আন্তর্জাতিক

দুর্নীতির অভিযোগে বিচারের মুখে স্পেনের প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রী, পাসপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুন ২১, ২০২৬ ১৩:৩১
স্পেনের প্রধানমন্ত্রীর ও তার স্ত্রী l ছবি: সংগৃহীত
স্পেনের প্রধানমন্ত্রীর ও তার স্ত্রী l ছবি: সংগৃহীত

স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজের স্ত্রী বেগোনা গোমেজের বিরুদ্ধে প্রভাব খাটানো এবং সরকারি সম্পদের অপব্যবহারের অভিযোগে বিচার কার্যক্রম শুরুর নির্দেশ দিয়েছেন দেশটির একটি আদালত। একই সঙ্গে তাকে পাসপোর্ট জমা দিতে এবং নিয়মিত আদালতে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

 

শনিবার তদন্তকারী বিচারক হুয়ান কার্লোস পিনাদো আদেশে বলেন, গোমেজের দেশত্যাগের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। সে কারণে তাকে পাসপোর্ট জমা দিতে হবে এবং প্রতি দুই সপ্তাহে একবার আদালতে উপস্থিত থাকতে হবে। তবে মামলার শুনানির নির্দিষ্ট তারিখ এখনো ঘোষণা করা হয়নি।

 

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, গোমেজ তার অবস্থানের প্রভাব ব্যবহার করে কয়েকটি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানকে সরকারি চুক্তি পেতে সহায়তা করেছেন। এছাড়া একজন পরামর্শক নিয়োগে সরকারি অর্থের অপব্যবহার এবং একটি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে দায়িত্ব পালনের সময় সফটওয়্যার ব্যবহারে অনিয়মের অভিযোগও তদন্তের আওতায় রয়েছে।

 

তবে বেগোনা গোমেজ তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন। প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজও মামলাটিকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে উল্লেখ করেছেন। তার দাবি, এটি সরকারের বিরুদ্ধে পরিচালিত একটি সংগঠিত প্রচারণার অংশ।

 

বিচারক পিনাদো জানিয়েছেন, সরকারি চুক্তি থেকে সুবিধা পাওয়ার অভিযোগে এক ব্যবসায়ী এবং গোমেজের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একজন পরামর্শককেও বিচারের মুখোমুখি হতে হবে।

 

এই মামলাকে ঘিরে স্পেনের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। বিরোধী দলগুলো সরকারের সমালোচনা জোরদার করেছে এবং আগাম নির্বাচনের দাবি তুলেছে।

 

ক্ষমতাসীন সোশ্যালিস্ট পার্টি আদালতের পদক্ষেপের কড়া সমালোচনা করে বলেছে, বেগোনা গোমেজ দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক ও বিচারিক চাপের মুখে রয়েছেন। দলটির মতে, তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের পেছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য রয়েছে।

 

অন্যদিকে প্রধান বিরোধী দল পিপলস পার্টি সরকারের বিরুদ্ধে বিচার বিভাগ ও গণমাধ্যমের ওপর চাপ প্রয়োগের অভিযোগ তুলেছে। দলটির নেতারা দাবি করেছেন, বর্তমান পরিস্থিতি স্পেনের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য উদ্বেগজনক।

 

আগামী বছরের সাধারণ নির্বাচনকে সামনে রেখে সানচেজ সরকার একাধিক আইনি ও রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছে। চলতি সপ্তাহে সাবেক প্রধানমন্ত্রী হোসে লুইস রদ্রিগেজ জাপাতেরোকেও একটি পৃথক তদন্তের অংশ হিসেবে আদালতে ব্যাখ্যা দিতে হয়েছে। যদিও তিনি কোনো ধরনের অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

দেশের প্রথম ৪০ তলা ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর সম্পন্ন

