আমেরিকা

ইন্টারমিডিয়েট পাসের পর আইইএলটিএস-টোফেল ছাড়াই যুক্তরাষ্ট্রে পড়ার সুযোগ রয়েছে এমন ৫টি বিশ্ববিদ্যালয়

নুরুল্লাহ সাইদ প্রকাশ: আগস্ট ১৪, ২০২৬ ২২:৩০
আইইএলটিএস বা টোফেল ছাড়াই যুক্তরাষ্ট্রের কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ে কন্ডিশনাল অ্যাডমিশনের সুযোগ রয়েছে। ছবি: সংগৃহীত
আইইএলটিএস বা টোফেল ছাড়াই যুক্তরাষ্ট্রের কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ে কন্ডিশনাল অ্যাডমিশনের সুযোগ রয়েছে। ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশে এইচএসসি বা সমমানের পরীক্ষা শেষ করার পর যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষার পরিকল্পনা করছেন অনেক শিক্ষার্থী। আইইএলটিএস বা টোফেল স্কোর না থাকায় তাদের অনেকে মনে করেন, যুক্তরাষ্ট্রে পড়াশোনার আবেদন করা সম্ভব নয়। তবে কিছু মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয়ে এমন ইংলিশ ল্যাঙ্গুয়েজ বা কন্ডিশনাল অ্যাডমিশন প্রোগ্রাম রয়েছে, যেখানে আইইএলটিএস বা টোফেল স্কোর ছাড়াই শুরু করার সুযোগ রয়েছে। পরে নির্ধারিত ইংলিশ প্রোগ্রাম সফলভাবে শেষ করে আন্ডারগ্র্যাজুয়েট ডিগ্রি প্রোগ্রামে যাওয়া যায়। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ভেদে নিয়ম আলাদা এবং ভিসা কখনোই নিশ্চিত নয়।

 

জর্জিয়ার কেনেসো স্টেট ইউনিভার্সিটি: কেনেসো স্টেট ইউনিভার্সিটির ইনটেনসিভ ইংলিশ প্রোগ্রাম আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য একটি সম্ভাব্য পথ। বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, শিক্ষার্থীরা আইইএলটিএস বা টোফেল না দিয়েও ইনটেনসিভ ইংলিশ প্রোগ্রামে ভর্তি হতে পারেন। এফ-১ শিক্ষার্থীদের জন্য এই প্রোগ্রাম আই-২০ দেওয়ার অনুমোদনও রাখে। এই প্রোগ্রামের কয়েকটি স্তর সফলভাবে শেষ করলে নির্দিষ্ট শর্তে আন্ডারগ্র্যাজুয়েটে ভর্তি হওয়া যায়। 

 

ফ্লোরিডার ইউনিভার্সিটি অব সেন্ট্রাল ফ্লোরিডা: অরল্যান্ডোর ইউনিভার্সিটি অব সেন্ট্রাল ফ্লোরিডার ইনটেনসিভ ইংলিশ প্রোগ্রামে হাইস্কুল গ্র্যাজুয়েটরা আবেদন করতে পারেন। বিশ্ববিদ্যালয় নিজস্ব ইংলিশ লেভেল টেস্টের মাধ্যমে শিক্ষার্থীর দক্ষতা নির্ধারণ করে। প্রোগ্রামের লেভেল ৮ সফলভাবে শেষ করলে ইউসিএফে ডিগ্রি প্রোগ্রামে ভর্তির জন্য আইইএলটিএস, টোফেল বা ডুয়োলিঙ্গো পরীক্ষার স্কোর আর প্রয়োজন হয় না। এফ-১ শিক্ষার্থীদের জন্য আই-২০ পাওয়ার ব্যবস্থাও রয়েছে। 

 

