সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার
আন্তর্জাতিক

যুক্তরাজ্যে শিশুকে বাঁচাতে গিয়ে সাগরে ডুবে প্রাণ গেল বাংলাদেশি মা-মেয়ের

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুলাই ২৩, ২০২৬ ১৩:৫২
বাংলাদেশি মা-মেয়ে I ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশি মা-মেয়ে I ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাজ্যের এসেক্সে সমুদ্রসৈকতে জোয়ারের প্রবল স্রোতে ভেসে যাওয়া এক শিশুকে উদ্ধার করতে গিয়ে পানিতে ডুবে মর্মান্তিকভাবে প্রাণ হারিয়েছেন এক ব্রিটিশ-বাংলাদেশি নারী ও তাঁর কিশোরী মেয়ে। গত বুধবার বিকেলে এসেক্সের ওয়েস্ট মার্সি সৈকতে হৃদয়বিদারক এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। এই ঘটনায় আরও তিনজন আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন, যাদের মধ্যে একজনের অবস্থা বেশ আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।

 

পারিবারিক সূত্রের বরাত দিয়ে জানা যায়, বুধবার বিকেলে ওয়েস্ট মার্সি সৈকতে বেড়াতে গিয়ে হঠাৎ সাত বছর বয়সী এক শিশু জোয়ারের তোড়ে সাগরে ভেসে যেতে থাকে। এ সময় শিশুটিকে বাঁচাতে নিজেদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পানিতে ঝাঁপ দেন মা সেলিনা রহমান এবং তাঁর ১৫ বছর বয়সী মেয়ে। কিন্তু শিশুটিকে স্রোতের মুখ থেকে উদ্ধার করার আপ্রাণ চেষ্টা চালাতে গিয়ে একপর্যায়ে প্রবল স্রোতের টানে তারা দুজনই সাগরের পানিতে তলিয়ে যান।

 

দুর্ঘটনার খবর পাওয়া মাত্রই দ্রুত উদ্ধার তৎপরতা শুরু করে কোস্টগার্ড, লাইফবোট, এয়ার অ্যাম্বুলেন্স এবং জরুরি সেবার একাধিক দল। এসেক্স পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মর্মান্তিক এই ঘটনার বিস্তারিত কারণ উদ্ঘাটনে ইতিমধ্যে একটি তদন্ত শুরু করা হয়েছে। একই সঙ্গে এই দুর্ঘটনার কোনো প্রত্যক্ষদর্শী থেকে থাকলে অথবা কারও কাছে ঘটনার কোনো ছবি বা ভিডিও চিত্র সংরক্ষিত থাকলে তা দিয়ে তদন্তকারী কর্মকর্তাদের সহযোগিতা করার জন্য পুলিশের পক্ষ থেকে সর্বসাধারণের প্রতি বিশেষভাবে আহ্বান জানানো হয়েছে।


© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

আন্তর্জাতিক

View more
অস্ট্রেলিয়ায় নারী রাজনীতিকদের ওপর হা মলা, কয়েক দিনের ব্যবধানে আক্রান্ত দুই এমপি
অস্ট্রেলিয়ায় নারী রাজনীতিকদের ওপর হা মলা, কয়েক দিনের ব্যবধানে আক্রান্ত দুই এমপি

অস্ট্রেলিয়ায় নারী রাজনীতিকদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে চরম উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। দেশটিতে মাত্র কয়েকদিনের ব্যবধানে দুজন নারী আইনপ্রণেতা ভয়াবহ হামলার শিকার হয়েছেন। সম্প্রতি গাড়িচাপায় এক এমপির দুই পা হারানোর ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই আরেক নারী মন্ত্রীর কার্যালয়ে 'নানচাকু' নিয়ে হামলার হুমকির ঘটনা ঘটেছে।   পুলিশ জানিয়েছে, বুধবার পার্থের শহরতলীতে ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়ার রাজ্য সরকারের মন্ত্রী হান্না বিজলির নির্বাচনি কার্যালয়ে ৫৬ বছর বয়সী এক ব্যক্তি প্রবেশ করে। এ সময় সে মার্শাল আর্ট অস্ত্র 'নানচাকু' ঘুরিয়ে রীতিমতো ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদর্শন করে। ঘটনার সময় মন্ত্রী কার্যালয়ে উপস্থিত না থাকলেও তার কর্মীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। পরে পুলিশ ওই ব্যক্তিকে আটক করে এবং বেআইনি কর্মকাণ্ড ও জনমনে ভীতি সঞ্চারের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে। বৃহস্পতিবার তাকে পার্থের আদালতে হাজির করার কথা রয়েছে।   এর মাত্র কয়েকদিন আগে, গত সোমবার ভিক্টোরিয়া রাজ্যে ৬৫ বছর বয়সী স্বতন্ত্র আইনপ্রণেতা হেলেন হেইন্সকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে গাড়িচাপা দেওয়া হয়। স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্যমতে, বর্তমানে তিনি মেলবোর্নের একটি হাসপাতালে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন। জীবন বাঁচাতে সার্জনরা এরই মধ্যে তার দুটি পা কেটে ফেলতে বাধ্য হয়েছেন। এই ঘটনায় ব্রেন্ডন নুজেন্ট নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হলেও হামলার প্রকৃত উদ্দেশ্য এখনো জানা যায়নি। পুলিশ জানিয়েছে, এই দুটি হামলার মধ্যে পারস্পরিক কোনো যোগসূত্র নেই।   নারী রাজনীতিকদের ওপর এমন ধারাবাহিক হামলা অস্ট্রেলিয়ার রাজনীতিতে বেশ বিরল, যেখানে আইনপ্রণেতারা সাধারণত জনগণের খুব কাছাকাছি অবস্থান করেন। দেশটির প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ এই ঘটনাগুলোকে 'হৃদয়বিদারক' বলে আখ্যা দিয়েছেন।   তিনি রাজনীতিতে ক্রমবর্ধমান অসহিষ্ণুতা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নারী রাজনীতিকদের প্রতি বিষোদ্গার ও আক্রমণাত্মক আচরণ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। ফেডারেল পার্লামেন্টের প্রায় অর্ধেক নারী সদস্য হওয়ায় তাদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে বর্তমানে দেশটির নিরাপত্তা সংস্থাগুলো বিশেষ ব্রিফিং ও পদক্ষেপ গ্রহণ করছে।

