বিশ্ব

এক দিনে রেকর্ড ৫৫ হামলা: হিজবুল্লাহর সঙ্গে উত্তেজনার মধ্যে ইসরায়েল

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২১, ২০২৬ 0
দক্ষিণ লেবানন থেকে হিজবুল্লাহর ছোড়া রকেট হামলায় উত্তর ইসরায়েলের একটি ক্ষতিগ্রস্ত ভবনে ইসরায়েলি বাহিনীর সদস্যরা। ১৩ মার্চ, ২০২৬। ছবি: রয়টার্স
দক্ষিণ লেবানন থেকে হিজবুল্লাহর ছোড়া রকেট হামলায় উত্তর ইসরায়েলের একটি ক্ষতিগ্রস্ত ভবনে ইসরায়েলি বাহিনীর সদস্যরা। ১৩ মার্চ, ২০২৬। ছবি: রয়টার্স

লেবানন সীমান্ত ও ইসরায়েলের উত্তরাঞ্চলে এক দিনে ইসরায়েলি বাহিনীর ওপর রেকর্ড ৫৫টি হামলা চালিয়েছে সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ। এটি হিজবুল্লাহর ইতিহাসে এক দিনে সর্বোচ্চ হামলার ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

 

লেবাননের দক্ষিণ ও পশ্চিমাঞ্চলীয় কুরা এলাকায় ইসরায়েলি সেনারা সীমান্ত অতিক্রমের চেষ্টা করলে হিজবুল্লাহর হামলার মুখোমুখি হন। এই সময় দুই পক্ষের মধ্যে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এছাড়া লেবাননের পূর্বাঞ্চলীয় খিয়াম ও তাইবেহ এলাকায় হিজবুল্লাহ এবং ইসরায়েলি বাহিনীর মধ্যে লড়াই চলমান রয়েছে।

 

রাজধানী বৈরুৎ-এও আজ দুটি শক্তিশালী হামলার মাধ্যমে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠেছে। এই পরিস্থিতিকে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখছেন।

 

লেবাননে নিরাপত্তা পরিস্থিতি প্রতিনিয়ত অবনতির মুখে রয়েছে, এবং সীমান্তবর্তী এলাকায় সংঘাতের তীব্রতা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

তথ্যসূত্র: আল–জাজিরা

জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

Advertisement

বিশ্ব

View more
দক্ষিণ লেবানন থেকে হিজবুল্লাহর ছোড়া রকেট হামলায় উত্তর ইসরায়েলের একটি ক্ষতিগ্রস্ত ভবনে ইসরায়েলি বাহিনীর সদস্যরা। ১৩ মার্চ, ২০২৬। ছবি: রয়টার্স
এক দিনে রেকর্ড ৫৫ হামলা: হিজবুল্লাহর সঙ্গে উত্তেজনার মধ্যে ইসরায়েল

লেবানন সীমান্ত ও ইসরায়েলের উত্তরাঞ্চলে এক দিনে ইসরায়েলি বাহিনীর ওপর রেকর্ড ৫৫টি হামলা চালিয়েছে সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ। এটি হিজবুল্লাহর ইতিহাসে এক দিনে সর্বোচ্চ হামলার ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।   লেবাননের দক্ষিণ ও পশ্চিমাঞ্চলীয় কুরা এলাকায় ইসরায়েলি সেনারা সীমান্ত অতিক্রমের চেষ্টা করলে হিজবুল্লাহর হামলার মুখোমুখি হন। এই সময় দুই পক্ষের মধ্যে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এছাড়া লেবাননের পূর্বাঞ্চলীয় খিয়াম ও তাইবেহ এলাকায় হিজবুল্লাহ এবং ইসরায়েলি বাহিনীর মধ্যে লড়াই চলমান রয়েছে।   রাজধানী বৈরুৎ-এও আজ দুটি শক্তিশালী হামলার মাধ্যমে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠেছে। এই পরিস্থিতিকে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখছেন।   লেবাননে নিরাপত্তা পরিস্থিতি প্রতিনিয়ত অবনতির মুখে রয়েছে, এবং সীমান্তবর্তী এলাকায় সংঘাতের তীব্রতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। তথ্যসূত্র: আল–জাজিরা