টেক্সাসের ইউনিভার্সিটি অব নর্থ টেক্সাস: ডেন্টনের ইউনিভার্সিটি অব নর্থ টেক্সাসের ইনটেনসিভ ইংলিশ ল্যাঙ্গুয়েজ ইনস্টিটিউটে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরা ইংরেজি দক্ষতা উন্নত করতে পারেন। নতুন শিক্ষার্থীদের নিজস্ব প্লেসমেন্ট পরীক্ষা দিতে হয় এবং সেই ফল অনুযায়ী ইংলিশের স্তর নির্ধারণ করা হয়। লেভেল ৬ সফলভাবে শেষ করলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি দক্ষতার শর্ত পূরণ করা যায়। কন্ডিশনাল অ্যাডমিশনের মাধ্যমে আন্ডারগ্র্যাজুয়েট পড়াশোনার পথও রয়েছে। 

 

পেনসিলভানিয়ার টেম্পল ইউনিভার্সিটি: ফিলাডেলফিয়ার টেম্পল ইউনিভার্সিটিতে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য ইনটেনসিভ ইংলিশ ও কন্ডিশনাল অ্যাডমিশন প্রোগ্রাম রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, একাডেমিকভাবে যোগ্য শিক্ষার্থীরা কোনো ইংলিশ টেস্ট স্কোর জমা না দিয়েও প্রভিশনাল অ্যাডমিশনের সুযোগ পেতে পারেন এবং পরে ইনটেনসিভ ইংলিশ প্রোগ্রামের মাধ্যমে ডিগ্রি প্রোগ্রামে যাওয়ার পথ তৈরি করতে পারেন। হাইস্কুল শেষ করা শিক্ষার্থীরাও ইংলিশ ল্যাঙ্গুয়েজ প্রোগ্রামে আবেদন করতে পারেন। পূর্ণকালীন প্রোগ্রামে পড়ার জন্য এফ-১ ভিসা এবং আই-২০ প্রয়োজন। 

 

আলাবামার ইউনিভার্সিটি অব আলাবামা: ইউনিভার্সিটি অব আলাবামায় একাডেমিক যোগ্যতা পূরণ করলেও ইংরেজি দক্ষতার নির্ধারিত শর্ত পূরণ না করা আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য কন্ডিশনাল অ্যাডমিশনের সুযোগ রয়েছে। এসব শিক্ষার্থী প্রথমে ইংলিশ ল্যাঙ্গুয়েজ ইনস্টিটিউটে পড়াশোনা করেন। ইংরেজি দক্ষতার শর্ত পূরণ করার পর ডিগ্রি প্রোগ্রামে যাওয়া যায়। বিশ্ববিদ্যালয় স্পষ্টভাবে বলছে, কন্ডিশনাল অ্যাডমিশনের ক্ষেত্রে আবেদনের সময় ইংরেজি দক্ষতার প্রমাণ জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক নয়। 

 

তবে আইইএলটিএস বা টোফেল না থাকলেও শিক্ষার্থীর ইংরেজিতে অন্তত ভিসা ইন্টারভিউ দেওয়ার মতো প্রস্তুতি থাকা গুরুত্বপূর্ণ। ভিসা অফিসার শিক্ষার্থীর পড়াশোনার উদ্দেশ্য, নির্বাচিত প্রোগ্রাম, শিক্ষার খরচ বহনের সক্ষমতা এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে জানতে পারেন। তাই শুধু বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আই-২০ পেলেই স্টুডেন্ট ভিসা নিশ্চিত হয় না।

 

এ ধরনের প্রোগ্রামে আবেদন করতে সাধারণত একাডেমিক কাগজপত্র, পাসপোর্ট এবং আর্থিক সামর্থ্যের প্রমাণ দিতে হয়। এফ-১ ভিসার জন্য আই-২০ পাওয়ার পর সেভিস ফি, ভিসা আবেদন এবং ইন্টারভিউয়ের ধাপ সম্পন্ন করতে হয়। শিক্ষার্থীর একাডেমিক প্রোফাইল, আর্থিক সক্ষমতা এবং যুক্তরাষ্ট্রে পড়াশোনার উদ্দেশ্য পরিষ্কার ও বিশ্বাসযোগ্য হওয়াও গুরুত্বপূর্ণ।

 