বাংলাদেশের আবাসন শিল্পে এক নতুন ইতিহাস রচিত হলো। রাজধানীর তেজগাঁও শিল্প এলাকায় নির্মিত দেশের প্রথম ৪০ তলা বিশিষ্ট আকাশচুম্বী বাণিজ্যিক ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেছে শান্তা হোল্ডিংস। ৫০০ ফুট উচ্চতার এই আইকনিক ভবনটি এখন দেশের সর্বোচ্চ সম্পন্ন হওয়া ইমারত। গত শনিবার (১৮ এপ্রিল) ভবনের ৪০তম তলায় আয়োজিত এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এটি হস্তান্তর করা হয়। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের চেয়ারম্যান খন্দকার মনির উদ্দিন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, স্থপতি এহসান খানসহ প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ভূমি মালিক এবং গ্রাহকরা উপস্থিত ছিলেন। স্থাপত্যশৈলী ও আধুনিক প্রযুক্তি:‘শান্তা পিনাকল’ শুধুমাত্র উচ্চতার কারণেই অনন্য নয়, বরং এটি আধুনিক নির্মাণশৈলী ও প্রযুক্তির এক অনন্য সমন্বয়। এটি বাংলাদেশের প্রথম ভবন যা পরিবেশবান্ধব স্থাপত্যের জন্য আন্তর্জাতিক ‘লিড প্ল্যাটিনাম’ (LEED Platinum) স্বীকৃতি পেয়েছে। সিঙ্গাপুরভিত্তিক বিখ্যাত ইঞ্জিনিয়ারিং প্রতিষ্ঠান ‘মেইনহার্ট’ (Meinhardt) এর সহায়তায় ভবনটির স্ট্রাকচারাল ডিজাইন এবং ভূমিকম্প প্রতিরোধক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। বিশেষ বৈশিষ্ট্যসমূহ: উন্নত লিফট ব্যবস্থা: ভবনটিতে রয়েছে ৮টি দ্রুতগামী লিফট, যা প্রতি সেকেন্ডে ৪ মিটার উচ্চতায় উঠতে সক্ষম। এটি দেশের দ্রুততম ভার্টিক্যাল ট্রান্সপোর্ট ব্যবস্থা। পরিবেশ ও সুরক্ষা: ভবনে ব্যবহৃত হয়েছে ৩৬ মিমি পুরুত্বের ডাবল গ্লেজড গ্লাস, যা তাপ ও শব্দ নিরোধক। এছাড়া এটি দেশের প্রথম ‘উইন্ড টানেল টেস্ট’ করা ভবন, যা প্রতিকূল আবহাওয়ায় এর স্থায়িত্ব নিশ্চিত করে। আইবিএমএস প্রযুক্তি: পুরো ভবনটি একটি ইন্টেলিজেন্ট বিল্ডিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (iBMS) দ্বারা পরিচালিত, যা সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ও জ্বালানি সাশ্রয় নিশ্চিত করবে। অগ্নি নিরাপত্তা: আন্তর্জাতিক এনএফপিএ (NFPA) স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করে এখানে অত্যাধুনিক অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর দেশের রিয়েল এস্টেট খাতের সক্ষমতার এক বড় প্রমাণ। এটি শুধুমাত্র তেজগাঁও নয়, বরং পুরো ঢাকার বাণিজ্যিক পরিবেশকে বিশ্বমানের স্তরে নিয়ে যাবে। দেশের ইতিহাসে প্রথমবার অ্যালুমিনিয়াম ফর্মওয়ার্ক ব্যবহারের মাধ্যমে মাত্র সাত দিনে এক একটি তলার ছাদ ঢালাইয়ের রেকর্ড গড়ে এই প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। ঢাকার আকাশসীমায় নতুন এই ল্যান্ডমার্ক দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং আধুনিক নগরায়নের এক শক্তিশালী প্রতীক হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে।

ছয় বছরের মেয়ের মৃত্যুর পর বাবারও মরদেহ উদ্ধার , একসঙ্গে দাফন করা হবে বাবা-মেয়েকে

অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে ছয় বছরের এক শিশুকন্যা ও তার বাবার মৃত্যুকে ঘিরে শোকের ছায়া নেমে এসেছে স্থানীয় সম্প্রদায়ের মধ্যে। পুলিশ জানিয়েছে, পারামাট্টা নদীতে ঘটে যাওয়া এই মর্মান্তিক ঘটনায় ৪৭ বছর বয়সী মওলিক ধান্ধুকিয়া এবং তার ছয় বছরের মেয়ের মৃত্যু হয়েছে। ঘটনার পর তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।   স্থানীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত শনিবার সিডনির কনকর্ড এলাকার কাছে একটি নৌকা ভাড়া করেছিলেন মওলিক ধান্ধুকিয়া। তার সঙ্গে ছিলেন ছয় বছর বয়সী কন্যা। কিছু সময় পর নদীতে জরুরি পরিস্থিতির খবর পেয়ে উদ্ধার অভিযান শুরু করে পুলিশ ও জরুরি সেবা সংস্থাগুলো।   আরও পড়ুন...টেক্সাসে স্বামীর গুলিতে স্ত্রী নিহত, পরে পুলিশের গুলিতে স্বামী নিহত; দুই শিশুকে   পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, দুপুরের কিছু আগে মওলিক ধান্ধুকিয়ার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এরপর প্রায় সাত ঘণ্টা ধরে শিশুটির সন্ধানে ব্যাপক অনুসন্ধান চালানো হয়। উদ্ধারকারীরা শেষ পর্যন্ত বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে শিশুকন্যার মরদেহ নদী থেকে উদ্ধার করেন। ঘটনার তদন্তে সহায়তার জন্য আশপাশের বিভিন্ন সূত্র থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। স্থানীয় একটি স্থাপনার সিসিটিভি ফুটেজও তদন্তকারীদের হাতে এসেছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটির প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।   এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক শোকবার্তায় জানানো হয়েছে, আগামী শুক্রবার রাউস হিলের ক্যাসেলব্রুক ক্রেমেটোরিয়ামে বাবা ও মেয়ের যৌথ শেষকৃত্য অনুষ্ঠিত হবে। শোকবার্তায় লেখা হয়েছে, “দুই কোমল ও সদয় আত্মা, যারা চিরকাল আমাদের হৃদয়ে বেঁচে থাকবে। তাদের আত্মার শান্তি কামনা করছি।” তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার আগে কয়েক দফা নৌকা ভাড়া করেছিলেন মওলিক ধান্ধুকিয়া। একবার তার স্ত্রী প্রীতিবেন ধান্ধুকিয়াও তার সঙ্গে ছিলেন বলে জানা গেছে।   আরও পড়ুন...টেক্সাসে বিস্ফোরণের আগুনে পুড়েও বাড়ি ও নাতি-নাতনিদের বাঁচালেন এক সাহসী দাদা   পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একটি চিরকুট উদ্ধার করেছে, যা তদন্তের অংশ হিসেবে পরীক্ষা করা হচ্ছে। তবে এখন পর্যন্ত এর বিষয়বস্তু প্রকাশ করা হয়নি। কেন এমন ঘটনা ঘটল, সে বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে মৃত্যুর প্রায় দুই সপ্তাহ আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দীর্ঘ একটি পোস্ট করেছিলেন মওলিক ধান্ধুকিয়া। সেখানে তিনি ২০০৫ সালে জিমে ব্যায়াম করার সময় ঘাড়ে পাওয়া আঘাতের কারণে দীর্ঘদিন ধরে ভোগা শারীরিক সমস্যার কথা উল্লেখ করেছিলেন।   ওই পোস্টে তিনি লিখেছিলেন, ঘাড়ের দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা তার জীবনের অনেক সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। এমআরআই পরীক্ষায় তার মেরুদণ্ডের ঘাড়ের অংশে স্নায়ুর ওপর চাপের বিষয়টি ধরা পড়ে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। মওলিক ধান্ধুকিয়া পেশাগত জীবনে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে কাজ করতেন। ২০২২ সাল থেকে তিনি সাউথ ইস্টার্ন সিডনি লোকাল হেলথ ডিস্ট্রিক্টে অ্যাপ্লিকেশন সাপোর্ট বিশ্লেষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এর আগে অস্ট্রেলিয়া ও ভারতে বিভিন্ন সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠানে কাজ করেছেন।   এই ঘটনার পর পরিবারটির জন্য সহায়তা তহবিলও গঠন করেছেন স্বজন ও পারিবারিক বন্ধুরা। তহবিল সংগ্রহের আহ্বানে বলা হয়েছে, প্রীতিবেন ধান্ধুকিয়া একসঙ্গে তার স্বামী ও একমাত্র কন্যাকে হারিয়েছেন। এই কঠিন সময়ে তাকে আর্থিক ও মানসিক সহায়তা দেওয়ার জন্য সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়েছে।   ▶️ ট্রাম্পের লাখ ডলারের এইচ-১বি ভিসা ফি অবৈধ ঘোষণা মার্কিন আদালতের   তহবিলের অর্থ শেষকৃত্যের ব্যয়, ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা এবং নিকট আত্মীয়দের যাতায়াত ও আবাসন খাতে ব্যবহার করা হবে বলে জানানো হয়েছে। নিউ সাউথ ওয়েলস পুলিশের সুপারিনটেনডেন্ট ক্রিস্টিন ম্যাকডোনাল্ড ঘটনাটিকে “পরিবার ও সমাজের জন্য এক গভীর ট্র্যাজেডি” হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, “এটি অত্যন্ত হৃদয়বিদারক একটি ঘটনা। আমরা সব দিক থেকে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছি এবং কোনো সম্ভাবনাই উপেক্ষা করা হবে না।” পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার পেছনে পারিবারিক সহিংসতার কোনো উপাদান ছিল কি না, সেটিও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো হয়নি।   ঘটনার পর পুরো এলাকায় শোকের আবহ বিরাজ করছে। বাবা ও মেয়ের একসঙ্গে শেষকৃত্যের খবর আরও আবেগঘন পরিবেশ তৈরি করেছে। স্বজন ও পরিচিতজনরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের স্মরণ করে শোক প্রকাশ করছেন।

