বসবাস করায় প্রতিদিন গাড়ি চালানোর প্রয়োজন তিনি খুব একটা অনুভব করেন না। শহরে গণপরিবহন ও অন্যান্য যাতায়াতের ব্যবস্থা সহজলভ্য হওয়ায় গাড়ি ছাড়াও দৈনন্দিন জীবন পরিচালনা করা সম্ভব।   তবে গাড়ি চালাতে না পারার বিষয়টি নিয়ে তার এক ধরনের আক্ষেপ রয়েছে। তার ইচ্ছা, একদিন গাড়ি নিয়ে নিউইয়র্ক শহরের বাইরে কোথাও দীর্ঘ পথ ভ্রমণে যাবেন এবং লং ড্রাইভ উপভোগ করবেন।   তিন নারীর তিন অভিজ্ঞতায় উঠে আসে ড্রাইভিংয়ের তিনটি ভিন্ন দিক। লাবনী সাঈদের কাছে এটি পরিবারের প্রয়োজন, আয়শা জান্নাতের কাছে স্বাধীনতা ও আনন্দ, আর রুমিন ফারহানার কাছে দৈনন্দিন প্রয়োজন না থাকলেও দীর্ঘ ভ্রমণের আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে জড়িত।   বাস্তবতাও বলছে, যুক্তরাষ্ট্রের সব জায়গায় গাড়ির প্রয়োজন একরকম নয়। নিউইয়র্ক শহরের মতো এলাকায় গণপরিবহন তুলনামূলকভাবে সহজলভ্য। অন্যদিকে আটলান্টার মতো শহর ও শহরতলিতে গাড়ি অনেক পরিবারের দৈনন্দিন চলাচলের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।   নতুন অভিবাসীদের জন্য বিষয়টি আরও গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে আসার পর অনেক নারীকেই নতুন সড়কব্যবস্থা, ট্রাফিক নিয়ম, হাইওয়ে, পার্কিং এবং গাড়ি চালানোর বিভিন্ন নিয়মের সঙ্গে পরিচিত হতে হয়। শুরুতে ভয় বা আত্মবিশ্বাসের অভাব থাকাও স্বাভাবিক। কিন্তু ধীরে ধীরে প্রশিক্ষণ ও অনুশীলনের মাধ্যমে ড্রাইভিং শেখা সম্ভব।   ড্রাইভিং শেখার বিষয়টি তাই শুধু গাড়ি চালানো শেখার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। অনেক পরিবারের ক্ষেত্রে এটি সময় ব্যবস্থাপনা, সন্তানদের প্রয়োজন মেটানো এবং পরিবারের সদস্যদের মধ্যে দায়িত্ব ভাগ করে নেওয়ার সুযোগ তৈরি করতে পারে।   বিশেষ করে যেসব পরিবারে স্বামী কর্মজীবনে ব্যস্ত থাকেন, সেখানে স্ত্রী গাড়ি চালাতে পারলে প্রতিটি প্রয়োজনে স্বামীর ওপর নির্ভর করতে হয় না। সন্তানকে স্কুলে নেওয়া, ডাক্তার দেখানো, বাজার করা কিংবা জরুরি প্রয়োজনে কোথাও যাওয়া অনেক সহজ হয়ে যায়।   এখানে স্বামীদের ভূমিকাও গুরুত্বপূর্ণ। স্ত্রী গাড়ি চালান না বলে তাকে নিরুৎসাহিত করার পরিবর্তে ধৈর্য ধরে শেখার জন্য উৎসাহ দেওয়া যেতে পারে। প্রয়োজনে ড্রাইভিং স্কুলে ভর্তি করা, প্রশিক্ষকের ব্যবস্থা করা কিংবা নিরাপদ জায়গায় অনুশীলনের সুযোগ করে দেওয়া যেতে পারে।   তবে এর অর্থ এই নয় যে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী প্রত্যেক নারীকে অবশ্যই গাড়ি চালাতে হবে। যেসব এলাকায় গণপরিবহন সহজলভ্য, সেখানে গাড়ি ছাড়াও স্বাভাবিক জীবনযাপন সম্ভব। বিষয়টি মূলত ব্যক্তিগত প্রয়োজন, পারিবারিক পরিস্থিতি এবং বসবাসের এলাকার ওপর নির্ভর করে।   তবু গাড়িনির্ভর শহর ও শহরতলিতে বসবাসকারী বাংলাদেশি পরিবারগুলোর জন্য পরিবারের একাধিক প্রাপ্তবয়স্ক সদস্য গাড়ি চালাতে পারলে তা বাড়তি একটি সুবিধা তৈরি করে।   লাবনী সাঈদের কাছে ড্রাইভিং পরিবারকে সহযোগিতা করার উপায়, আয়শা জান্নাতের কাছে নতুন জীবনের স্বাধীনতা ও আনন্দের অনুভূতি, আর রুমিন ফারহানার কাছে এটি দীর্ঘ পথ ভ্রমণের একটি অপূর্ণ ইচ্ছা।   তিন নারীর তিন অভিজ্ঞতা শেষ পর্যন্ত একটি বিষয়ই সামনে আনে: যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসের বাস্তবতায় ড্রাইভিং অনেক নারীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি জীবনদক্ষতা হতে পারে। তাই যেসব বাংলাদেশি নারী এখনো গাড়ি চালানো শেখেননি এবং যাদের জন্য এর প্রয়োজন রয়েছে, তাদের শেখার সুযোগ ও আত্মবিশ্বাস তৈরি করা যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি পরিবারে স্বামীদের উৎসাহ ও সহযোগিতাও হতে পারে সেই পথের প্রথম বড় পদক্ষেপ।

