আন্তর্জাতিক

ইরানি সরকারের বিরুদ্ধে বিশ্বজুড়ে প্রবাসীদের বিক্ষোভ

শাহারিয়া নয়ন ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬ 0
জার্মানির মিউনিখে বিক্ষোভে যোগ দেয় প্রায় ২,৫০,০০০ প্রবাসী ইরানি । ছবি: এএফপি।
জার্মানির মিউনিখে বিক্ষোভে যোগ দেয় প্রায় ২,৫০,০০০ প্রবাসী ইরানি । ছবি: এএফপি।

ইরানের বর্তমান ইসলামি সরকারের পতন এবং পরিবর্তনের দাবিতে গত শনিবার বিশ্বজুড়ে নজিরবিহীন বিক্ষোভ পালিত হয়েছে। নির্বাসিত সাবেক শাহজাদা রেজা পাহলভির আহ্বানে সাড়া দিয়ে বিশ্বের প্রধান শহরগুলোতে রাজপথে নেমে আসেন লাখো মানুষ। ‘গ্লোবাল ডে অফ অ্যাকশন’ বা বৈশ্বিক প্রতিবাদ দিবসের এই কর্মসূচিতে মিউনিখ, লস অ্যাঞ্জেলেস এবং টরন্টোতে জনসমুদ্রের সৃষ্টি হয়।

 

বিক্ষোভের মূল কেন্দ্রবিন্দু ছিল জার্মানির মিউনিখ, যেখানে আনুমানিক ২ লক্ষ ৫০ হাজার মানুষের সমাবেশে ভাষণ দেন রেজা পাহলভি। অন্যদিকে, কানাডার টরন্টোতে রেকর্ড সংখ্যক ৩ লক্ষ ৫০ হাজার মানুষ অংশ নেন। লস অ্যাঞ্জেলেস ছাড়াও তেল আবিব, লিসবন, সিডনি এবং লন্ডনের মতো শহরগুলোতেও সরকারবিরোধী ছোট-বড় অসংখ্য বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

মিউনিখে দেওয়া ভাষণে রেজা পাহলভি ইরানের বর্তমান শাসনব্যবস্থাকে ‘দুর্নীতিবাজ, দমনমূলক এবং শিশুহত্যাকারী’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন। দেশের অভ্যন্তরে আন্দোলনরত নাগরিকদের আশ্বস্ত করে তিনি বলেন: "দেশের ভেতরে সাহসী ও সংগ্রামী স্বদেশীদের প্রতি আমার প্রথম বার্তা হলো আপনারা একা নন। আজ এই লড়াইয়ে পুরো বিশ্ব আপনাদের পাশে দাঁড়িয়েছে।"

 

তিনি আরও যোগ করেন যে, একটি মুক্ত ইরানে তারা বিশ্বকে প্রমাণ করে দেবেন তারা কত বড় এবং মহান জাতি। লস অ্যাঞ্জেলেসে বিক্ষোভকারীদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখেন তার কন্যা নুর পাহলভি। তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, খুনিদের সাথে যেন কোনো পরমাণু আলোচনা চালিয়ে যাওয়া না হয়।

 

ইরান প্রসঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সাংবাদিকদের জানান, ইরানে সরকার পরিবর্তন হওয়া হবে "সবচেয়ে ভালো ঘটনা"। রেজা পাহলভি সম্পর্কে তিনি বলেন, পাহলভিকে বেশ অমায়িক মনে হলেও ইরানের অভ্যন্তরে তার নেতৃত্বের গ্রহণযোগ্যতা এবং জনসমর্থন কতটুকু, তা নিয়ে কিছুটা সংশয় প্রকাশ করেন তিনি।

 

ইরানের অভ্যন্তরে ২৮ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিক্ষোভ বর্তমানে ১০০টিরও বেশি শহরে ছড়িয়ে পড়েছে। নিত্যপণ্যের ঊর্ধ্বগতি এবং অর্থনৈতিক সংকটের কারণে শুরু হওয়া এই আন্দোলন এখন সরকার পতনের এক দফা দাবিতে রূপ নিয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ
“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের বিরুদ্ধে ওয়াশিংটনের বিমানবাহী রণতরী কিছুই না; মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা

মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা এবং জাতিসংঘের সাবেক অস্ত্র পরিদর্শক, ইরান-মার্কিন আলোচনার বিশ্লেষণ করতে গিয়ে জোর দিয়ে বলেছেন যে ইরানের চেয়ে ট্রাম্পেরই এই আলোচনার বেশি প্রয়োজন।   পার্সটুডে- মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা এবং জাতিসংঘের সাবেক অস্ত্র পরিদর্শক, ইরান-মার্কিন আলোচনার বিশ্লেষণ করতে গিয়ে জোর দিয়ে বলেছেন যে ইরানের চেয়ে ট্রাম্পেরই এই আলোচনার বেশি প্রয়োজন।   মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা স্কট রিটার সতর্ক করে বলেছেন যে পশ্চিমারা সর্বদা তার গুপ্তচর সংস্থাগুলির মাধ্যমে ইরানের সাংস্কৃতিক ও সামাজিক ভিত্তি ধ্বংস করতে চাইছে এবং অপর্যাপ্তভাবে নিয়ন্ত্রিত তথ্য-যোগাযোগ রুট ব্যবহার করে কিছু ইরানিকে তাদের এজেন্ট নিয়োগ করেছে।   ক্ষেপণাস্ত্র ইরানের জন্য একটি পছন্দসই আক্রমণাত্মক হাতিয়ার নয় পার্সটুডে অনুসারে, ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরিসর সীমিত করার বিষয়ে মার্কিন কর্মকর্তাদের বক্তব্যের কথা উল্লেখ করে রিটার ব্যাখ্যা করেছেন যে এই শর্তটি বাস্তবে "নিরস্ত্রীকরণ" এবং ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের কাছ থেকে "কৌশলগত আত্মহত্যার" অনুরোধের সমতুল্য। তিনি স্পষ্ট করে বলেন যে ক্ষেপণাস্ত্র শুধুমাত্র ইরানের জন্য একটি কাঙ্ক্ষিত আক্রমণাত্মক হাতিয়ার নয়, বরং প্রতিরোধ ও বেঁচে থাকার মেরুদণ্ড এবং এই স্তম্ভটি অপসারণকারী যেকোনো চেষ্টো ইরানকে অরক্ষিত করে তুলবে। তিনি যুক্তি দেন যে ইরান যদি তার ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা এতটাই কমিয়ে দেয় যে তারা আর ইসরায়েলে আঘাত করতে পারবে না, তাহলে ইসরায়েল প্রতিশোধের ভয় ছাড়াই ইরানে আক্রমণ করবে।   ইরানের সাথে যুদ্ধ নীতিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত অক্ষমতা আমেরিকান বিশ্লেষক স্পষ্ট করে বলেন যে ইরানের সাথে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ এড়ানোর মূল কারণ কৌশলগত অক্ষমতা। তিনি বলেন, যেকোনও সামরিক আক্রমণ ইরানকে এমন প্রতিক্রিয়ার দিকে ঠেলে দেবে যা একই সাথে মার্কিন বাহিনী এবং স্বার্থের জন্য গুরুতর ক্ষতি বয়ে আনতে পারে। রিটার জোর দিয়ে বলেন যে এই ধরনের পরিবেশে ইরানের সাথে যুদ্ধ কেবল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কৌশলগত সুবিধাতো আনবেই না বরং ট্রাম্পের জন্য একটি অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিপর্যয়ও হতে পারে। ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ কেবল ইসরায়েলের স্বার্থ রক্ষার জন্য।   আলোচনা একটি ফাঁদ সাবেক মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা পরামর্শ দেন যে ইরানের উচিত দুর্বলতা থেকে নয়, বরং ওয়াশিংটনে রাজনৈতিক অজুহাতের পথ বন্ধ করার জন্য আলোচনায় প্রবেশ করা। তবে, রিটার সতর্ক করে দেন যে ইরানি কর্মকর্তাদের সর্বদা ধরে নেওয়া উচিত যে আলোচনা "একটি ফাঁদ"। কূটনীতির মাধ্যম বজায় রেখে, ইরানের উচিত তার সামরিক ও গোয়েন্দা যন্ত্রপাতিকে পূর্ণ সতর্ক রাখা । স্কট রিটার সাম্প্রতিক নৌ সংঘর্ষকে আমেরিকার শ্রেষ্ঠত্ব বা আগ্রাসনের লক্ষণ হিসেবে নয়, বরং ইরানের প্রবেশাধিকার-বিরোধী এবং আঞ্চলিক-বিরোধী ক্ষমতার প্রতি ওয়াশিংটনের কৌশলগত ভয়ের প্রতিফলন। রিটার জোর দিয়ে বলেন যে ইরানের নতুন প্রজন্মের নির্ভুল, কৌশলগত এবং হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের সামনে মার্কিন বিমানবাহী রণতরীগুলি "অপ্রচলিত" সিস্টেমে পরিণত হয়েছে।   প্রধান হুমকি: ভেতর থেকে পতনের জন্য মানসিক যুদ্ধ অবশেষে, স্কট রিটার "মানসিক যুদ্ধ" নামক একটি ধারণার কথা উল্লেখ করেছেন; এমন একটি যুদ্ধ যেখানে, তিনি যুক্তি দেন, সরাসরি সামরিক সংঘাতের চেয়ে অনেক বেশি বিপজ্জনক, কারণ এর লক্ষ্য হল একটি গুলি না চালিয়েও একটি সমাজকে ভেতর থেকে ধ্বংস করা

