সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার
আমেরিকা

৮ বছর বয়স থেকে ৭৫ বছরের দাম্পত্য! স্বামীর মৃত্যুর ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই স্ত্রীরও বিদায়

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬ ১:১২
স্বামীর মৃত্যুর ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই স্ত্রীরও বিদায়
স্বামীর মৃত্যুর ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই স্ত্রীরও বিদায়

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার সান দিয়েগোর দম্পতি জিনেট ও আলেকজান্ডার টকজকো প্রায় ৭৫ বছর সংসার করার পর ২০১৫ সালের জুনে একে অপরের খুব কাছেই জীবনের শেষ সময় কাটান। আলেকজান্ডার ১৭ জুন স্ত্রীর কোলে মারা যাওয়ার পর ২৪ ঘণ্টারও কম সময়ের মধ্যে জিনেটও মারা যান। তাদের জীবনের শেষ অধ্যায়টি পূর্ণ হয়েছিল বহু বছর আগে সন্তানদের কাছে বলা একটি ইচ্ছায়, শেষ সময়টুকুও যেন তারা একসঙ্গে থাকতে পারেন।

 

জিনেট ও আলেকজান্ডার দুজনেরই জন্ম ১৯১৯ সালে কানেকটিকাটের স্ট্যামফোর্ডে। তাদের বাবা-মা ছিলেন পোল্যান্ড থেকে যুক্তরাষ্ট্রে আসা অভিবাসী। মাত্র আট বছর বয়সে তাদের পরিচয় হয়। শৈশবের সেই সম্পর্কই পরে গভীর ভালোবাসায় রূপ নেয়। ১৯৪০ সালে তারা বিয়ে করেন এবং পরবর্তী সাত দশকের বেশি সময় একসঙ্গে কাটান।

 

বিয়ের পর আলেকজান্ডার দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্রের নেভিতে দায়িত্ব পালন করেন। পরে বিজ্ঞাপন ও ফ্যাশন ফটোগ্রাফির ব্যবসায় যুক্ত হন। সান দিয়েগোতে নিজেদের প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার পর জিনেটও তার সঙ্গে কাজ করেন এবং প্রতিষ্ঠানের প্রধান স্টাইলিস্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তাদের পাঁচ সন্তান, ১০ নাতি-নাতনি এবং ছয় প্রপৌত্র-প্রপৌত্রী ছিল।

 

জীবনের শেষ সময়ে এসে দুজনেরই শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে। ২০১৫ সালের মে মাসে পড়ে গিয়ে আলেকজান্ডারের কোমরের হাড় ভেঙে যায়। এরপর তার শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি হয়। পরিবার বুঝতে পারে, সময় খুব বেশি নেই। তখন হসপিস কেয়ার তাদের বাড়িতেই ব্যবস্থা করা হয়। আলেকজান্ডারের জন্য একটি বিছানা এনে সেটি জিনেটের বিছানার পাশে রাখা হয়, যাতে তারা শেষ সময়েও পাশাপাশি থাকতে পারেন।

 

তাদের ৭৫তম বিবাহবার্ষিকী ছিল ২৯ জুন। কিন্তু আলেকজান্ডারের অবস্থা দ্রুত খারাপ হওয়ায় পরিবার আগেই ছোট করে সেই দিনটি উদযাপন করে। ঘরে আনা হয় ফুল ও বেলুন। পরিবারের সদস্যরা তাদের বিবাহের ৭৫ বছর পূর্তি উদযাপন করেন, যখন আলেকজান্ডার জীবনের শেষ সময় পার করছিলেন।

 

১৭ জুন আলেকজান্ডার স্ত্রীর কোলে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। পরিবারের সদস্য অ্যাইমি টকজকো-কুশম্যান পরে জানান, মাকে স্বামীর মৃত্যুর কথা বলার পর জিনেট তাকে জড়িয়ে ধরে বলেন, তিনি তাকে ভালোবাসেন এবং অপেক্ষা করতে, তিনি শিগগিরই তার কাছে আসবেন।

 

এরপর জিনেটকে কিছু সময় স্বামীর পাশে থাকতে দেওয়া হয়। পরদিন, ১৮ জুন, আলেকজান্ডারের মৃত্যুর ২৪ ঘণ্টারও কম সময়ের মধ্যে ৯৬ বছর বয়সী জিনেটও মারা যান। পরিবারের কাছে এটি ছিল তাদের দীর্ঘ জীবনের ভালোবাসা ও একসঙ্গে থাকার শেষ প্রতিশ্রুতির এক আবেগঘন পরিণতি।