নুরুল্লাহ সাইদ প্রকাশ: আগস্ট ৮, ২০২৬ ১৬:৩০
নিউইয়র্কের ব্রঙ্কসে বিস্ফোরণে ধসে যাওয়া ভবনের ধ্বংসস্তূপে মিলল তৃতীয় ম রদেহ

নিউইয়র্কের ব্রঙ্কসে বিস্ফোরণে ধসে যাওয়া ভবনের ধ্বংসস্তূপে মিলল তৃতীয় ম রদেহ

ক্যালিফোর্নিয়ায় ৪ ও ৭ বছরের শিশুর চালানো গাড়ির ধাক্কায় মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছেন বিউটি কুইন

ক্যালিফোর্নিয়ায় ৪ ও ৭ বছরের শিশুর চালানো গাড়ির ধাক্কায় মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছেন বিউটি কুইন

শিকাগোতে মৃতদেহ সংরক্ষণ কেন্দ্রে চরম অবহেলা, উদ্ধার ৫০টির বেশি পচনশীল মরদেহ

শিকাগোতে মৃতদেহ সংরক্ষণ কেন্দ্রে চরম অবহেলা, উদ্ধার ৫০টির বেশি পচনশীল মরদেহ

যুক্তরাষ্ট্রে অনুমোদন পেল মডার্নার যুগান্তকারী এমআরএনএ ফ্লু টিকা
যুক্তরাষ্ট্রে অনুমোদন পেল মডার্নার যুগান্তকারী এমআরএনএ ফ্লু টিকা