Advertisement

আন্তর্জাতিক

View more
ইসরায়েল-অধিকৃত পশ্চিম তীরের রামাল্লার নিকটবর্তী শুকবা শহরের কাছে নতুন বসতি - ছবি রয়টার্স
পশ্চিম তীরে বিতর্কিত ভূমি নিবন্ধন আইনের অনুমোদন ইসরায়েলি মন্ত্রিসভায়, ফিলিস্তিনিদের তীব্র নিন্দা

অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি নিয়ন্ত্রণ আরও জোরদার করতে নতুন ভূমি নিবন্ধন আইন অনুমোদন দিয়েছে ইসরায়েলি মন্ত্রিসভা। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন ডানপন্থী সরকার এই বিতর্কিত সিদ্ধান্ত নেয়। আইনটি ইহুদি বসতি স্থাপনকারীদের জন্য জমি কেনা ও নিবন্ধন প্রক্রিয়া সহজ করবে বলে জানানো হয়েছে।   ফিলিস্তিনি পক্ষ এই পদক্ষেপকে পশ্চিম তীরের “কার্যত দখল” বা ডি-ফ্যাক্টো অ্যানেক্সেশন হিসেবে আখ্যা দিয়ে তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ (পিএ)।   নতুন আইনে কী থাকছে   সরকারি সূত্র জানায়, অধিকৃত পশ্চিম তীরর ‘এরিয়া সি’ অঞ্চলে নতুন করে ভূমি নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু হবে। ১৯৬৭ সালের যুদ্ধের পর এই প্রথম এমন উদ্যোগ নেওয়া হলো। পরিকল্পনাটি সমর্থন করেছেন ইসরায়েলের কয়েকজন শীর্ষ মন্ত্রী।   ইসরায়েলি সরকারের দাবি, এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ভূমির মালিকানা সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তি হবে এবং অবকাঠামো উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে। তবে বিশ্লেষকদের মতে, এটি ফিলিস্তিনি মালিকানাধীন জমিকে ইসরায়েলি রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠার একটি আইনি কৌশল হতে পারে।   ফিলিস্তিনিদের প্রতিক্রিয়া   ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসর কার্যালয় এক বিবৃতিতে জানায়, “এটি একটি বিপজ্জনক উস্কানি এবং আন্তর্জাতিক আইনের স্পষ্ট লঙ্ঘন।” ফিলিস্তিনি নেতাদের মতে, এই পদক্ষেপ স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনাকে দুর্বল করবে।   আন্তর্জাতিক মহলের উদ্বেগ   ইসরায়েলের এই সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং জাতিসংঘের মানবাধিকার সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তারা। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের আশঙ্কা, এ পদক্ষেপ দুই-রাষ্ট্রীয় সমাধানের পথকে আরও সংকুচিত করবে এবং অঞ্চলটির স্থিতিশীলতা বিঘ্নিত করতে পারে।   রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট   গাজা যুদ্ধ-পরবর্তী উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যেই পশ্চিম তীরে এই প্রশাসনিক পরিবর্তন আনা হয়েছে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে পরিবর্তন এবং মধ্যপ্রাচ্য নীতি নিয়ে নতুন করে আলোচনা চলছে। বিশ্লেষকদের মতে, আনুষ্ঠানিক দখল ঘোষণা না দিলেও আইনি কাঠামোর মাধ্যমে ইসরায়েল ধাপে ধাপে সেই দিকেই এগোচ্ছে।   এদিকে জর্ডানসহ কয়েকটি আরব দেশ এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে।

