বিশ্ব

মার্কিন যুদ্ধবিমানে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, ভিডিও প্রকাশ

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২৬, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।
ছবি: সংগৃহীত।

মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে মার্কিন যুদ্ধবিমানে হামলার এক চাঞ্চল্যকর দাবিকে কেন্দ্র করে। ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডস কোর (আইআরজিসি) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, দেশটির দক্ষিণ উপকূলীয় সিস্তান-বালুচিস্তান প্রদেশের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ চাবাহার বন্দর এলাকায় তারা একটি মার্কিন এফ-১৮ যুদ্ধবিমান লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে।


বিবিসি ফার্সির বরাত দিয়ে জানা গেছে, গতকাল ইরানি গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বেশ কিছু ভিডিওতে মার্কিন এই শক্তিশালী যুদ্ধবিমানটিকে চাবাহারের আকাশে উড়তে দেখা যায়। বিবিসির ফ্যাক্ট-চেকিং বিভাগ ভিডিওগুলো যাচাই করে নিশ্চিত করেছে যে, এর মধ্যে অন্তত একটি ভিডিও চাবাহার বন্দর এলাকার টিস সেতুর কাছে ধারণ করা হয়েছে।


ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, উড়ন্ত এফ-১৮ বিমানটিকে লক্ষ্য করে প্রতিরক্ষামূলক ক্ষেপণাস্ত্র ছোঁড়া হচ্ছে এবং এক পর্যায়ে বিমানটির লেজের অংশে শক্তিশালী বিস্ফোরণ ঘটে। তবে বিস্ফোরণের পর বিমানটি বিধ্বস্ত হয়েছে কি না, সে বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো অকাট্য প্রমাণ বা ভিডিও ফুটেজ সামনে আসেনি।


এদিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) ইরানের এই দাবিকে সরাসরি নাকচ করে দিয়েছে। এক পাল্টা বিবৃতিতে তারা জানায়, ওই অঞ্চলে তাদের কোনো যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হয়নি। আকাশসীমার এই সংঘাতের খবরটি নিয়ে বর্তমানে আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক জল্পনা শুরু হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

বিয়ের মাধ্যমে আমেরিকার নাগরিকত্ব কি বন্ধ? ইউএস ইমিগ্রেশন ওয়েবসাইটে কী বলা আছে

সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে যে, যুক্তরাষ্ট্রে বিয়ের মাধ্যমে নাগরিকত্ব বা গ্রীন কার্ড পাওয়ার নিয়ম বন্ধ হয়ে গেছে। তবে মার্কিন ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ ইউএস সিটিজেনশিপ এন্ড ইমিগ্রেশন সার্ভিস  এর অফিসিয়াল তথ্য অনুযায়ী এই দাবি সঠিক নয়। সংস্থাটি জানিয়েছে, বিয়ের মাধ্যমে এখনও গ্রীন কার্ড এবং পরে নাগরিকত্ব পাওয়ার সুযোগ রয়েছে, তবে আবেদনকারীদের নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলতে হবে এবং বর্তমানে যাচাই-বাছাই আগের তুলনায় বেশি কঠোর করা হয়েছে। ইউএসসিআইএসের নিয়ম অনুযায়ী, একজন মার্কিন নাগরিক বা গ্রীন কার্ডধারী তার স্বামী বা স্ত্রীর জন্য পারিবারিক ভিত্তিতে অভিবাসনের আবেদন করতে পারেন। এ ক্ষেত্রে প্রথমে বৈধ বিয়ের প্রমাণসহ আবেদন জমা দিতে হয়। আবেদন অনুমোদিত হলে বিদেশি স্বামী বা স্ত্রী গ্রীন কার্ড পেতে পারেন এবং স্থায়ী বাসিন্দা হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে থাকার অনুমতি পাবেন। সাধারণত মার্কিন নাগরিককে বিয়ে করলে প্রক্রিয়া তুলনামূলক দ্রুত হয়, আর গ্রীন কার্ডধারীকে বিয়ে করলে অপেক্ষার সময় কিছুটা বেশি হতে পারে। গ্রীন কার্ড পাওয়ার পর নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করার নিয়মও আগের মতোই রয়েছে। ইমিগ্রেশন নীতিমালা অনুযায়ী, যদি কেউ মার্কিন নাগরিককে বিয়ে করে গ্রীন কার্ড পান এবং কমপক্ষে তিন বছর একসাথে বসবাস করেন, তাহলে তিনি নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করতে পারেন। আর যদি গ্রীন কার্ডধারীকে বিয়ে করেন, তাহলে সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী স্থায়ী বাসিন্দা হিসেবে পাঁচ বছর পূর্ণ হলে নাগরিকত্বের আবেদন করা যায়। ইমিগ্রেশন বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমানে অনেক ক্ষেত্রে বেশি সাক্ষাৎকার নেওয়া হচ্ছে, অতিরিক্ত কাগজপত্র চাওয়া হচ্ছে এবং যৌথ ব্যাংক হিসাব, বাসার ঠিকানা, ট্যাক্স নথি ও পারিবারিক প্রমাণ জমা দিতে হচ্ছে। ভুয়া বিয়ের মাধ্যমে সুবিধা নেওয়া ঠেকাতে এই যাচাই-বাছাই বাড়ানো হয়েছে। এছাড়া আবেদন প্রক্রিয়ায় সময় বেশি লাগার কারণেও অনেকের মধ্যে ভুল ধারণা তৈরি হয়েছে যে বিয়ের মাধ্যমে নাগরিকত্ব বন্ধ হয়ে গেছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, বিয়ের মাধ্যমে আমেরিকার নাগরিকত্ব বা গ্রীন কার্ড বন্ধ হয়নি। তবে বর্তমানে আবেদন প্রক্রিয়া কঠোর হয়েছে এবং প্রতিটি ক্ষেত্রে বৈধ বিবাহ, একসাথে বসবাস এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রমাণ করা বাধ্যতামূলক।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