 

আলেকজান্ডারের মৃত্যুর পর জিনেটের বলা শেষ কথাগুলোই পরে এই দম্পতির গল্পের সবচেয়ে আলোচিত অংশ হয়ে ওঠে। সন্তানদের বর্ণনা অনুযায়ী, সারাজীবন একসঙ্গে থাকা এই দুজন জীবনের শেষ মুহূর্তেও আলাদা থাকতে চাননি। তাদের শেষ ইচ্ছা ছিল নিজেদের ঘরে, একে অপরের হাত ধরে এবং কাছাকাছি থেকে বিদায় নেওয়া।

 

২০১৫ সালের ২৯ জুন তাদের যৌথভাবে দাফন করা হয়। একই দিনে তাদের ৭৫তম বিবাহবার্ষিকীও ছিল। জীবনের শুরুতে আট বছর বয়সে যে সম্পর্কের সূচনা হয়েছিল, সাত দশকের বেশি সময় পর সেই সম্পর্কের শেষ অধ্যায়ও তারা প্রায় একই সময়ে পাশাপাশি থেকেই শেষ করেন।


© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

আমেরিকা

View more
ইসলামই দিয়েছেন সেই শান্তি, স্বস্তি ও বরকত যা সবসময় খুঁজেছি
ইসলাম গ্রহণের পর অ্যাম্বার বললেন, ইসলামই দিয়েছেন সেই শান্তি, স্বস্তি ও বরকত যা সবসময় খুঁজেছি

যুক্তরাষ্ট্রের পেশাদার মিক্সড মার্শাল আর্টস ফাইটার অ্যাম্বার লেইব্রক ২০২৩ সালের জুলাইয়ে ইসলাম গ্রহণ করেন। ক্যালিফোর্নিয়ার প্লেজান্টনে মুসলিম কমিউনিটি সেন্টার ইস্ট বে-তে ২১ জুলাই তিনি শাহাদাহ পাঠ করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ওই মুসলিম কমিউনিটি সেন্টার। এরপর থেকে তাকে নিয়মিত জুমার নামাজে অংশ নিতে দেখা গেছে।   অ্যাম্বার লেইব্রক ইস্ট বে এলাকায় বেড়ে ওঠেন এবং পেশাদার এমএমএ প্রতিযোগিতায় অংশ নেন। তিনি বেলাটর এমএমএ ও প্রফেশনাল ফাইটার্স লিগে প্রতিযোগিতা করেছেন। মুসলিম কমিউনিটি সেন্টার ইস্ট বের তথ্য অনুযায়ী, লারিসা পাচেকোর সঙ্গে একটি লড়াইয়ের পর তিনি কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছিলেন। এ সময় তার প্রশিক্ষক ও মুসলিম কমিউনিটির সদস্য মুজিব হামিদ তাকে ইসলামের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন।   এরপর ইসলাম সম্পর্কে জানার আগ্রহ তৈরি হয় অ্যাম্বারের মধ্যে। ২০২৩ সালের ২১ জুলাই তিনি মুসলিম কমিউনিটি সেন্টার ইস্ট বেতে শাহাদাহ পাঠ করেন। পরে নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইসলাম গ্রহণের কথা প্রকাশ করেন তিনি। সমসাময়িক সংবাদ প্রতিবেদনেও তার ইসলাম গ্রহণের বিষয়টি উঠে আসে।   ইসলাম গ্রহণের পর নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে অ্যাম্বার জানান, জীবনের বিভিন্ন অভিজ্ঞতা তাকে আল্লাহর আরও কাছে নিয়ে গেছে এবং নিজের দ্বীন খুঁজে পেতে সাহায্য করেছে। তিনি আরও জানান, জীবনের ঘটনাগুলোকে নতুনভাবে দেখার পাশাপাশি মানুষের সঙ্গে তার সম্পর্ক এবং নিজের প্রতি তার দৃষ্টিভঙ্গিতেও পরিবর্তন এসেছে।   মুসলিম কমিউনিটি সেন্টার ইস্টের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ইসলাম গ্রহণের পর অ্যাম্বার নিয়মিত জুমার নামাজে অংশ নিতে শুরু করেন। কেন্দ্রটির বিভিন্ন কার্যক্রমেও পরে তাকে যুক্ত হতে দেখা যায়। নারীদের আত্মরক্ষা ও বক্সিং প্রশিক্ষণসংক্রান্ত কয়েকটি অনুষ্ঠানে তিনি প্রশিক্ষক হিসেবেও অংশ নিয়েছেন।   নিজের আধ্যাত্মিক যাত্রা নিয়ে অ্যাম্বার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আরও লিখেছিলেন, জীবনের সবকিছু নিজের নির্ধারিত সময়ে ঘটবে এমন নয়, বরং আল্লাহর নির্ধারিত সময়ের ওপর তিনি বিশ্বাস রাখতে শিখেছেন। তার এই বক্তব্য ইসলাম গ্রহণের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা হিসেবে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়।   তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তার নামে বিভিন্ন দীর্ঘ বক্তব্যের সবগুলো হুবহু উদ্ধৃতি হিসেবে নিশ্চিত করা যায় না। তাই তার ইসলাম গ্রহণ, শাহাদাহ পাঠ এবং পরবর্তী কর্মকাণ্ডের বিষয়ে মুসলিম কমিউনিটি সেন্টার ইস্টের নিশ্চিত তথ্য ও সমসাময়িক সংবাদ প্রতিবেদনকেই নির্ভরযোগ্য ভিত্তি হিসেবে ধরা হচ্ছে।   ইসলাম গ্রহণের পরও অ্যাম্বার তার পেশাগত পরিচয় ধরে রেখেছেন। ক্রীড়া ও ব্যক্তিগত জীবনের পাশাপাশি নতুন ধর্মীয় পরিচয়কে ঘিরে তার অভিজ্ঞতা যুক্তরাষ্ট্রের মুসলিম কমিউনিটিতেও আলোচনায় এসেছে। মুসলিম কমিউনিটি সেন্টার ইস্টে তার নিয়মিত অংশগ্রহণ এবং বিভিন্ন সামাজিক ও প্রশিক্ষণমূলক কার্যক্রমে যুক্ত হওয়া সেই ধারাবাহিকতারই অংশ।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬ ৩:১৩
বাড়ি কিনতে গিয়ে সবচেয়ে বেশি চাপে ক্রেতারা