শাহারিয়া নয়ন ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬ 0
জার্মানির মিউনিখে বিক্ষোভে যোগ দেয় প্রায় ২,৫০,০০০ প্রবাসী ইরানি । ছবি: এএফপি।

ইরানি সরকারের বিরুদ্ধে বিশ্বজুড়ে প্রবাসীদের বিক্ষোভ

ফাইল ফটো।

আরও দুই দেশের নাগরিকদের ভিসা ছাড়াই ভ্রমণের সুযোগ, বড় চমক চীনের

যুক্তরাজ্য ও কানাডার নাগরিকদের জন্য ভিসামুক্ত প্রবেশ সুবিধা চালুর ঘোষণা দিয়েছে চীন।

যুক্তরাজ্য ও কানাডার নাগরিকদের জন্য ভিসামুক্ত প্রবেশ চালু করল চীন, কার্যকর মঙ্গলবার

বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি ও সংস্কারে পাশে থাকার অঙ্গীকার যুক্তরাজ্যের
বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি ও সংস্কারে পাশে থাকার অঙ্গীকার যুক্তরাজ্যের

বাংলাদেশি জনগণের প্রত্যাশা পূরণ এবং দেশের সার্বিক উন্নয়নে ঢাকার সঙ্গে অংশীদারিত্ব আরও দৃঢ় করার ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাজ্য।   অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, অভিবাসন, জলবায়ু পরিবর্তন এবং নিরাপত্তার মতো গুরুত্বপূর্ণ ও পারস্পরিক অগ্রাধিকারের বিষয়গুলোতে বাংলাদেশের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছে ব্রিটিশ সরকার।   যুক্তরাজ্যের ফরেন, কমনওয়েলথ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অফিস (এফসিডিও)-এর একজন মুখপাত্র সম্প্রতি এক বিবৃতিতে জানান, ব্রিটিশ সরকার আশা করে বাংলাদেশের নতুন প্রশাসন গণতান্ত্রিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক সংস্কারের ধারাকে আরও শক্তিশালী করবে।   গত ১২ই ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত সংসদ নির্বাচনকে স্বাগত জানিয়ে যুক্তরাজ্য সন্তোষ প্রকাশ করেছে। তারা মনে করে, একটি শান্তিপূর্ণ নির্বাচনী প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে চূড়ান্ত ফলাফল আসা বাংলাদেশের লক্ষ্য অর্জনের পথে একটি তাৎপর্যপূর্ণ পদক্ষেপ।   এর আগে, নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জন করায় বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তার দলকে অভিনন্দন জানায় যুক্তরাজ্য। একইসঙ্গে, একটি নতুন যাত্রায় পদার্পণ করায় বাংলাদেশের সাধারণ মানুষকেও শুভেচ্ছা জানিয়েছে দেশটি।   মূলত উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতার পথে বাংলাদেশের পাশে থাকাই এখন লন্ডনের মূল লক্ষ্য।

নিলুফা ইয়াসমিন ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬ 0
যে বিশেষ মিশন নিয়ে পূর্ব ইউরোপ সফরে গেলেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

যে বিশেষ মিশন নিয়ে পূর্ব ইউরোপ সফরে গেলেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