প্রকাশ: অক্টোবর ২২, ২০২৬ ৬:৫১
উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার সীমান্তে বাড়ছে উত্তেজনা

দ. কোরিয়ার বিরুদ্ধে প্রচার চালিয়ে বিরক্ত করতে সীমান্তে লাউডস্পিকার প্রস্তুত করছে উত্তর কোরিয়া

মহানবীর অনুসারী বাড়ানোর ইচ্ছায় বড় পরিবার গড়েছেন সাদিক

৫৭ বছর বয়সে ৫৮ সন্তানের বাবা সাদিক, মহানবীর অনুসারী বাড়ানোই ছিল তাঁর উদ্দেশ্য

‘মাদার অব অল বোম্বস’ নামে পরিচিত বোমা ব্যবহারের সম্ভাবনা

ট্রাম্পের ‘মাদার অব অল বোম্বস’র জবাবে ‘ফাদার অব অল বোম্বস’ উন্মোচনের ঘোষণা দিল ইরান

ওমানের সুলতান হাইথাম বিন তারিকের সম্মানে আয়োজিত রাষ্ট্রীয় নৈশভোজ
ওমানের সুলতানকে নৈশভোজের সময় মহানবী (সা.)-এর বার্তা শোনালেন ব্রিটিশ রাজা চার্লস

ওমানের সুলতান হাইথাম বিন তারিকের সম্মানে আয়োজিত রাষ্ট্রীয় নৈশভোজে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর একটি বাণী উদ্ধৃত করেছেন ব্রিটিশ রাজা তৃতীয় চার্লস। মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর উইন্ডসর ক্যাসেলে দেওয়া বক্তব্যে ওমানের মানুষের আচরণের প্রশংসা করতে তিনি বাণীটি তুলে ধরেন। একই সঙ্গে আঞ্চলিক শান্তি প্রতিষ্ঠায় দেশটির ভূমিকার প্রশংসা করেন।  ব্রিটিশ রাজপরিবারের প্রকাশিত বক্তব্য অনুযায়ী, চার্লস মহানবী (সা.)-এর বাণী উদ্ধৃত করে বলেন, এর অর্থ হলো, তুমি যদি ওমানের মানুষের কাছে যেতে, তারা তোমাকে অপমান করত না এবং আঘাতও করত না।    মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের প্রসঙ্গ টেনে চার্লস বলেন, সব পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষায় বিশ্বস্ত মধ্যস্থতাকারী হিসেবে ওমানের অঙ্গীকার গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্বের অন্যতম প্রধান নৌবাণিজ্যপথ উন্মুক্ত রাখার প্রচেষ্টার জন্যও দেশটির প্রশংসা করেন তিনি। তাঁর বক্তব্যে ওমানের গঠনমূলক নিরপেক্ষতার গুরুত্ব উঠে আসে।  সুলতানের যুক্তরাজ্য সফর উপলক্ষে উইন্ডসর ক্যাসেলের সেন্ট জর্জেস হলে নৈশভোজটির আয়োজন করেন রাজা চার্লস ও রানি ক্যামিলা। ওমানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এতে সুলতানের সফরসঙ্গী প্রতিনিধিদল, ব্রিটিশ রাজপরিবারের সদস্য এবং জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।  এর আগে সুলতানকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানানো হয়। রাজা চার্লসের পক্ষে প্রিন্স উইলিয়াম তাঁকে অভ্যর্থনা জানান। পরে রাজা ও রানি এবং প্রিন্স ও প্রিন্সেস অব ওয়েলসের উপস্থিতিতে স্বাগত অনুষ্ঠান হয়। সুলতান রাজা চার্লসের সঙ্গে গার্ড অব অনারও পরিদর্শন করেন।    সফরের অংশ হিসেবে সুলতানকে রাজকীয় সংগ্রহে থাকা ওমানসংশ্লিষ্ট কিছু নিদর্শন দেখানো হয়। এর মধ্যে ছিল ১৮৭৫ সালে রানি ভিক্টোরিয়াকে দেওয়া একটি ঐতিহাসিক বই এবং ১৯৯৫ সালে ওমান সফরের সময় চার্লসের আঁকা দুটি জলরংচিত্র।    নৈশভোজের বক্তব্যে দুই দেশের দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ভবিষ্যৎ প্রজন্মেও অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্ব দেন চার্লস। শান্তি ও আন্তর্জাতিক আইন রক্ষা এবং আগামী দিনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বিশ্বস্ত বন্ধু ও সহযোগী প্রয়োজন হবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।   