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২১, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

নিষেধাজ্ঞা শিথিলে বাজারে আসছে ১৭ কোটি ব্যারেল ইরানি তেল

ছবি: সংগৃহীত

ইরানের নাতানজ পারমাণবিক কেন্দ্রে হামলা, তেজস্ক্রিয় ছড়ানোর আশঙ্কা নেই

ইরাকের বাগদাদে দেশটির গোয়েন্দা সদর দপ্তর লক্ষ্য করে আজ শনিবার ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে | ছবি: এক্স থেকে নেওয়া

ইরাকে গোয়েন্দা সদর দপ্তরে ড্রোন হামলা, নিহত ১

ছবি: সংগৃহীত
তেল আবিবের কাছে ইসরায়েলি শহরে ইরানের ক্লাস্টার ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার মধ্যে ইসরায়েলের একটি শহরে সরাসরি আঘাত হেনেছে ইরান থেকে ছোড়া ক্লাস্টার ক্ষেপণাস্ত্র। এ তথ্য জানিয়েছে ইসরায়েলভিত্তিক সংবাদমাধ্যম The Times of Israel।   প্রতিবেদনে বলা হয়, বাণিজ্যিক কেন্দ্র তেল আবিব থেকে প্রায় ৮ কিলোমিটার দূরের রিশন লেজিওন শহরের অন্তত তিনটি স্থানে এই ক্ষেপণাস্ত্রের বোমা আঘাত হানে। এতে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, একটি ক্লাস্টার ক্ষেপণাস্ত্রে সাধারণত একাধিক ছোট বোমা থাকে—যেগুলো বিস্ফোরণের পর বিস্তৃত এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। প্রতিটি বোমার ওজন প্রায় আড়াই কেজি পর্যন্ত হতে পারে, ফলে লক্ষ্যবস্তু এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির সম্ভাবনা থাকে।   এ ধরনের অস্ত্র ব্যবহারের ফলে বেসামরিক নাগরিকদের জন্য ঝুঁকি অনেক বেড়ে যায় বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। তবে এই হামলায় হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত তথ্য এখনো প্রকাশ করা হয়নি। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের মধ্যে এই হামলা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২১, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

১৯৬৭ সালের পর প্রথমবার: ঈদের দিনে বন্ধ আল-আকসা, রাস্তায় নামাজ আদায় মুসল্লিদের

ছবি: সংগৃহীত

ইরানে স্থল হামলার প্রস্তুতি জোরদার করছে যুক্তরাষ্ট্র

ক্ষাপণাস্ত্র ছুড়ছে ইরান।

ইসরায়েলসহ মধ্যপ্রাচ্যের ৪ দেশে ইরানের নতুন ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা

গত শুক্রবার দক্ষিণ সিরিয়ায় হামলা চালায় ইসরায়েল।
সিরিয়ায় ইসরায়েলি বিমান হামলাকে ‘নগ্ন আগ্রাসন’ বললো সৌদি আরব