বাড়ি কিনতে গিয়ে সবচেয়ে বেশি চাপে ক্রেতারা, শীর্ষে নিউইয়র্কের লং আইল্যান্ড

অক্টোবরে রাজ্যের ওপর বাড়ছে খরচের চাপ

স্ন্যাপ থেকে প্রায় ৫০ লাখ মানুষ বাদ, অক্টোবরে রাজ্যের ওপর বাড়ছে খরচের চাপ

স্বামীর মৃত্যুর ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই স্ত্রীরও বিদায়

৮ বছর বয়স থেকে ৭৫ বছরের দাম্পত্য! স্বামীর মৃত্যুর ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই স্ত্রীরও বিদায়

ইউটাহতে বাড়ির দাম আকাশছোঁয়া
ইউটাহতে বাড়ির দাম আকাশছোঁয়া, কিনতে পারছেন না ৯১% ভাড়াটিয়া

যুক্তরাষ্ট্রের ইউটাহ অঙ্গরাজ্যে বাড়ির দাম দ্রুত বাড়তে থাকায় ভাড়াটিয়াদের বড় অংশের জন্য নিজের বাড়ি কেনা কঠিন হয়ে পড়েছে। ইউনিভার্সিটি অব ইউটাহর কেম সি. গার্ডনার পলিসি ইনস্টিটিউটের ২০২৫-২৬ স্টেট অব দ্য স্টেটস হাউজিং মার্কেট রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকে অঙ্গরাজ্যটির ৯১ শতাংশ ভাড়াটিয়া মাঝারি দামের একটি বাড়ি কেনার সামর্থ্যের বাইরে ছিলেন।   রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকে ইউটাহতে সব ধরনের বাড়ির মধ্যম বিক্রয়মূল্য দাঁড়িয়েছে ৫ লাখ ২০ হাজার ডলার। এক বছর আগে এই দাম ছিল ৫ লাখ ডলার। ২০২২ সালে অঙ্গরাজ্যটির মধ্যম বাড়ির দাম ৫ লাখ ২ হাজার ডলারে উঠেছিল। এরপর কিছুটা কমলেও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আবার দাম বাড়তে শুরু করেছে।   একক পরিবারের বাড়ির ক্ষেত্রে পরিস্থিতি আরও কঠিন। ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকে এসব বাড়ির মধ্যম বিক্রয়মূল্য ছিল ৫ লাখ ৫৯ হাজার ৯০০ ডলার। ২০১৬ সালে একই ধরনের বাড়ির মধ্যম দাম ছিল ২ লাখ ৪৯ হাজার ৯০০ ডলার। বর্তমানে ইউটাহ একক পরিবারের বাড়ির দামের হিসাবে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে ব্যয়বহুল বাজারগুলোর মধ্যে দশম অবস্থানে রয়েছে।   রিপোর্টের হিসাবে, ১০ শতাংশ ডাউন পেমেন্ট দিয়ে ইউটাহতে একটি মধ্যম দামের বাড়ি কিনতে হলে বছরে প্রায় ১ লাখ ৪৬ হাজার ৮০০ ডলার আয় প্রয়োজন। অথচ অঙ্গরাজ্যটির মধ্যম পরিবারের আয় ৯৬ হাজার ৬৫৮ ডলার। ভাড়াটিয়া পরিবারের মধ্যম আয় আরও কম, প্রায় ৬৪ হাজার ডলার। ২০২৫ সালে এই আয়ের পর্যায়ে থাকা ভাড়াটিয়াদের সামর্থ্যের মধ্যে ছিল মাত্র ৪ দশমিক ৯ শতাংশ বিক্রি হওয়া বাড়ি।   