Advertisement

বিশ্ব

View more
ইয়েমেনের রাজধানী সানায় গাড়িতে হুতি যোদ্ধারা। ফাইল ছবি: রয়টার্স
ইরানের পক্ষে যুদ্ধে নামার ঘোষণা হুতিদের, ‘যেকোনো সময় প্রস্তুত’

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত আরও বিস্তৃত হওয়ার আশঙ্কার মধ্যে ইরানের পক্ষে সরাসরি যুদ্ধে নামার ঘোষণা দিয়েছে ইয়েমেনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হুতি। গোষ্ঠীটি জানিয়েছে, প্রয়োজন হলে যেকোনো সময় সামরিক অভিযান শুরু করতে তারা প্রস্তুত।   বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে নাম প্রকাশ না করার শর্তে হুতির এক নেতা বলেন, তাদের সামরিক প্রস্তুতি সম্পূর্ণ রয়েছে এবং সব ধরনের বিকল্প পরিকল্পনাও প্রস্তুত রাখা হয়েছে। তিনি দাবি করেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে ইরান শক্ত অবস্থানে রয়েছে এবং প্রতিদিন শত্রুপক্ষকে চাপে রাখছে।   হুতির ওই নেতা আরও জানান, তারা পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন এবং কখন সরাসরি যুদ্ধে জড়ানো উপযুক্ত হবে, সে বিষয়ে সময়মতো সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। বিশ্লেষকদের মতে, হুতি গোষ্ঠী সরাসরি সংঘাতে জড়ালে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন একটি যুদ্ধফ্রন্ট খুলে যেতে পারে। বিশেষ করে ইয়েমেনের উপকূলবর্তী গুরুত্বপূর্ণ জলপথ বাব আল-মান্দেব প্রণালি এই সংঘাতের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হতে পারে।   এই প্রণালি দিয়ে সুয়েজ খালমুখী আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল করে। এ অবস্থায় হরমুজ প্রণালির পাশাপাশি বাব আল-মান্দেবেও উত্তেজনা তৈরি হলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের অস্থিরতা দেখা দিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এর আগে বিভিন্ন সময় এই জলপথে ট্যাংকার ও বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার ঘটনা ঘটিয়েছে হুতি গোষ্ঠী, যা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২৬, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের পরোক্ষ আলোচনা শুরু

ছবি: সংগৃহীত

আগাম নির্বাচন এড়াতে মরিয়া নেতানিয়াহু, বাজেট পাসে জোর তৎপরতা

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: সংগৃহীত

ইউক্রেনের জন্য বরাদ্দ অস্ত্র কি মধ্যপ্রাচ্যে যাচ্ছে? মার্কিন মজুত সংকট নিয়ে উদ্বেগ

ছবি: সংগৃহীত
জ্বালানি সরবরাহে স্বস্তি: ডিজেল ও জেট ফুয়েল নিয়ে দেশে এলো নতুন জাহাজ

