চাকরির নিয়োগ পরীক্ষায় বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলে দিল্লির জন্তরমন্তরে টানা অবস্থান কর্মসূচি পালন করছে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি)। আন্দোলনরত এই তরুণদের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করেছেন জম্মু ও কাশ্মীরের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতি। গত বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) তিনি স্বয়ং আন্দোলনস্থলে হাজির হয়ে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেন। তার মতে, এই আন্দোলন কেবল কর্মসংস্থান নিশ্চিত করার লড়াই নয়, বরং দেশের সংবিধান ও গণতন্ত্র রক্ষা করারও এক গুরুত্বপূর্ণ সংগ্রাম।
সেখানে উপস্থিত আন্দোলনকারী যুবকদের সাহসিকতার ভূয়সী প্রশংসা করেন এই কাশ্মীরি নেত্রী। প্রতিকূল আবহাওয়া ও কঠিন পরিস্থিতিকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে স্বচ্ছতা ও ন্যায়বিচারের দাবিতে তরুণদের এই লড়াই অত্যন্ত অনুপ্রেরণাদায়ক বলে মন্তব্য করেন তিনি। মুফতি আশা প্রকাশ করেন যে, প্রশ্নফাঁস ও দুর্নীতির মতো অন্যায়ের বিরুদ্ধে এই অনমনীয় আন্দোলন ভবিষ্যতে একটি শক্তিশালী সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে বড় ভূমিকা রাখবে।
উল্লেখ্য, নিট পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসকাণ্ডে সংশ্লিষ্টদের জবাবদিহিতা এবং কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের জোরালো দাবি জানিয়ে গত মাস থেকে সিজেপির নেতৃত্বে জন্তরমন্তরে এই প্রতিবাদ চালিয়ে যাচ্ছেন চাকরিপ্রার্থীরা।
সূত্র: দ্য হিন্দু
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়। তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।” ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে। প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন। ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন। প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল। মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি। রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।
২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো। প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে। এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে। অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে। স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে। সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে। ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে। অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর। যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।
যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে। এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি। উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।” বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে। এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়। উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত। এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।
যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে। আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন। ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে | এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) প্রভাবে যারা চাকরি হারাচ্ছেন, তাদের জন্য আশার আলো নিয়ে এসেছে 'এআই ডিভিডেন্ড' নামের ১২ মাস মেয়াদি একটি নতুন কর্মসূচি। এই উদ্যোগের আওতায় এআইয়ের কারণে কাজ হারানো কর্মীদের প্রতি মাসে ১ হাজার ডলার করে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে। আপাতত ২৫ থেকে ৫০ জন কর্মীকে নিয়ে পাইলট প্রকল্প হিসেবে এটি শুরু হলেও ভবিষ্যতে এর পরিসর আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। ‘এআই কমন্স প্রজেক্ট’ এবং ‘হোয়াট উই উইল’ নামের দুটি অলাভজনক সংস্থার যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য হলো, এআই যুগে ক্ষতিগ্রস্ত কর্মীদের নগদ অর্থ সহায়তার পাশাপাশি তাদের নতুন বাস্তবতার সঙ্গে মানিয়ে নিতে সাহায্য করা। নিজেদের ধরনের প্রথম এই উদ্যোগটি যোগ্য প্রার্থীদের ৬ থেকে ১২ মাস পর্যন্ত মাসিক ১ হাজার ডলার দেওয়ার পাশাপাশি তাদের দক্ষতা উন্নয়নেও কাজ করবে। চাকরি হারানো এসব কর্মীকে নতুন করে দক্ষ করে তুলতে বিভিন্ন রি-স্কিলিং ও আপ-স্কিলিং প্রোগ্রাম, এআই ট্রেনিং সার্টিফিকেশন, জব কোচিং এবং ইন্টারভিউয়ের জন্য প্রস্তুত করার মতো সহায়তা দেওয়া হবে। এই আর্থিক সহায়তা পেতে আগ্রহীদের ওয়েবসাইটের নির্দিষ্ট ফর্মে নিজেদের পদবি এবং এআই কীভাবে তাদের কাজে প্রভাব ফেলেছে, তা বিস্তারিত জানাতে হবে। পাশাপাশি প্রাপ্ত অর্থ তারা কীভাবে কাজে লাগাবেন, সে বিষয়ে একটি সংক্ষিপ্ত বিবরণীও জমা দিতে হবে। এআই কমন্স প্রজেক্টের প্রতিষ্ঠাতা নিক সালাজারের মতে, সামাজিক নিরাপত্তার জালকে এআইয়ের গতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হবে, যা বর্তমানে বেশ পিছিয়ে আছে। তিনি জানান, মানুষ এখনই কাজ হারাচ্ছে, তাই এই সমস্যা নিয়ে বছরের পর বছর ধরে কেবল গবেষণা করার মতো সময় নেই। ইতিমধ্যেই এই কর্মসূচির আওতায় যোগ্যদের অর্থ ও সহায়তা দেওয়া শুরু হয়েছে। শ্রমবাজারের