হরমুজ প্রণালীতে ট্যাংকার হামলার জেরে ইরানে শক্তিশালী বিমান হামলা চালাল যুক্তরাষ্ট্র
চলমান শান্তি আলোচনা এবং দ্বিপাক্ষিক সমঝোতা স্মারক উপেক্ষা করে আবারও বড় ধরনের সামরিক সংঘাতের মুখোমুখি হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালীতে তেলবাহী ট্যাংকারে ইরানের সাম্প্রতিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার জবাবে দেশটির ওপর পুনরায় ‘শক্তিশালী’ বিমান হামলা শুরু করেছে মার্কিন বিমান বাহিনী। এই হামলার পর মার্কিন-ইরান চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং গত মাসে স্বাক্ষরিত শান্তি চুক্তির ভবিষ্যৎ চরম অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে "বড় ধরনের সামরিক অভিযান" (major combat operations) ঘোষণার পর থেকে দুই দেশের মধ্যে ব্যাপক সংঘাত শুরু হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে গত মাসে দুই দেশের প্রতিনিধিরা যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেন এবং শান্তি আলোচনা শুরু করেন। তবে সেই চুক্তির তোয়াক্কা না করে জুন মাসের শেষের দিকেও দুই দেশ সীমিত পরিসরে একে অপরের ওপর হামলা চালায়। সর্বশেষ হরমুজ প্রণালীতে ইরানের হামলার পর যুক্তরাষ্ট্র তেহরানের ওপর তেল বিক্রির লাইসেন্স বাতিলের নিষেধাজ্ঞা পুনর্বহাল করে, যা ছিল মূলত শান্তি চুক্তির অন্যতম মূল শর্ত। এর পরপরই এই শক্তিশালী বিমান হামলা শুরু করে মার্কিন বাহিনী।
এদিকে মার্কিন এই হামলাকে গত মাসে স্বাক্ষরিত দ্বিপাক্ষিক সমঝোতা স্মারকের ‘গুরুতর লঙ্ঘন’ বলে আখ্যা দিয়েছে ইরান। দেশটির উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ‘ফার্স’ (FARS)-এ প্রকাশিত এক বিবৃতিতে মার্কিন পদক্ষেপের তীব্র নিন্দা জানান। তিনি সতর্ক করে বলেন, "যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক চুক্তি ভঙ্গের সমস্ত পরিণতির বিষয়ে আমরা তাদের গুরুতর হুঁশিয়ারি দিচ্ছি। ইরান তার জাতীয় স্বার্থ ও নিরাপত্তা রক্ষায় যেকোনো চূড়ান্ত ও নিষ্পত্তিমূলক পদক্ষেপ নিতে দ্বিধা করবে না।" মধ্যপ্রাচ্যের এই নতুন সামরিক উত্তেজনা বিশ্বজুড়ে জ্বালানি বাজার ও ভূরাজনীতিতে চরম অস্থিরতা তৈরি করেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়। তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।” ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে। প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন। ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন। প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল। মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি। রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে। ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে। অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর। যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।
২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো। প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে। এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে। অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে। স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে। সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।
যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে। এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি। উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।” বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে। এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়। উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত। এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।
যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে। আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন। ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে | এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।
আন্তর্জাতিক