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, “আইইএলটিএস-টোফেল ছাড়াই” মানে ইংরেজি দক্ষতার কোনো যাচাই ছাড়াই যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়া নয়। এসব বিশ্ববিদ্যালয় নিজস্ব প্লেসমেন্ট পরীক্ষা, ইংলিশ প্রোগ্রাম বা কন্ডিশনাল অ্যাডমিশনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীর ভাষাগত প্রস্তুতি যাচাই করতে পারে। তাই সদ্য এইচএসসি পরীক্ষা শেষ করা শিক্ষার্থীরা আবেদন করার আগে সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বশেষ ভর্তি ও আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী সংক্রান্ত নিয়ম যাচাই করে নেওয়াই নিরাপদ।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

আমেরিকা

View more
জন্ম থেকে ঘনিষ্ঠ তিন বোনের মধ্যে ভূমিকম্পের পর বেঁচে রইলেন শুধু আনিয়া মারিয়া। ছবি: সংগৃহীত
একসঙ্গে জন্ম, একসঙ্গে বেড়ে ওঠা: কলম্বিয়ার ভূমিকম্পে তিন বোনের মধ্যে বেঁচে রইলেন শুধু একজন, হারালেন বাবা-মাকেও

কলম্বিয়ার কালি শহরে শক্তিশালী ভূমিকম্পে একই পরিবারের পাঁচ সদস্য নিহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ছিলেন তিন বোনের দুইজন, যারা জন্ম থেকেই একসঙ্গে বড় হয়েছেন, একই বিষয়ে পড়াশোনা করেছেন এবং একসঙ্গে বিদেশেও ভ্রমণ করেছেন। মর্মান্তিক এই ঘটনায় তিন বোনের মধ্যে এখন বেঁচে আছেন শুধু ২৩ বছর বয়সী আনিয়া মারিয়া।   ১৪ আগস্ট প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৭ দশমিক ৪ মাত্রার ভূমিকম্পে কালি শহরের একটি ভবন ধসে পড়লে ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়েন আনিয়া মারিয়া, তার তিনজনের মধ্যে দুই বোন সোফিয়া ও ইসাবেলা এবং তাদের বাবা-মা হাইরো হার্নান সাভেদ্রা ও ভিক্টোরিয়া কাইসেদো। পরিবারের আরেক সদস্যও এই ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন।   উদ্ধারকারীরা ধ্বংসস্তূপে তল্লাশি চালিয়ে প্রথমে আনিয়া মারিয়ার বাবা-মাকে খুঁজে পান। পরে তার বোন সোফিয়ার সন্ধান মেলে। সর্বশেষ ইসাবেলাকে খুঁজে পাওয়া গেলেও তখন তিনি আর বেঁচে ছিলেন না। ১৩ আগস্ট রাতে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয় বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।   আনিয়া মারিয়া ধ্বংসস্তূপ থেকে জীবিত উদ্ধার হন। তার শ্রোণিতে একাধিক হাড় ভেঙেছে এবং দুই হাতেও আঘাত রয়েছে। পরে তার অস্ত্রোপচার করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি কালি শহরের ইমবানাকো ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। স্বজন ও বন্ধুরা হাসপাতালে তার পাশে রয়েছেন।   তিন বোনের সম্পর্ক ছিল অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ। ছোটবেলা থেকেই তারা একসঙ্গে বেড়ে উঠেছেন। একই বিষয়ে পড়াশোনা করেছেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়জীবনের একটি সময় ফ্রান্সেও কাটিয়েছেন। বন্ধু ও স্বজনদের কাছে তারা ছিলেন সব সময় একসঙ্গে থাকা তিন বোন।   এই দুর্ঘটনার আগে তাদের জীবন ছিল অনেকটাই পরস্পরকে ঘিরে। একসঙ্গে পড়াশোনা, ঘোরাঘুরি এবং পারিবারিক সময় কাটানো ছিল তাদের জীবনের নিয়মিত অংশ। কয়েকদিনের ব্যবধানে সেই পরিবারের চিত্র পুরোপুরি বদলে গেছে।   কলম্বিয়ার এই ভূমিকম্পে কালি শহর সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর একটি। সাম্প্রতিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভূমিকম্পে অন্তত ২৮১ জন নিহত, প্রায় ৩ হাজার ৮০০ জন আহত এবং শত শত মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। উদ্ধারকাজ চলার পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত ভবনগুলোতে নতুন করে ধসের আশঙ্কায় সতর্কতা জারি রয়েছে।   ভূমিকম্পের পর উদ্ধারকারী দলগুলো ধ্বংসস্তূপে আটকে থাকা মানুষদের সন্ধানে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকরাও উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রমে অংশ নিচ্ছেন।   আনিয়া মারিয়ার পরিবারের এই ঘটনা ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত বহু পরিবারের ব্যক্তিগত শোকের একটি চিত্র তুলে ধরেছে। যে তিন বোন জন্ম থেকে একসঙ্গে ছিলেন, তাদের মধ্যে এখন একজনই বেঁচে আছেন। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আনিয়া মারিয়াকে ঘিরে এখন তার স্বজন ও বন্ধুরাই হয়ে উঠেছেন প্রধান ভরসা।   সূত্র: ইউওএল, দ্য সান।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: আগস্ট ১৪, ২০২৬ ২৩:১০
চিফ ওয়ারেন্ট অফিসার-২ ডিওন্ট্রে টি. হুই ও ওয়ারেন্ট অফিসার শেথ এল. ওলমস্টেড । ছবি: সংগৃহীত

