আন্তর্জাতিক

আমিরাতে সামরিক হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, নিহত ২ সেনাসদস্য

শাহারিয়া নয়ন মার্চ ৯, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যে ইরানকে ঘিরে উত্তেজনার মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাতে একটি সামরিক হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে দুই সেনাসদস্য নিহত হয়েছেন। সোমবার দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে।

 

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়, দেশের অভ্যন্তরে দায়িত্ব পালনকালে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে হেলিকপ্টারটি দুর্ঘটনার শিকার হয়। এতে সশস্ত্র বাহিনীর দুই সদস্য নিহত হন।

 

তবে দুর্ঘটনাটি কোথায় ঘটেছে বা নিহত সেনাদের পরিচয় সম্পর্কে বিস্তারিত কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।

 

এদিকে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে সংযুক্ত আরব আমিরাতকে ‘অযাচিতভাবে’ লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছে দেশটি। জাতিসংঘে নিযুক্ত আমিরাতের রাষ্ট্রদূত জামাল আল মুশারখ বলেন, আঞ্চলিক পরিস্থিতি নিয়ে তাদের অবস্থান আগেও স্পষ্ট ছিল এবং এখনও একই রয়েছে।

 

জেনেভায় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, সংযুক্ত আরব আমিরাত তার ভূখণ্ড ব্যবহার করে ইরানের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের হামলায় অংশ নেবে না এবং এ ধরনের সংঘাতে জড়ানোরও কোনো পরিকল্পনা নেই।

 

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে এই হেলিকপ্টার দুর্ঘটনা নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

 

জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

Advertisement

আন্তর্জাতিক

View more
MQ-9 রিপার ড্রোন
ইরান অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রের ১১টি এমকিউ–৯ রিপার ড্রোন ভূপাতিত, ক্ষতি প্রায় ৩৩০ মিলিয়ন ডলার

ইরানে চলমান সামরিক অভিযানের সময় যুক্তরাষ্ট্রের মোট ১১টি উন্নতমানের ড্রোন ভূপাতিত হয়েছে বলে মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। সর্বশেষ অভিযানে আরও দুটি ড্রোন হারানোর পর এ সংখ্যা ১১–তে পৌঁছেছে। মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাতে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম জানায়, ভূপাতিত হওয়া ড্রোনগুলো এমকিউ–৯ রিপার মডেলের, যা যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম আধুনিক মানববিহীন আকাশযান হিসেবে পরিচিত।   এ ধরনের ড্রোন মূলত গোয়েন্দা নজরদারি, তথ্য সংগ্রহ এবং নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে নিখুঁত হামলার জন্য ব্যবহৃত হয়। সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান ও সীমিত সংঘাতপূর্ণ এলাকায় এগুলো কার্যকর হলেও শক্তিশালী আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাসম্পন্ন দেশের বিরুদ্ধে এগুলো তুলনামূলক বেশি ঝুঁকির মুখে পড়ে।   প্রতিটি এমকিউ–৯ রিপার ড্রোনের মূল্য কয়েক কোটি মার্কিন ডলার। সে হিসেবে ১১টি ড্রোন হারানোর ফলে যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৩৩০ মিলিয়ন ডলার বলে ধারণা করা হচ্ছে।   সামরিক বিশ্লেষকেরা বলছেন, রিপার ড্রোনের সর্বোচ্চ গতি ঘণ্টায় প্রায় ৩০০ মাইল, যা আধুনিক যুদ্ধবিমানের তুলনায় অনেক কম। এ কারণে উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র ও শক্তিশালী বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা থাকা অঞ্চলে এগুলো সহজেই প্রতিপক্ষের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হতে পারে।   তাদের মতে, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও উন্নত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মুখোমুখি হলে এমন ড্রোন ব্যবহারে ঝুঁকি বাড়ে।

শাহারিয়া নয়ন মার্চ ১০, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

ইসরায়েলের বিমান হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত রাশিয়ান হাউস, তীব্র প্রতিবাদ মস্কোর

ছবি: সংগৃহীত

আমিরাতে সামরিক হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, নিহত ২ সেনাসদস্য

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি।

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতাকে অভিনন্দন জানালেন পুতিন

ছবি: সংগৃহীত
হিজবুল্লাহর ড্রোন ঠেকাতে হিমশিম খাচ্ছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী

লেবানন থেকে ছোড়া হিজবুল্লাহর ড্রোন প্রতিহত করতে বড় ধরনের সমস্যার কথা স্বীকার করেছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী। সামরিক সূত্রগুলো বলছে, ড্রোন প্রতিরোধে তাদের সফলতার হার খুবই কম।   ইসরায়েলি দৈনিক হারেৎজ-এর বরাত দিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েলি সামরিক কর্মকর্তারা স্বীকার করেছেন যে হিজবুল্লাহর ব্যবহৃত ড্রোন থামানো এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে এবং এগুলো প্রতিহত করা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে।   প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, উত্তর সীমান্তের কাছে ইসরায়েলি বসতিগুলো পুরোপুরি খালি না করেই সেনাবাহিনী লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে। তবে পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে নতুন সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে বলে সতর্ক করেছেন কর্মকর্তারা।   সামরিক সূত্রগুলো জানিয়েছে, লেবানন সীমান্তে চলমান সংঘর্ষের নির্দিষ্ট সময়সীমা নেই এবং এটি দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধে রূপ নিতে পারে বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে।   বিশ্লেষকদের মতে, হিজবুল্লাহ বর্তমানে কম উচ্চতায় উড়তে সক্ষম ছোট ড্রোন ব্যবহার করছে, যেগুলো রাডারে ধরা কঠিন এবং প্রচলিত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে।

তাবাস্সুম মার্চ ৯, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

ভারী বৃষ্টি ও আকস্মিক বন্যায় কেনিয়ায় প্রাণহানি বেড়ে ৪২, চলছে উদ্ধার অভিযান

ছবি: সংগৃহীত

ড্রোন ক্ষেপণাস্ত্র আঘাতের খবরের মধ্যেও যুদ্ধে জড়ানোর ইচ্ছা নেই: সাইপ্রাস

ইরানের রাজধানী তেহরানে মিছিলের দৃশ্য। ছবি আলজাজিরা

নতুন নেতা মোজতবা খামেনির সমর্থনে ইরানে ব্যাপক শোভাযাত্রা

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলকে সহযোগিতা করলে সম্পদ জব্দের হুঁশিয়ারি ইরানের

নাগরিকদের জন্য নতুন নির্দেশনা জারি করেছে ইরান। বিশেষ করে বিদেশে অবস্থানরত ইরানি নাগরিকদের বিষয়ে কড়া সতর্কতা দিয়েছে দেশটির বিচার বিভাগ।   যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলকে সহযোগিতা করলে ইরানি নাগরিকদের দোষী সাব্যস্ত করা হবে বলে জানানো হয়েছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িতদের সম্পদ জব্দ করা হবে বলে ঘোষণা দিয়েছে দেশটির অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়। বিশেষ করে বিদেশ ভ্রমণে থাকা ইরানিদের জন্য এই বিধান জারি করা হয়েছে।   রোববার (৮ মার্চ) এক বিবৃতিতে কার্যালয়টি গত বছরের অক্টোবরে প্রণীত একটি আইনের কথা উল্লেখ করে। প্রেস টিভির তথ্য অনুযায়ী, ওই আইন অনুযায়ী ইসরাইল, যুক্তরাষ্ট্র বা অন্য কোনো শত্রু রাষ্ট্র বা গোষ্ঠীকে যেকোনো ধরনের সহযোগিতা করলে ইসলামি দণ্ডবিধি অনুসারে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সব সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা এবং অন্যান্য আইনি শাস্তি দেওয়ার বিধান রয়েছে।   আইনটিতে আরও বলা হয়েছে, জায়নিস্ট (ইসরাইলি) শাসন বা যুক্তরাষ্ট্র সরকারসহ অন্য কোনো শত্রু সরকার, গোষ্ঠী বা তাদের সঙ্গে যুক্ত কোনো উপাদানের পক্ষে দেশের নিরাপত্তার বিরুদ্ধে কোনো সরাসরি পদক্ষেপ নেওয়া হলে ২০১৩ সালের ২১ এপ্রিল অনুমোদিত ইসলামি দণ্ডবিধির সংশ্লিষ্ট ধারা অনুযায়ী সম্পদ বাজেয়াপ্তসহ অন্যান্য আইনি শাস্তি কার্যকর হতে পারে।   সূত্র: টিআরটি ওয়ার্ল্ড।

তাবাস্সুম মার্চ ৯, ২০২৬ 0
ফ্রান্সের জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ক্লেমেন্স গোতে। ছবি: সংগৃহীত

মানবজাতির জন্য হুমকি মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ: ফরাসি সংসদের ডেপুটি স্পিকারের বিস্ফোরক মন্তব্য

সাম্প্রতিক ছবি ও ভিডিও  ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ

ইরানের হামলার ছবি-ভিডিও ছড়ানোর অভিযোগে কাতারে গ্রেপ্তার ৩১৩ জন

মক্কা-মদিনা

ফ্লাইট স্থগিত: মক্কা-মদিনায় আটকা ৩৫০০ বাংলাদেশি, নেই থাকা-খাওয়ার টাকা

0 Comments