বৈশ্বিক অস্থিরতার মধ্যে জ্বালানি সরবরাহে চাপের সময় ১০ হাজার টন ডিজেল ও ২০ হাজার টন জেট ফুয়েল নিয়ে একটি জাহাজ দেশে পৌঁছেছে। বৃহস্পতিবার সকালে ‘এমটি গ্রান কুভা’ নামের জাহাজটি এই চালান নিয়ে আসে।   বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) সূত্র জানায়, চীনের প্রতিষ্ঠান ইউনিপেকের সঙ্গে চুক্তির আওতায় এই জ্বালানি সরবরাহ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সাম্প্রতিক সরবরাহ অনিশ্চয়তার মধ্যে এই চালান কিছুটা স্বস্তি এনে দেবে।   বিপিসি জানায়, আমদানি করা ডিজেল পরিবহন ও শিল্প খাতে ব্যবহৃত হবে। অন্যদিকে জেট ফুয়েল সরবরাহ করা হবে দেশের বিভিন্ন বিমানবন্দরে। আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্যবৃদ্ধি ও সরবরাহ বিলম্বের কারণে সম্প্রতি জ্বালানি ব্যবস্থাপনায় চাপ তৈরি হয়েছে।   এ মাসে মোট ১৭টি জাহাজে জ্বালানি আসার কথা থাকলেও এখন পর্যন্ত এসেছে ৯টি। বাকি কয়েকটি জাহাজের সূচি এখনও অনিশ্চিত রয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করে বিপিসির চেয়ারম্যান মো. রেজানুর রহমান বলেন, পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী জাহাজটি দেশে পৌঁছেছে এবং বর্তমানে জ্বালানির বড় কোনো সংকট নেই। পাশাপাশি বিকল্প উৎস থেকেও জ্বালানি সংগ্রহের চেষ্টা চলছে।   বিপিসি সাধারণত সরকার-টু-সরকার (জিটুজি) চুক্তি এবং আন্তর্জাতিক দরপত্রের মাধ্যমে জ্বালানি আমদানি করে থাকে। দেশে বছরে প্রায় ৬৫ থেকে ৬৮ লাখ টন জ্বালানি তেল আমদানি করা হয়। এর একটি অংশ অপরিশোধিত তেল, যা মূলত সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে আসে; বাকিটা পরিশোধিত অবস্থায় বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করা হয়।   দেশে জ্বালানি ব্যবহারের বড় অংশই ডিজেলনির্ভর। কৃষি সেচ, পরিবহন ও বিদ্যুৎ উৎপাদনে এর ব্যবহার বেশি হওয়ায় সরবরাহে সামান্য ঘাটতিও দ্রুত প্রভাব ফেলে। বর্তমানে দেশে প্রায় ১৩ দিনের ডিজেল ও ২৫ দিনের জেট ফুয়েলের মজুত রয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২৬, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলি হামলায় বাস্তুচ্যুত ৪০ লাখ মানুষ

ছবি: সংগৃহীত।

মার্কিন যুদ্ধবিমানে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, ভিডিও প্রকাশ

তেহরানের বাসিন্দা নার্গেস নামের এই নারীর বাসভবনে হামলা হয় ২১শে মার্চ। ছবি: সংগৃহীত

যুদ্ধের জন্য যে মূল্য দিতে হচ্ছে ইরানের নিরপরাধ সাধারণ মানুষকে

ইরানি রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) নৌ-কমান্ডার আলী রেজা তাংসিরি। ছবি: সংগৃহীত
ইসরায়েলি হামলায় নৌ-প্রধানের মৃত্যু ইরানের জন্য হতে পারে অপূরণীয় ক্ষতি

ইরানি রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) নৌ-কমান্ডার আলী রেজা তাংসিরিকে হত্যার দাবি করেছে ইসরায়েল।  তেহরান এখন পর্যন্ত এই খবরের আনুষ্ঠানিক সত্যতা নিশ্চিত না করলেও, এই দাবি সত্য হলে তা ইরানের সামরিক কাঠামোর জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি হিসেবে বিবেচিত হবে। কমান্ডার তাংসিরি কেবল একজন সামরিক কর্মকর্তাই নন, বরং কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ‘হরমুজ প্রণালী’র ওপর ইরানের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখার প্রধান কারিগর ছিলেন। গত কয়েক দিনে তিনি এই জলপথ বন্ধ করে দেওয়ার কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন, যা সরাসরি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে দেওয়া হয়েছিল।  একের পর এক শীর্ষ সামরিক কমান্ডারকে হারিয়ে ইরান বর্তমানে এক কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। তাংসিরির মতো ব্যক্তিত্বের প্রস্থান মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২৬, ২০২৬ 0
ফাইল ছবি

ইরান আমাকে সর্বোচ্চ নেতা হওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে: ডোনাল্ড ট্রাম্প

ছবি: সংগৃহীত।

হার মানতে যুক্তরাষ্ট্রের চরম হুঁশিয়ারি, পালটা জবাব ইরানের

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সৈয়দ আব্বাস আরাগচি।

হরমুজ প্রণালিতে নিরাপদ বাংলাদেশের জাহাজ: বিশেষ নিরাপত্তা দেবে ইরান

0 Comments