টেক্সাসে অ্যাপাচি হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, প্রাণ গেল দুই মার্কিন সেনা পাইলটের

আইইএলটিএস বা টোফেল ছাড়াই যুক্তরাষ্ট্রের কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ে কন্ডিশনাল অ্যাডমিশনের সুযোগ রয়েছে। ছবি: সংগৃহীত

ইন্টারমিডিয়েট পাসের পর আইইএলটিএস-টোফেল ছাড়াই যুক্তরাষ্ট্রে পড়ার সুযোগ রয়েছে এমন ৫টি বিশ্ববিদ্যালয়

নির্দিষ্ট কোডযুক্ত ডিম না খাওয়ার এবং দোকানে ফেরত দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে এফডিএ। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রে বাজার থেকে সরিয়ে নেওয়া হলো ১৫ লাখের বেশি ডিম, না খাওয়ার কড়া নির্দেশ দিল এফডিএ

টিকাদানের হার কমে যাওয়াকে হামের প্রাদুর্ভাব বৃদ্ধির অন্যতম কারণ মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রের ৪৬ অঙ্গরাজ্যে ছড়িয়েছে হাম, ৩০ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ সংক্রমণ

যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে আবারও দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে অত্যন্ত সংক্রামক রোগ হাম (মিজলস)। দেশটির রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্র (সিডিসি) জানিয়েছে, চলতি বছর এখন পর্যন্ত ২ হাজার ৫৬৬ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। গত তিন দশকেরও বেশি সময়ের মধ্যে এটিই সর্বোচ্চ সংক্রমণের ঘটনা বলে উল্লেখ করেছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।   সিডিসির ১৩ আগস্ট পর্যন্ত হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, এ বছর দেশজুড়ে ৩৮টি পৃথক প্রাদুর্ভাব (আউটব্রেক) শনাক্ত হয়েছে। মোট আক্রান্তের ৯৪ শতাংশই এসব চলমান প্রাদুর্ভাবের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। আক্রান্তদের মধ্যে ২ হাজার ৫৫০ জন যুক্তরাষ্ট্রের বাসিন্দা এবং ১৬ জন আন্তর্জাতিক ভ্রমণকারী।   বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের ৪৬টি অঙ্গরাজ্য ও ডিস্ট্রিক্ট অব কলাম্বিয়াসহ মোট ৪৭টি প্রশাসনিক এলাকায় হামের সংক্রমণ ধরা পড়েছে। সর্বশেষ উইসকনসিনেও নতুন আক্রান্তের খবর পাওয়া গেছে, যা স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের উদ্বেগ আরও বাড়িয়েছে।   জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, হামের বিস্তারের অন্যতম কারণ শিশুদের মধ্যে এমএমআর (হাম, মাম্পস ও রুবেলা) টিকার হার কমে যাওয়া। একটি এলাকায় হার্ড ইমিউনিটি বা সামষ্টিক রোগ প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সাধারণত অন্তত ৯৫ শতাংশ শিশুর টিকাপ্রাপ্ত হওয়া প্রয়োজন। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের অনেক এলাকায় সেই হার এখন এর নিচে নেমে গেছে।   উইসকনসিন অঙ্গরাজ্যের টিকাদান নিবন্ধন তথ্য অনুযায়ী, ২৪ মাস বয়সী শিশুদের মধ্যে এমএমআর টিকার কভারেজ ২০১৯ সালের ৮৪ দশমিক ৯ শতাংশ থেকে ২০২৫ সালে কমে ৭৯ দশমিক ৮ শতাংশে নেমে এসেছে। একই সময়ে ছয় বছর বয়সী শিশুদের টিকাদানের হারও ৮১ দশমিক ৬ শতাংশ থেকে কমে ৭৫ দশমিক ৩ শতাংশ হয়েছে। ক্লার্ক, মনরো, ভার্নন ও ক্রফোর্ড কাউন্টির মতো কিছু এলাকায় এই হার ৭০ শতাংশেরও নিচে নেমেছে।   