বিশ্ব

‘অ্যান্টিলিসের মুক্তা’ দখল করতে কেন এত মরিয়া হয়ে উঠেছেন ট্রাম্প?

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১৯, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।
ছবি: সংগৃহীত।

"জন্ম থেকেই কিউবার নাম শুনে আসছি, এবার কোনো না কোনোভাবে আমরা কিউবা নিয়ে নেব।"— মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই একটি বাক্যেই নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে আন্তর্জাতিক রাজনীতির ময়দান। 


গত মঙ্গলবার হোয়াইট হাউসের ওভাল অফিস থেকে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কিউবা দখলের এক প্রকার প্রকাশ্য ঘোষণা দিলেন তিনি।


সংকটে কিউবা: অন্ধকারে ডুবছে দ্বীপরাষ্ট্র
বর্তমানে কিউবা ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ জ্বালানি সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। বিদ্যুৎহীনতায় কিউবার বিস্তীর্ণ অঞ্চল এখন অন্ধকারে নিমজ্জিত। দেশটির প্রেসিডেন্ট মিগুয়েল দিয়াজ-ক্যানেল জানিয়েছেন, গত তিন মাসে কোনো জ্বালানি তেল কিউবায় প্রবেশ করতে পারেনি। ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর পতনের পর সেখান থেকে তেল আমদানিতে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা জারি হওয়ায় কিউবার পাওয়ার গ্রিডগুলো অচল হয়ে পড়েছে।


সুর নরম থেকে চরম: ট্রাম্পের ৮ দিনের পরিবর্তন
মাত্র আট দিন আগে গত ৯ই মার্চ ট্রাম্প কিউবার সংকট নিরসনে 'বন্ধুত্বপূর্ণ অধিগ্রহণে'র (Friendly Acquisition) প্রস্তাব দিয়েছিলেন। কিন্তু ১৭ই মার্চ তার সুর সম্পূর্ণ বদলে যায়। তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, "আমরা কিউবাকে স্বাধীন করতে পারি, অধিগ্রহণ করতে পারি বা যা খুশি করতে পারি। সত্যি বলতে, ওরা এখন অত্যন্ত দুর্বল একটি রাষ্ট্র।"


ইতিহাসের প্রেক্ষাপট: ২০০ বছরের আধিপত্যের লড়াই
বিশেষজ্ঞদের মতে, কিউবার প্রতি ট্রাম্পের এই মনোভাব কেবল ব্যক্তিগত নয়, বরং এটি আমেরিকার দীর্ঘদিনের ভূ-রাজনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষারই প্রতিফলন। ১৯০২ সালে কিউবা নামমাত্র স্বাধীনতা পেলেও মার্কিন 'প্ল্যাট সংশোধনী'র মাধ্যমে দেশটির অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ বজায় রাখে ওয়াশিংটন। পরবর্তীতে ফিদেল কাস্ত্রোর বিপ্লব এবং চে গেভারার গেরিলা যুদ্ধের মাধ্যমে কিউবা আমেরিকার প্রভাবমুক্ত হওয়ার চেষ্টা করলেও তা চিরস্থায়ী শত্রুতার জন্ম দেয়। ১৯৬১ সালের ব্যর্থ 'বে অফ পিগস' অভিযান থেকে শুরু করে বর্তমানের অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা—আমেরিকা সবসময়ই কিউবাকে একটি 'কমিউনিস্ট হুমকি' হিসেবে দেখে এসেছে।


আদর্শগত যুদ্ধ ও মারকো রুবিও ফ্যাক্টর
ট্রাম্পের বর্তমান প্রশাসনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী মারকো রুবিও, যিনি নিজে একজন কিউবান শরণার্থীর সন্তান, কিউবায় সরকার পরিবর্তনের কট্টর সমর্থক। ট্রাম্প এমনকি রুবিওকে কিউবার ভবিষ্যৎ প্রেসিডেন্ট হিসেবে দেখার ইচ্ছাও প্রকাশ করেছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, কিউবা এখন ট্রাম্পের কাছে একটি 'আদর্শগত যুদ্ধ' বা 'আইডিওলজিক্যাল ব্যাটল' হয়ে দাঁড়িয়েছে।


ভেনেজুয়েলার পর কিউবা কি তবে আমেরিকার পরবর্তী লক্ষ্য? ট্রাম্পের এই 'অধিগ্রহণ' বার্তার পর লাতিন আমেরিকার রাজনীতি কোন দিকে মোড় নেয়, এখন সেটাই দেখার বিষয়। সূত্র: বিবিসি।

জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

Advertisement

বিশ্ব

View more
ছবি: সংগৃহীত।
রিয়াদ বৈঠকের পর ইরানকে কঠোর হুঁশিয়ারি ১২ মুসলিম দেশের

মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক নৌপথের স্থিতিশীলতা রক্ষায় একজোট হয়েছে অঞ্চলের প্রভাবশালী ১২টি রাষ্ট্র। বুধবার সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে এক জরুরি বৈঠক শেষে এক যৌথ বিবৃতিতে ইরানকে অবিলম্বে সব ধরনের হামলা বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছে দেশগুলো। কাতার, আজারবাইজান, বাহরাইন, মিশর, জর্ডান, কুয়েত, লেবানন, পাকিস্তান, সৌদি আরব, সিরিয়া, তুরস্ক এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা এই যৌথ বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন। বিবৃতিতে তেহরানকে উদ্দেশ্য করে বলা হয়, আঞ্চলিক শান্তি রক্ষায় ইরানকে অবশ্যই উস্কানিমূলক কর্মকাণ্ড থেকে সরে আসতে হবে। বিবৃতিতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী এবং লোহিত সাগরের প্রবেশদ্বার বাব আল-মান্দেব প্রণালীর ওপর। মন্ত্রীরা ইরানকে সতর্ক করে বলেন, আন্তর্জাতিক নৌচলাচল বাধাগ্রস্ত করা বা সমুদ্রপথে নিরাপত্তা হুমকি সৃষ্টি করা থেকে বিরত থাকতে হবে। বিশ্ব অর্থনীতির লাইফলাইন হিসেবে পরিচিত এই জলপথগুলোতে কোনো ধরনের অস্থিরতা কাম্য নয় বলে তারা একমত হন। একই বৈঠকে মন্ত্রীরা লেবাননের ওপর ইসরায়েলি হামলার তীব্র নিন্দা জানান। তারা লেবাননের নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা এবং আঞ্চলিক অখণ্ডতার প্রতি পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করেন। বিশ্লেষকদের মতে, রিয়াদের এই বৈঠক মধ্যপ্রাচ্যে নতুন মেরুকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে, যেখানে বড় দেশগুলো একযোগে ইরানকে সংযত হওয়ার বার্তা দিচ্ছে।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১৯, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।

বাগদাদ বিমানবন্দরের কাছে মার্কিন ঘাঁটিতে ড্রোন হামলা

ছবি: সংগৃহীত।

বিশ্বের সুখী দেশের তালিকা প্রকাশ: টানা নবমবার শীর্ষে ফিনল্যান্ড, অবনতি বাংলাদেশের

ছবি: সংগৃহীত।

হরমুজে আরও এক জাহাজে হামলা: স্যাটেলাইট চিত্রে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের দৃশ্য

ইমামোগলুর সমর্থনে ইস্তাম্বুলে বিরাট মিছিল
কারাবন্দি ইমামোগলুর মুক্তির দাবিতে প্রকম্পিত ইস্তাম্বুলের রাজপথ

তুরস্কের রাজনীতির জনপ্রিয় মুখ এবং ইস্তাম্বুলের মেয়র একরেম ইমামোগলুর কারাবাসের এক বছর পূর্ণ হওয়ার দিনে বিশাল গণমিছিলে উত্তাল হয়ে উঠেছে শহরটি।  দীর্ঘ এক বছর বিনাবিচারে বন্দি থাকার পর সম্প্রতি তাকে আদালতে তোলা হলে সরকারি আইনজীবী তার বিরুদ্ধে অবিশ্বাস্য ২,৪৩০ বছরের কারাদণ্ড দাবি করেন।  প্রেসিডেন্ট রেচেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের প্রধান রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে পরিচিত এই নেতার বিরুদ্ধে আনা হয়েছে সন্ত্রাসবাদ ও দেশদ্রোহিতার অভিযোগ। তবে সমর্থকদের দাবি, এটি কেবল রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ছাড়া আর কিছুই নয়।  জেল থেকে পাঠানো এক চিঠিতে ইমামোগলু বর্তমান শাসনব্যবস্থার ‘দুর্নীতির মানসিকতা’ নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেছেন এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১৯, ২০২৬ 0
মার্কিন জাতীয় গোয়েন্দা বিভাগের পরিচালক তুলসী গ্যাবার্ড এবং ট্রাম্প প্রশাসনের অন্য শীর্ষ কর্মকর্তারা

'দুর্বল' হলেও ইরানের শাসনব্যবস্থা এখনও 'অটুট': মার্কিন গোয়েন্দা প্রধানের স্বীকারোক্তি

ছবি: সংগৃহীত।

‘অ্যান্টিলিসের মুক্তা’ দখল করতে কেন এত মরিয়া হয়ে উঠেছেন ট্রাম্প?