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

Advertisement

আন্তর্জাতিক

View more
ছবিঃ কোলাজ আমেরিকা বাংলা
হিজবুল্লাহকে থামান, নইলে ইরানে আরও ভয়াবহ হামলা করব—ট্রাম্পের চরম হুঁশিয়ারি

লেবাননে সক্রিয় সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহকে নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যর্থ হলে ইরানের ওপর আরও ভয়াবহ হামলার সরাসরি হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। রোববার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম 'ট্রুথ সোশ্যাল'-এ দেওয়া এক বার্তায় তিনি চরম সতর্কবার্তা উচ্চারণ করে বলেন, ইরানকে অবিলম্বে লেবাননে তাদের 'উচ্চ বেতনের প্রক্সি' গোষ্ঠীর মাধ্যমে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি বন্ধ করতে হবে। তারা যদি তা না করে, তবে গত সপ্তাহে যেভাবে হামলা চালানো হয়েছিল, এবার তার চেয়েও আরও কঠোর ও বড় পরিসরে ইরানে আঘাত হানা হবে।   গত শুক্রবার থেকে একটি যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার কথা থাকলেও সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ইসরাইল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘাত অব্যাহত রয়েছে। এই অস্থিতিশীল পরিস্থিতি যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার ভঙ্গুর প্রাথমিক শান্তি চুক্তিকে চরম হুমকির মুখে ফেলেছে। এর মধ্যেই শনিবার হিজবুল্লাহর ওপর ইসরাইলি হামলার জবাবে হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়ার দাবি করে ইরান। তবে মার্কিন কর্মকর্তাদের দাবি, বিশ্বজ্বালানি পরিবহনের এই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পথ দিয়ে এখনও অন্যান্য দেশের নৌযান চলাচল করতে পারছে।   ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প ইরানকে চরম পরিণতি ভোগের হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, তারা যদি হরমুজ প্রণালি বন্ধের চেষ্টা করে তবে তাদের কোনো দেশের অস্তিত্বই থাকবে না। এমনকি যুক্তরাষ্ট্রকে যদি প্রণালিতে অন্যান্য দেশের তেলের জাহাজের 'ত্রাণকর্তা' হিসেবে কাজ করতে হয়, তবে এর জন্য টোল আদায়ের বা প্রণালির পুরো নিয়ন্ত্রণ নেওয়ারও হুমকি দেন তিনি। একই সঙ্গে, ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের 'ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের অধিকার না ছাড়ার' প্রকাশ্য ঘোষণারও কড়া সমালোচনা করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি চরম সতর্কবার্তা দিয়ে বলেন, পেজেশকিয়ানকে অবশ্যই কথাবার্তায় লাগাম টানতে হবে, অন্যথায় যুক্তরাষ্ট্র পুরো দেশের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেবে।   এর আগে, ইরানের সাথে একটি সংবেদনশীল শান্তি চুক্তি টিকিয়ে রাখার স্বার্থে লেবাননে যুদ্ধ বন্ধ করতে ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকেও চাপ দিয়েছিলেন ট্রাম্প। তবে রোববারের বার্তায় তিনি পুরো সংঘাতের দায়ভার মূলত ইরানের ওপরই চাপিয়েছেন। গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের (এমওইউ) প্রথম শর্তই ছিল লেবাননসহ সব ফ্রন্টে অবিলম্বে যুদ্ধ বন্ধ করা। কিন্তু বাস্তবে তা অত্যন্ত কঠিন প্রমাণিত হচ্ছে। চলমান এই সংঘাতের জেরে সুইজারল্যান্ডে এমওইউ-এর অধীনে প্রথম দফার শান্তি আলোচনাও বিলম্বিত হয়েছে, যা রোববার থেকে শুরু হয়ে মঙ্গলবার পর্যন্ত চলতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। উল্লেখ্য, একটি পূর্ণাঙ্গ শান্তি চুক্তিতে পৌঁছানোর জন্য এবং ইউরেনিয়াম মজুতের মতো জটিল বিষয়গুলো সমাধানের লক্ষ্যে এই সমঝোতা স্মারকে উভয় দেশকেই ৬০ দিনের সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুন ২১, ২০২৬ ১৪:৫০
উইঙ্গার জেরেমি ডোকু l ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বকাপের মাঝপথে পরিবারকে বেছে নেওয়া ডোকু, ফুটবল বিশ্বে নতুন বিতর্ক