সিডিসির তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের হামে আক্রান্তদের ৯৩ শতাংশই টিকা নেননি অথবা তাদের টিকাদানের তথ্য নিশ্চিত করা যায়নি। স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা বলছেন, কম টিকাদানের এলাকাগুলোতেই পারিবারিক ও কমিউনিটি পর্যায়ে সংক্রমণ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে।   এদিকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন শিশুদের টিকাদান কর্মসূচিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে। নতুন নির্বাহী আদেশে দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহৃত সম্মিলিত এমএমআর টিকাকে ভবিষ্যতে তিনটি পৃথক টিকায় বিভক্ত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, যদি দেশীয় উৎপাদন সম্ভব হয়। পাশাপাশি শিশুদের বিভিন্ন টিকা একসঙ্গে না দিয়ে আলাদা আলাদা সময়ে দেওয়ার সুপারিশও করা হয়েছে। তবে এই সিদ্ধান্ত নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও শিশু চিকিৎসকেরা।   কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিশু ও কিশোরস্বাস্থ্য বিভাগের প্রধান ডা. মেলিসা স্টকওয়েল নিউজউইককে বলেন, এমএমআর টিকাকে আলাদা করে দিলে পরিবারের ওপর অপ্রয়োজনীয় চাপ বাড়বে। এতে শিশুদের নির্ধারিত সময়ে সব ডোজ সম্পন্ন না হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হবে এবং তারা দীর্ঘ সময় সুরক্ষার বাইরে থাকবে। তিনি বলেন, হাম নিউমোনিয়া, মস্তিষ্কে প্রদাহসহ গুরুতর জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে।   'মিজলস কোলাবোরেটিভ'-এর নির্বাহী পরিচালক ডা. প্যাটসি স্টিঞ্চফিল্ড বলেন, ১৯৭১ সাল থেকে সম্মিলিত এমএমআর টিকা নিরাপদভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। দুই ডোজ টিকা নেওয়া ৯৯ শতাংশের বেশি মানুষের শরীরে কার্যকর রোগ প্রতিরোধক্ষমতা তৈরি হয়। তার ভাষায়, "এমএমআর টিকাকে আলাদা করার এই সুপারিশের পক্ষে বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই।"   লুইজিয়ানার রিপাবলিকান সিনেটর ও চিকিৎসক বিল ক্যাসিডিও এই পরিকল্পনার সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেন, টিকাদান নীতিতে এ ধরনের পরিবর্তন টিকা নিয়ে দ্বিধা আরও বাড়াতে পারে এবং শিশুদের অপ্রয়োজনীয় ঝুঁকিতে ফেলতে পারে।   বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে হাম, মাম্পস ও রুবেলার পৃথক টিকা বাজারে সহজলভ্য নয়। টিকা প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর পক্ষ থেকেও আলাদা টিকা উৎপাদনের কোনো ঘোষণা আসেনি। ফলে সিডিসি এখনো তাদের বিদ্যমান নির্দেশনা বহাল রেখেছে। সংস্থাটি ১২ থেকে ১৫ মাস এবং ৪ থেকে ৬ বছর বয়সে দুটি ডোজ সম্মিলিত এমএমআর টিকা নেওয়ার পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছে।   উইসকনসিনসহ বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের স্বাস্থ্য বিভাগও অভিভাবকদের বর্তমান সিডিসি নির্দেশনা অনুসরণ করার আহ্বান জানিয়েছে। কর্মকর্তাদের মতে, চলমান সংক্রমণের মধ্যে সময়মতো টিকা নেওয়াই হাম প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর উপায়।   সূত্র: সিডিসি, নিউজউইক।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: আগস্ট ১৪, ২০২৬ ২১:৪৪
উচ্চ সুদের হার ও বাড়ির দাম আবাসন বাজারে নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রে বাড়ি বিক্রির সবচেয়ে খারাপ সময় এখন? নতুন প্রতিবেদনে যা জানা গেল