পরিবর্তনের এই সময়ে এআই নীতিমালায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে কর্মসূচিটি চাকরি হারানো কর্মীদের বাস্তব তথ্য-উপাত্তও সংগ্রহ করছে। অন্যদিকে, সান ডিয়েগোর ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির এক গবেষণায় দেখা গেছে, ২০৩০ সালের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ৩০ শতাংশ চাকরি স্বয়ংক্রিয় হয়ে যেতে পারে। গবেষণায় বলা হয়েছে, ক্ল্যারিক্যাল বা করণিক এবং কাস্টমার সার্ভিসের মতো চাকরিগুলো সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে। ডিজিটাল ব্যাংকিং ও সেলফ-চেকআউট বৃদ্ধির ফলে ব্যাংক টেলার ও ক্যাশিয়ার পদের চাহিদাও দ্রুত কমছে। গবেষণার পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী এক দশকের মধ্যে ৫৯ শতাংশ কর্মীর নতুন করে দক্ষতা অর্জনের প্রয়োজন হবে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এআই শুধু চাকরি কেড়ে নিচ্ছে না, বরং কাজের ধরন পুরোপুরি বদলে দিচ্ছে; তাই ভবিষ্যতের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করতে এই পরিবর্তনগুলো বোঝা ও নতুন দক্ষতা অর্জন করা অত্যন্ত জরুরি।
চাকরির নিয়োগ পরীক্ষায় বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলে দিল্লির জন্তরমন্তরে টানা অবস্থান কর্মসূচি পালন করছে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি)। আন্দোলনরত এই তরুণদের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করেছেন জম্মু ও কাশ্মীরের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতি। গত বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) তিনি স্বয়ং আন্দোলনস্থলে হাজির হয়ে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেন। তার মতে, এই আন্দোলন কেবল কর্মসংস্থান নিশ্চিত করার লড়াই নয়, বরং দেশের সংবিধান ও গণতন্ত্র রক্ষা করারও এক গুরুত্বপূর্ণ সংগ্রাম। সেখানে উপস্থিত আন্দোলনকারী যুবকদের সাহসিকতার ভূয়সী প্রশংসা করেন এই কাশ্মীরি নেত্রী। প্রতিকূল আবহাওয়া ও কঠিন পরিস্থিতিকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে স্বচ্ছতা ও ন্যায়বিচারের দাবিতে তরুণদের এই লড়াই অত্যন্ত অনুপ্রেরণাদায়ক বলে মন্তব্য করেন তিনি। মুফতি আশা প্রকাশ করেন যে, প্রশ্নফাঁস ও দুর্নীতির মতো অন্যায়ের বিরুদ্ধে এই অনমনীয় আন্দোলন ভবিষ্যতে একটি শক্তিশালী সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে বড় ভূমিকা রাখবে। উল্লেখ্য, নিট পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসকাণ্ডে সংশ্লিষ্টদের জবাবদিহিতা এবং কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের জোরালো দাবি জানিয়ে গত মাস থেকে সিজেপির নেতৃত্বে জন্তরমন্তরে এই প্রতিবাদ চালিয়ে যাচ্ছেন চাকরিপ্রার্থীরা। সূত্র: দ্য হিন্দু
আগামী সেপ্টেম্বরে ভারতের নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ব্রিকস সম্মেলনে অংশগ্রহণের জন্য বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ব্রিকসের সদস্য না হলেও বিশেষ অতিথি হিসেবে বাংলাদেশের সরকারপ্রধানকে এই আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে বলে জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। আজ বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ তথ্য জানান বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। তিনি বলেন, ভারতের পক্ষ থেকে পাঠানো আমন্ত্রণপত্র পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এসেছে এবং তা প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত হবে ব্রিকসের ১৮তম সম্মেলন। ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চীন ও দক্ষিণ আফ্রিকার সমন্বয়ে গঠিত এই জোট বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে বিবেচিত হয়। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জোটটির সদস্যসংখ্যা সম্প্রসারিত হয়েছে এবং উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ্যে এর গুরুত্ব বেড়েছে। বাংলাদেশ বর্তমানে ব্রিকসের পূর্ণ সদস্য নয়। তবে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফোরামে অর্থনৈতিক সহযোগিতা, বাণিজ্য ও উন্নয়ন ইস্যুতে বাংলাদেশের সঙ্গে ব্রিকস সদস্য দেশগুলোর সম্পর্ক রয়েছে। বিশেষ অতিথি হিসেবে সম্মেলনে অংশগ্রহণের আমন্ত্রণকে দুই দেশের কূটনৈতিক যোগাযোগের অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এদিকে ভারতে চলমান ছাত্র আন্দোলন এবং দেশটিতে থাকা বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি নাগরিকের বিষয়ে বাংলাদেশের উদ্বেগ রয়েছে কি না—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে শামা ওবায়েদ বলেন, বাংলাদেশ একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে এ অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় দেখতে চায়। তিনি বলেন, একটি গণতান্ত্রিক সরকার ও রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশ আশা করে, বিশ্বের বৃহত্তম গণতান্ত্রিক দেশ হিসেবে ভারত তার জনগণের অবস্থান বিবেচনা করবে এবং চলমান সমস্যার সমাধানে দ্রুত পদক্ষেপ নেবে। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে স্থিতিশীলতা ও পারস্পরিক সহযোগিতা আঞ্চলিক শান্তি ও উন্নয়নের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতিতে প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়।