রাজ্যের নবনির্বাচিত সরকারের প্রথম বাজেট পেশ হতে চলেছে বিধানসভায় l কোলাজ আমেরিকা বাংলা

বাজেটের আগে বাংলার জন্য মোদির ‘মেগা উপহার’, ৬০ হাজার কোটি টাকার বরাদ্দ ঘিরে জোর আলোচনা

ছবিঃ কোলাজ আমেরিকা বাংলা

ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের জোটে ফাটল ধরাতে ইরানের নতুন কৌশল

স্পেনের প্রধানমন্ত্রীর ও তার স্ত্রী l ছবি: সংগৃহীত
দুর্নীতির অভিযোগে বিচারের মুখে স্পেনের প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রী, পাসপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ

স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজের স্ত্রী বেগোনা গোমেজের বিরুদ্ধে প্রভাব খাটানো এবং সরকারি সম্পদের অপব্যবহারের অভিযোগে বিচার কার্যক্রম শুরুর নির্দেশ দিয়েছেন দেশটির একটি আদালত। একই সঙ্গে তাকে পাসপোর্ট জমা দিতে এবং নিয়মিত আদালতে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।   শনিবার তদন্তকারী বিচারক হুয়ান কার্লোস পিনাদো আদেশে বলেন, গোমেজের দেশত্যাগের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। সে কারণে তাকে পাসপোর্ট জমা দিতে হবে এবং প্রতি দুই সপ্তাহে একবার আদালতে উপস্থিত থাকতে হবে। তবে মামলার শুনানির নির্দিষ্ট তারিখ এখনো ঘোষণা করা হয়নি।   মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, গোমেজ তার অবস্থানের প্রভাব ব্যবহার করে কয়েকটি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানকে সরকারি চুক্তি পেতে সহায়তা করেছেন। এছাড়া একজন পরামর্শক নিয়োগে সরকারি অর্থের অপব্যবহার এবং একটি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে দায়িত্ব পালনের সময় সফটওয়্যার ব্যবহারে অনিয়মের অভিযোগও তদন্তের আওতায় রয়েছে।   তবে বেগোনা গোমেজ তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন। প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজও মামলাটিকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে উল্লেখ করেছেন। তার দাবি, এটি সরকারের বিরুদ্ধে পরিচালিত একটি সংগঠিত প্রচারণার অংশ।   বিচারক পিনাদো জানিয়েছেন, সরকারি চুক্তি থেকে সুবিধা পাওয়ার অভিযোগে এক ব্যবসায়ী এবং গোমেজের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একজন পরামর্শককেও বিচারের মুখোমুখি হতে হবে।   এই মামলাকে ঘিরে স্পেনের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। বিরোধী দলগুলো সরকারের সমালোচনা জোরদার করেছে এবং আগাম নির্বাচনের দাবি তুলেছে।   ক্ষমতাসীন সোশ্যালিস্ট পার্টি আদালতের পদক্ষেপের কড়া সমালোচনা করে বলেছে, বেগোনা গোমেজ দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক ও বিচারিক চাপের মুখে রয়েছেন। দলটির মতে, তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের পেছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য রয়েছে।   অন্যদিকে প্রধান বিরোধী দল পিপলস পার্টি সরকারের বিরুদ্ধে বিচার বিভাগ ও গণমাধ্যমের ওপর চাপ প্রয়োগের অভিযোগ তুলেছে। দলটির নেতারা দাবি করেছেন, বর্তমান পরিস্থিতি স্পেনের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য উদ্বেগজনক।   আগামী বছরের সাধারণ নির্বাচনকে সামনে রেখে সানচেজ সরকার একাধিক আইনি ও রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছে। চলতি সপ্তাহে সাবেক প্রধানমন্ত্রী হোসে লুইস রদ্রিগেজ জাপাতেরোকেও একটি পৃথক তদন্তের অংশ হিসেবে আদালতে ব্যাখ্যা দিতে হয়েছে। যদিও তিনি কোনো ধরনের অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুন ২১, ২০২৬ ১৩:৩১
ছবি: সংগৃহীত

দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান, কাতারে অবরুদ্ধ ৬ বিলিয়ন ডলার ফেরত পাচ্ছে ইরান

ছবি: সংগৃহীত

৫০ বছরে প্রথমবার ভিসা ফি বাড়াল জাপান, খরচ বাড়বে ৫ গুণ

ছবি: সংগৃহীত

কানাডার অভিবাসন নীতির কারণে ফেরত পাঠানো হচ্ছে আশ্রয়প্রার্থীদের, চরম সমালোচনায় সরকার

ছবি: সংগৃহীত
সুইজারল্যান্ডে মুখোমুখি যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান, হরমুজ প্রণালি নিয়ে আলোচনা শুরু

দীর্ঘ জল্পনা-কল্পনার পর সুইজারল্যান্ডে উচ্চপর্যায়ের মুখোমুখি বৈঠকে বসেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। দুই দেশের মধ্যে চলমান কূটনৈতিক অচলাবস্থা নিরসন এবং উত্তেজনা প্রশমনের লক্ষ্যেই এই আলোচনা শুরু হয়েছে।   রোববার (২১ জুন) সুইজারল্যান্ডের লেক লুসার্ন এলাকায় যুক্তরাষ্ট্র, ইরান এবং মধ্যস্থতাকারী দেশগুলোর প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে বৈঠক শুরু হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।   সূত্র অনুযায়ী, মার্কিন প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স এবং ইরানের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে রয়েছেন দেশটির পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ। মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাতার ও পাকিস্তানের প্রতিনিধিরাও আলোচনায় অংশ নিচ্ছেন।   বৈঠকের প্রধান আলোচ্য বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে হরমুজ প্রণালিতে নৌ চলাচল পরিস্থিতি, ইরানের ওপর আরোপিত অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা, তেল রপ্তানি এবং বিদেশে থাকা ইরানি সম্পদ অবমুক্ত করার বিষয়। এছাড়া মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং আঞ্চলিক বিভিন্ন ইস্যুও আলোচনায় স্থান পেয়েছে বলে জানা গেছে।   সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, দুই পক্ষই নিজেদের অবস্থান তুলে ধরছে এবং সম্ভাব্য সমঝোতার ক্ষেত্রগুলো খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে। বৈঠকের অগ্রগতির ওপর ভবিষ্যৎ কূটনৈতিক প্রক্রিয়ার দিকনির্দেশনা নির্ভর করতে পারে। আন্তর্জাতিক মহলে এই আলোচনাকে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিভিন্ন পক্ষের প্রত্যাশা, এই বৈঠকের মাধ্যমে কিছু মৌলিক বিষয়ে সমঝোতার পথ তৈরি হতে পারে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুন ২১, ২০২৬ ১২:৪৩
ছবি: সংগৃহীত

গাজায় ইসরায়েলি হামলায় আল জাজিরার ক্যামেরাপারসনসহ নিহত ৬

জুরিখ বিমানবন্দর | ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংলাপের কারণে সুইজারল্যান্ডের জুরিখ বিমানবন্দরে বিমান চলাচল ব্যাহত

ছবি: সংগৃহীত

সুইজারল্যান্ডে শুরু হলো যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের বহুল প্রতীক্ষিত ঐতিহাসিক কারিগরি সংলাপ

0 Comments