যুক্তরাষ্ট্রে সরকারি চাকরির আবেদন প্রক্রিয়া বুঝে প্রস্তুতি নিলে বাড়তে পারে সফলতার সম্ভাবনা। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রে সিটি জবসহ সরকারি চাকরি কীভাবে পাবেন, কোথায় আবেদন করবেন এবং কী কী সুবিধা রয়েছে

সন্দেহভাজন ৩৯ বছর বয়সী বন্দুকধারী চাদ হিকম্যান, যার মৃতদেহ পরবর্তীতে উদ্ধার করে পুলিশ। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগানে বন্দুকধারীর এলোপাতাড়ি গুলিতে নিহত ৫, পরে হামলাকারীরও লাশ উদ্ধার

ফ্লোরিডায় ক্যানসারে আক্রান্ত স্ত্রীর আকুতি, আইসিইর হেফাজত থেকে স্বামীকে ফেরত চান তিনি
ফ্লোরিডায় ক্যানসারে আক্রান্ত স্ত্রীর আকুতি, আইসিইর হেফাজত থেকে স্বামীকে ফেরত চান তিনি

যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ফ্লোরিডায় স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত এক মার্কিন নারী তার ভেনিজুয়েলান স্বামীর মুক্তির জন্য আকুল আবেদন জানিয়েছেন। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই) তার স্বামীকে আটক করে। কোর্টনি ওয়াল্টার নামের ওই নারী জানান, গত ৩ আগস্ট কোকোনাট ক্রিকের কাছে তার স্বামী ৩৬ বছর বয়সী হোর্হে লুইস এলিয়েসার রুইজকে আটক করেন ইমিগ্রেশন এজেন্টরা।   আটকের পর কাছাকাছি একটি পার্কিং লট থেকে রুইজ ফোন করে স্ত্রীকে তার আইসিই হেফাজতে যাওয়ার আকস্মিক খবরটি জানান। কোর্টনি জানান, স্বামীর এই অপ্রত্যাশিত আটকের ঘটনা তার ক্যানসারের সঙ্গে লড়াইকে আরও কঠিন করে তুলেছে। তীব্র মানসিক চাপের কারণে তিনি ঠিকমতো খেতে পারছেন না এবং তার ওজনও আশঙ্কাজনকভাবে কমে যাচ্ছে।   জানা গেছে, আটকের পর মিরামারের একটি ইমিগ্রেশন প্রসেসিং সেন্টারে নয় দিন কাটানোর পর, বর্তমানে রুইজকে পম্পানো বিচের ব্রোওয়ার্ড ট্রানজিশনাল সেন্টারে বন্দি রাখা হয়েছে। ২০২৫ সালে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হওয়া এই দম্পতি মূলত রুইজের বৈধ স্থায়ী বসবাসের অনুমতির জন্য চেষ্টা করছিলেন। কোর্টনির ভাষ্যমতে, তারা গত বছরের সেপ্টেম্বরে আই-১৩০ পিটিশন জমা দিয়েছিলেন, যা এখনো সরকারের বিবেচনাধীন রয়েছে।   