প্রকাশ: অক্টোবর ২২, ২০২৬ ৩:৪৬
বাংলাদেশি ব্যবসায়ী হাসানের দোকান

প্যারিসে লুটপাটে ৩ সন্তানের বাবা বাংলাদেশি হাসানের দোকান তছনছ, বিপাকে দশ বছরের ব্যবসা

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর সৌদি

মার্কিন দূতাবাসের কিছু কর্মী ও তাঁদের পরিবারকে সৌদি আরব ছাড়ার নির্দেশ

বাংলাদেশে পৌঁছাল যুক্তরাষ্ট্রের ১ লাখ ৭৫ হাজার টন গম, খাদ্যনিরাপত্তায় জোর

বাংলাদেশে পৌঁছাল যুক্তরাষ্ট্রের ১ লাখ ৭৫ হাজার টন গম, খাদ্যনিরাপত্তায় জোর

মেয়ে নয়, বিয়েতে ব্রাইডসমেইড হলেন পাঁচ ছেলে বন্ধু, আলোচনায় ব্রাজিলীয় তরুণী
মেয়ে নয়, বিয়েতে ব্রাইডসমেইড হলেন পাঁচ ছেলে বন্ধু, আলোচনায় ব্রাজিলীয় তরুণী

বিয়ের প্রচলিত প্রথা ভেঙে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন এক ব্রাজিলীয় নারী কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার। জীবনের অন্যতম বিশেষ দিনটিতে নিজের পাশে দাঁড়ানোর জন্য তিনি কোনো মেয়ে বন্ধুকে নয়, বরং বেছে নিয়েছেন তার পাঁচজন ঘনিষ্ঠ ছেলে বন্ধুকে।   প্রথাগতভাবে 'ব্রাইডসমেইড' হিসেবে মেয়েদের রাখার নিয়ম থাকলেও, এই তরুণী তার পাঁচ ছেলে বন্ধুকে সঙ্গে নিয়ে প্রমাণ করেছেন যে—সত্যিকারের বন্ধুত্বের কোনো লিঙ্গভেদ নেই।   পেশাগত জীবনে কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মতো একটি পুরুষ-প্রধান খাতে কাজ করার সুবাদে মেয়েদের চেয়ে ছেলেদের সাথেই তার বেশি সখ্যতা ও বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে। তাই প্রথাগত নিয়ম মেনে চলার বদলে, জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপে যারা তাকে সবচেয়ে বেশি সমর্থন জুগিয়েছেন, সেই কাছের মানুষদেরই তিনি বিয়ের আসরে নিজের পাশে চেয়েছিলেন।   ব্যতিক্রমী এই বিয়ের গল্পটি বিশ্বজুড়ে নেটিজেনদের মন জয় করেছে এবং মনে করিয়ে দিচ্ছে যে, সামাজিক প্রথার চেয়ে জীবনের বিশেষ মুহূর্তগুলোতে প্রিয় ও ভরসার মানুষদের উপস্থিতিই সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

প্রকাশ: অক্টোবর ২১, ২০২৬ ১৯:৭
বিনামূল্যে চ্যাটজিপিটি ব্যবহারের দিন শেষ হচ্ছে না, তবে এবার থেকে দেখতে হবে বিজ্ঞাপন

বিনামূল্যে চ্যাটজিপিটি ব্যবহারের দিন শেষ হচ্ছে না, তবে এবার থেকে দেখতে হবে বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশিদের জন্য মার্কিন অভিবাসী ভিসায় নতুন জটিলতা, আবেদন পুনর্বিবেচনায় স্থগিতাদেশ

বাংলাদেশিদের জন্য মার্কিন অভিবাসী ভিসায় নতুন জটিলতা, আবেদন পুনর্বিবেচনায় স্থগিতাদেশ

স্ত্রীর অফিসের বাইরেই পরিচ্ছন্নতাকর্মীর কাজ করছিলেন স্বামী, দেখে ছুটে এসে জড়িয়ে ধরে চুমু দিলেন স্ত্রী

স্ত্রীর অফিসের বাইরেই পরিচ্ছন্নতাকর্মীর কাজ করছিলেন স্বামী, দেখে ছুটে এসে জড়িয়ে ধরে চুমু দিলেন স্ত্রী

0 Comments