বাড়ি কেনার তুলনায় বর্তমানে ভাড়া থাকা অনেক পরিবারের জন্য মাসিক খরচও তুলনামূলকভাবে কম। ২০২৩ সাল থেকে ইউটাহতে মাসিক মর্টগেজ পেমেন্ট সাধারণত ৪ হাজার থেকে ৪ হাজার ৫০০ ডলারের মধ্যে ছিল, যেখানে রক্ষণাবেক্ষণের খরচ ধরা হয়নি। একই সময়ে গড় অ্যাপার্টমেন্ট রেন্ট ছিল প্রায় ২ হাজার ৫০০ থেকে ২ হাজার ৭০০ ডলার। ফলে অনেক পরিবারের জন্য বাড়ি কেনার বদলে ভাড়া থাকা এখনো তাৎক্ষণিকভাবে কম ব্যয়ের বিকল্প।   তবে ভাড়ার বাজারে কিছুটা স্বস্তির চিত্রও রয়েছে। ২০২৫ সালে নির্দিষ্ট আয়সীমার মধ্যে থাকা প্রতি ১০০টি পরিবারের বিপরীতে ১০৮টি সাশ্রয়ী রেন্টাল ইউনিট ছিল। ২০২৩ সালে এই সংখ্যা ছিল ১০০টি। এর প্রভাবে ২০২৪ সালের মার্চ থেকে ২০২৬ সালের মার্চ পর্যন্ত অ্যাপার্টমেন্টের চাওয়া রেন্ট ২ দশমিক ৩ শতাংশ কমেছে। বিপরীতে একই সময়ে একক পরিবারের বাড়ির রেন্ট ৮ দশমিক ৫ শতাংশ এবং টাউনহোমের রেন্ট ৮ দশমিক ৩ শতাংশ বেড়েছে।   বাড়ি কেনার ক্ষেত্রে প্রথমবারের ক্রেতাদের সহায়তায় ইউটাহতে কিছু কর্মসূচিও রয়েছে। এর মধ্যে ফার্স্ট-টাইম হোমবায়ার অ্যাসিস্ট্যান্স প্রোগ্রামের মাধ্যমে যোগ্য ক্রেতারা ডাউন পেমেন্ট, ক্লোজিং কস্ট ও সুদের হার কমানোর ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ২০ হাজার ডলার পর্যন্ত সহায়তা পেতে পারেন। তবে এর জন্য নির্দিষ্ট যোগ্যতা পূরণ করতে হয় এবং বাড়ির মূল্যের ক্ষেত্রেও সীমা রয়েছে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, বাড়ি কেনার লক্ষ্য থাকলে আয় থেকে যা অবশিষ্ট থাকে তা সঞ্চয় করার পরিবর্তে ডাউন পেমেন্টের জন্য আলাদা সেভিংস পরিকল্পনা করা বেশি কার্যকর। ইউটাহর বর্তমান আবাসন বাজারের হিসাব বলছে, বাড়ির দাম ও আয়ের মধ্যে ব্যবধান বাড়তে থাকায় ভাড়াটিয়াদের জন্য সেই লক্ষ্য পূরণ করা আগের তুলনায় আরও কঠিন হয়ে উঠেছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬ ১:১
ম্যাসাচুসেটসের সালেমের সৈকত, যেখানে নয় বছরের ব্যবধানে দুটি জীবনরক্ষার ঘটনা ঘটেছিল বলে বিভিন্ন প্রকাশিত বর্ণনায় উল্লেখ রয়েছে। ছবি: সংগৃহীত