তবে আইসিই-এর বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ব্রোওয়ার্ড কাউন্টিতে একটি নিয়মিত অভিযানের সময় রুইজকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং ওই সময় তিনি যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধভাবে অবস্থানের কথা স্বীকার করেন। সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, ২০০৭ সালের এপ্রিলে রুইজ যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেছিলেন এবং ২০১২ সালের নভেম্বরে একজন ইমিগ্রেশন বিচারক তাকে দেশত্যাগের নির্দেশ দিয়েছিলেন।   বর্তমানে তাকে দেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া চলাকালীন হেফাজতে রাখা হয়েছে। রুইজের আইনজীবী ডেভিড এস্ট্রেলা আইসিই-এর এমন বিবৃতির কড়া সমালোচনা করে বলেন, এতে একজন মার্কিন নাগরিকের সঙ্গে রুইজের বিয়ের বিষয়টি সম্পূর্ণ এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে। তিনি জানান, আই-১৩০ পিটিশন স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাউকে নির্বাসন থেকে রক্ষা না করলেও, রুইজের ক্ষেত্রে একটি আইনি স্থগিতাদেশ রয়েছে যা তাকে এই মুহূর্তে ভেনিজুয়েলায় ফেরত পাঠানোর পথে বাধা।   এস্ট্রেলা বর্তমানে একটি হেবিয়াস কর্পাস পিটিশন নিয়ে কাজ করছেন, যাতে রুইজকে মুক্তি দিয়ে তার অভিবাসন মামলাটি স্বাভাবিকভাবে চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়। আগামী সোমবার, ১৭ আগস্টের মধ্যেই কেন্দ্রীয় সরকার এই পিটিশনের জবাব দেবে বলে আশা করা হচ্ছে। কোর্টনি এখন কেবল তার স্বামীকে ফিরে পাওয়ার আশায় প্রহর গুনছেন, যাতে তারা একসঙ্গে থেকে স্থায়ী বসবাসের এই আইনি লড়াইটা চালিয়ে যেতে পারেন।

ফ্লোরিডা প্রতিনিধি প্রকাশ: আগস্ট ১৪, ২০২৬ ১৯:৫৩
ক্যালিফোর্নিয়ায় ৩১ বছর বয়সেই ৭০ মিলিয়ন ডলারের রাজপ্রাসাদ কিনলেন এআই বিজ্ঞানী টনি

ক্যালিফোর্নিয়ায় ৩১ বছর বয়সেই ৭০ মিলিয়ন ডলারের রাজপ্রাসাদ কিনলেন এআই বিজ্ঞানী টনি

যুক্তরাষ্ট্রে মেডিকেইডের ‘এস্টেট রিকভারি’ নীতিতে বিপাকে মার্কিন পরিবারগুলো, ঝুঁকিতে উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া বাড়ি

যুক্তরাষ্ট্রে মেডিকেইডের ‘এস্টেট রিকভারি’ নীতিতে বিপাকে মার্কিন পরিবারগুলো, ঝুঁকিতে উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া বাড়ি

যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটসে সারাজীবনের সঞ্চয়ে গড়া স্বপ্নের বাড়ি, এক মাস পরই ভাঙার নোটিশ পেলেন দম্পতি

যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটসে সারাজীবনের সঞ্চয়ে গড়া স্বপ্নের বাড়ি, এক মাস পরই ভাঙার নোটিশ পেলেন দম্পতি

0 Comments