View moreমিসরের আলেকজান্দ্রিয়ায় সমুদ্রসৈকতে বসার জায়গা নিয়ে বিতর্কের জেরে মর্মান্তিক এক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। নিজের ১৫ বছর বয়সী ছোট ভাইকে বাঁচাতে গিয়ে এক সৈকতকর্মীর হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন ২৭ বছর বয়সী এক নারী। ছুটির দিনে পরিবারের সঙ্গে সাগরের তীরে কাটানো আনন্দঘন মুহূর্তটি মুহূর্তেই রূপ নেয় এক বিষাদময় ট্র্যাজেডিতে। এই ঘটনার পরপরই আলেকজান্দ্রিয়া শহরের সমুদ্রসৈকতগুলোর নিরাপত্তা ও ব্যবস্থাপনায় কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। প্রাথমিক তদন্তের তথ্যানুযায়ী, পশ্চিম আলেকজান্দ্রিয়ার আগামি এলাকার ক্যানারি বিচে পানির কাছাকাছি বসার জায়গা নিয়ে ঘটনার সূত্রপাত। নিহতের ১৫ বছর বয়সী ছোট ভাইয়ের সঙ্গে ১৭ বছর বয়সী এক সৈকতকর্মীর বসার স্থান নিয়ে তর্কাতর্কি শুরু হয়, যা একপর্যায়ে হাতাহাতিতে রূপ নেয়। ওই নারী তার সন্তান ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গে সৈকতে অবস্থান করছিলেন। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে তিনি দুইজনকে ছাড়াতে এগিয়ে যান। প্রত্যক্ষদর্শীদের বিবরণ অনুযায়ী, এ সময় অভিযুক্ত কর্মী ওই নারীর চুল ধরে টান দেন এবং বুকে ধাক্কা মারেন। এতে তিনি উপুড় হয়ে পড়ে গেলে, সৈকতের ছাতার একটি কাঠের খুঁটি দিয়ে তার মাথায় সজোরে আঘাত করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হলেও চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। ঘটনার পরপরই নিহতের মরদেহ মর্গে পাঠানো হয়েছে এবং তার মৃত্যুর পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত তদন্ত শুরু করেছেন সরকারি কৌঁসুলিরা। আলেকজান্দ্রিয়ার প্রসিকিউটররা সন্দেহভাজন ১৭ বছর বয়সী ওই কিশোর কর্মীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চার দিনের হেফাজতে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। তবে অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় তার ক্ষেত্রে আইনি প্রক্রিয়াগুলো সতর্কতার সঙ্গে পালন করা হচ্ছে। এছাড়া একটি সরকারি হাসপাতালে সন্দেহভাজনের শারীরিক পরীক্ষা ও নিহতের চূড়ান্ত ফরেনসিক রিপোর্ট দ্রুত জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটনে পুলিশ প্রত্যক্ষদর্শীদের জিজ্ঞাসাবাদ করছে এবং সৈকতের আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ নিবিড়ভাবে খতিয়ে দেখছে। এই মর্মান্তিক ঘটনার পর আলেকজান্দ্রিয়া গভর্নরেট ওই সৈকত পরিচালনাকারীর চুক্তি বাতিলের আইনি প্রক্রিয়া শুরু করেছে। আলেকজান্দ্রিয়ার গভর্নর আহমেদ খালেদ হাসান সাঈদ শহরের সব সৈকতে নজরদারি ও নিরাপত্তা কঠোর করার নির্দেশ দিয়েছেন। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, সৈকত পরিচালনাকারীদের তাদের কর্মীদের অনুমোদিত তালিকা জমা দিতে হবে। পাশাপাশি, নিয়োগের আগেই কর্মীদের অপরাধের রেকর্ড বা ব্যাকগ্রাউন্ড চেক এবং স্বাস্থ্যগত সনদ থাকা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। নিয়ম লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নিতে সৈকতগুলোতে আকস্মিক পরিদর্শন বাড়ানোরও নির্দেশ দিয়েছেন শীর্ষ কর্মকর্তারা।
ভারতে বিয়ের আসর ছেড়ে অসুস্থ কর্মীর চিকিৎসা দিলেন চিকিৎসক কনে
কাতারে আটক ইরানি পাইলটদের দ্রুত হাসপাতালে নেওয়ার আহ্বান তেহরানের
সমুদ্রসৈকতের টয়লেটে তরুণীকে যৌন নিপীড়ন, সিরীয় শরণার্থীর ৬ বছরের জেল
কানাডা সরকার ২০২৬ সালে দুটি প্রধান অস্থায়ী কর্মসূচির আওতায় মোট ২ লাখ ৩০ হাজার বিদেশি কর্মী নেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। এর মধ্যে ৬০ হাজার কর্মী নেওয়া হবে টেম্পোরারি ফরেন ওয়ার্কার প্রোগ্রামের মাধ্যমে এবং ১ লাখ ৭০ হাজার কর্মী নেওয়া হবে ইন্টারন্যাশনাল মোবিলিটি প্রোগ্রামের আওতায়। এই পরিকল্পনার ফলে বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের জন্য কানাডায় কাজের সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে। তবে আবেদনকারীদের সংশ্লিষ্ট কর্মসূচির অভিবাসন ও চাকরিসংক্রান্ত শর্ত পূরণ করতে হবে। শুধু কর্মী নেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা থাকলেই