যুক্তরাষ্ট্রে নাগরিকদের ব্যক্তিগত তথ্য কেনার অভিযোগে এফবিআই

যুক্তরাষ্ট্রে নাগরিকদের ব্যক্তিগত তথ্য কেনার অভিযোগে এফবিআই

ছবি: সংগৃহীত
সর্বত্র বন্ধু থাকলেও কোথাও সুবিধা পাচ্ছে না ভারত

এক দশকেরও বেশি সময় ধরে ‘কৌশলগত স্বায়ত্তশাসন’ নীতির ওপর ভিত্তি করে বৈশ্বিক কূটনীতিতে ভারসাম্য বজায় রাখার চেষ্টা করছে ভারত। এই সময়ে দেশটি বিশ্বের প্রায় সব প্রভাবশালী জোট ও সংস্থায় নিজেদের অবস্থান শক্ত করেছে। কোয়াডের মাধ্যমে আমেরিকার সঙ্গে, সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার মাধ্যমে চীনের সঙ্গে, ব্রিকসের মাধ্যমে রাশিয়ার সঙ্গে এবং আইটুইউটুর মাধ্যমে ইসরাইল ও সংযুক্ত আরব আমিরাত-এর সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রেখেছে নয়াদিল্লি।   নীতিনির্ধারকরা মনে করেন, ভারতের কৌশল ছিল জাতীয় স্বার্থে সবার সঙ্গে সম্পর্ক রাখা, তবে কারো সঙ্গে অতিরিক্ত ঘনিষ্ঠ না হওয়া। এই ভারসাম্য রক্ষার কূটনীতিই দীর্ঘদিন ধরে দেশটির বৈশ্বিক অবস্থান নির্ধারণ করেছে। দেশটির কর্মকর্তারা প্রতিবেশী দেশ থেকে শুরু করে পরাশক্তিগুলোকে লক্ষ্য করে তীক্ষ্ণ মন্তব্য করেন। ভারতের পররাষ্ট্রনীতিতে তিনটি বিষয় বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে—প্রবাসী ভারতীয়দের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, প্রতিবেশী দেশে সন্ত্রাস দমন এবং দেশের জন্য তেল ও গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করা। তবে ইরানকে ঘিরে সাম্প্রতিক উত্তেজনা এই তিন ক্ষেত্রেই নতুন ঝুঁকি তৈরি করেছে, বিশেষ করে তেল ও গ্যাস সরবরাহে।   এই প্রেক্ষাপটে নয়াদিল্লির জন্য পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে নতুন করে ভাবার সময় এসেছে। ইতোমধ্যেই কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার করেছে ভারত। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর ইরানের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। এর ফলে হরমুজ প্রণালির মাধ্যমে দুটি ভারতীয় গ্যাসবাহী ট্যাংকার চলাচলের অনুমতি পেয়েছে। তবে রয়টার্স জানিয়েছে, এখনো ভারতের ২২টি জাহাজ ওই অঞ্চলের জলসীমায় আটকা রয়েছে।   এই জাহাজগুলো শুধু মোদির আহ্বানেই মুক্ত হবে না। ভারতের কাছে জব্দ ইরানের তিনটি জাহাজ ফেরত দেওয়া বা তেহরানে ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম পাঠানোর বিনিময়ে জাহাজগুলো মুক্ত করা যেতে পারে। তেহরানের আস্থা অর্জন করতে হলে ভারতের জন্য ওয়াশিংটনের সঙ্গে সম্পর্কের নাজুকতা মোকাবিলা করা প্রয়োজন। এর আগে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন ঘোষণা করেছিল, মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল সরবরাহ কমার কারণে ভারতকে কিছু রাশিয়ান তেল কেনার অনুমতি দেওয়া হবে। তবে নয়াদিল্লি যদি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে, তাহলে ট্রাম্প প্রশাসনের এই ছাড় বজায় থাকবে কি না, তা অনিশ্চিত।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১৯, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

হরমুজ প্রণালিতে জাহাজে হামলা

কাতারের বৃহত্তম শিল্পাঞ্চলে ইরানের হামলা

কাতারের বৃহত্তম শিল্পাঞ্চলে ইরানের হামলা

ছবি: সংগৃহীত

ঈদ উপলক্ষে পাকিস্তান-আফগানিস্তান যুদ্ধবিরতি ঘোষণা

0 Comments