নয় বছর আগে যে নারী বাঁচিয়েছিলেন জীবন, সেই নারীর স্বামীকেই পরে বাঁচালেন সেই ছেলে

৯/১১ হামলার ২৫তম বার্ষিকীতে নিউইয়র্কের গ্রাউন্ড জিরোর ৯/১১ মেমোরিয়ালে নিহতদের স্মরণ করেন স্বজনরা। ছবি: সংগৃহীত

নিউইয়র্কের ৯/১১ স্মৃতিসৌধে সাব্বির আহমেদের পরিবারের শ্রদ্ধা, ২৫ বছর পরও অমলিন শোক

বিক্ষোভের মধ্যেও প্লানোর ইসলামিক অ্যাসোসিয়েশন অব কলিন কাউন্টিতে জুমার নামাজে অংশ নেন মুসল্লিরা। ছবি: সংগৃহীত

টেক্সাসে মসজিদের বাইরে ইসলামবিরোধী বিক্ষোভের মধ্যেও থামেনি নামাজ, জুমায় অংশ নিলেন মুসল্লিরা

যুক্তরাষ্ট্রের সোশ্যাল সিকিউরিটি কার্ড ও সুবিধার চেক। ২০২৭ সালে ভাতা ৩.৬ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত
২০২৭ সালে বাড়তে পারে যুক্তরাষ্ট্রের সামাজিক নিরাপত্তা ভাতা, সম্ভাব্য বৃদ্ধি ৩.৬ শতাংশ