কোনো ব্যক্তির চাকরি বা ভিসা নিশ্চিত হয় না। এদিকে বিদেশি কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে কিছু নিয়মেও পরিবর্তন এনেছে কানাডা। বিশেষ করে একাধিক ছোট কর্মস্থল থাকা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলো নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করলে আগের তুলনায় বেশি কম মজুরির অস্থায়ী বিদেশি কর্মী নিয়োগের সুযোগ পেতে পারে। নতুন হিসাব পদ্ধতিতে পুরো প্রতিষ্ঠানের মোট কর্মীর সংখ্যা বিবেচনার পরিবর্তে প্রতিটি যোগ্য কর্মস্থল আলাদাভাবে বিবেচনা করা হবে। কোনো কর্মস্থলে ১০ জনের কম কর্মী থাকলে সাধারণ খাতে একজন কম মজুরির অস্থায়ী বিদেশি কর্মী নিয়োগ করা যেতে পারে। আর স্বাস্থ্যসেবা, নির্মাণ ও খাদ্য উৎপাদনের মতো নির্দিষ্ট চাহিদাসম্পন্ন খাতে একই ধরনের ছোট কর্মস্থলে সর্বোচ্চ দুইজন পর্যন্ত নিয়োগের সুযোগ থাকতে পারে। তবে নিয়ম পরিবর্তন হলেও নিয়োগদাতারা ইচ্ছেমতো বিদেশি কর্মী নিয়োগ করতে পারবেন না। টেম্পোরারি ফরেন ওয়ার্কার প্রোগ্রামের আওতায় কম মজুরির কর্মী নিয়োগের আগে সাধারণত শ্রমবাজারের প্রভাব মূল্যায়ন নিতে হবে। এর মাধ্যমে কানাডার নাগরিক বা স্থায়ী বাসিন্দাদের মধ্যে ওই কাজের জন্য উপযুক্ত কর্মী পাওয়া যাচ্ছে কি না, তা যাচাই করা হয়। অন্যদিকে, ইন্টারন্যাশনাল মোবিলিটি প্রোগ্রাম সাধারণত শ্রমবাজারের প্রভাব মূল্যায়ন ছাড়াই বিদেশি কর্মীদের কানাডায় কাজের সুযোগ দেয়। এই কর্মসূচিতে কানাডার অর্থনীতি, সংস্কৃতি বা অন্যান্য বৃহত্তর স্বার্থে উপকারী হিসেবে বিবেচিত বিভিন্ন ধরনের কাজ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ২০২৬ সালের মোট ২ লাখ ৩০ হাজার কর্মীর লক্ষ্যমাত্রার মধ্যে এই কর্মসূচির অংশই সবচেয়ে বড়। কানাডার নতুন হিসাব অনুযায়ী, ২০২৬ সালে মোট ২ লাখ ৩০ হাজার অস্থায়ী বিদেশি কর্মী নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। ফলে বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের দক্ষ ও যোগ্য কর্মীদের জন্য কানাডার শ্রমবাজারে সুযোগ তৈরি হতে পারে। তবে প্রতিটি আবেদনকারীকে সংশ্লিষ্ট কর্মসূচির যোগ্যতা, চাকরির শর্ত এবং কানাডার অভিবাসন আইন মেনে আবেদন করতে হবে।
স্কটিশ পার্লামেন্ট সদস্যের কেরালার মন্দিরে বিয়ে, পূরণ হলো দীর্ঘদিনের ইচ্ছা
ড্রাইভারদের অ্যাকাউন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ করায় উবারকে ৯৬৬ মিলিয়ন ডলার জরিমানা
বাংলাদেশিদের জন্য সংযুক্ত আরব আমিরাতে ১৩ ধরনের কাজের সুযোগ
সংযুক্ত আরব আমিরাত সরকার বিদেশি প্রতিনিধিদের জন্য চার ধরনের পরিচয়পত্রকে বসবাসের অনুমতিপত্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। কূটনৈতিক, কনস্যুলার, আন্তর্জাতিক সংস্থা ও বিশেষ শ্রেণির প্রতিনিধিরা এসব পরিচয়পত্র ব্যবহার করতে পারবেন। স্বীকৃত চার ধরনের পরিচয়পত্র হলো কূটনৈতিক পরিচয়পত্র, কনস্যুলার পরিচয়পত্র, আন্তর্জাতিক সংস্থার পরিচয়পত্র এবং বিশেষ পরিচয়পত্র।সরকারি তথ্য অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট বিদেশি মিশন ও প্রতিনিধিদের জন্য এসব পরিচয়পত্র ইস্যু করা হবে।পরিচয়পত্রধারীদের সংযুক্ত আরব আমিরাতে প্রবেশ ও দেশ ছাড়ার সময় বিমানবন্দরে তা প্রদর্শন করতে হবে। কোনো প্রতিনিধি স্থায়ীভাবে সংযুক্ত আরব আমিরাত ছেড়ে গেলে সংশ্লিষ্ট মিশনকে তার পরিচয়পত্রটি দেশটির সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কাছে ফেরত দিতে হবে। বিদেশি নাগরিকদের জন্য সংযুক্ত আরব আমিরাত সরকার বিভিন্ন ধরনের কাজের অনুমতিও চালু রেখেছে। এর মধ্যে স্বাধীনভাবে কাজ করা ব্যক্তি, শিক্ষার্থী, ব্যক্তিগত শিক্ষক, খণ্ডকালীন কর্মী ও গোল্ডেন ভিসাধারীদের জন্য পৃথক কাজের অনুমতির ব্যবস্থা রয়েছে।সংযুক্ত আরব আমিরাতে বিদেশি নাগরিকদের বসবাস ও কাজের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষের সর্বশেষ নিয়ম ও নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে।
পাকিস্তানে পুরুষের ধূমপান কমলেও বাড়ছে নারী ধূমপানের হার
গাজাগামী ত্রাণবহর আটকের ঘটনায় নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে ইন্টারপোলের রেড নোটিশ চাইল তুরস্ক