অভিনন্দন জানিয়ে ঐক্যের ডাক ইতালির

অভিনন্দন জানিয়ে ঐক্যের ডাক ইতালির

ব্রহ্মপুত্রের তলদেশে ভারতের বিস্ময়

ব্রহ্মপুত্রের তলদেশে ভারতের বিস্ময়

নাইজার রাজ্যে সশস্ত্র হামলায় তাণ্ডব, নিহত অন্তত ৩২
নাইজার রাজ্যে সশস্ত্র হামলায় তাণ্ডব, নিহত অন্তত ৩২

নাইজার স্টেটের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে শনিবার ভোরে সশস্ত্ররা মোটরসাইকেলে করে তিনটি গ্রামে হামলা চালিয়ে অন্তত ৩২ জনকে হত্যা করেছে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, হামলার সময় বহু ঘরবাড়ি ও দোকানপাটে আগুন লাগানো হয়, যা এলাকায় ভয় ও অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে।   হামলার লক্ষ্য ছিল টুঙ্গা-মাকেরি, কঙ্কোসো ও পিসা গ্রাম, যেগুলো বেনিন সীমান্তের কাছে বরগু এলাকায় অবস্থিত। স্থানীয়ভাবে এ ধরনের সশস্ত্র গোষ্ঠীকে ‘ডাকাত’ বলা হয়। তারা নিয়মিত হামলা, অপহরণ এবং মুক্তিপণ আদায়ের ঘটনায় যুক্ত।   নাইজার স্টেট পুলিশের মুখপাত্র ওয়াসিউ আবিওদুন জানিয়েছেন, টুঙ্গা-মাকেরিতে অন্তত ছয়জন নিহত হয়েছেন এবং অনেক মানুষ অপহরণ করা হয়েছে। কঙ্কোসো গ্রামেও হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে, তবে বিস্তারিত তথ্য এখনও পাওয়া যায়নি। তিনি জানিয়েছেন, যৌথ নিরাপত্তা বাহিনী ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে এবং অপহৃতদের উদ্ধারে অভিযান চলছে।   প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনায় দেখা গেছে, ভোরের দিকে এলোপাতাড়ি গুলির শব্দে গ্রামের মানুষ ঘুম ভেঙে যায়। হামলাকারীরা পুলিশ স্টেশনেও আগুন দেয়। কঙ্কোসোর এক বাসিন্দা বলেন, শুধু গ্রামটিতেই অন্তত ২৬ জন নিহত হয়েছেন। আরেক প্রত্যক্ষদর্শী জানিয়েছেন, প্রায় ২০০টির বেশি মোটরসাইকেলে হামলাকারীরা একের পর এক গ্রামে তাণ্ডব চালিয়েছে।   টুঙ্গা-মাকেরির বাসিন্দা আওয়াল ইব্রাহিম জানান, স্থানীয় সময় রাত তিনটার দিকে তাঁদের গ্রামে হামলা হয়। হামলাকারীরা নির্বিচারে গুলি চালিয়ে কয়েকজনকে হত্যা করে এবং দোকানপাটে আগুন লাগিয়ে দেয়। আতঙ্কে বাসিন্দারা গ্রাম ত্যাগ করতে বাধ্য হয়।   সম্প্রতি নাইজেরিয়াজুড়ে নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে। উত্তরাঞ্চলে একদিকে ইসলামপন্থী জঙ্গি দল, অন্যদিকে সশস্ত্র অপহরণকারী চক্রের তৎপরতায় সাধারণ মানুষ অনিরাপদে ভুগছে। সরকারের ওপর চাপ ক্রমশ বাড়ছে, যাতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা যায়।

নিলুফা ইয়াসমিন ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬ 0
পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও পিটিআই প্রতিষ্ঠাতা ইমরান খান

কারাবন্দি ইমরান খানকে ইসলামাবাদে নেওয়ার পরিকল্পনা

অ্যালেক্সেই নাভালনি

বিষপ্রয়োগে হত্যা করা হয়েছে অ্যালেক্সেই নাভালনিকে!

ওয়াকিল আহমেদের সঙ্গে দীপক কুমার। ছবি: বিবিসি

মুসলিম বৃদ্ধের পাশে দাঁড়িয়ে আলোচনায় এক হিন্দু যুবক

0 Comments