২০২৭ সালে যুক্তরাষ্ট্রের সামাজিক নিরাপত্তা ভাতা বাড়তে পারে। মূল্যস্ফীতির সাম্প্রতিক তথ্য বিশ্লেষণ করে অবসরপ্রাপ্তদের সংগঠন এএআরপি (AARP) ধারণা করছে, আগামী বছর সামাজিক নিরাপত্তা ভাতার জীবনযাত্রার ব্যয় সমন্বয় বা কস্ট-অফ-লিভিং অ্যাডজাস্টমেন্ট (COLA) প্রায় ৩.৬ শতাংশ হতে পারে।   তবে এটি এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নয়। সেপ্টেম্বরের মূল্যস্ফীতির তথ্য প্রকাশের পর অক্টোবর মাসে ২০২৭ সালের প্রকৃত COLA নির্ধারণ করা হবে। নতুন হার কার্যকর হবে ২০২৭ সালের জানুয়ারি থেকে।   আগস্টের মূল্যস্ফীতির তথ্য প্রকাশের পর এএআরপির পূর্বাভাস আগের তুলনায় কিছুটা বেড়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের শ্রম পরিসংখ্যান ব্যুরোর (BLS) তথ্য অনুযায়ী, আগস্টে শহরাঞ্চলের মজুরি ও কেরানি কর্মীদের জন্য ভোক্তা মূল্যসূচক বা CPI-W গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৩.৫ শতাংশ বেড়েছে। সামাজিক নিরাপত্তা ভাতার বার্ষিক COLA নির্ধারণে এই সূচকই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।   সামাজিক নিরাপত্তা প্রশাসনের নিয়ম অনুযায়ী, প্রতি বছরের জুলাই, আগস্ট ও সেপ্টেম্বরের CPI-W-এর গড়ের সঙ্গে আগের বছরের তৃতীয় প্রান্তিকের গড় তুলনা করে COLA নির্ধারণ করা হয়। ফলে আগস্টের তথ্য হাতে এলেও সেপ্টেম্বরের হিসাব ছাড়া ২০২৭ সালের চূড়ান্ত হার বলা সম্ভব নয়। সেপ্টেম্বরের মূল্যস্ফীতির তথ্য প্রকাশের পরই চূড়ান্ত হিসাব পাওয়া যাবে।   ভাতা কত বাড়তে পারে ৩.৬ শতাংশ COLA কার্যকর হলে সামাজিক নিরাপত্তার আওতায় থাকা অনেক সুবিধাভোগীর মাসিক ভাতা বাড়বে। সামাজিক নিরাপত্তা প্রশাসনের জুলাই ২০২৬-এর পরিসংখ্যান অনুযায়ী, অবসরপ্রাপ্ত কর্মীদের গড় মাসিক সুবিধা ছিল ২,০৮৫.৯৮ ডলার। ৩.৬ শতাংশ বৃদ্ধি হলে এই পরিমাণে মাসে প্রায় ৭৫ ডলার যোগ হতে পারে। অর্থাৎ গড় ভাতা প্রায় ২,১৬১ ডলারের কাছাকাছি যেতে পারে।   এএআরপির বিশ্লেষণে অন্যান্য সুবিধাভোগীদের ক্ষেত্রেও বাড়তি অর্থ পাওয়ার সম্ভাবনা দেখানো হয়েছে। জুলাইয়ের গড় হিসাবে, স্বামী বা স্ত্রী হারানো সুবিধাভোগীদের মাসিক ভাতা প্রায় ১,৯৩৩ ডলার হলে ৩.৬ শতাংশ বৃদ্ধিতে তা প্রায় ৭০ ডলার বাড়তে পারে। প্রতিবন্ধী কর্মীদের গড় সামাজিক নিরাপত্তা সুবিধা ১,৬৩৫ ডলারের কাছাকাছি হওয়ায় সেখানে মাসে প্রায় ৫৯ ডলার বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।   তবে ব্যক্তিভেদে প্রকৃত বৃদ্ধির পরিমাণ আলাদা হবে। কারও বর্তমান ভাতার পরিমাণ, কর, মেডিকেয়ার প্রিমিয়ামসহ অন্যান্য কর্তন থাকলে ব্যাংক হিসাবে পৌঁছানো অর্থের পরিমাণ অনুমানের চেয়ে কম হতে পারে।   কেন বাড়ছে COLA সামাজিক নিরাপত্তা ভাতার COLA মূলত মূল্যস্ফীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সুবিধাভোগীদের ক্রয়ক্ষমতা ধরে রাখার জন্য দেওয়া হয়। খাদ্য, জ্বালানি, আবাসন ও স্বাস্থ্যসেবার মতো প্রয়োজনীয় খাতে দাম বাড়লে নির্দিষ্ট আয়ের ওপর নির্ভরশীল অবসরপ্রাপ্তদের ওপর তার প্রভাব তুলনামূলক বেশি পড়ে। এএআরপির বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, চলতি বছরে পণ্যের ওপর শুল্ক এবং জ্বালানি দামের বাড়তি চাপ মূল্যস্ফীতিকে উঁচু রাখতে ভূমিকা রাখছে। ন্যাশনাল একাডেমি অব সোশ্যাল ইন্স্যুরেন্সের বিশিষ্ট ভিজিটিং ফেলো ইন্দিভার দত্ত-গুপ্তা এএআরপিকে বলেন, বয়স্ক আমেরিকানরা বিশেষ করে খাদ্য, জ্বালানি, আবাসন ও স্বাস্থ্যসেবার ব্যয় বৃদ্ধির চাপ বেশি অনুভব করছেন, কারণ নির্দিষ্ট আয়ের মানুষের এসব খরচ সামঞ্জস্য করার সুযোগ তুলনামূলক কম।   