যুক্তরাষ্ট্রের ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফডিএ) দেশের প্রথম এমআরএনএ প্রযুক্তির ফ্লু ভ্যাকসিনের অনুমোদন দিয়েছে। বৃহস্পতিবার ভ্যাকসিনটির প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান মডার্না আনুষ্ঠানিকভাবে এই তথ্য জানিয়েছে। কোভিড-১৯ টিকায় ব্যবহৃত একই মেসেঞ্জার আরএনএ (mRNA) প্রযুক্তির ওপর ভিত্তি করে তৈরি এই ভ্যাকসিনটি ২০২৬-২০২৭ ফ্লু মৌসুমের আগেই ৫০ থেকে ৬৪ বছর বয়সী প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য পূর্ণ অনুমোদন পেয়েছে।   অন্যদিকে, ৬৫ বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সীদের জন্য ভ্যাকসিনটি ত্বরান্বিত বা 'অ্যাকসেলারেটেড' অনুমোদন পেয়েছে। এর ফলে প্রবীণদের ওপর এর কার্যকারিতা পুরোপুরি নিশ্চিত করতে মডার্না তাদের অতিরিক্ত গবেষণা চালিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি এটি মানুষের ওপর প্রয়োগও করতে পারবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এমআরএনএ প্রযুক্তির ভ্যাকসিনগুলো দ্রুত আপডেট করা সম্ভব, যা প্রতিনিয়ত রূপ পরিবর্তনশীল ফ্লু ভাইরাসের বিরুদ্ধে আরও কার্যকর প্রতিরোধ গড়তে সাহায্য করবে।   প্রায় ৪০ হাজার অংশগ্রহণকারীর ওপর পরিচালিত একটি ফেজ-৩ ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের ভিত্তিতে এই অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ট্রায়ালে দেখা গেছে, প্রচলিত ফ্লু ভ্যাকসিনের তুলনায় নতুন এই ভ্যাকসিনটি ফ্লু আক্রান্তের হার ২৭ শতাংশ পর্যন্ত কমাতে সক্ষম। মডার্না জানিয়েছে, ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে গুরুতর কোনো নিরাপত্তা ঝুঁকি পাওয়া যায়নি। তবে প্রচলিত ফ্লু শটের তুলনায় এই টিকায় কিছু স্বল্পমেয়াদী পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বেশি দেখা গেছে, যার মধ্যে রয়েছে হাতে ব্যথা, ক্লান্তি, মাথাব্যথা এবং জ্বর। যদিও এই পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াগুলো সাধারণত মৃদু এবং সাময়িক ছিল। ফক্স নিউজের সিনিয়র মেডিকেল অ্যানালিস্ট ডা. মার্ক সিগেল জানান, এটি কোনো সার্বজনীন ভ্যাকসিন নয়, বরং নির্দিষ্ট ফ্লু স্ট্রেন শনাক্ত হওয়ার পর দ্রুত উৎপাদনের লক্ষ্যেই এটি তৈরি করা হয়েছে এবং এটি মূলত বয়স্কদের সুরক্ষায় বিশেষ ভূমিকা রাখবে।   প্রবীণরা সাধারণত ফ্লুতে মারাত্মকভাবে আক্রান্ত হওয়ার সর্বোচ্চ ঝুঁকিতে থাকেন। সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (সিডিসি)-এর তথ্যমতে, ২০২৪-২০২৫ মৌসুমে যুক্তরাষ্ট্রে ফ্লু-জনিত কারণে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে ৫৭ শতাংশ এবং মারা যাওয়াদের মধ্যে ৭১ শতাংশেরই বয়স ছিল ৬৫ বা তার বেশি। ওই মৌসুমে আনুমানিক ৫ কোটি ১০ লাখ আমেরিকান ফ্লুতে আক্রান্ত হয়েছিলেন, যার মধ্যে ৭ লাখ ১০ হাজার মানুষ হাসপাতালে ভর্তি হন এবং ৪৫ হাজার মানুষ প্রাণ হারান।   এর আগে ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের ডিজাইনে ত্রুটির কারণ দেখিয়ে এফডিএ প্রথমে মডার্নার আবেদনটি পর্যালোচনা করতে অস্বীকৃতি জানালে এই নতুন এমআরএনএ ভ্যাকসিনটি বাধার মুখে পড়ে। তবে মডার্না এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানালে পরবর্তীতে এফডিএ পর্যালোচনা এগিয়ে নিতে সম্মত হয়। গত জুনে এফডিএ-এর একটি স্বাধীন উপদেষ্টা কমিটি একমত হয় যে, ভ্যাকসিনটির ঝুঁকির চেয়ে এর উপকারিতাই বেশি, যা শেষ পর্যন্ত এর চূড়ান্ত অনুমোদনের পথ প্রশস্ত করে। মডার্নার মতে, এই যুগান্তকারী অনুমোদন ভবিষ্যতে এমন সমন্বিত বা 'কম্বিনেশন' ভ্যাকসিনের পথ খুলে দেবে, যা একসাথে একাধিক শ্বাসতন্ত্রের ভাইরাস থেকে সুরক্ষা দিতে সক্ষম হবে। প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে ফ্লু এবং কোভিড-১৯-এর একটি সমন্বিত ভ্যাকসিন তৈরির কাজ চালিয়ে যাচ্ছে, যার মাধ্যমে মানুষ এক শটেই পুরো সিজনাল বা মৌসুমী সুরক্ষা পাবে।