সিরিয়ার সরকারি সামরিক শিবিরে ইসরায়েলি বিমান হামলাকে ‘নগ্ন আগ্রাসন’ হিসেবে অভিহিত করে এর তীব্র নিন্দা জানিয়েছে সৌদি আরব। শনিবার (২১ মার্চ) সৌদি আরবের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, এই হামলা আন্তর্জাতিক আইন এবং সিরিয়ার সার্বভৌমত্বের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।   এএফপি-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রিয়াদ এই আগ্রাসন বন্ধে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার এবং ইসরায়েলি আইন লঙ্ঘনের অবসান ঘটানোর আহ্বান জানিয়েছে। তুরস্কও সৌদি আরবের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে এই হামলাকে একটি ‘বিপজ্জনক উসকানি’ হিসেবে বর্ণনা করেছে, যা পুরো অঞ্চলের স্থিতিশীলতাকে হুমকির মুখে ফেলেছে।   ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী গত শুক্রবার দাবি করেছিল, সিরিয়ার সুয়েইদা প্রদেশে দ্রুজ সম্প্রদায়ের ওপর হামলার জবাবে তারা দক্ষিণ সিরিয়ায় এই আক্রমণ চালিয়েছে। ইসরায়েলের ভাষ্যমতে, তারা সংখ্যালঘু এই গোষ্ঠীকে রক্ষার জন্য পদক্ষেপ নিয়েছে এবং ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত রাখবে। তবে সিরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ইসরায়েলের এই যুক্তিকে ‘বানোয়াট অজুহাত’ হিসেবে প্রত্যাখ্যান করেছে।   দামেস্কের মতে, এটি সিরিয়ার ভূখণ্ড ও সার্বভৌমত্বের ওপর একটি জঘন্য আঘাত। গত বছরও ইসরায়েল একই ধরনের অজুহাতে সিরিয়ায় বিমান হামলা চালিয়েছিল, যা ওই অঞ্চলে দীর্ঘমেয়াদী অস্থিরতা তৈরি করেছে।   সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার সুয়েইদা প্রদেশে সরকারি বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে অন্তত চারজন দ্রুজ যোদ্ধা নিহত হয়েছেন। এরপর ইসরায়েলি গোলাবর্ষণে সুয়েইদা শহরের আবাসিক এলাকাগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।   যদিও ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান সরাসরি যুদ্ধ থেকে সিরিয়া এখন পর্যন্ত নিজেকে দূরে রাখার চেষ্টা করছে, তবে এই নতুন হামলা দেশটিকে আঞ্চলিক সংঘাতের মধ্যে টেনে আনার ঝুঁকি তৈরি করেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরান অভিযানের পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় যখন পুরো মধ্যপ্রাচ্য উত্তপ্ত, তখন সিরিয়ায় এই নতুন ফ্রন্ট খোলা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।   তুরস্কের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও এই ঘটনার কড়া সমালোচনা করে জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উচিত ইসরায়েলের এই বেপরোয়া আচরণ এখনই থামানো। সিরিয়া এই হামলাকে তাদের আঞ্চলিক অখণ্ডতার ওপর সরাসরি আক্রমণ হিসেবে দেখছে।   রিয়াদ ও আঙ্কারার এই যৌথ অবস্থান ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, মধ্যপ্রাচ্যের প্রভাবশালী দেশগুলো এখন ইসরায়েলের সামরিক তৎপরতা নিয়ে আগের চেয়ে অনেক বেশি সোচ্চার। যুদ্ধের এই পর্যায়ে সিরিয়ার ভূখণ্ডে নতুন করে সংঘাত ছড়িয়ে পড়লে তা বিশ্ব অর্থনীতি ও নিরাপত্তার জন্য বড় ধরনের বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।   সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২১, ২০২৬ 0
তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান। ছবি: আনাদোলু এজেন্সি

নেতানিয়াহুর ‘সন্ত্রাস’ বিশ্বশান্তির জন্য চরম হুমকি: এরদোয়ান

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ফাইল ছবি: রয়টার্স

ট্রাম্পের ‘নরম সুর’: লক্ষ্য অর্জনের পথে যুক্তরাষ্ট্র, ইরানি তেল পরিবহনে সাময়িক ছাড়

ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধের কারণে সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ার মধ্যেই হরমুজ প্রণালি পাড়ি দিয়ে ভারতের মুম্বাই বন্দরে পৌঁছায় সৌদি আরবের অপরিশোধিত তেলবাহী লাইবেরিয়ার ট্যাংকার ‘শেনলং সুয়েজম্যাক্স’। ১২ মার্চ ২০২৬। ছবি: রয়টার্স

হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত রাখার ইঙ্গিত ইরানের, জাপানি জাহাজ চলাচলে সহায়তার আশ্বাস

0 Comments