সাম্প্রতিক বছরের তুলনায় কত বেশি ২০২৬ সালে সামাজিক নিরাপত্তা ভাতার COLA ছিল ২.৮ শতাংশ। ২০২৭ সালে যদি ৩.৬ শতাংশ বৃদ্ধি চূড়ান্ত হয়, তাহলে সেটি ২০২৬ সালের তুলনায় ০.৮ শতাংশীয় পয়েন্ট বেশি হবে। একই সঙ্গে এটি ২০২৩ সালের পর সবচেয়ে বড় বার্ষিক বৃদ্ধি হতে পারে। ২০২৩ সালে উচ্চ মূল্যস্ফীতির প্রভাবে সামাজিক নিরাপত্তা ভাতা ৮.৭ শতাংশ বেড়েছিল।   এর পরের বছরগুলোতে বৃদ্ধি তুলনামূলক কম ছিল। ২০২৪ সালে COLA ছিল ৩.২ শতাংশ, ২০২৫ সালে ২.৫ শতাংশ এবং ২০২৬ সালে ২.৮ শতাংশ। ফলে ৩.৬ শতাংশের পূর্বাভাস বাস্তবায়িত হলে সাম্প্রতিক কয়েক বছরের তুলনায় সুবিধাভোগীরা তুলনামূলক বড় সমন্বয় পাবেন।   তবে বেশি COLA মানেই যে জীবনযাত্রার ব্যয়ের চাপ পুরোপুরি কমে যাবে, তা নয়। মূল্যস্ফীতি যদি সামাজিক নিরাপত্তা ভাতার বৃদ্ধির কাছাকাছি বা তার চেয়ে বেশি থাকে, তাহলে প্রকৃত ক্রয়ক্ষমতা খুব বেশি বাড়বে না। অতীতেও এমন পরিস্থিতি দেখা গেছে, যখন COLA বৃদ্ধির পরও খাদ্য, জ্বালানি ও স্বাস্থ্যসেবার দ্রুত বাড়তে থাকা খরচ সুবিধাভোগীদের ওপর চাপ তৈরি করেছে।   কবে চূড়ান্ত হবে ২০২৭ সালের COLA এখনো পূর্বাভাসের পর্যায়ে রয়েছে। সেপ্টেম্বরের CPI-W তথ্য প্রকাশের পর সামাজিক নিরাপত্তা প্রশাসন চূড়ান্ত হিসাব করবে। বর্তমানে সরকারি সময়সূচি অনুযায়ী, সেপ্টেম্বরের মূল্যস্ফীতির তথ্য ১৪ অক্টোবর প্রকাশ হওয়ার কথা এবং এর পরই ২০২৭ সালের COLA আনুষ্ঠানিকভাবে নির্ধারিত হবে। নতুন সমন্বয় কার্যকর হবে ২০২৭ সালের জানুয়ারির সুবিধা প্রদানের সঙ্গে।   অর্থাৎ বর্তমানে ৩.৬ শতাংশকে সম্ভাব্য হার হিসেবে দেখা হলেও সেটিকে চূড়ান্ত ধরে বাজেট বা ব্যক্তিগত আর্থিক পরিকল্পনা করা ঠিক হবে না। সেপ্টেম্বরের মূল্যস্ফীতির তথ্যের ওপর নির্ভর করবে শেষ পর্যন্ত সামাজিক নিরাপত্তা সুবিধাভোগীরা কতটা বাড়তি অর্থ পাবেন।   সূত্র: এএআরপি, যুক্তরাষ্ট্রের সামাজিক নিরাপত্তা প্রশাসন এবং যুক্তরাষ্ট্রের শ্রম পরিসংখ্যান ব্যুরো।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬ ২৩:২২
১৫ সেপ্টেম্বর থেকে যুক্তরাষ্ট্রে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের অবস্থানের নিয়মে পরিবর্তন আসছে। ছবি: সংগৃহীত

১৫ সেপ্টেম্বর থেকে বদলাচ্ছে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের ভিসার নিয়ম, বাংলাদেশিদের যা জানা জরুরি

সেপ্টেম্বর ২০২৬ সালের যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে দেশটির পররাষ্ট্র দপ্তর। ছবি: সংগৃহীত

সেপ্টেম্বর ভিসা বুলেটিনে সতর্কবার্তা, কিছু ভিসা শ্রেণিতে অনিশ্চয়তা

ইএসটিএ অনুমোদন নিয়ে ভিসা ছাড়াই যুক্তরাষ্ট্রে স্বল্পমেয়াদি ভ্রমণের সুযোগ রয়েছে কর্মসূচিভুক্ত দেশগুলোর নাগরিকদের। ছবি: সংগৃহীত

ভিসা ছাড়াই যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণের সুযোগ পেল ৪২ দেশের নাগরিক, ইএসটিএতেই মিলবে অনুমোদন

0 Comments