ইসতিয়াক আহমেদ প্রকাশ: আগস্ট ৮, ২০২৬ ১৫:২২
লস অ্যাঞ্জেলেসে অবৈধ রাস্তা দখলকে ঘিরে আগুন, ভাঙচুর ও লুটপাট; ক্ষতি ৫০ হাজার ডলারের মালামাল

লস অ্যাঞ্জেলেসে অবৈধ রাস্তা দখলকে ঘিরে আগুন, ভাঙচুর ও লুটপাট; ক্ষতি ৫০ হাজার ডলারের মালামাল

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা থেকে ক্যারোলিনা পর্যন্ত ভারী বৃষ্টি ও আকস্মিক বন্যার শঙ্কা

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা থেকে ক্যারোলিনা পর্যন্ত ভারী বৃষ্টি ও আকস্মিক বন্যার শঙ্কা

ওয়াশিংটনে ৮৫ বছরের বৃদ্ধের ২ লাখ ডলারের স্বর্ণ হাতানোর চেষ্টায় গ্রেপ্তার দুই ভুয়া ফেডারেল এজেন্ট

ওয়াশিংটনে ৮৫ বছরের বৃদ্ধের ২ লাখ ডলারের স্বর্ণ হাতানোর চেষ্টায় গ্রেপ্তার দুই ভুয়া ফেডারেল এজেন্ট

মিশিগানে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য রক্ষায় প্রথম সেমিস্টারের ফলাফল প্রকাশ করবে না বিশ্ববিদ্যালয়
মিশিগানে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য রক্ষায় প্রথম সেমিস্টারের ফলাফল প্রকাশ করবে না বিশ্ববিদ্যালয়

মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয়ের (University of Michigan) কলেজ অফ লিটারেচার, সায়েন্স অ্যান্ড দ্য আর্টস (এলএসএ) শিক্ষার্থীদের ক্রমবর্ধমান 'মানসিক স্বাস্থ্য সংকট' মোকাবিলার লক্ষ্যে এক অভিনব সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই ফল সেমিস্টার থেকে ভর্তি হওয়া নতুন শিক্ষার্থীদের প্রথম সেমিস্টারের ফলাফল ট্রান্সক্রিপ্টে গোপন রাখা হবে। প্রচলিত লেটার গ্রেডের পরিবর্তে তাদের শুধুমাত্র 'পাস/নো ক্রেডিট' ভিত্তিতে মূল্যায়ন করার ঘোষণা দিয়েছে এই পাবলিক রিসার্চ বিশ্ববিদ্যালয়টি।   বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৯টি কলেজের মধ্যে সবচেয়ে বড় এই এলএসএ কলেজ জানিয়েছে, শিক্ষার্থীরা তাদের প্রাপ্ত গ্রেড ব্যক্তিগতভাবে জানতে পারবেন এবং অধ্যাপকদের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনাও পাবেন। তবে এই ফলাফল কোনোভাবেই তাদের সিজিপিএ-তে (CGPA) যুক্ত হবে না। ট্রান্সক্রিপ্টে কেবল উল্লেখ থাকবে যে, প্রথম সেমিস্টারের সব কোর্স স্বয়ংক্রিয়ভাবে 'পাস' বা 'নো ক্রেডিট' হিসেবে গণ্য হয়েছে। তবে একাডেমিক পুরস্কার, বৃত্তি, ইন্টার্নশিপ এবং অন্যান্য পেশাগত সুযোগের জন্য অভ্যন্তরীণভাবে তাদের প্রকৃত গ্রেড সংরক্ষণ করা হবে। দ্বিতীয় সেমিস্টার থেকে শিক্ষার্থীদের গ্রেড যথারীতি তাদের ট্রান্সক্রিপ্ট এবং জিপিএ-তে যুক্ত হওয়া শুরু করবে।   প্রায় ২০ হাজার শিক্ষার্থীর এই কলেজের কর্তৃপক্ষের মতে, গ্রেড গোপন রাখার এই উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের মানসিক সুস্থতা বজায় রাখতে এবং প্রতিযোগিতার বদলে নিজেদের মধ্যে সহযোগিতাপূর্ণ মনোভাব গড়ে তুলতে সাহায্য করবে। শিক্ষার্থীদের ওপর থেকে শুরুর দিকের চাপ কমাতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি (এমআইটি), ক্যালিফোর্নিয়া ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি, সোয়ার্থমোর কলেজ এবং ওয়েলেসলি কলেজের মতো স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানগুলোতেও আগে থেকেই অনুরূপ নীতি চালু রয়েছে।   তবে এই নীতির কঠোর সমালোচনা করেছেন অনেক বিশেষজ্ঞ। তাদের মতে, এর ফলে শিক্ষার্থীদের মাত্রাতিরিক্ত প্রশ্রয় দেওয়া হচ্ছে। 'থেরাপি নেশন'-এর লেখক ও সাইকোথেরাপিস্ট জোনাথন আলপার্ট দ্য পোস্ট-কে বলেন, "আমরা এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছি যেখানে সাধারণ মানসিক চাপকেও একটি বড় ধরনের মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা হিসেবে দেখা হচ্ছে। খারাপ গ্রেড পাওয়া হতাশাজনক বা বিব্রতকর হতে পারে, কিন্তু এটি কোনোভাবেই মানসিকভাবে ক্ষতিকর নয়।" তিনি আরও বলেন, "কলেজের উচিত শিক্ষার্থীদের বাস্তব জীবনের জন্য প্রস্তুত করা। কর্মক্ষেত্রে কোনো বস্ আপনার খারাপ পারফরম্যান্স গোপন রাখবেন না। তরুণদের বুঝতে হবে যে খারাপ লাগা মানেই ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া নয়।"

মিশিগান প্রতিনিধি প্রকাশ: আগস্ট ৮, ২০২৬ ১৩:৪৪
যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয়ে ছাত্রের সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগে গ্রেপ্তার নারী অ্যাথলেটিক ট্রেইনার

যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয়ে ছাত্রের সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগে গ্রেপ্তার নারী অ্যাথলেটিক ট্রেইনার

ট্রান্স-ক্যাস্পিয়ান বাণিজ্যপথে বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়াতে ২০১ মিলিয়ন ডলারের তহবিল চালুর ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের ২০১ মিলিয়ন ডলারের তহবিলে নতুন গতি পাচ্ছে এশিয়া-ইউরোপ বাণিজ্যপথ

নিউইয়র্কের ম্যানহাটনে ‘আফটার-আওয়ার্স ক্লাবে’ গোলাগুলি I ছবি: সংগৃহীত

নিউইয়র্কের ম্যানহাটনে ‘আফটার-আওয়ার্স ক্লাবে’ গোলাগুলি, গুলিবিদ্ধ এক যুবক

0 Comments